Tag: Monkey Pox

Monkey Pox

  • Mpox: মাঙ্কি পক্স রুখতে কোন নির্দেশ জারি করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক? কেন করোনার মতোই তৎপরতা?

    Mpox: মাঙ্কি পক্স রুখতে কোন নির্দেশ জারি করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক? কেন করোনার মতোই তৎপরতা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বিশ্ব জুড়ে বাড়ছে দাপট। আর তাই উদ্বেগও বাড়ছে। কয়েক বছর আগের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা এখনও তাজা। ফের কেউ সেই একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে চাইছেন না। তাই আগাম আটঘাট বেঁধে রাখতে চাইছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। দেশ জুড়ে তারা বাড়াচ্ছে সতর্কতা। গত বছরে মাঙ্কি পক্স (Mpox) বেশ কিছু দেশে প্রকোপ বাড়িয়েছিল। চলতি বছরেও এই ভাইরাস ফের সক্রিয় হয়েছে। তাই সজাগ স্বাস্থ্য প্রশাসন।

    কোন দিকে বাড়তি নজর দিচ্ছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক? (Mpox)

    করোনা-কালে অন্য দেশ থেকে আসা মানুষদের থেকেই ভারতে এই মহামারি ছড়িয়েছিল। তাই মাঙ্কি পক্সের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা নিতে চাইছে কেন্দ্র। স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, দেশের সবকটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাড়তি নজরদারির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বিশেষত বেঙ্গালুরু এবং মুম্বই বিমানবন্দরে এই ব্যাপারে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে। কারণ আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ থেকে এই সব বিমানবন্দরে বেশি যাতায়াত হয়। তবে বাদ নেই কলকাতা, দিল্লি, চেন্নাই সহ অন্যান্য বিমানবন্দরও। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, বিদেশ থেকে কেউ ভারতে আসলেই তার নির্দিষ্ট কিছু শারীরিক পরীক্ষা করানো হবে। পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পরেই সেই ব্যক্তির অবাধ যাতায়াতের অনুমতি দেওয়া হবে। যদি মাঙ্কি পক্সের নমুনা কোনও ব্যক্তির দেহে পাওয়া যায়, তাহলে ২১ দিনের কোয়ারেন্টাইনের নির্দেশ দেওয়া হবে। একদম করোনার পথেই মাঙ্কি পক্সের দাপট রুখতে চাইছে কেন্দ্র।

    কেন উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক?

    গ্রীষ্মপ্রধান দেশে মাঙ্কি পক্সের দাপট বেশি। রেইন ফরেস্ট এলাকা থেকেই এই রোগের (Mpox) প্রকোপ শুরু হয়েছিল। কিন্তু তার পরে সংক্রমণ ছড়িয়েছে বিভিন্ন দেশে। স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, বিশ্ব জুড়ে চলতি বছরে মাঙ্কি পক্সের দাপট বেড়েছে। মূলত আফ্রিকার দেশগুলোতে এই বছরে এই ভাইরাসের দাপট বেড়েছে। আফ্রিকার দেশ থেকে বহু মানুষ ভারতে আসেন। পর্যটক হিসেবে যাতায়াতের পাশপাশি বিভিন্ন বাণিজ্যিক কারণেও বিভিন্ন দেশের মানুষ ভারতে আসেন। ফলে যোগাযোগ যথেষ্ট নিবিড়। তাই বাড়তি সতর্ক না থাকলে ভারতেও পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে প্রশাসনের একাংশ।

    মাঙ্কি পক্স কতখানি ভয়াবহ? (Mpox)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছে, মাঙ্কি পক্স নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। চিকেন পক্সের মতোই এই রোগে জ্বর হয়। গোটা শরীরে লাল চাকা দাগ বা ফুসকুড়ি দেখা দেয়। কিন্তু এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে রক্তনালীর ভিতরে মারাত্মক প্রভাব পড়ে। ফলে শরীরে রক্ত সঞ্চালনে নানান জটিলতা তৈরি হয়। মাঙ্কি পক্স থেকে মৃত্যুও হতে পারে। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, মূলত পশুর দেহ থেকেই এই রোগ মানুষের শরীরে আসে। কিন্তু এই রোগের সংক্রমণ ক্ষমতা মারাত্মক। আক্রান্তের নাক, চোখ, মুখের লালা রস থেকে এই রোগ ছড়াতে পারে।‌ এমনকী আক্রান্তের ব্যবহার করা পোশাক থেকেও এই রোগ ছড়াতে পারে বলে জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। তাই সংক্রমণ রুখতে মরিয়া চেষ্টা করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। তবে এই রোগ সম্পর্কে জন সচেতনতা জরুরি বলেই জানাচ্ছে চিকিৎসকদের একাংশ। তারা জানাচ্ছে, যে কোনও সংক্রামক রোগ রুখতে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার জন সচেতনতা। জ্বর, কাশি কিংবা শরীরের বিভিন্ন জায়গা হঠাৎ লাল ফুসকুড়ি দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার। যাতে এই রোগের (Monkey Pox) দাপট বাড়ার আগেই মোকাবিলা সম্ভব হয়।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Deadly Triad Disease: কোভিড, এইচআইভি, মাঙ্কিপক্স, বিশ্বে এই প্রথম তিন মারণ রোগে একসঙ্গে আক্রান্ত যুবক

    Deadly Triad Disease: কোভিড, এইচআইভি, মাঙ্কিপক্স, বিশ্বে এই প্রথম তিন মারণ রোগে একসঙ্গে আক্রান্ত যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোভিড (Covid), মাঙ্কিপক্স (Monkey Pox) নিয়ে ইতিমধ্যেই সন্ত্রস্ত গোটা বিশ্ব। ফের নতুন করে ভয় ধরাতে শুরু করেছে এইচআইভি (HIV)। নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছেন বহু মানুষ। এরই মধ্যে এক বিরলতম ঘটনার সাক্ষী হল পৃথিবী। ইতালির এক যুবকের দেহে একই সঙ্গে ধরা পড়ল করোনা, মাঙ্কিপক্স এবং এইচআইভি। বিজ্ঞানীদের মতে বিশ্বে প্রথম এমন ঘটনা ঘটল। স্পেনে (Spain) ঘুরতে গিয়েছিলেন ইতালির এই ৩৬ বছর বয়সী যুবক। তারপরই এসে তিনি একই সঙ্গে তিনটে রোগে আক্রান্ত হন বলেই জানিয়েছে সিসিলির ক্যাটানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়।

    আরও পড়ুন: করোনা, মাঙ্কি পক্সের পরে এবারে নতুন আতঙ্ক টোম্যাটো ফ্লু, নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্র
     
    উপসর্গ হিসেবে এই ভদ্রলোকের জ্বর ছিল সঙ্গে গলা ধরা, মাথা ব্যথা ছিল বলে জানা গিয়েছে। জুনের ১৬ থেকে ২০ তারিখ অবধি তিনি স্পেনে ছিলেন। আর সেইসময় তিনি অন্য এক পুরুষের সঙ্গে অসুরক্ষিত যৌনতায় লিপ্ত হন। এরপর জুলাইয়ের ২ তারিখ তাঁর করোনার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। যদিও তার তিন দিন আগে থেকেই উপসর্গ দেখা দিয়েছিল। যেদিন তাঁর কোভিড ধরা পড়ে সেদিনই তাঁর সারা গায়ে র‍্যাশ বেরোতে শুরু করে। কোমরে, মুখে, হাতে বড় বড় ফোস্কা দেখা যায়। এরপর ৫ জুলাই তাঁকে স্যান মার্কো বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ছোঁয়াচে রোগের বিভাগে রাখা হয়। সেখানেই তাঁর মাঙ্কিপক্স টেস্ট করা হলে পজিটিভ আসে রিপোর্ট। একইসঙ্গে অন্যান্য আরও পরীক্ষা করা হয়, যেখানে ধরা পড়ে তিনি এইচআইভি ১ পজিটিভ। তাঁর এই প্রতিটা সংক্রমণ খুব সম্প্রতি হয়েছে বলেই দাবি করেছেন চিকিৎসকরা। কারণ এর আগে তিনি ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে যখন এইচআইভি টেস্ট করিয়েছিলেন তখন তাঁর রিপোর্ট নেগেটিভ ছিল।

      আরও পড়ুন: কোভিড এবং টোম্যাটো জ্বরের উপসর্গে অনেকটাই মিল, পার্থক্য বুঝবেন কীভাবে?

    এর পরই বিজ্ঞানীরা জানান, কোভিড এবং মাঙ্কিপক্স এক সঙ্গে হতেই পারে। এছাড়াও যাঁদের মাঙ্কিপক্স হচ্ছে তাঁদের সতর্ক থাকা উচিত। কারণ ২০ দিন পরেও অনেক ক্ষেত্রে রিপোর্ট পজিটিভ আসছে। সবকটি রোগ একসঙ্গে হলে প্রাণহানির কোনও আশঙ্কা বাড়ে কিনা সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। তবে সকলকে সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।    

    হাসপাতালে এক সপ্তাহের বেশি ভর্তি ছিলেন ওই ইতালীয় যুবক। কোভিড-১৯ এবং মাঙ্কিপক্স থেকে সেরে উঠেছেন তিনি। এইচআইভি সংক্রমণের চিকিৎসাও শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে গবেষকরা বলেছেন, “এই বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে দেখা গিয়েছে কোভিড এবং মাঙ্কিপক্সের লক্ষণ কী ভাবে মিশে গিয়েছে। ২টি সংক্রমণ এক সঙ্গে হলে কী ধরনের সমস্যা তৈরি হতে পারে, তা নিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Tomato Flu: কোভিড এবং টোম্যাটো জ্বরের উপসর্গে অনেকটাই মিল, পার্থক্য বুঝবেন কীভাবে?

    Tomato Flu: কোভিড এবং টোম্যাটো জ্বরের উপসর্গে অনেকটাই মিল, পার্থক্য বুঝবেন কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা (Corona), মাঙ্কি পক্সের (Monkey Pox) আতঙ্ক তো ছিলই এখন আবার নতুন করে আতঙ্কের সৃষ্টি করছে টোম্যাটো জ্বর (Tomato Fever)। আগের ভাইরাসগুলোর সঙ্গে সামলে ওঠার আগেই এবার ভারতে হানা দিয়েছে টোম্যাটো ফ্লু। কেরালা, ওড়িশা সহ বিভিন্ন রাজ্যে এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে বহু শিশু। সাধারণত ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদেরকেই এই জ্বরে বেশি আক্রান্ত হতে দেখা যাচ্ছে। এখনও পর্যন্ত ৮২ জন শিশু এই জ্বরে আক্রান্ত বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে সূত্রে খবর, অধিকাংশ আক্রান্ত কেরালার কোল্লাম (Kollam) জেলায় দেখা গিয়েছে। এই ভাইরাসের ক্ষেত্রে শিশুদেহে লাল ফোসকা দেখা যায় ও এর সঙ্গে ত্বকে জ্বালাও অনুভূত হয়।

    আরও পড়ুন: মাঙ্কি পক্সের পর এবারে চোখ রাঙাচ্ছে টোম্যাটো ফ্লু! কী এর উপসর্গ, জানুন…

    তবে অনেকেই টোম্যাটো ফ্লু বা টোম্যাটো জ্বরের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারেন না। তাই এই দুই ভাইরাসের কী কী উপসর্গ আছে তা ভালো করে জেনে রাখা দরকার। যদিও করোনা ও টোম্যাটো ফ্লু-এর কিছু উপসর্গ এক হতে পারে। যেমন- জ্বর, গা ব্যথা, ক্লান্তি। আবার কোভিডে আক্রান্ত রোগীদেরও গায়ে ফোসকা মত দেখা গিয়েছিল। কিন্তু টোম্যাটো ফ্লু-এর সঙ্গে সারস-কোভিড-২ এর কোনও সম্পর্ক নেই। টোম্যাটো ফ্লু একটি বিরল প্রকৃতির ভাইরাল ইনফেকশন এবং এটি আবার হাত-পা-মুখের রোগের (hand-foot-and-mouth disease) (HFMD) নতুন ভ্যারিয়েন্ট হতে পারে। হাত-পা-মুখের রোগে সাধারণত শিশুদের মুখে ঘা, হাতে পায়ে ফোসকা হয়। তবে, এই ভাইরাসের প্রধান লক্ষণগুলো হল গায়ে টোম্যাটোর মতো লাল রঙের ফোসকা (Blister)। এছাড়াও জ্বর, ত্বকে জ্বালা, সর্দি, কাশি, ডায়রিয়া, বমি, পেট ব্যথা ও শরীরে ব্যথা হয়। তবে কোভিডের ক্ষেত্রে আক্রান্তের গায়ে টোম্যাটোর মতো লাল রঙের বড় বড় ফোসকা দেখা যায়না।

    আরও পড়ুন: “করোনা ভাইরাস ক্লান্ত নয়, আগামী মাসে ফের বাড়বে আক্রান্তের সংখ্যা”, সতর্কবার্তা ‘হু’ প্রধানের

    আবার টোম্যাটো জ্বরের সঙ্গে অন্যান্য রোগের উপসর্গও এক হতে পারে। যেমন- তীব্র জ্বর, ফোসকা, জয়েন্টে ব্যথা ইত্যাদি চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রেও দেখা যায়। অন্যদিকে জ্বর, ডায়রিয়া, বমি, পেট ব্যথা, ক্লান্তি ও শরীরে ব্যথা ইত্যাদি টোম্যাটো জ্বরের লক্ষণ ডেঙ্গুর ক্ষেত্রেও দেখা যায়।

     

  • Tomato Flu: করোনা, মাঙ্কি পক্সের পরে এবারে নতুন আতঙ্ক টোম্যাটো ফ্লু, নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্র

    Tomato Flu: করোনা, মাঙ্কি পক্সের পরে এবারে নতুন আতঙ্ক টোম্যাটো ফ্লু, নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা (Corona), মাঙ্কি পক্সের (Monkey Pox) পর নতুন করে আতঙ্কের সৃষ্টি করছে টোম্যাটো ফ্লু (Tomato Flu)। ‘হ্যান্ড, ফুট অ্যান্ড মাউথ ডিজিজ’ (HFMD) বা টোম্যাটো ফ্লু (Tomato Flu) নিয়ে নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্র। এবার ক্রমবর্ধমান এই উদ্বেগের মধ্য়েই কেন্দ্রের তরফে নির্দেশিকা পাঠানো হল দেশের সমস্ত রাজ্যে। টোম্য়াটো ফ্লু নিয়ে সমস্ত রাজ্যকে সতর্ক করল কেন্দ্র। কারণ এখনও পর্যন্ত এর কোনও ওষুধ নেই। 

    এই নির্দেশিকাতে বলা হয়েছে, এই রোগ সাধারণত ১-১০ বছরের বাচ্চাদের মধ্যে হচ্ছে এবং কিছু প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যেও দেখা গিয়েছে। সাধারণত ফ্লু-এর মতই এই রোগের লক্ষণ যেমন- জ্বর, গা হাত পা ব্যথা, ক্লান্তি, ত্বকে র‌্যাশ হওয়া ইত্যাদি।  কিন্তু এটির সঙ্গে সারস কোভ-২, মাঙ্কিপক্স, ডেঙ্গু বা চিকুনগুনিয়ার কোনও সম্পর্ক নেই। এই রোগ থেকে মুক্তির প্রথম উপায় হল চারপাশে স্যানিটাইজ করা ও পরিস্কার রাখা। এই রোগে আক্রান্ত হলে রোগীকে কমপক্ষে ৫-৭ দিনের জন্য আইসোলেশনে থাকতে হবে। এই নির্দেশিকাতে আরও বলা হয়েছে, সংক্রমিত শিশুর সংস্পর্শে আসা উচিত নয়। জ্বর হয়েছে এবং ব়্যাশ দেখা গিয়েছে এরকম শিশুদের আলিঙ্গন করতে বারণ করুন নিজের সন্তানকে। এই রোগের জন্য এখনও কোনও ওষুধ, ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়নি।

    আরও পড়ুন: কোভিড এবং টোম্যাটো জ্বরের উপসর্গে অনেকটাই মিল, পার্থক্য বুঝবেন কীভাবে?

    গত ৬মে ২০২২- এ প্রথম এই রোগটি কেরলার কোল্লামে দেখা যায়। পাঁচ বছরের নীচের বয়সের ৮২টি শিশু এই রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। এছাড়া ওড়িশাতেও ২৬ জনের শরীরে এই রোগের জীবাণু পাওয়া যায়। তবে কেরালা, তামিলনাড়ু, ওড়িশা ছাড়া আর কোনও রাজ্যে এই রোগটি মেলেনি।

    কী এই টোম্যাটো ফ্লু

    এটি একটি ছোঁয়াচে রোগ। এই রোগের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল ত্বকের বিভিন্ন জায়গায় টোম্যাটো আকৃতির লাল ফোসকা। এর সঙ্গে ত্বকে জ্বালাও অনুভূত হয়। অন্যান্য ফ্লুয়ের মতই এই রোগের লক্ষণ। জ্বর, গায়ে হাত পায়ে ব্যথা, ত্বকের ওপর র‌্যাশ ইত্যাদি। এছাড়া ক্লান্তি, বমিভাব, দুর্বলতা, ডায়েরিয়া, ডিহাইড্রেশন ইত্যাদি। প্রথমে জ্বর, মুখের ভিতর জ্বালা এবং ত্বকের ওপর র‌্যাশ দিয়ে শুরু হয়। অনেকসময় হাল্কা জ্বর, খিদে না থাকা এবং গলা ব্যাথাও হতে পারে। জ্বর হওয়ার দু-তিন দিনের মধ্যেই ফোসকা পরে এবং তারপর সেগুলি বড় হয় এবং ঘা হয়ে যায়। এগুলি সাধারণত জিভে, মাড়িতে, গালের ভেতর এবং হাতের তালুতে হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Monkey Pox: নাম পরিবর্তন করা হবে মাঙ্কি পক্স-এর! কী বলছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষজ্ঞরা

    Monkey Pox: নাম পরিবর্তন করা হবে মাঙ্কি পক্স-এর! কী বলছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষজ্ঞরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোভিড (Covid-19) মহামারি এখনও শেষ হয়নি। পাশাপাশি বিশ্বে নতুন করে থাবা বসাচ্ছে মাঙ্কি পক্স। মাঙ্কি পক্সে (Monkey Pox) আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। এরই মধ্যে মাঙ্কি পক্সের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। শুধু তাই নয়, এই ভাইরাাসের নাম পরিবর্তন করে কী রাখা যেতে পারে তার জন্য বিশ্বের নাগরিকদের আহ্বান জানিয়েছে হু। ভাইরাসজনিত কারণেই যে এটি রোগ সৃষ্টি করে, তা বোঝাতেই নতুন নামকরণ করতে চান বিজ্ঞানীরা। কিছুদিন আগেই ৩০ জন বিজ্ঞানী লিখিত আবেদন জানান। এরপরই নাম পরিবর্তনের এই উদ্যোগ নেয় হু (WHO)।

    আরও পড়ুন: আতঙ্ক বাড়াচ্ছে মাঙ্কি পক্স, বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৫০০০-এর বেশি, মৃত্যু ১২ জনের

    একটি বানরের শরীরে প্রথম এই ভাইরাসের সন্ধান পাওয়া যায় বলেই এর ভাইরাসটির নাম মাঙ্কি পক্স হয়ে যায়। এছাড়াও এই মাঙ্কি পক্স ভাইরাসের সঙ্গে মহাদেশের নামও উল্লেখ করা হয়। ভাইরাসটিকে আফ্রিকান বলে উল্লেখ করা হয়, যা একদমই ঠিক নয়। ফলে হু-এর মুখপাত্র ফাডেলা চাইব (Fadela Chaib) সংবাদমাধ্যমে জানান, ‘মাঙ্কিপক্সের জন্য একটি নতুন নাম খুঁজে পাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি একটি গোষ্ঠী, একটি অঞ্চল, একটি দেশ, একটি প্রাণী ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে রাখা উচিৎ নয়।’

    এক সময়ে এই ভাইরাস শুধু আফ্রিকাতেই ছড়াত। ফলে অকারণ শুধু আফ্রিকাকে এর জন্য দোষী মনে করে অনেকে। কিন্তু বর্তমানে অন্য দেশেও মাঙ্কি পক্সের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে। আবার এই ভাইরাস প্রথমে বানরের শরীরে দেখা গিয়েছিল, কিন্তু পরবর্তীতে অন্যান্য পশুদের মধ্যেও এই ভাইরাস দেখা গিয়েছে। সুতরাং এর জন্যই মাঙ্কি পক্সের নাম পরিবর্তেনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে হু। আর এর জন্য নাগরিকদেরই সাহায্য করতে বলা হয়েছে হু-এর তরফে।

    আরও পড়ুন: ফের নয়া ভাইরাস-আতঙ্ক চিনে! করোনার থেকেও বেশি প্রাণঘাতী ‘ল্যাংয়া হেনিপাভাইরাস’?

    প্রসঙ্গত, ৯২টি দেশে মাঙ্কি পক্স ছড়িয়ে পড়েছে। সারা বিশ্বে ৩৫ হাজারের বেশি মানুষ মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত মাঙ্কি পক্সে ১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। মাঙ্কি পক্সকে ইতিমধ্যেই অতিমারী ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মাঙ্কিপক্সকে ‘গ্লোবাল হেলথ এমার্জেন্সি’ (Global Health Emergency) বলেও ঘোষণা করেছে।

     

  • Monkey Pox: আতঙ্ক বাড়াচ্ছে মাঙ্কি পক্স, বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৫০০০-এর বেশি, মৃত্যু ১২ জনের

    Monkey Pox: আতঙ্ক বাড়াচ্ছে মাঙ্কি পক্স, বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৫০০০-এর বেশি, মৃত্যু ১২ জনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার মাঙ্কি পক্স (Monkey Pox) নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। করোনা (Covid-19) থেকে এখনও সেরে ওঠেনি বিশ্ব। অনেক রাজ্যেই করোনা মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। এরই মধ্যে মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের সংখ্যাও বিশ্বজুড়ে বেড়েই চলছে। করোনার মতো মাঙ্কিপক্সের সংক্রমণের গ্রাফও ঊর্ধ্বমুখী। নতুন করে আতঙ্কের সৃষ্টি করছে এই ভাইরাস।

    ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (World Health Organisation) তরফে গত বুধবার জানানো হয়েছে যে, পুরো বিশ্বের ৯২ টি দেশ থেকে ৩৫০০০ আক্রান্তের সংখ্যা রিপোর্ট করা হয়েছে। আর মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। হু-এর ডিরেক্টর জেনারেল টেড্রোস রিসোর্সেস গেব্রেইসাস (Tedros Adhanom Ghebreyesus) জানিয়েছেন, গত সপ্তাহের থেকে এই সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা ২০ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। কারণ আগের সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৭৫০০, আর এই সপ্তাহে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫০০০-এর বেশি।

    তিনি আরও জানিয়েছেন, মাঙ্কি পক্সের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে ভ্যাকসিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে এবং এর জন্য অনেক দেশেই মাঙ্কি পক্সের জন্য টিকার উচ্চ চাহিদা রয়েছে। সূত্রে খবর অনুযায়ী, কিছু দেশ মাঙ্কি পক্সের প্রতিষেধক হিসেবে গুটি বসন্তের টিকা মজুত করে রেখেছে।

    [tw]


    [/tw]

    আরও পড়ুন: মাঙ্কি পক্সের নতুন উপসর্গ শনাক্ত করলেন বিজ্ঞানীরা, কী সেই উপসর্গ?

    দ্য ল্যানসেট (The Lancet) নামক ম্যাগাজিনে প্রকাশিত একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় বলা হয়েছে, গুটি বসন্তের (Small Pox) টিকা মাঙ্কি পক্সের গুরুতর সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম। তবে এটি  পরবর্তীতে মাঙ্কি পক্সের ক্ষেত্রে কাজ করতে নাও পারে।

    হু (WHO) থেকে আরও জানানো হয়েছে যে, মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত ব্যক্তিকে বাড়ির পোষ্যর থেকে দূরে থাকা উচিত। কারণ সম্প্রতি ফ্রান্সে একটি কুকুরের মাঙ্কি পক্স হওয়ার খবর সামনে এসেছে এবং কুকুরটি মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত ব্যক্তির থেকেই সংক্রমিত হয়েছে। কুকুর মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত, এমন ঘটনা এর আগে সামনে আসেনি। তাই হু-এর মতে এটি একটি নতুন তথ্য। ফলে সকলকেই সতর্ক থাকা উচিত। মাঙ্কি পক্সকে ইতিমধ্যেই অতিমারী ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মাঙ্কিপক্সকে ‘গ্লোবাল হেলথ এমার্জেন্সি’ (Global Health Emergency) বলেও ঘোষণা করেছে। ফলে সবাইকে এখন থেকেই সাবধান হতে বলা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, মাঙ্কিপক্স হল একটি ভাইরাল জুনোটিক রোগ-এই ভাইরাস পশু থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয় এবং এর উপসর্গগুলো গুটি বসন্তের মতোই। মাঙ্কি পক্সের সাধারণ লক্ষণ হল জ্বর,  দেহে বড় বড় ফুসকুড়ি এবং লিম্ফ নোড ফুলে যাওয়া। এই উপসর্গগুলো মানুষের দেহে সাধারণত দুই থেকে চার সপ্তাহ দেখা যায়।

  • ‘Langya’ Henipavirus: ফের নয়া ভাইরাস-আতঙ্ক চিনে! করোনার থেকেও বেশি প্রাণঘাতী ‘ল্যাংয়া হেনিপাভাইরাস’?

    ‘Langya’ Henipavirus: ফের নয়া ভাইরাস-আতঙ্ক চিনে! করোনার থেকেও বেশি প্রাণঘাতী ‘ল্যাংয়া হেনিপাভাইরাস’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাইরাসের সংক্রমণ এখনও আমাদের পিছু ছাড়ছে না। কোভিড-১৯ (Covid-19) এখনও পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়নি। অনেক রাজ্যেই করোনা মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। মাঙ্কি পক্সে (Monkey Pox) আক্রান্তের সংখ্যাও সারা বিশ্বে বেড়েই চলছে। এরই মধ্যে ফের নয়া প্রাণঘাতী ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে চিনে। এই ভাইরাসের নাম হল ল্যাংয়া হেনিপাভাইরাস (Langya henipavirus), যাকে LayV ও বলা হচ্ছে। চিনের হেনান ও শানডং প্রদেশে ৩৫ জনের শরীরে এই ল্যাংয়া হেনিপাভাইরাসের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। চিনের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা সোমবার এই ঘটনা সম্পর্কে জানিয়েছেন।

    জানা গিয়েছে, জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে এই ভাইরাস দেখা গিয়েছে। মূলত মানবদেহের গলায় এই ভাইরাস আক্রমণ করে বলে জানা গিয়েছে। গুরুতর সংক্রমণের ক্ষেত্রে তিন-চতুর্থাংশ মানুষের প্রাণ কেড়ে নিতে পারে এই ভাইরাসটি। তবে এখনও পর্যন্ত ল্যাংয়ায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ঘটেনি কারও। বেশিরভাগ রোগীরই উপসর্গ মৃদু। রোগীদের মধ্যে ফ্লু-এর মতো উপসর্গ দেখা দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু উদ্বেগের বিষয় হল যে, এখনও এই ভাইরাসকে প্রতিহত করার জন্য কোনও টিকা বের হয়নি। এমনকি এই ভাইরাসের চিকিৎসার কোনও পদ্ধতিও নেই।

    আরও পড়ুন:মাঙ্কি পক্স নিয়ে এবার সতর্কতা জারি রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের

    কী এই ল্যাংয়া হেনিপাভাইরাস?

    ল্যাংয়া ভাইরাস বা LayV হল নিপা ভাইরাসেরই (Nipah Virus) আরও একটি অংশ। এই ভাইরাসও খানিকটা নিপা ভাইরাসের মতোই। হেনিপাভাইরাস বেশিরভাগই প্রাণী থেকে প্রাণীতে স্থানান্তরিত হয়। তবে সম্প্রতি এটি মানুষের মধ্যে শনাক্ত করা গিয়েছে। এই ভাইরাস সংক্রামক কি না, অর্থাৎ, এটি একজনের থেকে অন্য জনের দেহে ছড়িয়ে পড়তে পারে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন চিনা গবেষকরা। যদিও এখনও অবধি কোনও সংক্রমণই গুরুতর হয়নি।

    ল্যাংয়া ভাইরাসের লক্ষণ

    এই ভাইরাস সাধারণত জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যেই দেখা গিয়েছে। বেজিং ইনস্টিটিউট অফ মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড এপিডেমিওলজির গবেষকরা বলছেন, এই ভাইরাসের ক্ষেত্রে মূল উপসর্গ জ্বর। তাছাড়া কাশি, ক্লান্তি, পেশীতে ব্যথা, বমির মতো উপসর্গও লক্ষ্য করা গিয়েছে আক্রান্তদের মধ্যে।

    আরও পড়ুন: মাঙ্কি পক্সের পর এবারে চোখ রাঙাচ্ছে টোম্যাটো ফ্লু! কী এর উপসর্গ, জানুন…

    এর আগে প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, ল্যাংয়া ভাইরাসটি ২০১৯ সালে মানুষের মধ্যে প্রথম দেখা গিয়েছিল। তবে এই ভাইরাসে সর্বাধিক আক্রান্তের সংখ্যা এই বছর লক্ষ্য করা গিয়েছে। আরও জানা গিয়েছে, নিপা ভাইরাস করোনার থেকেও বেশি মারাত্মক। কারণ আক্রান্তদের তিন-চতুর্থাংশ প্রাণ হারান। তাই এই ল্যাংয়া ভাইরাসও নিপাহ ভাইরাসের পরিবারের সদস্য হওয়ায় এটিও প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। চিনা গবেষকরা জানান, এখনও পর্যন্ত প্রায় ২% ছাগল এবং ৫% কুকুর এবং অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর দেহেও এই ভাইরাসের সংক্রমণ মিলেছে।

  • Monkey Pox: দিল্লিতে আরও এক মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের হদিশ, বিদেশ যাওয়ার ইতিহাস নেই রোগীর

    Monkey Pox: দিল্লিতে আরও এক মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের হদিশ, বিদেশ যাওয়ার ইতিহাস নেই রোগীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের দিল্লিতে মাঙ্কি পক্স আক্রান্তের হদিশ। এই নিয়ে তৃতীয়বার। গোটা দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮। রাজ্যসভায় কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মান্ডব্য এই বিষয়ে বলেন, “এই অবধি দেশে আটজন মাঙ্কি পক্স আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। এদের মধ্যে পাঁচ জনেরই বিদেশ ভ্রমণের ইতিহাস আছে।” 

    আরও পড়ুন: মাঙ্কি পক্সের নতুন উপসর্গ শনাক্ত করলেন বিজ্ঞানীরা, কী সেই উপসর্গ?
     
    সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ৫ দিন ধরে ওই ব্যক্তি জ্বরে আক্রান্ত৷ তাঁর সারা দেহে ফুসকুড়িও বেরিয়েছে৷ দেহ থেকে সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষার জন্য ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়েছে পুনের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজিতে৷ সোমবার বিকেলে জানা যায় তিনি মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত৷ এ ছাড়াও আরও দুই আফ্রিকান বংশোদ্ভূতকে মাঙ্কি পক্স আক্রান্ত সন্দেহে সরকারি হাসপাতালে আইসোলেটেড রাখা হয়েছে ৷ সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরশাহী থেকে সদ্য ফেরা এক ২২ বছর বয়সি যুবক কেরলে মাঙ্কি পক্স আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে ৷ 

    দিল্লির বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী এক নাইজেরীয়র (Nigerian Man) শরীরে পাওয়া গিয়েছে মাঙ্কি পক্সের (Monkey Pox) ভাইরাস। এই ব্যক্তির বিদেশ যাত্রার কোনও ইতিহাস নেই। এই মুহূর্তে দিল্লির (Delhi) এক সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ওই ব্যক্তি৷ এই নিয়ে ভারতে এখন পর্যন্ত মোট ৮ জন মাঙ্কি পক্স আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে৷ 

    দেশে মাঙ্কি পক্সকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে টাস্ক ফোর্স গঠন করা হয়েছে৷ নীতি আয়োগের স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান ডক্টর ভিকে পালের নজরদারিতে ৫ সদস্যের এই টাস্কফোর্স গঠন করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। মূলত এই রোগের প্রতিরোধ, পরীক্ষা, চিকিৎসা এবং টিকাকরণ সংক্রান্ত সমস্ত সিদ্ধান্ত নেবে এই কমিটি। ডাক্তার ভি কে পাল ছাড়াও কমিটিতে রয়েছেন, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ, বায়োটেকনোলজি দফতরের সচিব এবং অন্যান্য দফতরের সচিবরা। গত ২৬ জুন প্রধানমন্ত্রীর প্রধান সচিবের সভাপতিত্বে এক বৈঠকে মাঙ্কি পক্স নিয়ে টাস্কফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে সার্বিক পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে৷ মাঙ্কি পক্স যাতে দ্রুত ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্য বিভিন্ন সাবধানতা অবলম্বন করা হচ্ছে৷ 

    আরও পড়ুন: মাঙ্কি পক্স ভাইরাসের পৃথকীকরণে সফল ভারত, জানাল এইআইভি

    মাঙ্কি পক্সকে ইতিমধ্যেই অতিমারী ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। জরুরি অবস্থাও ঘোষণা করা হয়েছে। বিশ্বজুড়ে এই মুহূর্তে মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের সংখ্যা ১৬ হাজারেরও বেশি। মৃত্যুও হয়েছে বেশ কিছু। সম্প্রতি চিকিৎসকদের একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন, মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে নতুন উপসর্গ (Symptoms) শনাক্ত করেছে। মাঙ্কি পক্সে বড় বড় ফুসকুড়ি দেখা যায়। এই উপসর্গের কথা আগেই শুনেছেন সবাই। কিন্তু এর সঙ্গে চিকিৎসকরা শনাক্ত করেছেন আরও তিনটি উপসর্গ। যা আগে ছিল না। সেগুলো হল, যৌনাঙ্গে ঘা, মুখে ঘা এবং মলদ্বারে ঘা।    

     

  • Monkey Pox: মাঙ্কি পক্স নিয়ে নির্দেশিকা জারি স্বাস্থ্য মন্ত্রকের, কী করবেন, কী করবেন না? 

    Monkey Pox: মাঙ্কি পক্স নিয়ে নির্দেশিকা জারি স্বাস্থ্য মন্ত্রকের, কী করবেন, কী করবেন না? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার দিল্লিতে (Delhi) মাঙ্কি পক্সে (Monkey Pox) আক্রান্তের হদিশ মিলল। এবার এক নাইজেরীয় মহিলা (Nigerian woman)। বয়স ৩১ বছর। এই নিয়ে গোটা দেশে মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের সংখ্যা ৯ – এ দাঁড়াল। ৯ জন আক্রান্তের মধ্যে ইনিই প্রথম মহিলা। বাকি ৮ জনই পুরুষ। আক্রান্ত মহিলার শরীরে ফুসকুড়ি রয়েছে এবং সঙ্গে রয়েছে জ্বর। দিল্লির লোকনায়ক জয়প্রকাশ হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে তাঁর। তাঁর বিদেশ যাত্রার কোনও ইতিহাস নেই। 

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে আরও এক মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের হদিশ, বিদেশ যাওয়ার ইতিহাস নেই রোগীর

    দেশে মাঙ্কি পক্স দ্রুত সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। এই অবস্থায় কীভাবে সতর্ক থাকবেন দেশের মানুষ তার জন্যে একটি বিশেষ নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Union Health Ministry)। সেখানে বলা হয়েছে কী করতে হবে, আর কী করা যাবে না। 

    কী করবেন?

    • নিজেকে আইসোলেটেড রাখুন, যাতে অন্য কারও মধ্যে এই রোগ ছড়াতে না পারে।
    • হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন।
    • জল এবং সাবান দিয়ে বার বার হাত ধুতে হবে।
    • মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের কাছাকাছি থাকলে মাস্ক এবং গ্লাভস পরে থাকুন।
    • আশপাশ পরিষ্কার করার জন্যে ডিসইনফেক্ট্যান্টস ব্যবহার করুন। 

    আরও পড়ুন: মাঙ্কি পক্সের নতুন উপসর্গ শনাক্ত করলেন বিজ্ঞানীরা, কী সেই উপসর্গ?

    কী করবেনা না?

    • আক্রান্ত কারও ব্যবহার করা কাপড়, বিছানার চাদর, বালিশ, ব্যবহার করবেন না।
    • আপনার যদি এই রোগের সামান্য কোনও উপসর্গও থাকে, তাহলেও জনসমক্ষে যাওয়া এড়িয়ে চলুন।
    • আক্রান্ত কোনও রোগীর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করবেন না। ভুল তথ্য প্রচার করবেন না।
    • আক্রান্ত কোনও ব্যক্তির বার বার সংস্পর্শে এলে বা দীর্ঘক্ষন সংস্পর্শে থাকলে, যে কেউ আক্রান্ত হতে পারেন।
    • মাঙ্কি পক্সকে বিশ্বব্যাপী অতিমারী ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ইতিমধ্যেই এই রোগে বিশ্বজুড়ে আক্রান্ত হয়েছেন প্রান ১৬,০০০ মানুষ। সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের হদিশ মিলেছে ইউরোপে। 

     

     

     

     

     

     

  • Monkey Pox: মাঙ্কি পক্স নিয়ে এবার সতর্কতা জারি রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের

    Monkey Pox: মাঙ্কি পক্স নিয়ে এবার সতর্কতা জারি রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে সংক্রমণ ছড়ালেও বাংলায় এখনও প্রবেশ করেনি মাঙ্কি পক্স (Monkey Pox) ভাইরাস। কিন্তু তার আগেই মাঙ্কি পক্স নিয়ে সতর্কতা জারি করল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর (West Bengal Health Department)। 

    মাঙ্কি পক্স নিয়ে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সমস্ত জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ও মেডিক্যল কলেজগুলিকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে। সব হাসপাতালের মাইক্রো বায়োলজি বিভাগকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বেলেঘাটা আইডি-কে ইতিমধ্যেই প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তদের চিকিত্‍সার জন্যে আলাদা বেডের ব্যবস্থা করা হয়েছে সেখানে।  স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিনেও  মাঙ্কি পক্স আক্রান্তদের চিকিত্‍সার আলাদা বেড প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য ভবন। প্রতিটি জেলাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, অন্তত একটি সরকারি হাসপাতালে মাঙ্কি পক্সের জন্য বেড বরাদ্দ রাখার। রাজ্যের প্রতিটি মেডিক্যাল কলেজকেও বেড রাখতে বলা হয়েছে। সেইসঙ্গে নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের খোঁজ মিললে অবিলম্বে তা জানাতে হবে স্বাস্থ্য ভবনকে। মেডিক্যাল কলেজগুলিকে আইসোলেশন কেন্দ্রও প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য ভবন।  

    আরও পড়ুন: মাঙ্কি পক্স নিয়ে নির্দেশিকা জারি স্বাস্থ্য মন্ত্রকের, কী করবেন, কী করবেন না?

    পশ্চিমবঙ্গে এখনও কোনও মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের হদিশ মেলেনি। তবে ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন ইতিমধ্যেই মাঙ্কি পক্সকে ‘গ্লোবাল ইমারজেন্সি’ ঘোষণা করেছে। তাই মাঙ্কি পক্স নিয়ে রাজ্যগুলিকে আগে থেকেই প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। 

    মাঙ্কি পক্স নিয়ে কলকাতা পুরসভাকেও সতর্ক করেছে স্বাস্থ্য ভবন। প্রতিটি ওয়ার্ডে মাইকিং করে এবং হোর্ডিং এর সাহায্যে মাঙ্কি পক্স নিয়ে কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে। যদিও এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই বলে আশ্বস্ত করেছে রাজ্য সরকার। 

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে আরও এক মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের হদিশ, বিদেশ যাওয়ার ইতিহাস নেই রোগীর

    এখন পর্যন্ত দেশজুড়ে মাঙ্কি পক্সে ৯ জন আক্রান্তের খবর পাওয়া গিয়েছে, এদের মধ্যে একজনের মৃত্যুও হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে মোট ৯ জন আক্রান্তের মধ্যে পাঁচ জন কেরলের এবং চার জন দিল্লির। এই অবস্থায় মাঙ্কি পক্স সংক্রান্ত আগের নির্দেশিকাগুলি পুনর্বিবেচনা করার জন্য স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি বৈঠক ডেকেছে কেন্দ্র। এই বৈঠকে ন্যাশনাল এইডস কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন, ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।   

LinkedIn
Share