Tag: molesting

molesting

  • Purulia: রক্ষকই ভক্ষক! আদিবাসী তরুণীর শ্লীলতাহানি, কাঠগড়ায় পুলিশ

    Purulia: রক্ষকই ভক্ষক! আদিবাসী তরুণীর শ্লীলতাহানি, কাঠগড়ায় পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরুলিয়ায় (Purulia) আদিবাসী তরুণীকে শ্লীতাহানির করার অভিযোগ পুলিশেরই বিরুদ্ধে। বাড়িতে ঢুকে মারধর এবং টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার জেরে ক্লোজ করা হয়েছে কোটশিলা থানার এক পুলিশ আধিকারিককে। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে বিভাগীয় তদন্ত প্রক্রিয়া। অপর দিকে তরুণীর সঙ্গে দেখা করেছেন পুরুলিয়ার বিজেপি সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাত এবং সেই সঙ্গে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি। ঘটনায় জেলায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    মূল অভিযোগ কী (Purulia)?

    অভিযোগ জানিয়ে তরুণী বলেন, “রাত সাড়ে দশটা নাগাদ কোটশিলা থানার (Purulia) এক আধিকারিক এবং আরও দুজন আমাদের বাড়িতে ঢোকেন। এরপর ঘরে মদ রয়েছে বলে মিথ্যা অভিযোগ করে আমাকে মারধর করা হয়। আমাদের ঘরে রাখা টাকাও তুলে নিয়েছেন তাঁরা। আমরা বিচার চাই।” সেই সঙ্গে অভিযোগপত্রে তরুণী আরও বলেন, “আমার সঙ্গে অত্যন্ত দুর্ব্যবহার করা হয়। সেই সঙ্গে আমার শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয়। থানার বড়বাবু আমাকে বলেন, “নিচু জাতির মেয়ে, তোরা অনেক বেড়ে গিয়েছিস। এই ভাবে তোদের জব্দ করব। থানায় গিয়ে জানালে আবার এই ভাবে এসে মারবো।”

    বিজেপির অভিযোগ

    এই ঘটনায় পুরুলিয়ার বিজেপি সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাত বলেন, “গত রবিবার রাতে তরুণীর বাড়িতে গিয়ে বেধড়ক মারধর করে পুলিশ। বাড়ি থেকে চল্লিশ হাজার টাকা ছিনতাই করেছে পুলিশ। বাড়িতে মদ রাখার মিথ্যা অভিযোগ তুলে এই ধরনের অভব্য আচরণ করা হয়। আমরা অভিযুক্ত পুলিশ অফিসারের শাস্তি চাই। রক্ষকই ভক্ষের ভূমিকা পালন করছে।”

    পুলিশের বক্তব্য

    মঙ্গলবার থেকে ঘটনায় ব্যবস্থা গ্রহণের চাপ তৈরি হওয়ায় তদন্ত শুরু হয়। জেলার পুলিশ সুপার (Purulia) অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ঘটনার কথা জানতে পেরেই আমরা অ্যাডিশনাল এসপিকে তদন্তের জন্য পাঠিয়েছি। অভিযোগ পাওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত পুলিশকে ক্লোজ করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে ইতিমধ্যে। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।” যদিও ঘটনায় তৃণমূলের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: ফের ছাত্রীর শ্লীলতাহানি, অভিযুক্ত স্কুলের কর্মী! তীব্র শোরগোল আসানসোলে

    Asansol: ফের ছাত্রীর শ্লীলতাহানি, অভিযুক্ত স্কুলের কর্মী! তীব্র শোরগোল আসানসোলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসানসোলে (Asansol) এক স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ উঠল স্কুলের এক কর্মীর বিরুদ্ধেই। সামজিক গণমাধ্যমে এই ঘটনা ভাইরাল হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্কুলের অভিভাবকরা। অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবিতে স্কুলে তীব্র উত্তেজনা। অবশেষে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে বলে জানা গেছে।

    ঘটনা কী ঘটেছে (Asansol)?

    আসানসোল উমারানি গরাই মহিলা কল্যাণ স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে শ্লীতাহানি করা হয়েছে বলে অভিযোগ। অভিযুক্ত ওই স্কুলের এক কর্মী। শ্লীতাহানির কথা সামজিক গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারিত হয়। এরপর শুরু হয় স্কুলের সামনে প্রতিবাদ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসানসোল দক্ষিণ থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছায়। এরপর অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের সঙ্গে অভিভাবকদের ধস্তাধস্তি হয়। এর পাশাপাশি আসানসোলের জিটি রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় অভিভাবকরা। অভিভাবকদের দাবি, এই ঘটনায় জড়িতের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দিতে হবে। শেষে পুলিশের আশ্বাসে পথ অবরোধ উঠে যায়। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ করা হয়নি।

    অভিভাবকদের বক্তব্য

    এক অভিভাবক (Asansol) দেবযানী চন্দ বলেন, ঘটনা অনেকদিন আগেই ঘটেছে। আমাদের একটি গ্রুপে বিশেষ মেসেজ এসেছে, স্কুলের এক বাচ্চার সঙ্গে অভব্য আচরণ করছে প্রদীপ দাস নামক এক স্কুলের কর্মী। তাই অভিযুক্তের শাস্তি হওয়াটা ভীষণ দরকার। স্কুল থেকে আমাদের আজ সকল অভিভাবকদের ডাকা হয়। আর তাই আমরা স্কুলে এসেছি। আমরা চাই দোষীর অবিলম্বে শাস্তি হোক।

    স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    স্কুলের (Asansol) শিক্ষিকা পাপড়ি ব্যানার্জি বলেন, আমি এখনও পরিষ্কার করে কোনও অভিযোগ পাইনি। কে, কার বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ করছেন, সেই বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। স্কুলের অভিভাবকদের ডেকেছি বিষয়টি জানবার জন্য। কিন্তু এতো উত্তেজিত পরিস্থিতিকে সামলাতে এবং স্কুলের পরিবেশকে ঠিক রাখতে পুলিশ ডেকেছি। কেউ অভিযুক্ত থাকলে অবশ্যই গ্রেফতার হবেন।

    পুলিশের বক্তব্য

    উত্তেজিত জনতাকে সামাল দিতে পুলিশের এক আধিকারিক (Asansol) বলেন, আপনারা কেউ আইন হাতে তুলে নেবেন না। অভিযুক্ত স্কুলের কর্মীকে আজই গ্রেফতার করা হবে। প্রদীপ দাস নামক এক ব্যাক্তির নাম পাওয়া গেছে, যাকে আজই আমরা ধরব। আপনারা শান্ত থাকুন! পুলিশের উপর ভরসা রাখুন। পুলিশকে কাজ করতে দিন। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনের কঠোর ধারা প্রয়োগ করা হবে। তবে কোনও অভিযোগ করা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে পুলিশ জানায়, এখনও কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Visva-Bharati: গবেষক ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ, গ্রেপ্তার বিশ্বভারতীর অধ্যাপক

    Visva-Bharati: গবেষক ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ, গ্রেপ্তার বিশ্বভারতীর অধ্যাপক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের শিরনামে বিশ্বভারতী (Visva-Bharati ) বিশ্ববিদ্যালয়। গ্রেফতার এক শিক্ষক, যিনি শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক। গবেষণারত ছাত্রীকে কুপ্রস্তাব ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে রয়েছে এই অধ্যাপকের বিরুদ্ধে। প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ে অভিযোগ করলেও পরে কোনও ব্যবস্থা না নিলে, থানায় অভিযোগ দায়ের করতে বাধ্য হন ওই গবেষক ছাত্রী। আর তারপরই অভিযোগ পেয়ে পুলিশ গ্রেপ্তার করে বিশ্বভারতীর অধ্যাপক রাজর্ষি রায়কে।

    কী ঘটেছিল বিশ্বভারতী (Visva-Bharati ) বিশ্ববিদ্যালয়ে

    বিশ্বভারতী (Visva-Bharati ) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা বিভাগের এই অধ্যাপকের বিরুদ্ধে, গত ৩১ মে শান্তিনিকেতন থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ওই বিভাগেরে এক গবেষক ছাত্রী৷ অভিযোগ ছিল, দিনের পর দিন তাঁকে কুপ্রস্তাব দিয়ে গিয়েছেন ওই অধ্যাপক। পাশাপাশি শ্লীলতাহানিও করেছেন তাঁর। প্রসঙ্গত, এর আগেও এই অধ্যপকের বিরুদ্ধে বিশ্বভারতীর অভ্যন্তরীণ কমিটিতে ওই গবেষক ছাত্রী শারীরিক হেনস্থার অভিযোগ দায়ের হয়েছিল বলে জানা যায়। ২০১৬ সালে শিক্ষা বিভাগে গবেষণা শুধু করেন ওই ছাত্রী৷ তাঁর অভিযোগ, সেই থেকেই শুরু হয় কুপ্রস্তাব দেওয়ার কাজ৷ গবেষণাপত্রে সাক্ষর করার নাম করে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করেন অভিযুক্ত অধ্যাপক। এই মর্মে বিভাগীয় প্রধান ও ভবনের অধ্যক্ষকেও লিখিত ভাবে জানান ওই ছাত্রী গবেষক৷ কিন্তু বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। 

    পুলিশের ভূমিকা

    এরপরে গবেষক ছাত্রী শান্তিনিকেতন (Visva-Bharati ) থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। থানায় মানষিক নির্যাতন, শ্লীলতাহানি, কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ করে গবেষক ছাত্রী৷ আর এই অভিযোগের ভিত্তিতে এইদিন ওই অধ্যাপককে গ্রেপ্তার করে ৩৫৪, ৩৫৪ এ, ৩৫৪ বি, ৩৫৪ ডি, ৫০৬, ৫০৯, ৩৭৬, ৫১১, ৫০০ ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ৷ এইদিন অভিযুক্ত অধ্যাপককে বোলপুর আদালতে তোলা হয়। দুপক্ষের কথা শুনে বিচারক তাঁকে ১৪ দিনের জেলা হেফাজতের নির্দেশ দেন। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত অধ্যাপকের দাবি, তাঁকে চক্রান্ত করে ফাঁসানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমি বিশ্বভারতীর কর্মী হিসাবে প্রেসের সামনে কিছু বলতে পারিনা, আপনারা আমার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে পারেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ

LinkedIn
Share