Tag: model code of conduct

model code of conduct

  • Model Code of Conduct: চালু হল আদর্শ আচরণবিধি, কী কী নিয়ম মানতে হবে?

    Model Code of Conduct: চালু হল আদর্শ আচরণবিধি, কী কী নিয়ম মানতে হবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবারই ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেছে কমিশন। ৭ দফায় ভোট হবে দেশে। ১৯ এপ্রিল প্রথম দফা। শেষ দফার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ১ জুন। ভোটের ফল বের হবে ৪ জুন। কমিশনের ভোট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে লাগু হয়েছে আদর্শ আচরণবিধি (Model Code of Conduct)। নির্দেশিকা জারির পর থেকে সব দলের প্রার্থী, রাজনৈতিক দলগুলিকে মানতে হবে এই বিধি। ফলঘোষণা পর্যন্ত এই বিধি জারি থাকবে। প্রার্থী এবং রাজনৈতিক দলগুলি এই বিধি না মানলে পদক্ষেপ করে কমিশন। ১৯৬০ সালে কেরলে বিধানসভা নির্বাচনে প্রথম বার এই নির্বাচনী আচরণ বিধি জারি করা হয়েছিল। ১৯৬২ সালে লোকসভা নির্বাচন থেকে গোটা দেশে এই বিধি জারি করে নির্বাচন কমিশন।

    আদর্শ আচরণবিধিতে কী কী নিষিদ্ধ?

    সরকারের মন্ত্রীরা সরকারি খরচে কোনও নির্বাচনী সমাবেশ (Model Code of Conduct) করতে পারবেন না। এই সময়ে মন্ত্রীরা তাঁদের বাসভবন থেকে অফিসে যাওয়ার জন্য শুধুমাত্র সরকারি যানবাহন ব্যবহার করতে পারেন। সরকারি গাড়ি নির্বাচনী সমাবেশ ও সফরে ব্যবহার করা যাবে না।

    সরকারি ঘোষণা, প্রকল্পের উদ্বোধন, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ইত্যাদি সব ধরনের অনুষ্ঠান স্থগিত রাখতে হবে।

    মন্দির, মসজিদ, গির্জা, গুরুদ্বার বা কোনও ধর্মীয় স্থানকে নির্বাচনী প্রচারের কাজে ব্যবহার করা যাবে না।

    সরকার এই সময়ে কোনও কর্মীকে (Model Code of Conduct) বদলি বা পদচ্যুত করতে পারে না। বন্ধ থাকে নিয়োগও।

    সরকারি বা কারও ব্যক্তিগত জায়গায় সভা করার জন্য লাউডস্পিকার ব্যবহার করার আগে স্থানীয় পুলিশের কাছ থেকে লিখিত অনুমতি নিতে হবে। রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টার মধ্যে লাউডস্পিকার ব্যবহার করা যাবে না।

    নির্বাচনের দিনঘোষণা হলে প্রার্থীরা কোথাও কোনও আর্থিক অনুদান দিতে পারেন না।

    প্রচারের কাজে জন্য সরকারি পরিবহণ, যন্ত্র, নিরাপত্তারক্ষী ব্যবহার করা যাবে না।

    সকল প্রার্থী, রাজনীতিকদের জনসভার জন্য বিনামূল্যে সরকারি জায়গা ব্যবহার করতে দিতে হবে। পক্ষপাতিত্ব করা চলবে না।

    ভোটের কাজে কোনও সরকারি ডাকবাংলো, বিশ্রামাগার বা অন্য সরকারি সুবিধা ব্যবহার করা যাবে না।

    সরকারি সংবাদমাধ্যম শাসকদলের হয়ে কোনও পক্ষপাতদুষ্ট খবর পরিবেশন করতে পারবে না।

    ভোটারদের প্রভাবিত করতে কোনও জাতি বা ধর্মের মানুষের আবেগকে ব্যবহার করা যাবে না। কারও আবেগে আঘাত করা যাবে না।

    রাজনৈতিক দলগুলির প্রচারে যাতে কোনও ভাবেই নারীদের সম্মান ও মর্যাদা নষ্ট না হয়, তা মাথায় রাখতে হবে সব দলকে।

    ভুয়ো বিজ্ঞাপন কোনওভাবেই সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ করা যাবে না।

    সোশ্যাল মিডিয়াতে আপত্তিকর এবং রুচিহীন, এমন কিছু পোস্ট বা শেয়ার করা যাবে না।

    যে স্থানে ভোট হবে তার ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে সেখানে আর কোনও প্রচার করা যাবে না।

    আচরণবিধি (Model Code of Conduct) লঙ্ঘন হলে কী হবে?

    কোনও রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী যদি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে, তবে তাঁর প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে কমিশন।

    আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে প্রার্থীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা যায়, এমনকী জেলে পাঠানোরও বিধান রয়েছে।

    মনে রাখতে হবে আচরণবিধি শুধু রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। অর্থাৎ কোনও ব্যক্তি যদি কোনও রাজনৈতিক দলের হয়ে প্রচার করেন, তাঁকেও এই নিয়মগুলি মেনে চলতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Election Commission: রাজ্যে ৪ জেলায় নতুন জেলাশাসক আনল কমিশন, কারা পেলেন দায়িত্ব?

    Election Commission: রাজ্যে ৪ জেলায় নতুন জেলাশাসক আনল কমিশন, কারা পেলেন দায়িত্ব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়েছে গত শনিবারই। তারপর থেকেই কার্যকর হয়ে গিয়েছে আদর্শ আচরণবিধি (Election Commission)। এরফলে সরকারি অফিসার, আমলা, পুলিশ বদলির নির্দেশের বিশেষ ক্ষমতা এখন সরকারের বদলে নির্বাচন কমিশনের হাতে। বৃহস্পতিবারই রাজ্যের চার জেলাশাসককে দায়িত্ব থেকে সরানোর নির্দেশ দেয় কমিশন। এবার বাংলার ওই চার জেলার নতুন জেলাশাসকদের নামও ঘোষণা করে দিল কমিশন। কমিশনের তরফে পূর্ব মেদিনীপুর, বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান ও ঝাড়গ্রামের নতুন জেলাশাসকের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

    নতুন চার জেলা শাসক

    পূর্ব মেদিনীপুরে নতুন জেলাশাসক (Election Commission) হিসেবে ২০১০ সালের ব্যাচের আইএএস জয়শী দাসগুপ্তর নামে সিলমোহর দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে। বীরভূমের জেলাশাসক পদে কমিশন এনেছে শশাঙ্ক শেঠিকে। জানা গিয়েছে,  ইনিও ২০১০ সালের ব্যাচের আইএএস। পূর্ব বর্ধমানের নতুন জেলাশাসক করা হচ্ছে ২০১১ সালের ব্যাচের রাধিকা আইয়ারকে। এর পাশাপাশি ঝাড়গ্রামের নতুন জেলাশাসক করা হয়েছে ২০০৭ সালের ব্যাচে মৌমিতা গোদারা বসুকে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ অর্থাৎ, শনিবার সকাল ১০টার মধ্যে তাঁদের নতুন দায়িত্বে কাজে যোগ দিতে হবে।

    অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে চেয়ে সক্রিয় কমিশন

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার একসঙ্গে এই রাজ্যের ৪ জেলাশাসককে বদলি করে কমিশন (Election Commission)। এর মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক ছিলেন তনভির আফজল। ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক ছিলেন সুনীল আগরওয়াল। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক ছিলেন বিধান রায় এবং বীরভূমের জেলাশাসক ছিলেন পূর্ণেন্দুকুমার মাজি। শুক্রবার, নতুন ৪ জনকে নিযুক্ত করল কমিশন। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য কমিশন যে সদা সক্রিয় থাকবে সেই বার্তা ভোটঘোষণার দিনই অর্থাৎ গত ১৬ মার্চ দিয়ে রেখেছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার। সেদিন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ‘৪ এম’-এর কথা বলেন। অর্থ (Money), পেশিশক্তি (Muscle), ভুল তথ্য (Misformation) এবং আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন (MCC Violation)। এই ‘৪ এম’-কে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্রিয় কমিশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘিত হলেই কড়া পদক্ষেপ, হুঁশিয়ারি কমিশনের

    Lok Sabha Elections 2024: নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘিত হলেই কড়া পদক্ষেপ, হুঁশিয়ারি কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Elections 2024) নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই লাগু হয়ে যাবে আদর্শ আচরণ বিধি। তার আগে নির্দেশিকা জারি করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিল, প্রত্যক্ষ তো বটেই, পরোক্ষভাবেও যদি নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করা হয়, তাহলে কড়া পদক্ষেপ করবে কমিশন।

    আট আচরণ বিধি

    সব মিলিয়ে আটটি আচরণ বিধির কথা উল্লেখ করা হয়েছে নির্দেশিকায়। এগুলি হল—

    ১. নির্বাচনী (Lok Sabha Elections 2024) প্রচার চলাকালীন এমন কোনও মন্তব্য বা আচরণ করা যাবে না, যার ফলে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে অশান্তি বা হিংসা ছড়িয়ে পড়ে।

    ২. কোনও ধর্মীয় স্থানকে প্রচারের মঞ্চ বানানো যাবে না। ভোট আদায়ের জন্য জাত বা ধর্মীয় অনুভূতি কাজে লাগানো যাবে না।

    ৩. কারও সমালোচনা করতে হলে কার্যকলাপ ও নীতির মধ্যেই তা সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। কারও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সমালোচনা করা যাবে না।

    ৪. ভোটারদের বিভ্রান্ত করতে ভুয়ো কোনও তথ্য দেওয়া যাবে না ভাষণে। কোনও রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোনও ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলা যাবে না।

    ৫. রাজনৈতিক দলের প্রচারে (Lok Sabha Elections 2024) যাতে কোনওভাবেই নারীদের সম্মান ও মর্যাদা নষ্ট করা না হয়, তা মাথায় রাখতে হবে।

    ৬. ভিত্তিহীন বা ভুয়ো বিজ্ঞাপন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ করা যাবে না।

    ৭. খবরের মোড়কে কোনও বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা যাবে না।

    ৮. সমাজমাধ্যমে এমন কিছু পোস্ট বা শেয়ার করা যাবে না, যা আপত্তিকর ও রুচিহীন।

    কমিশনের ফুল বেঞ্চ

    রবিবারই রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। এদিন সন্ধে ছ’টায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাবের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে বেঞ্চের সদস্যদের। বৈঠকে থাকবেন রাজ্য পুলিশের নোডাল অফিসার আনন্দ কুমার। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার আসবেন রবিবার রাতে। ফুল বেঞ্চের সদস্য সংখ্যা ১৩। এঁদের মধ্যে রয়েছেন অরুণ গোয়েল, ধর্মেন্দ্র শর্মা, নীতেশ ব্যাসও। সোমবার সকাল থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করবে কমিশন। তাদের কার, কী অভিযোগ, তা শুনবেন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সদস্যরা। এই বৈঠকের পরেই জেলাশাসক ও পুলিশ অফিসারদের নিয়ে হবে পৃথক বৈঠক। মঙ্গলবার রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং ডিজির সঙ্গেও বৈঠক করবে কমিশন (Lok Sabha Elections 2024)।

    আরও পড়ুুন: “রাজ্যের ৪২টি আসনেই পদ্ম ফোটাতে হবে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

LinkedIn
Share