Tag: Mocha

Mocha

  • Cyclone Mocha: ধেয়ে আসছে মোকা! শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপ পরিণত হবে ঘূর্ণিঝড়ে, চরম সতর্কতা

    Cyclone Mocha: ধেয়ে আসছে মোকা! শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপ পরিণত হবে ঘূর্ণিঝড়ে, চরম সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মোকা (Cyclone Mocha)। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত, ক্রমেই তা সোমবার থেকে নিম্নচাপের রূপ নেবে। তারপর শক্তি বাড়িয়ে তা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। প্রশ্ন হল, কোথায় আছড়ে পড়বে এই ঘূর্ণিঝড়? মৌসম ভবনের কথায়, তিনটি উপকূলবর্তী রাজ্যে মোকার (Cyclone Mocha) আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সেগুলি হল অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গ। তবে শোনা যাচ্ছে, অন্ধ্রপ্রদেশে এই ঝড় আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা এখন কম। বাকি থাকল দুই রাজ্য ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গ। তবে মোকার প্রভাবে তামিলনাড়ু, কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশে ব্যাপক বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে হাওয়া অফিস। মোকার (Cyclone Mocha) আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে ৯ কিংবা ১০ মে। ইতিমধ্যে রবিবারের মধ্যে মৎস্যজীবীদের ফিরে আসার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে ব্যাপক বৃষ্টিপাত। হাওয়া অফিস বলছে, ৮ থেকে ১১ মে আন্দামানে এই বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। সঙ্গে ৬০ থেকে ৯০ কিলোমিটার বেগে বইবে ঝোড়ো হাওয়া। তবে ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ কিমিও হতে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

    সোমবার থেকে নিম্নচাপের প্রভাবে তাপমাত্রা বাড়বে পশ্চিমবঙ্গে  

    সোমবার থেকে নিম্নচাপের কারণে তাপমাত্রা বাড়তে থাকবে পশ্চিমবঙ্গে। মৌসম ভবন বলছে, সোমবার থেকেই জেলাগুলিতে তাপমাত্রার পারদ ৪০ ছুঁইছুঁই হবে। একই অবস্থা থাকবে কলকাতাতেও। তবে গত এপ্রিলমাসের মতো তাপপ্রবাহের যে সম্ভাবনা নেই, সে কথাও জানিয়েছে হাওয়া অফিস। অন্যদিকে বুধবার অবধি দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। রবিবার ছিটেফোঁটা বৃষ্টি হতে পারে পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা জেলায়। বুধবার অবধি দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ৫ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। অন্যদিকে কালিম্পং ও দার্জিলিঙে রবিবার বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyclone: মধ্যরাতেই শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে মোকা, শুক্রে কমবে তাপমাত্রা

    Cyclone: মধ্যরাতেই শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে মোকা, শুক্রে কমবে তাপমাত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ বৃহস্পতিবার। আজ মধ্যরাতেই শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে (Cyclone) পরিণত হবে মোকা (Mocha)। ভারতের আবহাওয়া দফতরের তরফে এই খবর মিলেছে। ওই দফতরের তরফে ট্যুইট-বার্তায় বলা হয়েছে, পোর্ট ব্লেয়ারের প্রায় ৫১০ কিমি পশ্চিম-দক্ষিণ পশ্চিমে এবং বাংলাদেশের কক্সবাজার থেকে ১১৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছে। আজ মধ্যরাতেই সেটি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নেবে। স্বাভাবিকভাবেই বাড়বে এর গতি এবং শক্তি।

    ঘূর্ণিঝড় (Cyclone)…

    আবহাওয়া বিভাগের জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দক্ষিণ পূর্ব বঙ্গোপসাগরের গভীর নিম্নচাপটি গত ছ ঘণ্টায় ৮ কিলোমিটার বেগে উত্তর-উত্তর পশ্চিম দিকে সরে গিয়েছে। এটি ঘূর্ণিঝড় মোকা হিসেবে ঘনীভূত হয়েছে। ১১ মে ২০২৩ তারিখে সন্ধে সাড়ে ৫টায় কেন্দ্রীভূত হয়েছে। ১১.২ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮.১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশের কাছাকাছি এই অঞ্চল, পোর্ট ব্লেয়ারের প্রায় ৫১০ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণ পশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ১২১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে এবং মায়ানমারের সিত্তে থেকে ১১২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছে।

    বিবৃতি জারি করেছে ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনীও। ওই বিবৃতি থেকে জানা গিয়েছে, মোকার (Cyclone) জন্য ভারতের আবহাওয়া দফতরের তরফে সতর্কবার্তা পাওয়ার পর হাই অ্যালার্ট এলাকায় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, মোকা সংক্রান্ত যেসব আপডেট পাওয়া যাচ্ছে, তা মৎস্য দফতর এবং সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনকে শেয়ার করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুুন: রামনবমীর মিছিলে অশান্তি, ৬টি এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু এনআইএ-র

    তবে মোকা নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই বলেই সোমবার জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, মোকাকে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। যদি পরিস্থিতি বিপ্রতীপ হয়, তাহলে আমরা উপকূল অঞ্চল থেকে মানুষকে উদ্ধার করব। ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশ ও মায়ানমারের দিকে চলে যাবে।

    মোকার (Cyclone) প্রভাবে শনি ও রবিবার কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি হতে পারে। শুক্রবার সামান্য কমতে পারে তাপমাত্রা। তবে আগামী সপ্তাহের শুরুতে বাংলায় ফের তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দফতর। এদিকে, মোকার মোকাবিলায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপে মহকুমা শাসকের দফতরে খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। সেখান থেকে নজর রাখা হচ্ছে পরিস্থিতির ওপর। কাকদ্বীপের মহকুমা শাসক অরণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, মহকুমায় ঝড়ের মোকাবিলায় ৬৪টি বহুমুখী সাইক্লোন শেল্টার, ১২টি ফ্লাড শেল্টার এবং ১৫৪টি অস্থায়ী জায়গা প্রস্তুত করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyclone: বাংলাদেশ-মায়ানমার উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে ‘মোকা’, শুক্র থেকে রাজ্যে বৃষ্টি?

    Cyclone: বাংলাদেশ-মায়ানমার উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে ‘মোকা’, শুক্র থেকে রাজ্যে বৃষ্টি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ সুস্পষ্ট নিম্নচাপে পরিণত হল বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, মঙ্গলবার সন্ধের মধ্যেই নিম্নচাপ পরিণত হবে গভীর নিম্নচাপে। বুধবার পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ঘূর্ণিঝড়ে (Cyclone)। ১৪ থেকে ১৫ মে-র মধ্যে ওই ঘূর্ণিঝড় ঘণ্টায় ১৫০ কিমি বেগে আছড়ে পড়তে পারে বাংলাদেশ-মায়ানমার উপকূলে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের অধিকর্তা সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, গতকালের নিম্নচাপ আরও একটু ঘনীভূত হয়েছে। ১০ তারিখে সেটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। বাংলাদেশ ও মায়ানমার উপকূলের দিকে সেটির অভিমুখ হতে পারে।

    ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone) প্রভাব…

    এদিকে, প্রবল গরমে পুড়ছে দক্ষিণবঙ্গ। রাজ্যের কয়েকটি জেলায় জারি হয়েছে তাপপ্রবাহের সতর্কতা। এরই মধ্যে এল বৃষ্টির পূর্বাভাস। আলিপুর আবহাওয়া দফতর মঙ্গলবার জানাল, সপ্তাহান্তের শুরুতেই রাজ্যে বেশ কিছু জেলায় (Cyclone) বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। যা চলবে রবিবার পর্যন্ত। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, শুক্রবার থেকে বৃষ্টি শুরু হতে পারে কলকাতা সংলগ্ন এবং রাজ্যের উপকূলবর্তী চার জেলায়। আপাতত উপকূলবর্তী দুই ২৪ পরগনা এবং মেদিনীপুরে তিনদিন বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছেন আবহবিদরা। আলিপুর হাওয়া অফিসের অধিকর্তা বলেন, ১০ তারিখ তাপমাত্রা বাড়বে। পূর্ব মেদিনীপুর, কলকাতা ছাড়া দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় আগামিকাল তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হবে। তবে আগামী ১২ ও ১৩ মে রাজ্যের উপকূলবর্তী তিন জেলা অর্থাৎ দুই ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    এদিকে, উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির মধ্যে ১১ মে মালদহ ও দক্ষিণ দিনাজপুরে তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তবে উত্তরবঙ্গের দুই জেলা দার্জিলিং ও কালিম্পঙের পাশাপাশি জলপাইগুড়িতে আগামী ২৪ ঘণ্টায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

    আরও পড়ুুন: “স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পরিকাঠামো না থাকা সরকারের ব্যর্থতা,” রাজ্যকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    আবহবিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, ১৪ মে সকাল থেকে ১৫ মে সকালের মধ্যে ঘূর্ণঝড় (Cyclone) মোকা বাংলাদেশ বা মায়ানমার উপকূল দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করবে। তাঁদের অনুমান সঠিক হলে, মোকার উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবেশ করার সম্ভাবনা অনেকটাই কম। মোকা উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবেশ না করলে পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে মেঘলা আকাশ, হালকা বৃষ্টি ও সামান্য ঝোড়ো বাতাস ছাড়া আর কোনও প্রভাব সেভাবে পড়বে না বলেই অনুমান আবহবিদদের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Weather Update: বাতাস থেকে জলীয় বাষ্প শুষে নিচ্ছে ‘মোকা’! দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে তাপপ্রবাহের ভ্রুকুটি

    Weather Update: বাতাস থেকে জলীয় বাষ্প শুষে নিচ্ছে ‘মোকা’! দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে তাপপ্রবাহের ভ্রুকুটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’-র কারণে ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে তাপমাত্রা। হাওয়া অফিসের (Weather Update) তরফে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলায় তাপপ্রবাহের পূর্বভাস জারি করা হয়েছে। মঙ্গলবার, সকাল থেকেই ঘামছে শহরবাসী। অস্বস্তিকর আবহাওয়া। সোমবার রাজ্যে ১৪টি জায়গায় তাপমাত্রা ছাড়াল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সল্টলেকেও তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়ে গেল। মঙ্গলবারও, দিনের বেলা লু বইবে শহরে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনাই নেই।

    ফুটছে বাংলা

    হাওয়া অফিস (Weather Update) জানিয়েছে, মঙ্গলবার থেকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় তাপপ্রবাহ চলবে। যার রেশ চলবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গের হাওড়া, হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, দুই বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া এবং বীরভূম— এই ৮ জেলায় তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি তৈরি হতে চলেছে। তবে বুধবার তাপপ্রবাহ চলবে দক্ষিণবঙ্গের প্রতিটি জেলাতেই। বৃহস্পতিবার তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি তৈরি হবে পুরুলিয়া, দুই বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম এবং বাঁকুড়ায়। শুক্রবার থেকে আবহাওয়ায় পরিবর্তন আসতে পারে বলেও হাওয়া অফিস সূত্রে খবর।

    আরও পড়ুন: নারী শক্তির জয়! ২০২৪ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে কি শুধুই মেয়েরা?

    সাইক্লোন ‘মোকা’-র (Cyclone Mocha) জেরেই বাংলায়  ক্রমশ বাড়ছে তাপমাত্রার পারদ। আলিপুর সূত্রে খবর, আপাতত বাংলায় সাইক্লোন আছড়ে পড়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। বরং বাংলাদেশ অভিমুখী এই ঘূর্ণিঝড় এ রাজ্য থেকে সমস্ত জলীয় বাষ্প শুষে নিয়ে পারদ পৌঁছে দিচ্ছে ৪০ ডিগ্রির উপরে। মৌসম ভবন জানাচ্ছে, গভীর নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। যা ইতিমধ্যেই শক্তি বাড়াতে শুরু করেছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। এই ঝড় মূলত উত্তর এবং উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এর ল্যান্ডফল (Cyclone Mocha Landfall) হতে পারে বাংলাদেশ এবং মায়ানমারের উপকূলভাগে। এই ঘূর্ণিঝড় গাঙ্গেয় দক্ষিণবঙ্গ এবং পশ্চিমাঞ্চল থেকে সমস্ত জলীয় বাষ্প শুষে নিচ্ছে। ফলে মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবারের মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ের ল্যান্ডফল চলাকালীন বাংলায় তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হবে। শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে রাজ্য জুড়ে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Mocha: আসছে ঘূর্ণিঝড় মোখা! জানেন কোথায় আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা?

    Cyclone Mocha: আসছে ঘূর্ণিঝড় মোখা! জানেন কোথায় আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে চলেছে ঘূর্ণিঝড় মোখা। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস মতোই শনিবার দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হল। আগামী ২৪ ঘণ্টায় ওই অঞ্চলে নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবার সকালেই নিম্নচাপ তৈরি হতে পারে। এই নিম্নচাপই পরবর্তী সময়ে আরও গভীর হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আন্দামান নিকোবরে সতর্কতা

    আইএমডি জানিয়েছে, ৮ মে নাগাদ বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পূর্বে এই ঘূর্ণিঝড়টি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশায় এর প্রভাব পড়বে, বলে অনুমান আবহবিদদের। এই নিম্নচাপের প্রভাব আন্দামান নিকোবরে পড়তে শুরু করবে আগামীকাল থেকেই। রবিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের সময় উপকূলবর্তী এলাকায় ৪০-৫০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সতর্কতা জারি করা হয়েছে মৎস্যজীবীদের জন্য। রবিবার বিকেলের মধ্যে মৎস্যজীবীদের উপকূলে ফিরে আসতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভেসেল চলাচল ও সমুদ্রপাড়ে কোনও কাজ বন্ধ রাখতে নির্দেশ।

    ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ

    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সোমবার বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে এটি আরও ঘনীভূত হবে। এর পর এটি প্রায় উত্তর দিকে আরও ঘনীভূত হয়ে মধ্য বঙ্গোপসাগরের দিকে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা। তবে ঘূর্ণিঝড় কোন পথ দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘূর্ণিঝড়টি একেবারে তৈরি হলে তারপরেই এর গতিপথ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা মিলবে।

    আরও পড়ুন: ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ায় শীর্ষে বাংলা! উদ্বেগজনক রিপোর্ট স্বাস্থ্যমন্ত্রকের

    বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত তৈরির পর সামগ্রিক পরিস্থিতির উপর সর্বদা নজর রাখছেন আবহবিদরা। ইতিমধ্যেই ঘূর্ণিঝড় ঘিরে তৎপর হয়েছে রাজ্য প্রশাসন। বিধাননগর এলাকায় গাছ কাটা শুরু হয়েছে। দুর্যোগ সামলাতে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে দাবি কলকাতা পুর কর্তৃপক্ষের। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি ওড়িশাতেও তৎপরতা শুরু হয়েছে। সে রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিকে আগাম প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হলেও বুধবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। উল্টে ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি বাড়বে তাপমাত্রা। উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলবে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Mocha: আজ, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে পারে ঘূর্ণাবর্ত! ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’র সতর্কবার্তা

    Cyclone Mocha: আজ, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে তৈরি হতে পারে ঘূর্ণাবর্ত! ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’র সতর্কবার্তা

    মাধ্যম  নিউজ ডেস্ক: বছরের প্রথম ঘূর্ণিঝড়ের জন্য ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে মৌসম ভবন। আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে রাজ্য প্রশাসনগুলির তরফে। আজ, শনিবার দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে তৈরি হবে একটি ঘূর্ণাবর্ত। ৭ মে সেই ঘূর্ণাবর্ত পরিণত হতে পারে নিম্নচাপে (Depression)। তারপর সোমবার, ৮ মে সেটি গভীর নিম্নচাপে (Deep Depression) পরিণত হয়ে উত্তর অভিমুখে মধ্য বঙ্গোপসাগরের দিকে এগনোর সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার (৯ মে) ওই গভীর নিম্নচাপটি মধ্য বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। শুক্রবার মৌসম ভবনের তরফে জানানো হয়, নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার পরই ঘূর্ণিঝড় নিয়ে ছবিটা স্পষ্ট হবে। এখনও পর্যন্ত একটা পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে মাত্র। 

    ঘূর্ণিঝড় নিয়ে শঙ্কা

    ঘূর্ণিঝড় নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে ওড়িশা। ঝড় মোকাবিলায় আগেভাগেই প্রশাসনকে সতর্ক করেছেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক। উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও করেছেন।  এখনও পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ নিয়ে কোনও পূর্বাভাস দেওয়া হয়নি। কিন্তু কোথায় আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তারই ভিত্তিতে চারটি রাজ্যকে ইতিমধ্যেই সতর্ক করেছে মৌসম ভবন। অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু এবং ওড়িশা ছাড়াও অন্য যে রাজ্যে ‘মোকা’ আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, সেটি হল পশ্চিমবঙ্গ। তাই রাজ্যকেও সতর্ক করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের ৮-১১ মে পর্যন্ত সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

    নিম্নচাপের প্রভাবে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রবিবার ও সোমবার তুমুল বৃষ্টি হতে পারে এই দুই দ্বীপপুঞ্জ এলাকায়। বৃষ্টির সঙ্গে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইবে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে। হাওয়ার গতিবেগ থাকবে ৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা।

    আরও পড়ুন: চোখের সামনে ভেঙে পড়ল পাহাড়! বদ্রীনাথের রাস্তায় বড় ধস, বন্ধ যাত্রা

    শনিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা কার্যত নেই বলেই জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূমের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি উঠতে পারে বলে অনুমান আবহাওয়াবিদদের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Mocha: ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’র মোকাবিলায় হল বৈঠক, প্রস্তুত থাকার নির্দেশ বিভিন্ন দফতরকে

    Cyclone Mocha: ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’র মোকাবিলায় হল বৈঠক, প্রস্তুত থাকার নির্দেশ বিভিন্ন দফতরকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মোকা (Cyclone Mocha)। এই ঝড় যদি বাংলায় আঘাত হানে তাহলে কী করণীয়, তা নিয়ে ডায়মন্ড হারবারে হল বৈঠক। মহকুমা শাসকের দফতরে হয় এই বৈঠক। উপস্থিত ছিলেন মহকুমা শাসক অঞ্জন ঘোষ। যদিও বৈঠকের পোশাকি নাম প্রি-মনসুন প্রিপারেশান মিটিং। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সমস্ত লাইন ডিপার্টমেন্টের কর্মীরা। স্বাস্থ্য, পুলিশ, দমকল এবং সেচ দফতরের আধিকারিকরা এই সভায় উপস্থিত ছিলেন। প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে।

    ঘূর্ণিঝড় মোকা (Cyclone Mocha)…

    জরুরি ভিত্তিতে দুর্বল নদীবাঁধের সংস্কার সহ প্রয়োজনীয় নানা পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় (Cyclone Mocha) (যদি হয়) সমস্ত লাইন ডিপার্টমেন্টকে সব রকম পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মহকুমা শাসক বলেন, যে কোনও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময় মানুষকে আপৎকালীন পরিস্থিতিতে অতি দ্রুত কীভাবে উদ্ধার করা যায়, সেদিকটি দেখা হয়েছে। কিছু প্রত্যন্ত এলাকা রয়েছে, যেখানে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সেখানকার মানুষদের পরিষেবা কীভাবে পৌঁছে দেওয়া যায়, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার মালদহের সভায় ঘূর্ণিঝড় প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ৭ তারিখে মোচা না মোটা কী যেন একটা আসছে। অনেকেই বলছে, পাথরের মতো কিছু একটা আসবে, আর সব নাকি দুমদাম করে ভেঙে দিয়ে চলে যাবে। নানা লোক নানা রকম বলছে। আমাদেরও একটা আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের দল রয়েছে। আমরা যদি আগে থেকে সতর্ক হতে পারি, তবে উপকূলবর্তী এলাকা থেকে মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া যেতে পারে।

    আরও পড়ুুন: জ্বলছে মণিপুর, জারি কারফিউ, অশান্তির কারণ কী জানেন?

    ২০২০ সালে আছড়ে পড়েছিল আমফান। সেটিই ছিল সব চেয়ে বিধ্বংসী। ২০২১ এবং তার পরের বছরও এই সময়ই আছড়ে পড়েছিল দুটি ঘূর্ণিঝড়। পরপর তিনটি ঘূর্ণিঝড়ের রেশ এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি বাংলা। তার মধ্যেই ধেয়ে আসছে মোচা (Cyclone Mocha)। সেটির অভিমুখও বাংলা হতে পারে বলে অনুমান করছেন আবহাওবিদরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
LinkedIn
Share