Tag: Money Laundering

Money Laundering

  • Jacqueline Fernandez: সব জানতেন অভিনেত্রী! চার্জশিটে দাবি ইডি-র, তছরুপকাণ্ডে আরও অস্বস্তিতে জ্যাকলিন

    Jacqueline Fernandez: সব জানতেন অভিনেত্রী! চার্জশিটে দাবি ইডি-র, তছরুপকাণ্ডে আরও অস্বস্তিতে জ্যাকলিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজের (Jacqueline Fernandez) বিরুদ্ধে চার্জশিট (Charge sheet) জমা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। তছরুপ (Money Laundering) মামলার চার্জশিটে ইডি জানায়, এখন পর্যন্ত তদন্তে জানা গিয়েছে যে অভিযুক্ত অভিনেত্রী প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অপরাধের সঙ্গে জড়িত। 

    আরও পড়ুন: মোদির ট্যুইটের জবাব দিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী, কী লিখলেন জানেন?

    চার্জশিটে আরও বলা হয়েছে যে, তিনি শুধু নিজেই না। ভারত এবং বিদেশে বসবাসকারী তাঁর পরিবারের সব সদস্যই তছরুপের টাকায় উপহার পেয়েছেন। এর ফলে তছরুপ প্রতিরোধ আইন ২০০২-এর ধারা ৩-এর অধীনে তছরুপের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যা PMLA, ২০২২-এর ধারা ৪-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এমনই বলা হয়েছে চার্জশিটে।

    চার্জশিটে এছাড়াও বলা হয়, জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ সুকেশ চন্দ্রশেখর (Sukesh Chandrashekhar) অতীতের অপরাধমূলক কাজের অবগত ছিলেন এবং সচেতনভাবে সেগুলি উপেক্ষা করে গিয়েছেন। এবং তাঁর সঙ্গে আর্থিক লেনদেনে লিপ্ত থেকেছেন। শুধু জ্যাকলিন নয়, এমনকী তাঁর পরিবারের সদস্য এবং বন্ধুরাও সুকেশে দ্বারা আর্থিকভাবে উপকৃত হয়েছেন। 

    আরও পড়ুন: আর্থিক তছরুপ মামলায় অস্বস্তি বাড়ল জ্যাকলিনের, নাম এল চার্জশিটে

    ইডির দাবি, বিভিন্নসময় বিভিন্ন গল্প বানিয়েছেন জ্যাকলিন, সত্যি কথা বলেননি।  

    আরও পড়ুন: নৌসেনা পাচ্ছে নতুন নিশান! শুক্রবারই উত্তোলন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি  

    গত সপ্তাহে এই মামলায় এই মামলায় সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করেছিল ইডি। যদিও অভিনেত্রীর আইনজীবী প্রশান্ত পাতিল দাবি করেছেন, ইচ্ছাকৃতভাবে ফাঁসানো হয়েছে জ্যাকলিনকে। সাংবাদিকদের তিনি জানান, “এই মামলার তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করছেন জ্যাকলিন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যতবার তাঁকে ডাকা হয়েছে, প্রতিবার হাজিরা দিয়েছেন তিনি। আর্থিক তছরুপ মামলার তদন্তের স্বার্থে সবধরনের তথ্য তদন্তকারীদের জানিয়েছেন জ্যাকলিন। কিন্তু তিনি যে প্রতারিত, তা মানতে চাইছেন না আধিকারিকরা। জ্যাকলিন ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন।”   

    গত ১৭ অগাস্ট দিল্লি হাইকোর্টে দাখিল করা অতিরিক্ত চার্জশিটে ইডি স্পষ্ট জানিয়েছিল, সুকেশ চন্দ্রশেখরের থেকে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন জ্যাকলিন। সুকেশের তোলাবাজির প্রায় ১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন অভিনেত্রী। যার মধ্যে ৭ কোটি টাকারও বেশি সম্পত্তি  ইতিমধ্যেই বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি।  

    আপাতত অস্বস্তিতে বলিউড সুন্দরী। ২১৫ কোটি টাকার তছরুপ মামলায় নাম জড়িয়েছে তাঁর। প্রধান অভিযুক্ত সুকেশ চন্দ্রশেখরের বিরুদ্ধে এই মামলার চার্জশিট জমা হয়েছিল আগেই। তাঁর সঙ্গে জ্যাকলিনের প্রেমের গুঞ্জনও ছিল। দুজনের ঘনিষ্ঠ ছবিও ভাইরাল হয়েছে নেট মাধ্যমে। সন্দেহভাজনদের তালিকায় আগেই সামিল হয়েছিল জ্যাকলিনের নাম। এবার চার্জশিট জুড়েও তিনি।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Karnataka: মন্দিরের নামে ভুয়ো ওয়েবসাইট বানিয়ে ২০কোটি টাকা আত্মসাৎ পুরোহিতদের! কর্ণাটকে একি কাণ্ড?

    Karnataka: মন্দিরের নামে ভুয়ো ওয়েবসাইট বানিয়ে ২০কোটি টাকা আত্মসাৎ পুরোহিতদের! কর্ণাটকে একি কাণ্ড?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এর আগে টাকা আত্মসাতের অনেক ঘটনাই আপনারা শুনেছেন। কিন্তু কখনও কি শুনেছেন যে পুরোহিতরাও টাকা আত্মসাৎ করেছে ,তাও আবার মন্দিরের নামে! হ্যাঁ, এমনই অভিযোগ উঠেছে কর্ণাটকের (Karnataka) কালাবুরাগিতে (Kalaburagi)। কালাবুরাগির দেবলাঙ্গানাপুর মন্দিরের (Devalaganapur temple) নামে ভুয়ো ওয়েবসাইট বানিয়ে সেখানে ‘ডোনেশন’ থেকে ২০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন পুরোহিতের নামে।  অভিযোগ সামনে আসতেই  তদন্তে নেমেছে পুলিশ। অভিযুক্ত পুরোহিতরা পলাতক। 

    আরও পড়ুন: অদ্ভুত কাণ্ড! ৫ লাখ টাকার গয়না চুরি করল ইঁদুর!

    উত্তর কর্ণাটকের গঙ্গাপুর নদীর পাশে থাকা এই দত্তাত্রেয় (Sri Dattatreya) মন্দিরে বহু ভক্তের সমাগম হয়। শুধুমাত্র এই রাজ্যই নয়, পার্শ্ববর্তী মহারাষ্ট্র, তেলেঙ্গনা থেকেও অনেক ভক্তরা এই মন্দিরে আসেন। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওই পুরোহিতরা এরকম ৮ টি ওয়েবসাইট বানিয়েছে। গত ৪ বছর ধরে ভুয়ো ওয়েবসাইটের নামে বিপুল পরিমাণ টাকা তারা মানুষের থেকে ‘ডোনেশন’ এর নামে নিয়েছে। আর ওই সমস্ত টাকা তারা পরে নিজেদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরিয়ে নিয়েছে। আরও জানা যায়, এক একটি পুজোর জন্য পুরোহিতরা ১০ থেকে ৫০ হাজার টাকা দাবি করত।

    আরও পড়ুন: ইনি ৬ লাখের গাড়ি কিনলেন ১০ টাকার কয়েনে! কারণ জানলে চমকে উঠবেন

    খবরসূত্রে জানা যায়, এই মন্দিরটি রাজ্যের মুজুরাই(Muzurai) দফতর ও কালাবুরাগি ডেপুটি কমিশনার যশওয়ান্ত গুরুকরের(Yashwant Gurukar) আওতায় রয়েছে। তিনি এই মন্দিরের টাকার অডিট করতে গিয়ে এই বিষয়ে জানতে পারেন ও পুরোহিতদের অপকীর্তির পর্দা ফাঁস করেন। তারপরেই থানায় এই পুরোহিতদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়। প্রাথমিক রিপোর্টে জানা যায়, প্রায় ২০০০ জন ভক্তের টাকা এই ভুয়ো ওয়াবসাইটের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছে পুরোহিতরা। পুলিশের আরও সন্দেহ যে,  হয়ত মন্দিরের ডোনেশন বক্স থেকেও টাকা সরিয়েছে পুরোহিতরা। এব্যাপারে প্রমাণও মিলেছে।  সিসিটিভি ক্যামেরা চেক করে দেখা গেছে, যেদিনই ডোনেশন বক্সের টাকা গোনা হত সেদিনই সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো ঢাকা থাকত। অন্যদিকে কালাবুরাগির ডেপুটি কমিশনার (deputy commissioner) যশওয়ান্ত গুরুকর  অভিযুক্ত পুরোহিতদের থেকে টাকা উদ্ধারের নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়াও আরও  তদন্তের সঙ্গে সঙ্গে আরও তথ্য উঠে আসার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। 

  • Anil Parab: আর্থিক তছরুপ! শিবসেনা মন্ত্রীর বাড়িতে তল্লাশি ইডি-র

    Anil Parab: আর্থিক তছরুপ! শিবসেনা মন্ত্রীর বাড়িতে তল্লাশি ইডি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর্থিক তছরুপ মামলায় (Money Laundering Case) বৃহস্পতিবার মহারাষ্ট্রের শিবসেনা সরকারের পরিবহণমন্ত্রী অনিল পরবের বাড়িসহ একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)।

    জমি লেনদেনে দুর্নীতির অভিযোগে ইতিমধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপ রোধ আইনে (PMLA) মামলা রুজু করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেই সূত্রেই এদিন মুম্বই, পুণে, রত্নগিরিসহ মোট সাতটি এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশি চলাকালীন মুম্বইয়ের নরিমান পয়েন্টে নিজের বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন তিনবারের শিবসেনা বিধায়ক। গ্রেফতার করা হয়েছে মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ এক ব্যবসায়ীকে। আট ঘণ্টা ধরে মন্ত্রীর বয়ান রেকর্ড করেন আধিকারিকরা। রাত আটটা নাগাদ তাঁর বাড়ি ছাড়ে ইডি। তারপরেই মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যান অনিল পরব।

    আরও পড়ুন: কলকাতায় ইডি আধিকারিকদের নিরাপত্তার ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ

    জানা গিয়েছে, ২০১৭ সালে রত্নগিরির দাপোলি জেলায় ১ কোটি টাকা দিয়ে একটি জমি কিনেছিলেন অনিল। ২০১৯ সালের সেই জমি নথিভুক্ত করান। ইডির অভিযোগ, এর পরের বছর সদানন্দ কদম নামে মুম্বইয়ের এক কেবল অপারেটরকে ১ কোটি ১০ লক্ষ টাকায় জমিটি বিক্রি করেন তিনি। শুধু তাই নয়, ২০১৭ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে ওই জমিতে একটি রিসর্ট নির্মাণ করা হয়। চলতি বছরের মার্চে আয়কর বিভাগের একটি তদন্তে অভিযোগ করা হয়েছিল যে ২০১৭ সালে ওই বেআইনি নির্মাণের কাজ শুরু হয়। রিসর্টটি তৈরি করতে খরচ হয় মোট ৬ কোটি টাকা। 

    আরও পড়ুন: আর্থিক অনিয়ম আমলার! ৫ দিনের ইডি হেফাজতে আইএএস পূজা সিঙ্ঘল

    যদিও ইডির অভিযোগ স্বীকার করে নেননি মন্ত্রী। তিনি দাবি করেন রিসর্টটি তাঁর নয়, সদানন্দ কদমের নামে নথিভুক্ত। এর সঙ্গে আর্থিক তছরুপের কোনও যোগ নেই। এক বছর আগেও পরবের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। ইডিই ছিল সেই তদন্তের দায়িত্বে। অভিযোগ, বরখাস্ত হওয়া পুলিশ অফিসার সচিন ভাজে তাঁর বয়ানে জানিয়েছেন যে, পুলিশদের পছন্দের জায়গায় বদলি দেওয়ার পরিবর্তে পুলিশদের থেকে টাকা নিতেন অনিল পরব এবং এনসিপি নেতা অনিল দেশমুখ। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে নতুন মামলা দায়ের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের। 

     

  • PFI: পিএফআই-এর সব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    PFI: পিএফআই-এর সব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বাজেয়াপ্ত করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর্থিক তছরুপ (Money laundering) মামলায় পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (Popular Front of India) ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বাজেয়াপ্ত করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। বুধবার পিএফআই (PFI) এবং তার সহযোগী সংগঠন রিহ্যাব ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশনের (Rehab India Foundation) মোট ৩৩টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি (ED)। এর মধ্যে পিএফআই-এর ২৩টি অ্যাকাউন্টে প্রায় ৬০ লক্ষ টাকা এবং রিহ্যাব ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশনের ১০টি অ্যাকাউন্টের প্রায় সাড়ে ন’লক্ষ টাকা রয়েছে।   

    একটি ট্যুইটে ইডি জানিয়েছে, “পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া এবং রিহ্যাব ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশনের বাজেয়াপ্ত অ্যাকাউন্টগুলি থেকে মোট ৬৮,৬২,৮১ টাকা উদ্ধার হয়েছে।”

    [tw]


    [/tw]

    রাজ্য পুলিশ এবং জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার (NIA) অভিযোগের ভিত্তিতে পিএফআই-এর বিরুদ্ধে মামলা নথিভুক্ত করেছে ইডি। তদন্তে উঠে এসেছে যে এই টাকা ব্যবহার করে বিভিন্ন সময় পিএফআই-এর কর্মীরা বেআইনি কার্যকলাপ করেছে। ‘মুন্নার ভ্যালি প্রজেক্ট’, ‘বার ইন মিডল ইস্ট’ এরই অংশ। 

    ইডি জানিয়েছে, যেহেতু এই অ্যাকাউন্টের টাকা ব্যবহার করে অপরাধমূলক কাজ করা হয়েছে, তাই মামলাটি আর্থিক তছরুপ রোধ আইনের (PMLA) আওতায় পড়বে। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (CAA) বিরুদ্ধে সরব হয়েছিল যে সংগঠনগুলি, তাদের মধ্যে ‘পপুলার ফ্রন্ট অব ইন্ডিয়া’ অন্যতম। সাম্প্রতিক দিল্লি হিংসাতেও ওই ইসলামিক সংগঠনের যোগের কথা জানিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। এবার পিএফআই-এর বিরুদ্ধে বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে সক্রিয় হল ইডি।  

    এর আগে অন্য মামলায় পিএফআই-এর কিছু কর্মীকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। ২০১৮ সালে মামলাটি দায়ের করে ইডি। ২০২০ সালে ওই সংগঠনের যোগ আছে এমন বেশ কিছু জায়গায় হানা দেয় ইডি। ওই একই বছর পিএফআইকে নিষিদ্ধ করার ডাক দেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী (Yogi) আদিত্যনাথ। বিজেপি সরকারের দাবি, সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি অফ ইন্ডিয়া সিএএ এবং এনআরসির (NRC) বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলনের টাকার যোগান দিয়েছে।  

    পিএফআইকে নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব দিয়েছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাও। সূত্রের মতে, এবার সেই পথেই হাঁটতে চলেছে মোদি (Modi) সরকার। 

     

  • ED raid: রাজ্যে ভুয়ো পরিচয়পত্র বানাচ্ছে বাংলাদেশিরা! কলকাতা সহ ১০ জায়গায় হানা ইডি-র

    ED raid: রাজ্যে ভুয়ো পরিচয়পত্র বানাচ্ছে বাংলাদেশিরা! কলকাতা সহ ১০ জায়গায় হানা ইডি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ (Bangladesh) থেকে রাজ্যে এসে ভুয়ো পরিচয়পত্র বানিয়ে বসবাস করছে এমন ব্যক্তিদের সন্ধানে তল্লাশি চালাল ইডি (ED)। শুক্রবার কলকাতা-সহ দুই ২৪ পরগণার আট থেকে দশটি জায়গায় তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অশোকনগরের তিনটি জায়গায়, দমদমের একটি এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার দু’টি জায়গা মিলিয়ে মোট ১০টি জায়গায় তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তকারী অফিসারেরা। এদিন সকাল থেকে ইডি-র প্রায় ৬০-৭০ জন আধিকারিক একাধিক দলে ভাগ হয়ে তল্লাশি অভিযান চালান। 

    ইডি সূত্রে দাবি, বাংলাদেশের তদন্তকারী সংস্থার দেওয়া খবরের ভিত্তিতে তল্লাশি চালানো হয়। এক আন্তর্জাতিক টাকা পাচার চক্রের মাথা প্রশান্তকুমার হালদার। বাংলাদেশে তাঁর বিরুদ্ধে বিপুল অঙ্কের টাকা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে। বাংলাদেশি হলেও, এপার বাংলায় ঢুকে নিজেকে ভারতীয় বলে পরিচয় দেন প্রশান্তকুমার পাল। তিনি নিজেকে পরিচয় দেন শিবশঙ্কর হালদার বলে। এমনকী, এদেশে ভুয়ো আধার কার্ড, রেশন কার্ড, ভোটার কার্ড, প্যান কার্ড তৈরি করেন তিনি। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, সেইসব জাল নথি ব্যবহার করে এদেশে প্রশান্ত কুমার পাল ও তাঁর সহযোগীরা প্রায় হাজার কোটি টাকা পাচার করেন। প্রশান্তকুমার হালদারের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। বেআইনি টাকার হদিশ পেতে তল্লাশি অভিযান শুরু করে ইডি দেখে এদেশে ভুয়ো পরিচয়পত্রই বানিয়ে ফেলেছে অভিযুক্তেরা। শুধু তাই নয়, ভুয়ো পরিচয়পত্রের ভিত্তিতে এরাজ্যে বাংলাদেশিরা রীতিমতো ব্যবসা খুলে বসেছে। বিপুল স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বানিয়েছে। 

     স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অশোকনগরের মাছ ব্যবসায়ী সুকুমার মৃধাও এই চক্রের সঙ্গে জড়িত। তদন্তে জানা গিয়েছে, সুকুমার মাছ ব্যবসার আড়ালে হাওয়ালার কারবারে যুক্ত। বিভিন্ন অঞ্চলে জমি জায়গা কিনে ব্যবসা করেন তিনি। অশোকনগরে তাঁর একাধিক বাড়ি ও দোকান রয়েছে। এর সঙ্গে উঠে আসছে প্রশান্ত হালদার নামে এক ব্যক্তির নাম। প্রশান্ত মারফৎ এদেশে টাকা নিয়ে আসেন সুকুমার। শুক্রবার অশোকনগরে সুকুমার মৃধা-সহ প্রণব হালদার ও স্বপন মিশ্রর বাড়িতে একযোগে হানা দেন ইডির আধিকারিকরা। ইডির এক আধিকারিক জানান, রাজ্যে হালদারের এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেন মৃধা। মনে করা হচ্ছে, শহরের বিভিন্ন জায়গায় বেনামে জমি কিনেছে তারা। মৃধা এবং হালদারের পরিবারের লোকজনদের থেকে খোঁজখবর নিচ্ছে ইডি।

LinkedIn
Share