Tag: Mohua Moitra

Mohua Moitra

  • Mohua Moitra: রেখা শর্মার বিরুদ্ধে কু-মন্তব্য, মহুয়া মৈত্রর নামে দিল্লি পুলিশে এফআইআর

    Mohua Moitra: রেখা শর্মার বিরুদ্ধে কু-মন্তব্য, মহুয়া মৈত্রর নামে দিল্লি পুলিশে এফআইআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রেখা শর্মার বিরুদ্ধে অপমানজনক মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর (Mohua Moitra) বিরুদ্ধে এফআইআর করল দিল্লি পুলিশ। ফৌজদারি নয়া দণ্ডবিধি ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৭৯ ধারায় রবিবার তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেলের আইএফএসও-এর সাইবার ইউনিট মহুয়ার নামে এফআইআর করেছে।

    কেন এফআইআর

    উত্তরপ্রদেশের হাথরসে পদপিষ্ট হয়ে আহত মহিলাদের দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন রেখা। ভিডিয়োতে দেখা যায়, কোনও এক জন তাঁর মাথায় ছাতা ধরে রয়েছেন। জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন কেন নিজের ছাতা নিজে ধরেননি, তা নিয়ে সরব হয়েছিল নেট-পাড়া। সেখানেই মহুয়া মন্তব্য করেছেন, ‘ছাতা ধরবেন কী করে, উনি তো ওঁর প্রভুর পাজামা ধরেছিলেন’! এই মন্তব্যকে রেখা অশালীন এবং তাঁর পদের মর্যাদাহানিকর বলে নিন্দা করেন। জাতীয় মহিলা কমিশন মহুয়ার (Mohua Moitra) বিরুদ্ধে দিল্লি পুলিশে এফআইআর দায়ের করে। দিল্লি পুলিশকে ব্যবস্থা নিতে আবেদন জানান রেখা।

    আরও পড়ুন: বর্ষাকালে চোখে সংক্রমণ! জানুন কনজাঙ্কটিভাইটিস প্রতিরোধে ঘরোয়া পদ্ধতি

    কোন ধারায় এফআইআর (Mohua Moitra)

    ভারতীয় ন্যায় সংহিতার সেকশন ৭৯ অনুসারে কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের (Mohua Moitra) বিরুদ্ধে এফআইআর করেছে দিল্লি পুলিশ। এই ধারা অনুসারে, মহিলাদের মর্যাদাহানি করে এমন ধরনের শব্দ, ইঙ্গিত বা কাজ অপরাধমূলক হিসেবে গণ্য করা হবে এবং দোষীকে কড়া শাস্তি দেওয়া হবে।  এর আগেও বহুবার নিজের বেলাগাম মন্তব্যের জন্য বিতর্কে জড়িয়েছেন মহুয়া। রেখার বিরুদ্ধে তাঁর এই মন্তব্য অবাঞ্ছিত বলে মনে করছেন অন্য বিরোধী দলের কয়েক জন নেতা। তাঁদের মতে, অন্যভাবেও আক্রমণ করা যেত। সমালোচনা করারও কৌশল রয়েছে। কিন্তু রেখার মন্তব্য একটি মহিলার সম্মানে আঘাত করেছে। তাই কথা বলার আগে রেখার একটু ভেবে বলা উচিত বলেই মত বিরোধী শিবিরের একাংশের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Krishnanagar: “দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই, প্রতিপক্ষ হিসাবে কাউকে ভাবছি না”, বললেন অমৃতা রায়

    Krishnanagar: “দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই, প্রতিপক্ষ হিসাবে কাউকে ভাবছি না”, বললেন অমৃতা রায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে এসেছি, তাই প্রতিপক্ষ হিসাবে কাউকে ভাবছি না। শনিবার প্রচারে নেমে তৃণমূলকে কটাক্ষ করলেন কৃষ্ণনগরের (Krishnanagar) রাজবধূ তথা বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায়ের। এদিন দলীয় কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে কৃষ্ণনগরের পাত্র বাজারে প্রচার করেন রানিমা।

    কৃষ্ণনগরের পাত্র বাজারে জনসংযোগ করলেন বিজেপি প্রার্থী (Krishnanagar)

    বিজেপির প্রার্থী তালিকা ঘোষণার আগেই তৃণমূল তাদের প্রার্থী হিসেবে মহুয়া মৈত্রের নাম ঘোষণা করে। সেই মতো কিছুদিন আগে থেকেই কৃষ্ণনগর (Krishnanagar) লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন জায়গায় প্রচার করছেন মহুয়া। তবে, এদিন বিজেপি প্রার্থীকে রাস্তায় নেমে প্রচার করতে দেখা গেল। কৃষ্ণনগরের পাত্র বাজারে বিভিন্ন দোকানদার এবং ক্রেতাদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বললেন তিনি। তার এই প্রচার অভিযান ঘিরে বিজেপি কর্মীদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রানিমা তথা কৃষ্ণনগর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায় বলেন, মানুষের যা উৎসাহ, উদ্দীপনা দেখছি তাতে আমি খুবই সাহস পেয়েছি। সাধারণ মানুষ বলছেন এবং আমাকে আশীর্বাদ করছেন। আমি নিশ্চিত জয়লাভ করব। আমি এখানে প্রতিপক্ষ হিসেবে কাউকে ভাবছি না। তার কারণ আমি রাজ্যটাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি। পাশাপাশি তিনি বলেন, আমার দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই এবং সাধারণ মানুষের পাশে থাকার লড়াই। এরজন্য আমি নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাব। মানুষ আমার সঙ্গে রয়েছে।

    আরও পড়ুন: ভোটের আগেই উত্তপ্ত ক্যানিং, বিজেপির কর্মীদের ব্যাপক মারধর, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    এলাকার উন্নয়ন নিয়ে কী বললেন বিজেপি প্রার্থী?

    উন্নয়ন প্রসঙ্গে বিজেপি প্রার্থী বলেন, কৃষ্ণনগরে (Krishnanagar) বেশ কয়েকটি কাজ করার আমার সদিচ্ছা রয়েছে। তার মধ্যে প্রধান বেলেডাঙ্গার ওভারব্রিজ। সেখানে খুব ঘনঘন ট্রেন চলার কারণে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের খুব অসুবিধা হয়।। অন্যদিকে তিনি বলেন অঞ্জনা এবং জলঙ্গি নদী দুটোই দিন দিন শেষের দিকে। সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি, এই নদী দুটোকে সংস্কার করার। আমি ক্ষমতায় এলে এই কাজগুলোই মূলত আমার প্রধান লক্ষ্য থাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mohua Moitra: কৃষ্ণনগরের পর করিমপুরে মহুয়ার বাড়িতে হানা দিল সিবিআই

    Mohua Moitra: কৃষ্ণনগরের পর করিমপুরে মহুয়ার বাড়িতে হানা দিল সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদে ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্নকাণ্ডে কৃষ্ণনগরের তৃণমূল প্রার্থী মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে লোকপাল। এরপরই শনিবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মহুয়া মৈত্রের কলকাতার বাড়ি, কৃষ্ণনগরের পার্টি অফিসে সিবিআই টিম হানা দেয়। আর সবশেষে করিমপুরের বাড়িতেও যায় সিবিআই। আর দিনভর তল্লাশির মধ্যে সিবিআই আধিকারিকরা তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভের মুখেও পড়েন।

    কৃষ্ণনগরে তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন সিবিআই

    কৃষ্ণনগরের আগে সিবিআইয়ের একটি দল শনিবার সকালে আলিপুরে ‘রত্নাবলী’ নামে একটি আবাসনে যায়। জানা যাচ্ছে, সেখানে ন’তলার একটি ফ্ল্যাটে থাকেন মহুয়ার (Mahua Moitra) বাবা দীপেন্দ্রলাল মৈত্র। সেখানেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল হানা দেয়। এরপরই কৃষ্ণনগরে আসে সিবিআইয়ের একটি টিম। ওই মামলাতেই তৃণমূল প্রার্থীর আলিপুরের বাসস্থানের পর এবার কৃষ্ণনগরে মহুয়া মৈত্রর বাসস্থানে হানা দেয় সিবিআই। পরে, নির্বাচনী কার্যালয়ে তল্লাশি চালায় তারা। সূত্রের খবর, কৃষ্ণনগরের সিদ্ধেশ্বরী তলায় যেখানে মহুয়া থাকেন সেখানে এসেছেন সিবিআইয়ের পাঁচ সদস্যের একটি দল হানা দিয়েছিল। সঙ্গে ছিলেন ৮ থেকে ১০ জন জওয়ান। প্রায় দুঘণ্টা তল্লাশির পর সিবিআই আধিকারিকরা বেরিয়ে যাওয়ার সময় তৃণমূল কর্মীরা তুমুল বিক্ষোভ দেখান। সিবিআই আধিকারিকদের দেখে “জয় বাংলা” স্লোগান দেন তৃণমূল কর্মীরা।

    আরও পড়ুন: হোলিতে গরম বাড়বে ৯ রাজ্যে, দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা

    করিমপুরে মহুয়ার (Mahua Moitra) বাড়িতে সিবিআই!

    কৃষ্ণনগরের পর থেকে সিবিআই টিম সোজা করিমপুরে মহুয়ার বাড়িতে যায়। রাত ৯টা নাগাদ সেখানে সিবিআই আধিকারিকরা পৌঁছান। সেখানেও তাঁরা তল্লাশি চালান। তবে, সেখানে কী নথিপত্র পেয়েছে সেই বিষয়ে সিবিআই আধিকারিকরা কিছু বলতে চাননি। সিবিআই অভিযান চালানো প্রসঙ্গে তৃণমূল প্রার্থী মহুয়ার কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে, তৃণমূল নেতাদের বক্তব্য, মূলত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রে দলীয় প্রার্থী মহুয়া মৈত্রের (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে এই তদন্ত চালাচ্ছে। বিজেপি যত এসব করবে তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক তত আরও বেশি বাড়বে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বাড়িতে শুধু সিবিআই তল্লাশি নয়, গ্রেফতার হতে পারেন মহুয়া, স্পষ্ট ইঙ্গিত সুকান্তর

    BJP: বাড়িতে শুধু সিবিআই তল্লাশি নয়, গ্রেফতার হতে পারেন মহুয়া, স্পষ্ট ইঙ্গিত সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার পর কৃষ্ণনগরেও তৃণমূল প্রার্থী মহুয়া মৈত্রের পার্টি অফিসে হানা দিয়েছিল সিবিআই। হানা বা তল্লাশি নয়, গ্রেফতার হতে পারেন মহুয়া মৈত্র। শনিবার দিল্লি যাওয়ার পথে বাগডোগরা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে একথা বলেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। একইসঙ্গে তিনি উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহকে জেলে ভরারও কথা বলেন। 

     মহুয়া গ্রেফতার হতে পারেন! (BJP)

    কলকাতার পর কৃষ্ণনগরে তৃণমূল প্রার্থী মহুয়া মৈত্রের ফ্ল্যাটে সিবিআই হানা দেওয়ায় সর্বত্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি এটা প্রত্যাশিত বলেই মনে করেন। এপ্রসঙ্গে এদিন বাগডোগরা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সুকান্ত মজুমদার বলেন, মহুয়া মৈত্র তার লগইন পাসওয়ার্ড টাকার বিনিময়ে এমন একজনকে দিয়েছিলেন যিনি একটি ব্যবসায়ী সংস্থার সঙ্গে যুক্ত। বিদেশ থেকে তিনি সংসদের ওয়েবসাইট লগইন করেছেন। এটা অত্যন্ত অন্যায় কাজ। এ কাজের জন্য সিবিআই তাঁর ফ্ল্যাটে তল্লাশি কেন গ্রেফতার করতে পারে।

    আরও পড়ুন: মহুয়ার কৃষ্ণনগরের পার্টি অফিসের সামনে সিবিআই-এর গাড়ি ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ তৃণমূল কর্মীদের

    তৃণমূলে চোরে ভরে গিয়েছে

    সিবিআই, ইডি-র তদন্ত নিয়ে বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি বলেন, তৃণমূলে চোরে ভরে গিয়েছে। সারাবছরই নানা দুর্নীতির তদন্তে ইডি, সিবিআইকে অভিযান চালাতে হচ্ছে। এ রাজ্যে ঘনঘন ভোট হয়। পঞ্চায়েত এবং পুরসভার ভোট আলাদা হয়। বিধানসভা, লোকসভার ভোটও হয় আলাদা সময়ে। এজন্যই কারও কারও মনে হয় ভোটের অঙ্কে ইডি, সিবিআই’র তদন্ত হচ্ছে। কিন্তু, বাস্তবে তা নয়। আর এই জন্যই তো আমরা বলছি এক দেশ, এক ভোট হোক।

     উদয়নকে নিয়ে কী বললেন সুকান্ত?

    দিনহাটা অশান্ত হয়ে ওঠার জন্য উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহকেই দায়ী করলেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, দিনহাটায় যতদিন উদয়ন গুহ নামে গুন্ডা থাকবে, ততদিন অশান্তি থাকবে। উদয়ন গুহকে জেলে ভরলেই দিনহাটা শান্ত হয়ে যাবে। তাঁর জন্মদিন কেন রাস্তায় পালন করা হবে। তিনি কোন মহাপুরুষ। তিনি কি পদ্মশ্রী’ পেয়েছেন?  আমাদেরও তো জন্মদিন হয়, আমরা তো ঘরের মধ্যে করি। তাহলে উনি রাস্তায় জন্মদিন করতে এসেছিলেন কেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Mahua Moitra: মহুয়ার কৃষ্ণনগরের পার্টি অফিসের সামনে সিবিআই-এর গাড়ি ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ তৃণমূল কর্মীদের

    Mahua Moitra: মহুয়ার কৃষ্ণনগরের পার্টি অফিসের সামনে সিবিআই-এর গাড়ি ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ তৃণমূল কর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদে ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্নকাণ্ডে কৃষ্ণনগরের তৃণমূল প্রার্থী মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে লোকপাল। ওই মামলাতেই তৃণমূল প্রার্থীর আলিপুরের বাসস্থানের পর এবার কৃষ্ণনগরে মহুয়া মৈত্রর পার্টি অফিসে হানা দিল সিবিআই। শনিবার সকালে কলকাতার আলিপুরে ডি এল মৈত্র নামে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দিয়েছিল সিবিআই। নিরাপত্তীরক্ষীদের দাবি, এই ব্যবসায়ীই মহুয়া মৈত্রের বাবা। এবার একেবারে কৃষ্ণনগরে হানা দিলেন সিবিআই আধিকারিকেরা।

    সিবিআই-এর গাড়ি ঘিরে “জয় বাংলা” স্লোগান তৃণমূল কর্মীদের

    সূত্রের খবর, কৃষ্ণনগরের সিদ্ধেশ্বরী তলায় মহুয়ার পার্টি অফিসে আসে সিবিআইয়ের পাঁচ সদস্যের একটি দল। ইতিমধ্যেই তাঁর বাড়ি ঘিরে ফেলেছেন ৮ থেকে ১০ জন জওয়ান। তল্লাশি চলছে গোটা বাড়িতে। কৃষ্ণনগরের আগে সিবিআইয়ের একটি দল শনিবার সকালে আলিপুরে ‘রত্নাবলী’ নামে একটি আবাসনে যায়। জানা যাচ্ছে, সেখানে ন’তলার একটি ফ্ল্যাটে থাকেন মহুয়ার বাবা দীপেন্দ্রলাল মৈত্র। সেখানেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল হানা দেয়। এরপরই কৃষ্ণনগরে আসে সিবিআইয়ের এতটি টিম। সিবিআই এর গাড়ি ঘিরে জয় বাংলা স্লোগান তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের। এদিন নদিয়ার কৃষ্ণনগরে তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ মহুয়া মৈত্রের দলীয় কার্যালয়ে প্রায় তিন ঘণ্টা তল্লাশি অভিযান চালানোর পর সিবিআই এর প্রতিনিধি দল যখন গাড়িতে করে রওনা দিচ্ছিলেন, ঠিক তখন সিবিআই এর গাড়ির সামনে একাধিক তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা জড়ো হয়ে জয় বাংলা স্লোগান দিতে থাকে। 

    কেন তল্লাশি? (Mahua Moitra)

    সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ‘ঘুষ নিয়ে প্রশ্ন’ কাণ্ডে লোকপালের নির্দেশে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এই বিষয়কে সামনে রেখেই মহুয়া মৈত্রর বাবা দীপেন্দ্রলাল মিত্রের আলিপুরে ফ্ল্যাটে যান সিবিআই আধিকারিকেরা। মহুয়ার (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে এমনিতেই প্রাথমিক তদন্তের কাজ শুরু করে দিয়েছিল। সিবিআই  সূত্রের খবর, লিখিত নির্দেশে সিবিআইকে ছ’মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে নির্দেশ দিয়েছে লোকপাল। পাশাপাশি, তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে নিয়মিত লোকপালের কাছে রিপোর্ট জমা দিতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে জড়িত এসএসসি-র প্রাক্তন চেয়ারম্যান গ্রেফতার, শোরগোল

    বাড়ির সামনে ভিড়

    এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জোর শোরগোল এলাকায়। উৎসুক জনতার ভিড় বাড়ছে বাড়ির চারপাশে। তবে, কাউকেই ঢুকতে দিচ্ছেন না জওয়ানেরা। সূত্রের খবর, এই বাড়িতে মহুয়া (Mahua Moitra) খুব একটা থাকেন না। বেশিরভাগ সময় থাকেন করিমপুরের বাড়িতে। সিদ্ধেশ্বরী তলার পর সিবিআই করিমপুরের বাড়িতে যাবে কি না তা নিয়ে চলছে চাপানউতোর। যদিও এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু জানা যায়নি। যদিও সকালে জানা গিয়েছিল সেখানে যেতে পারে সিবিআই। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে নির্বাচনের সময় সিদ্ধেশ্বরী তলার এই বাড়ি থেকে কাজ করেছিলেন মহুয়া। সেই বাড়িতেই হানা দিল সিবিআই। এদিন সকালে করিমপুরের বাড়িতে ছিলেন মহুয়া। যদিও বর্তমানে সেই বাড়িতে পড়েছে তালা। সূত্রের খবর, বাড়িতে নেই মহুয়া। দলীয় প্রচারে গিয়েছেন সকালেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: মঞ্চে বসে রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ মহুয়া মৈত্র, নীচে তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি

    Nadia: মঞ্চে বসে রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ মহুয়া মৈত্র, নীচে তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সভায় তৃণমূলে গোষ্ঠীকোন্দল প্রকাশ্যে চলে এল। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) চাপ়়ড়ায়। প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের সামনেই কর্মী সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরে, পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। দলীয় সভায় এভাবে কর্মীদের মধ্যে মারামারি করতে দেখে সাধারণ মানুষ নিজেদের মধ্যে হাসাহাসি করতে শুরু করেন। শাসক দলের কোন্দলের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

    বুধবার নদিয়ার (Nadia) চাপড়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের এক বিশাল কর্মীসভার আয়োজন করা হয়। আগামী ১০ তারিখ তৃণমূল সুপ্রিমো  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে জনগর্জন সভার প্রস্তুতি হিসেবে সভার আয়োজন করা হয়। তবে, ছন্দ কাটল কর্মী সমর্থকদের মধ্যে মঞ্চে ওঠা নিয়ে। এদিনের এই কর্মী সভায় উপস্থিত ছিলেন কৃষ্ণনগরের প্রাক্তন সাংসদ মহুয়া মৈত্র , তৃণমূল বিধায়ক রূকবানুর রহমান, নদিয়া জেলার সভাধিপতি তারান্নুম সুলতানা মীর, সহ- সভাধিপতি সজল সাহা সহ একাধিক তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী সমর্থকেরা। তখনই এক গোষ্ঠীর সঙ্গে চাপড়ার তৃণমূল নেতা জেবের শেখ অনুগামীদের মধ্যে বচসা শুরু হয়ে যায়। পরে, ধস্তাধস্তি বাধে। গন্ডগোলের কারণে সভার কাজকর্ম বন্ধ হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে, দলীয় সভার কাজ শুরু হয়।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এ বিষয়ে বিধায়ক রূকবানুর রহমান বলেন, তৃণমূলে কোনও গোষ্ঠী কোন্দল নেই, যা হয়েছে সেটা দলে থাকলে একটু আধটু হয়। কেউ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ে। তবে সেটা আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে মিটিয়ে নেব। সভা মঞ্চ থেকে মহুয়া মৈত্র বিজেপি আক্রমণ করেন। তবে, এভাবে প্রকাশ্যে দলীয় কোন্দলের বিষয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তবে, দলের দুই গোষ্ঠীর হাতাহাতি দেখে তিনি ক্ষুব্ধ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mohua Moitra: ‘‘সংসদের লগ-ইন আইডি হীরানন্দানিকে দিয়েছিলাম’’, কার্যত অভিযোগ স্বীকার মহুয়ার

    Mohua Moitra: ‘‘সংসদের লগ-ইন আইডি হীরানন্দানিকে দিয়েছিলাম’’, কার্যত অভিযোগ স্বীকার মহুয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টাকার বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের (Mohua Moitra) বিরুদ্ধে। অভিযোগ, কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদদের যাবতীয় প্রশ্নই নাকি সাজিয়ে দিতেন দুবাইয়ের ব্যবসায়ী দর্শন হীরানন্দানি। এবার এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ কার্যত মেনেও নিলেন মহুয়া মৈত্র। ওই সাক্ষাৎকারে সংসদের লগ-ইন আইডি এবং পাসওয়ার্ড কেন তিনি দর্শন হীরানন্দানিকে দিয়েছিলেন তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত, সংসদের এথিক্স কমিটি বর্তমানে মহুয়া (Mohua Moitra) ইস্যুতে তদন্ত করছে। এথিক্স কমিটির সামনে তাঁর হাজির হওয়ার কথা আগামী ৩১ অক্টোবর।

    কী বললেন তৃণমূল সাংসদ? 

    মহুয়া মৈত্র (Mohua Moitra) জানিয়েছেন, দুবাইকেন্দ্রিক ব্যবসায়ী দর্শন হীরানন্দানি তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু। লোকসভায় কোন কোন প্রশ্ন তিনি উত্থাপন করবেন তা হীরানন্দানির অফিসের কোনও এক কর্মী টাইপ করে পাঠাতেন। এজন্যই তিনি লগ-ইন আইডি দিয়েছিলেন বলে দাবি সাংসদের। মহুয়ার ভাষায়, “সংসদের ওয়েবসাইটে আমি যে প্রশ্নগুলি দিয়েছিলাম, দর্শন হিরানন্দানির অফিসের কেউ প্রশ্নগুলি টাইপ করে দিয়েছিল। প্রশ্নগুলি টাইপ করার পর আমায় ওরা ফোন করত, আমি প্রশ্নগুলির উপরে এক নজর বুলিয় নিতাম কারণ নিজের কেন্দ্র নিয়ে আমি সবসময় ব্যস্ত থাকি। প্রশ্নগুলি ইমেইলে পাঠানোর পর আমার মোবাইলে ওটিপি আসত। আমি ওই ওটিপি দিলে তবেই প্রশ্নগুলি জমা করা যেত। তাই, দর্শনের আমার আইডিতে ঢুকে নিজের মনগড়া প্রশ্ন লিখে দেওয়ার দাবি অত্যন্ত হাস্যকর।”

    আদানি ইস্যুতে প্রশ্ন সাজাতেন হীরানন্দানি

    বিজেপির দাবি এখনও দর্শন হিরানন্দানির সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে মহুয়া মৈত্রর। দুবাইয়ের ব্যবসায়ীকে প্রভাবিত করে তথ্য প্রমাণ নষ্টও করা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে গেরুয়া শিবির। প্রসঙ্গত, অর্থ এবং উপহারের বিনিময়ে সাংসদের প্রশ্ন করার বিষয়টি নিজের দেওয়া হলফনামায় স্বীকারও করে নেন দুবাইকেন্দ্রিক ব্যবসায়ী দর্শন হিরানন্দানি। জানা গিয়েছে, আদানি ইস্যু নিয়ে সংসদে যে ৬৩টি প্রশ্ন করেছিলেন মহুয়া মৈত্র (Mohua Moitra), তার মধ্যে ৫০টি প্রশ্নই দর্শন হীরানন্দানির সাজিয়ে দেওয়া ছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Nadia: অনুব্রতর হাল দেখেও শিক্ষা হয়নি! নিমপাতা দিয়ে ভোট করানোর হুমকি দিলেন মহুয়া

    Nadia: অনুব্রতর হাল দেখেও শিক্ষা হয়নি! নিমপাতা দিয়ে ভোট করানোর হুমকি দিলেন মহুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার কাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডল এখন তিহার জেলে রয়েছে। কিন্তু, তাঁর বুলি এখনও আওড়াচ্ছেন তৃণমূল নেতারা। এক সময় ভোটের আগে বীরভূমে ‘নকুলদানা’, ‘গুড়-বাতাসা’ আর ‘চড়াম চড়াম’-এর দাওয়াই দিয়েছিলেন কেষ্ট। সেই বুলি এবার শোনা গেল নদিয়ার (Nadia) প্রাক্তন সাংসদ মহুয়া মৈত্রের মুখে।

    নিমপাতা-র দাওয়াই দিলেন মহুয়া (Nadia)

    সংসদ থেকে বহিষ্কৃত মহুয়ার ওপরে আস্থা রেখে তাঁকে ফের প্রার্থী করা হবে নদিয়ায় (Nadia) এসে ঘোষণা করে গিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দল এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা না করলেও মহুয়াই ফের কৃষ্ণনগর কেন্দ্রে প্রার্থী হচ্ছেন ধরে নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করেছে জেলা তৃণমূল। মহুয়া বিভিন্ন এলাকায় কর্মিসভাও করছেন। প্রকাশ্যে আসা ওই অডিও ক্লিপে তাঁকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘যে করেই হোক বাড়ি-বাড়ি গিয়ে ভোটটা এ বার করতে হবে। এ বার কিন্তু যেখানে মধু দিয়ে, যেখানে নিমপাতা দিয়ে ভোটটা করতে হবে। সিম্পল কথা। প্রশাসনিক ব্যাকআপ আপনারা হান্ড্রেট পারসেন্ট পাবেন। এই কথা আমি দিয়ে যাচ্ছি।’ আর, জেলা প্রশাসনের ‘ব্যাকআপ’ প্রসঙ্গে নদিয়ার জেলাশাসক এস অরুণ প্রসাদ কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির কিষাণ মোর্চার রাজ্য সভাপতি মহাদেব সরকার বলেন, “সংসদ থেকে বহিষ্কৃত হয়েও ওঁর শিক্ষা হয়নি। নিমপাতা বলতে উনি কী বোঝাতে চাইছেন সেটা সকলেই পরিষ্কার বুঝতে পারছে। আসলে জনমত বিপক্ষে রয়েছে বুঝতে পেরে এভাবে হুমকি দিচ্ছেন। উনি তো আসলে লেডি অনুব্রত!” তৃণমূলের কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক জেলা চেয়ারম্যান রুকবানুর রহমানের দাবি, এমন কোনও অডিও ক্লিপের কথা আমাদের জানা নেই। যদি তেমন কিছু আমার কাছে আসে তা হলে বিষয়টি নিয়ে মহুয়ার সঙ্গে কথা বলব।”  সিপিএম নেতা সুমিত বিশ্বাস বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে নির্বাচন কমিশনের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mahua Moitra: গোপনে ফোনে নজরদারি! মহুয়ার বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের দ্বারস্থ প্রাক্তন বন্ধু

    Mahua Moitra: গোপনে ফোনে নজরদারি! মহুয়ার বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের দ্বারস্থ প্রাক্তন বন্ধু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা থেকে তৃণমূলের বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে এবার ফোনে নজরদারির অভিযোগ! মহুয়ার বিরুদ্ধে সিবিআই ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে নালিশ জানালেন তাঁর একসময়ের বয়ফ্রেন্ড জয় অনন্ত দেহদ্রাই। জয় অনন্তের অভিযোগ, ‘পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কয়েকজন শীর্ষকর্তার সঙ্গে মিলে ষড়যন্ত্র করে তাঁর ব্যক্তিগত গতিবিধির উপর নজর রাখছেন মহুয়া।’

    মহুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ

    সিবিআই ডিরেক্টর প্রবীণ সুদের কাছে চিঠি লিখে জয় অনন্ত দেহদ্রাই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে তাঁর ফোনে বেআইনি ভাবে আড়িপাতা হতে পারে বা নজরদারি চালানো হচ্ছে। বাংলার পুলিশের পদস্থ কর্তাদের কাজে লাগিয়ে মহুয়া এসব করছেন। এমনকী, তাঁর ফোন নম্বরের উপরেও নজরদারি করা হচ্ছে। তিনি কোথায় থাকছেন সেটারও খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। এমনকী, দেহাদ্রাই কার সঙ্গে কথা বলছেন তার কল ডিটেলসও সংগ্রহ করছেন মহুয়া মৈত্র। এনিয়ে তিনি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। ইতিমধ্যেই, ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্নকাণ্ডে মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) সাংসদ পদ খারিজ হয়ে গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: রোগীকে আইসিইউতে ভর্তি করানো নিয়ে নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক

    আগেও এই কাজ করেছেন মহুয়া

    জয়ের আরও দাবি, মহুয়া (Mahua Moitra) আগে একাধিকবার তাঁর কাছে স্বীকার করেছিলেন যে, সুহান মুখোপাধ্যায় বলে তাঁর এক প্রাক্তন বয়ফ্রেন্ড ছিল। তাঁর উপরেও নজরদারি চালাতেন মহুয়া। কারণ তাঁর সন্দেহ হত কোনও জার্মান মহিলার সঙ্গে গোপনে সম্পর্ক রাখতেন সুহান। জয় অনন্তের দাবি, সেই কল ডিটেল রেকর্ড তাঁকে হোয়াটসঅ্যাপে শেয়ার করেছিলেন মহুয়া। সেই সব হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের স্ক্রিনশটও সিবিআইয়ের কাছে পেশ করেছেন জয় অনন্ত। তাঁর অভিযোগ, মহুয়া তাঁর ক্ষমতা অপব্যবহার করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের মাধ্যমে নজরদারি চালানোর কাজ আগেও করেছেন। তাঁর আশঙ্কা যে তাঁর ফোনেও আড়ি পাতা হচ্ছে বা নজরদারি চালানো হচ্ছে। এমনকি তাঁর গাড়ি ফলো করা হচ্ছে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share