Tag: Mohun Bagan

Mohun Bagan

  • Durand Cup 2026: লাল-হলুদ ঝড়ে ডুবে গেল নৌকা! ২২ বছর পর ডুরান্ড চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল, হ্যাটট্রিক এডমুন্ডের

    Durand Cup 2026: লাল-হলুদ ঝড়ে ডুবে গেল নৌকা! ২২ বছর পর ডুরান্ড চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল, হ্যাটট্রিক এডমুন্ডের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  লাল-হলুদের দুরন্ত ঝড়ে কার্যত উড়ে গেল সবুজ-মেরুন নৌকা। ডুরান্ড কাপের (Durand Cup 2026) ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গলের কাছে ৪-১ গোলে হারল মোহনবাগান। গোটা ম্যাচেই ইস্টবেঙ্গলের সামনে সেভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি সবুজ-মেরুন। এডমুন্ড লালরিন্দিকার হ্যাটট্রিকই হল ইস্টবেঙ্গলের জয়ের মূল। ২০২৩ সালের পর আবার ৩ বছর পর ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মুখোমুখি ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান। ফাইনালে শেষ সাক্ষাতে জিতেছিল মোহনবাগান। গোল করেছিলেন বাগানের দিমিত্রি পেত্রাতোস। এই বছরেও ডুরান্ড কাপ শুরু হয়েছিল ডার্বি ম্যাচ দিয়েই। সেই ম্যাচে ১-০ জিতেছে সবুজ-মেরুন। গোল করেছিলেন সাহাল আব্দুল সামাদ। কিন্তু এই রবিবাসরীয় সন্ধ্যা ছিল লাল হলুদের। গ্যালারি জুড়ে জ্বলছিল মশাল।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর অভিনন্দন-বার্তা

    ডুরান্ড কাপ ২০২৬ জেতার জন্য ইস্টবেঙ্গলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং কলকাতায় মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ফাইনালে দলটির দৃঢ়সংকল্প, দলগত প্রচেষ্টা ও পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেছেন। সিং বলেন, এই জয় ভারতীয় ফুটবলের প্রকৃত স্পিরিটকে তুলে ধরেছে এবং এতে এডমন্ড লালরিন্দিকার হ্যাটট্রিক ও দলের নিখুঁত নৈপুণ্য বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, যা ইস্ট বেঙ্গলকে ২২ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এই মর্যাদাপূর্ণ শিরোপা জিততে সাহায্য করেছে। এদিন ডুরান্ড ফাইনাল দেখতে মাঠে উপস্থিত ছিলেন রাজনাথ। ম্যাচ শেষে তিনি ফুটবলারদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

    প্রথম ২২ মিনিটেই খেলা শেষ

    মোহনবাগানকে ৪-১ ব্যবধানে চূর্ণ করে ২২ বছর পর ডুরান্ড কাপ জিতল ইস্টবেঙ্গল। গ্রুপ পর্বে এই মোহনবাগানের কাছেই হারতে হয়েছিল। তার মধুর প্রতিশোধ নিলেন হাবাস। মোহনবাগানের কোচ হিসাবে অতীতে বহু বার হারিয়েছেন ইস্টবেঙ্গলকে। এ বার লাল-হলুদের কোচ হিসাবে মস্তিষ্কের যুদ্ধে দাপটে জিতে হাবাস বুঝিয়ে দিলেন, আইএসএলের লিগ-শিল্ড জেতার পরেও তাঁকে ছেড়ে কতটা ভুল করেছে মোহনবাগান। প্রতিটি গোলের পর তাঁর উল্লাস বুঝিয়ে দিয়েছে, মোহনবাগানকে মুখের উপর জবাব দিয়েছেন। ফাইনাল ম্যাচ। তার উপর ডার্বি। সেখানে কোনও দল যদি ২২ মিনিটেই ৩-০ গোলে এগিয়ে যায়, তা হলে সেই ম্যাচের আর কী-ই বা পড়ে থাকে! এ দিন ইস্টবেঙ্গল প্রথম ২২ মিনিটেই ম্যাচ শেষ করে দিল। এডমুন্ডের জোড়া গোল, বিপিন সিং-এর গোলে ম্যাচ শুরুতেই পকেটে পুরে নিল তারা। মাঝে মনবীর সিং একক প্রয়াসে একটি গোল শোধ করলেন। তবে প্রথমার্ধের মধ্যেই একক দক্ষতায় গোল করে হ্যাটট্রিক পূরণ করলেন এডমুন্ড।

    এডমুন্ডই সেরার সেরা

    সামনে মোহনবাগানকে দেখলেই জ্বলে ওঠেন তিনি। রবিবারের পর থেকে তিনি যে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের চোখের মণি হয়ে উঠবেন, তা বলাই বাহুল্য। ২৯ বছর পর ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে কোনও ফুটবলার ডার্বিতে হ্যাটট্রিক করলেন। ইস্টবেঙ্গলের প্রথম এবং একমাত্র ফুটবলার হিসাবে এত দিন এই নজির ছিল বাইচুং ভুটিয়ার। ১৯৯৭-এর সেই ঐতিহাসিক ফেডারেশন কাপে হ্যাটট্রিক করেছিলেন তিনি। তার পর এডমুন্ডই হ্যাটট্রিক করলেন। মিজোরামের লুংলেই গ্রামে জন্ম এডমুন্ডের। ভারতীয় দলের নিয়মিত সদস্য তিনি। ডুরান্ডে দুরন্ত ফুটবল উপহার দিয়ে ৩ লক্ষ টাকার আর্থিক পুরস্কার পেলেন এডমুন্ড। ডুরান্ড কাপ রানার্স হওয়ার ফলে ৬০ লক্ষ টাকা পুরস্কার পেল মোহনবাগান। চ্যাম্পিয়ন হয়ে ইস্টবেঙ্গল পেল ১ কোটি ২১ লক্ষ টাকা।

    • গোল্ডেন গ্লাভস – বিশাল কাইথ (মোহনবাগান সুপারজায়ান্ট)
    • গোল্ডেন বুট – আলাদিন আজারাই (নর্থইস্ট ইউনাইটেড)। ৯ গোল করেছেন আলাদিন।
    • গোল্ডেন বল – এডমুন্ড (ইস্টবেঙ্গল)
  • ISL Champion East Bengal: ঐতিহাসিক জয়! প্রথমবার আইএসএল চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গলকে অভিনন্দন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    ISL Champion East Bengal: ঐতিহাসিক জয়! প্রথমবার আইএসএল চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গলকে অভিনন্দন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফুটবল মানেই বাংলা, আর বাংলা মানেই ফুটবল। প্রথমবার আইএসএল চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল (ISL Champion East Bengal) ক্লাবকে শুভেচ্ছা বার্তায় লিখলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ২২ বছর পর ফের ভারতসেরা হয়েছে লাল হলুদ শিবির। শুধু ইস্টবেঙ্গল ক্লাবই নয়। খেতাব জিততে না পারলেও রানার্স আপ হয়েছে গঙ্গা পাড়ের কলকাতার আরও একটি ঐতিহ্যশালী ক্লাব মোহনবাগান সুপারজায়ান্টস। বাংলার দুটো সেরা ক্লাবকেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। যোগ্য দল হিসেবে ভারতসেরা হয়েছে ইস্টবেঙ্গল। কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে পিছিয়ে পড়েও ইন্টার কাশীকে ২-১ গোলে হারিয়ে অবশেষে স্বপ্নপূরণ হল লাল-হলুদ শিবিরের।

    মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বার্তা

    নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেন্দু অধিকারী লিখেছেন, ‘‘ঐতিহাসিক জয়! ইস্টবেঙ্গল এফসি-কে ভারতীয় সুপার লিগ (ISL) চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আজকের এই গৌরবময় মুহূর্ত শুধু ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের নয়, সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ তথা বিশ্বের অসংখ্য ফুটবলপ্রেমী বাঙালির জন্য গর্বের। বাংলার সমৃদ্ধ ফুটবল ঐতিহ্য আজ এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছে। টিমের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ এবং ক্লাব কতৃপক্ষের নিষ্ঠা, পরিশ্রম ও লড়াইয়ের মানসিকতাই এই দুরন্ত সাফল্যের চাবিকাঠি। একইসঙ্গে মোহনবাগানকেও আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। সমান পয়েন্ট নিয়ে দুর্দান্ত লড়াই করেও গোল পার্থক্যের কারণে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করেছে তারা। সবুজ-মেরুন ব্রিগেডও বাংলার ফুটবল গৌরবকে সমানভাবে উজ্জ্বল করেছে। ফুটবল মানেই বাংলা, আর বাংলা মানেই ফুটবল। দুই প্রধান দলই আজ বাংলার সম্মান আরও বাড়িয়ে দিল।’’

    চ্যাম্পিয়নের দৌড়

    অবশেষে ২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। ইন্টার কাশীকে ২-১ গোলে হারিয়ে আইএসএল চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল। ১৪ মিনিটে ইন্টার কাশীকে এগিয়ে দেন আলফ্রেড। প্রথমার্ধে পিছিয়েই ছিল ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে খোঁচা খাওয়া বাঘের মতো ফিরে আসে অস্কার বাহিনী। ৪৯ মিনিটে সমতা ফেরান ইউসেফ। ৭২ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান মহম্মদ রশিদ। ১৩ ম্যাচে ২৬ পয়েন্ট নিয়ে আইএসএল চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল। ইস্টবেঙ্গলের পাশাপাশি মোহনবাগানেরও সুযোগ ছিল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার। তার জন্য ইস্টবেঙ্গলকে পয়েন্ট নষ্ট করতে হত। পাশাপাশি জিততে হত বাগানকে। যুবভারতীতে এসসি দিল্লির বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত জিতল মোহনবাগান। গোল করলেন মনবীর সিংহ ও জেমি ম্যাকলারেন। ইস্টবেঙ্গলের মতোই ২-১ গোলে জিতল বাগান। দু’দলই ১৩ ম্যাচে ২৬ পয়েন্টে শেষ করল। কিন্তু গোলপার্থক্যে এগিয়ে থাকায় জিতল ইস্টবেঙ্গল। মহমেডানের বিরুদ্ধে ৭-০ গোলে জেতার সুবিধা পেল তারা। সমান পয়েন্ট পেয়েও দ্বিতীয় স্থানে শেষ করল গত দু’বারের চ্যাম্পিয়নেরা। পঞ্জাব এফসিকে ২-০ গোলে হারিয়ে তিন নম্বরে শেষ করল মুম্বই সিটি এফসি। লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে সোনার বুট জিতলেন ইস্টবেঙ্গলেরই ইউসেফ এজ্জেজারি।

  • Tutu Basu Died: অভিভাবকহীন সবুজ-মেরুন! প্রয়াত মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি টুটু বসু

    Tutu Basu Died: অভিভাবকহীন সবুজ-মেরুন! প্রয়াত মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি টুটু বসু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ক্রীড়াপ্রশাসনের জগতে নক্ষত্র পতন। প্রয়াত মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি স্বপনসাধন বসু (Tutu Basu Died)। ময়দানে যাঁর পরিচিতি টুটু বসু নামে। মঙ্গলবার গভীর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। সোমবার সন্ধ্যায় হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন বর্ষীয়ান ক্রীড়া প্রশাসক। দক্ষিণ কলকাতার একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল তাঁকে। ভেন্টিলেশনে ছিলেন। মঙ্গলবার তাঁকে হাসপাতালে দেখতে যান রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। সঙ্গে ছিলেন সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কল্যাণ চৌবে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও টুটুবাবুর খোঁজ নিয়েছিলেন।

    মোহনবাগান আর টুটু বসু

    মোহনবাগান ক্লাব (Mohunbagan Ex President Tutu Basu) এবং টুটু বসু সমার্থক। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত তিনি মোহনবাগানের সচিব ছিলেন। ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিনি সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালে ফের তিনি সচিব নির্বাচিত হন। দায়িত্ব সামলেছিলেন দু’বছর। এরপর ২০২০-২২ এবং ২০২২-২০২৫, দু’দফায় ফের তিনি সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। গত বছর মোহনবাগানের নির্বাচনের আগে তিনি সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। শারীরিক কারণে বর্তমানে কোনও আনুষ্ঠানিক পদে থাকেননি তিনি। অঞ্জন মিত্রের সঙ্গে তাঁর ‘জুটি’ ময়দানের মিথ হয়ে আছে।

    আধুনিক মোহনবাগান তাঁর হাতেই

    টুটু বসুর হাত ধরেই মোহনবাগান ক্লাবে একের পর এক ইতিহাস তৈরি হয়। তার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য শিল্পপতি সঞ্জীব গোয়েন‌্কার হাতে ক্লাবের মালিকানা তুলে দেওয়া। মোহনবাগানের নামের আগে তখন যুক্ত হয় ‘এটিকে’। তা নিয়ে বিতর্ক কম হয়নি। তারও আগে তিনি মোহনবাগান ক্লাবে আরও এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেন। যে সবুজ-মেরুনে কখনও বিদেশি ফুটবলার খেলতে দেখা যায়নি, সেখানেই চিমা ওকেরিকে সই করিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন টুটু। চিমাই মোহনবাগানের প্রথম বিদেশি। তাঁর পুত্র সৃঞ্জয় এখন মোহনবাগানের সচিব পদে রয়েছেন। ফুটবল প্রশাসক ছাড়াও একাধিক পরিচয় ছিল টুটু বসুর। তিনি রাজ্যসভায় সাংসদ ছিলেন। একই সঙ্গে ব্যবসায়ী এবং সংবাদপত্রের মালিকও।

    অভিভাবক-হারা মোহনবাগান

    জানা গিয়েছে, বুধবার সকাল ৮ টায় তাঁর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে তাঁর বালিগঞ্জের বাসভবনে। সেখান থেকে খিদিরপুর ক্লাব, ভবানীপুর ক্লাব হয়ে মোহনবাগান ক্লাবে। সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ মোহনবাগানে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য জানানো হবে। দুপুর ২.৩০ মিনিট পর্যন্ত ক্লাবেই থাকবে মরদেহ। এরপর বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ কেওড়াতলা মহাশ্মশানে শেষকৃত্য হবে টুটু বসুর। পরিবারের তরফে এই খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। গত বছর মোহনবাগান দিবসের শ্রেষ্ঠ আকর্ষণ ছিলেন টুটু বসুই। তিনি প্রশাসক থাকাকালীন ‘মোহনবাগান রত্ন’ দেওয়া শুরু হয়। সেই সম্মানই গত বছর তুলে দেওয়া হয়েছিল টুটুর হাতে। মোহনবাগান ভক্ত এবং ফুটবল অনুরাগীদের মনে টুটুই ছিলেন সবুজ-মেরুনের অভিভাবক। এখন অভিভাবক-হারা মোহনবাগান।

     

     

     

     

  • Mohun Bagan: সাক্ষী ঋষভ পন্থ, জামশেদপুরকে ২-০ গোলে হারিয়ে আইএসএল ফাইনালে মোহনবাগান

    Mohun Bagan: সাক্ষী ঋষভ পন্থ, জামশেদপুরকে ২-০ গোলে হারিয়ে আইএসএল ফাইনালে মোহনবাগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, মঙ্গলবার ইডেনে যিনি প্রতিপক্ষ, সোমবার সন্ধ্যায় তাঁর জন্যই গলা ফাটাল কলকাতাবাসী। তিনি সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। আইপিএলে লখনউ সুপার জায়ান্টস-এর মালিক। কিন্তু ফুটবল ময়দানে তো মোহনবাগান সুপার জায়ান্টসের কর্ণধার। আর কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের রক্তে সবুজ-মেরুন। আইএসএল (ISL 2024-25) সেমিফাইনালের প্রথম পর্বে জামশেদপুরের বিরুদ্ধে ১-২ পিছিয়ে থাকায় সোমবার মোহনবাগানকে (Mohun Bagan) জিততেই হত। অন্তত এক গোলের ব্যবধানে। তার বেশি হলে সরাসরি ফাইনালে ওঠার সুযোগ না হলে টাইব্রেকার। তাই আক্রমণ করা ছাড়া আর কোনও পথ ছিল না জেমি ম্যাকলারেনদের কাছে। তার ফল প্রথম পর্বে ১-২ গোলে পিছিয়ে থেকেও দ্বিতীয় পর্বে ২-০ গোলে জিতে মোহনবাগান পৌঁছে গেল আইএসএল কাপের ফাইনালে।

    যুবভারতীতে ঋষভ পন্থ

    গত মরসুমে ইডেনে সবুজ মেরুন জার্সিতেই নেমেছিল লখনউ। তেমনই গত বারও মোহনবাগানের (Mohun Bagan) ম্যাচ দেখতে গিয়েছিলেন লখনউ ক্রিকেটাররা। এ দিন যুবভারতীতে মোহনবাগান ম্যাচে সঞ্জীব গোয়েঙ্কার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন লখনউ ক্যাপ্টেন ঋষভ পন্থ। মোহনবাগানের প্রত্যাবর্তন দেখলেন। জামশেদপুরে মোহনবাগান এক গোলে পিছিয়ে পড়লেও সমতা ফিরিয়েছিল। শেষ অবধি ১-২ ব্যবধানে হারে। এ দিন ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলশূন্য। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে জেসন কামিংসের পেনাল্টি গোলে এগিয়ে যায় সবুজ মেরুন। এগ্রিগেট দাঁড়ায় ২-২। ফলে আরও এক গোলের প্রয়োজন। নয়তো ম্যাচ অতিরিক্ত সময়, টাই ব্রেকারে গড়াত। ম্যাচের ইনজুরি টাইমে রালতের অনবদ্য গোল। ম্যাচ ২-০ ব্যবধান এবং দুই লেগ মিলিয়ে ৩-২ এগ্রিগেটে আইএসএল ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে মোহনবাগান।

    সমর্থকদের দুঃখ ভুলিয়ে ফাইনালে মোহনবাগান

    সোমবার ম্যাচের প্রথম মিনিট থেকে আক্রমণ শুরু করলেও মোহনবাগানকে (Mohun Bagan) গোল পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হল ৫১ মিনিট পর্যন্ত। কামিংস পেনাল্টি থেকে গোল করে এগিয়ে দেন দলকে। বক্সের মধ্যে বল হাতে লাগিয়েছিলেন প্রণয় হালদার। যে কারণে পেনাল্টি পেয়ে যায় মোহনবাগান। সেখান থেকে গোল করতে ভুল করেননি কামিংস। কামিংসের সেই গোল যদিও মোহনবাগানের ফাইনালে যাওয়া নিশ্চিত করতে পারেনি। সেটা করলেন আপুইয়া। ৯৪ মিনিটের মাথায় গোল করেন তিনি। ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছিল, সেই সময় গোল করে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেন মোহনবাগানের মিজ়ো ফুটবলারটি। বক্সের বেশ খানিকটা বাইরে থেকে বাঁক খাওয়ানো শটে বল জালে জড়িয়ে দেন আপুইয়া। সেই সঙ্গে গোটা যুবভারতী জুড়ে শুরু হয়ে যায় উৎসব। বাজি, আবির এবং চিৎকারের ভরে যায় সবুজ-মেরুন গ্যালারি। মোহনবাগান সমর্থকদের জামশেদপুরে মার খেতে হয়েছিল। ম্যাকলারেনরা বলেছিলেন, মাঠেই জবাব দেবেন। দলকে ফাইনালে তুলে সমর্থকদের দুঃখ ভোলালেন। আইএসএল (ISL 2024-25)  লিগ জয়ের পর এবার কাপ ফাইনালে মোহনবাগান। বিপক্ষে সুনীল ছেত্রীর বেঙ্গালুরু এফসি।

  • ISL Kolkata Derby: শনিবার বড় ম্যাচ, প্রস্তুতি তুঙ্গে! ফিরতি লেগে কবে মুখোমুখি মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল?

    ISL Kolkata Derby: শনিবার বড় ম্যাচ, প্রস্তুতি তুঙ্গে! ফিরতি লেগে কবে মুখোমুখি মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্ডিয়ান সুপার লিগের কলকাতা ডার্বির অপেক্ষায় ফুটবলপ্রেমীরা। শনিবার বড় ম্যাচে মুখোমুখি মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল। আইএসএল-এর চলতি মরসুমে এখনও অবধি মুখোমুখি হয়নি মোহনবাগান (Mohun Bagan) ও ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। আইএসএলে (ISL) কলকাতা ডার্বির (Kolkata Derby) প্রথম ম্যাচের আগেই জানা গেল, এ মরসুমের দ্বিতীয় বড় ম্যাচের দিনক্ষণ। ২০২৫ সালের ১১ জানুয়ারি হবে আইএসএলের এ মরসুমের দ্বিতীয় কলকাতা ডার্বি। ফিরতি লেগে বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে হবে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গলের বড় ম্যাচ।

    দুই দলের প্রস্তুতি

    চলতি আইএসএল-এ মোহনবাগানের পারফরম্যান্স ওঠা-নামা করলেও অনেকটা গুছিয়ে নিতে পেরেছে তারা। চোট সারিয়ে দলের সঙ্গে পুরোদমে অনুশীলন করছেন আলবার্তো রডরিগেজ। ডার্বির আগে রাগবি বল নিয়ে খেলায় মাতলেন জেমি, দিমিরা। কোচ মোলিনা ছক কষছেন ডার্বি জয়ের। বড় ম্যাচ জিতে পায়ের তলার মাটি শক্ত করতে চান মোলিনা। অন্যদিকে, ইন্ডিয়ান সুপার লিগের এ মরসুমে ৪ ম্যাচে ৪টে-তেই হার ইস্টবেঙ্গলের। বড় ম্যাচ জিতে ঘুরে দাঁড়ানোর সংকল্প ক্লেটন, ক্রেসপোদের। ডার্বি জিতে হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার আশায় সৌভিক, তালালরা।

    পয়েন্ট টেবলে কে কোথায়

    ইন্ডিয়ান সুপার লিগের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এ বছরের ৩০ ডিসেম্বরের পরবর্তী আইএসএল সূচি ইতিমধ্যেই ঘোষণা করা হয়েছে। ইন্ডিয়ান সুপার লিগের চলতি মরসুমে পয়েন্ট টেবলের শীর্ষে রয়েছে বেঙ্গালুরু এফসি। তাদের পয়েন্ট ১০। ৯ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে পঞ্জাব এফসি। তিনে জামশেদপুর এফসি। ৭ পয়েন্ট নিয়ে চার নম্বরে মোহনবাগান। ৪ পয়েন্ট নিয়ে ১০ নম্বরে মহমেডান। আর ৪টি ম্যাচ খেলে ৪টিতেই হেরে শূন্য ঝুলি লাল-হলুদের। পয়েন্ট টেবলের ১৩ নম্বরে রয়েছে ইস্টবেঙ্গল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amitabh Bachchan: ইস্টবেঙ্গল নাকি মোহনবাগান! জানেন কাকে বেশি পছন্দ অমিতাভ বচ্চনের?

    Amitabh Bachchan: ইস্টবেঙ্গল নাকি মোহনবাগান! জানেন কাকে বেশি পছন্দ অমিতাভ বচ্চনের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সবুজ-মেরুনই তাঁর পছন্দের ক্লাব। বাংলার জামাই হিসেবে গর্বিত বচ্চন সাবের প্রিয় ফুটবল ক্লাবও মোহনবাগান। ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’র (Kaun Banega Crorepati 16) ষোড়শতম সিজন নিয়ে এই মুহূর্তে ব্যস্ত অমিতাভ (Amitabh Bachchan)। সেই সেটেই এক প্রতিযোগীর প্রশ্নের উত্তরে নিজের পছন্দের কথা জানালেন অমিতাভ। 

    মোহনবাগান-ই আবেগ

    ভারতের শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী ফুটবল ক্লাব মোহনবাগান। (Mohun Bagan) আর সবুজ-মেরুনের ফ্যান স্বয়ং অমিতাভ বচ্চন (Amitabh Bachchan)! একাধিকবার প্রকাশ্যে সেকথা বলেছেন বলিউড শাহেনশা। সম্প্রতি বিগ বি তাঁর সিগনেচার শো ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’-র (Kaun Banega Crorepati 16) হট-সিটে বসেও বলেছেন যে, মোহনবাগানই তাঁর সবচেয়ে প্রিয় টিম। ইস্টবেঙ্গল নাকি মোহনবাগান? এই প্রশ্নে চিরকাল দ্বিধাবিভক্ত বাঙালি। ইলিশ-চিংড়ি কোনও কোনও বাঙালির এই দুই মাছই প্রিয় তবে ইস্টবেঙ্গল না মোহনবাগান তা নিয়ে বরাবর বিতর্ক বঙ্গসমাজে। বলিউডের ‘শাহেনশা’ হিসেবে প্রতিপত্তি থাকলেও, কলকাতায় দীর্ঘ সময় কাটিয়েছেন অমিতাভ (Amitabh Bachchan)। বিবাহসূত্রে আবার বাঙালির জামাইও তিনি। তাই চিরাচরিত প্রশ্ন থেকে রক্ষা পেলেন না তিনিও। কলকাতায় থাকাকালীন অমিতাভ ফুটবল নিয়ে এই উন্মাদনার সাক্ষী থেকেছেন বলেই মনে করছেন তাঁর অনুরাগীরা। 

    আরও পড়ুন: শুরুতেই জোটে ঘোঁট! ওমরের মন্ত্রিসভায় যোগ দিচ্ছে না কংগ্রেস, কী কারণ?

    সম্প্রতি অনুষ্ঠান (Kaun Banega Crorepati 16)  চলাকালীন হুগলি নিবাসী বাঙালি যুবক বাচ্চু সাঁতরার সঙ্গে আলাপচারিতা সারেন অমিতাভ (Amitabh Bachchan)। ক্রিকেট ভাল লাগে বলে অমিতাভকে জানান বাচ্চু। এতে অমিতাভ জানতে চান, বাচ্চু কখনও ফুটবল খেলেছেন কি না। নিজেই জানান, বাঙালিদের ফুটবল নিয়ে এমন প্রশ্ন করাই উচিত নয়। কারণ বাঙালি মাত্রই ফুটবল খেলেছেন। তাই বাচ্চুর পছন্দের ক্লাব কোনটি জানতে চান অমিতাভ (Amitabh Bachchan)। জবাবে বাচ্চু জানান, মোহনবাগানের ভক্ত তিনি। এতে যারপরনাই খুশি হন অমিতাভ। বলেন, “আরে সাবাশ! আমিও মোহনবাগান সমর্থক।” অমিতাভ মোহনবাগানের সমর্থক জেনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন বাচ্চুও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durand Cup 2024: আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ মোহনবাগান সমর্থকদের, ডুরান্ড চ্যাম্পিয়ন নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড

    Durand Cup 2024: আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ মোহনবাগান সমর্থকদের, ডুরান্ড চ্যাম্পিয়ন নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নর্থইস্ট ইউনাইটেডের কাছে টাইব্রেকারে হেরে ডুরান্ড কাপ (Durand Cup 2024) হাতছাড়া হল মোহনবাগানের। অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসই কাল হল সবুজ মেরুন শিবিরের। প্রথমার্ধে এগিয়ে গিয়েও কোনও লাভ হল না। দ্বিতীয়ার্ধে আগাগোড়া ছন্নছাড়া ফুটবল খেলল মোহনবাগান (Mohun Bagan)। নির্ধারিত সময়ে খেলা ২-২ থাকার পর টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে জিতল পাহাড়ের দলটি। মোহনবাগানের লিস্টন কোলাসো এবং শুভাশিস বসুর শট বাঁচিয়ে নায়ক নর্থইস্ট ইউনাইটেডের গোলকিপার গুরমিত। এদিনও যুবভারতীতে আরজি কর কাণ্ডে বিচারের দাবি উঠল। রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী চোখ বন্ধ করে বসে রইলেন।

    ম্যাচের আগে প্রতিবাদ

    ডুরান্ড কাপ ফাইনালেও দেখা গেল আরজি কর-কাণ্ডের (RG Kar Incident) প্রতিবাদ। নর্থইস্ট ইউনাইটেডের (North East United) বিরুদ্ধে মোহনবাগানের ম্যাচের আগে প্রতিবাদে সামিল হলেন সমর্থকরা। তা-ও কিনা রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের সামনে। ব্যানারে দেখা গিয়েছে, ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানের দুই মহিলা সমর্থক প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। সঙ্গে লেখা ছিল, ‘হাতে হাত রেখে এ লড়াই, আমাদের বোনের বিচার চাই’। এর সঙ্গেই শনিবার আরও একটি ব্যানার দেখা যায়। মহিলাদের রাত দখলের কর্মসূচিতে যে পোস্টার তৈরি করা হয়েছিল, অনেকটা সেই ধাঁচেই ব্যানার তৈরি করা হয়। সঙ্গে লেখা, ‘তোর কোনও ভয় নেই বোন, আমরা প্রতিবাদ করতে জানি’।

    শুরু থেকেই দাপট

    ম্যাচের শুরু (Durand Cup 2024) থেকেই দাপট দেখায় মোহনবাগান। কামিন্সের পর সাহাল, প্রথমার্ধেই ২ গোলে এগিয়ে যায় মোহনবাগান। ম্যাচের প্রথম গোলটি হয় ৯ মিনিটের মাথায়। পেনাল্টিতে মোহনবাগানকে এগিয়ে দিলেন কামিন্স। বক্সের মধ্যে সাহালকে ফাউল করেন নর্থ ইস্ট ডিফেন্ডার। পেনাল্টি থেকে গোল করতে ভুল করেননি কামিন্স। প্রথমার্ধের সংযুক্তি সময়ে ফের গোল মোহনবাগানের। এবার নর্থ ইস্টের জালে বল জড়ালেন সাহাল। বাঁ প্রান্ত থেকে বল নিয়ে দ্রুত গতিতে এগিয়ে যান কোলাসো। বক্সে ঢুকে পাস দেন সাহালকে। সেখান থেকে জালে বল জড়িয়ে দেন সবুজ-মেরুনের ফুটবলার। 

    দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের রঙ বদল

    প্রথমার্ধেই ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ২-০ এগিয়ে যাওয়ায় ১৮ নম্বর ট্রফির স্বপ্ন উজ্জ্বল হতে শুরু করে সবুজ মেরুন শিবিরে। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে হঠাৎই খেলার রং বদল। ম্যাচের ৫৬ ও ৫৮ মিনিটে পরপর দু-গোল নর্থ ইস্ট ইউনাইটেডের। নির্ধারিত সময়ে ম্যাচের ফয়সালা না হওয়ায় ফাইনাল গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানেই বাজিমাত পাহাড়ের দলটির। নাটকীয় ফাইনালে টাইব্রেকারে মোহনবাগানকে (Mohun Bagan) হারিয়ে প্রথমবার ডুরান্ড কাপের ফাইনালে উঠেই চ্যাম্পিয়ন (Durand Cup 2024) হল নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড এফসি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RG Kar Incident: আরজি কর-কাণ্ডে উত্তাল যুবভারতী, সমর্থকদের গ্রেফতারি আটকে ‘নায়ক’ কল্যাণ চৌবে

    RG Kar Incident: আরজি কর-কাণ্ডে উত্তাল যুবভারতী, সমর্থকদের গ্রেফতারি আটকে ‘নায়ক’ কল্যাণ চৌবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গা থেকে পদ্মা পার, ঘটি-বাঙালের লড়াই, ইলিশ না চিংড়ি এ সব তর্ক এখন ঊর্ধ্বে। ডার্বির ময়দানে মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের গলায় একটাই স্বর, ‘বিচার চায় আরজি কর’। কাঁধে-কাঁধ মিলিয়ে সবুজ মেরুন বা লাল-হলুদ সমর্থকদের এক সুর ‘ডার্বি নিয়ে লড়াই নাই, আরজি করের বিচার চাই’। রবিবার যুবভারতীতে হওয়ার কথা ছিল ডুরান্ড ডার্বির। যদিও আরজি করে (RG Kar Incident) পড়ুয়া চিকিৎসকরে ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় উত্তপ্ত শহরে ডার্বি বাতিল করে দেয় পুলিশ। তবুও যুবভারতীর বাইরে প্রতিবাদের ঝড় তুলল ফুটবল প্রিয় বাঙালি। ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান, মহমেডান সমর্থকদের প্রতিবাদে চার ঘণ্টার বেশি অবরুদ্ধ হয়ে থাকল বাইপাস। আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ করতে গিয়ে খেতে হল পুলিশের লাঠি। সমর্থকদের বাঁচাতে এগিয়ে এলেন সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কল্যাণ চৌবে। সম্পূর্ণ নিজের উদ্যোগে ইস্ট-মোহন বা মহামেডান সমর্থকদের পুলিশের হাত থেকে বাঁচালেন কল্যাণ।

    সমর্থকদের পাশে কল্যাণ

    রবিবার যুবভারতী সংলগ্ন এলাকায় যখন দুই দলের সমর্থক ও পুলিশের মধ্য বচসা চলছে তখনই ঘটনাস্থলে পৌঁছন সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থার সভাপতি কল্যাণ চৌবে। কল্যাণ জানান,  সমর্থকদের দাবিকে সমর্থন জানাতেই তিনি সেখানে গিয়েছেন। পুলিশের ভূমিকার তীব্র নিন্দা করেন তিনি। কল্যাণ বলেন, ‘‘সমর্থকদের দাবিকে সমর্থন জানাতেই এখানে এসেছি। পুলিশ কী বলবে? যে ১০টা ছেলেকে তুলে নিয়ে গিয়েছি। কেন? তাঁরা ফুটবল খেলা দেখতে এসেছিলেন। ফুটবল খেলা দেখায় কী অপরাধ আছে? আমি পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছি। যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হবে। ফুটবল খেলা দেখার জন্য কাউকে অ্যারেস্ট হতে দিতে পারব না।’’ 

    স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ

    এদিন পুলিশের ভূমিকার বিরোধিতা করে ফেডারেশন সভাপতি জানান, টা স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ। স্বাধীনতার আগে বা পরে এ রকম প্রতিবাদ কখনও হয়নি। ডার্বির অপেক্ষা সবাই করে থাকে। ফেরিওয়ালা থেকে শুরু করে খেলোয়াড়, সদস্য-সমর্থক সবাই এই ম্যাচের অপেক্ষা করে থাকেন। এই জন্যে আজ সবাই এগিয়ে এসেছেন। লাল-হলুদ, সবুজ-মেরুন, সাদা-কালো সবাই এক হয়ে গিয়েছে। পুলিশের লাঠিচার্জ মোটেই ভাল কাজ হল না। পতাকা নিয়ে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ চলছিল। সমর্থকদের কথায়, এদিন ফেডারেশন সভাপতি যা করেছেন তা এক কথায় প্রশংসনীয়। একজন বলেন, ‘‘ওনাকে ধন্যবাদ, উনি আজ সমর্থকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। কোনও সমর্থককে গ্রেফতার হতে দেননি। কার্যত পুলিশের প্রিজন ভ্যানের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন কল্যাণ। ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগানের কোনও দলের সমর্থককেই গ্রেফতার হতে দেননি।’’  

    শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশের বাধা 

    রবিবাসরীয় বিকেলে বৃষ্টির মধ্যেই তিলোত্তমার হয়ে প্রতিবাদে সামিল হয়েছিলেন অগণিত সমর্থক। বিকেল ৪টে থেকে যুবভারতীর বাইরে অল্প অল্প করে জমায়েত শুরু হয়। পুলিশ আগে থেকেই তৈরি ছিল। গার্ডরেল দিয়ে ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছিল সমর্থকদের আটকাতে। মিছিল বড় হতেই পুলিশ আটকায়। মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গলের সমর্থকেরা প্রশ্ন তুলছিলেন, যদি নিরাপত্তার দাবি তুলে ডার্বি বাতিল করা হয়, তা হলে প্রতিবাদ আটকাতে এত পুলিশ মোতায়েন করা হল কেন? এর থেকে কম পুলিশে তো ডার্বি হয়ে যেত? আসলে কি পুলিশ তথা রাজ্য সরকার ভয় পেয়েছিল? সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে ডুরান্ড ডার্বির গ্যালারি জুড়ে যদি আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদ-পোস্টার দেখা যেত সারা ভারতে, তাহলে তা সরকারের পক্ষে ভালো হত না, বলা বাহুল্য। তাই কি সংগঠকদের ওপর ম্যাচ বাতিল করার চাপ দেওয়া হয়েছে? এমনই সব প্রশ্ন তুলেছেন দুই প্রধানের সমর্থকরা।

    ডার্বির ময়দানে সরকার-বিরোধী স্লোগান

    বাঙালি দুই ভাগ হয়ে যায় ডার্বির লড়াই নিয়ে। ফিফার বিচারেও ইস্টবেঙ্গল বনাম মোহনবাগানের ম্যাচ এশিয়ার অন্যতম সেরা ফুটবল দ্বৈরথ। তবে রবিবারের (১৮ অগস্ট) ডার্বি এক নতুন ছবির জন্ম দিল। এদিন আর কেউ লাল-হলুদ নয়, সবুজ-মেরুন নয়, সব রঙ মিশে গেল প্রতিবাদের রঙে। কেউ বললেন, ‘তুমি আমি একই স্বর, জাস্টিস ফর আরজি কর’, কেউ বললেন, চিংড়ি-ইলিশ এক স্বর, জাস্টিস ফর আরজি কর, ‘ঘটি বাঙাল দিয়েছে ডাক, তিলোত্তমা বিচার পাক’। প্রতিবাদ মিছিল থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগের দাবিও উঠল। চেনা স্লোগান, যতবার ডার্বি… একটু বদলে হল, ‘যতবার ডার্বি, স্বৈরাচারী হারবি।’ স্লোগান উঠল, ‘এক হয়েছে বাঙাল-ঘটি, ভয় পেয়েছে হাওয়াই চটি।’ এমনকি, মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানিয়ে কেউ কেউ স্লোগান দিলেন, ‘ইস্ট-মোহনের দাবি এক, মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ’। মিছিল করে হাঁটতে হাঁটতে বিক্ষোভকারীদের এদিন জাতীয় সঙ্গীত গাইতেও দেখা যায়। দেখা যায়, আশেপাশে দাঁড়িয়ে যাঁরা গোটা ব্যাপারটি দেখছিলেন, তাঁরাও জাতীয় সঙ্গীতে গলা মেলান। স্লোগান উঠল ‘ডার্বি কাড়বি কেড়ে নে, মেয়েটাকে ফিরিয়ে দে’, ‘খেলার মাঠ বন্ধ তবে, খেলার বদলে বিচার হবে’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durand Derby: আরজি করকাণ্ডের জেরে বাতিল কলকাতা ডার্বি, দু’দলের মধ্যে পয়েন্ট ভাগ

    Durand Derby: আরজি করকাণ্ডের জেরে বাতিল কলকাতা ডার্বি, দু’দলের মধ্যে পয়েন্ট ভাগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে পড়ুয়া চিকিৎসকের খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় উত্তপ্ত শহর থেকে রাজ্য। সারা দেশে প্রতিবাদের ঢেউ উঠেছে। সরকারের গাফিলতি ঠেকাতে তৎপর পুলিশ প্রশাসন। তাই পর্যাপ্ত পুলিশের অভাবে বাতিল হয়ে গেল রবিবারের ডুরান্ড কাপের ডার্বি (Durand Derby)। রবিবারের ডুরান্ড কাপ (Durand Cup) ডার্বিতে আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের আশঙ্কা করছে পুলিশ। ডার্বির স্রোতে আরজি করকাণ্ডে নির্যাতিতার জন্য সুবিচার চাইবেন ভেবেছিলেন ইস্ট-মোহন সমর্থকরা। তাতে বাধ সাধল কলকাতা পুলিশ।

    কেন বন্ধ ডার্বি

    রাজ্যের প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে শনিবার ডুরান্ড কাপের আয়োজক কমিটির দফায় দফায় বৈঠক হয়। সূত্রের খবর, আরজি করকাণ্ডের (RG Kar) জেরে আয়োজকদের সঙ্গে বিধাননগর কমিশনারেটের পুলিশ কর্তাদের বৈঠকে ডার্বি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রাজ্যের এই পরিস্থিতিতে ডার্বি (Durand Derby) আয়োজনের ঝুঁকি নিতে নারাজ প্রশাসন। বৈঠক এখনও শেষ হয়নি। বড় ম্যাচের সমস্ত টিকিট আগেই বিক্রি হয়ে গিয়েছিল। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, শুক্রবার থেকেই ডার্বি ম্যাচ বাতিল নিয়ে আলোচনা চলছিল। পুলিশের অনুমান, আরজি কর ঘটনার ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে গ্যালারিতে। যে কারণে বাতিল করে দেওয়া হল ডুরান্ড ডার্বি।

    পুলিশের যুক্তি

    শহরের উত্তপ্ত পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে পুলিশের তরফে যুক্তি দেওয়া হয়, শহরের বিভিন্ন জায়গায় এত পরিমাণে পুলিশকর্মী দেওয়া হয়েছে, যে ডার্বির (Durand Derby) জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে পুলিশ মোতায়েন করা সম্ভব নয়। আসলে,গত কয়েক দিন ধরে সমাজমাধ্যমে দু’দলের সমর্থকেরাই আরজি করকাণ্ডে (RG Kar Incident) প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন। ফুটবল সমর্থকদের একাংশ আরজি করের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ টিফোর পরিকল্পনা করেছিলেন। কয়েকটি সমর্থক দলের তরফে ঘোষণাও করা হয়, ম্যাচের দিন ব্যানার, টিফোর মাধ্যমে ঘটনার প্রতিবাদ করা হবে। এই ধরনের টিফো পরিস্থিতি জটিল করতে পারে বলেও আশঙ্কা পুলিশ-প্রশাসনের। সব মিলিয়েই রবিবার ডুরান্ডের ডার্বি নিয়ে আপত্তি জানানো হয় পুলিশ-প্রশাসনের তরফে। 

    আরও পড়ুন: আরজি কর কাণ্ডের জের! ডাক্তারদের ওপর হামলা হলেই কঠোর সাজা, আইন আনছে কেন্দ্র

    জামশেদপুরে সরছে অন্য ম্যাচ

    ম্যাচ না হওয়ায় দু’দলের মধ্যে পয়েন্ট ভাগাভাগি হচ্ছে। ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগান দু’দলই পাচ্ছে এক পয়েন্ট করে। প্রতিযোগিতায় গ্রুপগুলির পয়েন্ট তালিকায় যা অবস্থা, তাতে দু’দলই চলে যাচ্ছে কোয়ার্টার ফাইনালে। বিক্রি হওয়া টিকিটের পুরো টাকা ফুটবলপ্রেমীদের ফেরত দেওয়া হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে কলকাতায় প্রতিযোগিতার আর কোনও ম্যাচ হবে না বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।  শোনা যাচ্ছে জামশেদপুরে ডার্বির (Durand Derby) বাকি ম্যাচ সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Mohun Bagan: মেসির বিপক্ষে খেলা, ৫ সোনার বুটের মালিক! মোহনবাগানে অসি বিশ্বকাপার জেমি ম্যাকলারেন

    Mohun Bagan: মেসির বিপক্ষে খেলা, ৫ সোনার বুটের মালিক! মোহনবাগানে অসি বিশ্বকাপার জেমি ম্যাকলারেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে সমস্ত জল্পনার অবসান। অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপার জেমি ম্যাকলারেন সই করলেন মোহনবাগান সুপার জায়ান্টে (Mohun Bagan)। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে লিয়োনেল মেসির আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে খেলেছিলেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার এ লিগে পাঁচ বার সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে সোনার বুট জিতেছিলেন ম্যাকলারেন (Jamie Maclaren)। চার বছরের চুক্তিতে এবার তাঁকে নিয়েছে সবুজ-মেরুন।

    ডার্বি খেলতে মুখিয়ে আছেন জেমি (Jamie Maclaren)

    আগামী ২৯ জুলাই মোহনবাগান (Mohun Bagan) দিবসে কলকাতায় আসতে চলেছেন জেমি ম্যাকলারেন। তারপর থেকেই শুরু করবেন প্র্যাকটিস। কলকাতায় খেলা এবং মোহনবাগানে সই করার বিষয়ে ম্যাকলারেন জানিয়েছেন, “বহু বছর ধরেই আমি কলকাতা তথা ভারতীয় ফুটবল ফলো করি। আইএসএল-এ এর আগে অনেক বিশ্বমানের ফুটবলাররা খেলে গিয়েছেন বিভিন্ন ক্লাবে। তবে আমি মোহনবাগানে এসেছি ওঁদের ট্রফি জেতার খিদে দেখে। সবুজ-মেরুন সমর্থকদের সামনে মাঠে নামার জন্য মুখিয়ে আছি। আশা করি নিজে আরও ট্রফি জিততে পারব আর দলকেও আরও সাফল্য এনে দিতে পারব।” ডার্বি খেলতে মুখিয়ে আছেন জেমি (Jamie Maclaren)। তিনি বলেছেন, “এই ম্যাচ আমি আগেও দেখেছি। একটা স্টেডিয়ামে ৬০,০০০ দর্শকের সামনে খেলা যে কোনও প্লেয়ারের স্বপ্ন। আর যে দেশই হোক, কোনও ডার্বি খেলা সবসময় আমার কাছে অন্যরকম একটা অনুভূতি দেয়।” ভারতীয় খাবারও তাঁর বেশ পছন্দ জানালেন  ম্যাকলারেন।

    মোহনবাগানে তিন বিশ্বকাপার (Mohun Bagan)

    ৩০ বছর বয়সি এই স্ট্রাইকার এ লিগের ইতিহাসে সর্বাধিক (১৫৪) গোল করেছেন। গত মরসুমেই মেলবোর্ন সিটির হয়ে ২৪টি গোল করেছেন তিনি। এই ক্লাবে টানা পাঁচ বছর খেলেছেন ম্যাকলারেন (Jamie Maclaren)। ১৪২টি ম্যাচে করেছেন ১০৩টি গোল, যা ক্লাবের ইতিহাসে সর্বাধিক। মেলবোর্নের আগে পার্থ গ্লোরি ও ব্রিসবেন রোয়ার্সের মতো দলেও খেলেছেন তিনি। আইএসএলের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও ক্লাবের জার্সিতে একসঙ্গে তিন জন বিশ্বকাপার খেলবেন। আগেই দিমিত্রি পেত্রাতোস ও জেসন কামিংস মোহন বাগানে (Mohun Bagan) ছিলেন। এ বার দলে জুড়লেন ম্যাকলারেন।  অস্ট্রেলীয় ফুটবলার বলেন, “পেত্রাতোস ও কামিংসের সঙ্গে একই দলে ও বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতা আমার আছে। ওদের খুব ভাল ভাবে চিনি। তাই আবার একই দলের হয়ে নামতে ভাল লাগবে। আশা করছি তিন জনে ক্লাবকে জেতাতে বড় ভূমিকা নেব। ওরা থাকায় বাকিদের সঙ্গে মানিয়ে নিতে আমার বেশি সময় লাগবে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share