Tag: Mominpur Violence

Mominpur Violence

  • Sukanta Majumdar: মোমিনপুর যাওয়ার পথে চিংড়িঘাটায় গ্রেফতার সুকান্ত মজুমদার, নিয়ে আসা হল লালবাজার

    Sukanta Majumdar: মোমিনপুর যাওয়ার পথে চিংড়িঘাটায় গ্রেফতার সুকান্ত মজুমদার, নিয়ে আসা হল লালবাজার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোমিনপুর যাওয়ার পথে গ্রেফতার করা হল বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (BJP WB President Sukanta Majumdar) নিউটাউন থেকে মোমিনপুর যাওয়ার পথে চিংড়িঘাটায় গার্ড দিয়ে পথ আটকানো হয় সাংসদের। কেন এভাবে আটক করা হল তা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন সুকান্ত। এরপরই সুকান্ত মজুমদারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বিজেপি রাজ্য সভাপতির গ্রেফতারকে কেন্দ্র করে চিংড়িঘাটা থেকে লালবাজার, বিক্ষোভে সামিল বিজেপি কর্মীরা। 

    লক্ষ্মীপুজোর দিন দক্ষিণ কলকাতার মোমিনপুরের (Mominpur Violence) কয়েকটি দোকানে ভাঙচুর চালানো হয়। একাধিক বাইক ভাঙচুরেরও অভিযোগ ওঠে। এরপরই ভাঙচুর চালানো হয় ইকবালপুর থানা এলাকায়। রাতে এই নিয়ে ট্যুইট করে প্রতিবাদ জানান একাধিক বিজেপি নেতারা (BJP Leaders)।

    সোমবার সকালে মোমিনপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। কিন্তু তাঁকে যেতে বাধা দেয় পুলিশ। সুকান্ত প্রশ্ন তোলেন মোমিনপুরে ১৪৪ ধারা নেই। তাও বাধা কেন? কিন্তু পুলিশ কোনও কথাই না শুনে তাঁকে গ্রেফতার করে প্রিজন ভ্যানে তোলে। সুকান্ত জানিয়েছেন, বিষয়টি আদালতে তুলবেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: মোমিনপুরের ঘটনায় শাহকে চিঠি শুভেন্দুর! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের আর্জি বিরোধী নেতার

    এদিন সকাল এগারোটা নাগাদ নিউটাউনের ফ্ল্যাট থেকে মোমিনপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয় সাংসদ। চিংড়িঘাটায় পৌঁছতেই সুকান্ত মজুমদারের গাড়ি আটক করে কলকাতা পুলিশ। শুরু হয়ে যায় যানজট। যানজটের সমস্যা মেটাতে পুলিশ অন্যান্য গাড়ি ছাড়লেও সুকান্তর গাড়ি রাস্তার পাশে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। ২০-২৫ মিনিট পরে গাড়ি থেকে  নেমে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁকে পুলিশ জানায়, মোমিনপুরে যেতে পারবেন না তিনি। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয় তিনি গেলে অশান্তি আরও বাড়বে। কোন ধারায় গ্রেফতার করা হয়েছে সাংসদকে, পুলিশের তরফ থেকে তার কোনও উত্তর দেওয়া হয়নি। গ্রেফতার করে তাঁকে লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়। এই মুহূর্তে সেখানে ভিড় করছেন বিজেপি কর্মীরা। 

    লক্ষ্মীপুজোর আগের দিন রাত থেকেই অশান্তির সূত্রপাত। একটি বিশেষ ধর্মের পতাকা লাগানো হয় ওই এলাকার কয়েকটি বাড়িতে। কিন্তু ওই বাড়ির আবাসিকরা সেই পতাকা খুলে দেন। তাঁদের কথায়, ওই পতাকা তাঁদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করছে। কিন্তু এর জেরে শুরু হয় হিংসা। ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় মোমিনপুরের ইকবালপুর থানা এলাকায়। এরপর রাতের অন্ধকারে একদল দুষ্কৃতী একের পর এক মোটরবাইক এবং দোকান ও রাস্তার পাশে থাকা গুমটিতে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। এ নিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। ইতিমধ্যেই তা ভাইরাল। বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এই ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আজ এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলতে সেই অঞ্চলে যাচ্ছিলেন সুকান্ত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Mominpur Violence: অস্বস্তিতে রাজ্য সরকার! মোমিনপুর-কাণ্ডের সমস্ত নথি কলকাতা পুলিশের থেকে চাইল এনআইএ

    Mominpur Violence: অস্বস্তিতে রাজ্য সরকার! মোমিনপুর-কাণ্ডের সমস্ত নথি কলকাতা পুলিশের থেকে চাইল এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একবালপুর-মোমিনপুর কাণ্ড (Mominpur Violence) নিয়ে চরম অস্বস্তিতে রাজ্য সরকার। একবালপুর-মোমিনপুর সংঘর্ষের জেরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন করা নিয়ে আগেই আর্জি জানিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। দাবি উঠেছিল এনআইএ তদন্তের। রাজ্য সরকারের অস্বস্তি বাড়িয়ে এবার মোমিনপুরে তদন্ত শুরু করল এনআইএ (NIA)। সূত্রের খবর, মোমিনপুর মামলার সমস্ত নথি চেয়ে বুধবার এনআইএ-এর স্পেশ্যাল কোর্টে আবেদন করল এনআইএ (NIA)। কলকাতা পুলিশের থেকে সমস্ত কেস ডায়েরি ও নথি চেয়ে আবেদন করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে এই মামলা পুনরায় দাখিল করা হয়েছে। মামলা দায়ের নথিও কোর্টে জমা দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯, ১৫২, ৩০৭, ৩৩২, ৩৫৩, ৪২৭, ৪৩৬, ও ৪,৫,৬, ২৪, ২৭ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: হাত রয়েছে আল কায়দা ও আইসিসের! মোমিনপুরের ঘটনায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    প্রসঙ্গত, একবালপুর-মোমিনপুর কাণ্ডে রাজ্যের পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও আগেই উঠেছিল। এমনকি অভিযোগ উঠেছিল, সেখানকার ঘটনা ঠেকাতে ও নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হয়েছে কলকাতা পুলিশ (Kolkata police)। লক্ষ্মী পুজোর আগের রাত থেকে এই হিংসা শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকে ঘিরে পুলিশ প্রশাসনের দিকে বারবার ব্যর্থতার আঙুল তুলেছে বিজেপি। এই ঘটনায় পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নেওয়ায় বিজেপি ট্যুইটে বারবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেছে ও এই পরিস্থিতির জন্য মুখ্যমন্ত্রীকেই দায়ী করা হয়েছে। কিন্তু রাজ্যের শাসক দল এই ঘটনাকে খুব একটা গুরুত্ব দেয়নি। ভোট ব্যাংক বাঁচাতে মরিয়া শাসকদল কোনওভাবে এই মামলা শেষ করতে চেয়েছিল, এমনই ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

    আরও পড়ুন: একবালপুর-মোমিনপুর কাণ্ডের জেরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের আর্জি, জনস্বার্থ মামলা কলকাতা হাইকোর্টে

    রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে গিয়েছে এমনটা অভিযোগ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও রাজ্যপালের কাছে চিঠি পাঠিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।  হাইকোর্টও এই ঘটনায় কলকাতা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর, মোমিনপুরের ঘটনায় পাঁচটি মামলা দায়ের হয়েছে। তার মধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে একটি মামলা দায়ের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এনআইএ সূত্রের খবর, আইনি প্রক্রিয়া সাড়া হয়েছে এবার কলকাতা পুলিশের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলবে তদন্তকারী অফিসাররা। এরপরই দ্রুত কেস ডায়েরি হস্তান্তরের সম্ভাবনা রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Mominpur Violence: মোমিনপুর-কাণ্ডের তদন্তে এনআইএ, দায়ের এফআইআর, আজই ঘটনাস্থলে আধিকারিকরা?

    Mominpur Violence: মোমিনপুর-কাণ্ডের তদন্তে এনআইএ, দায়ের এফআইআর, আজই ঘটনাস্থলে আধিকারিকরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  মোমিনপুরকাণ্ডে তদন্ত শুরু করল কেন্দ্রীয় এজেন্সি NIA। গত ৮ অক্টোবর রাত থেকে, কলকাতার মোমিনপুর এলাকায় সংঘর্ষ শুরু হয়েছিল। যে এলাকায় সবচেয়ে বেশি অশান্তি হয়েছিল, সেই ভূ-কৈলাস রোডের ঘটনার তদন্ত করবেন জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। মঙ্গলবার এই ঘটনায় ফের নতুন করে মামলা দায়ের করা হয়েছে দিল্লিতে। আজ, বুধবার সেই মামলাটি পাঠিয়ে দেওয়া হয় কলকাতায় এনআইএ আদালতে। এদিন সকালে  নগর দায়রা আদালতে ইতিমধ্যেই FIR জমা দিয়েছে  কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। 

    আরও পড়ুন: হাত রয়েছে আল কায়দা ও আইসিসের! মোমিনপুরের ঘটনায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    প্রসঙ্গত, গত ৯ অক্টোবর লক্ষ্মীপূজোর রাতে মোমিনপুর এলাকায় দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। বোমাবাজি,ইঁটবৃষ্টির পাশাপাশি বাড়িঘর,বাইক ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগ কিছুই বাদ যায়নি। এমনকি এক সম্প্রদায়ের লোকজন ইকবালপুর থানা ঘেরাও করেছিল। দুই আইপিএস-সহ ৯ পুলিশকর্মী পর্যন্ত আহত হয়েছিলেন। এই ঘটনায় পাঁচটি FIR করে তদন্ত চালাচ্ছিল কলকাতা পুলিশ। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৬৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে থানায় গিয়ে কলকাতা পুলিশের তদন্তকারী অফিসারদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন NIA অফিসাররা।    

    আরও পড়ুন: ওরা হিন্দুদের তাড়াতে চায়! মোমিনপুর-কাণ্ডে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মোমিনপুরের ঘটনার পরেই পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলেছিল রাজ্যের বিরোধী দলগুলি। মোমিনপুরে তাণ্ডবের বিরুদ্ধে দু’টি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে উচ্চ আদালতে (Calcutta High Court)।  এর আগে কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়েছিল, রাজ্যের রিপোর্ট এবং মামলার গুরুত্ব বুঝে, NIA তদন্তের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্র। শেষমেশ সেই তদন্তভার গেল কেন্দ্রীয় এজেন্সির হাতে। অমিত শাহের অধীনস্থ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রকের নির্দেশে একটি FIR করে এই ঘটনার তদন্ত শুরু করল এনআইএ।  বুধবার মোমিনপুরে ফের হানা দিতে পারেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। সেখানকার সিসিটিভির ফুটেজ ও এলাকার কিছু ভিডিও ফুটেজ এনআইএ খতিয়ে দেখবে। পুলিশের হাতে ধৃতদেরও নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করা হতে পারে বলে জানিয়েছে এনআইএ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Mominpur violence:  ওরা হিন্দুদের তাড়াতে চায়! মোমিনপুর-কাণ্ডে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Mominpur violence: ওরা হিন্দুদের তাড়াতে চায়! মোমিনপুর-কাণ্ডে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের রাজনীতি করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওনার সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে হাত পড়ে যাবে বলে তিনি দোষীদের আড়াল করছেন এমনই দাবি রাজ্যের বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারীর। তিনি বলেন, ‘ওরা মোমিনপুর, ইকবালপুর এবং খিদিরপুর থেকে হিন্দুদের তাড়িয়ে দিতে চায় । এটা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি। যেহেতু হিন্দু ভোট বিজেপির দিকে যাচ্ছে তাই মুখ্যমন্ত্রী হুমকি দিয়ে এবং সাম্প্রদায়িক প্রচার করে সংখ্যালঘু ভোট নিচ্ছেন ।’

    আরও পড়ুন: একবালপুর-মোমিনপুর কাণ্ডের জেরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের আর্জি, জনস্বার্থ মামলা কলকাতা হাইকোর্টে

    প্রসঙ্গত, গত ৯ অক্টোবর লক্ষ্মীপূজোর রাতে মোমিনপুর এলাকায় দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। বোমাবাজি,ইঁটবৃষ্টির পাশাপাশি বাড়িঘর,বাইক ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগ কিছুই বাদ যায়নি। এমনকি এক সম্প্রদায়ের লোকজন ইকবালপুর থানা ঘেরাও করেছিল। দুই আইপিএস-সহ ৯ পুলিশকর্মী পর্যন্ত আহত হয়েছিলেন। এরপরই মোমিনপুরে হিংসা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং রাজ্যপাল লা গণেশনকে চিঠি লিখেছিলেন শুভেন্দু।

    আরও পড়ুন: হাত রয়েছে আল কায়দা ও আইসিসের! মোমিনপুরের ঘটনায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    শুক্রবার সাংবাদিক মানব গুহকে গ্রেফতার করার প্রতিবাদও জানান রাজ্যের বিরোধী নেতা। হিংসার মুহুর্তের ভিডিও পোস্ট করার অপরাধে সোশ্যাল মিডিয়া সাংবাদিক মানব গুহকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ । পুলিশের দাবি,এই ধরনের ভিডিও সমাজে আরও উত্তেজনা ছড়াতে পারত । কিন্তু পুলিশের এই ভূমিকায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, প্রকৃত দোষীদের গ্রেফতার না করে যাঁরা সমাজের সামনে সত্য তুলে ধরছেন তাঁকে আটক করছে পুলিশ। উল্লেখ্য, মোমিনপুরের ঘটনার পরেই পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলেছিল রাজ্যের বিরোধী দলগুলি। মোমিনপুরে তাণ্ডবের বিরুদ্ধে দু’টি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে উচ্চ আদালতে (Calcutta High Court)। সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাইকোর্টের তরফে নির্দেশ দেওয়া  হয়েছে, রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্য এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের নেতৃত্বে সিট গঠন করা হবে। উচ্চ পর্যায়ে তদন্ত চালাতে হবে বলে জানিয়েছে হাইকোর্ট। কারা তাণ্ডব চালিয়েছে তা ভিডিও ফুটেজ দেখে শনাক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সিটের আধিকারিকদের। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে। সংরক্ষণ করতে হবে ভিডিও ফুটেজ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Mominpur: ৪ ঘণ্টা পর মুক্তি পেলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি, লালবাজার থেকে সরাসরি গেলেন সিএমআরআই-এ

    Mominpur: ৪ ঘণ্টা পর মুক্তি পেলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি, লালবাজার থেকে সরাসরি গেলেন সিএমআরআই-এ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোমিনপুরের উদ্দেশে বেরিয়েছিলেন, কিন্তু চিংড়িঘাটার কাছে আটক করা হয় বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar)। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল লালবাজারে। তারপর সন্ধ্যাবেলায় ছাড়া পেলেন তিনি। এরপরেই তিনি সরাসরি চলে যান সিএমআরআই-এ। সংঘর্ষে আহত হয়েছিলেন কয়েকজন। আর তাঁদের দেখতেই পৌঁছে যান সুকান্ত মজুমদার। চিকিৎসাধীন ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলার জন্য লালবাজার থেকে সরাসরি যান হাসপাতালে। অন্যদিকে সুকান্ত মজুমদারের আগেই হাসপাতালে পৌঁছে যান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    আরও পড়ুন: মোমিনপুর যাওয়ার পথে চিংড়িঘাটায় গ্রেফতার সুকান্ত মজুমদার, নিয়ে আসা হল লালবাজার

    এদিন সুকান্ত মজুমদার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মোমিনপুরের ঘটনা নিয়ে তোপ দাগেন। এমনকি মমতার পদত্যাগের দাবি তুলে সরব হন তিনি। পাশাপাশি কলকাতা পুলিশকেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তিনি। রাজ্য পুলিশকে ‘অপদার্থ’ বলে আখ্যা দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “এরাজ্যের নাগরিকদের নিরাপত্তা কোথায়?” তিনি রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, গত ২ দিন ধরে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি থেকে মাত্র ৩ কিমি দূরে খিদিরপুর সংলগ্ন এলাকায় দুষ্কৃতি দ্বারা তাণ্ডব চলেছে। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন সাধারণ মানুষ। ফলে এরাজ্যের নাগরিকদের নিরাপত্তা কোথায়? মহিলাদের সুরক্ষা কোথায়? ফলে প্রথম থেকেই রাজ্যের বিরোধী দল মোমিনপুরের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন ও এই পরিস্থিতির জন্য শাসক দলকেই কটাক্ষ করেছেন।

    অন্যদিকে আজ সুকান্ত মজুমদারকে গ্রেফতারির প্রতিবাদে শহরের পাশাপাশি জেলায় জেলায় বিক্ষোভে নামেন বিজেপির কর্মীরা। মুরলীধর সেন লেন, এমজি রোড, সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতে বিক্ষোভে রাস্তায় নামেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। গ্রেফতারির প্রতিবাদ ও রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা অবনতির অভিযোগে মুরলীধর সেন লেন থেকে বিজেপির মিছিল বের হয়। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ আটকে বিক্ষোভ দেখিয়েছিল বিজেপি নেতা-কর্মীরা। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ছিলেন কাউন্সিলর সজল ঘোষও। এদিকে মোমিনপুরের ঘটনার প্রতিবাদে এদিন রাজভবনে যান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ অন্যান্যরা। সেখান থেকে ঘটনার প্রতিবাদে সোচ্চার হন তাঁরা। এরপর লালবাজারে যান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    প্রসঙ্গত, শনিবার থেকে উত্তপ্ত মোমিনপুর। আজ সেখানেই যাচ্ছিলেন সুকান্ত মজুমদার। যাওয়ার পথেই আটক করা হয়েছিল তাঁকে ও লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়। যদিও পরে তাঁকে সন্ধ্যাবেলায় ছেঁড়ে দেওয়া হয়। আবার মোমিনপুরের ঘটনার পর রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে, এর ফলে রাজ্যপাল এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।

LinkedIn
Share