Tag: Moloy Ghatak

Moloy Ghatak

  • Factory in Bengal: বেকারত্বের করুণ ছবি! বাংলার ২১ লাখ শ্রমিক কাজের খোঁজে ভিন রাজ্যে

    Factory in Bengal: বেকারত্বের করুণ ছবি! বাংলার ২১ লাখ শ্রমিক কাজের খোঁজে ভিন রাজ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাম আমল থেকেই রাজ্যের মানুষের একটা বড় প্রশ্ন ছিল, শিল্প-কলকারখানা (Factory in Bengal) কোথায়? কোথায় বিনিয়োগ? কোথায় কাজ? রাজ্যের শিক্ষিত বেকারদের জন্য উপযুক্ত কর্মসংস্থান কবে হবে? উত্তর আর সামধান, কোনওটাই জোটেনি এই রাজ্যের মানুষের কপালে। বাম রাজত্বের পতনে মিলেছে শুধু বিরাট ঋণের বোঝা। রাজ্যে ২০১১ সালে রাজনৈতিক পালাবদলের পর শাসক বদলে গেলেও বেকারত্বের (Unemploymen) হার কমেনি, বরং দিন দিন বেড়েছে। মানুষ পেটের দায়ে অন্য রাজ্যে যেতে বাধ্য হয়েছে। করোনার অতিমারির সময় সারা দেশে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা সব থেকে বেশি ছিল। এই নিয়ে বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে বাক্যবাণে শোরগোল পড়েছিল।

    বেকারত্ব নিয়ে বিধানসভায় প্রশ্ন-উত্তর (Factory in Bengal)

    রাজ্যে মা-মাটি সরকারের আমলে একাধিকবার বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন হলেও দেখা যায়নি কোনও আশার আলো। সম্প্রতি তারাতলায় ব্রিটানিয়ার কারখানা (Factory in Bengal) বন্ধ হওয়ায় কর্মসংস্থান নিয়ে বিরোধীদের আরও তোপের মুখে পড়তে হয় মমতার সরকারকে। রাজ্যের বিধানসভায় সম্প্রতি আইএসএফ বিধায়ক প্রশ্ন তোলেন, রাজ্যে কতগুলি কলকাখানা বন্ধ আছে, কত শ্রমিক বর্তমানে ভিনরাজ্যে কাজ করছেন? এরপর যা তথ্য উঠে এল, তাতে ‘এগিয়ে বাংলা’ কতটা বলা যায়, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।

    রাজ্যের মন্ত্রীর বক্তব্যেই ভয়বহ অবস্থা (Factory in Bengal)

    বিধানসভায় প্রশ্ন-উত্তর পর্বে রাজ্যের শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটক বলেন, “২০২২-২৩ সালে রাজ্যে মোট ১৭১টি কারখানা (Factory in Bengal) বন্ধ ছিল, আর ২০২৩-২৪ সালে অর্থাৎ বর্তমানে রাজ্যের ১৬৯টি কারখানা বন্ধ হয়েছে। ভিন রাজ্যে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক রূপে কাজ করছেন মোট ২১ লক্ষ ৫৯ হাজার ৭৩৭ জন শ্রমিক। তবে এর মধ্যে সব থেকে বেশি সংখ্যায় কাজ করছেন মহারাষ্ট্রে।” মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, “কেরলের ধসের ঘটনায় রাজ্য থেকে যাওয়া ২৪২ জন শ্রমিক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে আটকে পড়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১৫৫ জনের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়েছে। সব তথ্য সরকারের দফতরে জমা রয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ ভোট লুটের বিরুদ্ধে ফের আদালতে বিজেপি, এবার সাংসদ দেবকে নোটিশ হাইকোর্টের

    রাজ্য সরকার উত্তর দেয়নি

    রাজ্যের একমাত্র আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি বলেন, “২১ লক্ষের বেশি এই শ্রমিকের সংখ্যা মাত্র এক বছরে নথিভুক্ত করা হয়েছে। ২০২২ সালে কলকারখানা (Factory in Bengal) নিয়ে প্রশ্ন করলে রাজ্যের মা মাটি সরকার কোনও উত্তর দেয়নি। ওয়েনাড়ে কর্মরত বাংলার অনেক শ্রমিক (Unemploymen) এখনও আটকে রয়েছেন। এখনও সবার সঙ্গে সরকার যোগাযোগ করতে পারেনি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Moloy Ghatak : বালুর পর এবার মলয়, সিবিআই রেডারে আইনমন্ত্রীই! পাঁচ অ্যাকাউন্টের তথ্য তলব

    Moloy Ghatak : বালুর পর এবার মলয়, সিবিআই রেডারে আইনমন্ত্রীই! পাঁচ অ্যাকাউন্টের তথ্য তলব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচারকাণ্ডে (Coal Scam) আগেই নাম জড়িয়েছিল আইনমন্ত্রী মলয় ঘটকের (Moloy Ghatak)। এবার তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের স্টেটমেন্ট চাইল সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন বা সিবিআই। কলকাতায় বেসরকারি ব্যাঙ্কের কাছ থেকে সেই নথি তলব করা হয়েছে। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার সময় কেওয়াইসি হিসাবে যে সমস্ত নথি ব্যবহার করা হয়েছে, সেই নথিও চেয়েছে কেন্দ্রের তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।

    ১৩ ডিসেম্বর মধ্যে তথ্য জমা

    কয়লা পাচার কাণ্ডে আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে (Moloy Ghatak) ১২ বার তলব করা হলেও এখনও অবধি ইডির সামনে তিনি একবার হাজিরা দিয়েছেন। এবার সিবিআইয়ের স্ক্যানারে মলয় ঘটক ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। সিবিআই সূত্রে খবর, আইনমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মিলিয়ে মোট পাঁচটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য তলব করা হয়েছে। সূত্রের খবর, কলকাতার একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের শাখা থেকে মলয় ও তাঁর পরিবারের অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য তলব করা হয়েছে। অ্যাকাউন্ট খোলার পর থেকে যাবতীয় লেনদেনের তথ্য ১৩ ডিসেম্বর মধ্যে নিজাম প্যালেসের সিবিআই দফতরের জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: বাড়িতে সিবিআই তল্লাশির পরই অদিতি মুন্সীর ছুটির আর্জি মঞ্জুর স্পিকারের

    কী দেখতে চাইছে সিবিআই

    উল্লেখ্য, কয়লা পাচার কাণ্ডে বহুদিন ধরেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আতস কাঁচের তলায় রয়েছেন মলয় ঘটক (Moloy Ghatak)। এবার মলয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট তাঁদের নজরে। অ্যাকাউন্ট খোলার পর থেকে লেনদেনে কোনও অনিময় হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে চাইছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কলয়া পাচারকাণ্ডে মলয়ের বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের এই তৎপরতা আইনমন্ত্রীর উপর আরও চাপ বাড়াল বলেই মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, ব্যাঙ্ক থেকে ওই পাঁচটি অ্যাকাউন্টের নথি খতিয়ে দেখে মলয়ের বিরুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই দিল্লি হাইকোর্টে রক্ষাকবচের আবেদন জানিয়েছিলেন মন্ত্রী। দায়ের হওয়া অভিযোগ বা ইসিআইআর খারিজ করার আবেদনের পাশাপাশি দিল্লিতে তলব না করে কলকাতায় তলবের জন্যও আবেদন জানিয়েছিলেন মলয়। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Moloy Ghatak: মিলল না রক্ষাকবচ, জেরা করতে পারবে ইডি, মলয়ের আর্জি খারিজ দিল্লি হাইকোর্টে

    Moloy Ghatak: মিলল না রক্ষাকবচ, জেরা করতে পারবে ইডি, মলয়ের আর্জি খারিজ দিল্লি হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি হাইকোর্টের ভর্ৎসনার মুখে আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক। ইডির তরফে কয়লা পাচার মামলাতে গত দু বছরে ১২ বার তলব করা হয়েছে রাজ্যের আইনমন্ত্রী। কিন্তু মাত্র একবার তিনি হাজির হয়েছেন। এই পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের আইনমন্ত্রী (Moloy Ghatak) উচ্চ আদালতে আর্জি জানান যে ভবিষ্যতে তাঁকে যেন ইডি তলব না করে! এ নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি স্বর্ণকান্ত শর্মা জানান, মলয়ের এমন আবেদনে সাড়া দেওয়া হবে না। কোনও রক্ষাকবচও আইনমন্ত্রীকে দেওয়া হবে না।

    ইডির কাজে কোনওভাবে বাধা সৃষ্টি করা যাবেনা

    প্রসঙ্গত এর আগেই দিল্লি হাইকোর্ট (Moloy Ghatak) থেকে রক্ষাকবচ চেয়েছিলেন মলয় এবং এর পাশাপাশি তাঁর আর্জি ছিল যে দিল্লিতে নয় কলকাতার অফিসে তাঁকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। চলতি বছরের ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লি হাইকোর্ট এই মর্মে জানায় যে কলকাতা অফিসে ডেকে আইনমন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে ইডি। তলব না দেওয়ার কারণ হিসেবে নিজের ব্যস্ততার কথাও তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী। এর পরিপ্রেক্ষিতে দিল্লি হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ যে তদন্তকারী সংস্থাকে ২৪ ঘণ্টা আগে নোটিশ দিতে হবে রাজ্যের আইনমন্ত্রীকে। শুক্রবার দিল্লি হাইকোর্ট যে পর্যবেক্ষণ দেয় তাতে দেখা গেল যে আগের সমস্ত নির্দেশই বহাল রেখেছে আদালত। এর পাশাপাশি স্পষ্টভাবে দিল্লি হাইকোর্ট (Moloy Ghatak) জানিয়ে দিয়েছে, ইডি অফিসারদের কাজে কোনও ভাবেই যেন বাধা না দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ক্ষতি হবে এমন কিছু যেন না করা হয়। প্রসঙ্গত, মলয় ঘটকের আসানসোলের বাড়ি এবং কলকাতার আবাসনেও এর আগে একাধিকবার তল্লাশি চালিয়েছে সিবিআই। মন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।

    ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে মলয়কে প্রথম তলব করে ইডি

    ২০২১ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর কয়লা পাচার মামলায় প্রথম তলব করা হয় রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে। সেই সময় থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সামনে তিনি হাজির হননি। পরপর একাধিক সমান আসতে থাকে মলয় ঘটকের (Moloy Ghatak) নামে। মন্ত্রী অবশ্য দাবি করেন, দিল্লির অফিসে হাজিরা দিলে তাঁকে মানসিক এবং শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হতে পারে। হুমকি দিতে পারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইডি তলব যেন না করে তাঁকে সেই আর্জি জানিয়েছিলেন মলয়। তবে তাঁর আবেদনে কোনও সাড়া  এদিন দিল না দিল্লি হাইকোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Gangopadhyay: “আর দু’ দিন সময় দিন…” , হাইকোর্টে আর্জি মলয়ের

    Justice Abhijit Gangopadhyay: “আর দু’ দিন সময় দিন…” , হাইকোর্টে আর্জি মলয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আর দু দিন সময় দিন..।” বুধবার বিকেলে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে (Justice Abhijit Gangopadhyay) এমনই আবেদন জানালেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক। হাইকোর্ট নির্দেশ দেওয়ার পরেও কেন বিচারক অর্পণ চট্টোপাধ্যায়ের বদলির বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি? বদলির ফাইল রাজ্যের আইনমন্ত্রীর কাছে আটকে রয়েছে বলে দাবি। এর পরেই আধ ঘণ্টার মধ্যে আইনমন্ত্রীকে আদালতে তলব করলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতির তলব পেয়ে পঁচিশ মিনিটের মধ্যেই আদালতে হাজির হয়ে যান মলয়।

    আদালতে মলয়ের বক্তব্য

    আদালতে (Justice Abhijit Gangopadhyay) রাজ্যের আইনমন্ত্রী বলেন, “আমি ২৫ অগাস্ট থেকে চারদিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম। তারপরে কাজে ব্যস্ত হয়ে গিয়েছিলাম। ৬ অক্টোবর পর্যন্ত আমাকে সময় দেওয়া হোক। ফাইলে সই হয়ে যাবে।” বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “ব্যাপারটা অন্যভাবে নেবেন না। আপনি আপনার হাইকোর্টে এলেন। আপনার হাসি মুখ দেখলাম। আগে অলিন্দে দেখা হত। ৬ অক্টোবর পর্যন্ত ওই পদে নিয়োগের সময় বাড়ানো হল।”

    রাজ্যের মুখ্যসচিবকে কী নির্দেশ দিল আদালত?

    এদিন রাজ্যের মুখ্যসচিবকে আদালতের নির্দেশ, তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে জানাবেন কোনও ব্যক্তি এই নিয়োগ তদন্তে যুক্ত সিবিআই এবং ইডির সিটে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আদালতের নির্দেশ ছাড়া অভিযোগ জানাতে পারবেন না। বোর্ডকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ২০১৪ সালের নিয়োগ পরীক্ষার এমন কোনও সিদ্ধান্ত হয়েছিল কিনা যেখানে মিরর ইমেজ সংরক্ষণ করা হবে না বলে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, সেটা যাচাই করতে।

    প্রসঙ্গত, কাগজপত্র আইনমন্ত্রীর (Justice Abhijit Gangopadhyay) কাছে থাকায় আলিপুরের বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারক অর্পণ চট্টোপাধ্যায়ের বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়নি – বিচারবিভাগের সচিবের কাছে এ কথা শোনার পরেই মলয়কে তলব করেছিলেন বিচারপতি।

    আরও পড়ুুন: ছিলেন নাইটক্লাবের বাউন্সার! ট্রুডোর বর্ণিল জীবন হার মানায় রুপোলি পর্দার জগতকেও

    নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে ধৃত কুন্তল ঘোষের করা অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের মামলায় হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে সিট গঠন করায় সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতের বিচারক অর্পণ চট্টোপাধ্যায়কে অবিলম্বে অপসারণের নির্দেশ দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। ৪ অক্টোবরের মধ্যে তাঁর পরিবর্তে অন্য বিচারপতি নিয়োগ করার নির্দেশ দেন তিনি। এও জানান, নতুন বিচারক না আসা পর্যন্ত ওই আদালতে স্থগিত থাকবে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার শুনানি। তাঁর বদলির নির্দেশ কেন কার্যকর হয়নি, তা জানতে আদালতে জুডিশিয়াল সেক্রেটারিকে তলব করেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Moloy Ghatak: ২৪-ঘণ্টার নোটিশে কলকাতাতেই মলয় ঘটককে জেরা! নির্দেশ দিল্লি হাইকোর্টের 

    Moloy Ghatak: ২৪-ঘণ্টার নোটিশে কলকাতাতেই মলয় ঘটককে জেরা! নির্দেশ দিল্লি হাইকোর্টের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৪-ঘণ্টার নোটিশে কলকাতাতেই রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে জেরা করতে পারবে ইডি। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi High Court)। কয়লা পাচার মামলায় নাম জড়িয়েছে আইনমন্ত্রী মলয় ঘটকের। এর আগে একাধিকবার আইনমন্ত্রীকে ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। এমনকী, জুনের ২৬ তারিখেও তাঁকে দিল্লিতে তলব করেছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত ১২ বার হাজিরা এড়িয়ে গেছেন তিনি। 

    ২৪ ঘণ্টার নোটিশেই জেরা

    আদালতের নির্দেশ, কোনও মামলায় জেরার প্রয়োজন হলে কলকাতায় গিয়ে আইনমন্ত্রীকে জেরা করতে পারবেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কর্তারা। তবে ২৪ ঘণ্টার নোটিশেই এই জিজ্ঞাসাবাদ করা যাবে। এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে কলকাতা থেকে আসানসোলে মলয়ের একাধিক ঠিকানায় হানা দেয় সিবিআই। কয়লা মামলার তদন্ত সূত্রে মলয়ের আসানসোলের বর্তমান বাড়ি, পৈতৃক বাড়িতে বিরাট অভিযান চালিয়েছিল সিবিআই। এমনকী রাজভবনের মন্ত্রী কোয়ার্টারের যে ফ্লোরে মলয় থাকেন সেখানেও হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। বেশ কয়েক জন ইসিএল আধিকারিকের গ্রেফতারির পর মলয়ের বিরুদ্ধে কয়লা পাচার কাণ্ড মামলার তদন্তে নামে সিবিআই। মলয় আদতে আসানসোলের বাসিন্দা এবং আসানসোল উত্তর কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়কও তিনি। এরপর বিষয়টি নিয়ে মলয় সুপ্রিম কোর্টে যান। শীর্ষ আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, বাংলার আইনমন্ত্রীকে অন্তত ১৫ দিনের সময় দিয়ে ডাকতে হবে। তবে, এবার দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশে ২৪ ঘণ্টার নোটিশেই মলয়কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে কেন্দ্রীয় সংস্থা।

    আরও পড়ুুন: প্রধানমন্ত্রীর ‘এক দেশ এক নির্বাচন’-এর সুরে গলা মেলালেন পিকেও, এ কীসের ইঙ্গিত?

     মামলা খারিজ সম্ভব নয়

    সূত্রের খবর, ইডির বহু বার তলবের পরেও দিল্লি যাননি মলয়। এর পর ইডির বিরুদ্ধে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মলয়। সেই মামলার প্রক্ষিতে এদিন বিচারপতি দীনেশকুমার শর্মা এই নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশে চিকিৎসককে সঙ্গে নিয়ে ই়ডি দফতরে যেতে পারবেন মলয়। কয়লা পাচারকাণ্ডে ইডি ইসিআইআর (ইডির মামলা) করেছিল। ওই ইসিআইআর খারিজের আবেদন জানিয়েছিলেন মলয়। মঙ্গলবার সেই আবেদনের ভিত্তিতে হাইকোর্ট জানিয়েছে, মামলা খারিজ সম্ভব নয়। সম্প্রতি রাজ্য বিধানসভায় অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন মন্ত্রী মলয়। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। সেই কথা মাথায় রেখেই আদালত জানিয়েছে, চিকিৎসককে সঙ্গে নিয়ে ইডি দফতরে যেতে পারবেন মলয়। এই মামলায় শুনানির পরবর্তী দিন ৭ ফেব্রুয়ারি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: দুর্গাপুর পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সরব সুকান্ত! মলয় ঘটককে নিয়ে কী বললেন?

    Sukanta Majumdar: দুর্গাপুর পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সরব সুকান্ত! মলয় ঘটককে নিয়ে কী বললেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুর পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সরব হলেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। পুরসভায় নির্বাচনের দাবিতে মঙ্গলবার বিকেলে দুর্গাপুর শহরে মিছিল করে বিজেপি। পরে, পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বলেন, “ছয়মাস পার হয়ে গেলেও দুর্গাপুর পুরসভায় নির্বাচন হয়নি। এক কাউন্সিলরের পদ চলে যাওয়ার পর সে নিজে গিয়ে পুরসভায় চাকরি নিয়েছেন।” দুর্গাপুর পুরসভায় চাকরিতে নিয়োগ দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ করলেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। পুরসভা থেকে ভ্যাকসিন চুরি নিয়ে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “কুকুরের ভ্যাকসিন চুরি করে খাচ্ছে চোরেরা। রাস্তায় তৃণমূল নেতারা ঘুরলে আর কুকুরে কামড়ে দিলে কুকুরের কোনও দোষ থাকবে না। তৃণমূল নেতাদের দোষ থাকবে। আসলে এরা জানে আজ না হয় কাল কুকুর কামড়াবে, তাই আগে থেকেই ভ্যাকসিন লুকিয়ে রাখছে।”

    মন্ত্রী মলয় ঘটককে নিয়ে কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    দলীয় সভা থেকে তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, কয়লা পাচার কাণ্ডে সিবিআইয়ের খাতায় ইতিমধ্যেই মলয় ঘটকের নাম উঠে গিয়েছে। “কয়লা ঘটক নামে এই জেলাকে এখন চেনা হয়। সিবিআইয়ের ডাক পেয়েছে, ঘটক বলছে যাব না। দিল্লিতে আজ না হয় কাল কয়লা ঘটককে যেতেই হবে।”

    রাজু ঝা-কে নিয়ে কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar)?

    ইতিমধ্যেই রাজু ঝা-কে খুন করার ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। কীভাবে তাঁকে দুষ্কৃতীরা পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে খুন করেছে তা ভিডিও-তে দেখা যাচ্ছে। সেই ভিডিও পুলিশের হাতে এসেছে, তারপরও দুষ্কৃতীরা অধরা। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “বড় মাথার হাত আছে। রাজু ঝায়ের হাতে থাকা তথ্য সিবিআইয়ের কাছে গেলে অনেক রাঘব বোয়াল ধরা পড়ত। আন্দাজ করছি, ঘটনায় বড়সড় চক্রান্ত আছে।”

    তৃণমূলের জাতীয় দল হারানো প্রসঙ্গে কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    এদিন তিনি তৃণমূলের জাতীয়দলের তকমা হারানো প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “কাক পেখম লাগালেই ময়ূর হয় না। তৃণমূল জাতীয় দল হলে, কাঁঠালের আমসত্ত্ব হবে। সোনার পাথরবাটি হবে। তৃণমূল কখনই জাতীয় দল ছিল না, জাতীয় দল সেজে ছিল। কাঁঠালের আমসত্ব হবে না। সোনার পাথর বাটি সম্ভব নয়। তৃণমূল জাতীয় দল হবে না।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Coal Case and Moloy:  আভাস ছিল কি, আগেই মলয় ঘটক রাজভবন থেকে কাগজপত্র সরিয়ে ছিলেন কেন?

    Coal Case and Moloy: আভাস ছিল কি, আগেই মলয় ঘটক রাজভবন থেকে কাগজপত্র সরিয়ে ছিলেন কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগেই কি আভাস পেয়েছিলেন? সপ্তাহ দুয়েক আগে তাঁর রাজভবনের ফ্ল্যাট থেকে বাক্স ভর্তি সামগ্রী সরিয়ে নিয়েছিলেন মন্ত্রী মলয় ঘটক। এখন নাকি রাজভবনের বাড়িতে জামাকাপড় এবং বাসনপত্র ছাড়া আর কিচ্ছু নেই। মলয় ঘটকের কাগজপত্র সরিয়ে নেওয়া খবর অবশ্য তৃণমূলের একাংশের মাধ্যমেই বাইরে এসেছে। তাদের কেউ কেউ গল্প করে জানাচ্ছেন, আসল জায়গায় যেতে পারেনি সিবিআই। ‘মাল’ যা ছিল তা সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

    কয়লাপাচার কাণ্ডে মলয় ঘটকের বাড়িতে সিবিআই হানা, এবার কি গ্রেফতার রাজ্যের আইনমন্ত্রী?

    তৃণমূলের অন্দরের খবর, শুধু মলয়বাবু নন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেশ কয়েকবার কোন কোন নেতাদের সিবিআই-ইডি গ্রেফতার করবে তার তালিকা এক নিশ্বাসে ঘোষণা করে দিয়েছেন। সেই তালিকায় থাকা সকলেই নিজেদের অমূল্য সম্পদ সরিয়ে ফেলেছেন বলে জোড়াফুলের অন্দরের খবর। কেন মমতার ঘোষণায় ভয় পেয়ে গিয়েছেন নেতারা? তৃণমূলের একটা বড় অংশ জানাচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রী যে তালিকা ঘোষণা করেছেন তা এসেছে শান্তিনিকেতন থেকে। আর সারদা কেলেঙ্কারি সামনে আসার পর মুখ্যমন্ত্রী যখন প্রশ্ন তুলেছিলেন, আমি চোর, কুণাল চোর, টুম্রাই চোর, মদন চোর, মুকুল চোর? তাতে দেখা গিয়েছিল, সিবিআই পরে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষিত তালিকার প্রায় সকলকেই গ্রেফতার করেছিল। এবার কয়লা-গরু পাচারের ঘটনায় সেই ভয়ই পাচ্ছেন তৃণমূলের হেভিওয়েটরা। শাসক দলের অনেকের মতেই, এবারও মুখ্যমন্ত্রীর তালিকা মিলে যেতে পারে। শুধু মমতা যে সিরিয়ালে নামগুলি নিয়েছেন সেটা মিলবে কিনা দেখার।

    ফের মিলল অনুব্রতর সম্পত্তির হদিশ, কোথায় জানেন?

    তৃণমূলের অন্দরে আরও একটি প্রশ্নও ঘুরপাক খাচ্ছে তা হল, আদালতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বার বার রক্ষাকবচ পাচ্ছেন, সম্পত্তি বৃদ্ধির মামলাতেও পরিবারের বাকি সদস্যদের হলফনামা দিতে বলা হয়েছে। মমতা-অভিষেক এক্ষেত্রেও বাদ। তা হলে রহস্যটা কি?  এসব প্রশ্নের মাঝেই মমতাচ্চারিত নেতারা যে ট্রাঙ্ক ভর্তি কাগজপত্র সরিয়ে বুদ্ধিমানের কাজ করেছিলেন তা এদিনের সিবিআই তল্লাশিতে প্রমাণিত হচ্ছে বলে মানছেন তাঁরা। কিন্তু লালার ডায়েরি আর আয়কর রিটার্নে দেওয়া তথ্যাদি বিশ্লেষণ করে তদন্তকারীরা যা পেয়েছেন, তার কি হবে?  সেই প্রশ্নেই কিছু চিন্তায় পুরনো তৃণমূলীরা। যাঁদের নিকেতনে আর শান্তি নেই।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • CBI raids Moloy Ghatak House: কয়লাপাচার কাণ্ডে মলয় ঘটকের বাড়িতে সিবিআই হানা, এবার কি গ্রেফতার রাজ্যের আইনমন্ত্রী?

    CBI raids Moloy Ghatak House: কয়লাপাচার কাণ্ডে মলয় ঘটকের বাড়িতে সিবিআই হানা, এবার কি গ্রেফতার রাজ্যের আইনমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইন রক্ষকের ভূমিকায় যিনি, এবার তাঁর বিরুদ্ধেই উঠল দুর্নীতির অভিযোগ। বুধবার সকালে রাজ্যের আইনমন্ত্রী (Law Minister) মলয় ঘটকের (Moloy Ghatak) বাড়ি হানা দিল সিবিআই (CBI)। বেআইনি কয়লাপাচার কাণ্ডে (Coal Scam) এর আগে বহুবার মন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে তলব করেছে আর এক কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। কিন্তু প্রতিবারই তিনি এড়িয়ে গিয়েছেন হাজিরা। তাই এবার গোয়েন্দারা সরাসরি হানা দিলেন মলয়ের ডেরায়। 

    আরও পড়ুন: ‘৮ ব্যাগ সোনা ছিল, একটা আটকেছে কাস্টমস…’, অভিষেককে আক্রমণ শুভেন্দুর

    আসানসোলে মলয় ঘটকের একাধিক বাড়ি রয়েছে। প্রথমে এদিন সকালে আসানসোলে শহরে মলয় ঘটকের বাড়িতে পৌঁছে যায় সিবিআই টিম। সেই সঙ্গে গোটা এলাকা ঘিরে নেয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। তার পর আসানসোলের কাছে মলয় ঘটকের পৈতৃকের বাড়িতেও পৌঁছে যান সিবিআইয়ের অফিসাররা। মোট তিনটে ভাগে বিভক্ত হয়ে তল্লাশি চালাচ্ছেন গোয়েন্দারা। প্রথমে এদিন সকাল সোওয়া ৮টা নাগাদ কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে আসানসোলে শহরে মলয় ঘটকের বাড়িতে যায় ২ থেকে ৩ জন অফিসারের সিবিআই টিম। সিবিআই যাওয়ার খবর পেয়ে আসানসোল থানার এক অফিসার যান ঘটনাস্থলে। চার জন গোয়েন্দার একটি দল যান মলয়ের পৈতৃক বাড়িতে। এই দুটি বাড়িতে তল্লাশির পরে তৃতীয় বাড়িতেও যান সিবিআই গোয়েন্দারা। যদিও তল্লাশির এই সময় বাড়িতে উপস্থিত নেই মলয় ঘটক। সোম থেকে শুক্রবার তিনি কলকাতায় থাকেন বলে খবর। এই মুহূর্তে তিনি মহানগরীতেই আছেন। তাই মন্ত্রীর অনুপস্থিতিতেই চলছে তল্লাশি।কয়লাপাচার কাণ্ডে একই সঙ্গে তদন্ত চালাচ্ছে সিবিআই এবং ইডি। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর মন্ত্রীকে তলব করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেকটরেট। তার আগেই অতর্কিত সিবিআই হানায় উত্তাল বঙ্গ রাজনীতি।

    আরও পড়ুন: অনুব্রত মামলায় বিচারককে হুমকি চিঠি-কাণ্ডে ধৃত আইনজীবী! আটক তাঁর সহকারীও 

    জানা গিয়েছে, বুধবার আসানসোলের আকতার রোড গার্ডেন এবং জেলিডাঙায় মন্ত্রীর দু’টি বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালায় সিবিআই। মন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের মোবাইল ফোন জমা রাখা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। সব মিলিয়ে মলয়ের তিনটি বাড়িতে হানা দিয়েছে দিয়েছে সিবিআই। পরে তাঁর অফিসেও যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার একটি দল। প্রসঙ্গত, পুরভোটের সময় কয়লাপাচার কাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাজ্যের পূর্ত ও আইনমন্ত্রী মলয়কে দিল্লিতে ডেকে পাঠায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Coal Scam: কয়লা পাচার কাণ্ডে ফের তলব মলয় ঘটককে! ইডির সমন বাঘমুণ্ডির তৃণমূল বিধায়ককেও

    Coal Scam: কয়লা পাচার কাণ্ডে ফের তলব মলয় ঘটককে! ইডির সমন বাঘমুণ্ডির তৃণমূল বিধায়ককেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার কাণ্ডে (Coal scam case) ফের রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে (Moloy Ghatak) তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। এই নিয়ে চতুর্থবার তাঁকে তলব করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। একই সঙ্গে তলব করা হয়েছে পুরুলিয়ার বাঘমুণ্ডির তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) বিধায়ক সুশান্ত মাহাতোকেও (Sushanta Mahato)। তাঁদেরকে শুক্রবার সকাল ১১টায় দিল্লিতে ইডির সদর দফতরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।

    ইডি সূত্রে খবর, কয়লা পাচার কাণ্ডে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য সামনে রেখেই তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক এবং মন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। একাধিক সাক্ষীর বয়ানে মলয় ঘটকের নাম উঠে এসেছে। মলয় ঘটককে আগেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তিনবার। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই তথ্য মিলছে না। তিনি কিছু গোপন করছেন বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। তাই আবার তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: চেকপোস্টে আটকে কয়লা, “ভাইপো ভ্যাটে”র অপেক্ষায়? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    কেন্দ্রীয় সংস্থা সূত্রে খবর, কয়লা পাচার কাণ্ডের আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত নথি যাচাই করতে গিয়ে সুশান্ত মাহাতোরও নাম মিলেছে। এমনকী অনুপ মাজি তথা লালার দফতরে হানা দিয়ে যে নথি মেলে সেখানে পুরুলিয়ার বাঘমুণ্ডির বিধায়কের নাম রয়েছে। এই কারণে তাঁকেও তলব করা হয়। প্রয়োজনে সুশান্ত মাহাতো এবং মলয় ঘটককে মুখোমুখি বসিয়েও জেরা করা হতে পারে। সুশান্ত মাহাতো পুরুলিয়ার বাঘমুণ্ডির বিধায়ক। আর লালার বাড়ি এবং কর্মস্থল ওই এলাকায়। সেখানে একাধিক খনি রয়েছে। সুতরাং একটা যোগ থাকতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। তাই জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে চান তাঁরা। 

    গতবছর ১৬ সেপ্টম্বর পুরুলিয়ায় এক সাংগঠনিক সভায় গিয়েও সুশান্তর কয়লা কাণ্ডে জড়িত থাকা নিয়ে সরব হন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এমনকী গত ১১ জুন  পুরুলিয়ার বলরামপুরে জনসভা করতে গিয়েও বিরোধী দলনেতা বলেছিলেন, কয়লা পাচারকাণ্ডে সুশান্তর যোগ আছে। বিরোধী দলনেতার অভিযোগ সত্যি কিনা, তা ইডির জেরার পরেই বোঝা যাবে। তবে, যা রটে,তার কিছুটা তো বটে, অভিমত রাজনৈতিক মহলে।

LinkedIn
Share