Tag: modi govt

modi govt

  • Tourism Vision 2029: ‘ট্যুরিজম বুস্ট ভিশন ২০২৯’, কেন্দ্রের এই লক্ষ্য সম্পর্কে জানেন কি?

    Tourism Vision 2029: ‘ট্যুরিজম বুস্ট ভিশন ২০২৯’, কেন্দ্রের এই লক্ষ্য সম্পর্কে জানেন কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৯ সালের মধ্যে দেশের ৫০টি দেশীয় পর্যটনস্থলকে বিশ্বমানের আকর্ষণীয় গন্তব্যস্থলে রূপান্তরিত করার উদ্যোগ নিয়েছে ভারত সরকার। ‘ট্যুরিজম বুস্ট ভিশন ২০২৯’ (Tourism Vision 2029) নামে মোদি সরকারের এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্যই হল দেশের প্রতিটি অঞ্চলে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং আধুনিক পরিকাঠামোর সমন্বয়ে (Indias Heritage) এক নতুন বৈশ্বিক ভাবমূর্তি গড়ে তোলা।

    এক মাসের মধ্যে সম্ভাব্য পর্যটনস্থলের নাম (Tourism Vision 2029)

    জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পে প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে এক মাসের মধ্যে সম্ভাব্য পর্যটনস্থলের নাম প্রস্তাব করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচিত জায়গাগুলিতে তিন থেকে চার বছরের মধ্যে ব্যাপক উন্নয়ন হবে। এই উন্নয়ন একটি কেন্দ্রীয় নীতির ভিত্তিতে পরিচালিত হবে, যেখানে মজবুত উন্নয়ন, সহজলভ্যতা এবং দর্শনার্থীর অভিজ্ঞতা – এই তিনটি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। কাশ্মীরের তুষারাবৃত উপত্যকা থেকে কেরালার শান্ত ব্যাকওয়াটার, গুজরাটের উপকূলীয় ঐতিহ্য থেকে অসমের সবুজ পাহাড় -এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভারতের বৈচিত্র্যকে এক ঐক্যবদ্ধ উৎকর্ষের দৃষ্টিভঙ্গিতে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার চেষ্টা চলছে।

    আন্তর্জাতিক পর্যটনের প্রতিযোগিতামূলক সম্পদ

    সরকারি আধিকারিকরা এই প্রকল্পকে এমন এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন, যা ভারতের বিশাল সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক সম্পদকে আন্তর্জাতিক পর্যটনের প্রতিযোগিতামূলক সম্পদে রূপান্তরিত করবে। এই প্রকল্প এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে অন্তত একটি করে ফ্ল্যাগশিপ পর্যটনকেন্দ্রে উন্নয়ন করা যায়। এটি আত্মনির্ভর ভারতের ভাবনা এবং জাতীয় গৌরবের আহ্বানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যেখানে ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও প্রচারের পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতির উন্নয়নকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    বিরাট কর্মসংস্থানের সুযোগ

    আধিকারিকদের মতে, এই ৫০টি নির্বাচিত পর্যটনস্থলের উন্নয়ন হলে তা বিরাট কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে (Tourism Vision 2029), ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের উৎসাহিত করবে এবং আন্তর্জাতিক পর্যটকদের আকৃষ্ট করবে, ভারতে ঢুকবে রাশি রাশি বিদেশি মুদ্রা। স্থানীয় শিল্পী, পর্যটনগাইড এবং হোটেল শিল্পের সঙ্গে জড়িত কর্মীরাও সরাসরি উপকৃত হবেন। সর্বোপরি, এই প্রকল্পের লক্ষ্য বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা, বিশেষত পর্যটন পরিকাঠামো খাতে। তবে এটি এমনভাবে রূপায়িত হবে যাতে পরিবেশ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের বৈশ্বিক মানদণ্ড বজায় থাকে (Indias Heritage)।

    আধুনিক যুগের স্বদেশি আন্দোলন!

    বিশেষজ্ঞদের মতে, কেন্দ্রের এই উদ্যোগ পর্যটনে আধুনিক যুগের এক স্বদেশি আন্দোলনের প্রতিনিধিত্ব করে – যার ভিত্তি স্থানীয় সংস্কৃতি, অথচ উপস্থাপিত হবে বৈশ্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে। এর লক্ষ্য এমন সব পর্যটনস্থল তৈরি করা, যা ভারতের চিরন্তন ঐতিহ্যকে প্রকাশ করবে এবং একই সঙ্গে উৎকর্ষ ও নবতর উদ্ভাবনের আকাঙ্ক্ষাকেও প্রতিফলিত করবে। মোদি সরকারের আশা, ২০২৯ সালের মধ্যে ভ্রমণপিপাসুরা ভারত আবিষ্কারের ৫০টি নতুন কারণ খুঁজে পাবেন, যেখানে প্রতিটি জায়গাই হবে ‘বিকশিত ভারতে’র প্রতিচ্ছবি (Tourism Vision 2029)।

    ‘আত্মনির্ভর ভারত’

    ‘আত্মনির্ভর ভারত’ গড়তে প্রাণপণ লড়াই করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দক্ষিণ কাশ্মীরের পহেলগাঁওকাণ্ডের জেরে পাকিস্তানে অপারেশন সিঁদুর চালায় ভারত। তার পর থেকে তিনি আরও বেশি করে জোর দিয়েছেন আত্মনির্ভর ভারত গড়ার ওপর। এজন্য আহ্বানও জানিয়েছেন দেশবাসীকে। কেবল কৌশলগত ক্ষেত্রেই নয়, বরং ভারতের নিজস্ব সংস্কৃতি এবং পর্যটনকেও এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রেও জোর দিয়েছেন তিনি। এই সময়ই ভারতের পর্যটন শিল্প যৌথভাবে সিদ্ধান্ত নেয় তুরস্কের মতো দেশগুলিকে বয়কট করার। কারণ তারা আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিয়েছিল পাকিস্তানের পক্ষ (Indias Heritage)। এই সময় আম-ভারতীয়কে সরকার বারবার জানিয়েছে, ভারতে পর্যটনশিল্পের সম্ভাবনা অসীম। তবে এই শিল্প ক্ষেত্রে জোয়ার আনতে গেলে যা প্রয়োজন, তা হল এই ক্ষেত্রকে সঠিক দিকনির্দেশে পরিচালিত করার জন্য একটি সুস্পষ্ট কৌশল। আধিকারিকদের ভাষায়, “নয়া পরিকল্পনাটি ঠিক সেটাই, যেটি ভারতের স্বাভাবিক সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক সুবিধেগুলিকে বিশ্বমানের প্রতিযোগিতামূলক গন্তব্যে রূপান্তরিত করবে (Tourism Vision 2029)।”

    কী বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের মে মাসেই নীতি আয়োগের বৈঠকে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন রাজ্যের প্রতিনিধিদের বলেছিলেন, ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতের উন্নত দেশে রূপান্তর ত্বরান্বিত করার কৌশলগত প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত শহর নির্মাণ এবং প্রতিটি রাজ্যে কমপক্ষে একটি বিশ্বমানের পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার দিকে মনোনিবেশ করতে। ওই বৈঠকে তিনি পর্যটন শিল্পকে চাঙা করতে, স্থানীয় অর্থনীতির ভিত মজবুত করতে এবং মজবুত নগর গড়ে তুলতে (Indias Heritage) ‘এক রাজ্য, এক বিশ্বব্যাপী গন্তব্যে’র প্রস্তাব দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “রাজ্যগুলির উচিত সর্বাত্মক পরিকাঠামো এবং সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করে বিশ্বব্যাপী মাণদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ অন্তত একটি করে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা। এটি প্রতিবেশী শহরগুলির উন্নয়নের ক্ষেত্রেও অনুঘটকের কাজ করবে (Tourism Vision 2029)।”

  • H 1B Visa Fee Row: ভারতীয় বংশোদ্ভূত তারকা অধ্যাপক-গবেষকদের দেশে ফেরাতে নয়া প্রকল্প কেন্দ্রের

    H 1B Visa Fee Row: ভারতীয় বংশোদ্ভূত তারকা অধ্যাপক-গবেষকদের দেশে ফেরাতে নয়া প্রকল্প কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী (H 1B Visa Fee Row) কঠোর অবস্থানের প্রেক্ষিতে নয়া প্রকল্প হাতে নিয়েছে ভারত সরকার। এর লক্ষ্য হল বিদেশে থাকা ভারতীয় বংশোদ্ভূত তারকা অধ্যাপক ও গবেষকদের দেশে ফিরিয়ে আনা (Modi Govt)। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে শুধু শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানীদের ভারতে ফেরানোই নয়, বরং তাদের দেশের শীর্ষ গবেষণা প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন পদে বসানো হবে। এতে এক দিকে যেমন দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা গড়ে তোলা যাবে, তেমনি ভারতের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রকেও আরও শক্তিশালী করা যাবে।

    এইচ-১বি ভিসা (H 1B Visa Fee Row)

    সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্প প্রশাসনের উচ্চশিক্ষা নীতি এবং এইচ-১বি ভিসার উচ্চ ফি নিয়ে ব্যাপক উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের শাটডাউনের ফলে ব্যাপক ছাঁটাই চলছে। চাকরি হারিয়েছেন হাজার হাজার ফেডারেল কর্মচারী। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মার্কিন শিক্ষা বিভাগ, যেখানে ট্রাম্প প্রশাসনের নির্দেশে কর্মীর সংখ্যা অর্ধেকেরও বেশি কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আধিকারিকরা জানান, এই পরিকল্পনার লক্ষ্য হল ভারতের গবেষণা ও উন্নয়ন খাতকে শক্তিশালী করা। এজন্য নির্বাচিত গবেষকদের ভারতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান- যেমন আইআইটি, বিভিন্ন গবেষণাগার, এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগ ও জৈবপ্রযুক্তি বিভাগের অধীনে স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোয় পদ দেওয়া হবে।

    অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ক্ষেত্র

    সূত্রের খবর, এই প্রকল্পটি প্রাথমিকভাবে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, টেকনোলজি এবং গণিত ক্ষেত্রের ১২ থেকে ১৪টি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ক্ষেত্রে চালু করা হবে। গবেষকদের সেট-আপ অনুদান দেওয়া হতে পারে, যা তাঁদের ভারতে নিজস্ব ল্যাব ও গবেষণা টিম তৈরিতে সাহায্য করবে। জানা গিয়েছে, আইআইটিগুলিও এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন পরিচালক সরকারের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিয়েছেন।

    কী বলছেন শিক্ষাবিদরা

    ট্রাম্প প্রশাসনের বড় ধরনের (H 1B Visa Fee Row) পরিবর্তনগুলি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ওপর কঠোর শর্ত আরোপ করেছে।  এর মধ্যে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তির সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। এমআইটি স্লোন স্কুল অব ম্যানেজমেন্টের অধ্যাপক বৈষ্ণবের মতে, “আর্থিকভাবে আমরা হয়তো কখনও বৈশ্বিক বেতনের সমান হতে পারব না। কিন্তু এখানে একটি আবেগগত টান রয়েছে। এই বার্তা প্রতিভা আকর্ষণ করবে। সঠিক মানুষ নির্বাচন করে তাদের স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া হবে। তদারকি করা হবে, তবে সেখানে গুরুত্ব থাকবে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের ওপর, লেনদেনভিত্তিক বিনিময়ের ওপর নয় (Modi Govt)।”

    ভারতীয় অধ্যাপকের বার্ষিক আয়

    উদাহরণস্বরূপ, একজন ভারতীয় অধ্যাপকের বার্ষিক আয় প্রায় ৩৮,০০০ মার্কিন ডলার, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রে তা ১,৩০,০০০ থেকে ২,০০,০০০ মার্কিন ডলারের মধ্যে এবং চিনে প্রায় ১,০০,০০০ মার্কিন ডলার। জানা গিয়েছে, সরকার এমন একটি প্রকল্প তৈরি করছে যা প্রক্রিয়াগত দেরি, অর্থায়নের অনিশ্চয়তা এবং সীমিত প্রাতিষ্ঠানিক সহায়-সহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করবে। একই সঙ্গে বৌদ্ধিক সম্পদ অধিকার, গবেষণার স্বাধীনতা এবং স্থায়ী পদ বা চাকরির কাঠামো নিয়ে আলোচনা চলছে, যাতে এই প্রকল্পটি আরও আকর্ষণীয় ও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে ওঠে।

    বিদেশি গবেষকদের সঙ্গে স্বল্পমেয়াদি সহযোগিতা

    বর্তমানে ইউরোপ, চিন এবং তাইওয়ানের মতো দেশগুলি বিপুল পরিমাণে অর্থায়নযুক্ত উদ্যোগ এবং নয়া গবেষণা কেন্দ্রের মাধ্যমে বিদেশি গবেষকদের নিয়োগ করছে। ভারত এই বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় নিজেদের প্রতিষ্ঠানগুলিকে এগিয়ে নিতে যেতে চায় এবং দেশ থেকে বৈজ্ঞানিক প্রতিভার ভিন দেশে চলে যাওয়ার প্রবণতা কমাতে চায় (H 1B Visa Fee Row)। যদিও ভারত ইতিমধ্যেই ভিজিটিং অ্যাডভান্সড জয়েন্ট রিসার্চ ফ্যাকাল্টি প্রোগ্রামের মতো কিছু উদ্যোগ চালু করেছে, যা বিদেশি গবেষকদের সঙ্গে স্বল্পমেয়াদি সহযোগিতার সুযোগ দেয়। কিন্তু এই প্রকল্পে অংশগ্রহণ সীমিত ছিল। ২০১৭–১৮ সালে সূচনার পর থেকে এই প্রোগ্রাম ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলির সঙ্গে প্রায় ১০০টি সহযোগিতামূলক গবেষণা প্রকল্প শেষ করেছে (Modi Govt)।

    ভারত থেকে বহু মানুষ আমেরিকায় যান

    প্রসঙ্গত, আমেরিকার নাগরিকত্ব এবং অভিবাসন সংস্থা ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস সম্প্রতি একটি এ বিষয়ে বিবৃতি জারি করেছে। গত ২১ সেপ্টেম্বর রাত ১২টার পরে আমেরিকার বাইরে রয়েছেন এমন কারও জন্য এইচ-১বি ভিসা চাইলে ওই ১ লাখ ডলার দিতে হবে। ওই নির্ধারিত সময়ের পরে যে এইচ-১বি ভিসার আবেদনের ক্ষেত্রে কোনও বিদেশি কনস্যুলার বিজ্ঞপ্তি, প্রবেশের পর বিজ্ঞপ্তি এবং প্রাক-উড়ান তথ্য যাচাইয়ের অনুরোধ করা হয়েছে, সেগুলির ক্ষেত্রেও নয়া কড়াকড়ি কার্যকর হবে (H 1B Visa Fee Row)। নয়া নিয়ম অনুসারে, বিদেশি দক্ষ কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে মার্কিন সংস্থাগুলিকে ১ লাখ ডলার দিতে হচ্ছে ট্রাম্প সরকারকে। এইচ-১বি ভিসা নিয়ে প্রতি বছর ভারত থেকে বহু মানুষ আমেরিকায় যান (Modi Govt)। এই মুহূর্তে ভারতীয়রাই এই ভিসার সব চেয়ে বেশি সুবিধা পাচ্ছেন। শুধু গত বছরেই ভারত থেকে ভিসার আবেদন মঞ্জুর হয়েছে ৭১ শতাংশ (H 1B Visa Fee Row)।

  • RTI: আরটিআই নিয়ে অভিযোগ, কংগ্রেসের ‘মিথ্যের মুখোশ’ খুলে দিল মোদি সরকার, কীভাবে জানেন?

    RTI: আরটিআই নিয়ে অভিযোগ, কংগ্রেসের ‘মিথ্যের মুখোশ’ খুলে দিল মোদি সরকার, কীভাবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় গণতন্ত্রের মেরুদণ্ড হল তথ্য জানার অধিকার আইন, সংক্ষেপে আরটিআই (RTI)। চলতি মাসে ২০ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন করছে এই আইন। এই সময়ই আইনটিকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে বিতর্ক। কংগ্রেসের অভিযোগ, নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সরকার আরটিআইকে দুর্বল করে দিচ্ছে, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করছে এবং স্বচ্ছতাকে ফেলছে হুমকির মুখে। রাহুলের এহেন মন্তব্যের জোরালো জবাব দিয়েছে সরকার। বিভিন্ন সরকারি প্রতিবেদন তুলে ধরে তারা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে, আরটিআই এখন আগের যে কোনও সময়ের চেয়ে আরও শক্তিশালী, দ্রুত ও স্বচ্ছ হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৯৫ শতাংশ মামলারই নিষ্পত্তি হচ্ছে। এটি একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য।

    কংগ্রেসের অভিযোগ (RTI)

    কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “মোদি সরকার ধীরে ধীরে আরটিআই আইনকে ফাঁপা করে দিচ্ছে।” তাঁর অভিযোগ, নয়া আইনগুলি, যেমন ডেটা প্রোটেকশন আইন, সাধারণ মানুষের কাছে তথ্য প্রকাশে বাধা হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা জয়রাম রমেশের দাবি, সরকার আরটিআইয়ের মাধ্যমে স্বচ্ছতা এড়িয়ে যাচ্ছে। এই মামলাগুলির মধ্যে রয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রির বিস্তারিত তথ্যের দাবি, ভুয়ো রেশন কার্ড সংক্রান্ত অভিযোগ, রাফাল যুদ্ধবিমান চুক্তি, নোটবন্দি নীতি এবং বাতিল হওয়া ইলেক্টোরাল বন্ড প্রকল্প। তাঁর বক্তব্য, সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে তথ্য গোপন করছে এবং আরটিআই ব্যবস্থাকে দুর্বল করছে। কংগ্রেসের বক্তব্য হল, সরকার এই বিষয়গুলিতে কঠিন প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে ভয় পেয়ে ২০১৯ সালে আরটিআইয়ে একটি সংশোধনী পাশ করে। এই সংশোধনীর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনকে দুর্বল করা হয়েছে। কারণ এতে সরকারকে কমিশনারদের বেতন ও মেয়াদের ওপর বেশি নিয়ন্ত্রণ দেওয়া হয়েছে, যা কমিশনের স্বাধীনতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

    ‘মিথ্যের মুখোশ’ খুলল কেন্দ্র

    কংগ্রেসের এহেন ‘মিথ্যের মুখোশ’ খুলে দিয়েছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনের প্রতিবেদন এবং সংসদে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের দেওয়া তথ্য কংগ্রেসের দাবির উল্টো ছবিই তুলে ধরেছে। এই সংখ্যাগুলি কেন্দ্রীয় পর্যায়ে আরটিআই ব্যবস্থার কার্যকারিতায় নাটকীয় উন্নতি নির্দেশ করছে। উদাহরণস্বরূপ, মামলার নিষ্পত্তির হার আগের ইউপিএ সরকারের সময় ছিল ৮১ শতাংশ। সেটা এখন হয়েছে ৯৪ শতাংশেরও বেশি। এই উচ্চ হার বজায় ছিল কোভিড-১৯ অতিমারির কঠিন সময়েও (RTI)।

    চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল মোদি সরকার

    এহ বাহ্য। আবেদনকারীদের জন্য সবচেয়ে বড় হতাশার কারণ হিসেবে বিবেচিত হয় মুলতবি মামলার জট। বর্তমানে এই জট উল্লেখযোগ্যভাবে কমে প্রায় অর্ধেক (PM Modi) হয়েছে। ২০২০-২১ সালে সিআইসিতে মুলতবি মামলার সংখ্যা ছিল ৩৮ হাজার ১১৬টি। ২০২৩-২৪ সালে এটাই কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১৯ হাজার ২৩৩টিতে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ব্যবস্থাটির প্রতি জনসাধারণের আস্থা এখন পৌঁছেছে সর্বকালের সর্বোচ্চ পর্যায়ে। জানা গিয়েছে, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ১৭.৫ লাখেরও বেশি আরটিআই আবেদন দাখিল করা হয়েছে। এটি এক দশক আগের সংখ্যার দ্বিগুণ। এ থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট, আরও বেশি নাগরিক এখন মনে করছেন আরটিআই একটি কার্যকরী হাতিয়ার এবং তাঁরা আত্মবিশ্বাসী যে এর মাধ্যমে তাঁরা সঠিক উত্তর পাবেন (RTI)।

    চোখধাঁধানো সাফল্যের সূত্র

    প্রশ্ন হল, কীভাবে মিলল এহেন চোখধাঁধানো সাফল্য? সরকারি সূত্রে খবর, সব চেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে একটি নির্দিষ্ট অনলাইন পোর্টাল চালুর মাধ্যমে। এখন দেশের যে কোনও প্রান্ত থেকে নাগরিকরা ২৪ ঘণ্টা আরটিআই আবেদন জমা দিতে পারেন। এতে একদিকে যেমন কাগজপত্রের ঝামেলা দূর হয়েছে, তেমনি অন্যদিকে প্রক্রিয়াটি হয়েছে অত্যন্ত সহজ। অনলাইন ব্যবস্থা এতটাই শক্তিশালী যে, অতিমারির সময় দেশজুড়ে পূর্ণ লকডাউন থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনের কাজ একদিনের জন্যও বন্ধ হয়নি। দ্বিতীয়ত, সিআইসি চালু করেছে হাইব্রিড শুনানির ব্যবস্থা (PM Modi)। এর মাধ্যমে আবেদনকারী ও সরকারি আধিকারিকরা অডিও এবং ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত হতে পারেন (RTI)। ফলে কমিশন প্রতিদিন আগের তুলনায় অনেক বেশি সংখ্যক মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে পারছে। তৃতীয়ত, সরকার আরটিআই প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে কঠোর সময়সীমা নির্ধারণ করেছে। প্রথম আপিলের জন্য ৩০ দিনের এবং দ্বিতীয় আপিলের জন্য ৪৫ দিনের সীমা নির্ধারিত রয়েছে। কোনও আধিকারিক তথ্য দিতে দেরি করলে তাঁর জরিমানা হতে পারে।

    সর্বোপরি রয়েছে সিআইসির বাজেট বৃদ্ধি। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে এটি পৌঁছেছে ১২০ কোটি টাকায়। সরকার সময় মতো কমিশনারদের শূন্যপদ পূরণের দিকেও সচেষ্ট রয়েছে, যাতে প্রতিষ্ঠানটি সর্বদা পূর্ণ শক্তি নিয়ে দ্রুত কাজ করতে পারে। আরটিআইয়ের ধরন বিশ্লেষণ করতে এবং ভুয়ো বা পুনরাবৃত্তি হওয়া আবেদন (PM Modi) দ্রুত বাছাই করতে সিআইসি এখন এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারও শুরু করেছে। সব মিলিয়েই এসেছে সাফল্য (RTI)।

LinkedIn
Share