Tag: Mob attack

  • NIA: মালদায় জুডিশিয়াল অফিসারদের ঘেরাওয়ের তদন্তে ১২ মামলা দায়ের এনআইএ-র

    NIA: মালদায় জুডিশিয়াল অফিসারদের ঘেরাওয়ের তদন্তে ১২ মামলা দায়ের এনআইএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার পশ্চিমবঙ্গের মালদায় (Malda) ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) সংক্রান্ত কাজে নিযুক্ত জুডিশিয়াল অফিসারদের ঘেরাও করার ঘটনার তদন্তে ১২টি মামলা দায়ের করেছে জাতীয় তদন্ত সংস্থা (NIA)।

    এনআইএ-র বিবৃতি (NIA)

    গভীর রাতে প্রকাশিত বিবৃতিতে এনআইএ-র তরফে জানানো হয়েছে, তদন্তের জন্য তারা ফের মালদা জেলার মোথাবাড়ি থানায় ৭টি এবং কালিয়াচক থানায় ৫টি এফআইআর নথিভুক্ত করেছে। গত ৬ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মোতাবেক এই এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। আদালতের এই নির্দেশ মালদায় এসআইআর সংক্রান্ত কাজে নিযুক্ত জুডিশিয়াল অফিসারদের নিরাপত্তা এবং সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এনআইএ-র তদন্তকারী দল ইতিমধ্যেই এই মামলাগুলির বিস্তারিত তদন্তের জন্য মালদায় পৌঁছে গিয়েছে।”

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    সোমবার শীর্ষ আদালত মালদায় সাতজন জুডিশিয়াল অফিসারকে ঘেরাও সংক্রান্ত মামলাগুলি এনআইএ-র হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ, আমলাতন্ত্রের বিশ্বাসযোগ্যতা কমে যাচ্ছে এবং পশ্চিমবঙ্গের সচিবালয় ও সরকারি দফতরে রাজনীতি ঢুকে পড়েছে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিপুল এম পানচোলির বেঞ্চ সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের অধীনে তাঁদের পূর্ণ ক্ষমতা প্রয়োগ করে ১ এপ্রিলের ঘটনাসংক্রান্ত ১২টি মামলা হস্তান্তর করে (NIA)। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির পাঠানো একটি চিঠির ভিত্তিতে আদালত স্বতঃপ্রণোদিতভাবে বিষয়টি গ্রহণ করে। ওই চিঠিতে একটি ভয়াবহ রাতের বিবরণ দেওয়া হয়, যেখানে তিনজন মহিলা এবং পাঁচ বছরের একটি শিশু-সহ জুডিশিয়াল অফিসারদের ন’ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে খাদ্য ও জল ছাড়াই আটকে রাখে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ।

    হোতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার নির্দেশ

    মালদা জেলার কালিয়াচক এলাকায় এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার সুপ্রিম কোর্ট পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব দুষ্যন্ত নারিয়ালাকে তিরস্কার করে। ঘটনার দিন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ফোন না ধরায় নারিয়ালাকে ক্ষমাও চাইতে বলে শীর্ষ আদালত। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকে বেঞ্চের নির্দেশ, গ্রেফতার হওয়া ২৬ জন অভিযুক্তকে মামলার নথিপত্র-সহ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এনআইএ-র হাতে তুলে দিতে হবে, কারণ এই বিষয়ে স্থানীয় পুলিশের ওপর ভরসা করা যাচ্ছে না (NIA)। আদালত এনআইএকে এই ঘটনার হোতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার নির্দেশ দেয় এবং জানিয়ে দেয়, ঘটনাটি পরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই মনে হচ্ছে (Malda)।

    মূল অভিযুক্ত হেফাজতে

    পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব এবং ডিজিপির পক্ষে উপস্থিত প্রবীণ আইনজীবী সিদ্ধার্থ লুথরা আদালতে জানান, মূল অভিযুক্ত মফাকেররুল ইসলাম এবং মৌলানা মহম্মদ শাহজাহান আলি কাদরি ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন। বর্তমানে তাঁরা রয়েছেন হেফাজতে। সেদিন সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, এই ঘটনা রাজ্য প্রশাসনের সম্পূর্ণ ব্যর্থতা প্রকাশ করে এবং এটি শুধুমাত্র জুডিশিয়াল অফিসারদের ভয় দেখানোর চেষ্টা নয়, বরং সুপ্রিম কোর্টের কর্তৃত্বকেও চ্যালেঞ্জ করার শামিল। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ড থেকে প্রায় ৭০০ জুডিশিয়াল অফিসার বর্তমানে এসআইআর প্রক্রিয়ায় নিযুক্ত রয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া ৬০ লক্ষেরও বেশি আপত্তির নিষ্পত্তি করতে হচ্ছে তাঁদের।

    সর্বোচ্চ আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে,  হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে ব্যক্তিগতভাবে হস্তক্ষেপ করতে হয়েছিল এবং তিনি স্বরাষ্ট্রসচিব ও ডিজিপিকে গ্রুপ কল করেছিলেন। পরে তাঁরা প্রধান বিচারপতির বাসভবনে পৌঁছন এবং মধ্যরাতের পর আটক বিচারপতিদের মুক্ত করা হয় (NIA)। প্রধান বিচারপতি এও জানান, উদ্ধার হওয়ার পরেও জুডিশিয়াল অফিসারদের গাড়িতে পাথর ছোড়া হয়, হামলা চালানো হয় লাঠি এবং ইট দিয়েও (Malda)।

  • Hindus Under Attack: ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হিন্দু-হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত

    Hindus Under Attack: ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হিন্দু-হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ অব্যাহত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack) চলছে অবাধে। বিশ্বের অনেক অঞ্চলে এই নির্যাতন এমন একটি পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে যে তা ধীরে ধীরে গণহত্যার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে (Roundup Week)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও ব্যাপকতাকে উপেক্ষা করেছে, যার পেছনে রয়েছে উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য – সব মিলিয়ে হিন্দুরা অস্তিত্বের সংকটে। যার জেরে নজিরবিহীনভাবে চড়ছে হিন্দুদের বিরুদ্ধে ঘৃণার পারদ। ১ মার্চ থেকে ৭ মার্চ, এই সময়ে দেশ-বিদেশে কী কী ঘটনা ঘটেছে, তা একবার দেখে নেওয়া যাক, যাতে বিশ্বব্যাপী মানুষ এই মানবাধিকার সংকট সম্পর্কে সচেতন হতে পারে।

    হৃষিকেশ কীর্তন ফেস্ট (Hindus Under Attack)

    প্রথমে দেখে নেওয়া যাক এই সপ্তাহের ছবিটা। হৃষিকেশ কীর্তন ফেস্ট, ২০২৬ থেকে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, এক ভারতীয় অনুষ্ঠানের প্রবেশদ্বারে একজন বিদেশি কর্মীর সঙ্গে তর্কাতর্কি করছেন। অভিযোগ, স্থানীয় দর্শনার্থীদের প্রবেশে বাধা দিয়ে বিদেশিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছিল। দেরাদুন র’ নামের একটি ইনস্টাগ্রাম পেজে ভিডিওটি শেয়ার হওয়ার পর কয়েক দিনের মধ্যে এটি ৩,৭৮,০০০-এরও বেশি ভিউ পায় এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। মাডিকেরি তালুকের নাপোকলু গ্রামে জনৈক গৌতমকে আক্রমণ করে একদল মুসলিম যুবক। হিন্দু যুবকেরা একটি পিকআপ গাড়িতে করে বললামাভাট্টিতে অনুষ্ঠিতব্য হিন্দু সমাবেশ সম্পর্কে মাইকিং করছিলেন। অভিযোগ, কিছু ইসলামপন্থী যুবক মাইক ব্যবহারের বিরোধিতা করে এবং নাপোকলু শহরের পোনাড সুপারমার্কেটের কাছে কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। গুরুতর জখম অবস্থায় গৌতমকে চিকিৎসার জন্য মাডিকেরির জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় (Roundup Week)।

    সংবাদমাধ্যমগুলির প্রবণতা

    এদিকে, ভারতের প্রধান ইংরেজি সংবাদমাধ্যমগুলির এক দশকের প্রতিবেদনে একটি নির্দিষ্ট প্রবণতা দেখা গিয়েছে। ২০১৬ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে অন্তত ১২টি বড় সংবাদমাধ্যম হোলি উৎসবকে বিপদ, রোগ, পরিবেশগত ক্ষতি এবং জনশৃঙ্খলার ঝুঁকি হিসেবে তুলে ধরেছে। অন্যদিকে, এই একই পর্বে রমজানকে প্রায় একচেটিয়াভাবে পবিত্র, স্বাস্থ্যকর, শান্ত ও দান-ধ্যানের মাস হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এই বৈপরীত্য কেবল তথ্য বা বিজ্ঞানের বিষয় নয়, এটি একটি বর্ণনাগত পক্ষপাতকে ইঙ্গিত করে (Hindus Under Attack)।

    হোলিকা দহন উপলক্ষে উত্তেজনা

    জনৈক চন্দ্রশেখরকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেইনি সম্পর্কিত একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের কারণে ইসলামপন্থী যুবকদের একটি দল আক্রমণ করে বলে অভিযোগ। ঘটনায় কর্নাটকের কপ্পাল জেলার গঙ্গাবতী শহরে উত্তেজনা ছড়ায়। রাজকোটের ভাগবতীপাড়া এলাকায় হোলিকা দহন উপলক্ষে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, দুই মুসলিম যুবক মোটরসাইকেলে করে আগুনের কাছে বিপজ্জনকভাবে স্টান্ট করছিল। এতে উৎসবে উপস্থিত লোকজনের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিলে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোতায়েন করা হয় পুলিশ। পুথিলা পরিবার সংগঠনের কর্মীদের অভিযোগ, পুত্তুরে চলচ্চিত্র “দ্য কেরালা স্টোরি ২”-এর বিনামূল্যে প্রদর্শনী বন্ধ করার উদ্দেশ্যে বিদেশ থেকে এসেছে হুমকিমূলক ফোন। আয়োজকদের মতে, ফোনকলগুলিতে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়, দেওয়া হয় হুমকিও (Hindus Under Attack)।

    হোলি উদযাপনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

    গত ৪ মার্চ দেরাদুনের গান্ধী গ্রাম এলাকায় হোলি উদযাপনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, এক মুসলিম ব্যক্তি বছর পঁয়ষট্টির এক হিন্দু মহিলাকে চড়-থাপ্পড় মারেন। ঘটনাটির ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই উত্তেজনা ছড়ায়। দাবি ওঠে দ্রুত পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়ার (Roundup Week)। এদিকে, বাংলাদেশে অব্যাহত হিন্দুদের ওপর আক্রমণ। ধীরে ধীরে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের দেশছাড়া করার মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি গবেষণা অনুযায়ী, ধারাবাহিক ও প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে হিন্দুদের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে।

    দেশছাড়া করার কৌশল

    মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্মনিন্দার অভিযোগে গণআক্রমণ, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য—এসবই হিন্দুদের আতঙ্কিত করে দেশছাড়া করার কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে (Hindus Under Attack)। ভোলায় কীর্তন শেষে বাড়ি ফেরার পথে এক হিন্দু বোবা মহিলাকে সারারাত ধরে ধর্ষণ ও নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় নাম জড়ায় মোহাম্মদ রাকিব, মোহাম্মদ শাকিল ও মোহাম্মদ রাসেলের। রাত প্রায় ১১টার দিকে তিনি একটি অটোরিকশায় উঠেছিলেন। চালক রাকিব তাঁকে বাড়ি না নিয়ে গিয়ে শশীগঞ্জ গ্রামের একটি নির্জন সুপারি বাগানে নিয়ে যায়। সেখানেই তাঁকে দীর্ঘ সময় ধরে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ (Roundup Week)।

    চাঁদা আদায়কারীদের হামলা

    চট্টগ্রামে চাঁদা আদায়কারীদের হামলায় নিহত হয়েছেন আকাশ দাস। তিনি ধোপাপাড়া এলাকার বাসিন্দা বাবুল দাসের ছেলে। চট্টগ্রামের চান্দনাইশ উপজেলায় ডাকাতদের গুলিতে নিহত হন বছর সত্তরের চন্দন দে (Hindus Under Attack)। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার অরুয়াইল গ্রামে মন্দিরের জমি উদ্ধারের দাবিতে বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলায় অন্তত ১০ জন জখম হন, যাঁদের মধ্যে এক মহিলাও ছিলেন। বস্তুত, বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধ হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ দ্বারা প্রভাবিত, যা কিছু ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শের মধ্যে নিহিত। ইসলামি দেশগুলিতে এই ঘৃণা স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির প্রতিষ্ঠান এবং জনপরিসরেও একটি সূক্ষ্ম হিন্দু-বিরোধী মনোভাব দেখা যায়।

    এই সূক্ষ্ম বৈষম্য অনেক সময় চোখ এড়িয়ে যায়, যদি না আইন ও সামাজিক প্রবণতাগুলি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়। উদাহরণ হিসেবে দীপাবলিতে আতশবাজি নিষিদ্ধ করার ধীরে ধীরে বাড়তে থাকা প্রবণতার কথা উল্লেখ করা যায়। আপাতদৃষ্টিতে এটি পরিবেশগত সিদ্ধান্ত বলে মনে হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে দেখা যায় যে হিন্দু উৎসবগুলির ওপর (Roundup Week) বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে, সবসময় যার যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা মেলে না (Hindus Under Attack)।

     

LinkedIn
Share