Tag: Monsoon

Monsoon

  • Weather Update: আজও ভিজতে পারে শহর! ৫ জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস, কেমন থাকবে আবহাওয়া?

    Weather Update: আজও ভিজতে পারে শহর! ৫ জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস, কেমন থাকবে আবহাওয়া?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় রেমালের (Cyclone Remal) প্রভাবে টানা বৃষ্টির পর মঙ্গলবার সকালে আকাশে রোদের দেখা মিলেছে। তবে, আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Update) অনুযায়ী আজ মঙ্গলবার এবং আগামী কয়েকদিনও রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় রয়েছে কম বেশি বৃষ্টির পূর্বাভাস। 

    কোথায় কোথায় বৃষ্টি

    আলিপুর জানিয়েছে (Weather Update), এপার বাংলা ছেড়ে ঘূর্ণিঝড় রেমাল (Cyclone Remal) এখন ওপার বাংলার উপর অবস্থান করছে। গত ছয় ঘণ্টায় 20 কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়েছে। সে আরও দুর্বল হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে৷ হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী আজ মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় হতে পারে বৃষ্টি। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে এদিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ির কিছু কিছু এলাকায়। ওই সমস্ত জায়গায় জারি থাকছে কমলা সতর্কতা। পাশাপাশি দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার কিছু অংশে হতে পারে ভারী বৃষ্টিপাত। সেক্ষেত্রে ওই জেলায় থাকছে হলুদ সতর্কতা। পুরো সপ্তাহ ২৯, ৩০, ৩১ মে এবং ১ জুন উত্তরবঙ্গে ৫ জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

    শহরের আবহাওয়া

    হাওয়া অফিস (Weather Update) সূত্রে খবর, এদিন শহর কলকাতার আকাশ মূলত মেঘলা থাকবে। সঙ্গে হতে পারে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাতও। তবে লাগাতার বৃষ্টির জেরে তাপমাত্রার পারদ অনেকটা নেমে গিয়েছে। এদিন কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৮.৫ ডিগ্রি কম। অন্যদিকে দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ২ ডিগ্রি কম।

    আরও পড়ুন: আজ কলকাতায় মেগা রোড-শো মোদির, রয়েছে অশোকনগর ও বারুইপুরে জোড়া সভাও

    আসছে বর্ষা

    হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস (Weather Update) অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড় রেমালের (Cyclone Remal) পরেই বর্ষার অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে দেশে। ধীরে ধীরে সক্রিয় হচ্ছে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু। ইতিমধ্যেই আন্দামানে বর্ষা প্রবেশ করেছে। সব ঠিক থাকলে ৩১ মে কেরলে বর্ষা প্রবেশ করতে পারে। এর থেকে চার দিনের হেরফেরও হতে পারে। পশ্চিমবঙ্গে বর্ষা আসতে পারে ১০ জুনের পরে। আইএমডি-র পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি বছর দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ১০৪ শতাংশ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যা তুলনামূলকভাবে বেশি। ২০২৩ সালে সারা দেশে বৃষ্টি হয়েছিল প্রায় ৯৪ শতাংশ। এবার তার তুলনায় বেশি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Monsoon Update: ‘বরিষ ধরা মাঝে শান্তির বারি’! তীব্র গরমে বর্ষা নিয়ে সুখবর দিল মৌসম ভবন

    Monsoon Update: ‘বরিষ ধরা মাঝে শান্তির বারি’! তীব্র গরমে বর্ষা নিয়ে সুখবর দিল মৌসম ভবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৈশাখের কাঠফাটা রোদ, অসহ্য গরমের মধ্যেই বর্ষা (Monsoon Update) নিয়ে সুখবর দিল মৌসম ভবন। বর্ষায় দেশে এবার স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টি হবে বলে পূর্বাভাস দিল কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতর। সোমবার আইএমডি-র তরফে জানানো হয়েছে, চলতি বছরে গোটা দেশে স্বাভাবিকের চেয়ে ছ’শতাংশ বেশি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ হতে পারে ৮৭ শতাংশ। দীর্ঘ হবে বর্ষাকাল।

    কী বলল মৌসম ভবন

    মৌসম ভবন জানাচ্ছে, এই মরশুমে বৃষ্টিপাত (Monsoon Update) স্বাভাবিকের থেকে কিছুটা বেশি হবে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, সামগ্রিকভাবে পশ্চিমবঙ্গের সর্বত্রই বৃষ্টি স্বাভাবিক বা তার কিছু বেশি হবে। তবে, দক্ষিণবঙ্গের কিছু জেলাতে স্বাভাবিকের থেকে কম বৃষ্টি হবে বলে মনে করছে হাওয়া অফিস। আবহাওয়া দফতর মনে করছে, ‘এল নিনো’র প্রভাবে বর্ষার প্রথম ভাগে তাপমাত্রা বাড়বে। যা মোটামুটি জুলাই অবধি চলবে। এরপর বৃষ্টি বাড়বে। দুর্যোগ বাড়বে সারা দেশেই। আমাদের দেশে জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহ নাগাদ বর্ষা ঢোকে। এবারও তার পরিবর্তন হচ্ছে না বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত এবছর দেশে  বর্ষা আসার দিনক্ষণ জানায়নি আবহাওয়া অফিস। কেরলে বর্ষা তাড়াতাড়ি এলে সারা দেশেই বর্ষা আসবে সময়ের আগে। আবহবিদদের ধারণা, এল নিনোর প্রভাবে এবারও সময়ের আগেই দেশে বর্ষা আসতে পারে।   

    আরও পড়ুন: অভিষেকের পর অযোধ্যায় প্রথম রাম নবমীতে পূজিত হবেন রামলালা, চলছে বিশেষ প্রস্তুতি

    কেন বেশি বৃষ্টি

    সোমবার আইএমডি-র তরফে জানানো হয়েছে, বসন্তকালে এ বার উত্তর মেরুতে অন্য বারের তুলনায় কম তুষারপাত হয়েছে। এর সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর বিপরীত সম্পর্ক রয়েছে। সব মিলিয়ে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, এ বার স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বৃষ্টি (Monsoon Update) পাবে দেশ। ১০৬ শতাংশ বৃষ্টি হতে পারে দেশে, বলছে মৌসম ভবন। মৌসম ভবনের ডিজি মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র বলেছেন, ‘এল নিনো’ থাকলে সামগ্রিক ভাবে দেশে যেমন বেশি বৃষ্টি হয়, তেমনই ওড়িশা, দক্ষিণবঙ্গের কিছু অংশে স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা কম বৃষ্টি হয়। আসল কথা, ১৫ জুলাই থেকে ১৫ অগস্টের মধ্যে কতটা বৃষ্টি হচ্ছে তার উপর বেশি খেয়াল রাখা হয়। ওই সময়ে পর্যাপ্ত বৃষ্টি হলে মুখে হাসি ফোটে কৃষকদের। কারণ, ওই সময়ই আমন ধান রোপণের কাজ চলে। ওই পর্বে স্বাভাবিক পরিমাণে বৃষ্টি হলে বাংলার চাষিরা কিছুটা হলেও নিশ্চিন্তে থাকেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Monsoon Cold and Cough: বৃষ্টিতে ভিজে সর্দি-কাশি! কোন কোন ঘরোয়া উপাদান কমাবে ভোগান্তি? 

    Monsoon Cold and Cough: বৃষ্টিতে ভিজে সর্দি-কাশি! কোন কোন ঘরোয়া উপাদান কমাবে ভোগান্তি? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বর্ষার মরশুম! কখন বৃষ্টি হবে, অনেক সময়ই আগাম বোঝার উপায় নেই। প্রায়ই স্কুল ফেরত কিংবা অফিস যাওয়ার সময় অঝোর বৃষ্টিতে ভিজতে হচ্ছে। যার জেরে হাঁচি-কাশি, সর্দি, গলা ব্যথার মতো সমস্যা (Monsoon Cold and Cough) লেগেই থাকছে। এমনকী লাগাতার সর্দির জন্য নানা সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে ভোগান্তি বাড়ছে। সব মিলিয়ে নাজেহাল বঙ্গবাসী। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, কিছু ঘরোয়া উপাদান সঙ্গে থাকলে এই ভোগান্তি কমতে পারে।

    কোন কোন উপাদান নিয়মিত সঙ্গী হলে ভোগান্তি (Monsoon Cold and Cough) কমে? 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত লেবু খাওয়া দরকার। যে কোনও ধরনের লেবুর রস নিয়মিত খেতে হবে। লেবুতে রয়েছে ভিটামিন সি। যা সর্দি-কাশি প্রতিরোধে শরীরে বাড়তি শক্তি জোগায়। তাই নিয়মিত লেবুর রস খেলে সর্দি-কাশির হাত থেকে রেহাই পাওয়া সহজ হয়। 
    যাঁরা অতিরিক্ত সর্দি-কাশিতে ভোগেন, তাঁদের সকালে মধু খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। বিশেষত শিশু ও বয়স্কদের মধু খাওয়ার পরামর্শ তাঁরা দিচ্ছেন। মধুতে শরীর গরম থাকে। ফলে, সর্দির প্রকোপ (Monsoon Cold and Cough) কমে। 
    বৃষ্টিতে ভিজলে একটা গোটা লবঙ্গ চিবিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। লবঙ্গ গলার জন্য খুবই উপকারী। তাই গলার আপার রেসপিরেটরি ট্র্যাক ইনফেকশন এড়াতে লবঙ্গ বিশেষ সাহায্য করে বলেই জানাচ্ছেন তাঁরা। 
    গোলমরিচ আর তুলসী পাতা একসঙ্গে মিশিয়ে খেলে সর্দি-কাশিতে (Monsoon Cold and Cough) বিশেষ উপকার পাওয়া যাবে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ, এগুলো শরীর গরম রাখে, আবার সংক্রমণ রুখতেও সাহায্য করে।
    রাতে ঘুমনোর আগে গরম দুধে হলুদ মিশিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, দুধে রয়েছে ভিটামিন, ক্যালসিয়াম আর হলুদে রয়েছে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ানোর ক্ষমতা। এই দুটি এক সঙ্গে খেলে শরীর সুস্থ থাকে। 
    খাবারে আদা ও রসুন দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। আদা ও রসুনে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে। যার জেরে শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। যে কোনও সংক্রমণ থেকে বাঁচাতে সাহায্য করে। তাই খাবারে এই দুই উপকরণ দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদরা।

    কোন কোন দিক এড়িয়ে চলা বিশেষ জরুরি? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, খাবার ও ঘরোয়া উপকরণ রোগ (Monsoon Cold and Cough) প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে সাহায্য করবে। তবে, সতর্ক ও সচেতন না হলে ভোগান্তি বাড়বে। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, এই আবহাওয়ায় আইসক্রিম, ঠান্ডা নরম পানীয় এড়িয়ে চলা উচিত। কারণ, এগুলো খেলে দ্রুত আপার রেসপিরেটরি ট্র্যাক ইনফেকশনে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। 
    তাছাড়া, যেহেতু আবহাওয়ার খামখেয়ালি ধরন রয়েছে, দ্রুত তাপমাত্রা ওঠানামা করছে, তাই লাগাতার এসি ঘরে থাকা উচিত নয় বলেই পরামর্শ চিকিৎসকদের। বিশেষত, বৃষ্টিতে ভিজে গেলে তারপর কখনই এসি ঘরে থাকা চলবে না বলেই তাঁরা জানাচ্ছেন। এতে সর্দি-কাশির (Monsoon Cold and Cough) ঝুঁকি বাড়বে। 
    তাছাড়া, পরিবারের কেউ সর্দি-কাশি বা জ্বরে আক্রান্ত হলে বাকিদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। যাতে সংক্রমণ বেশি না ছড়ায়। বিশেষত শিশুদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখা জরুরি।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue: বিজ্ঞাপনেই কি দায়িত্ব শেষ? বর্ষার শুরুতেই ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গুর দ্বিগুণ প্রকোপ!

    Dengue: বিজ্ঞাপনেই কি দায়িত্ব শেষ? বর্ষার শুরুতেই ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গুর দ্বিগুণ প্রকোপ!

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    অগাস্ট-সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয় আতঙ্ক। অক্টোবরে প্রকোপ বাড়ে মারাত্মক! প্রত্যেক বছর ম্যালেরিয়া আর ডেঙ্গুর (Dengue) প্রকোপ যেন রাজ্যবাসীর সঙ্গী হয়েছে। এ বছরে সেই ভোগান্তি আরও কয়েক গুণ বাড়বে বলেই আশঙ্কা করছে বিশেষজ্ঞ মহল। কারণ, বর্ষার শুরুতেই দ্বিগুণ হয়েছে ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা!

    কী বলছে স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট (Dengue)? 

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বছরের প্রথম ছ’মাসের ডেঙ্গু (Dengue) ও ম্যালেরিয়া আক্রান্তের পরিসংখ্যান উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ছ’মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দু’হাজারের কাছাকাছি। ম্যালেরিয়া আক্রান্ত শুধু কলকাতাতেই গত ছ’মাসে দেড় হাজার ছাড়িয়েছে। যা ২০২২ সালের তুলনায় দ্বিগুণ। কলকাতার যাদবপুর, গিরিশ পার্ক সহ একাধিক এলাকায় নিয়মিত ম্যালেরিয়ার প্রকোপ বাড়ছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, গত বছর যে সব এলাকাকে ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার জন্য রেড জোন অর্থাৎ, অধিক বিপজ্জনক বলে ঘোষণা করা হয়েছিল, ২০২৩ সালের প্রথম ছ’মাসে সেই সব এলাকার স্বাস্থ্য পরিস্থিতির বিশেষ উন্নত হয়নি। বিশেষত উত্তর চব্বিশ পরগনার দমদম, হাবড়া, বসিরহাট, নিউটাউন এলাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ মারাত্মক। আবার হুগলি, হাওড়া জেলায় ডেঙ্গুর পাশপাশি প্রকোপ বাড়াচ্ছে ম্যালেরিয়া। যে হারে ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তা রাজ্যবাসীর জন্য উদ্বেগজনক বলেই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল।

    বিজ্ঞাপনেই কি দায়িত্ব শেষ? 

    স্বাস্থ্য দফতর ও সংশ্লিষ্ট পুরসভার বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের একাংশের অভিযোগ, হোর্ডিং আর ফ্লেক্স টাঙিয়েই দায়িত্ব শেষ করতে চাইছে সংশ্লিষ্ট মহল। যেমন, উত্তরপাড়ার একাধিক রাস্তায় হোর্ডিং টাঙিয়েছে উত্তরপাড়া পুরসভা। আশপাশ পরিষ্কার রাখা, নোংরা না ফেলার জন্য সেখানে বলা হয়েছে। জমা জল মশার আঁতুড় ঘর, ডেঙ্গু (Dengue) নিয়েও রয়েছে সতর্কবার্তা। কিন্তু বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাস্তা, পার্ক কে পরিষ্কার করবে? উত্তরপাড়ার একাধিক পার্কে অপ্রয়োজনীয় গাছ কাটা হয় না। নোংরা হয়ে থাকে। ফলে, শিশুরা খেলতে গেলেই মশার কামড়ের আশঙ্কা থাকে। নিকাশি ব্যবস্থা নিয়েও তাদের অভিযোগ। বৃষ্টি হলেই জল জমে। এই একই অভিযোগ হাওড়া ও কলকাতার বাসিন্দাদের একাংশের। গিরিশ পার্ক সহ উত্তর কলকাতার একাধিক জায়গায় ম্যালেরিয়ার প্রকোপ বাড়ছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাস্তার মোড়ে হোর্ডিং দেওয়া হচ্ছে, জল জমতে দেওয়া যাবে না। এদিকে সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তার জল বাড়িতে উঠে আসছে। শুধু বিজ্ঞাপন কি ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া রুখতে পারবে?

    কী বলছেন স্বাস্থ্য কর্তারা? 

    স্বাস্থ্য কর্তারা অবশ্য এই সব অভিযোগ মানতে নারাজ। তাঁরা জানাচ্ছেন, সব রকম কাজ হচ্ছে। শুধুই হোর্ডিং টাঙিয়ে তাঁরা দায়িত্ব শেষ করছেন না। বিভিন্ন পুরসভার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে। পঞ্চায়েত ও পুরসভার সাহায্য নিয়ে বাড়ি বাড়ি জ্বর হয়েছে কিনা, খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। তবে, এক স্বাস্থ্যকর্তা বলেন, “ডেঙ্গু, (Dengue) ম্যালেরিয়া রুখতে সচেতনতা সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। মানুষ তার আশপাশ পরিষ্কার রাখলে অনেক সংক্রমণ কমবে। তাই সেদিকে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তবে প্রয়োজনীয় অন্যান্য পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।”

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Weather: বর্ষার অনুকূল পরিবেশ দক্ষিণবঙ্গে! কবে নামবে বৃষ্টি?

    West Bengal Weather: বর্ষার অনুকূল পরিবেশ দক্ষিণবঙ্গে! কবে নামবে বৃষ্টি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা রাজ্যবাসীর। মাঝে মধ্যে ছিটেফোঁটা বৃষ্টিপাত স্বস্তি নিয়ে এলেও তা ক্ষণস্থায়ী। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি হওয়াতে অস্বস্তি বাড়ছে। কবে আসবে বর্ষা? রাজ্যবাসী উদগ্রীব চাতক পাখির মতোই। উল্লেখ্য, ৮ জুন বর্ষা প্রবেশ করেছে কেরলে।

    বঙ্গে কবে ঢুকছে বর্ষা? (West Bengal Weather)

    দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর দেখা কবে মিলবে বঙ্গে? আশার কথা শোনাচ্ছেন আলিপুর আবহাওয়া দফতরের কর্তারা। তাঁদের মতে, ‘‘১৯ থেকে ২২ জুনের বর্ষা প্রবেশ করতে পারে বঙ্গে।’’ কিন্তু কীভাবে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে? আবহবিদদের কথায়, ‘‘প্রাক বর্ষার আবহাওয়া রাজ্য জুড়ে দেখা যাচ্ছে। তাপপ্রবাহ যেমন চলছে, তেমনি বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাতও হচ্ছে মাঝে সাঝে, যা বর্ষা আসার পূর্বাভাস।’’ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘‘কেরলে বর্ষা ঢোকার এক সপ্তাহ পরে সাধারণত তা বাংলায় আসে। তবে হিসাব সব সময় যে মিলবে, এমনটা নয়।’’ কেরলে ঢোকার পরে মৌসুমি বায়ু হিমালয়ে ধাক্কা খেয়ে ফেরে রাজ্যের ওপর দিয়ে। প্রথমে ভিজতে থাকে উত্তরবঙ্গ, পরে দক্ষিণবঙ্গ। এমনিতে কেরলে বর্ষা ঢোকে ১ জুন। তবে প্রতিবার এমন নিয়ম মানে না মৌসুমি বায়ু। গত বছর সময়ের আগেই ঢুকেছিল বর্ষা (২৯ মে)। ২০২১ সালে বর্ষা ঢুকেছিল ৩ জুন। ২০২০ সালে অবশ্য ক্যালেন্ডার অনুসরণ করেই কেরলে বর্ষা ঢুকেছিল। আবার ২০১৯ সালে চলতি বছরের মতোই ৮ জুন দেশে বর্ষা ঢুকেছিল।

    উত্তরবঙ্গে ইতিমধ্যে ঢুকেছে বর্ষা (West Bengal Weather)

    উত্তরবঙ্গে বর্ষা ইতিমধ্য়ে প্রবেশ করেছে বলেও জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। তাদের মতে, আপাতত দার্জিলিং সহ কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার জেলাগুলিতে অতি ভারী বৃষ্টি চলবে। তবে মালদা, দক্ষিণ দিনাজপুরের মতো জেলাগুলিতে তাপপ্রবাহের সতর্কতাও দিয়েছেন আবহবিদরা। দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলাতে রয়েছে তাপপ্রবাহের সতর্কতা। যেমন পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, পশ্চি মবর্ধমান, বাঁকুড়া, বীরভূম। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। রয়েছে বন্যার সতর্কতাও! সব মিলিয়ে প্রকৃতির খামখেয়ালিপনায় জর্জরিত রাজ্যবাসী। ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কতা কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ির কিছু অংশে। পার্বত্য এলাকার দুই জেলা দার্জিলিং ও কালিম্পঙে টানা বৃষ্টির জেরে ধস নামার আশঙ্কা রয়েছে। একটানা ভারী বৃষ্টির জেরে উত্তরবঙ্গের নিচু এলাকাগুলিতে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে (West Bengal Weather)। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে।

    আরও পড়ুন: বীরভূমে শাসক দলের দুষ্কৃতীদের দ্বারা আক্রান্ত বিরোধীরা, কমিশনের দ্বারস্থ বিজেপি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: বিদায় নিচ্ছে বর্ষা? রাজ্যজুড়ে কমল তাপমাত্রা

    Weather Update: বিদায় নিচ্ছে বর্ষা? রাজ্যজুড়ে কমল তাপমাত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে রাজ্য থেকে বিদায় নিয়েছে বর্ষা। বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ অনেকটাই কমেছে। এমতাবস্থায় সকালের দিকে তাপমাত্রা সামান্য হলেও হ্রাস পেয়েছে রাজ্য জুড়ে। আপাতত রাজ্যের কোথাওই বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই। তবে ১৮ অক্টোবর উত্তর আন্দামান সাগরে নিম্নচাপ তৈরি এবং ২০ অক্টোবর নাগাদ নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। যদিও তা কতটা সক্রিয় হবে, এবং বাংলার ওপরে তার কতটা প্রভাব পড়বে, তা এখনও নিশ্চিত করেননি আবহাওয়াবিদদের।      

    আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৮ অক্টোবর আন্দামান সাগরে তৈরি হতে পারে একটি ঘূর্ণাবর্ত। ঘূর্ণাবর্ত আরও তীব্র হয়ে ২০-২১ অক্টোবর নাগাদ এই ঘূর্ণাবর্ত পরিণত হতে পারে নিম্নচাপে। এই নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড়ের আকারও নিতে পারে বলে মত আবহবিদদের। তবে ঘূর্ণিঝড়ের পরিস্থিতি তৈরি হবে কি না, তা পরবর্তীতে হাওয়া অফিসের তরফ থেকে জানানো হবে বলে সূত্রের খবর। নিম্নচাপের প্রভাবে কোন কোন জায়গায় বৃষ্টিপাত হতে পারে তা-ও হাওয়া অফিসের তরফে নিশ্চিত করা হবে বলে জানানো হয়েছে। 

    আরও পড়ুন : সায়গলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করতে পারবে ইডি, অনুমতি আদালতের  

    এদিন সকালে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আগামী ৪৮ ঘন্টা অর্থাৎ ১৯ অক্টোবর বুধবার সকালের মধ্যে উত্তরবঙ্গের সবকটি জেলার আবহাওয়া শুকনো থাকবে। আপাতত কোথাও বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই। হিমালয় সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রার পরিবর্তনেরও সেরকম কোনও পূর্বাভাস দেওয়া হয়নি।   

    প্রসঙ্গত, উৎসবের আমেজে মেতে রয়েছে দেশ। সদ্য পেরিয়েছে দুর্গা পুজো। সপ্তাহ শেষেই কালীপুজো এব‌ং দীপাবলির উৎসব পালিত হবে ঘরে ঘরে। দুর্গা পুজোতে বৃষ্টি বেশ খানিকটা বিঘ্ন ঘটিয়েছে। আবার কালী পুজোর সময়ে বৃষ্টি হলে দেশবাসীর আলো-উৎসব উদ্‌যাপনে ভাটা পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে ব্যবসা-বাণিজ্যও।     

    দুর্গাপুজোর সময় বাংলা-সহ একাধিক রাজ্যে বৃষ্টিপাতের কারণে উৎসবের মজা মাটি হয়েছিল। এ বার কালীপুজোর মজাও মাটি হয় কিনা এখন তা সময়ই বলবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Weather Update: নিম্নচাপের বৃষ্টিতে জল থৈ থৈ! আরও বাড়বে ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ার প্রকোপ?

    Weather Update: নিম্নচাপের বৃষ্টিতে জল থৈ থৈ! আরও বাড়বে ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ার প্রকোপ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুরুগুরু মেঘের গর্জনেই ঘুম ভাঙল শহরবাসীর। অফিস বেরনোর সময়ই ঝেঁপে বৃষ্টি (Weather Update)। কলকাতার বিভিন্ন অঞ্চলে যানজটের আশঙ্কা। স্কুলে ঢোকার মুখে ভিজতে হয়েছে ছোটদেরও। সকাল ৮ টা থেকে আকাশ কালো করে বৃষ্টি নেমেছে শহরের বিভিন্ন অংশে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণায়, আগামী ৩ ঘণ্টা মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। গত ক’দিনের টানা বৃষ্টিতে জমা জলে মশার লার্ভা জন্মানোর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এর ফলে আরও বাড়তে পারে ম্যালেরিয়া-ডেঙ্গির প্রকোপ। 

     জমা জলে বাড়ছে মশার লার্ভা!

    ভোর থেকেই দফায় দফায় ঝিরঝিরে বৃষ্টি শুরু হয়েছে কলকাতা এবং সংলগ্ন এলাকায়। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Update), শুক্রবার দিনভর কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত ভাবে বৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টির জেরে নিচু এলাকা জলমগ্ন হতে পারে বলে আশঙ্কা। গত দু’দিনও দফায় দফায় বৃষ্টি হয়েছে কলকাতায়। শহরের নানা জায়গায় ভূগর্ভস্থ নিকাশি ব্যবস্থার কাজ চলছে। এর জেরে খোঁড়াখুঁড়ি করতে হচ্ছে রাস্তার। ফলে একটু বৃষ্টিতেই জল জমে থাকছে। শহরের সংযুক্ত এলাকার নিকাশি পরিকাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলির বেশ কিছু অংশে রাস্তার যে বেহাল অবস্থা, তা সম্প্রতি স্বীকার করে নিয়েছেন খোদ কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমও। জমা জলে বংশ বিস্তার করছে মশা। উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়াই হল মশার বংশ বিস্তারে সবচেয়ে অনুকূল পরিবেশ। পাশাপাশি রয়েছে ঝড়-বৃষ্টির জেরে ইতি উতি জল জমে থাকার সমস্যা। সেখানেই নিশ্চিন্তে বেড়ে উঠছে মশার লার্ভা। শহরে ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ার বাড়বাড়ন্তের এটি একটি অন্যতম কারণ।

    কোথায় কোথায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা

    শুক্রবার সকালে স্থানীয় বজ্রগর্ভ মেঘ থেকে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, পূর্ব মেদিনীপুর, দুই ২৪ পরগনায় বৃষ্টি হয়েছে। হাওয়া অফিস (Weather Update) সূত্রে খবর, বঙ্গোপসাগরে যে নিম্নচাপটি ঘনীভূত হয়েছে, তা ঝাড়খণ্ডের দিকে সরে গিয়েছে। বঙ্গোপসাগরে একটি মৌসুমি অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। তার প্রভাবেই বৃষ্টি হচ্ছে রাজ্যে। শনিবার থেকে বৃষ্টি কমবে। সপ্তাহান্তে আর্দ্রতা জনিত অস্বস্তি ফিরবে দক্ষিণবঙ্গে। শুক্রবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে শুধুমাত্র বীরভূম ও মুর্শিদাবাদ জেলায়। শনিবার বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে।

    আরও পড়ুন: কোনও উপসর্গ নেই, অথচ প্লেটলেট হু হু করে নেমে যাচ্ছে? রাজ্যে ডেঙ্গির নয়া আতঙ্কে সাবধান!

    উত্তরের আবহাওয়া

    বৃষ্টির পূর্বাভাস (Weather Update) জারি করা হয়েছে উত্তরবঙ্গেও। শুক্রবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, কোচবিহার, দুই দিনাজপুর, মালদহের দু’একটি এলাকায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে। শনিবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করা হয়েছে। অতি বৃষ্টির কারণে উত্তরবঙ্গে নদীর জলস্তর বাড়বে। বেশকিছু নদীর জলস্তর বিপদসীমার ওপরে দিয়ে বইতে পারে। নদী সংলগ্ন ও নিচু এলাকায় জল জমা এবং প্লাবনের আশঙ্কা। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bengal Weather Update: ঘনাচ্ছে নিম্নচাপ! কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে টানা চার দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

    Bengal Weather Update: ঘনাচ্ছে নিম্নচাপ! কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে টানা চার দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার দুপুর থেকেই আকাশ কালো করে ঝেঁপে বৃষ্টি নামল কলকাতায় (Kolkata)। সকাল থেকে গুমোট গরমে হাঁসফাঁস করছিল শহরবাসী, কিন্তু দুপুরের পরে তুমুল বৃষ্টিতে কাটল সেই অস্বস্তি। হাওয়া অফিস (Bengal Weather Update) সূত্রে খবর, মঙ্গলবার থেকে টানা চারদিন এমনই বৃষ্টি (Rain) হবে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে।  হাওয়া অফিস জানিয়েছে, ওড়িশা উপকূল সংলগ্ন উত্তর পশ্চিম এবং পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় যা নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। তার জেরেই আগামী চারদিন বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    কী বলছে হাওয়া অফিস

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Bengal Weather Update) সূত্রে খবর, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। সেই ঘূর্ণাবর্ত ক্রমশ শক্তি বাড়াচ্ছে। শক্তি বাড়িয়ে ঘূর্ণাবর্ত ওড়িশা উপকূলের দিকে এগিয়ে আসার কথা। আগামী ২৪ ঘণ্টায় এই ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। তার জেরেই কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় প্রবল বৃষ্টি হতে পারে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামের দু’একটি এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে শুক্রবার অবধি। কলকাতা সহ বাকি জেলার দু’একটি এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। ঘূর্ণাবর্তের কারণে বুধবার থেকেই তাপমাত্রা একটু কমবে।

    উত্তরবঙ্গে হালকা বৃষ্টি

    উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, তবে অল্প। মঙ্গল এবং বুধবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দুই দিনাজপুর, মালদহের কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করা হয়েছে। আগামিকাল থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কমবে উত্তরবঙ্গে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ারে বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টিপাত হতে পারে আগামী কয়েকদিন। সঙ্গে হতে পারে বজ্রপাত। এদিকে উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদায় বজ্রপাত সহ হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে আগামী কয়েকদিন। এই সপ্তাহে উত্তরের কোনও জেলাতেই ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। 

    আরও পড়ুন: চন্দ্রযান ৩-এর যা খরচ, মমতা তার ৫৭ শতাংশ বিলিয়ে দিচ্ছেন পুজো কমিটিগুলিকে!

    শহরের আবহাওয়া

    মঙ্গলবার বিকেলে দেওয়া দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ার (West Bengal Weather) পূর্বাভাস অনুযায়ী, শহরে আগামী কয়েকদিন বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত হবে। মঙ্গলবার সকালে শহরের আকাশ ছিল রোদ ঝলমলে। দুপুর গড়াতেই মেঘের চাদরে ঢাকল সূর্য। কয়েক পশলা বৃষ্টিতে জলমগ্ন শহরের বেশ কিছু অঞ্চল। আগামিকাল, বুধবার থেকে ফের বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে দক্ষিণবঙ্গে। উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, কলকাতা, হুগলি, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায় বজ্রপাত সহ মাঝারি বৃষ্টিপাত হবে। এর জেরে গোটা দক্ষিণবঙ্গে জারি থাকবে হলুদ সতর্কতা। 

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Delhi Flood: জলমগ্ন লালকেল্লা, সুপ্রিম কোর্ট চত্বর! যমুনার জলে ডুবল রাজঘাট, উদ্বেগে দিল্লি সরকার

    Delhi Flood: জলমগ্ন লালকেল্লা, সুপ্রিম কোর্ট চত্বর! যমুনার জলে ডুবল রাজঘাট, উদ্বেগে দিল্লি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টি, ধস, বন্যা! বিপর্যস্ত প্রায় গোটা উত্তর ভারত। হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ডের অবস্থা ভয়াবহ। দিল্লিতে বন্যা পরিস্থিতি (Delhi Flood)। মৌসম ভবনের পূর্বাভাস, ১৭ জুলাই পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উত্তরাখণ্ডে। জারি করা হয়েছে কমলা সতর্কতা। বৃষ্টির জেরে বন্যা এবং দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত উত্তর-পশ্চিম ভারতে মৃত্যু হয়েছে ১৪৫ জনের। গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে সব থেকে বেশি মৃত্যু হয়েছে হিমাচল প্রদেশে। সেখানে মারা গিয়েছেন ৯১ জন। বৃষ্টির জেরে উত্তরপ্রদেশে মারা গিয়েছেন ১৪ জন, উত্তরাখণ্ডে মারা গিয়েছেন ১৬ জন, পঞ্জাবে ১১ জন, হরিয়ানায় ১৬ জন।  হিমাচলের লাহৌল, স্পিতিতে পাঁচ দিন আটকে থাকার পর বৃহস্পতিবার উদ্ধার করা হয়েছে ২৫৬ জন পর্যটককে। সাংলা এবং কিন্নরে আটকে থাকা ১০০ জন পর্যটককে হেলিকপ্টারে করে তুলে আনা হয়েছে।

    বন্যা পরিস্থিতি দিল্লিতে

    ইতিমধ্যে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে দিল্লিতে। লালকেল্লা, রাজঘাট জলমগ্ন। জল ঢুকেছে সুপ্রিম কোর্টেও। যার জেরে উদ্বিগ্ন দিল্লির প্রশাসন। দিল্লি সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, দিল্লির সেচ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বিভাগের একটি যন্ত্রাংশ বিকল হয়ে যাওয়ার কারণে যমুনার জল শহরের দিকে বয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দিল্লির (Delhi Flood) কিছু এলাকায় পানীয় জল সরবরাহ এবং বিদ্যুৎ পরিষেবা বিচ্ছিন্ন হতে পারে বলেও জানিয়েছে প্রশাসন। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল সেনার সাহায্য চেয়েছেন। রাজধানীর কোথাও কোমর পর্যন্ত আবার কোথাও বুক পর্যন্ত জল। রাস্তাঘাটে জল জমায় যানচলাচলও বন্ধ হয়েছে। 

    আরও পড়ুুন: মণিপুর নিয়ে প্রস্তাব পাশ ইইউ পার্লামেন্টে, “ঔপনিবেশিক মানসিকতার প্রতিফলন”, বলল বিদেশমন্ত্রক

    নজর রাখছেন প্রধানমন্ত্রী

    দিল্লির বন্যা পরিস্থিতির (Delhi Flood)  উপর নজর রাখছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। বৃহস্পতিবার ফ্রান্স সফরে গিয়েছেন তিনি। কিন্তু সেখান থেকেই তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ফোন করে দিল্লির পরিস্থিতির খোঁজ নিয়েছেন বলে সরকারি সূত্রে খবর। ১৬ জুলাই, রবিবার পর্যন্ত রাজধানীর সমস্ত স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দিল্লি সরকার। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন। বেসরকারি সংস্থাগুলিতে বাড়ি থেকে কাজের (ওয়ার্ক ফ্রম হোম) পরামর্শ দিয়েছেন কেজরিওয়াল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: কালো মেঘে ঢাকল আকাশ! সকালেই স্বস্তির বৃষ্টি কলকাতা এবং শহরতলিতে

    Weather Update: কালো মেঘে ঢাকল আকাশ! সকালেই স্বস্তির বৃষ্টি কলকাতা এবং শহরতলিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তাহের শুরুতেই শহরের আকাশে কালো মেঘ। অফিস যাত্রী থেকে স্কুল পড়ুয়া এক ছুটে গন্তব্যে পৌঁছনোর প্রয়াস সোমবার শহরের উত্তর থেকে দক্ষিণে। অবশেষে নামল বৃষ্টি। স্বস্তির খবর শোনাল হাওয়া অফিস (Weather Update)। রথের দিনই দক্ষিণবঙ্গে পা রাখছে বর্ষা (Monsoon)।    

    প্রাক বর্ষার বৃষ্টি

    হাওয়া অফিসের (Weather Update) তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা প্রবেশ করতে চলেছে। ইতিমধ্যেই কলকাতা সহ বিভিন্ন জেলায় শুরু হয়েছে প্রাক-বর্ষার বৃষ্টি (Rainfall)। আজ সকাল থেকেই কালো মেঘে ঢাকা। সকাল সাতটা থেকেই কলকাতা সহ আশেপাশের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়। আজ দিনভর আবহাওয়া একইরকম থাকবে বলে জানা গিয়েছে। আকাশ মূলত মেঘলাই থাকবে। বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি থাকবে, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৯ ডিগ্রি, যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে সর্বাধিক ৯১ শতাংশ আর্দ্রতা থাকতে পারে।

    বুধবার থেকে ভালো বৃষ্টি

    মঙ্গলবার থেকে বাড়বে প্রাক বর্ষার বৃষ্টি (Weather Update)। বৃহষ্পতিবার ভালো বৃষ্টি পেতে পারে কলকাতা-সহ গাঙ্গেয় বাংলা। আগামী ৭২ ঘন্টায় ২ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত কমতে পারে তাপমাত্রা, এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আগামী পাঁচ দিন বঙ্গের তাপমাত্রা নতুন করে বাড়ার আশঙ্কা কম। কলকাতা এবং লাগোয়া এলাকায় সকাল থেকে বৃষ্টির কারণে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়েছে। শিয়ালদহ-বনগাঁ এবং শিয়ালদহ-হাসনাবাদ শাখার মধ্যমগ্রাম স্টেশনে সিগন্যাল ব্যবস্থায় ত্রুটির কারণে ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত। আপ এবং ডাউনের বহু ট্রেন আটকে রয়েছে শহরতলির বিভিন্ন স্টেশনে। বহু ট্রেন নির্ধারিত সময়ের চেয়ে আধ ঘণ্টা, এক ঘণ্টা দেরিতে চলছে। যার ফলে ভোগান্তির শিকার হয়েছেন নিত্যযাত্রীরা।

    আরও পড়ুন: ২১ তারিখ আসছেন মোদি, রাষ্ট্রসঙ্ঘের সদর দফতরে প্রস্তুতি তুঙ্গে, দেখুন ভিডিও

    উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি

    আগামী পাঁচ দিন উত্তরের ৫ জেলা অর্থাৎ দার্জিলিং, কালিম্পং,জলপাইগুড়ি ,আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশি থাকবে। মালদা এবং দুই দিনাজপুরে হালকা বৃষ্টিপাত থাকবে। বিশেষ করে জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহার এই তিন জেলায় আগামী তিনদিন ভারি থেকে থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকছে। এদিন দিনের তাপমাত্রা ৩৫.৪ ডিগ্রি থেকে কমে ৩২.৯ ডিগ্রি হয়েছে। রাতের তাপমাত্রা ৩০.৪ ডিগ্রি থেকে কমে ২৯.৯ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৯১ শতাংশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share