Tag: Modi in France

Modi in France

  • PM Modi: ‘ভারতে বিনিয়োগের সঠিক সময়’, ফ্রান্স থেকে বিশ্বকে বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    PM Modi: ‘ভারতে বিনিয়োগের সঠিক সময়’, ফ্রান্স থেকে বিশ্বকে বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে বিনিয়োগের এটাই সঠিক সময়। ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’-র লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে দেশ। বিশ্বের তাবড় শিল্পোদ্যোগী, বিনিয়োগকারী তথা শিল্প সংস্থাকে ভারতে আসার আহ্বান জানিয়ে এই বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। প্যারিসে ১৪তম ভারত-ফ্রান্স সিইও ফোরামে মঙ্গলবার এমনই দাবি করলেন মোদি। ভারত-ফ্রান্স সিইও ফোরামে তাঁকে স্বাগত জানান ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ। দুই দেশের বড় বড় সংস্থার প্রতিনিধিরা এই ফোরামে অংশ নেন।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    প্যারিসে ১৪তম ভারত-ফ্রান্স সিইও ফোরামে প্রধানমন্ত্রী (Modi in France) জানান, ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে দেশ। ভারতে বিনিয়োগের জন্য এটাই সবচেয়ে ভাল সময়। তিনি বলেন, “গত এক দশকে ভারতে পরিবর্তন আপনারা লক্ষ করেছেন। বিভিন্ন সংস্কারের মাধ্যমে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এই মুহূর্তে ভারত বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ। শীঘ্রই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হতে চলেছে।” তাঁর সংযোজন “এখন বিনিয়োগের গন্তব্যস্থল ভারত। আমরা এখন সেমিকন্ডাক্টর এবং কোয়ান্টাম মিশনও শুরু করেছি। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রেও ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-র উদ্যোগকে উৎসাহিত করা হচ্ছে।’’

    ভারত-ফ্রান্স গভীর বন্ধুত্ব

    এদিন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রঁর সঙ্গে এখানে থাকতে পারা আমার কাছে খুবই আনন্দের। গত ২ বছরে এটা আমাদের ষষ্ঠ সাক্ষাৎ। গত বছর প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রধান অতিথি ছিলেন ম্যাক্রঁ।” প্রধানমন্ত্রী মোদির কথায়, “ভারত ও ফ্রান্স শুধুমাত্র গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের দ্বারাই যুক্ত নয় ৷ আমাদের বন্ধুত্বের ভিত্তি একে অপরের প্রতি গভীর বিশ্বাস, উদ্ভাবন এবং জনকল্যাণ ৷ আমাদের অংশীদারিত্ব শুধুমাত্র দু’টি দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় ৷ বিশ্বের নানা সমস্যা, চ্যালেঞ্জগুলির মোকাবিলায় আমরা একে অপরের সহযোগিতা করছি ৷ আমি শেষ বার যখন এখানে এসেছিলাম, তখনই আমাদের অংশীদারিত্ব বিষয়ে ২০৪৭ সালের রোডম্যাপের কথা উল্লেখ করেছিলাম ৷” সফলভাবে এআই অ্যাকশন সম্মেলন আয়োজনের জন্য ম্যাক্রঁকে ধন্যবাদ জানান মোদি। এরপরই এআই, মহাকাশ গবেষণায় ভারতের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন তিনি। তিনি বলেন, ‘‘আগে ভারতীয় সংস্থাগুলি বিমানের জন্য বাইরে বড় বড় বরাত দিত। এখন আমরা (ভারতে) ১২০টি নতুন বিমানবন্দর খুলতে চলেছি। তা হলে ভাবুন, ওই ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ কতটা সম্ভাবনাময়।’’

  • Rafale M Deal: ভারতীয় নৌসেনায় আসছে ২৬টি ‘রাফাল এম’ যুদ্ধবিমান! ট্যুইটে ঘোষণা দাসোর

    Rafale M Deal: ভারতীয় নৌসেনায় আসছে ২৬টি ‘রাফাল এম’ যুদ্ধবিমান! ট্যুইটে ঘোষণা দাসোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জল্পনা ছিলই। এবার সরকারি ঘোষণাও হয়ে গেল। ভারতীয় নৌসেনায় যোগ দিতে চলেছে ফরাসি সংস্থা দাসো নির্মিত ২৬টি রাফাল মেরিন (সংক্ষেপে রাফাল এম) যুদ্ধবিমান (Rafale M Deal)। শনিবার প্রস্তুতকারী সংস্থার তরফে এই মর্মে একটি ঘোষণা করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ভারতীয় বায়ুসেনায় ৩৬টি রাফাল যুদ্ধবিমান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এবার দেশের নৌসেনার বায়ু-শক্তি বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই বিমানের নৌ-সংস্করণও কেনার পথে কেন্দ্র, এমনটাই জানা গিয়েছে।

    কেন্দ্রকে উদ্ধৃত করে ঘোষণা দাসোর

    দুদিনের ফ্রান্স সফর সেরে শনিবারই আরব আমিরশাহীর ঝটিকা সফরে গেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জল্পনা ছিল, প্রধানমন্ত্রীর সফরের মধ্যেই রাফাল কেনার কথা ঘোষিত হবে। কিন্তু, মোদির বিমান ফ্রান্স ছাড়তেই এই ঘোষণা করা হয় কেন্দ্রের তরফে (Rafale M Deal)। কেন্দ্রীয় সরকারকে উদ্ধৃত করে দাসোর তরফে জানানো হয়েছে, ভারতে সফল ট্রায়াল প্রক্রিয়ার পর ‘রাফাল এম’ বিমান কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে (Rafale M For Indian Navy)। ট্রায়াল-পর্বে প্রমাণিত হয়েছে যে ভারতীয় নৌসেনার যাবতীয় প্রয়োজনীয়তা পুরণ করতে সক্ষম ‘রাফাল এম’। ভারতীয় বিমানবাহী রণতরী থেকে অপারেট করার ক্ষেত্রে পুরোপুরি সক্ষম এই যুদ্ধবিমান। 

    আরও পড়ুন: নৌসেনার চুক্তির ‘ডগফাইটে’ কীভাবে ‘এফ ১৮’-কে টেক্কা দিল ‘রাফাল এম’?

    এবার শুরু হবে দর কষাকষি

    প্রসঙ্গত, মোদির ফ্রান্স সফরের ঠিক আগেই, নৌসেনার জন্য ২৬টি ‘রাফাল এম’ যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে চূড়ান্ত ছাড়পত্র দেয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল (Rafale M Deal)। পাশাপাশি, ফরাসি সংস্থা ডিসিএন নির্মিত তিনটি স্করপিন শ্রেণির সাবমেরিন কেনারও বিষয়েও সবুজ সঙ্কেত দেওয়া হয়। এই তিন প্রচলিত শক্তিচালিত সাবমেরিন মুম্বইয়ের মাঝগাও ডকে তৈরি করা হবে। ২৬টি রাফাল কিনতে কত দাম পড়বে, তা এখনও নির্ধারিত হয়নি। সেই নিয়ে এবার দুপক্ষের মধ্যে দর-কষাকষি চলবে। ঠিক তেমনভাবেই, বরাত মেলার পর কতদিনের মধ্যে যুদ্ধবিমান ভারতে আসতে শুরু করবে, তা নিয়েও আলোচনা হবে (Rafale M For Indian Navy)।

    ভারত-ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক দীর্ঘ

    এখানে বলে দেওয়া যাক, এর আগে, ২০১৫ সালে মোদির ফ্রান্স সফরে ৩৬টি রাফাল কেনার বিষয়ে চুক্তি হয়েছিল। একেবারে, দুই সরকারের মধ্যে ওই চুক্তি মোতাবেক ভারত ফ্রান্সের থেকে একেবারে তৈরি অবস্থায় ৩৬টি রাফাল যুদ্ধবিমান বায়ুসেনার জন্য কিনেছিল। ইতিমধ্যেই ভারতে এসেছে সেই যুদ্ধবিমানগুলি। সম্প্রতি ফ্রান্সের বাস্তিল দিবসে ফ্লাই পাস্টেও অংশ নিয়েছিল সেগুলি। রাফাল কেনার অনেক আগে ১৯৮০ সালে মিরজ বিমানও কিনেছিল ভারত। এখনও সেই যুদ্ধবিমানের দুটি স্কোয়াড্রন ভারতীয় বায়ুসেনার অংশ। ২০০৫ সালে ৬টি স্করপিন ক্লাস ডিজেল সাবমেরিন ফ্রান্স থেকে এসেছিল ভারতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Modi In France: ‘বন্ধু’ মাক্রঁকে কী উপহার দিলেন মোদি? পেলেনই বা কী কী? দেখে নিন

    Modi In France: ‘বন্ধু’ মাক্রঁকে কী উপহার দিলেন মোদি? পেলেনই বা কী কী? দেখে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্রান্সে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi In France)! পেলেন সেদেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ‘লিজিয়ন অব অনার’। এছাড়াও সেদেশের প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে গ্রহণ করলেন একাধিক উপহার। সূত্রের খবর, প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ, তাঁর স্ত্রী ব্রিজিট মাক্রঁ, প্রধানমন্ত্রী এলিজাবেথ বোর্নে, ফরাসি ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির প্রেসিডেন্ট ইয়ায়েল ব্রাউন পিভেট এবং ফরাসি সেনেটের প্রেসিডেন্ট জেরার লারচারকে এমন কিছু উপহার দিয়েছেন মোদি, যাতে রয়েছে ভারতীয় সংস্কৃতির ছোঁয়া।

    কী কী উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী?

    সূত্রের খবর, প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁর জন্য ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী (Modi In France) উপহার স্বরূপ নিয়ে গিয়েছিলেন বাদ্যযন্ত্র সেতারের একটি রেপ্লিকা, যেটি পুরোপুরি চন্দনকাঠ দিয়ে তৈরি। ছোট্ট সেতারে খোদাই করা রয়েছে একটি সরস্বতী মূর্তি। দেবীর হাতেও রয়েছে একটি সেতার। এছাড়া ভগবান গণেশ এবং ভারতের জাতীয় পাখি ময়ূরের নকশা খোদাই করা রয়েছে সেটিতে। ফ্রান্সের ফার্স্ট লেডি ব্রিজিটকে মোদি উপহার দিয়েছেন পোচমপল্লী সিল্ক ইক্কত শাড়ি। উজ্জ্বল গোলাপি রঙের সেই শাড়ি রয়েছে একটি দুর্দান্ত কারুকার্য খচিত চন্দনকাঠের বাক্সে। ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী এলিজাবেথ বোর্নে মোদির তরফ থেকে পেয়েছেন একটি মার্বেল ইনলে কাজ করা টেবিল। ফরাসি ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির প্রেসিডেন্ট ইয়ায়েল ব্রাউন পিভেটকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী একটি হাতে বোনা কাশ্মীরি কার্পেট উপহার দিয়েছেন। ফরাসি সেনেটের প্রেসিডেন্ট জেরার লারচারকে হাতির মূর্তি উপহার দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। মূর্তিটি পুরোটাই চন্দনকাঠের তৈরি। ভারতীয় সংস্কৃতিতে হাতিকে শক্তি, প্রজ্ঞা এবং সৌভাগ্যের প্রতীক বলে ধরা হয়।

    কী কী উপহার পেলেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রধানমন্ত্রী মোদিকে (Modi In France) ফরাসি সরকারের তরফ থেকে একাধিক উপহার দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে ফরাসি শিল্প-সাহিত্যের ছোঁয়া যেমন রয়েছে তেমনি দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কও স্থান পেয়েছে।

    ১) প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ছবি

    প্রধানমন্ত্রীকে এদিন উপহার দেওয়া হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধের একটি ছবি। প্রসঙ্গত, প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ভারতীয় সেনার একটি অংশ ফ্রান্সের পক্ষে যুদ্ধ করেছিলেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে এক ফরাসি মহিলা শিখ জওয়ানকে ফুল উপহার দিচ্ছেন। ১৪ জুলাই ১৯১৬ সালে এই ছবিটি প্যারেডের সময় তোলা হয়েছিল। উল্লেখ্য প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলেছিল ১৯১৪-১৯১৮ পর্যন্ত।

    ২) একাদশ শতকের দাবার ঘুঁটি

    শার্লেমেন এর দাবার ঘুঁটিও এদিন প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, এটা দুই দেশের কয়েকশো বছরের বাণিজ্যিক সম্পর্কের প্রতীক বলে মনে করা হয়। প্রদানমন্ত্রী মোদি নিজে একজন দাবা খেলার অনুরাগী।

    ৩) সাহিত্যের উপহার

    বিখ্যাত ফরাসি সাহিত্যিক মার্শেল প্রোউস্ট এর লেখা একটি উপন্যাসের সিরিজ প্রধানমন্ত্রীর (Modi In France) হাতে। ১৯১৩ থেকে ১৯২৭ সালের মধ্যে এই উপন্যাসগুলি প্রকাশিত হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi In France: বাস্তিল দিবসে প্যারিসের রাজপথে পঞ্জাব রেজিমেন্টের কুচকাওয়াজ, স্যালুট প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi In France: বাস্তিল দিবসে প্যারিসের রাজপথে পঞ্জাব রেজিমেন্টের কুচকাওয়াজ, স্যালুট প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদেশের মাটিতে ভারতীয় সেনার কুচকাওয়াজ। সামনে থেকে স্যালুট জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ঐতিহাসিক দৃশ্যের সাক্ষী থাকল গোটা বিশ্ব। 

    বাস্তিল দিবসের প্যারেডে প্রধান অতিথি নরেন্দ্র মোদি

    ফ্রান্সের বাস্তিল দিবস (Bastille Day) বা ফরাসি জাতীয় দিবসের কুচকাওয়াজের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi In France)। দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের পরে, মোদিই হলেন দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী যাঁকে এই সম্মান দেওয়া হয়। প্রতিবছরের মতো এবছরও প্রথামাফিক বাস্তিল দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের রাজপথ শঁজেলিজে-তে। সেই প্যারেডে অংশগ্রহণ করেছিল ভারতীয় সামরিক বাহিনীর তিন শাখা- স্থল, নৌ ও বায়ুসেনার প্রতিনিধি দল। 

    পঞ্জাব রেজিমেন্টকে স্যালুট মোদির (PM Modi In France)

    এদিন কুচকাওয়াজে ভারতীয় বাহিনীর মার্চ পাস্টে সবার আগে ছিল সেনার পঞ্জাব রেজিমেন্ট (Punjab Regiment)। এই রেজিমেন্ট ভারতের অন্যতম পুরনো রেজিমেন্ট। দুই বিশ্বযুদ্ধে ফরাসিদের হয়ে লড়াইয়ে অংশ নিয়েছিল পঞ্জাব রেজিমেন্ট। সেই সময় পরাধীন ভারতের ইংরেজ শাসকের নির্দেশে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল ভারতীয় সেনা। আজও শিখ সেনাদের বীরত্বের কাহিনী ফ্রান্সে অত্যন্ত জনপ্রিয়। যে কারণে, এবারের কুচকাওয়াজে পঞ্জাব রেজিমেন্টকে বিশেষ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

    প্যারেডে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর তিন শাখা

    প্যারিসের প্যারেডে ভারতীয় সেনার পাঞ্জাব রেজিমেন্টের সদস্যরা মার্চ পাস্ট করেন। প্যারেডে পাঞ্জাব রেজিমেন্টকে (Punjab Regiment) নেতৃত্ব দিলেন কর্নেল অমন জগতাপ। সেই সময় তাদের ব্যান্ডে বাজছিল ‘সারে জহাঁ সে আচ্ছা…’ গানের কলি। সামনে দিয়ে যেতেই উঠে দাঁড়িয়ে স্যালুট জানালেন নরেন্দ্র মোদি (PM Modi In France)। উঠে দাঁড়িয়ে পঞ্জাব রেজিমেন্টকে সম্মান জানালেন মোদির পাশে বসে থাকা ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ ও তাঁর স্ত্রী তথা ফ্রান্সের ফার্স্ট লেডি ব্রিগিট মাক্রঁ। পঞ্জাব রেজিমেন্টের পাশাপাশি, এদিনের কুচকাওয়াজে অংশ নিয়েছিল ভারতীয় নৌসেনা ও বায়ুসেনাও। মোট ২৬৯ সদস্যের ভারতীয় দলও কুচকাওয়াজে অংশ নেয়। ভারতীয় বায়ুসেনার তিনটি রাফাল যুদ্ধবিমানও ফরাসি জেটের সঙ্গে এই অনুষ্ঠানে ফ্লাইপাস্টে যোগ দেয়।

    আরও পড়ুন: ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে ভূষিত মোদি

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bastille Day: বাস্তিল দিবসে প্রধান অতিথি নরেন্দ্র মোদি, কুচকাওয়াজে ভারতীয় সামরিক বাহিনী! কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    Bastille Day: বাস্তিল দিবসে প্রধান অতিথি নরেন্দ্র মোদি, কুচকাওয়াজে ভারতীয় সামরিক বাহিনী! কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুদিনের সফরে ফ্রান্সে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi In France)। এই দু’দিনে তাঁর ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে। তবে, তার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ হল আগামিকাল প্যারিসে বাস্তিল দিবসের (Bastille Day) অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকা। যেখানে অংশগ্রহণ করতে চলেছে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর তিন শাখা—স্থল, নৌ ও বায়ুসেনা। কূটনৈতিক মহলের মতে, এই আমন্ত্রণ যেমন একদিকে গুরুত্বপূর্ণ, একইভাবে সমান তাৎপর্যপূর্ণও বটে! কারণ, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের পরে, মোদিই হলেন দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী যাকে এই সম্মান দেওয়া হয়েছে।

    বাস্তিল দিবসের (Bastille Day) তাৎপর্য ও ইতিহাস

    তার আগে জেনে নেওয়া যাক, বাস্তিল দিবস ঠিক কী? কী-ই বা এর ইতিহাস? বাস্তিল ডে বা বাস্তিল দিবস হল অনেকটা ফরাসি স্বাধীনতা দিবস। ফরাসিদের কাছে এটা ‘ফেত নাশিওনাল ফ্রঁসেজ’ বা ফরাসি জাতীয় উৎসব। ১৭৮৯ সালে ১৪ জুলাই পতন হয়েছিল বাস্তিল দূর্গের। ফরাসিদের কাছে এই দিনটির অন্য তাৎপর্য। কারণ, এই দিনটি ফরাসি বিপ্লব-এর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ দিন। ইতিহাসবিদদের মতে, এই দিন থেকেই নাকি সেদেশে সাম্রাজ্যবাদের পতন ঘোষণা হয়েছিল এবং ফরাসি বিপ্লবের সূচনা হয়েছিল। বর্তমানে, এদিন ফ্রান্সে সব কিছু ছুটি থাকে। বিশ্বব্যাপী ফরাসিরা এদিন উৎসবে মেতে ওঠেন। রাজধানী প্যারিসের (স্থানীয় ভাষায় পারি) রাজপথ শজেঁলিজে-তে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ ও শোভাযাত্রা হয়। সামরিক প্যারেড হয়। অনেকটা আমাদের দেশের প্রজাতন্ত্র দিবসের মতো। ফরাসিরা এই দিনটিকে ‘ফেত দ্য লা ফেদেরাশিয়োঁ’ বা ফরাসি রাষ্ট্রীয় উৎসব (Bastille Day) হিসেবে পালন করে থাকেন। ফরাসিদের মতে, এটি ফরাসি একতা প্রকাশের উৎসব। 

    আরও পড়ুন: ফ্রান্সের উদ্দেশে রওনা দিলেন নরেন্দ্র মোদি, দুদিনের সফরে কী কী কর্মসূচি রয়েছে?

    ভারতীয় সামরিক বাহিনী ও বিশ্বযুদ্ধ

    এবারের কুচকাওয়াজে অংশ নেবে পঞ্জাব রেজিমেন্ট। যা ভারতীয় সেনার প্রাচীন রেজিমেন্টগুলির অন্যতম। দু’টি বিশ্বযুদ্ধেই ব্রিটেনের হয়ে লড়াইতে অংশ নিতে হয়েছিল পরাধীন ভারতকে। ওই সময় ইউরোপ ও মধ্য প্রাচ্যের একাধিক রণাঙ্গণে অসীম সাহসিকতার পরিচয় দেয় এই রেজিমেন্ট। প্রবল পরাক্রমের জন্য রয়্যাল ক্রস ও ভিক্টোরিয়া ক্রস-এর মতো সম্মান পায় এই রেজিমেন্ট। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশ নিয়েছিল প্রায় ১৩ লক্ষ ভারতীয় ফৌজ। সেই সময়, জার্মান বাহিনীর ফ্রান্সে ঢোকা আটকে দিয়েছিলেন শিখ সৈনিকরা। তাঁদের সঙ্গে এঁটে উঠতে না পেরে পিছু হটেছিল জার্মানরা। ১৯১৬ সালে যুদ্ধ জয়ের সাফল্য তুলে ধরতে প্যারিসের রাস্তায় প্যারেড করেছিল পঞ্জাব রেজিমেন্ট। সম্প্রতি, তারই একটি ছবি নেট-দুনিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, প্যারিসের রাস্তায় কুচকাওয়াজ করে যাওয়া শিখ জওয়ানের দিকে ফুল ছুড়ে দিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন এক ফরাসি তরুণী। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধেও ১৬টি ব্যাটেল অনার পেয়েছিল পঞ্জাব রেজিমেন্ট।

    কুচকাওয়াজে অংশ নেবে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর তিন শাখাই

    এবারের বাস্তিল দিবস (Bastille Day) কুচকাওয়াজে ভারতীয় সেনার তিন শাখার তরফে অংশ নেবেন মোট ২৬৯ জন। এদের মধ্যে রয়েছে সেনার একটি ব্যান্ড দলও। প্যারেডে বায়ুসেনার টিমকে নেতৃত্ব দেবেন স্কোয়াড্রন লিডার সিন্ধু রেড্ডি। রাশিয়ার তৈরি মি-১৭ কপ্টারের ওড়াতে পারেন তিনি। চলতি বছরের প্রজাতন্ত্র দিবসে দিল্লির কর্তব্য পথে বায়ুসেনার ১৪৪ জনের টিমকে নেতৃত্ব দেন তিনি। অন্যদিকে, প্যারিসের মার্চ পাস্টে ভারতীয় স্থলসেনা দলের নেতৃত্ব থাকছে ক্যাপ্টেন অমন জগতপের কাঁধে। নৌবাহিনীর নেতৃত্ব করবেন কমান্ডার ব্রত বাঘেল। এছাড়া ফ্লাই পাস্টে অংশ নেবে ফরাসি সংস্থা দাসো নির্মিত ভারতীয় বায়ুসেনার তিনটি রাফাল ফাইটার জেট। গত কয়েক বছর ধরেই এই জেটগুলি ব্যবহার করা শুরু করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi In France: ফ্রান্সের উদ্দেশে রওনা দিলেন নরেন্দ্র মোদি, দুদিনের সফরে কী কী কর্মসূচি রয়েছে?

    PM Modi In France: ফ্রান্সের উদ্দেশে রওনা দিলেন নরেন্দ্র মোদি, দুদিনের সফরে কী কী কর্মসূচি রয়েছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্রান্সের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করতে ‘বন্ধু’ মাক্রঁর আমন্ত্রণে দুদিনের ফ্রান্স সফরে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi In France)। আগামিকাল বাস্তিল দিবস (Bastille Day) উদযাপিত হবে ফ্রান্সে, যা ভারতের স্বাধীনতা দিবসের সমান। সেই অনুষ্ঠানে ‘সম্মানীয় অতিথি’ হিসেবে উপস্থিত ছাকবেন মোদি। এর পাশাপাশি, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে মজবুত ও দৃঢ় করতে একাধিক বৈঠকেও অংশগ্রহণ করার কথা তাঁর।

    বন্ধু মাক্রঁর আমন্ত্রণ

    ফ্রান্সের সঙ্গে বরাবরই সুসম্পর্ক রয়েছে ভারতের। প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi In France) আমলে সেই সম্পর্ক অন্য উচ্চতায় পৌঁছয়। কূটনৈতিক সম্পর্ককে মজবুত করতে বিদেশনীতিকে ব্যাপক বদল এনেছে মোদি সরকার। যার ফলও মিলেছে। সম্প্রতি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সফর সেরে ফিরেছেন মোদি। সেখানে তাঁকে রাষ্ট্রীয় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তাঁর সম্মানে দেওয়া হয়েছিল রাষ্ট্রীয় নৈশভোজ। এবার ফ্রান্সে গিয়েও ‘বন্ধু’ মাক্রঁর সঙ্গে বৈঠক করবেন মোদি। একাধিক বিষয় নিয়ে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের আলোচনা হওয়ার কথা। 

    বিকেলে পৌছবেন প্যারিসে

    এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী দিল্লি থেকে ফ্রান্সের উদ্দেশে রওনা দেন। বিকেল ৪টে নাগাদ তিনি রাজধানী প্যারিসে পৌঁছবেন। তাঁর আগে এদিন এক বিবৃতি জারি করে মোদি জানান, দু’দিনের সফরে তিনি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রতিরক্ষা থেকে শুরু করে মহাকাশ, সিভিল নিউক্লিয়ার, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা, সংস্কৃতি সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন। এই সফর দুই দেশের মধ্য়ে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও মজবুত করবে বলেও তিনি জানান। 

    বৃহস্পতিবার কী কী কর্মসূচি?

    বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, এদিন ভারতীয় সময় অনুযায়ী, বিকেলে প্যারিস পৌঁছনোর পর সোজা হোটেলে যাবেন মোদি (PM Modi In France)। সন্ধে সাড়ে সাতটা নাগাদ ফ্রান্সের সেনেটে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি সেনেট প্রেসিডেন্ট জেরাড লার্চারের সঙ্গে দেখা করবেন। রাত ৯টায় ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী এলিজাবেথ বর্নের সঙ্গে দেখা করার কথা প্রধানমন্ত্রীর। এরপরে তিনি লাসেন মিউজিক্যাল অনুষ্ঠানে অনাবাসী ভারতীয়দের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন। এর পর ভারতীয় সময় অনুযায়ী, রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এলিজে প্যালেসে পৌঁছবেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রী মোদির জন্য বিশেষ নৈশভোজের আয়োজন করবেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রঁ।

    বাস্তিল দিবসে ‘গেস্ট অব ওনার’ মোদি

    আগামিকাল, বাস্তিল দিবস (Bastille Day) অনুষ্ঠানে ‘গেস্ট অব ওনার’ হিসাবে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi In France)। সেখানে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর তিন বিভাগ – স্থল, নৌ ও বায়ু— এই ট্রাই-সার্ভিস বা তিন বাহিনীর মোট ২৬৯ জন সদস্যও কুচকাওয়াজে অংশ নেবেন। পাশাপাশি ভারতীয় বায়ুসেনার তিনটি রাফাল ফাইটার জেটও ফ্লাইপাস্টে সামিল হবে ফ্রান্সের যুদ্ধবিমানগুলির সঙ্গে। পরে, বিখ্যাত ‘ল্য ল্যুভ্র’ মিউজিয়ামে বিভিন্ন সংস্থার সিইওদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেবেন মোদি। সেখানে সরকারি নৈশভোজের আয়োজন করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rafale-M Fighter Jet: নৌসেনার চুক্তির ‘ডগফাইটে’ কীভাবে ‘এফ ১৮’-কে টেক্কা দিল ‘রাফাল এম’?

    Rafale-M Fighter Jet: নৌসেনার চুক্তির ‘ডগফাইটে’ কীভাবে ‘এফ ১৮’-কে টেক্কা দিল ‘রাফাল এম’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফরাসি রাফাল এম (Rafale-M Fighter Jet) নাকি মার্কিন এফ/এ-১৮ ই/এফ যুদ্ধবিমান— ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) দুই বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রমাদিত্য ও আইএনএস বিক্রান্ত-এর ডেক থেকে কে উড়বে? কয়েক বছর ধরেই সেই নিয়ে বিস্তর জল্পনা চলছিল, ছিল দাবি-পাল্টা দাবি। কেউ রাফাল-এম বিমানকেই পছন্দ করলে, তো কারও মতে সেরা বাজি ছিল এফ/এ-১৮। প্রায় তিন বছর ধরে দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর অবশেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। সূত্রের খবর, ফরাসি রাফালের ওপরই ভরসা রাখছে কেন্দ্রীয় সরকার। আগামিকালই বাস্তিল ডে উৎসবে যোগ দিতে ফ্রান্সে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানেই সম্ভবত, এই মর্মে ঘোষণা করা হবে। জানা যাচ্ছে, ২৬টি বিমানের বরাত দেওয়া হবে ফরাসি দাসো এভিয়েশনকে। 

    ‘রাফাল এম’ বনাম ‘এফ ১৮’ ডগফাইট

    এখন প্রশ্ন হচ্ছে, ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) বরাত পাওয়ার ‘ডগফাইটে’ ঠিক কোন কোন জায়গায় প্রবল প্রতিপক্ষ এফ/এ-১৮ যুদ্ধবিমানকে টেক্কা দিল ফরাসি রাফাল? কীভাবে বোয়িংকে মাত দিল দাসো। নেপথ্যে এক নয়, রয়েছে একাধিক কারণ ও যুক্তি—

    ভারতীয় রণতরীর বিশেষ স্কি-র‌্যাম্প (সামরিক পরিভাষায় STOBAR) ভিত্তিক ডেক থেকে ওড়ার সক্ষমতা থেকে শুরু করে মাঝ-আকাশে ক্ষিপ্রতা, বিভিন্ন ধরনের মিশনে দায়িত্ব সম্পন্ন করার দক্ষতা ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র বহনের ক্ষমতা ও বৈচিত্র্য— এই সব ক্ষেত্রেই দুই যুদ্ধবিমান প্রায় সমান-সমান। কেউ কারও থেকে পিছিয়ে ছিল না। এক কথায় টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশনে দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে ফারাক করা মুসকিল ছিল। 

    শুধুমাত্র তফাতের মধ্যে মার্কিন এফ/এ-১৮ এর তুলনায় রাফাল-এম (Rafale-M Fighter Jet) অনেকটাই হাল্কা বিমান। যে কারণে, রাফালকে সহজেই জাহাজের ডেকে অবরতণের করানো সম্ভব। কিন্তু, এটা একটা কারণ হলেও, বড় কারণ নয়। মার্কিন বিমানকে অন্য জায়গায় পিছনে ফেলে দিয়েছে রাফাল। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, মূলত লজিস্টিক্যাল অ্যান্ড অপারেশনাল কনভিনিয়্যান্স এবং ইন্টার-অপারেবিলিটি— এই জায়গায় রাফালে-এম এর থেকে পিছিয়ে পড়ে এফ/এ-১৮। 

    ইন্টার-অপারেবিলিটির সুবিধা

    প্রথম ও প্রধান কারণ, ইন্টার-অপারেবিলিটি। ভারতীয় বায়ুসেনা ইতিমধ্যেই রাফাল যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে। ৩৬টি যুদ্ধবিমান ভারতীয় বায়ুসেনায় অন্তর্ভুক্ত। ফলত, নৌসেনাতেও (Indian Navy) যদি রাফাল-এম (Rafale-M Fighter Jet) আসে, তাহলে রক্ষণাবেক্ষণ ও যন্ত্রপাতি পেতে সহজ হবে। উপরন্তু, বায়ুসেনায় রাফালের যে ৮টি টুইন-সিটার ভেরিয়েন্ট রয়েছে, তাতে প্রশিক্ষণ নিতে পারবে নৌসেনার পাইলটরাও। যদিও, নৌসেনাও সম্ভবত কয়েকটি টুইন-সিটার রাফাল-এম ভেরিয়েন্ট নিতে পারে। প্রাথমিক স্তরে, সূত্রের খবর ২৬টির মধ্যে ১৮টি সিঙ্গল-সিটার ও ৮টি টুইন-সিটার হতে পারে। যৌথ অভিযানে নৌসেনার রাফাল-এম ও বায়ুসেনার রাফালের মধ্যে সমন্বয়ের কোনও সমস্যা হবে না। কারণ, এই দুই যুদ্ধবিমানের ৮৫ শতাংশ এক। অন্যদিকে, এফ/এ-১৮ ই/এফ কিনলে, গোটাটাই নতুন হবে। তার প্রশিক্ষণ থেকে শুরু করে কার্যপদ্ধতি, যন্ত্রপাতি, রক্ষণাবেক্ষণ। ফলে, তাতে খরচ বাড়বে।

    ভারত-ফ্রান্স প্রতিরক্ষা সম্পর্কের সুদীর্ঘ ইতিহাস

    দ্বিতীয় কারণ হল, ফরাসি নিশ্চয়তা। ভারতের সঙ্গে ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক অত্যন্ত মজবুত। ঠিক যেমনটা একটা দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিরক্ষা সহযোগী ছিল ভারত ও রাশিয়া। আজ থেকে নয়, বিগত কয়েক যুগ ধরে ফরাসি যুদ্ধবিমান ব্যবহার কর আসছে ভারত। উরাগন থেকে শুরু করে সিপক্যাট জাগুয়ার, মিরাজ থেকে শুরু করে এখন রাফাল— ভারতীয় বায়ুসেনায় ফরাসি যুদ্ধবিমানের ইতিহাস দীর্ঘ। ভারত যে মিরাজ-২০০০ বিমান ব্যবহার করছে, তাতে কোনও সমস্যা দেখা দেয়নি। ২০২১ সালে, ভারত ২৪টি সেকেন্ড-হ্যান্ড মিরাজ কিনেছে। 

    প্রযুক্তি হস্তান্তরের নিশ্চয়তা

    তৃতীয়ত, ভারতের দেশে তৈরি নীতিতে ফ্রান্সের সম্মত হওয়া বিরাট ভূমিকা পালন করেছে। সবচেয়ে বড় কথা, প্রযুক্তি হস্তান্তর নিয়ে কোনওপ্রকার নিষেধাজ্ঞা নেই মাক্রঁর দেশের। নৌসেনায় (Indian Navy) ব্যবহৃত হচ্ছে, ফরাসি স্করপিন সাবমেরিন। সম্পূর্ণ প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে সেগুলি ভারতেই তৈরি হচ্ছে। এছাড়া, সম্পূর্ণ প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে মার্ক-৩ লাইট হেলিকপ্টার ইঞ্জিন তৈরিতে সাহায্য করতে ভারতকে প্রস্তাব দিয়েছে ফ্রান্স। সম্প্রতি, ১০০ শতাংশ প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে ভারতে নতুন জেট ইঞ্জিন তৈরির প্রস্তাবও দিয়েছে ফ্রান্সের সংস্থা সাফরান। এই ইঞ্জিনগুলি ভারতের ভবিষ্যতে দেশীয় পঞ্চম প্রজন্মের অ্যামকা যুদ্ধবিমানে ব্যবহার করা হবে। শুধু তাই নয়, অনেকেই জানেন না, ভারতের তেজস যুদ্ধবিমান অনেকটাই ফরাসি নকশায় তৈরি। তাতে একাধিক ফরাসি প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার হয়।

    ফলত, এত কিছু কারণের জন্যই নৌসেনার জন্য ফরাসি রাফাল-এম (Rafale-M Fighter Jet) যুদ্ধবিমানকে বাছতে চলেছে ভারত। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Safran Jet Engine: ১০০ শতাংশ প্রযুক্তি হস্তান্তরে ভারতেই যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন তৈরির প্রস্তাব ফ্রান্সের

    Safran Jet Engine: ১০০ শতাংশ প্রযুক্তি হস্তান্তরে ভারতেই যুদ্ধবিমানের ইঞ্জিন তৈরির প্রস্তাব ফ্রান্সের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী পরশু অর্থাৎ, ১৩ তারিখ ফ্রান্সে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ১৪ জুলাই, ফরাসি জাতীয় দিবস ‘বাস্তিল দিবস’-এর (Bastille Day) অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তিনি। ফরাসি রাষ্ট্রপতি এমানুয়েল মাক্রঁর পাশে বসে কুচকাওয়াজ দেখবেন তিনি, যাতে অংশ নিতে চলেছে ভারতীয় বায়ুসেনা ও নৌসেনা। 

    মোদির সফরেই রাফাল-এম যুদ্ধবিমানের চুক্তি?

    ঠিক তার তিনদিন আগে, বড় খবর এল কেন্দ্রীয় সরকারের সূত্রে। সোমবারই জানা গিয়েছিল, এবারের সফরে বড় সামরিক মউ হতে চলেছে ভারত ও ফ্রান্সের মধ্যে। ওই দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে চলেছে ভারতীয় নৌসেনার জন্য ২৬টি রাফাল-এম যুদ্ধবিমান ও দুটি ফরাসি স্করপিন সাবমেরিন কেনার বিষয়। কেন্দ্রীয় সূত্রের খবর, মোদির এই সফরে যৌথভাবে যুদ্ধবিমানের জেট ইঞ্জিন তৈরির (Safran Jet Engine) করার বিষয়টিরও নিষ্পত্তি হতে পারে। আরও পড়ুন: ফ্রান্স থেকে ফের রাফাল, সাবমেরিন কিনবে ভারত!

    তেজস মার্ক-২ এর জন্য এফ-৪১৪ ইঞ্জিন চুক্তি সম্পন্ন

    দীর্ঘদিন ধরেই, ভবিষ্যতের দেশীয় যুদ্ধবিমানের জন্য উন্নতমানের বিদেশি জেট ইঞ্জিন জোগাড় করার বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে ভারত। সম্প্রতি, সদ্য মার্কিন সফরের মধ্যেই এরকমই একটি চুক্তি সম্পন্ন করেছে দেশীয় যুদ্ধবিমান প্রস্তুতকারী সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেডের কর্তারা। চুক্তি মোতাবেক, মার্কিন জেনারেল ইলেকট্রিকের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এদেশেই তৈরি করা হবে অত্যাধুনিক জিই-এফ৪১৪ ইঞ্জিন। এই ইঞ্জিন মূলত ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য তৈরি হতে চলা তেজস মার্ক-২ যুদ্ধবিমানে ব্যবহার করা হবে। আরও পড়ুন: সামরিক শক্তিকে মজবুত করতে বিশেষ ফাইটার ইঞ্জিন তৈরি হবে ভারতেই

    অ্যমকা ও টিইডিবিএফ-এর জন্য শক্তিশালী ইঞ্জিনের খোঁজ

    তবে, তেজস-এর পাশাপাশি, পরবর্তী প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরির কাজও এগিয়ে চলেছে ভারতে। এই যুদ্ধবিমান হল অ্যাডভান্সড মাল্টি-রোল কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট বা সংক্ষেপে অ্যামকা। একইসঙ্গে তৈরি করা হচ্ছে, নৌসেনার জন্য আরেকটি অধিক-শক্তিশালী ও অত্যাধুনিক বিমানবাহী রণতরী থেকে উড়তে সক্ষম যুদ্ধবিমান যার নাম রাখা হয়েছে টুইন ইঞ্জিন ডেক-বেসড ফাইটার বা সংক্ষেপে টিইডিবিএফ (Jet Engine For AMCA)। ভারত চাইছে এই দুই যুদ্ধবিমানে জিই-এফ৪১৪ ইঞ্জিনের চেয়েও আরও শক্তিশালী ইঞ্জিন ব্যবহার করতে। সেই তালিকায় দুটি ইঞ্জিন বাছাই করা হয়েছিল। একটি ফরাসি সাফরান ইঞ্জিন ও দ্বিতীয়টি ইংল্যান্ডের রোলস-রয়েস। এখন কেন্দ্রীয় সূত্রের খবর, রোলস-রয়েসকে টপকে ফরাসি সাফরানকেই (Safran Jet Engine) হয়ত বাছতে চলেছে কেন্দ্র। 

    ১০০ শতাংশ প্রযুক্তি হস্তান্তর!

    সূত্রের খবর, ফরাসি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী সংস্থা সাফরান-এর তৈরি ইঞ্জিনটি (Jet Engine For AMCA) ১১০ কেএন (কিলো নিউটন) থ্রাস্ট উৎপন্ন করতে সক্ষম। যা ভারী যুদ্ধবিমানকে অতি সহজেই প্রয়োজনীয় গতি ও ক্ষমতা দিতে পারবে। তবে, এই ইঞ্জিনকে বাছার এটাই একমাত্র কারণ নয়। জানা যাচ্ছে, ফরাসি সংস্থাটি ভারতকে কোনও গোপনীয়তা ছাড়া ১০০ শতাংশ প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে এই ইঞ্জিন দিতে রাজি। সম্প্রতি, সাফরানকে এই মর্মে অনুমতি দিয়েছে মাক্রঁ সরকার। যার পরই, সাফরানের তরফে, ভারতকে এই নিয়ে একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। 

    ভারতে তৈরি হবে সাফরানের নতুন ইঞ্জিন

    সূত্রের খবর, ফরাসি সংস্থার থেকে যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে তা অস্বীকার করা অত্যন্ত কঠিন। জানা যাচ্ছে, ভারতের জন্য একেবারে সম্পূর্ণ নতুন ডিজাইনের ইঞ্জিন (Safran Jet Engine) ছাড়াও তৈরি করার যাবতীয় নতুন উপাদান, নতুন পরিকাঠামো দেওয়া হবে। সঙ্গে থাকবে যন্ত্রপাতির পূর্ণ ভান্ডার। সর্বোপরি, গোটাটাই তৈরি হবে ভারতে। যা নরেন্দ্র মোদির ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ নীতির সঙ্গে সাজুয্য। এক কথায়, এই নতুন ইঞ্জিনটি শুধুমাত্র ভারতেই তৈরি হবে। ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ ট্যাগ নিয়ে বাজারে আসবে। 

    ভারতে বড় বিনিয়োগে রাজি সাফরান

    কেন্দ্রীয় সূত্রের খবর, অ্যামকা ও টিইডিবিএফ-এর জন্য ফরাসি সাফরান ইঞ্জিন (Jet Engine For AMCA) ব্যবহার করতে উৎসাহী ভারত। এর পাশাপাশি, সাফরান বর্তমানে ১২৫ কেএন ইঞ্জিন নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছে। ভবিষ্যতে, সেই ইঞ্জিনও ব্যবহার করার ক্ষেত্রেও দুদেশের মধ্যে চুক্তি হতে পারে। ইতিমধ্যেই, হায়দরাবাদে সাফরানের একটি কারখানা গড়ে উঠছে। সেখানে এয়ারবাস এ৩২০ ও বোয়িং ৭৩৭ যাত্রীবিমানে ব্যবহৃত লিপ ইঞ্জিনের রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতির কাজ হবে। এছাড়াও, ভারতে গ্যাস টার্বাইন তৈরির একটি কারখানা গড়ছে সাফরান। 

    যদিও এই প্রস্তাবের বিষয়ে ভারতের তরফে এখনও কিছু জানানো হয়নি। ডিআরডিও প্রধান সমীর ভি কামাত সম্প্রতি প্যারিসের সাফরানের কারখানায় গিয়েছিলেন। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হওয়া প্যারিস এয়ার শো-তেও হাজির ছিলেন তিনি। এই প্রস্তাবটি বিষয়টি এখনও প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের আলোচনার অধীনে রয়েছে। কেন্দ্রীয় সূত্রের খবর, চুক্তি হওয়ার পর, এই ইঞ্জিনকে হাতে পেতে অন্তত ১০ বছর লাগবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Modi in Europe: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যেই নরেন্দ্র মোদির ঝটিকা ইউরোপ সফর কতটা তাৎপর্যপূর্ণ?

    Modi in Europe: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যেই নরেন্দ্র মোদির ঝটিকা ইউরোপ সফর কতটা তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩ দিন, ৬৫ ঘণ্টা, ২৫টা মিটিং।  সংক্ষেপে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) তিনদিনের ইউরোপ সফরসূচি। 

    তিনদিনের এই ঝটিকা ইউরোপ সফরে (Modi in Europe) তিন দেশের তিন রাজধানীতে তিন রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক করার কথা প্রধানমন্ত্রীর। তালিকায় যেমন আছেন জার্মানির চ্যান্সেলর ওলফ স্কোলজ, তেমনি আছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী ফ্রেডেরিকসন এবং অবশ্যই আছেন মোদির পুরনো বন্ধু তথা ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী এমান্যুয়েল মাক্রঁ (Emmanuel Macron), যিনি দ্বিতীয়বার জিতে ফের ফ্রান্সের ক্ষমতায়। 

    ব্যক্তিগত ট্যুইটে ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী মাক্রঁকে ‘মাই ফ্রেন্ড’ বলে উল্লেখ করে তাঁর ফ্রান্সের সফরসূচি জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। বিদেশমন্ত্রক সূত্রের খবর, মূলত ভারত-ফ্রান্সের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা হবে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে। আলোচনায় আসবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের বিষয়ও। যে ইস্যুতে ইউরোপ আর ভারতের অবস্থান আলাদা। ন্যাটো সহ ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাশিয়ার বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছে। ইউক্রেনের পক্ষে দাঁড়িয়েছে। সেখানে ভারত এখনও তার নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রেখেছে।

    কোপেনহেগেনে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী ফ্রেডেরিকসনের সঙ্গেও বৈঠক করবেন নরেন্দ্র মোদি। ব্যক্তিগত ট্যুইটে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ভারত অপেক্ষা করছে দ্বিতীয় ইন্ডিয়া-নর্ডিক সামিটের জন্য। যেখানে নর্ডিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করতে আগ্রহী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এছাড়াও একাধিক দ্বিপাক্ষিক বিষয় থাকতে পারে দুই দেশের শীর্ষ নেতার আলোচনায়।

    ইউরোপ সফরের শুরুতেই সোমবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী পৌঁছলেন জার্মানির রাজধানী বার্লিনে। সেখানে চ্যান্সেলর ওলফ স্কোলজের সঙ্গে প্রথমেই বৈঠক করেন। মূলত আলোচনা হয়েছে দু’দেশের পারষ্পরিক সম্পর্ক নিয়ে। গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে কোভিড পরবর্তী অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে। দুদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের উন্নতির দিকেও নজর ছিল বৈঠকে।

    মূলত তিন দেশের সঙ্গেই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ভালো করতেই এই সফর বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা। আর ভারতের প্রধানমন্ত্রী এমন একটা সময়ে ইউরোপ সফরে যখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে ইউরোপ আর ভারত ভিন্ন অবস্থান নিয়েছে। তার প্রভাব যাতে দুই দেশের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্কে না পড়ে সেই দিকে লক্ষ্য রেখেই নরেন্দ্র মোদির ঝড়ো ইউরোপ সফর। দম ফেলার সময় পাবেন না প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীরা। কারণ ৩ দিন ৬৫ ঘণ্টা ২৫টা মিটিং।
     
    এমন কঠোর সময়সূচীর মধ্যেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গে মিলিত হতেও তিনি আগ্রহী। কারণ প্রায় ১০ লক্ষ প্রবাসী ভারতীয়ই প্রতিদিন ইউরোপকে ভারত (India) দর্শন করায়। 

     

LinkedIn
Share