Tag: modi Hasina meeting

modi Hasina meeting

  • India Bangladesh Relation: “একযোগে কাজ করবে ভারত-বাংলাদেশ”, মোদিতে আস্থা রেখে বার্তা হাসিনার

    India Bangladesh Relation: “একযোগে কাজ করবে ভারত-বাংলাদেশ”, মোদিতে আস্থা রেখে বার্তা হাসিনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণে যোগ দিতে ভারতে এসেছিলেন বাংলাদেশের (India Bangladesh Relation) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশে ফেরার আগে মোদিকে বাংলাদেশ সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানান হাসিনা। মোদির (PM Modi) নেতৃত্বে আগামী দিনে ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন মুজিব-কন্যা। হাসিনার কথায়, ‘‘ভারতের বিশ্বস্ত বন্ধু হিসাবে বাংলাদেশ দুই দেশের উন্নতির স্বার্থে এবং এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে আগামী দিনেও একযোগে কাজ করবে।’’

    মোদি-হাসিনা বৈঠক

    তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরপরই বাংলাদেশের (India Bangladesh Relation) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানান, বৈঠকে শেখ হাসিনা নরেন্দ্র মোদিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, দুই দেশে একই সরকারের ধারাবাহিকতা থাকায় পারস্পারিক সম্পর্কের মাত্রা আরও দৃঢ় হবে। যার মাধ্যমে উপকৃত হবে উভয় দেশের মানুষ। এছাড়া রাষ্ট্রপতি ভবনে শপথ নেওয়ার পরই নরেন্দ্র মোদির সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় দুই নেতা একে অপরের খোঁজ-খবর নেন। এরপর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ অন্যদের নিয়ে রাষ্ট্রপতি ভবনের ব্যাঙ্কোয়েট হলে যান নরেন্দ্র মোদি, যোগ দেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুরের দেওয়া নৈশভোজে।

    আরও পড়ুন: চিরঞ্জীবী থেকে অনিল কাপুর! মোদিকে অভিনন্দন বার্তা পর্দার তারকাদের

    বৈঠক প্রসঙ্গে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী

    মোদি-হাসিনা বৈঠক প্রসঙ্গে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী (India Bangladesh Relation) বলেন, “পরপর তিনবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দুই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে এবং নিকটতম প্রতিবেশী হিসেবে বাংলাদেশ ও ভারতের অনেক কাজের সুযোগ রয়েছে। দুই দেশের জনগণের মধ্যে সংযোগ বাড়াতে পরিকাঠামোর উন্নয়ন সহ আরও উন্নতি প্রকল্পে একযোগে কাজ করতে হবে।” তিনি বলেন, ” শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদির দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আগামী দিনগুলোতে আরও গভীর হবে।”

    ভারত সফরে হাসিনা

    তিনদিনের সফরে ভারতে (India Bangladesh Relation) এসেছিলেন শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। শনিবার দুপুরে নয়াদিল্লির (New Delhi) বিমানবন্দরে তিনি নামেন। সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশের (Bangladesh) ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় বর্মা ও ভারতের বাংলাদেশীয় হাইকমিশনার মহম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান। রবিবার সন্ধ্যায় রাইসিনা হিলসে তিনি যোগ দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে। তার পর রাষ্ট্রপতি ভবনে নৈশভোজে যোগ দেন তিনি। আগেই তৃতীয়বার সরকার গঠনের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) শুভেচ্ছা বার্তা পাঠান হাসিনা। তিনি লেখেন, ‘‘বাংলাদেশের মানুষের তরফে এবং ব্যক্তিগত ভাবে আমি বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটের জয়ের জন্য আপনাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। গণতান্ত্রিক নেতা হিসাবে আপনি ভারতের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাহক। আপনার এই জয় প্রমাণ করে, ভারত আপনার নেতৃত্বে অটল আস্থা রেখেছে।’’ সোমবার বিকেলেই দেশে ফিরছেন হাসিনা। রাত ৮টা তাঁর ঢাকা পৌঁছনোর কথা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Modi Hasina Meeting: জি২০ সম্মেলনের ফাঁকে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মোদি-হাসিনা, আলোচনায় তিস্তা চুক্তিও?

    Modi Hasina Meeting: জি২০ সম্মেলনের ফাঁকে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মোদি-হাসিনা, আলোচনায় তিস্তা চুক্তিও?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জি২০ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে পৃথক বৈঠক (Modi Hasina Meeting) করতে পারেন তিনি। দুই দেশের এই বৈঠকে তিস্তার জল নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার বলেন, “জি ২০ সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আশা করছি, সম্মেলনের পাশাপাশি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও হবে।”

    ভারতে আসছেন হাসিনা 

    গত বছর ইন্দোনেশিয়ার বালিতে জি২০ সম্মলনের আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছিল ভারত। ভারতের হাত থেকে জি২০-এর ব্যাটন যাবে ইটালির হাতে। ভারতে দু’ দিনের জি২০-এর শীর্ষ সম্মেলন হবে নয়া দিল্লির প্রগতি ময়দানের ভারত মণ্ডপম কনভেনশন সেন্টারে। সম্মেলন শুরু হবে ৯ সেপ্টেম্বর। এই সম্মেলনে যোগ দিতে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা। বাংলাদেশ জি ২০-এর সদস্য নয়। তবে হাসিনা উপস্থিত থাকবেন আমন্ত্রিত দেশের প্রতিনিধি হিসেবে।

    আলোচনায় তিস্তা সহ ৫৪ নদী

    কেবল তিস্তা নয়, ভারত-বাংলাদেশের আরও বেশ কিছু নদী নিয়েও আলোচনা হবে মোদি-হাসিনা পার্শ্ববৈঠকে (Modi Hasina Meeting)। বাংলাদেশের বিদেশসচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেন, “তিস্তার জলবণ্টনের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই উত্থাপন করবেন। এ ছাড়াও আমাদের আরও কিছু অসুবিধা রয়েছে। আমাদের মধ্যে ৫৪টি অভিন্ন নদী রয়েছে। সেগুলির জলবণ্টনের প্রশ্নও রয়েছে।” তিনি জানান, ২০১১ সালে নীতিগত সমঝোতার পরেও তিস্তার জলবণ্টন নিয়ে বকেয়া রয়ে গিয়েছে দু দেশের চুক্তি। শেখ হাসিনা গত কয়েক বছরের প্রতিটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকেই প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেছেন।

    আরও পড়ুুন: সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের নায়ক অমৃত সঞ্জেনবামের হাতে মণিপুরের দায়িত্ব

    প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহের ঢাকা সফরেই স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা ছিল তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি। কিন্তু একেবারে শেষ মুহূর্তে বেঁকে বসেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ ছিল, রাজ্য সরকারকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে চুক্তি করা হচ্ছে। এর পরেই স্থগিত হয়ে যায় তিস্তা চুক্তি। পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বাস দিয়েছিলেন, দেশে রাজনৈতিক সহমত গড়ে দ্রুত তিস্তা চুক্তি রূপায়ণ করা হবে। জি ২০ সম্মেলনের পার্শ্ববৈঠকে (Modi Hasina Meeting) এ নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Modi Hasina Meeting: স্বাক্ষরিত কুশিয়ারা জল বণ্টন চুক্তি, সাতটি মউ, বৈঠকে আশাবাদী মোদি-হাসিনা

    Modi Hasina Meeting: স্বাক্ষরিত কুশিয়ারা জল বণ্টন চুক্তি, সাতটি মউ, বৈঠকে আশাবাদী মোদি-হাসিনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি (Teesta Water Sharing Treaty) স্বাক্ষরিত হয়নি। তবে মঙ্গলবার মোদি (PM Modi)-হাসিনা (PM Hasina) বৈঠকে স্বাক্ষরিত হয়েছে কুশিয়ারা নদীর (Kushiyara River) জল বণ্টন সংক্রান্ত চুক্তি। যে চুক্তির ফলে লাভবান হবে ভারত ও বাংলাদেশ দুই দেশই। স্বভাবতই উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে ৫৪টি নদী প্রবাহিত হয়ে চলেছে। দুই দেশের মানুষের জীবন জীবিকার সঙ্গে যুক্ত এই নদীগুলি। এই আবহে আজ আমরা কুশিয়ারা নদীর জল বণ্টন সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছি। তিস্তা জল বণ্টন চুক্তি সমস্যাও যে দ্রুত মিটবে, সে ব্যাপারে আশাবাদী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    এদিন ভারত (India) ও বাংলাদেশ (Bangladesh) দুই দেশের মধ্যে সাতটি মউ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। দুই দেশের দুই প্রধানমন্ত্রী যৌথভাবে উন্মোচন করেছেন মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্টের ইউনিট-১এর আবরণ। তাঁরা ৫.১৩ কিমি দীর্ঘ রূপসা রেল ব্রিজেরও উদ্বোধন করেন। এদিনের আলোচনা যে ফলপ্রসূ হয়েছে, তা জানিয়েছেন হাসিনা। তিনি বলেন, বন্ধুত্বপূর্ণ এবং সহযোগিতার আবহে এদিন আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।

     

     

    আরও পড়ুন :হায়দ্রাবাদ হাউসে বৈঠকে মোদি-হাসিনা, নজরে জলবণ্টন, সীমান্ত সুরক্ষা

    মোদিও বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আমার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আলোচনা হয়েছে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নানা ইস্যু নিয়েও। কোভিড-১৯ অতিমারি থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়া প্রয়োজন। বিশ্বে এই মুহূর্তে যা ঘটছে, তা নিয়েও। এবং অবশ্যই পোক্ত করতে হবে আমাদের অর্থনীতির ভিত। ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছি বন্যা নিয়ন্ত্রণে। রিয়েল টাইম ডেটা শেয়ার করেছি। সন্ত্রাসবাদ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। আমাদের দুই দেশকেই অনেক প্রতিকূল শক্তির বিরুদ্ধে লড়তে হচ্ছে। মোদি বলেন, বাংলাদেশ আমাদের সর্ব বৃহৎ ডেভেলপমেন্ট পার্টনার। এই অঞ্চলে আমাদের বৃহত্তম ব্যবসায়িক পার্টনারও। ভারত বাংলাদেশের মধ্যে ব্যবসা দিন দিন বাড়ছে বলেও জানান মোদি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share