Tag: Modi

Modi

  • Tejas:  তেজসের তেজ! কেন জানেন ভারতীয় যুদ্ধ বিমানে আগ্রহী আমেরিকা থেকে অস্ট্রেলিয়া

    Tejas: তেজসের তেজ! কেন জানেন ভারতীয় যুদ্ধ বিমানে আগ্রহী আমেরিকা থেকে অস্ট্রেলিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন বা রাশিয়ার যুদ্ধবিমান নয়। ভারতের তেজস (Tejas) ফাইটার জেট কিনতেই আগ্রহী মালয়েশিয়া (Malaysia), আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, মিশর, আমেরিকা, ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপিন্স। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই মালয়েশিয়াকে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ১৮টি যুদ্ধবিমান বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    গত বছরই ভারত সরকার ৮৩টি তেজস বিমান তৈরি করার জন্য হিন্দুস্তান অ্যারোনটিকস লিমিটেড-এর (HAL)সঙ্গে ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি চুক্তি করেছে । ২০২৩ সালের মধ্যেই সেগুলি তৈরি হয়ে যাবে বলে অনুমান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মেক ইন ইন্ডিয়া (Make in India) প্রকল্প যো এগিয়ে চলেছে তার প্রমাণ তেজস।

    তেজস ‘লাইট কমব্যাট এয়ারক্রাফট’টি সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মীত। বায়ুসেনার জরাগ্রস্ত মিগ-২১ বিমানগুলির জায়গা নেবে তেজস। ইতিমধ্যেই একাধিক পরীক্ষায় সফলভাবে উতরেছে তেজস। ২০২০ সালে প্রায় ২০ হাজার ফুট উচ্চতায় রুশ নির্মিত ‘আইএল-৭৮’ জ্বালানিবাহী বিমান থেকে জ্বালানি ভরা হয় তেজসে। স্বল্প সময়েই প্রায় ১৯ হাজার লিটার জ্বালানি পৌঁছে যায় তেজসে। মাঝ আকাশে জ্বালানি ভরে বিশ্বের প্রথম সারির সামরিক শক্তির তালিকায় নাম লেখায় ‘আত্মনির্ভর’ ভারত। এবার সেই বিমান কিনতে আগ্রহ দেখাল বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলি।

    আরও পড়ুন: স্বাধীনতা-৭৫ এর সংকল্প হোক আত্মনির্ভর ভারত

    প্রতিরক্ষার বিষয়ে বিদেশের প্রতি নির্ভরতা কমিয়ে আত্মনির্ভর হয়ে ওঠাই লক্ষ্য মোদি সরকারের। আর সেদিকেই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ তেজসের মতো বিমান তৈরি। চিনের জেএফ-১৭ জেটগুলির দাম কম হলেও তেজস মার্ক-১-এর মতো অতটা আধুনিক নয়। হিন্দুস্তান এরোনটিক্স লিমিটেড (এইচএএল) দ্বারা নির্মিত ‘তেজস’ একটি একক ইঞ্জিন বিশিষ্ট এবং অত্যন্ত সক্ষম মাল্টি-রোল ফাইটার এয়ারক্রাফ্ট, যা উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কাজ করতে সক্ষম। তেজসের গড়ন এবং প্রযুক্তিই একে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে। তেজসের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হল এর ওজন। সুখোইয়ের থেকে ওজনে অনেক বেশি হালকা তেজস। আট টন পর্যন্ত ওজন বহনে সক্ষম তেজস। সুখোই ওজনে ভারী। কিন্তু সুখোইয়ের সমানই অস্ত্রশস্ত্র, ক্ষেপণাস্ত্র বহনে সক্ষম তেজস। এ ছাড়াও দুরন্ত গতিও এগিয়ে রেখেছে তেজসকে। ৫২ হাজার ফুট উচুঁতেও এর গতির জুড়ি মেলা ভার।

  • National Flag on Car Rule:  স্বাধীনতা দিবসে গাড়িতে পতাকা লাগানোর কথা ভাবছেন? তাহলে আগে জানুন এই নিয়ম

    National Flag on Car Rule:  স্বাধীনতা দিবসে গাড়িতে পতাকা লাগানোর কথা ভাবছেন? তাহলে আগে জানুন এই নিয়ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের ৭৫তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে ‘হর ঘর তিরঙ্গা‘ (Har Ghar Tiranga) অভিযানের শামিল হওয়ার ডাক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’-এর অঙ্গ হিসেবে কেন্দ্রীয় সরকার এই অভিযানটি শুরু করেছে। ৩১ জুলাই প্রধানমন্ত্রী ‘মন কী বাত’ এই কর্মসূচির উল্লেখ করেন। সেখানেই দেশবাসীকে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের প্রোফাইল পিকচারে জাতীয় পতাকার ছবি লাগানোর অনুরোধ করেছেন মোদি। ২ অগাস্ট থেকেই এই অভিযান শুরু করার আর্জি জানান তিনি। নিজের প্রোফাইলের ছবি বদলে তার সূচনাও করেছেন প্রধানমন্ত্রী। 

    আরও পড়ুন: ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ অভিযানে শামিল হবেন কীভাবে? সার্টিফিকেট কী করে ডাউনলোড করবেন? জেনে নিন

    অনেকেই  স্বাধীনতা দিবসের দিন বাড়িতে পতাকা উত্তোলন করেন। অনেকেই আবার নিজের সাধের গাড়িটিতে (Car Rule) তেরঙ্গা লাগাতে পছন্দ করেন। সেক্ষেত্রে চাইলেই যেমন তেমন করে গাড়িতে জাতীয় পতাকা লাগিয়ে নেওয়া যাবে না। তার আগে জেনে নিতে হবে বেশ কিছু নিয়ম। ভারতের ফ্ল্যাগ কোড অনুসারে গাড়িতে পতাকা সবাই লাগাতে পারেন না। পতাকা লাগানোর নিয়ম কী এবং কাদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা লাগানোর অধিকার দিয়েছে ভারত সরকার তা আগে জেনে নিতে হবে। 

    আরও পড়ুন: “রাজনীতিকরণ অনভিপ্রেত”, সোশ্যাল হ্যান্ডলে তিরঙ্গা ডিপি ইস্যুতে কটাক্ষের জবাব আরএসএস-এর

    কারা গাড়িতে ভারতের জাতীয় পতাকা লাগাতে পারেন? 

    ২০০২ সালের ন্যাশনাল ফ্ল্যাগ কোড (Flag Code) অনুযায়ী যারা গাড়িতে জাতীয় পতাকা লাগাতে পারবেন তারা হলেন, 

    • দেশের রাষ্ট্রপতি
    • উপরাষ্ট্রপতি
    • রাজ্যপাল
    • লেফটেন্যান্ট গভর্নর
    • প্রধানমন্ত্রী
    • মন্ত্রিপরিষদ মন্ত্রী
    • প্রতিমন্ত্রী
    • উপমন্ত্রী
    • মুখ্যমন্ত্রী
    • রাজ্যের মন্ত্রী
    • হাইকোর্টের বিচারপতিরা
    • লোকসভা স্পিকার
    • রাজ্যসভা স্পিকার
    • বিধানসভা স্পিকার 

    পতাকা গাড়িতে লাগানোর নিয়ম কী?

    কোনও বিদেশী অতিথি সরকার প্রদত্ত গাড়িতে ভ্রমণ করলে ভারতের জাতীয় পতাকা গাড়ির ডান পাশে এবং ওই ব্যক্তি যে দেশের, সেই পতাকা গাড়ির বাম পাশে রাখতে হবে। এছাড়া অন্য কেউ গাড়িতে পতাকা লাগালে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। 

    ২০০৪ সালের আগে, শুধুমাত্র সরকারি বিভাগ, অফিস এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পতাকা উত্তোলনের অনুমতি ছিল। ২০০৪ সালে, ভারত সরকার বনাম নবীন জিন্দাল মামলার শুনানির সময়, সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল যে প্রত্যেক ভারতীয়ের তেরঙ্গা উত্তোলনের অধিকার রয়েছে। কিন্তু এখনও সবাইকে গাড়িতে জাতীয় পতাকা লাগানোর অনুমতি দেয়নি সরকার। সাধারণ মানুষ গাড়ির সামনে পতাকা ব্যবহার করতে পারেন না। ভারতের সাধারণ নাগরিককে শুধুমাত্র গাড়ির ড্যাশবোর্ড বা উইণ্ডস্ক্রিনে মিনিয়েচর জাতীয় পতাকা লাগানোর অধিকার দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।  

  • Har Ghar Tiranga:  মোদির ডাকে প্রতি ঘরে জাতীয় পতাকা তোলার অভিযানে না মমতার

    Har Ghar Tiranga: মোদির ডাকে প্রতি ঘরে জাতীয় পতাকা তোলার অভিযানে না মমতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ জাতীয় পতাকা উত্তোলন নিয়েও কেন্দ্রের সঙ্গে বিরোধে জড়াল নবান্ন। নরেন্দ্র মোদি ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন তাই ঘরে ঘরে এ রাজ্যে জাতীয় পতাকা তোলার ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অভিযানে সামিল হচ্ছেন না তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত সরকারের মুখিয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি মধ্যরাতে স্বাধীনতা দিবস পালন করবেন। ১৪ অগাস্ট বাঙালির কাছে যতটা না আনন্দের তার চেয়েও বেশি দেশভাগের বেদনার।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেছেন, স্বাধীনতার ৭৫ বছরে দেশের প্রতিটি বাড়িতে জাতীয় পতাকা তোলা  হোক। কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতি মন্ত্রক প্রতিটি রাজ্যকে এ নিয়ে বিশেষ অভিযান চালানোর নির্দেশ দিয়েছে। রাজ্যগুলির সহযোগিতা চেয়ে কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, স্বাধীনতার অমৃত মহোৎসবে দেশের ৩০ কোটি বাড়িতেই পতাকা উঠুক। ১৩-১৪-১৫ অগাষ্ট এই তিন দিন ধরে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ বা প্রতি বাড়িতে তেরঙা তোলার আবেদন জানিয়েছে দিল্লি। ডাক বিভাগের তরফে দেশের প্রতিটি ডাকঘরে স্বল্পমূল্যে জাতীয় পতাকা সরবরাহ করা হয়েছে। সূত্রের খবর, দেশের সবকটি রাজ্য এই অভিযানে সামিল হলেও পশ্চিমবঙ্গ জাতীয় পতাকা উত্তোলের অভিযানে আলাদা করে সামিল না হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী পর্যন্ত নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় ডিসপ্লে পিকচারে জাতীয় পতাকার ছবি দিয়েছেন, যদিও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বা তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা কেউ সেই পথে হাঁটেননি।

    গত সপ্তাহে ‘আজাদি কি অমৃত মহোৎসব’ সংক্রান্ত প্রধানমন্ত্রীর ডাকা এক বৈঠকে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকেও প্রধানমন্ত্রী ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অভিযান নিয়ে রাজ্যগুলিকে সক্রিয় হতে অনুরোধ করেন। কলকাতা ফিরে এসেও মুখ্যমন্ত্রী এ ব্যাপারে কোনও নির্দেশ দেননি। রাজ্যের তথ্য সংস্কৃতি দফতরের এক কর্তা জানান, এ রাজ্যে প্রতি বছর যেমন স্বাধীনতা দিবস পালন হয় তেমনই হবে। সমস্ত সরকারি দফতরে জাতীয় পতাকা তোলা হবে। সেজন্য জেলাগুলিকে প্রয়োজনীয় জাতীয় পতাকা সংগ্রহ করার কথা বলা হয়েছে। আলাদা ভাবে কোনও অভিযানে সামিল হয়ে বাড়ি বাড়ি জাতীয় পতাকা তোলার কর্মসূচি সরকারিভাবে নেওয়া হয়নি।

    ডাক বিভাগের তরফেও জানানো হয়েছে, রাজ্যের সমস্ত ডাকঘরে জাতীয় পতাকা মজুত করা হয়েছে। বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সরকারি দফতর জাতীয় পতাকা কিনে নিয়ে গিয়েছে। বিএসএফ, সিআরপিএফ, সিআইএসএফের মতো সংস্থাও হাজার হাজার জাতীয় পতাকা কিনেছে। কিন্তু রাজ্য সরকারের তরফে কোনও বরাত আসেনি। ডাক বিভাগের তরফে বার বার রাজ্যের বিভিন্ন বিভাগকে অনুরোধ করা হলেও কোনও সাড়া মেলেনি। শুধুমাত্র পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের তরফে কিছু সংখ্যক জাতীয় পতাকা কেনা হয়েছে।

    নবান্নর কর্তাদের দাবি, শীর্ষস্তর থেকে প্রতি বাড়িতে জাতীয় পতাকা তোলার কেন্দ্রীয় কর্মসূচিতে সামিল হওয়ার কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। সেই কারণে বিভিন্ন দফতরে জাতীয় পতাকা তোলার সরকারি কর্মসূচি যেমন প্রতিবার থাকে তেমনই হচ্ছে। বাড়তি পতাকার কোনও প্রয়োজন পড়েনি। যদি প্রয়োজন হয় জেলাশাসকেরা তা সংগ্রহ করে নিয়েছেন।

  • PM Ujjwala Yojana: পিএম উজ্জ্বলা যোজনার ৩৭% উপভোক্তাই সংখ্যালঘু, বলছে পরিসংখ্যান 

    PM Ujjwala Yojana: পিএম উজ্জ্বলা যোজনার ৩৭% উপভোক্তাই সংখ্যালঘু, বলছে পরিসংখ্যান 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি দেশের প্রধানমন্ত্রী (Modi) পদের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই একের পর এক জনকল্যাণমূলক প্রকল্প উপহার দিয়েছেন দেশবাসীকে। তার মধ্যে রয়েছে, পিএম আবাস যোজনা, পিএম মুদ্রা যোজনা, পিএম কিষান, পিএম উজ্জ্বলা যোজনার মত একাধিক জনপ্রিয় প্রকল্প। কিন্তু এত কিছুর পরেও বিজেপিকে হিন্দুর সরকার এবং নরেন্দ্র মোদিকে হিন্দুর প্রধানমন্ত্রী বলতে ছাড়েনি বিরোধী দলগুলি। প্রধানমন্ত্রী যতবার বোঝানোর চেষ্টা করেছেন যে দেশটি ধর্ম নিরপেক্ষ এবং তিনি গোটা দেশের প্রধানমন্ত্রী, ততই যেন হিন্দুত্ববাদীর তকমা মোদির গায়ে সাঁটতে আরও রে রে করে ছুটে এসেছেন বিরোধীরা। 

    আরও পড়ুন: ফের চিনের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের, ১২ হাজারের কম দামের চিনা স্মার্টফোন নিষিদ্ধ হচ্ছে ভারতে

    কিন্তু লোকসভায় সরকারের পেশ করা এক পরিসংখ্যানে উঠে এল এক সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র। সেই পরিসংখ্যানে দেখা গেল পিএম উজ্জ্বলা যোজনার (PM Ujjwala Yojana) উপভোক্তাদের ৩৭% – ই সংখ্যালঘু(Minority)। সংখ্যালঘু কল্যাণ মন্ত্রকে প্রাক্তন মন্ত্রী মুক্তার আকবর নকভি পরিসংখ্যান দিয়ে জানান, “প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পে ২.৩১ কোটি বাড়ি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩১% বাড়ি ২৫টি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় দেওয়া হয়েছে। কিষান সম্মান নিধি প্রকল্পের উপভোক্তাদের মধ্যেও ৩৩% -ই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। এছাড়াও, পিএম উজ্জ্বলা যোজনার উপভোক্তাদেরও ৩৭% সংখ্যালিওঘু।”

    আরও পড়ুন: দিল্লি গিয়ে সেটিং কি হল, দিদিকে কী বললেন মোদি?

    সংখ্যালগু কমিশন অ্যাক্ট, ১৯৯২ – এর অধীনে ভারতের মোট পাঁচ সম্প্রদায়কে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের তকমা দিয়েছে ভারত সরকার। মুসলিন, খ্রিষ্টান, শিখ, বুদ্ধিস্ট এবং পার্সি। এই সম্প্রদায়গুলির জন্যে একাধিক সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পও রয়েছে সরকারের। ভারতের অন্যান্য  নাগরিকদের থেকে কিছু বাড়তি সুবিধাও পেয়ে থাকেন এই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নাগরিকরা। 

    এই দেশে সংখ্যালঘুরা কত শান্তিতে এবং সুরক্ষিত রয়েছেন লোকসভায় সে প্রসঙ্গও তোলেন নকভি। তিনি এও বলেন, “সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা এবং কল্যাণ বরাবরই ভারত সরকারের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ‘শিখ অউর কামাও’ এবং ‘উস্তাদ’ – এর মতো প্রকল্প শুধুমাত্র সংখ্যালঘুদের জন্যেই এলেছে ভারত সরকার। 

    এছাড়া দেশে ২০১৪ সালের পর থেকে কীভাবে শিক্ষা, রোজগারের ক্ষেত্রে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অগ্রগতি হয়েছে সেকথাও উল্লেখ করেন তিনি। ভারতে যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রার মান আগের থেকে অনেক উন্নত হয়েছে সে দাবিও করেন মন্ত্রী। 

  • Mudhol hounds: প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় ‘আত্মনির্ভরতা’! দেশীয় সারমেয় মুধল হাউন্ডে ভরসা, জানেন এর বৈশিষ্ট্য

    Mudhol hounds: প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় ‘আত্মনির্ভরতা’! দেশীয় সারমেয় মুধল হাউন্ডে ভরসা, জানেন এর বৈশিষ্ট্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই প্রথম প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) নিরাপত্তায় থাকা স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপ (SPG) তে অন্তর্ভূক্ত করা হল দেশি জাতের মুধল হাউন্ড (Mudhol Hound) কুকুর। প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের মেক ইন ইন্ডিয়া (Make In India) প্রকল্পের ছবি ধরা পড়ল তাঁর নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও। সাধারণ ভাবে বিশেষ বিশেষ ব্যক্তিদের নিরাপত্তার কাজে জার্মান শেফার্ড ব্যবহার করা হয়। তবে, বিশেষজ্ঞদের অভিমত জার্মান শেফার্ডের থেকে অনেক পারদর্শী মুধল হাউন্ড। জার্মান শেফার্ডের যে কাজ করতে ৯০ সেকেন্ড সময় লাগে, সেই কাজ মাত্র ৪০ সেকেন্ডে করতে পারে এই দেশি জাতের কুকুরটি।

    এর আগে ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে এই প্রজাতির কুকুরের প্রশংসা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ভারতের বিভিন্ন প্রজাতির কুকুরের কথা উল্লেখ করে মোদি বলেছিলেন, ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এ পোষ্যের ক্ষেত্রেও দেশীয় প্রজাতির দিকে নজর দেওয়াটা দরকার। মুধল হাউন্ড আর হিমাচলি হাউন্ড বেশ ভাল জাতের কুকুর বলে দাবি করেছিলেন মোদি। জানিয়েছিলেন সেনাবাহিনীতেও এই প্রজাতির কুকুরকে ব্যবহার করার কথা। এবার তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে সেই মুধল হাউন্ড। সূত্রের খবর, বাগালকোট থেকে দুটি পুরুষ সারমেয় শাবক SPG-তে আনা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ফের মুম্বইয়ে জঙ্গি-নাশকতার ছক! মিলল অস্ত্রবোঝাই নৌকা, কী বলছেন রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী

    একসময় বিরোধীদের মুধল প্রজাতির কুকুরের থেকে জাতীয়তাবাদের শিক্ষা নিতে বলেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। এবার কর্নাটক, গুজরাটের ভোটের আগে নরেন্দ্র মোদির দেখভালে সেই মুধল হাউন্ডই। আত্মনির্ভর ভারতই যদি মন্ত্র হয়, তবে পোষ্যের ক্ষেত্রেও ভারতীয় প্রজাতির কথা ভেবে দেখার আর্জি জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। দেশের ভিআইপিদের মধ্যে এখন শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে এসপিজি। 

    মুধল হাউন্ড (Mudhol Hound) প্রজাতির কুকুরের আদি বাসস্থান দক্ষিণ ভারতের কর্নাটকের বাগালকোট (Bagalkot)। কর্নাটকের বিভিন্ন এলাকায় করওয়ানি নামেও ডাকা হয় এই শিকারি কুকুরকে। শিকারের সহজাত ক্ষমতাই এই প্রজাতির কুকুরকে অন্য দেশি কুকুরের থেকে আলাদা করেছে। মুধল হাউন্ড (Mudhol Hound) প্রজাতির কুকুর খুব অনুগত। এদের শক্ত চোয়ালে একবার শিকার ধরা পড়ে গেলে, তার নিস্তার পাওয়া কার্যত অসম্ভব।

  • Modi on Har Ghar Jal campaign: সরকার গঠন সহজ কিন্তু দেশ গঠন…! জানুন কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    Modi on Har Ghar Jal campaign: সরকার গঠন সহজ কিন্তু দেশ গঠন…! জানুন কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকার গঠন করা অনেক সহজ কাজ। কিন্তু দেশ গঠন করতে গেলে চাই কঠোর পরিশ্রম। দেশকে ভালবেসে সবটা উজাড় করে দিতে হবে। দেশের মানুষের স্বার্থে নিরলস পরিশ্রম করতে হবে। ভাবতে হবে, কাজ করতে হবে। এমনই অভিমত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। শুক্রবার ‘হর ঘর জল’ অনুষ্ঠানে ভাষণ দেওয়ার সময়  তিনি বলেন, সরকার গঠন করতে এত পরিশ্রমের প্রয়োজন হয় না, তবে দেশ গঠনের জন্য কঠোর পরিশ্রম অপরিহার্য।”

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় ‘আত্মনির্ভরতা’! দেশীয় সারমেয় মধুল হাউন্ডে ভরসা, জানেন এর বৈশিষ্ট্য

    দেশের বিরোধী দলগুলিকে আক্রমণ করে মোদি বলেন, “যারা দেশের কথা চিন্তা করে না, তারাই দেশের সমস্যার প্রতি উদাসীন থাকে।” গত আট বছরে এনডিএ সরকারের প্রচেষ্টার প্রশংসা করে মোদি জানান, সরকার গঠন করা সহজ, কিন্তু বিজেপি দেশ গঠনের পথ বেছে নিয়েছে… যা কঠোর পরিশ্রমের কাজ।  প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা (বিজেপি সরকার) দেশ গঠনের পথ বেছে নিয়েছি। তাই, আমরা সর্বদা কাজ করছি।” বিরোধী দলগুলোকে কটাক্ষ করে তিনি আরও বলেন, “যারা জাতির কথা চিন্তা করে না, তারা এসব সমস্যার প্রতি কোনও উদ্বেগ বা আগ্রহ দেখায় না। তারা জলের ব্যবস্থা করার জন্য বড় বড় প্রতিশ্রুতি দিতে পারে, কিন্তু কখনোই দূরদৃষ্টি নিয়ে কাজের কাজ করবে না।”

    আরও পড়ুন: বকেয়া বিল, অন্ধকারে ডুববে ১৩টি রাজ্য! জানুন তালিকায় কোন কোন জায়গা

    প্রধানমন্ত্রী আজ একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে জল জীবন মিশনের অধীনে ‘হর ঘর জল’ উৎসবে ভাষণ দেন। গোয়ার পানাজিতে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ দেশের ১০ কোটি গ্রামীণ পরিবারকে পাইপযুক্ত বিশুদ্ধ জলের সুবিধার সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে। এটি সরকারের প্রতি ঘরে জল পৌঁছে দেওয়ার প্রচারের একটি বড় সাফল্য।” প্রধানমন্ত্রী জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যেও দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানান।

     

  • Modi Niti Aayog: বিশ্বকে নেতৃত্ব দিক ভারত, নীতি আয়োগের বৈঠকে এমনই ইচ্ছে প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী

    Modi Niti Aayog: বিশ্বকে নেতৃত্ব দিক ভারত, নীতি আয়োগের বৈঠকে এমনই ইচ্ছে প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে আত্ম নির্ভর হতে হবে। কৃষি ক্ষেত্রে আগামীতে ভারতই নেতৃত্ব দেবে পুরো বিশ্বকে। রবিবারের নীতি আয়োগের (Niti Ayog) বৈঠকে এমনটাই বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। এদিন দেশের কৃষি ক্ষেত্রকে (Farm Sector) আরও শক্তিশালী করার বার্তা দিলেন মোদি।  

    এদিনের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দ্রুত নগরায়ণ ভারতের দুর্বলতার বদলে শক্তি হয়ে উঠেছে। জীবনযাত্রার মান অনেক উন্নত হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: নীতি আয়োগের বৈঠকে হাজির মমতা, কিছু না বলেই ধরলেন কলকাতার উড়ান

    তিনি আরও বলেন, “ভোজ্য তেলের ক্ষেত্রেও ভারতকে আত্ম নির্ভর হতে হবে।” 

    আগামী বছর ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে জি-২০ (G-20) সম্মেলন। রবিবারের বৈঠকে এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটা আমাদের কাছে একটা বিরাট সুযোগ। এর মাধ্যমে আমরা বিশ্বকে এটা দেখাতে পারব যে, ভারত মানে শুধু দিল্লি নয়। একাধিক রাজ্য আর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল নিয়ে গড়ে উঠেছে এই দেশ। জি-২০ (G-20) সম্মেলন নিয়ে দেশজুড়ে প্রচারের কথাও বলেও তিনি। “এই সম্মেলনের আগে আমাদের দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা প্রতিভাবানদের খুঁজে বের করতে হবে। যাতে তাঁদেরকে গোটা বিশ্বের সামনে তুলে ধরা যায়।” 

    আরও পড়ুন: নীতি আয়োগের পরবর্তী ভাইস চেয়ারম্যান সুমন কে বেরি

    বিগত কয়েক বছর ধরেই নীতি আয়োগের ভার্চুয়াল বৈঠক হয়ে আসছে। ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে শেষবার নীতি আয়োগের সামনা সামনি বৈঠক হয়েছে। এরপর বিভিন্ন কারণে ভার্চুয়াল মাধ্যমেই সারতে হয়েছে এই বৈঠক। ২০২০ সালেও করোনা সংক্রমণের কারণে ভার্চুয়াল বৈঠক হয়। করোনা পরবর্তী সময়ে এই প্রথমবার মুখোমুখি বৈঠকে বসলেন প্রধানমন্ত্রী ও বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা।   

    বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ২৩ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, ৩ জন লেফটাল্যান্ট গভর্নর, ২ জন অ্যাডমিনিস্ট্রেটর এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা। 

    মূলত চারটে বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় এই বৈঠকে। সেগুলি হল,

    ১) শস্যবৈচিত্র্য এবং ডাল, তৈলবীজ এবং অন্যান্য কৃষিপণ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করা।

    ২) স্কুলে শিক্ষায় জাতীয় শিক্ষা নীতির বাস্তবায়ন।

    ৩) উচ্চ শিক্ষা ক্ষেত্রে জাতীয় শিক্ষানীতির বাস্তবায়ন।

    ৪) মজবুত আর্বান প্রশাসন।

     

  • US naval ship: ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র সাফল্য! এই প্রথমবার মেরামতির জন্য ভারতে মার্কিন রণতরী

    US naval ship: ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র সাফল্য! এই প্রথমবার মেরামতির জন্য ভারতে মার্কিন রণতরী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই প্রথমবার। মেরামতির জন্য মার্কিন রণতরী (US naval ship) ভারতের উপকূলে! অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) মেক ইন ইন্ডিয়া (Make in India) প্রকল্পের সাফল্য প্রত্যক্ষ করছে দেশ। ভারতীয় প্রযুক্তির উপর ভরসা রাখছে বিশ্ব। এই ছবিই দেখতে চেয়েছিল আপামর ভারতবাসী।

    কূটনৈতিক মহলের অভিমত, চিনের সঙ্গে সম্পর্ক যত তিক্ত হচ্ছে, ততই ভারত-মার্কিন বোঝাপড়া দৃঢ় হচ্ছে। আর তারই অঙ্গ হিসেবে এই প্রথমবার মার্কিন রণতরী ভারতের বন্দরে এসে ভিড়ল। তাও আবার মেরামত সম্পর্কিত কাজে। ইউএসএনএস চার্লস ড্রিউ (Charles Drew) নামে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি মালবাহী জাহাজ চেন্নাইয়ের কাট্টুপল্লি বন্দরে  (Kattupalli in Chennai ) এসেছে। ওখানে মেরামতির জন্য আপাতত ১১ দিন ওই জাহাজটির থাকার কথা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: স্বাধীনতা দিবসের আগে দিল্লিতে গ্রেফতার আইএস জঙ্গি! আতঙ্ক রাজধানীতে

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এক কর্তা জানিয়েছেন, এই প্রথম মার্কিন নৌবাহিনীর কোনও জাহাজ ভারতের বন্দরে এসে ভিড়ল। এল অ্যান্ড টি  (Larsen & Toubro’s) জাহাজ মেরামতি কারখানার সঙ্গে ওদের একটি চুক্তি হয়েছে। যার অঙ্গ হিসেবে ভারতের ওই কোম্পানি মার্কিন জাহাজের মেরামতি ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করবে বলে জানান তিনি। একইসঙ্গে তিনি জানান, এই ঘটনায় ভারত-মার্কিন সম্পর্কের এক নতুন দিগন্ত খুলে গেল। বোঝাই যাচ্ছে, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের জাহাজ মেরামতের প্রযুক্তির উপর ভরসা করে বড় বড় দেশগুলিও। একমাত্র এদেশেই সুলভ মূল্যে অত্যাধুনিক নৌ প্রযুক্তিতে মেরামতির কাজ হয়। এখানে বিভিন্ন প্রকারের জাহাজ মেরামতির জন্য আধুনিক সরঞ্জাম ও দক্ষ কারিগরও রয়েছে।

    আরও পড়ুন: পিছিয়ে গেল চিনা জাহাজের শ্রীলঙ্কায় প্রবেশ, ভারতের অনুরোধে পাশে দাঁড়াল শ্রীলঙ্কা সরকার

    মার্কিন নৌ বাহিনীর জাহাজকে চেন্নাই বন্দরে স্বাগত জানাতে সেখানে উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রতিরক্ষা সচিব অজয় কুমার এবং ভাইস চিফ অ্যাডমিরাল এস এন ঘোরমাড়ে। চেন্নাইয়ের মার্কিন কনসাল জেনারেল জুডিথ রাভিন এবং সেদেশের প্রতিরক্ষা দূত রিয়ার অ্যাডমিরাল মাইকেল বেকারও উপস্থিত ছিলেন বন্দরে।

  • Commonwealth Games: আদালতের হস্তক্ষেপে বার্মিংহাম যাত্রা! বাকিটা ইতিহাস, কমনওয়েলথে হাই জাম্পে প্রথম পদক, ব্রোঞ্জ তেজস্বীনের

    Commonwealth Games: আদালতের হস্তক্ষেপে বার্মিংহাম যাত্রা! বাকিটা ইতিহাস, কমনওয়েলথে হাই জাম্পে প্রথম পদক, ব্রোঞ্জ তেজস্বীনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বার্মিংহাম যাওয়াই হচ্ছিল না। শেষ সময়ে আদালতের হস্তক্ষেপে কমনওয়েলথের ছাড়পত্র মেলে। আর সেখান থেকেই ইতিহাস। অ্যাথলেটিক্সে ভারতের হয়ে খাতা খুললেন তেজস্বীন শঙ্কর (Tejashwin Shankar)। পুরুষদের হাই জাম্পে ব্রোঞ্জ পেয়েছেন জাতীয় রেকর্ডধারী এই অ্যাথলিট। এই প্রথমবার হাই জাম্পে পদক জিতল ভারত।ভারতের কোনও অ্যাথলিট কোনওদিন যা পারেননি, তাই করে দেখালেন তেজস্বীন। ২.২২ মিটার লাফিয়ে ব্রোঞ্জ পান তিনি। শঙ্কর অবশ্য রুপো জয়েরও চেষ্টা করেছিলেন। তৃতীয় তথা শেষ প্রচেষ্টায় তিনি ২.২৮ মিটার লাফানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু ব্যর্থ হন। ব্রোঞ্জ নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় ভারতীয় অ্যাথলিটকে। তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)।

    একটা সময় বার্মিংহাম যাওয়াই ভারতীয় অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন নির্ধারিত যোগ্যতামান পেরলেও তাঁকে কমনওয়েলথের দলে রাখা হয়নি। শেষ পর্যন্ত দিল্লি হাইকোর্টের রায়ে নড়েচড়ে বসেন ভারতীয় অলিম্পিক সংস্থার কর্তারা। ভারতীয় অ্যাথলেটিক্স সংস্থা আদালতে জানায় যে, ৪ X ৪০০ মিটার রিলে দলের আরোকিয়া রাজীবের পরিবর্তে শঙ্করকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এরপরই ভারতীয় অলিম্পিক সংস্থা কমনওয়েলথ গেমস উদ্যোক্তাদের আবেদন জানায়। কিন্তু দেরিতে আবেদন করায় শঙ্করকে প্রথমে অংশগ্রহণের অনুমতি দেননি উদ্যোক্তারা। পরে কমনওয়েলথ গেমস উদ্যোক্তারা ডেলিগেট রেজিস্ট্রেশন মিটিংয়ের পর জানিয়ে দেন, শঙ্করের আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে। শেষ মুহূর্তে ২২ জুলাই কমনওয়েলথে নামার অনুমতি পান শঙ্কর। 

    আরও পড়ুন: কমনওয়েলথ গেমসে এখনও পর্যন্ত ১৮ টি পদক! জেনে নিন আজ কার খেলা কখন

    এদিকে ভারত্তোলনে পুরুষ বিভাগে গুরদীপ সিং ব্রোঞ্জ পেয়েছেন।  ১০৯ কেজি বিভাগে তিনি মোট ওজন তোলেন ৩৯০ কেজি। ভারোত্তোলনে ভারতের ঘরে এটি দশম পদক। তারমধ্যে সোনা ও রুপো রয়েছে তিনটে করে। এর আগে জুডোতে রুপোর পদক এনেছেন তুলিকা মান। মেয়েদের বক্সিংয়ে নিখাত জারিন কোয়ার্টার ফাইনালে একপ্রকার উড়িয়ে দিয়েছেন ওয়েলসের হেলেন জোনসকে। ৫-০ ব্যবধানে জিতে সেমিফাইনালে পৌঁছে গিয়েছেন নিখাত (Nikhat Zarin)। তারমানে ভারতের ঘরে আরও একটা পদক আসা নিশ্চিত হয়ে গেল। এদিন ভারতকে বক্সিংয়ে আরও দু’টি পদক নিশ্চিত হয়েছে। হুসামুদ্দিন ৫৪-৫৭ কেজি বিভাগে কোয়ার্টার ফাইনালে হারিয়ে দেন নামিবিয়ার তিয়াগেন মর্ণিংকে। ৪৫-৪৮ কেজি বিভাগে নীতু সেমিফাইনালে উঠেছেন।

    আরও পড়ুন: স্কোয়াশে ইতিহাস সৌরভের! কমনওয়েলথে ব্রোঞ্জ পদক বাংলার ছেলের

    এদিকে ক্রিকেটে অখ্যাত বার্বাডোজকে ১০০ রানে উড়িয়ে দিয়েছে ভারতের মেয়েরা। বুধবার রাতে বার্বাডোজের বিরুদ্ধে আগে ব্যাট করে ১৬৬ রান করে ভারত। জবাবে বার্বাডোজ মাত্র ৬২ রানে আটকে যায়। এই জয়ের ফলে সেমিফাইনালে উঠে গিয়েছে ভারতের মহিলা ক্রিকেট দল। এছাড়াও ভারতীয় মহিলা হকি দল কানাডাকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে। অন্যদিকে, ভারতের পুরুষ হকি দলও পুল বি-তে কানাডাকে ৮-০ গোলে হারিয়েছে। তবে এদিন খানিকটা হতাশ করেছেন বক্সার লভলিনা বরগোঁহাই। কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে পদক জয়ের লড়াই থেকে ছিটকে গিয়েছেন অলিম্পিক পদকজয়ী বক্সার।

  • Modi on Maldives: মালদ্বীপকে অতিরিক্ত ১০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দেওয়ার ঘোষণা ভারতের

    Modi on Maldives: মালদ্বীপকে অতিরিক্ত ১০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দেওয়ার ঘোষণা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদ্বীপকে (Maldives) অতিরিক্ত ১০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ (Credit) দেওয়ার প্রস্তাব দিল ভারত (India)। দিল্লিতে এই ঘোষণা করেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) বলেন, “মালদ্বীপের দুর্দিনে সবার আগে পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত। আমরা মালদ্বীপকে অতিরিক্ত ১০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যাতে তারা পূর্ব পরিকল্পিত প্রকল্পগুলিকে সময়ের মধ্যে বাস্তবায়িত করতে পারে।”

    মঙ্গলবার গ্রেটার মালে কানেক্টিভিটি প্রজেক্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারতের সঙ্গে মালদ্বীপের সুসম্পর্কের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি বলেন, “আমাদের দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: প্রোফাইলে তেরঙ্গা! নিজে ছবি বদল করে সকলকে এই কর্মসূচিতে আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    আজ গ্রেটার মালে কানেক্টিভিটি প্রকল্প যৌথভাবে উদ্বোধন করেন মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম মহম্মদ সোলি (Ibrahim Mohamed Solih) এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এই প্রকল্পে টাকা জুগিয়েছে দিল্লি। এর আগেই ভারত মালেতে ৪০০০ সোশ্যাল হাউজিং ইউনিট নির্মাণের জন্যে অর্থ সাহায্য করেছিল মালদ্বীপকে। এবার আরও অতিরিক্ত ২০০০ সোশ্যাল হাউজিং ইউনিট নির্মাণের জন্যে টাকা দেবে ভারত।”

    আন্তঃদেশীয় বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজের দিকে ইঙ্গিত করে মোদি বলেন,”ভারত মহাসাগরে নাশকতা, জঙ্গিবাদ, বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজের প্রবণতা বাড়ছে। তাই দুই দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করতে ভারত এবং মালদ্বীপের মধ্যে সুসম্পর্ক থাকা অত্যন্ত জরুরি। এতে ভারত মহাসাগরের সমগ্র এলাকাজুড়েই শান্তি বজায় থাকবে।” 

    আরও পড়ুন: ২০২৪-এ প্রধানমন্ত্রী মোদি-ই! জানুন কী বললেন অমিত শাহ

    তিনি আরও বলেন, “মালদ্বীপ ভারতের প্রতিবেশী। প্রতিবেশী দেশের স্বার্থ দেখা আমাদের প্রথম কাজ। মালদ্বীপের সঙ্গে বরাবরই ভারত সুসম্পর্ক বজায় রেখেছে। কোভিড মহামারীরতেও সেই সম্পর্কে ভাটা পড়েনি।” 

    মালদ্বীপে ভারতের রূপে কার্ডকে মানতা দিয়েছেন মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম মহম্মদ সোলি।  

    এদিকে মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি বলেন, “ভারত-মালদ্বীপের সম্পর্ক সমস্ত কূটনীতির ঊর্ধ্বে। আমার এই ভারত সফর আমাদের দুই দেশের মধ্যে সুসম্পর্কেরই প্রমাণ।”

    গতকালই উচ্চ পদস্থ অফিসার এবং শিল্পপতিদের সঙ্গে ভারতে এসেছেন  মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি। আগামী ৪ অগাস্ট অবধি এ দেশেই থাকবেন তিনি। 

    ভারতের বিদেশমন্ত্রক ট্যুইট করে স্বাগত জানিয়েছে প্রতিবেশী দেশের রাষ্ট্রপতিকে। ট্যুইটে লেখা হয়, “কাছের বন্ধু এবং সমুদ্র পাড়ের প্রতিবেশীকে স্বাগত। মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম মহম্মদ সোলি ভারত সফরে দিল্লিতে এসেছেন। এতে আমাদের দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ককে আমরা আরও উন্নত করার সুযোগ পাব। আমাদের মধ্যে অংশীদারিত্বও বাড়োবে।”

    [tw]


    [/tw]

     

     

     

     

     

     

     

        

LinkedIn
Share