Tag: Mobile

Mobile

  • 5G Jammer in Jail: বন্দিদের মধ্যে মোবাইলের রমরমা! কেন্দ্রের পরামর্শে রাজ্যের জেলগুলিতে বসছে ৫জি জ্যামার

    5G Jammer in Jail: বন্দিদের মধ্যে মোবাইলের রমরমা! কেন্দ্রের পরামর্শে রাজ্যের জেলগুলিতে বসছে ৫জি জ্যামার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দিদের মধ্যে মোবাইল ফোনের ব্যবহার ঠেকাতে নতুন প্রযুক্তির আধুনিক জ্যামার (5G Jammer in Jail) বসানোর উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য কারা দফতর। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের  (Home Ministry) পরামর্শে রাজ্যের জেলগুলিতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সম্প্রতি, রাজ্যের বিভিন্ন জেলে বাংলাদেশি জঙ্গিদের কার্যকলাপের সন্ধান পাওয়ার পর রাজ্যের কারা ও কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের মধ্যে একাধিক বৈঠক হয়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জেলের ভেতরে মোবাইল নেটওয়ার্ক সম্পূর্ণ বন্ধ করার জন্য অত্যাধুনিক জ্যামার প্রযুক্তি ব্যবহার করার পরামর্শ দেয়।

    কেন জ্যামার লাগানোর চিন্তা

    রাজ্যের কারা দফতর সূত্রে খবর, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি এবং সেখানকার জঙ্গি সংগঠনগুলির কার্যকলাপ সম্পর্কে নির্দিষ্ট খোঁজখবর নেওয়ার পরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক থেকে কিছু বিশেষ পরামর্শ পাঠানো হয় রাজ্যের কাছে। সেই পরামর্শে বলা হয়, জেলের মোবাইল ফোনের ব্যবহার ঠেকাতে নতুন প্রযুক্তির জ্যামার (5G Jammer in Jail) বসাতে হবে। তার পরেই রাজ্যের প্রায় সব জেলে জ্যামার বসানোর প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে কারা দফতর। বর্তমানে জেলে যে সব জ্যামার রয়েছে, সেগুলির প্রযুক্তি টু-জি মোবাইল নেটওয়ার্ক আটকানোর জন্য। ফলে পুরোনো জ্যামারে টু-জি ফোনের নেটওয়ার্ক ‘ব্লক’ করা যায়। কিন্তু এখন ফোনে ব্যবহার করা হয় ফোর-জি এবং ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক। ফলে জেলের জ্যামারগুলি সে ভাবে কাজে লাগছে না। সেই পরিস্থিতি সাপেক্ষেই জেলে জ্যামারের ‘প্রযুক্তিগত চরিত্র’ বদলাচ্ছে রাজ্যের কারা দফতর। 

    আরও পড়ুন: বিশ্বের আধ্যাত্মিক হৃদয় মহাকুম্ভ, প্রয়াগরাজের মহাতীর্থে মিশল ইউরোপ থেকে আমেরিকা

    কীভাবে লাগানো হবে জ্যামার

    প্রসঙ্গত, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি মুখ খুলেছেন। তাঁর অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গের জেলগুলিতে অত্যাধুনিক জ্যামার না থাকায় বাংলাদেশি জঙ্গিরা জেলের ভিতর থেকে নানা নাশকতার ছক কষছে পশ্চিমবঙ্গে। যা দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিপজ্জনক। এরপরই বিষয়টি নিয়ে সচেতন হয় রাজ্য। পশ্চিমবঙ্গে মোট ৬০টি জেল রয়েছে। তবে একসঙ্গে সব জেলে জ্যামার বসানো সম্ভব নয়। তাই ধাপে ধাপে এই কাজ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রেসিডেন্সি জেল (Presidency Jail) এবং দমদম সেন্ট্রাল জেলে (Dum Dum Central Jail) ‘টাওয়ার হারমোনিয়াস কল ব্লকিং সিস্টেম’ নামের অত্যাধুনিক জ্যামার বসানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রথমে এটি পাইলট প্রজেক্ট হিসাবে চালু করা হবে। পরে রাজ্যের অন্যান্য জেলেও আধুনিক জ্যামার বসানো হবে বলে জানা গিয়েছে। তবে নতুন প্রযুক্তি চালু হলে সংশ্লিষ্ট জেল এবং তার আশপাশের এলাকায় মোবাইল পরিষেবা ব‍্যাহত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। তাই সংশ্লিষ্ট জেলের সরকারি আধিকারিক বা আশপাশের এলাকার কিছু নম্বর যাতে ‘ছাড়’ পায়, তার বন্দোবস্ত আগে থেকে রাখা হবে। তবে তা নির্দিষ্ট কিছু মোবাইল নম্বরের জন্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Google: মোবাইল ছিনিয়ে নিলেও খুলতেই পারবে না চোর, নতুন ফিচার আনতে চলেছে গুগল

    Google: মোবাইল ছিনিয়ে নিলেও খুলতেই পারবে না চোর, নতুন ফিচার আনতে চলেছে গুগল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোবাইল (Mobile) গ্রাহকদের জন্য সুখবর নিয়ে এল গুগল (Google)। অ্যান্ড্রয়েড ফোনের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও আঁটসাঁট করতে তারা নতুন ফিচার নিয়ে আসছে। নতুন প্রযুক্তিতে ফোন চুরি গেলেও আর তথ্য হাতানো সম্ভব হবে না। কারণ ফোন খুলতেই পারবে না চোর। নতুন এই ফিচারটি স্মার্ট ফোনে ইনস্টল করা থাকলে ফোনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কয়েক গুণ বেড়ে যাবে বলেই দাবি করা হয়েছে।

    নতুন ফিচারটির নাম আইডেন্টিটি চেক (Google)

    অ্যান্ড্রয়েড ফোনে সাধারণত পিন কোড, প্যাটার্ন বা পাসওয়ার্ড দিয়েই স্ক্রিন লক করে রাখা হয়। ক্ষেত্রবিশেষে মুখ বা হাতের আঙুলের ছাপ দিয়েও লক করার পদ্ধতি রয়েছে বেশ কিছু নামী কোম্পানির ফোনে। কিন্তু, এই সব নিরাপত্তা ব্যবস্থাতেও ফাঁক থাকে। ফোনের লক সিস্টেম খোলার জন্য এখন অনেক আধুনিক পদ্ধতি বেরিয়ে গিয়েছে। অপরাধীরা খুব দ্রুতই ফোনের প্যাটার্ন, পাসওয়ার্ড বা পিন কোড হাতিয়ে নিতে পারে। অথবা বিশেষ প্রযুক্তি দিয়ে ফোনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙে ফেলতে পারে। কিন্তু, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পরিচালিত প্রযুক্তিতে তার নাগাল পাওয়াই নাকি সম্ভব নয়। গুগলের (Google) তরফে জানানো হয়েছে, নতুন ফিচারটির নাম আইডেন্টিটি চেক। এটি এমন এক ব্যবস্থা, যা নিয়ন্ত্রিত হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে। এটি পুরোপুরি ‘বায়োমেট্রিক অথেন্টিকেশন’ পদ্ধতি, যা অ্যান্ড্রয়েড ফোনের সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করবে। যদি কোনও ভাবে ফোন হারিয়ে যায় বা চুরি যায়, তা হলেও এই প্রযুক্তির লক সিস্টেমকে খোলা সম্ভব হবে না। একমাত্র যাঁর ফোন, তিনিই ফোন খুলতে পারবেন।

    আরও পড়ুন: রাস্তায় যুবতীকে চুম্বন ‘মদ্যপ’ মহিলা পুলিশকর্মীর! ভাইরাল ভিডিও, আক্রমণ বিজেপির

    কীভাবে কাজ করবে?

    এই প্রযুক্তি ফোনে ইনস্টল করে নিলে কেবলমাত্র যাঁর ফোন, তাঁর মুখ, আঙুলের ছাপ অথবা যে কোনও বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতেই ফোনটি খোলা সম্ভব হবে। আর কোনও প্রযুক্তিই সেখানে কাজ করবে না। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ‘মেশিন লার্নিং’ পদ্ধতিতে কাজ করবে এই প্রযুক্তি। ফোন অন্য কারও হাতে গেলে সঙ্গে সঙ্গে ওই লক সিস্টেম তা বুঝে যাবে। ফোনের সমস্ত সিস্টেম (Google) আপনার থেকেই লক হয়ে যাবে। কেউ চাইলেও ফোনের স্ক্রিন অথবা অন্য কোনও ফিচার অন করতেই পারবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Budget 2024: জনমুখী বাজেট মোদি সরকারের! দাম কমছে ক্যান্সারের ওষুধ থেকে মোবাইলের

    Budget 2024: জনমুখী বাজেট মোদি সরকারের! দাম কমছে ক্যান্সারের ওষুধ থেকে মোবাইলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয় মোদি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট (Budget 2024) মঙ্গলবার সংসদে পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। বাজেট অনুযায়ী, কমছে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগের চিকিৎসা-খরচ। এর পাশাপাশি মোবাইল সরঞ্জামের দামও কমতে চলেছে। গরিব-মধ্যবিত্তদের জীবন-জীবিকা সহজ করার ভাবনাই প্রতিফলিত হয়েছে এই বাজেটে, এমনটাই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। বাজেটের পরে কোন কোন জিনিস সস্তা হল? কিসেরই বা দাম বাড়ল? তারই তালিকা রইল আমাদের প্রতিবেদনে।

    জীবনদায়ী ওষুধের দাম কমছে, মোবাইলের সরঞ্জামগুলির ওপর শুল্ক কমানো হচ্ছে প্রায় ১৫ শতাংশ

    এক কথায় জনমুখী বাজেটে (Budget 2024) সরকার জীবনদায়ী ওষুধের দাম কমিয়েছে। ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধপত্রের দাম কমতে চলেছে। মারণ রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ওষুধের ওপর থেকে কর তুলে নিয়েছে মোদি সরকার। এতে ক্যান্সারের চিকিৎসায় সাধারণ মানুষের ওপর থেকে ধকল অনেকটাই কমবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। অন্যদিকে দাম কমতে চলেছে, মোবাইল ফোন, মোবাইল ফোনের জন্য ব্যবহার করা চার্জারের। এর পাশাপাশি অন্যান্য মোবাইল সরঞ্জামেরও দাম কমছে। ভারতে এমনিতেই স্মার্ট ফোন ব্যবহার করেন প্রায় ৮০ কোটি মানুষ। মোদি সরকারের এমন সিদ্ধান্তের ফলে আগামী দিনে মোবাইল আরও সহজলভ্য হবে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। মোবাইলের সরঞ্জামগুলির ওপর শুল্ক কমানো হচ্ছে প্রায় ১৫ শতাংশ।

    কমছে সোনা-রূপা- প্ল্যাটিনামের দাম (Budget 2024)

    সাধারণ মধ্যবিত্তদের মুখে হাসি ফুটিয়ে মোদি সরকার ঘোষণা করেছে দাম কমছে সোনা ও রূপার। মঙ্গলবার বাজেট পেশ করার সময় নির্মলা সীতারামন জানিয়েছেন, সোনা ও রূপার ওপর আমদানি শুল্ক ৬ শতাংশ কমানো হবে। ওয়াকিবহল মহলের মতে, এর ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে সোনা-রূপার চাহিদা আরও বাড়বে। মানুষ বেশি করে গয়না কিনতে শুরু করবেন। সোনা-রূপার সঙ্গে অন্য আরেক মূল্যবান ধাতু প্লাটিনামের ওপর থেকেও ৬.৪ শতাংশ শুল্ক কমাচ্ছে মোদি সরকার (Budget 2024)। এর ফলে দাম কমবে প্ল্যাটিনামেরও। তবে শুধু সোনা-রূপা বা প্ল্যাটিনামই নয়, দাম কমতে চলেছে নিকেল ও তামারও। এই দুটি ধাতুর ওপর থেকে সাধারণ কর একেবারেই তুলে নিয়েছে সরকার। শুধু তাই নয়, মোট ২৫টি অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ধাতুর ওপর থেকেও কর সম্পূর্ণভাবে তুলে নেওয়া হচ্ছে।

    সোলার প্যানেলের দাম কমছে

    অপ্রচলিত শক্তির ব্যবহার দেশ জুড়ে বাড়ছে, এই ব্যবহারকে আরও উৎসাহ দিতে সোলার প্যানেল তৈরির জন্য ব্যবহৃত সরঞ্জামের ওপর থেকেও কর তুলে নিচ্ছে সরকার। মঙ্গলবারই বাজেট পেশ করার সময় একথা জানিয়েছেন নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। প্রসঙ্গত, মোদি সরকার আনতে চলেছে সূর্য ঘর প্রকল্প। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বাড়ির ছাদে সোলার প্যানেল বসিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, অপ্রচলিত শক্তির উৎসগুলিকে আরও বেশি জনপ্রিয় করতেই মোদি সরকারের এমন ঘোষণা। সামুদ্রিক মাছ এবং অন্যান্য যে সামুদ্রিক খাবার রয়েছে সেগুলির ওপর থেকেও পাঁচ শতাংশ কর কমাচ্ছে মোদি সরকার।

    কোন কোন জিনিসের দাম বাড়ল

    অন্যদিকে যে সমস্ত জিনিসের দাম বাড়তে চলেছে সেগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে রয়েছে, টেলি যোগাযোগের সরঞ্জাম। সরকার এতদিন এখানে ১০ শতাংশ কর নিত। এবার থেকে তা ১৫ শতাংশ হতে চলেছে, বলে জানা যাচ্ছে। আবার প্লাস্টিকের বিভিন্ন জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি পেতে চলেছে। এর পাশাপাশি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের ওপর সাড়ে সাত শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ কর বৃদ্ধি করছে কেন্দ্র।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA: “হামলায় সরাসরি যুক্ত ছিল ধৃতরা”, আদালতে আর কী কী জানালো এনআইএ?

    NIA: “হামলায় সরাসরি যুক্ত ছিল ধৃতরা”, আদালতে আর কী কী জানালো এনআইএ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তলব করার পরও হাজিরা দেননি। এরপর সার্চ ওয়ারেন্ট নিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগরে হানা দিয়েছিল এনআইএ (NIA)। বিস্ফোরণ মামলার ঘটনার তদন্তে গিয়ে তৃণমূল কর্মী বলাই মাইতি এবং মনোব্রত জানাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়ার সময় আক্রান্ত হন এনআইএ-এর আধিকারিকরা। ভাঙচুর করা হয় গাড়ি। শনিবারই ধৃতদের এনআইএ বিশেষ আদালতে তোলা হয়। এই দু’জনকে পাঁচ দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আর্জি জানায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। বিচারক সেই নির্দেশ মঞ্জুর করেন।

    বাজেয়াপ্ত নগদ টাকা, মোবাইল (NIA)

    ধৃত দুজনকে আদালতে তোলার পর এনআইএ-এর (NIA) পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়, সার্চ ওয়ারেন্ট নিয়েই গ্রামে গিয়েছিল। শনিবার সকালের হামলার ঘটনায় বলাই মাইতি ও মনোব্রত জানা সরাসরি যুক্ত ছিল। একজন আধিকারিক জখম হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে গাড়িও। ধৃত দু’জনের বিরুদ্ধে চার জন গোপন জবানবন্দি দিয়েছেন। এর আগে যখন দু’বার হাজিরা এড়িয়েছিল, তখনই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল এনআইএ। মামলার তদন্তে ২ লাখ ৩৬ হাজার টাকা, ৪টি মোবাইল ও বেশ কিছু রেজিস্টার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

    এনআইএ-এর আইনজীবী কী বললেন?

    অভিযুক্তের আইনজীবী আদালতে বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ডাকা হয়েছিল, আবার মাঝে ডাকল না। এখন নির্বাচনের আগে ডাকা হল। কেন? ভোট আসলে ডাকা হচ্ছে কেন?’ এই যুক্তিতে অভিযুক্তদের অন্তর্বর্তী জামিনের আর্জি জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, ‘নির্দিষ্ট ভাবে একটি রাজনৈতিক দলকে টার্গেট করা হচ্ছে।’ যদিও সেই যুক্তি উড়িয়ে দেন এনআইএ-র আইনজীবী। তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক নীতি নিয়ে এনআইএ (NIA) চলে না। হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্তভার গিয়েছে এনআইএ-র কাছে। এখনও চার জন পলাতক, তাদেরও ধরতে হবে। কোনও যোগসূত্র না থাকলে গ্রেফতার হত না। যদি এদের বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ না থাকে, তাহলে ছেড়ে দেওয়া হবে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Eye Protection: একরত্তির চোখে চশমা! সন্তানের চোখ ভালো রাখতে কী করবেন?

    Eye Protection: একরত্তির চোখে চশমা! সন্তানের চোখ ভালো রাখতে কী করবেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    খাওয়ার সময় হোক কিংবা স্কুলের হোম ওয়ার্ক শেষ করা,‌ অধিকাংশ শিশুর চোখ আটকে থাকছে‌ মোবাইল বা ল্যাপটপের স্ক্রিনে। পড়াশোনা থেকে বিনোদন, সবটাই এখন নির্ভর করে ইন্টারনেটের ওপর। তাই বাড়ছে চোখের সমস্যা। কারণ স্ক্রিন টাইমের জেরে চোখের ভিতরের জল শুকিয়ে যাচ্ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কম বয়স থেকে ড্রাই আই-এর সমস্যা বাড়ছে। আর তার সঙ্গে দেখা যাচ্ছে দৃষ্টিশক্তি কমছে। খুব কম বয়স থেকেই বহু শিশুকেই চশমা পরতে হচ্ছে। সন্তানের দৃষ্টিশক্তি নিয়ে চিন্তিত বহু অভিভাবক। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে তাই খাবারে বিশেষ নজরদারি (Eye Protection) জরুরি।

    কীভাবে সন্তানের চোখের যত্ন নেবেন?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সন্তানের স্ক্রিন টাইম নিয়ে বিশেষ সতর্ক থাকা জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, কতক্ষণ একটানা মোবাইল বা ল্যাপটপের স্ক্রিনে সন্তান চোখ রাখবে, সেটা নির্ধারণ করে দিতে হবে। পাশপাশি দিনে একাধিকবার চোখ পরিষ্কার জলে ধুতে হবে। তবে এই সবকিছুর পাশাপাশি নজর দিতে হবে কোন ধরনের খাবার খাওয়া হচ্ছে। কারণ, কিছু ঘরোয়া খাবার নিয়মিত খেলে দৃষ্টিশক্তি বাড়ে (Eye Protection)।

    কোন খাবারের পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদেরা? (Eye Protection)

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাবার খেলে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, নিয়মিত ছোট মাছ খাওয়া জরুরি। পুঁটি, মৌরলা, ছোট চিংড়ির মতো মাছ নিয়মিত খেলে চোখের উপকার হয়। দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে। কারণ এই মাছে ভিটামিন ই এবং ওমেগা থ্রি থাকে। যা চোখের জন্য উপকারী (Eye Protection)। এর পাশাপাশি নিয়মিত আমলকি খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, আমলকিতেও ভিটামিন ই থাকে। তাই নিয়মিত খাওয়ার পরে আমলকি খেলে চোখ ভালো থাকে। 

    যষ্ঠিমধু ও ডিমের কুসুম 

    যষ্ঠিমধু চোখের জন্য বাড়তি উপকারী বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, দুধে সঙ্গে যষ্ঠিমধুর গুঁড়ো মিশিয়ে নিয়মিত খেলে চোখ শুষ্ক হয়ে যাওয়ার সমস্যা কমে। নিয়মিত ডিম খেলে বিশেষত ডিমের কুসুম খেলে চোখের একাধিক সমস্যা কমে (Eye Protection) বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ডিমের কুসুমে একাধিক ভিটামিন রয়েছে। শরীরে ভিটামিন, বি, সি এবং ই-র মূল জোগান দেয় ডিমের কুসুম। তাই নিয়মিত ডিম খেলে চোখের সমস্যা কমে। 

    পালং, পুঁই, লাউয়ের মতো শাক (Eye Protection)

    সন্তানকে নিয়মিত বিভিন্ন রকম শাক খাওয়ানোর পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, সবুজ শাক যেমন, পালং, পুঁই, লাউয়ের মতো শাক নিয়মিত খেলে চোখ ভালো থাকে। কারণ এই ধরনের শাক চোখকে ইউভি রশ্মি থেকে বাঁচতে সাহায্য করে। এর জেরে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে (Eye Protection)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fraud: রাজ্যে সক্রিয় ওটিপি প্রতারণাচক্র, চিন-পাকিস্তান যোগ! কীভাবে জালিয়াতি?

    Fraud: রাজ্যে সক্রিয় ওটিপি প্রতারণাচক্র, চিন-পাকিস্তান যোগ! কীভাবে জালিয়াতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যজুড়ে ফের সক্রিয় হয়েছে প্রতারণাচক্র। প্রতারকরা নিত্যনতুন কৌশল প্রয়োগ করে প্রতারণার (Fraud) ছক কষে। এবার ওটিপি কেনাবেচার একটি চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। হোয়াটসঅ্যাপে ওটিপি বিক্রির অবৈধ চক্র চালানোর অভিযোগে মূল পাণ্ডাকে হিমাচল প্রদেশ থেকে গ্রেফতার করল বেঙ্গল এসটিএফ। ওই চক্রের জাল পাকিস্তান এবং চিনে ছড়িয়ে থাকতে পারে, এমন সম্ভাবনার কথাও উড়িয়ে দিচ্ছে না পুলিশ। মুর্শিদাবাদে দায়ের হওয়া একটি অভিযোগ থেকেই এই চক্রের হদিশ মেলে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    কীভাবে প্রতারণার ছক? (Fraud)

    পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, সাধারণত প্রতারকরা সিম ক্লোন করে ওটিপি সংগ্রহ করে। ধরা যাক একটি ফোন নম্বরের সিম ক্লোন করা হল, তারপর থেকে ওটিপি যাবে ওই ভুয়ো নম্বরে। ফলে, সহজেই গ্রাহকের তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হবে। একদল লোক সিম ক্লোন করার কাজে যুক্ত থাকে, আবার আর একদল ওটিপি বিক্রি করে বলে জানা যায়। মোটা টাকার বিনিময়ে বিদেশে তথ্য পাচার করে দেওয়া হত। প্রতারকরা বিদেশে কী কী তথ্য পাচার করেছে তা জানার চেষ্টা করেছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

    পাকিস্তান-চিন যোগ!

    দু সপ্তাহ আগে মুর্শিদাবাদ, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান জেলা থেকে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে এসটিএফ। মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল ওটিপি কেনাবেচার অভিযোগে। এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, নকল সিম কার্ড বানিয়ে ওটিপি তৈরি করা হয়, তারপর ওটিপি বিক্রি করে দেওয়া হয় হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে। মুর্শিদাবাদে দায়ের হওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়। ধৃতদের জেরা করার পর পুলিশ হিমাচল প্রদেশের বাসিন্দা গৌরব শর্মার নাম পুলিশ জানতে পারে। জানা যায়, ওটিপি কেনাবেচার আন্তর্জাতিক প্রতারণা (Fraud) চক্রের সঙ্গে যোগ রয়েছে গৌরব শর্মার। জানা গিয়েছে, বিভিন্ন অনলাইন পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা থেকে ওটিপি সংগ্রহ করেন ওই ব্যক্তি। তারপর ফোন নম্বর সহ ওটিপি বিক্রি করে দেওয়া হয় হোয়াটসঅ্যাপ বা টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে। টাকার লেনদেন হয় ইউপিআই-এর মাধ্যমে। ওই ব্যক্তির সঙ্গে পাকিস্তান ও চিনের লোকজনের লেনদেন হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না গোয়েন্দারা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dry Eye: ভারতে কেন বাড়ছে শুষ্ক চোখের সমস্যা? কীভাবে এর মোকাবিলা করবেন? 

    Dry Eye: ভারতে কেন বাড়ছে শুষ্ক চোখের সমস্যা? কীভাবে এর মোকাবিলা করবেন? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    আধুনিক জীবনে কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইল নিত্য সঙ্গী। কাজের প্রয়োজন থেকে বিনোদন, সবটাই এখন স্ক্রিনে বন্দি। স্কুল পড়ুয়াদের পড়াশোনা থেকে অফিসের মিটিং, সব কিছুতেই ভরসা ল্যাপটপ কিংবা মোবাইলের স্ক্রিন। আর তার জেরেই বাড়ছে বিপদ! ভারতীয়দের চোখের জল শুকিয়ে যাচ্ছে! চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ড্রাই আই (Dry Eye) সমস্যায় ভুগছে প্রায় গোটা প্রজন্ম!

    কী বলছে সমীক্ষা? 

    কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে চোখের সমস্যা বাড়ছে। বিশেষত, শুষ্ক চোখ বা ড্রাই আইয়ের (Dry Eye) সমস্যা বাড়ছে। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে ৪৫ শতাংশ শহুরে ভারতীয় ড্রাই আই সমস্যায় ভুগবেন। বিশেষত, কম বয়সীদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি। স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যেও এই চোখের শুষ্কতার সমস্যা দেখা দিচ্ছে। যা যথেষ্ট উদ্বেগের বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা।

    শুষ্ক চোখ কী?

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, চোখে জল কমে যাওয়া হল শুষ্ক চোখ (Dry Eye)। এর জেরে চোখে দেখতে সমস্যা হয়। তাছাড়া চোখ লাল হয়ে যায়, যন্ত্রণা হয়। চোখে কড় কড় ভাব বাড়ে। ফলে, যে কোনও জিনিস লক্ষ্য করতেও সমস্যা হয়।

    কেন হয় চোখের শুষ্কতা? 

    ভারতে চোখের শুষ্কতার সমস্যা বাড়ার অন্যতম কারণ, স্ক্রিন টাইম! এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, দিনের মধ্যে অধিকাংশ সময় এখন মানুষ ল্যাপটপ, কম্পিউটার বা মোবাইলের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকেন। আর একটানা তাকিয়ে থাকার জেরে স্ক্রিনে যে আলো থাকে, তার সরাসরি প্রভাব চোখের উপর পড়ে। আর সেই আলোর জেরেই চোখের আর্দ্রতা কমে যায়। 
    তবে, চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, নান শারীরিক জটিলতার কারণেও চোখের আর্দ্রতা কমতে থাকে। যেমন ডায়বেটিস থাকলে অনেক সময় চোখে এই ধরনের সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। তাছাড়া, বিভিন্ন হরমোন ঘটিত সমস্যা থাকলেও চোখের শুষ্কতার (Dry Eye) সমস্যা হতে পারে।

    কীভাবে মোকাবিলা করবেন? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, একটু সতর্কতা বিপদ কমাতে পারে। চিকিৎসকদের পরামর্শ, একটানা আধঘণ্টার বেশি স্ক্রিন টাইম করা উচিত নয়। বিশেষত স্কুল পড়ুয়াদের জন্য বিশেষ সতর্কতা জরুরি বলেই তাঁরা জানাচ্ছেন। তাঁদের পরামর্শ, একটানা ল্যাপটপ বা কম্পিউটার ব্যবহার করা উচিত নয়। আধ ঘণ্টা অন্তর চোখের বিশ্রাম জরুরি। 
    তবে, কাজের জন্য অনেকেই একটানা কম্পিউটার বা ল্যাপটপ ব্যবহার করতে বাধ্য হন। তাঁদের জন্য চিকিৎসকদের পরামর্শ, এক নাগাড়ে ল্যাপটপের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকবেন না। অন্তত বার বার চোখের পাতা ফেলা দরকার। চোখ বন্ধ-খোলা বার বার করলে ঝুঁকি (Dry Eye) কিছুটা কমবে। 
    পাশাপাশি, চিকিৎসকদের পরামর্শ, চোখের মণি গোল করে ঘোরানো দরকার। বিশেষত, যাঁরা ল্যাপটপ বা কম্পিউটারে দীর্ঘক্ষণ কাজ করেন, তাঁরা দিনে একাধিকবার চোখের মণি গোল করে ঘুরিয়ে এই ব্যায়াম করতে পারেন। 
    বার বার চোখ জল দিয়ে ধোয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, এতে চোখের আরাম হয়। লাগাতার আলো পড়ার জেরে যে ক্লান্তি আসে, সেটাও কিছুটা কমে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CBI Raid: উদ্ধার বড়ঞার তৃণমূল বিধায়কের দ্বিতীয় মোবাইল, কীসের খোঁজে ফের তল্লাশি পুকুরে?

    CBI Raid: উদ্ধার বড়ঞার তৃণমূল বিধায়কের দ্বিতীয় মোবাইল, কীসের খোঁজে ফের তল্লাশি পুকুরে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর উপযুক্ত তথ্য প্রমাণ হাতে পেয়ে সোমবার ভোরেই মুর্শিদাবাদের বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এবার খোঁজ মিলল দ্বিতীয় মোবাইলেরও। ১৪ এপ্রিল সিবিআইয়ের নজর এড়িয়ে তৃণমূল বিধায়ক দুটি মোবাইল বাড়ির পাশে পুকুরে ফেলে দিয়েছিলেন। শুক্রবার রাত থেকে ওই পুকুরের জল বের করার কাজ শুরু হয়। মোবাইল উদ্ধার করা কী সম্ভব, তা নিয়ে তিনদিন ধরে চর্চা হয়েছে। সিবিআই (CBI Raid) আধিকারিকরাও তিনটে পাম্প নামিয়ে পুকুর থেকে জল তোলার উদ্যোগ নেন। আর এই কাজে হাত লাগিয়েছিলেন স্থানীয় শ্রমিক এবং মত্স্যজীবীরা। রবিবার সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ পুকুরের ভিতর থেকে একটি মোবাইল উদ্ধার করা সম্ভব হয়। পরে, বাকী আরও একটি মোবাইলের খোঁজে নতুন করে তল্লাশি শুরু হয়। সেই মতো সিবিআই (CBI Raid) ফের পুকুর থেকে মোবাইল খোঁজার উদ্যোগ নেয়। অবশেষে আরও একটি মোবাইলও উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এখন পেনড্রাইভ, হার্ডডিস্কের খোঁজে পুকুরে জোরদার তল্লাশি চলছে। বিস্তারিত আসছে।

    কার খোঁজে পুকুরে ফের তল্লাশি?

    শুক্রবার বেলা ১২ টা নাগাদ সিবিআই (CBI Raid)  বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার বাড়িতে হানা দেয়। দিনভর চলে তল্লাশি। তৃণমূল বিধায়ককে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। শুক্রবার বিকেলের দিকে সিবিআই আধিকারিকদের নজর এড়িয়ে তৃণমূল বিধায়ক তাঁর দুটি মোবাইল এবং পেনড্রাইভ, হার্ডডিস্ক বাড়ির পাশে পুকুরে ফেলে দেন। এরপরই সিবিআই (CBI Raid) আধিকারিকরা মোবাইলের খোঁজে পুকুরে জল বের করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। নামানো হয় তিনটি পাম্প। শনিবার সকালের মধ্যে জল অনেকটাই কমে যায়। প্রথমদিকে ৪ জন শ্রমিক এবং একজন মত্স্যজীবী মোবাইল খোঁজার কাজ শুরু করেন। কিন্তু, তা পর্যাপ্ত নয় বলে শ্রমিকের সংখ্যা আরও বাড়ানো হয়। পুকুরে নামানো হয় জেসিবি। রবিবার সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ প্রথম ফোনটি উদ্ধার হয়। তবে, এই ফোনটি সম্ভবত বিধায়কের নিজের নয়। সেটি বিধায়কের স্ত্রীর ফোন। আর মোবাইলের সঙ্গে রবিবার পুকুর থেকে উদ্ধার হয়েছিল দুটি বোয়াল, ২২টি কই মাছ, ৩০টি শিঙি, দুটি শোল মাছ। পরে, দ্বিতীয় মোবাইলের খোঁজে পুকুরে ২২ জন শ্রমিককে নামানো হয়। তারমধ্যে সঞ্জীব বাগদি নামে এক শ্রমিকের হাতেই দ্বিতীয় মোবাইলটি ওঠে। পুকুরের মধ্যে মোবাইলের সঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক পেনড্রাইভ, হার্ডডিস্ক ফেলেছিলেন। তার খোঁজে পুকুরে নতুন করে ফের তল্লাশি শুরু হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CBI Raid: পুকুর থেকে উদ্ধার একটি মোবাইল, তৃণমূল বিধায়ককে নিয়ে কোন ঘটনার পুনর্নির্মাণ করল সিবিআই?

    CBI Raid: পুকুর থেকে উদ্ধার একটি মোবাইল, তৃণমূল বিধায়ককে নিয়ে কোন ঘটনার পুনর্নির্মাণ করল সিবিআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের বড়ঞার তৃণমূল বিধায়কের সেই পুকুরের দিকে শুধু এলাকাবাসী নয়, রাজ্যের মানুষের নজর ছিল। ওই পুকুরের জল তুলে মোবাইল উদ্ধার করা কী সম্ভব, তা নিয়ে শনিবার দিনভর চর্চা হয়েছে। সিবিআই (CBI Raid) আধিকারিকরাও তিনটে পাম্প নামিয়ে পুকুর থেকে জল তোলার উদ্যোগ নেন। আর এই কাজে হাত লাগিয়েছিলেন স্থানীয় ৪ জন শ্রমিক এবং একজন মত্স্যজীবী। দুদিন ধরে টানা কাজ করার পর রবিবার সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ পুকুরের ভিতর থেকে একটি মোবাইল উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। আরও একটি মোবাইল পুকুরে রয়েছে বলে সিবিআই (CBI Raid) আধিকারিকরা আশঙ্কা করছেন। সেই মোবাইলের খোঁজে এদিন সকাল থেকে পুকুরে তল্লাশি চলছে।

    মোবাইল উদ্ধারের পর কী করল সিবিআই (CBI Raid)?

    শুক্রবার বেলা ১২ টা নাগাদ সিবিআই তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে আচমকা হানা দেয়। বাড়িতে চলে তল্লাশি। ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বিধায়ককে। আর সিবিআইয়ের (CBI Raid) নজর এড়িয়ে কীভাবে কৌশলে নিজের দুটি মোবাইল পুকুরে তৃণমূল বিধায়ক ফেলেছিলেন? কীভাবে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন? এদিন তৃণমূল বিধায়ককে বাড়ির ছাদে তুলে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করে সিবিআই (CBI Raid)। এমনকী পুকুর থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইলটি বিধায়ককে দেখিয়ে সনাক্ত করেন সিবিআই (CBI Raid) আধিকারিকরা।  আর পুনর্নির্মাণের সমস্ত কিছু সিবিআই (CBI Raid) আধিকারিকরা ভিডিও রেকর্ডিং করে রাখেন। সেই সংক্রান্ত নথিতে তৃণমূল বিধায়ককে স্বাক্ষর করানো হয়।

    পুকুর থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইলে তথ্য সংরক্ষণ নিয়ে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা কী বললেন?

    প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, মোবাইলে হার্ডওয়্যার যদি ঠিকঠাক থাকে, তথ্য পেতে কোনও সমস্যা হবে না। আর মোবাইল চালু অবস্থায় কাদায় ফেলা হলে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটগুলো নষ্ট হয়ে যেতে পারে। মোবাইলে একাধিক আইসি ও ইন্টার্নাল স্টোরেজ নষ্ট হয়ে গেলে তা থেকে তথ্য উদ্ধার করা বেশ কষ্টকর। তবে, জানা গিয়েছে, মোবাইল জলে ডুবে থাকলেও ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের মোবাইল থেকে তথ্য পেতে খুব বেশি সমস্যা হয় না। এক্ষেত্রে ঘটনাস্থলে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা উদ্ধার হওয়া মোবাইল খতিয়ে দেখছেন। আরও একটি মোবাইল কখন উদ্ধার হয় সেদিকে তাকিয়ে রয়েছেন সিবিআই (CBI Raid) আধিকারিকরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share