Tag: Missionary School

Missionary School

  • Conversion Row: খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ না করায় চাকরি খোয়ালেন মিশনারি স্কুলের হিন্দু মহিলা কর্মীরা?

    Conversion Row: খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ না করায় চাকরি খোয়ালেন মিশনারি স্কুলের হিন্দু মহিলা কর্মীরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুল কর্তৃপক্ষ তাঁদের খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করতে জোরাজুরি করছিল। মধ্যপ্রদেশের জবলপুরের সেন্ট অ্যালয়সিয়াস স্কুলের কয়েকজন হিন্দু মহিলা কর্মীর অভিযোগ (Conversion Row), ধর্ম পরিবর্তন করতে অস্বীকার করায় তাঁদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে (Madhya Pradesh)। জবলপুরের ওই ঘটনায় ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে উত্তেজনার। পুলিশের কাছে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে একটি হিন্দু সংগঠন। সদ্য চাকরি খোয়ানো হিন্দু মহিলারা স্থানীয় থানায় স্কুলের ফাদার সোমি জ্যাকব এবং কয়েকজন প্রবীণ শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁদের অভিযোগ, দু’দিন আগে তাঁদের একটি চার্চের বৈঠকে ডাকা হয়েছিল। সেখানে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করার জন্য জোরাজুরি করা হয়। রাজি না হওয়ায় চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয় তাঁদের।

    ধর্মান্তরিত হতে জোরাজুরি (Conversion Row)

    অভিযোগকারীদের দাবি, স্কুল কর্তৃপক্ষ তাঁদের স্পষ্ট জানিয়ে দেন, চাকরি রাখতে হলে তাঁদের ধর্মান্তরিত হতে হবে। নিয়মিত অংশ নিতে হবে চার্চের প্রার্থনায়। অভিযোগকারীদের মধ্যে রয়েছেন দীপা পটেলও। তিনি জানান, প্রায় দেড় বছর ধরে ওই স্কুলে সাফাইকর্মী হিসেবে কাজ করছিলেন। তাঁর অভিযোগ, ধর্ম পরিবর্তন করতে রাজি না হওয়ায় তাঁকে অপমান করা হয়, মারধর করা হয়, এবং পরে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। দীপা বলেন, “আমি ঘটনাটি ফাদারকে জানিয়েছিলাম, কিন্তু কোনও সাহায্য পাইনি।” তিনি জানান, তিনি বিধবা। তাঁর ছোট ছোট দুই সন্তান রয়েছে। আচমকা চাকরি চলে যাওয়ায় তিনি এখন ভয়ঙ্কর আর্থিক সমস্যায় পড়েছেন। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর পথে নামেন হিন্দু ধর্ম সেনার সদস্যরা। পুলিশ সুপারের দফতরে গিয়ে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি জমা দেন তাঁরা (Conversion Row)।

    টার্গেট মহিলারা 

    সংগঠনের সদস্যদের অভিযোগ, মিশনারি স্কুলগুলি দরিদ্র ও কর্মজীবী মহিলাদের আর্থিক দুরবস্থার সুযোগ নিয়ে তাঁদের টার্গেট করছে। তাঁদের দাবি, কয়েকজন শিক্ষক ও মহিলা কর্মীকে নিজেদের ধর্ম ছেড়ে হয় খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করতে বলা হয়েছে, নয়তো চাকরি ছাড়তে বলা হয়েছে। হিন্দু সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন নীরজ রাজপুত। তিনি বলেন, “পাঁচ-ছ’জন হিন্দু মহিলা কর্মীর ওপর চার্চে যাওয়া এবং খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছিল। এঁদের মধ্যে কেউ কেউ বহু বছর ধরে স্কুলে কাজ করলেও, তাঁদের বরখাস্ত করা হয়েছে। যদিও ধর্ম বদলাতে না চেয়ে তাঁরা আনুষ্ঠানিকভাবে আগেই পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে দিয়েছিলেন।” তিনি বলেন, “স্কুলের প্রিন্সিপাল ও পরিচালন কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে, বড় ধরনের আন্দোলন করা হবে।”

    পুলিশের বক্তব্য

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সূর্যকান্ত শর্মা জানান, দীপা পটেল, অমন আগরওয়াল এবং স্কুলের সঙ্গে যুক্ত আরও কয়েকজনের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন, তাঁদের ধর্ম পরিবর্তনের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল। অস্বীকার করায় চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে (Madhya Pradesh)। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে (Conversion Row)।

     

  • Missionary School: ‘ভারত মাতা কী জয়’ স্লোগান দেওয়ায় শাস্তি পড়ুয়াকে, স্কুলে বিক্ষোভ 

    Missionary School: ‘ভারত মাতা কী জয়’ স্লোগান দেওয়ায় শাস্তি পড়ুয়াকে, স্কুলে বিক্ষোভ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপরাধ বলতে স্কুলে প্রার্থনার পরে ভারত মাতা কী জয় (bharat mata ki jai) স্লোগান দেওয়া। তার জেরে মিশনারি স্কুলের (Missionary School) এক পড়ুয়াকে শাস্তি হয়েছে বলে অভিযোগ। মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) গুণা জেলার খ্রিস্ট সিনিয়র সেকেন্ডারি স্কুলের ওই ঘটনায় চাঞ্চল্য। ঘটনাটি ঘটেছিল বুধবার। যদিও প্রকাশ্যে আসে বৃহস্পতিবার, পরিবার এবং কয়েকটি সামাজিক সংগঠন স্কুল চত্বরে বিক্ষোভ দেখানের পর।

    মিশনারি স্কুলের (Missionary School) যে ছাত্রকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে, তার নাম শিবাংশ জৈন। সে বলে, জাতীয় সঙ্গীতের পর আমি ভারত মাতা কী জয় স্লোগান দিই। সেটা শুনে জাস্টিন স্যার আমার কাছে আসেন। তিনি আমাকে প্রার্থনার লাইন থেকে বেরিয়ে আসতে বলেন এবং বলেন, কী বলছ তুমি? যাও, ফাদারের কাছে যাও। ওই ছাত্র বলে, এর পরেই আমাদের হিন্দি শিক্ষক আসেন এবং আমাকে ক্লাস টিচারের সঙ্গে দেখা করতে বলেন। যখন আমি ক্লাস টিচারের সঙ্গে দেখা করি, তখন তিনি বলেন, এই স্লোগান আমার তোলা উচিত ঘরে। শিবাংশ বলে, এর পর আমি ক্লাসে যাই। লাল বাড়ির ভাইস ক্যাপটেন মনোনীত হয়েছে আমার এক সহপাঠী। তার উল্লেখ করে আমার ক্লাস টিচার জাসমিনা খাতুন বলেন, এক ছাত্র ক্লাসকে গর্বিত করছে আর আমি ক্লাসের বদনাম করছি। এর পর ওই শিক্ষিকা আমাকে চার পিরিয়ড মাটিতে বসিয়ে ক্লাস করান।

    আরও পড়ুন: গুজরাটের রশি ফের বিজেপির হাতেই, বলছে সমীক্ষা, কত আসন পাবেন জানেন?

    শিবাংশের মা বলেন, বাড়ি ফিরে ছেলে আমার নিজেকে একটি ঘরের মধ্যে বন্দি করে রাখে। খাবার না খেয়ে ঘরে পড়ে পড়ে কাঁদতে থাকে। অনেক অনুরোধ করার পরে দোর খোলে। পুরো ঘটনাটি খুলে বলে। আমি ওর বাবাকে সব জানাই। যদিও ঘটনার পরে ওই মিশনারি স্কুল (Missionary School) কর্তৃপক্ষ সার্কুলার জারি করেছে। তাতে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঘটবে না। জাতীয় সঙ্গীতের পর ভারত মাতা কী জয় স্লোগান দেওয়া চলবে। গুণার এডিএম বীরেন্দ্র সিং বাঘেল বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। শীঘ্রই দায়ের করা হবে এফআইআর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share