Tag: modi govt

modi govt

  • Amit Shah: “মোদি সরকারের আমলে আকাশ ছুঁয়েছে শেয়ার মার্কেট”, বললেন শাহ

    Amit Shah: “মোদি সরকারের আমলে আকাশ ছুঁয়েছে শেয়ার মার্কেট”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত দশ বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) আমলে ভারতের অর্থনীতিতে এক আমুল পরিবর্তণ এসেছে। শেয়ার বাজার আকাশ ছুঁয়েছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমনি জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। 

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য (Amit Shah)

    এদিন অমিত শাহ বলেন, প্রধানমন্ত্রী যখন ক্ষমতায় এসেছিলেন তখন ভারতের অর্থনীতি প্রায় ভেঙ্গে পড়েছিল। কর্মক্ষেত্রে উৎপাদন কমে গেছিল, ফলে রপ্তানীর পরিমাণও কমে গেছিল। সে সময় মুদ্রাস্ফীতি ছিল আকাশ ছোঁয়া। তবে প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় আসার পর থেকে ধীরে ধীরে উন্নতির পথে এগিয়েছে ভারতের অর্থনীতি। 

    আরও পড়ুন: চিনের তৈরি হাম্বানটোটা বিমানবন্দরের রাশ ভারত-রুশ সংস্থার হাতে, বোধোদয় শ্রীলঙ্কার!

    মোদিজির আমলের দশ বছর স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে

    এদিন সাক্ষাৎকারে তিনি  আরও বলেন, ১৩০ কোটির দেশ ভারতবর্ষ (India) বর্তমানে ধীরে ধীরে উন্নতির পথে এগিয়ে চলেছে। উচ্চশিক্ষা হোক কিংবা অর্থনৈতিক দিক। ৩৭০ ধারার অবসান হোক কিংবা তিন তালাক। রামের জন্মভূমি থেকে দেশের ফৌজদারি আইনে মৌলিক পরিবর্তন। মোদিজির আমলের এই দশ বছর প্রতিটি ক্ষেত্রেই স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। একই সঙ্গে অমিত শাহ (Amit Shah) এদিন জানিয়েছেন যদি এবার তৃতীয়বারের মতো মোদিজি ক্ষমতায় আসেন তাহলে এক থেকে দুই বছরের মধ্যেই ভারত থেকে নকশালবাদ বিলুপ্ত হবে।

    ভোট প্রসঙ্গেও মত প্রকাশ শাহের 

    পাশাপাশি এদিন ভোট প্রসঙ্গেও মত প্রকাশ করেন তিনি। ৩৭০-এর লক্ষ্যে বিজেপি কি সঠিক পথে হাঁটছে? এই প্রশ্নের জবাবে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “একদম সঠিক ট্র্যাকে রয়েছে। গণনার দিন দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যে এনডিএ ৪০০ পেরিয়ে যাবে। মোদিজি আবার প্রধানমন্ত্রী হবেন”। সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “আমার দলের একটা টিম এবং আমি বিশদ বিশ্লেষণ করেছি। প্রথম দুই দফার ভোটে ১০০ আসন নিয়ে আমরা তৃতীয় দফার দিকে এগোচ্ছি। ৪০০-র লক্ষ্য অতিক্রম করতে কোনও সমস্যা হবে বলে মনে হচ্ছে না”।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: ২জি স্পেকট্রাম কেলেঙ্কারিতে ‘সুপ্রিম’ রায়ে পরিবর্তন চেয়ে শীর্ষ আদালতে কেন্দ্র

    Supreme Court: ২জি স্পেকট্রাম কেলেঙ্কারিতে ‘সুপ্রিম’ রায়ে পরিবর্তন চেয়ে শীর্ষ আদালতে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  এক যুগ আগে দেওয়া হয়েছিল রায়। সুপ্রিম কোর্টের সেই রায়ে কিছু পরিবর্তন চেয়ে সোমবার শীর্ষ আদালতের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। কেন্দ্রের এই পদক্ষেপের পর সুপ্রিম কোর্টে মামলার পক্ষ হওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছেন বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামীও। ১২ বছর আগে এই স্বামীই ২জি স্পেকট্রাম বণ্টনের পদ্ধতির বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন।

    কেলেঙ্কারির গোড়ার কথা (Supreme Court:) 

    ২০১২ সালে কেন্দ্রে ক্ষমতায় ছিল ইউপিএ সরকার। টেলিকম মন্ত্রী ছিলেন ডি রাজা। সেই সময় এক রায়ে টেলিকম সংস্থাগুলিকে বণ্টন করা সমস্ত ২জি স্পেকট্রাম খারিজ করে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, স্পেকট্রামের মতো জাতীয় সম্পদ বণ্টনের ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত দামের নীতি নেওয়া চলবে না। বেতারতরঙ্গ নিলাম করতে হবে বাধ্যতামূলকভাবে। শীর্ষ আদালতের এই রায়েই কিছু পরিবর্তন চেয়ে আর্জি জানিয়েছে কেন্দ্র।

    কেন পরিবর্তন চাইছে কেন্দ্র?

    কেন রায়ে কিছু পরিবর্তন চাইছে মোদি সরকার? শীর্ষ আদালতে কেন্দ্র জানিয়েছে, ‘সুপ্রিম রায়ে কিছু পরিবর্তন প্রয়োজন কারণ স্পেকট্রামের অ্যাসাইনমেন্ট কেবল বাণিজ্যিক টেলিকমিউনিকেশন সার্ভিসের জন্য প্রয়োজন তা নয়, বাণিজ্যিক নয় এমন ক্ষেত্রেও প্রয়োজন। নিরাপত্তা, সুরক্ষার মতো জনস্বার্থও জড়িয়ে রয়েছে এর সঙ্গে।’ কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, রায়ে কিছু পরিবর্তন চেয়ে যে আবেদন করা হয়েছে, তার সঙ্গে জাতীয় সুরক্ষা, নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলি জড়িত রয়েছে। কেন্দ্রের তরফে বলা হয়েছে, মহামান্য আদালতের কাছে এজন্য (এই রায়) অনুরোধ, এই পরিস্থিতিতে রায়ে কিছু পরিবর্তন প্রয়োজন। সরকার এবং জনস্বার্থেই এটা করা প্রয়োজন। প্রযুক্তি কিংবা অর্থনৈতিক কারণে নিলামকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

    আরও পড়ুুন: আগামী বছরেই বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে ভারত, বলছে আইএমএফ

    প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের জানুয়ারি মাসে ২জি-র লাইসেন্স বিলি শুরু হয়। পরের বছরই ২জি স্পেকট্রাম বণ্টনে দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ দায়ের করে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। তদন্ত শুরু করে সিবিআই। ২০১০ সালে ক্যাগের রিপোর্ট সামনে আসার পর লাইসেন্স বিলিতে যে গোলমাল হয়েছে, তা পরিষ্কার হয়ে যায়। ২০১১ সালে রাজাকে গ্রেফতার করে সিবিআই। রাজার জমানায় দেওয়া ১২২টি ২জি স্পেকট্রাম লাইসেন্স বাতিল করে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Nitin Gadkari: ভারতে চলবে না পেট্রল-ডিজেল গাড়ি! কী বললেন নিতিন গড়করি?

    Nitin Gadkari: ভারতে চলবে না পেট্রল-ডিজেল গাড়ি! কী বললেন নিতিন গড়করি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী দিনে ভারতে পেট্রোল ও ডিজেল গাড়ির সংখ্যা ব্যাপক হারে কমে যাবে বলে বিশ্বাস করেন কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহণ মন্ত্রী নিতিন গড়করি (Nitin Gadkari)। ভারতকে সবুজ অর্থনীতিতে পরিণত করাটা শক্ত হলেও অসম্ভব নয় বলে মনে করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। হাইব্রিড গাড়িতে জিএসটি কমানোর কথাও জানিয়েছেন তিনি। বর্তমানে ৩৬ কোটির বেশি পেট্রল-ডিজেল গাড়ি রয়েছে ভারতে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবি, জৈব জ্বালানির উপর জোর দিয়ে জ্বালানি আমদানি কমাতে পারে সরকার। কেন্দ্রের এই ভাবনাকে স্বাগত জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা।

    কী বললেন গডকরি

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়করি (Nitin Gadkari) জানিয়েছেন, জ্বালানি আমদানির জন্য ১৬ লাখ কোটি টাকা খরচ করে ভারত। এই টাকা কৃষকদের জীবনযাত্রার উন্নয়নে, গ্রামগুলোকে সমৃদ্ধ করা এবং যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানে ব্যবহার করা যেতে পারে। যদিও এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য এখনও কোনও দিন নির্দিষ্ট করেনি কেন্দ্র। হাইব্রিড গাড়ির উপর জিএসটি কমিয়ে ৫ শতাংশ করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। হাইব্রিড গাড়ির পাশাপাশি ফ্লেক্স-ফুয়েল ইঞ্জিন চালিত গাড়িতে জিএসটি কমিয়ে ১২ শতাংশ করতে পারে কেন্দ্র সরকার। এই প্রস্তাব ইতিমধ্যে অর্থমন্ত্রকের কাছে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে বিবেচনাধীন রয়েছে এই সিদ্ধান্ত। 

    আরও পড়ুন: জ্ঞানবাপী চত্বরে পুজো-আরতি চলবে, মসজিদ কমিটির আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    জৈব জ্বালানিকে স্বাগত

    পরিবেশ দূষণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে সামনে রেখে দেশের গাড়ি বাজারে আমূল পরিবর্তন করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে সরকার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়করি (Nitin Gadkari) জানান, “এই পরিবর্তনের জন্য আমি আপনাদের কোনও তারিখ দিতে পারব না। এটা করা শক্ত তবে অসম্ভব নয়।” তিনি আশাবাদী যে হারে বর্তমানে ইলেকট্রিক গাড়ি বাজারে আসতে শুরু করেছে তাতে আগামীদিনে বিকল্প জ্বালানি এবং জৈব জ্বালানির স্বপ্ন পূরণ হবে। তিনি আরও জানান, বাজাজ, টিভিএস, হিরো মটোকর্পের মতো সংস্থার ইতিমধ্যে ফ্লেক্স-ফুয়েল ইঞ্জিন চালিত মোটরসাইকেল এবং রিকশা বানানো শুরু করে দিয়েছে। ফলে আগামী ৫-৭ বছরের মধ্যে পেট্রল-ডিজেল চালিত গাড়িকে ছাপিয়ে শীঘ্রই যে ইলেকট্রিক গাড়ির দাপট শুরু হবে তা বলাই যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Commercial Gas: ১৯ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম কমাল কেন্দ্র, জানেন কোথায় দাম কত?

    Commercial Gas: ১৯ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম কমাল কেন্দ্র, জানেন কোথায় দাম কত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রান্নার গ্যাসের (Commercial Gas) পর বাণিজ্যিক গ্যাসের দামও কমাল কেন্দ্র। দেশের তেল বিপণন সংস্থাগুলি বাণিজ্যিক এবং এফটিএল গ্যাসের মূল্য হ্রাসের কথা জানিয়েছে। ১৯ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাস এবং পাঁচ কেজির ফ্রি-ট্রেড এলপিজি (এফটিএল) সিলিন্ডারের দাম (Gas Cylinder Price) কমানো হয়েছে। কলকাতায় বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম কমেছে ৩২ টাকা।

    কোথায় কত দাম কমল

    কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, ১৯ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাসের (Commercial Gas) দাম সিলিন্ডার প্রতি ৩০.৫০ টাকা কমানো হয়েছে। এ ছাড়া, পাঁচ কেজির এফটিএল সিলিন্ডারের দামও আগের চেয়ে সাড়ে ৭ টাকা কমানো হয়েছে। সোমবার দিল্লিতে বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম হয়েছে ১,৭৬৪.৫০ টাকা। মার্চ মাসে এই গ্যাসের দাম দিল্লিতে ছিল ১,৭৯৫ টাকা। দাম কমার ফলে কলকাতায় এখন ১৯ কেজি বাণিজ্যিক গ্যাসের একটি সিলিন্ডারের দাম ১,৮৭৯ টাকা। মার্চে যা ছিল ১,৯১১ টাকা। মুম্বইয়ে ওই সিলিন্ডার মিলছে ১,৭১৭.৫০ টাকায়। মার্চে তার দাম ছিল ১,৭৪৯ টাকা। চেন্নাইতে বাণিজ্যিক গ্যাসের একটি সিলিন্ডারের দাম হয়েছে ১,৯৩০ টাকা। মার্চে দাম ছিল ১,৯৬০ টাকা।

    আরও পড়ুন: আরও এক বছর সস্তায় মিলবে গ্যাস, ভর্তুকি কত জানেন?

    কোথায় প্রভাব পড়বে

    বাণিজ্যিক এলপিজি (Commercial Gas) ব্যবহার করা হয় হোটেল, রেস্তোরাঁয়। বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম (Gas Cylinder Price) কমলে এর প্রভাব সরাসরি মধ্যবিত্তের রান্নাঘরে না পড়লেও কমতে হোটেলে খাবার খরচ। গ্যাসের দাম বাড়লে বা কমলে ছোট ছোট হোটেল রেস্তোরাঁগুলিও তাদের খাবারের দাম অল্প বিস্তর বাড়ায় বাকমায়। শেষ বার বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম কমেছিল গত জানুয়ারি মাসে। ৩৯.৫০ টাকা দাম কমানো হয়েছিল। ভারত পেট্রোলিয়াম, হিন্দুস্থান পেট্রোলিয়ামের মতো রাষ্ট্রীয় তৈল সংস্থাগুলি প্রতি মাসের প্রথম দিন আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে হিসাব করে দেশে গ্যাসের দাম হ্রাস বা বৃদ্ধি করে থাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Mumbai: বেজিং-কে টপকে শীর্ষে মুম্বই, এশিয়ায় কোটিপতিদের রাজধানী ভারতের বাণিজ্য নগরী

    Mumbai: বেজিং-কে টপকে শীর্ষে মুম্বই, এশিয়ায় কোটিপতিদের রাজধানী ভারতের বাণিজ্য নগরী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেজিং (Beijing)-কে টপকে এশিয়ায় বিলিওনিয়ারদের রাজধানীর (Asia’s billionaire capital) শিরোপা ছিনিয়ে নিল মুম্বই (Mumbai)। সেই সঙ্গে ঢুকে পড়ল আর্থিকভাবে এগিয়ে থাকা বিশ্বের প্রথম তিনটি শহরের তালিকাতেও। সম্প্রতি হুরান গ্লোবাল রিচ লিস্ট ২০২৪ (Hurun Global Rich List 2024) প্রকাশিত হয়েছে। তাতেই দেখা গিয়েছে শতকোটি ডলার সম্পদের মালিকের সংখ্যায় বেজিংকে পিছনে ফেলে দিয়েছে মুম্বই।

    এগোচ্ছে ভারতীয় অর্থনীতি

    কেন্দ্রে মোদি (PM Modi) সরকারের হাত ধরে ভারতের অর্থনীতি যে এগোচ্ছে এই তালিকা তার প্রমাণ। হুরান গ্লোবাল রিচ লিস্ট ২০২৪ অনুযায়ী, রেকর্ড গতিতে উত্থান হয়েছে ভারতের কোটিপতিদের। গতবছরের তুলনায় এই বছর প্রায় ১০০ জন বিলিওনিয়ার বেরিয়েছে দেশ থেকে। আর বেজিং-কে টপকে এশিয়ায় বিলিওনিয়ারদের রাজধানীর তকমা ছিনিয়ে নিয়েছে ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বই (Mumbai)। বর্তমানে চিনের রাজধানী বেজিংয়ে যখন ৯১ জন বিলিওনিয়ার রয়েছেন তখন ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বইয়ে বসবাস করছেন ৯২ জন।

    আর্থিকভাবে এগিয়ে মুম্বই

    বিশ্বে আর্থিকভাবে এগিয়ে থাকা শহরগুলির মধ্যে তিন নম্বর স্থানে রয়েছে মুম্বই (Mumbai)। বিশ্বে সবথেকে বেশি বিলিওনিয়ারের বাস নিউ ইয়র্কে। ১১৯ জন কোটিপতির ঠিকানা হল এই শহর। আর দ্বিতীয় স্থানে আছে লন্ডন (৯৭)। এর পরের স্থানে আছে মুম্বই। এই সাফল্যের সৌজন্যে চিন ও আমেরিকার পর ভারত বিলিওনিয়ারদের তৃতীয়তম স্থানে থাকা দেশ। ভারতের ধনকুবেরদের মধ্যে শীর্ষে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি। যাঁর মোট সম্পদের মূল্য ১১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ৮৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সম্পদ-সহ তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আদানি গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান গৌতম আদানি। মাত্র এক বছরে তাঁর সম্পদ বেড়েছে প্রায় ৩৩ শতাংশ।

    আরও পড়ুন: সপ্তাহের শেষেই তাপমাত্রা ৩৬-৪০ ডিগ্রি, কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে চড়ছে পারদ

    দিল্লির রেকর্ড

     নয়াদিল্লিও ইতিহাসে প্রথমবারের মতন ঢুকে পড়েছে আর্থিকভাবে এগিয়ে থাকা বিশ্বের টপ ১০টি শহরের মধ্যে। সেখানে প্লাম বিচ, ইস্তানবুল, মেক্সিকো সিটি এবং মেলবোর্ন স্থান পেয়েছে প্রথম ৩০টি শহরের মধ্যে। গত বছরের তুলনায় মুম্বইয়ের সম্পদ যেখানে ৪৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে সেখানে বেজিং-এর কমেছে ২৭ শতাংশ। এই বছর চিনে যেখানে ৫৫ জন নতুন বিলিওনিয়ার উঠে এসেছেন সেখানে ভারত সাক্ষী থেকেছে নতুন ৯৪ জন বিলিনিয়ারের উত্থানের। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • MGNREGS Attendance: ১০০ দিনের কাজের জব কার্ডে দুর্নীতি বন্ধে বায়োমেট্রিক ব্যবস্থা আনছে কেন্দ্র

    MGNREGS Attendance: ১০০ দিনের কাজের জব কার্ডে দুর্নীতি বন্ধে বায়োমেট্রিক ব্যবস্থা আনছে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর লড়াই দুর্নীতি ও পরিবারবাদের বিরুদ্ধে। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে প্রায়ই বলেন একথা। বাস্তবেও একই চিত্র দেখা যায়। এবার ১০০ দিনের কাজে (MGNREGS Attendance) দুর্নীতি বন্ধে নয়া বায়োমেট্রিক ফিচার আনছে কেন্দ্র। ফেস রেকগনিশনের মাধ্যমেই নথিভুক্ত হবে শ্রমিকদের নাম। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সব থেকে অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে। শিক্ষা থেকে কর্মসংস্থান সবেতেই ভুরি ভুরি অভিযোগে বিদ্ধ শাসক দল। ইতিমধ্যে একাধিক মন্ত্রীও রয়েছেন জেলে। দুর্নীতির অভিযোগে ১০০ দিনের কাজ, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার টাকায় অনুদান বন্ধ করেছে মোদি সরকার। দুর্নীতির গোড়ায় আঘাত করতে এবার বড় পদক্ষেপ হতে চলেছে এই বায়োমেট্রিক ব্যবস্থা (MGNREGS Attendance)।

    স্বচ্ছতা আসবে কাজে

    জানা গিয়েছে, আগামী বছরেই মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান গ্যারান্টি স্কিমের কর্মীদের উপস্থিতি যাচাই করতে এই ফেস রেকগনিশন প্রযুক্তি কাজে লাগানো হবে। অর্থাৎ ক্যামেরার সামনে সুবিধাভোগী শ্রমিকরা নিজেদের মুখ দেখিয়ে তাঁদের কাজের উপস্থিতি প্রমাণ দেবেন। ভুয়ো জব কার্ডধারীদের সরকারি সুবিধা থেকে বাদ দিতেই এই ব্যবস্থা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন ব্যবস্থা চালু হলে এই প্রকল্প (MGNREGS Attendance) আরও স্বচ্ছ হয়ে উঠবে। বিশেষত পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যে, যেখানে দুর্নীতি একদম শিকড় গেড়ে বসেছে।

    কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা

    জানা গিয়েছে, ফেস রেকগনিশনের মাধ্যমে কর্মী উপস্থিতির প্রমাণ আপাতত ঐচ্ছিক থাকতে পারে। দেশের সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে এই ব্যবস্থা আগে যাচাই করতে বলা হয়েছে। এ নিয়ে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের এক আধিকারিক বলেন, “এই প্রকল্প (MGNREGS Attendance) বাস্তবায়িত হলে, পুরো ব্যবস্থায় আরও স্বচ্ছতা আসবে। শুধুমাত্র প্রকৃত কর্মীরাই কাজ করছেন, তা নিশ্চিত করা যাবে। পরিকল্পনাটি শীঘ্রই চালু করা হবে। তবে আপাতত এটি ঐচ্ছিক হিসেবে থাকে।”

    আধার তথ্যের সঙ্গে লিঙ্ক করা হবে ছবি

    জানা গিয়েছে নতুন এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রথমে ১০০ দিনের কাজের শ্রমিকদের মুখ স্ক্যান করা হবে। তাঁদের আধার তথ্য যাচাই করা হবে এবং ওই স্ক্যান করা মুখের ছবির সঙ্গে আধারের তথ্যকে লিঙ্ক করা হবে। প্রসঙ্গত, তেলঙ্গনা, কর্নাটকের মতো বেশ কিছু রাজ্যে এই ধরনের ফেস রেকগনিশনের ব্যবস্থা চালু রয়েছে। এই ব্যবস্থার (MGNREGS Attendance) মাধ্যমে অনেক সরকারি কাজ করা হয়। কিছু কিছু বিমানবন্দরেও এমন বায়োমেট্রিক এবং কন্টাক্টলেস নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। মোদি জমানায় প্রতি গ্রামে পৌঁছেছে ইন্টারনেট ব্য়বস্থা। তাই এমন উদ্যোগ সাফল্যের মুখ দেখবে বলেই আশাবাদী ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Independence Day: স্বাধীনতা দিবসে ‘সেলফি’! ১০,০০০ টাকা পুরস্কার, বড় পরিকল্পনা কেন্দ্রের

    Independence Day: স্বাধীনতা দিবসে ‘সেলফি’! ১০,০০০ টাকা পুরস্কার, বড় পরিকল্পনা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার ৭৬তম স্বাধীনতা দিবসে সেলফি তুলুন আর জিতে নিন ১০ হাজার টাকার পুরস্কার। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে একটি অনলাইন সেলফি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। স্বাধীনতার রঙে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ করতেই এই প্রয়াস কেন্দ্রের। স্বাধীনতার অমৃতকাল উদযাপনের জন্য প্রস্তুত লালকেল্লা। ১৫ অগাস্ট লাল কেল্লায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন তিনি। স্বাধীনত দিবসে প্রায় ১,৮০০ জন ‘বিশেষ অতিথি’-কে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে। সরকারের ‘জন ভাগিদারি’ উদ্যোগের অংশ হিসাবে এই পরিকল্পনা।

    ‘সেলফি প্রতিযোগিতা’র  খুঁটিনাটি

    প্রথম থেকেই মোদি সরকার স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানকে নিছক সরকারি অনুষ্ঠানের পরিসরে বেঁধে না রেখে, জনগণের অংশগ্রহণকে গুরুত্ব দিয়ে এসেছে। এবারের স্বাধীনতা দিবসেও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। অনুষ্ঠানের অতিথি তালিকা থেকে শুরু করে সেলফি প্রতিযোগিতা, বিভিন্নভাবে সাধারণ মানুষকে এই অনুষ্ঠানে যুক্ত করা হচ্ছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে একটি অনলাইন সেলফি প্রতিযোগিতার উদ্দেশে কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্প এবং উদ্যোগ নিয়ে দিল্লির ১২ টি জায়গায় ১২টি ‘সেলফি পয়েন্ট’ তৈরি করা হয়েছে। এই সব সেলফি পয়েন্টগুলিতে আমজনতা সেলফি তুলে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারবেন। সরকারের মাইগভ (MyGov) পোর্টালে ১৫ থেকে ২০ অগাস্টের মধ্যে সেই সেলফি পয়েন্টে তোলা ছবি পোস্ট করতে হবে। দেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক সৌধ, ঐতিহ্যকে ব্যাকগ্রাউন্ডে রেখে পয়েন্ট তোলা সেই সেলফির থেকে বেছে নেওয়া হবে সেরাদের। প্রত্যেক সেলফি পয়েন্টে তোলা একটি করে সেলফি বেছে নিয়ে মোট ১২ জনকে এই প্রতিযোগিতার বিজয়ী ঘোষণা করা হবে। আর যাঁরা চ্যাম্পিয়ন হবেন, তাঁদের ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে আর্থিক পুরস্কার। 

    ‘হরঘর তিরাঙ্গা’ প্রচার

    স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকারের পক্ষ থেকে ‘হরঘর তিরাঙ্গা’ প্রচারও চালু করেছে সরকার। ১৩ থেকে ১৫ অগস্ট পর্যন্ত এই প্রচারে অংশ নিতে দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এই প্রচারের অংশ হিসেবে ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী মোদি তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলগুলির প্রোফাইল ছবি বদলে, ভারতের জাতীয় পতাকার ছবি দিয়েছেন। দেশের প্রত্যেক নাগরিককেও, তাদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের ডিসপ্লে পিকচার বদলে জাতীয় পতাকার ছবি দিতে অনুরোধ করেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “এই অনন্য প্রচেষ্টা আমাদের প্রিয় দেশ এবং আমাদের মধ্যে বন্ধনের গভীরতা বাড়িয়ে তুলবে।”

    আরও পড়ুন: আপনি সিনেপ্রেমী! দেখে নিন অগাস্টে কী কী রয়েছে আপনার জন্য?

    লাল কেল্লায় ‘বিশেষ অতিথি’

    এবার লাল কেল্লায় ‘বিশেষ অতিথি’ হিসাবে আমন্ত্রিত থাকছেন- গ্রামের সরপঞ্চ, কৃষক, উৎপাদনকারী সংগঠন প্রকল্পের প্রতিনিধিরা, প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি প্রকল্প ও প্রধানমন্ত্রী কৌশল বিকাশ যোজনার উপভোক্তা, সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের নির্মাণকর্মীরা, খাদি কর্মীরা এবং সীমান্তের রাস্তা নির্মাণের কাজে যাঁরা যুক্ত, অমৃত সরোবর ও হর ঘর জল যোজনার কর্মীরা এবং প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক, নার্স থাকছেন এই তালিকায়। এবছর লালকেল্লায় সমন্বয় সাধনে থাকছে ভারতীয় সেনা। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মেজর নিকিতা নায়ের ও মেজর জসমিন কৌর প্রধানমন্ত্রীকে জাতীয় পতাকা উত্তোলনে সহায়তা করবেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CAA: কথা রাখলেন মোদি, চালু সিএএ, নয়া আইন সম্পর্কে জানুন বিশদে

    CAA: কথা রাখলেন মোদি, চালু সিএএ, নয়া আইন সম্পর্কে জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি সরকারের আরও এক প্রতিশ্রুতি পূরণ। কথা দিয়েছিলেন অচিরেই দেশে লাগু হবে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বা সিএএ (CAA)। সোমবারই এ ব্যাপারে বিজ্ঞপ্তি জারি করে দিল নরেন্দ্র মোদির সরকার।

    সিএএ (CAA) নিয়ে ‘মিথ্যে’ প্রচার 

    সিএএ লাগু হলে অনেকে নাগরিকত্ব হারাবেন বলে বিরোধীরা ‘মিথ্যে’ প্রচার করছিলেন বলে অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের। দিন কয়েক আগে এক সাক্ষাৎকারে এই অভিযোগের জবাব দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেছিলেন, “সিএএ (CAA) কোনও ব্যক্তির নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার আইন নয়। আইনে এমন কোনও বিধান না থাকায় কোনও ভারতীয়ের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হবে না। সিএএ হল বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে নির্যাতিত শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার একটি আইন।”

    সিএএ (CAA) কী জানেন?

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের জন্য কেন্দ্রের ক্ষমতায় ফিরে সিএএ চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল মোদি সরকার। তার পরেই শুরু হয়ে গিয়েছিল যাবতীয় প্রস্তুতি। মিথ্যে প্রচার করে বিরোধীরা দেশজুড়ে অশান্তির বাতাবরণ সৃষ্টি করে বলে অভিযোগ। তারপর বিষয়টি থিতু হলে নতুন করে আইনটি লাগু করতে উদ্যোগী হয় কেন্দ্রীয় সরকার। এই আইনে (CAA) বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে নিপীড়নের জন্য এ দেশে আসা শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। ওই দেশগুলি থেকে ভারতে আসা হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্সি ও খ্রিস্টানদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। এই ছয় ধর্মের মানুষ ছাড়া অন্য কোনও দেশ থেকে আসা অন্য কোনও ধর্মের শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে না।

    সংশোধিত আইনে শিথিল শর্ত

    প্রসঙ্গত, ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইনে বলা হয়েছিল, নাগরিকত্ব পেতে হলে টানা এক বছর ভারতে থাকতে হবে। এ ছাড়াও গত ১৪ বছরের মধ্যে ১১ বছর ভারতে থাকা বাধ্যতামূলক। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনে ১১ বছরটা কমিয়ে করা হয়েছে মাত্রই ৫ বছর। আইন অনুযায়ী, ভিসা কিংবা পাসপোর্টের মতো নথি না থাকলেও, ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন ওই ছয় ধর্মের কোনও শরণার্থী।

    আরও পড়ুুন: হিন্দু বাঙালির দ্বিতীয় স্বাধীনতা, দেশজুড়ে কার্যকর হয়ে গেল সিএএ

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে যে ইস্তেহার বিজেপি প্রকাশ করেছিল, তাতেও সিএএ-র প্রতিশ্রুতি ছিল। দিন কয়েক আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সেনাপতি অমিত শাহও বলেছিলেন, “লোকসভা নির্বাচনের আগেই লাগু হয়ে যাবে সিএএ।” হলও তাই। দেশে লাগু হয়ে গেল সিএএ (CAA)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

      

  • Modi Govt: কোনও জঙ্গিকে প্রচারের জায়গা দেবেন না! চ্যানেলগুলিকে নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    Modi Govt: কোনও জঙ্গিকে প্রচারের জায়গা দেবেন না! চ্যানেলগুলিকে নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাস দমনে সদা সক্রিয় মোদি সরকার। এতদিন  জঙ্গিদের মোকাবিলা করে সন্ত্রাস রোখার চেষ্টা করেছে সরকার। এবার শুধু হাতে না মেরে জঙ্গিদের পাতে মারার সিদ্ধান্ত নিল সরকার। কোনওরকম জঙ্গি-কার্যকলাপ যাতে প্রচার না পায় তা দেখতে টিভি চ্যানেলগুলিকে নির্দেশ দিল দিল্লি।  বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর), গুরুতর অপরাধ বা সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে অভিযুক্ত বা সরকারের নিষিদ্ধ করা কোনও সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের, টেলিভিশন চ্যানেলগুলিতে আমন্ত্রণ না জানানোর নির্দেশ দিল কেন্দ্র।

    নির্দেশিকায় কী বলা হয়েছে

    কানডার সঙ্গে কুটনৈতিক দ্বন্দ্বের মধ্যেই, এবার টেলিভিশন চ্যানেলগুলিকে নির্দেশিকা পাঠাল কেন্দ্রীয় সরকার (centre’s advisory to tv channels)। সেই নির্দেশে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোনও জঙ্গিকে যেন কথা বলার জন্য যেন জায়গা করে দেওয়া না হয় (platform to terrorists)। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকার সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবে না। কিন্তু, টিভি চ্যানেলগুলিকে কেবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ১৯৯৫-এর বিধানগুলি মেনে চলতে হবে। 

    আরও পড়ুন: কানাডায় খালিস্তানি জঙ্গি হত্যার দায় স্বীকার করল গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই গোষ্ঠী

    কানাডা ইস্যুর পরই পদক্ষেপ

    তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের তরফে জারি করা ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, “মন্ত্রকের নজরে এসেছে, এমন এক বিদেশি ব্যক্তিকে এক টেলিভিশন চ্যানেলে আলোচনার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, যার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদ-সহ গুরুতর অপরাধের মামলা রয়েছে এবং সে এমন একটি সংস্থার সদস্য, যে সংস্থা ভারতে নিষিদ্ধ। ওই ব্যক্তি দেশের সার্বভৌমত্ব এবং অখণ্ডতা, ভারতের নিরাপত্তা, একটি বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং দেশের জনশৃঙ্খলায় বিঘ্ন ঘটানোর মতো ক্ষতিকারক বেশ কিছু মন্তব্য করেছিলেন। টেলিভিশন চ্যানেলগুলিকে, গুরুতর অপরাধ বা সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ রয়েছে এবং আইনত নিষিদ্ধ সংস্থাগুলির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের সম্পর্কে প্রতিবেদন প্রকাশ এবং তাদের মতামত প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকার উপদেশ দেওয়া হচ্ছে।”


    প্রসঙ্গত, একটি নিউজ চ্যানেলে সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা গুরপতবন্ত সিং পান্নুকে আলোচনার জন্য ডাকা হয়েছিল। গুরপতবন্ত সিং পান্নু, খালিস্তানি আন্দোলনের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা। তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদের বেশ কয়েকটি অভিযোগ রয়েছে। ভারত সরকারের ওয়ান্টেড টেরোরিস্টের তালিকায় তার নাম রয়েছে। তারপরই এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। যদিও ওই নির্দেশিকায় পান্নু কিংবা কানাডার নাম উল্লেখ করা হয়নি। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Special Session: আজ থেকে শুরু হচ্ছে বিশেষ অধিবেশন! কাল নতুন সংসদ ভবনে প্রবেশ

    Parliament Special Session: আজ থেকে শুরু হচ্ছে বিশেষ অধিবেশন! কাল নতুন সংসদ ভবনে প্রবেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হতে চলেছে সংসদের বিশেষ অধিবেশন। আজ সকাল ১১টার মধ্যে লোকসভা এবং রাজ্যসভার সাংসদদের হাজির হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। একাধিক বিল পেশের সম্ভাবনা রয়েছে। ৮টি বিল পেশ করা হতে পারে সরকারের তরফে। তার মধ্যে রয়েছে এক দেশ এক নির্বাচন এবং দেশের নাম ইন্ডিয়ার পরিবর্তে ভারত রাখা,  মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ প্রভৃতি। রবিবার থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে তার প্রস্তুতি। সংসদ ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড়। কিন্তু এই অনুষ্ঠানে যোগ দেননি কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। তার তীব্র সমালোচনা করে বিজেপি। 

    রবিবার হয় সর্বদলীয় বৈঠক

    বিশেষ অধিবেশনের লক্ষ্যে রবিবার সর্বদলীয় বৈঠক হয়। পুরনো সংসদ ভবনকে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানিয়ে আলোচনা শুরু হবে বলে এদিনের বৈঠকে ঠিক হয়েছে। সূত্রের খবর, সোমবার ভারতের সংসদ ভবনের ইতিহাস এবং ঐতিহ্য তুলে ধরেই বিশেষ অধিবেশনের সূচনা হবে। মঙ্গলবার, গণেশ চতুর্থীর দিন থেকে নতুন সংসদ ভবনে বিশেষ অধিবেশন হবে। তার আগে পুরানো সংসদ ভবন ও এটির ইতিহাস সম্পর্কে অধিবেশনে আলোচনা হবে। পুরানো সংসদ ভবনে শ্রদ্ধার্ঘ্যও জানানো হবে। এরপর অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন, মঙ্গলবার নতুন সংসদ ভবনে যাওয়ার আগে সকাল সাড়ে ৯টায় লোকসভা এবং রাজ্যসভার সব সদস্যদের গ্রুপ ফোটো তোলা হবে। উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও।

    পুরনো সংসদ ভবনের জন্য লেখা

    সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, এদিন সকাল ১১ টায় পুরানো সংসদে সেন্ট্রাল হলে একটি অনুষ্ঠান হবে। তারপর বেলা সাড়ে ১১ টায় সরকারি সূচি অনুযায়ী সংসদের সেন্ট্রাল হলে বক্তব্য হবে। মঙ্গলবার বেলা ১১ টা ৪৫ নাগাদ পুরানো সংসদ ভবন থেকে নতুন সংসদ ভবনের দিকে যাবেন সব সাংসদরা। পুরনো সংসদ ভবনের জন্য সুন্দর একটি লেখা লিখেছেন ১০ মহিলা সাংসদ। নতুন সংসদ ভবনে অধিবেশন শুরু হওয়ার পাশাপাশি একাধিক নিয়ম জারি হচ্ছে। নতুন করে সাংসদদের পরিচয় পত্র তৈরি করা হয়েছে। তাঁদের নতুন আইডি কার্ড দেওয়া হয়েছে। নতুন সংসদ ভবনে একাধিক সুবিধা দেওয়া হচ্ছে সাংসদদের। তাঁদের জন্য তৈরি করা হয়েছে নতুন ডাইনিং হল। সেন্ট্রাল হল।

    আরও পড়ুন: নিউ দিঘার খুব কাছেই আর এক সমুদ্র সৈকতের হাতছানি, ঘুরে আসবেন নাকি?

    কেন সংসদের বিশেষ অধিবেশন

    কেন সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকা হল তা নিয়ে জল্পনা চলছে। জানা গিয়েছে সংসদের বিশেষ অধিবেশনে ৮টি বিল পেশ করা হবে। তার মধ্যে রয়েছে দ্যা অ্যাডভোকেট অ্যামেন্ডমেন্ট বিল ২০২৩, দ্যা প্রেস রেজিস্ট্রেশন অব পিরিওডিকাল বিল ২০২৩, ৩ অগাস্ট রাজ্যসভায় বিলগুলি পাস হয়ে গিয়েছে। এছাড়াও পোস্ট অফিস বিল ২০২৩ ও পেশ করা হবে এই অধিবেশনে। গত ১০ অগাস্ট বিলটি রাজ্যসভায় পেশ করা হয়েছে। এছাড়াও এক দেশ এক ভোট বিল নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share