Tag: Modi

Modi

  • Commonwealth Games: কমনওয়েলথের ঢাকে কাঠি, প্রথম দিনেই ভারতের সামনে পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া

    Commonwealth Games: কমনওয়েলথের ঢাকে কাঠি, প্রথম দিনেই ভারতের সামনে পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  শুরু হয়ে গেল বার্মিংহ্যাম কমনওয়েলথ গেমস (Commonwealth Games 2022)। ১১ দিন ধরে রানি এলিজাবেথের দেশে চলবে এই মাল্টি স্পোর্টস ইভেন্ট। বৃহস্পতিবার রাতে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক সূচনা হল। বর্ণময় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাংড়া দিয়ে শুরু হল কমনওয়েলথের যাত্রা। চোট, আঘাত, ডোপ কেলেঙ্কারি, অভাব, অভিযোগ, করোনার ভ্রুকুটিকে পিছনে ফেলে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকলেন ভারতের ১৬৮ জন অ্যাথলিট। সবার সামনে তেরঙা নিয়ে হাঁটলেন পিভি সিন্ধু (PV Sindhu) এবং মনপ্রীত সিং(Manpreet Singh)। বার্মিংহামের আলেকজান্ডার স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৩০ হাজার দর্শক। 

    [tw]


    [/tw]

    গেমস শুরুর আগেই ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের শুভেচ্ছাবার্তা পাঠালেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু  (Draupadi Murmu) , প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi), কেন্দ্রীয় যুবকল্যাণ ও ক্রীড়ামন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। কমনওয়েলথ গেমসের প্রথম দিনে ভারত ৯টি খেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। শুরুতেই ব্যাডমিন্টনের মিক্সড টিম ইভেন্টে ভারতের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান। প্রথম দিনেই অভিযান শুরু করবে ভারতের মহিলা ক্রিকেট দল। প্রথম গ্রুপ ম্যাচে হরমনপ্রীত কউরদের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া।

    [tw]


    [/tw]

    এছাড়া প্রথম দিনে ভারত লড়াই চালাবে হকি, বক্সিং, স্কোয়াশ, টেবিল টেনিস, ট্রায়াথ্লন, সাঁতার ও লন বলে। ভারতের মহিলা হকি দলের প্রথম প্রতিপক্ষ ঘানা। আজ ভারতের নানা খেলা দেখে নিন একনজরে:

    লন বলস

    মহিলাদের সিঙ্গেলস (তানিয়া চৌধুরী), পুরুষদের ট্রিপলস, রাউন্ড ১- দুপুর ১

    মহিলাদের সিঙ্গেলস (তানিয়া চৌধুরী), পুরুষদের ট্রিপলস, রাউন্ড ২- বিকেল ৪

    ভারত বনাম ইংল্যান্ড (মহিলাদের ৪)-  সন্ধে ৭:৩০

    ভারত বনাম মালয়েশিয়া (পুরুষদের জুটি)- সন্ধে ৭:৩০

    ভারত বনাম কুক দ্বীপ (মহিলাদের ৪)-  রাত ১০:৩০

    ভারত বনাম ফকল্যান্ড দ্বীপ (পুরুষদের জুটি)- রাত ১০:৩০

    আরও পড়ুন: ছবির মতো সেজেছে বার্মিংহাম! কমনওয়েলথ গেমসের সূচনা

    টেবিল টেনিস

    ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা (মহিলা)- দুপুর ২

    ভারত বনাম বার্বাডোজ (পুরুষ)- বিকেল ৪:৩০

    ভারত বনাম ফিজি (মহিলা)- রাত ৮:৩০

    ভারত বনাম সিঙ্গাপুর (পুরুষ)- রাত ১১

    সাঁতার 

    পুরষদের ৪০০ মিটার ফ্রি স্টাইল (কুশাগ্র রাওয়াত)- দুপুর ৩:১১

    পুরুষদের ৫০ মিটার বাটারফ্লাই (সজন প্রকাশ)-বিকেল ৪:০৩

    পুরুষদের ১০০ মিটার ব্যাকস্ট্রোক (শ্রীহরি নটরাজ)- বিকেল ৪:২৬

    সাইক্লিং

    পুরুষদের দলগত ৪০০০ মিটার কোয়ালিফায়িং- দুপুর ৩:২৫

    মহিলাদের টিম স্প্রিন্ট কোয়ালিফায়িং- বিকেল ৪:১২

    পুরুষদের টিম স্প্রিন্ট কোয়ালিফায়িং- বিকেল ৪:৪৬

    ক্রিকেট 

    ভারত বনাম অস্ট্রেলিয়া- দুপুর ৩:৩০

    ট্রায়ালথন

    আদর্শ এমএস, বিশ্বনাথ যাদব পুরুষদের ব্যক্তিগত স্প্রিন্ট ডিসটেন্স- দুপুর ৩:৩১

    প্রঞ্জা মোহন, সঞ্জনা জোশি মহিলাদের ব্যক্তিগত স্প্রিন্ট ডিসটেন্স- সন্ধে ৭

    জিমন্যাস্টিক্স

    পুরুষদের দলগত ফাইনাল ও ব্যক্তিগত কোয়ালিফায়িং- বিকেল ৪:৩০

    বক্সিং

    শিব থাপা বনাম সুলেমান বালোচ (৬৩.৫ কেজি)- বিকেল ৫

    হকি

    ভারত বনাম ঘানা (মহিলা)- বিকেল ৫:৩০

    ব্যাডমিন্টন

    ভারত বনাম পাকিস্তান (মিক্সড)- সন্ধে ৬

    স্কোয়াশ

    মহিলাদের সিঙ্গলেস (অনাহত সিংহ)- রাত ১১

    পুরুষদের সিঙ্গেলস (অভয় সিংহ)- রাত ১১:৪৫

    প্যারা সাঁতার

    পুরুষদের ১০০ মিটার ব্যাকস্ট্রোক এস ৯ ফাইনাল (আশিস কুমার সিংহ)- রাত ১২: ১৮

  • Narendra Modi Popularity: ফের বিশ্বসেরা মোদি! সকল রাষ্ট্রনেতাদের পিছনে ফেলে জনপ্রিয়তার শিখরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী

    Narendra Modi Popularity: ফের বিশ্বসেরা মোদি! সকল রাষ্ট্রনেতাদের পিছনে ফেলে জনপ্রিয়তার শিখরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনপ্রিয়তার নিরিখে শীর্ষে অবস্থান করছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই (Modi)। এমনকি ছাপিয়ে গেলেন বিশ্বের তাবড় তাবড় নেতা সহ আমেরিকার জো বাইডেন (Joe Biden) কেও। মোদি ভক্তদের ক্ষেত্রে এক আনন্দের খবর তো বটেই, পুরো বিশ্বে এক ইতিহাস তৈরি করেছেন তিনি। এর আগে হয়তো ভারতের কোনও প্রধানমন্ত্রীই এত পরিমাণে জনপ্রিয়তা লাভ করেননি।

    জনপ্রিয়তার নিরিখে একটি বিশ্বব্যাপী সমীক্ষায় উঠে এল এমনই এক আশ্চর্যকর তথ্য। আমেরিকার একটি সংস্থা ‘মর্নিং কনসাল্ট’-এ (Morning Consult) এই তথ্য উঠে এসেছে। সেখানে দেখা গিয়েছে, এই সমীক্ষায় জনপ্রিয়তার নিরিখে সবার উপরে এক নম্বরে রয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন মেক্সিকোর রাষ্ট্রপতি লোপেজ ও’ব্র্যাডর। ৭৫ শতাংশ সমর্থন পেয়ে নরেন্দ্র মোদি প্রথম স্থানে রয়েছেন। দ্বিতীয় স্থানে থাকা লোপেজের পক্ষে সমর্থন রয়েছে ৬৩ শতাংশ। তৃতীয় স্থানে রয়েছেন ইটালির প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘি। তাঁর পক্ষে ৫৪ শতাংশ সমর্থন রয়েছে। চতুর্থ স্থানে আছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট বলসোনারো। তিনি ৪২ শতাংশ সমর্থন পেয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন রয়েছেন পঞ্চম স্থান। তাঁর পক্ষে সমর্থন রয়েছে মাত্র ৪১ শতাংশ। এছাড়াও ইম্যানুয়েল ম্যাক্রো, ট্রুডিউ রয়েছেন অনেক নীচে।

    শুধুমাত্র দেশেই নয়, মোদির জনপ্রিয়তা এতই বেশি যে তিনি পুরো বিশ্বে সমস্ত প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতিকে হারিয়ে উঠে এসেছেন শীর্ষে। আমেরিকার সংস্থা ‘মর্নিং কলসাল্ট’-এর সমীক্ষার প্রথম থেকেই মোদিই এক নম্বরে রয়েছেন। এমনকি করোনা আবহেও তাঁর স্থান এক নম্বর থেকে সরে যায়নি। গত বছরের সমীক্ষায়ও তিনিই প্রথমে ছিলেন কিন্তু সেবার তিনি ৭০ শতাংশ সমর্থন পেয়েছিলেন। আর এ বছরেই এক ধাক্কায় ৭৫ শতাংশে পৌঁছে গিয়েছেন।

    তবে কীভাবে তিনি এত মানুষের সমর্থন পেয়ে এক নম্বরে উঠে এসেছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন শুরু হয়েছে। তবে বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, করোনার সময়ে তিনি যেভাবে দেশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছিলেন, আবার রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সময় তিনি যেভাবে তাঁর অবস্থান রেখেছিলেন তাঁর জন্যই তিনি বর্তমানে যুব সমাজের কাছে এক অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন ও তাঁদের সবার সমর্থনেই মোদি আজ শিখরে অবস্থান করছেন।

    প্রত্যেক ৭ দিন অন্তর এই ২২ টি দেশের রাজনৈতিক নেতাদের জনপ্রিয়তা কতটা বাড়ল বা কতটা কমল, সেই তথ্য প্রকাশ করে এই সংস্থাটি। এবারে ১৭ অগাস্ট থেকে ২৩ অগাস্টের মধ্যে প্রাপ্ত বয়স্কদের মধ্যে এই সমীক্ষা করেই তথ্য প্রকাশ্যে আসে ও এই খবর গোটা বিশ্বের রাজনৈতিক মহলকে চমকে দিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Narendra Modi: পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি থেকে দূরে থাকুন,  সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী

    Narendra Modi: পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি থেকে দূরে থাকুন, সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি চলছে দেশজুড়ে। ভোটের লোভে নানান প্রস্তাব দিচ্ছেন রাজনৈতিক নেতারা। বিনামূল্যে পরিষেবার ঢালাও প্রতিশ্রুতির দিচ্ছেন রাজনীতিবিদরা। এই সংস্কৃতি মারাত্মক। দেশের উন্নয়নের জন্য ক্ষতিকারক। ভোটের মুখে মিষ্টি মিষ্টি প্রতিশ্রুতি দেওয়া এবং পরে তার থেকে সরে আসার সংস্কৃতি সম্পর্কে মানুষকে আরও সচেতন হতে হবে। এই বিষয়ে সতর্ক থাকুন। বুন্দেলখণ্ড এক্সপ্রেসওয়ে (Bundelkhand Expressway) উদ্বোধনের গিয়ে দেশবাসীকে সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)।

    উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) জালাউনে ২৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করেন মোদি। যা নির্মাণে খরচ হয়েছে ১৪ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা। মোদি বলেন, “ যাঁরা পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি করেন, তাঁরা কখনওই দেশবাসীর জন্য নতুন এক্সপ্রেসওয়ে, নতুন বিমানবন্দর, নতুন প্রতিরক্ষা করিডর নির্মাণ করেন না। যৌথভাবে এই ক্ষতিকর সংস্কৃতিকে হারাতে হবে আমাদের। ভারতীয় রাজনীতি থেকে এই সংস্কৃতিকে নির্মূল করুন।” মোদি বিশেষভাবে সতর্ক করেন দেশের তরুণদের। তরুণ প্রজন্মের প্রতি মোদির বার্তা, সরকার যদি কোনও সিদ্ধান্ত নেয়, কোনও পরিকল্পনা করে, তবে তা অবশ্যই দেশের উন্নয়নের স্বার্থে। যা কিছু দেশের জন্য ক্ষতি করে, উন্নয়নের পথ রুখে দেয়, তা থেকে সরে আসতে হবে আমাদের।

    আরও পড়ুন: হিন্দু হওয়া কি অপরাধ! বায়োপিক- বিতর্কে মুখ খুললেন বিজ্ঞানী নাম্বি নারায়ণন

    উত্তরপ্রদেশে বিজেপির (BJP) ডাবল-ইঞ্জিন সরকার শর্টকাট না নেওয়ার পরিবর্তে রাজ্যের ভবিষ্যতের উন্নতির জন্য কাজ করছে বলে দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, একটা সময় সাধারণ মানুষ মনে করতেন, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার সুবিধা ভোগ করবে শুধু বড় শহরগুলো। এখন সেই ধারণা আমূল বদলে গিয়েছে। বিজেপি তার কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করেছে সকলের সমান সুযোগ সুবিধা ভোগ করার অধিকার রয়েছে। এই নতুন এক্সপ্রেসওয়ে দিল্লি এবং চিত্রকূটের দূরত্ব তিন থেকে চার ঘণ্টা কমিয়ে দেবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। এই রাস্তা শুধু যে ভ্রমণের গতি বাড়াবে তাই নয়, বরং পুরো বুন্দেলখণ্ডে শিল্পের অগ্রগতি ঘটাতেও সাহায্য করবে, অভিমত মোদির। প্রধানমন্ত্রী উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে (Yogi Adityanath) বুন্দেলখণ্ড এক্সপ্রেসওয়েকে পর্যটন সার্কিটের স্নায়ুকেন্দ্রে পরিণত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

  • Rafale: ৩৬টি রাফালই ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে, জানালেন ফরাসি রাষ্ট্রদূত

    Rafale: ৩৬টি রাফালই ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে, জানালেন ফরাসি রাষ্ট্রদূত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চুক্তি অনুযায়ী ৩৬টি রাফাল (Rafale) যুদ্ধবিমান ভারতের (India) হাতে তুলে দিয়েছে ফ্রান্স (France)। এমনটাই জানালেন ভারতে নিযুক্ত ফরাসি রাষ্ট্রদূত এমানুয়েল লেন্যাঁ (Emmanuel Lenain)। 

    যদিও বায়ুসেনা (Indian Air Force) সূত্রের মতে, এর মধ্যে ভারতে এসেছে ৩৫টি। বাকি একটি রাফাল বর্তমানে ফ্রান্সেই রয়েছে। তার ওপর ভারতের দাবি মতো ১৩টি বাড়তি প্রযুক্তিগত উন্নতি সংযোগ করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হচ্ছে। এই যে বিমানটি এখনও ফ্রান্সে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে, আদতে সেটিই ছিল ফ্রান্সের তরফে হস্তান্তর করা প্রথম রাফাল বিমান— যার কোডনেম দেওয়া হয়েছে ‘আরবি০০৮’ (RB-008)। 

    ভারতের প্রাক্তন বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আর কে এস ভাদৌরিয়ার (Air Chief Marshal RKS Bhadauria) সম্মানে এটির এমন নামাঙ্কন করা হয়েছে। ২০১৫-১৬ সালে রাফাল কেনা নিয়ে ফ্রান্সের সঙ্গে দরাদরি ও চুক্তির বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন তৎকালীন বায়ুসেনা উপ-প্রধান ভাদৌরিয়া। তার জন্যই তাঁকে এভাবে সম্মানিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

    গত ফেব্রুয়ারি মাসে শেষ ব্যাচে তিনটি রাফাল যুদ্ধবিমান ভারতে আসে। বায়ুসেনা সূত্রের মতে, ফ্রান্সে থাকা শেষ রাফালে ‘ইন্ডিয়া স্পেসিফিক এনহ্যান্সমেন্ট’-গুলোর পরীক্ষা সফলভাবে শেষ হয়েছে। এখন ভারতে থাকা বাকি ৩৫টি যুদ্ধবিমানে সেগুলি অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। অন্য এক সূত্রের দাবি, ভারতের রাফালে যে ১৩টি নতুন প্রযুক্তিগত আধুনীকিকরণ যুক্ত করা হয়েছে, তা ফ্রান্সের ব্যবহৃত রাফালেও নেই। এই প্রযুক্তিগুলো শুধুমাত্র ভারতীয় বায়ুসেনায় অন্তর্ভুক্ত রাফালগুলোর জন্যই নির্ধারিত। 

    ২০১৫ সালের এপ্রিল মাসে ফ্রান্স থেকে ৩৬টি দাসো রাফাল মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান (Dassault Rafale Multirole Fighter Aircraft) সরাসরি একেবারে তৈরি অবস্থায় কেনার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) জানিয়েছিলেন, বায়ুসেনার আপৎকালীন প্রয়োজনীয়তাকে মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত। এর পর ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ইন্টার-গভার্নমেন্টাল এগ্রিমেন্টের (Inter-Govermental Agreement) মাধ্যমে প্রায় ৫৯ হাজার কোটি টাকার বিনিময়ে এই চুক্তি স্বাক্ষর করে দুই দেশ।

  • Jagdeep Dhankhar: জগদীপ ধনখড়কে সমর্থন বিজেডি-এআইএডিএমকের, ইস্তফা দিলেন রাজ্যপাল

    Jagdeep Dhankhar: জগদীপ ধনখড়কে সমর্থন বিজেডি-এআইএডিএমকের, ইস্তফা দিলেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এনডিএ-র মনোনিত প্রার্থী জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। এখন দেশের উপরাষ্ট্রপতি পদ সামলাচ্ছেন ভেঙ্কাইয়া নাইডু। আগামী মাসে তাঁর কার্যকালের মেয়াদ শেষ হবে। জগদীপ ধনখড়ের জন্যে দেশের বিরোধী দলগুলির কাছে সমর্থন চেয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা।  জেপি নাড্ডা (Jagdeep Dhankhar) বলেন, “বাংলার বর্তমান রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় কৃষকের ছেলে, নম্র স্বভাবের। উনি তিন দশক ধরে দেশকে বিভিন্নভাবে সেবা করে আসছেন। আমি সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলিকে অনুরোধ করব, তারা যেন উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ধনখড়কে সমর্থন জানান।”  

    জেপি নাড্ডার এই আবেদনে সাড়া দিয়েছে বেশ কিছু বিরোধী দল। বিজেডি (BJD) এবং এআইএডিএমকে ( AIADMK) জগদীপ ধনখড়কে সমর্থন জানানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) দলের প্রধান নবীন পট্টনায়ককে কল করার পরেই বিজেডির তরফ থেকে সমর্থনের কথা জানানো হয়। আর চেন্নাইয়ের বিধায়কদের বৈঠকের পরে ধনখড়কে সমর্থন করার সিদ্ধান্তের কথা জানায় এআইএডিএমকে। দুই দলই বলেছে এনডিএ- এ মনোনীত রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি পদের দুই প্রার্থীকেই সমর্থন জানাবে তারা । 

    আরও পড়ুন: বাংলার ভোটার ধনখড় শ্রাবণের সোমবার উপরাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পেশ করবেন

    এদিকে বাংলার রাজ্যপাল পদে ইস্তফা দিয়েছেন জগদীপ ধনখড়। রবিবার রাতে ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। রাজ্যপালের ইস্তফা গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। বাংলায় নতুন রাজ্যপাল না আসা অবধি আপাতত রাজ্যপালের দায়িত্ব সামলাবেন মণিপুরের রাজ্যপাল এলএ গণেশন (La. Ganesan)।

    আরও পড়ুন: উপরাষ্ট্রপতি পদে বিজেপির বাজি বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়   

    আজ বেলা ১২টায় সংসদ ভবনে মনোনয়ন জমা দিতে যাবেন জগদীপ ধনখড়। ৬ অগস্ট উপরাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন। আগামী ১০ অগাস্ট বর্তমান উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া নাইডুর পদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। ১৯ জুলাই মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। ২০ জুলাই মনোনয়নপত্রের স্ক্রুটিনি হবে। জগদীপ ধনখড়ের প্রতিপক্ষ মার্গারেট আলভা।   

     এনডিএ-র পক্ষ থেকে কে উপরাষ্ট্রপতি প্রার্থী হবে তা নিয়ে বহুদিন ধরেই জল্পনা ছিল। অবশেষে শনিবার সন্ধ্যেয় সবাইকে অবাক করে দিয়ে উপরাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে বাংলার রাজ্যপালের নাম ঘোষণা করে বিজেপি।  

  • India Vision 2047: প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার ছক! ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্র করার ডাক জঙ্গিদের

    India Vision 2047: প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার ছক! ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্র করার ডাক জঙ্গিদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করে নাশকতার ছক কষেছিল বিহারের দুই জঙ্গি। বৃহস্পতিবার পাটনা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। পাটনা পুলিশ সূত্রে খবর, দুই অভিযুক্ত মার্শাল আর্ট শেখবার নাম করে জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দিত। এই দুই জঙ্গিকে তল্লাশি করে পিএফআই (PFI) এসডিপিআই (SDPI)-র বেশ কিছু গোপন কাগজপত্র বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। সেই কাগজ থেকেই পুলিশ জানতে পেরেছে ২০৪৭ সালের মধ্যেই ইসলাম শাসিত রাষ্ট্র হবে ভারত। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই কাজ করছে জঙ্গিরা।

    [tw]


    [/tw]

    গত মঙ্গলবার বিহারের দেওঘরে বিমানবন্দর উদ্বোধন করতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi)। সেই সময়ে তাঁকে হত্যা করার পরিকল্পনা সাজানো হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। মোদির সফরের পনের দিন আগে থেকেই বিশেষ প্রশিক্ষণ নিয়েছিল ধৃত দুই জঙ্গি। জানা গিয়েছে, দুই জঙ্গির নাম আতহার পারভেজ এবং মহম্মদ জালালউদ্দিন। ফুলওয়ারি শরিফ এলাকায় তারা বেশ কিছুদিন ধরে প্রশিক্ষণ নিয়েছিল। গত ৬ এবং ৭ জুলাই মোদির উপরে হামলার পরিকল্পনা করতে বিশেষ মিটিং করেছিল দু’জনে। ফুলওয়ারি শরিফে তাদের ডেরায় তল্লাশি চালিয়েছে বিহার (Bihar) পুলিশ। সেখান থেকেই নানা কাগজপত্র উদ্ধার হয়েছে। সেখানে জঙ্গি সংগঠন পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (PFI) বেশ কিছু বই পাওয়া গিয়েছে। তাদের কাগজপত্র থেকে জানা গিয়েছে, ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্র বানানোর পরিকল্পনা করেছিল ওই দুই জঙ্গি। 

    আরও পড়ুন: শ্রীনগরে হামলার দায় নিল আইএস! জঙ্গিদের নিশানায় নিরাপত্তারক্ষীরা

    দুই অভিযুক্তের কাছে প্রশিক্ষণ নিতে ভিন রাজ্য থেকেও আসত অনেকে। বিগত দু’মাস ধরেই ভিন রাজ্য থেকে প্রশিক্ষণ নিতে আসার সংখ্যা অত্যধিক বেড়ে গিয়েছিল। অন্য রাজ্য থেকে যারা আসত তারা টিকিট বুকিং এবং হোটেলে ঘর ভাড়া নেওয়ার সময় নিজেদের নাম বদলে নিত বলে জানা যাচ্ছে। বিহার পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত জঙ্গি মহম্মদ জালালউদ্দিন ঝাড়খণ্ডের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার। জঙ্গি সংগঠন সিমির (SIMI) সঙ্গে যুক্ত ছিল অপর ধৃত জঙ্গি পারভেজ। বর্তমানে দু’জনেই পিএফআইয়ের সঙ্গে যুক্ত। আপাতত তাদের জেরা করছে বিহার পুলিশ।

  • Shinzo Abe: মোদি-আবে রসায়নই কি চিন্তা বাড়িয়েছিল চিনের? ইন্দো-জাপান মধুর সম্পর্কের স্থপতি শিনজো

    Shinzo Abe: মোদি-আবে রসায়নই কি চিন্তা বাড়িয়েছিল চিনের? ইন্দো-জাপান মধুর সম্পর্কের স্থপতি শিনজো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাপানের (Japan) সঙ্গে ভারতের ‘কৌশলগত বন্ধুত্বপূর্ণ’ সম্পর্কের অন্যতম স্থপতি ছিলেন শিনজো আবে (Shinzo Abe)।  শুক্রবার আততায়ীর গুলিতে নিহত হন জাপানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। সংসদীয় নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে  পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলিবিদ্ধ  হন তিনি। জাপানের সঙ্গে সঙ্গে শোকের ছায়া নামে ভারতেও। বন্ধু হারানোর যন্ত্রণা ধরা পড়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) গলায়। মোদি ও আবের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের বিষয়টি সবার জানা। বলা হয়, এই দুই রাষ্ট্রনেতার প্রচেষ্টার ফলেই প্যাসিফিকে চিনা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে একটি সবল অবস্থান তৈরি হয়েছে। ২০১৫ সালে শিনজোকে নিজের লোকসভা কেন্দ্র বারাণসীতে নিয়ে আসেন মোদি। সেখানে দুই রাষ্ট্রপ্রধান পাশাপাশি বসে গঙ্গারতি দেখেন। দু’ বছর পর, ২০১৭ সালে জাপানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আমদাবাদ যান। সেখানে ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন আবে। ২০১৮ সালে জাপান সফরে গিয়েছিলেন মোদি। সেখানে নিজের একটি বাড়িতে মোদিকে রেখেছিলেন শিনজো। ২০২১ সালে ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান পদ্মবিভূষণে সম্মানিত করা হয় জাপানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে।

    প্রথম এবং দ্বিতীয় ইউপিএ সরকারের সময়েও ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল শিনজোর। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের আমন্ত্রণে এ দেশে প্রজাতন্ত্র দিবসের অতিথি হয়ে এসেছিলেন তিনি। তার আগে ২০০৭ সালে সংসদের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দেন আবে। সেখানেই তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁর মা-বাবার সঙ্গেও ভারতের মধুর সম্পর্ক ছিল। ১৯৫৭ সালে দিল্লিতে এসেছিলেন জাপানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শিনজোর দাদু নোবুসুকে কিশি। তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু। 

    আরও পড়ুন: জীবন-মৃত্যুর লড়াই শেষ! নিহত জাপানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে

    যুদ্ধ-পরবর্তী জাপানের সবচেয়ে দীর্ঘ সময়ের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন শিনজো আবে। ২০১২ সাল থেকে ২০২০ পর্যন্ত ৮ বছর ও তারও আগে ২০০৬ থেকে ২০০৭ পর্যন্ত আবে জাপানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ২০২০-এর অগাস্টে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেছিলেন আবে। দেশে তাঁর দারিদ্র দূরীকরণ নীতি প্রশংসা কুড়িয়েছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথম জাপানের সমরনীতিতেও পরিবর্তন এনেছিলেন আবে। ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় (Indo-Pacific Region) এলাকায় চিনের (China) একক আধিপত্য খর্ব করতে চতুর্দেশীয় কোয়াড (Quad) গঠনের মূল  উদ্যোক্তা ছিলেন আবে-ই। ভারত, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়াকে সঙ্গে নিয়ে এই কোয়াড গঠন আবের অন্যতম সেরা কূটনৈতিক সাফল্য বলে মনে করা হয়। শুধু তা-ই নয়, এশিয়ার রাজনীতিতে ভারতের গুরুত্ব বুঝতে কোনওদিন ভুল করেননি তিনি। ভারতের সঙ্গে তাঁর সরকারের সম্পর্ক সব সময়েই ভাল ছিল। 

  • Indo-China Relation: মোদি-দলাই শুভেচ্ছা বিনিময়, ক্ষুব্ধ চিন, জবাব দিল ভারত  

    Indo-China Relation: মোদি-দলাই শুভেচ্ছা বিনিময়, ক্ষুব্ধ চিন, জবাব দিল ভারত  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালিতে (Bali) প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (Line of Actual Control) থেকে সেনা সরানো নিয়ে বৈঠক করছে ভারত এবং চিন (Indo-China Meet)। এরই মাঝে দলাই লামাকে (Dalai Lama) কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হল। ধর্মগুরুর জন্মদিনকে কেন্দ্র করে ফের দ্বিপাক্ষিক তিক্ততা তৈরি হল। বুধবার তিব্বতের ধর্মগুরু দলাই লামার জন্মদিনে, তাঁকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বেজিং।    

    আরও পড়ুন: চিন থেকে উদ্ধার ৬০ লক্ষ বছরের পুরনো জায়েন্ট পান্ডার জীবাশ্ম

    চিনের চোখ রাঙানিকে অগ্রাহ্য করেই মোদি তাঁর ট্যুইটে শুভেচ্ছা জানানোর কথা জানিয়েছিলেন। তার চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে চিনের মুখপাত্র ঝাও লিঝিয়াং তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছেন, “চতুর্দশ দলাই লামার চিনবিরোধী বিচ্ছিন্নতাবাদী ভূমিকার কথা ভারতের স্বীকার করা উচিত। তিব্বতের তাস খেলে চিনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানো বন্ধ করুক ভারত। ভারতের উচিত চিনের প্রতি দায়বদ্ধতাকে মাথায় রেখে বিচার-বিবেচনা করে কাজ করা।” 

    আরও পড়ুন: শাওমির পর এবার ভিভো, ইডি-র নজরে চিনা মোবাইল সংস্থা, দেশজুড়ে তল্লাশি  
     
    চিনের এই ঝাঁঝ বন্ধ মুখে সহ্য করেনি ভারত। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী এই মন্তব্যের জবাব দিয়ে বলেন, “ধর্মগুরু দলাই লামা ভারতের সম্মানীয় অতিথি। ভারত সরকার ধারাবাহিক ভাবে তাঁকে সে ভাবেই দেখে এসেছে। তিনি একজন সম্মানীয় ধর্মীয় নেতা এবং ভারতে তাঁর অনেক ভক্ত রয়েছেন। বিশ্বজুড়ে ভক্তরা তাঁর জন্মদিন পালন করেন। ভারতে তাঁকে ধর্মীয় চর্চার সমস্ত স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। দলাই লামার ৮৭তম জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রীর ফোন করে শুভেচ্ছা জ্ঞাপনকে এই সামগ্রিক প্রেক্ষাপটে দেখা উচিত।”    

    দলাই লামাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও। তাঁকেও ঝাও লিঝিয়াং মনে করিয়ে দিয়েছেন, ‘‘তিব্বতের বিষয়টি একান্তই চিনের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। এই ব্যাপারে কোনও রকম বিদেশি হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করবে না বেজিং।” 

    তিব্বতের সরকারের সঙ্গে অন্য দেশের সুসম্পর্ককে বরাবর চিন-বিরোধী পদক্ষেপ হিসেবেই দেখে এসেছে বেজিং। এর আগে তিব্বতি ধর্মগুরু ও নেতাদের ধর্মশালায় আলোচনাসভা আয়োজনের ছা়ড়পত্রও দিয়েছে ভারত। চিনের অভিযোগ, ওই সব সভায় তিব্বতে বিদ্রোহ উস্কে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করা হয়। ভারত অবশ্য় এমন অভিযোগকে কোনওদিনই গুরুত্ব দেয়নি। 

     

  • Modi meets Droupadi Murmu: ভারতের উন্নয়ন সম্পর্কে দ্রৌপদীর উপলব্ধি অসাধারণ: মোদি 

    Modi meets Droupadi Murmu: ভারতের উন্নয়ন সম্পর্কে দ্রৌপদীর উপলব্ধি অসাধারণ: মোদি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনডিএ-র রাষ্ট্রপতি (NDA) পদপ্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মুর (Droupadi Murmu) সঙ্গে গতকাল দিল্লিতে দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। আজ, শুক্রবার নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah), প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) এবং বিজেপি ও এনডিএ শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের উপস্থিতিতে মনোনয়ন জমা দিলেন দ্রৌপদী মুর্মু। দিল্লিতে বৈঠকের পর রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থীর ভূয়সী প্রশংসা করেন মোদি। তিনি বলেন, স্থল সমস্যা এবং ভারতের উন্নয়নের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে দ্রৌপদীর উপলব্ধি অসাধারণ।

    আরও পড়ুন: রাজনৈতিক থেকে প্রশাসনিক— একনজরে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মুর জীবন  

    ট্যুইটারে দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাতের ছবি শেয়ার করে মোদি লেখেন, “দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা হল। এনডিএ- র দ্রৌপদী মুর্মুকে দেশের রাষ্ট্রপতির প্রার্থী করার সিদ্ধান্তে খুশি গোটা দেশ। স্থল সমস্যা এবং ভারতের উন্নয়নের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে দ্রৌপদীর উপলব্ধি অসাধারণ।”   

    [tw]


    [/tw]

    আগামী ১৮ জুলাই দেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। তাতে মুখোমুখি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামছেন দ্রৌপদী মুর্মু এবং যশবন্ত সিনহা। ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতি পদে মেয়াদ শেষ হচ্ছে বর্তমান রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের (Ramnath Kovind)। তার আগে, ২১ জুলাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগণনা সম্পন্ন হবে। তবে রাইসিনা হিল দখলের লড়াইয়ে কে শেষ হাসিটি হাসে তাই এখন দেখার অপেক্ষা। দ্রৌপদী মুর্মুর নাম প্রস্তাব করেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    আরও পড়ুন: “ওনাকে সম্মান করি, তবে…”, দ্রৌপদী মুর্মু সম্পর্কে কী বললেন প্রতিদ্বন্দ্বী যশবন্ত? 

    ওড়িশার রাইরাংপুরের প্রথম কাউন্সিলর ছিলেন দ্রৌপদী। তিনি ঝাড়খণ্ডের নবম রাজ্যপালের দায়িত্বও সামলেছেন। তিনিই ঝাড়খণ্ডের প্রথম রাজ্যপাল যিনি তাঁর কার্যকালীন মেয়াদ সম্পূর্ণ করতে পেরেছিলেন। এছাড়াও ২০০০ এবং ২০০৪ সালে তিনি বিজেডি এবং বিজেপির জোট সরকারে পরিবহণ, পশুপালন এবং মৎস্য দফতরের মতো গুরুত্বপূর্ণ দফতর সামলেছেন। রাইসিনা দখলের পথে তিনি যশবন্ত সিনহার থেকে অনেকটাই এগিয়ে। এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।  

    দ্রৌপদী মুর্মু ইতিহাস তৈরি করতে চলেছেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ী হলে, আদিবাসী সম্প্রদায় থেকে তিনিই প্রথম ভারতের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে বসবেন। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, দেশের অন্যান্য রাজ্যের পাশাপাশি মনোনয়নে প্রস্তাবক বা সমর্থক হিসাবে অনেক আদিবাসী সাংসদ ও বিধায়ককে দিয়ে সই করানো হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন বাংলার তিন জন। ঝাড়গ্রামের সাংসদ কুনার হেমব্রম, মালদহের হবিবপুরের বিধায়ক জোয়েল মুর্মু এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের তপনের বিধায়ক বুধুরাই টুডু। 

     

  • Modi in Andhra Pradesh: অল্পের জন্য বাঁচলেন মোদি! প্রধানমন্ত্রীর কপ্টারের সামনে গ্য়াসবেলুন

    Modi in Andhra Pradesh: অল্পের জন্য বাঁচলেন মোদি! প্রধানমন্ত্রীর কপ্টারের সামনে গ্য়াসবেলুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর সুরক্ষায় বড় ফাঁক। অন্ধ্রপ্রদেশ (Andhra Pradesh) থেকে ফেরার পথে নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) হেলিকপ্টারের সামনে উড়ল কালো বেলুন। বিজয়ওয়াড়া হেলিপ্যাড চত্বরে শোনা গেল ‘মোদি গো ব্যাক’ স্লোগান। কিন্তু এ কেমন প্রতিবাদ! বিপজ্জনক! যার জন্য ঘটতে পারত বড় দুর্ঘটনাও। বিপদের হাত রেখে রক্ষা পেলেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কপ্টারের সামনে গ্যাস বেলুনের ঝাঁক ওড়ালেন কংগ্রেসের প্রতিবাদীরা। বিজয়ওয়াড়ায় সোমবার এই ঘটনা ঘটেছে। গ্রেফতার করা হয়েছে দু’ জনকে।  এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বেশ কিছু কংগ্রেস কর্মীকে আটকও করা হয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

     সূত্রের খবর, সোমবার সকাল থেকেই কংগ্রেস কর্মীরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন। কংগ্রেস কর্মী সমর্থকদের তরফে প্রতীকী প্রতিবাদ স্বরূপ এই কালো বেলুন ওড়ানো হয়। আর তার জেরেই বিঘ্নিত হয় প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা। প্রধানমন্ত্রীর চপার আসা-যাওয়ার রুটকে সম্পূর্ণভাবে ‘নো-ফ্লাই জোন’ করে দেওয়া হয়। বেলুন, ড্রোন এমকী ঘুড়ি ওড়ানোয় পর্যন্ত নিষিদ্ধ। সে ক্ষেত্রে এদিনের ঘটনায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, কী করে একটি নো-ফ্লাই জোনে এভাবে কালো বেলুন ওড়ানো গেল? অন্ধ্রপ্রদেশের ভীমাভরমে এদিন মোদি আল্লুরি সীতারাম রাজুর (Alluri Sitarama Raju) মূর্তি উন্মোচন করতে আসেন। অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথেই ঘটে এই বিপত্তি। 

    আরও পড়ুন: শুধু হিন্দু নয়! সব সম্প্রদায়ের নিপীড়িত মানুষের কাছে যান, বললেন মোদি

    আল্লুরি সীতারাম ১৯২২ সালে শুরু হওয়া রাম্পা বিদ্রোহের (Rampa Kranti) নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। স্থানীয় মানুষ তাঁকে ‘মান্যম ভিরুডু’ (জঙ্গলের নায়ক) নামেই চেনেন। মোদি এদিন বলেন, “যখন আমাদের যুবক, আদিবাসী, মহিলা, দলিত এবং নিপীড়িতরা দেশকে নেতৃত্ব দেবে তখনই ‘নতুন ভারত’ তৈরি করা থেকে কেউ বাধা দিতে পারবে না।” এদিন, অন্ধ্রপ্রদেশের বিশিষ্ট স্বাধীনতা সংগ্রামী প্রয়াত পাসলা কৃষ্ণ মূর্তির পরিবারের সঙ্গেও দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রয়াত স্বাধীনতা সংগ্রামীর কন্যা পাসলা কৃষ্ণ ভারতীর সঙ্গে দেখা করেন তিনি। ৯০ বছর বয়সী পাসলা কৃষ্ণ ভারতী হুইলচেয়ারে বসেই প্রধানমন্ত্রীকে আশীর্বাদ করেন।

LinkedIn
Share