Tag: mosque

mosque

  • Pakistan Blast: চব্বিশ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে ফের বিস্ফোরণ পাকিস্তানে, নিহত প্রবীণ ধর্মগুরু

    Pakistan Blast: চব্বিশ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে ফের বিস্ফোরণ পাকিস্তানে, নিহত প্রবীণ ধর্মগুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চব্বিশ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে ফের বিস্ফোরণ পাকিস্তানে (Pakistan Blast)। শনিবারের বিস্ফোরণে হত হয়েছেন এক প্রবীণ ধর্মগুরু (Cleric Killed)। জখম হয়েছেন তিনজন। পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের একটি মাদ্রাসা-কাম-মসজিদে ঘটে বিস্ফোরণের। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে নিষিদ্ধ ঘোষিত লস্কর-ই-ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা মুফতি মুনির শাকিরের। লেডি রিডিং হাসপাতালের (এলআরএইচ) মুখপাত্র মোহাম্মদ আসিম এক ভিডিও বার্তায় বলেন, “মুফতি শাকিরকে সংকটজনক অবস্থায় এলআরএইচ-এ আনা হয়েছিল। আঘাতের কারণে মৃত্যু হয়েছে তাঁর।”

    ধর্মীয় মাদ্রাসায় বিস্ফোরণ (Pakistan Blast)

    পুলিশ জানিয়েছে, বিস্ফোরণটি পেশোয়ার জেলার উরমুর বালা গ্রামের একটি ধর্মীয় মাদ্রাসায় ঘটে। পুলিশের এক মুখপাত্র বলেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ, বম্ব নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট এবং সন্ত্রাসবিরোধী বিভাগের সদস্যরা। ঘটনাস্থলের নমুনাও সংগ্রহ করা হয়েছে। খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী আলি আমিন গন্ডাপুর বিস্ফোরণের নিন্দা করে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন পুলিশের কাছে। দোষীদের গ্রেফতারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি (Pakistan Blast)। এদিকে, খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ইহতেশাম আলি মুফতি মুনির শাকিরের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন।

    মুফতি মুনির শাকিরের মৃত্যু

    তিনি বলেন, “মুফতি মুনির শাকিরের শহিদ হওয়ার খবর শুনে গভীরভাবে মর্মাহত। মুফতি মুনির শাকির তাঁর আঘাতের কারণে মৃত্যুবরণ করেছেন।” তিনি শহিদ হয়েছেন। প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালে নিষিদ্ধ করা হয় লস্কর-ই-ইসলাম। এটি খাইবারের উপজাতীয় অঞ্চলের বারা-ভিত্তিক একটি জঙ্গি সংগঠন। এর নেতৃত্বে ছিল মঙ্গল বাঘ। ২০০৪ সালের ডিসেম্বর মাসে লস্কর-ই-ইসলাম গঠন করেন বারার এক স্থানীয় আলেম মুফতি শাকির। মাত্র ছ’মাস পর, তাঁর চরমপন্থী মতাদর্শ ও স্থানীয় কমান্ডার হাজি নামদারের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে তাঁকে বার ক্বামবারখেল এলাকা থেকে বহিষ্কার করা হয়।

    ২০০৫ সালের শুরুর দিকে মুফতি শাকির ও পীর সাইফুর রহমানের সমর্থকদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর স্থানীয় (Cleric Killed) প্রবীণদের একটি উপজাতীয় পরিষদের সর্বসম্মত রায়ে দুজনকেই বারা থেকে চলে যেতে বাধ্য করা হয় (Pakistan Blast)।

  • Jai Shri Ram: ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দেওয়া কীভাবে অপরাধ হতে পারে? প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট

    Jai Shri Ram: ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দেওয়া কীভাবে অপরাধ হতে পারে? প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘জয় শ্রীরাম’ (Jai Shri Ram) স্লোগান দেওয়া অপরাধ কীভাবে? ১৬ ডিসেম্বর, সোমবার এক মামলার শুনানিতে প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণ, শুধুমাত্র কোনও ধর্মীয় শব্দ বা নাম বলাটা কোনও অপরাধ নয়।

    জয় শ্রীরাম স্লোগান (Jai Shri Ram)

    ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কর্নাটকের এক মসজিদের ভিতরে ঢুকে জয় শ্রীরাম স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। কর্নাটক হাইকোর্ট সেই ফৌজদারি কার্যধারা খারিজ করে দিয়েছিল। হাইকোর্টের সেই আদেশকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে। সেই মামলার শুনানিতেই গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ বিচারপতি পঙ্কজ মিথাল ও বিচারপতি সন্দীপ মেহতার ডিভিশন বেঞ্চের। এদিন শুনানিতে বেঞ্চের প্রশ্ন, তারা একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় বাক্যাংশ বা একটি নাম ধরে স্লোগান দিয়েছিল। এটা কোন ধরনের অপরাধ? অভিযোগকারী হায়দার আলি সিএমের উদ্দেশে বেঞ্চের প্রশ্ন, ‘আপনি কীভাবে অভিযুক্তদের শনাক্ত করছেন? আপনি বলছেন, ওদের সবাইকে সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা গিয়েছে। যারা ভিতরে ঢুকেছিল, তাদের কে শনাক্ত করেছে?’

    কর্নাটক হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    গত ১৩ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত দুজনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যধারা বাতিল করেছিল কর্নাটক হাইকোর্ট। হাইকোর্ট বলেছিল, কেউ জয় শ্রীরাম বলে স্লোগান দিলে, তা কীভাবে কোনও সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিকে আঘাত করে, তা বোঝা যাচ্ছে না। হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ ছিল, এতে জনসাধারণ খেপে গিয়েছে বা সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে এমনও কেউ দাবি করেনি। তার ওপর অভিযোগকারী নিজেই জানিয়েছেন যে, তিনি অপরাধীদের দেখেননি। অভিযুক্তদের (Jai Shri Ram) বিরুদ্ধে এফআইআর বাতিল করে হাইকোর্ট বলেছিল, ‘যে অপরাধের অভিযোগ করা হয়েছে, তার কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই এই আবেদনকারীদের বিরুদ্ধে আরও আইনি কার্যক্রমের অনুমতি দিলে, আইনের অপব্যবহার করা হবে। তাতে ন্যায় বিচারের গর্ভপাত হবে।’

    আরও পড়ুন: মাওবাদী নির্মূল কবে? সময়সীমা বেঁধে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ

    সোমবারের (Jai Shri Ram) শুনানিতে আবেদনকারীর আইনজীবী দেবদত্ত কামাত জানান, তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই হাইকোর্ট এই কার্যধারা বাতিল করেছে। অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার দায় তিনি চাপিয়েছেন রাজ্য পুলিশের ঘাড়ে। আবেদনকারী রাজ্যের কাছে যে আবেদন করেছেন, তার একটি অনুলিপি চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Ajmer Sharif Dargah: আজমের শরিফ দরগা আদতে একটি শিব মন্দির, হিন্দু সেনার আর্জি গ্রহণ করল আদালত

    Ajmer Sharif Dargah: আজমের শরিফ দরগা আদতে একটি শিব মন্দির, হিন্দু সেনার আর্জি গ্রহণ করল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজমের শরিফ দরগা (Ajmer Sharif Dargah) আদতে একটি হিন্দু মন্দির ছিল। এই মর্মে আবেদনপত্র জমা পড়েছিল রাজস্থানের আদালতে (Rajasthan Court)। সেই আবেদনের শুনানিতে সম্মতি দিয়েছে আদালত। হিন্দু সেনার দায়ের করা আবেদনে দাবি করা হয়েছে, সুফি সাধক খাজা মইনুদ্দিন চিশতির মাজার আসলে একটি শিব মন্দির। এই আবেদন গ্রহণ করেছে আজমেরের নিম্ন আদালত।

    তলব নোটিশ জারি করার নির্দেশ (Ajmer Sharif Dargah)

    আজমের পশ্চিম সিভিল জজ (সিনিয়র ডিভিশন) মনমোহন চন্ডেল হিন্দু সেনার সভাপতি বিষ্ণু গুপ্তের দ্বারা দায়ের করা আবেদনের শুনানি গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই মামলার শুনানি হবে ২০ ডিসেম্বর। আজমের শরিফ দরগা কমিটি, সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রক এবং ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ (ASI)-কে তলব নোটিশ জারি করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    হিন্দু সেনার দাবি

    গত সেপ্টেম্বরে হিন্দু সেনা আজমের সিভিল কোর্টে একটি আবেদন দায়ের করে। তাতে দাবি করা হয়, খোয়াজা মইনউদ্দিন চিশতির দরগাকে ‘ভগবান শ্রী সঙ্কটমোচন মহাদেব বিরাজমান মন্দির’ ঘোষণা করা হোক। আবেদনে দাবি করা হয়েছে, দরগাটি একটি শিব মন্দিরের ওপর নির্মিত হয়েছে। প্রামাণিক উৎস থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই দাবি করা হয়েছে। সুফি দরগাটি (Ajmer Sharif Dargah) ওই জায়গা থেকে অপসারণের দাবিও জানানো হয়েছে। হিন্দু সেনার দাবি, ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণকে নির্দেশ দেওয়া হোক যাতে জ্ঞানবাপি মামলার মতোই এই জায়গায় সমীক্ষা করা হয় এবং তারপর সেখানে শিব মন্দির পুননির্মাণ করা হয়।

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রে ‘বিহার মডেল’ নয়, সাফ জানাল বিজেপি

    পিটিশনে বলা হয়েছে (Ajmer Sharif Dargah), খোয়াজা মইনউদ্দিন চিশতি মহম্মদ ঘোরির সঙ্গে আজমেরে এসেছিলেন। ঘোরি বহু হিন্দু মন্দির ধ্বংস করেছিলেন। এর মধ্যে রয়েছে আজমেরের সঙ্কট মোচন মহাদেব মন্দিরও। হিন্দু সেনার দাবি, আজমের শরিফ দরগার প্রধান প্রবেশদ্বারের নকশা হিন্দু স্থাপত্যের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। ঐতিহাসিক নথিতে সেই জায়গায় একটি শিব মন্দিরের অস্তিত্বের উল্লেখ রয়েছে।

    প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই উত্তরপ্রদেশের সম্ভলে আদালতের নির্দেশে শাহি জামা মসজিদে সমীক্ষা করতে গেলে শুরু হয় অশান্তি। সেখানেও (Rajasthan Court) স্থানীয়দের একাংশ দাবি করেন, হিন্দু মন্দির ভেঙে গড়ে উঠেছে মসজিদ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Jama Masjid Sambhal: বাবরের নির্দেশেই কি সম্ভলের বিষ্ণু মন্দির ভেঙে মসজিদ নির্মাণ হয়েছিল? এএসআই কী বলছে?

    Jama Masjid Sambhal: বাবরের নির্দেশেই কি সম্ভলের বিষ্ণু মন্দির ভেঙে মসজিদ নির্মাণ হয়েছিল? এএসআই কী বলছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুঘল সম্রাট বাবরের নির্দেশেই কি সম্ভলের বিষ্ণু মন্দির ভেঙে মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে? ১৮৭৫ সালের এএসআই (ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ) এবং বাবরনামা কি বলছে? উল্লেখ্য ভারতের প্রাচীন মন্দির ভেঙে মসজিদ তৈরির ঘটনা নতুন কিছু নয়। বাবরি মসজিদ থেকে জ্ঞানবাপি, মথুরার শাহি ইদগাহ্ থেকে বাংলার আদিনা মসজিদ, সবক্ষেত্রে মন্দির ভেঙে মসজিদ নির্মাণের নানা দৃষ্টান্ত উঠে এসেছে সংবাদ মাধ্যমের পাতায়। উত্তরপ্রদেশের সম্ভলের জামা মসজিদ (Jama Masjid Sambhal) হিন্দু মন্দির (Vishnu Temple) ছিল বলে মামলা দায়ের হয়। যার প্রেক্ষিতে সেখানে জরিপের নির্দেশ দেয় আদালত।  রবিবার এএসআই-এর পক্ষ থেকে মসজিত জরিপের কাজ করতে গেলে স্থানীয় উগ্র মুসলিম জনতা ব্যাপকভাবে পাথর-ইট বর্ষণ করে। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। নামানো হয় বিরাট পুলিশ বাহিনী। এখন যে মসজিদ নিয়ে বিবাদ, তার সম্পর্কে বিস্তৃত রিপোর্টে কি ধরনের তথ্য উঠে এসেছে শুনলে চমকে যাবেন।

    সম্ভল কীভাবে ভগবান বিষ্ণুর অবতার ভূমি (Jama Masjid Sambhal)?

    ভগবান কল্কিকে ভগবান বিষ্ণুর দশম এবং শেষ অবতার হিসাবে বিবেচনা করা হয়। হিন্দু শাস্ত্রের বিশ্বাস অনুসারে, কল্কি কলিযুগ শেষ করে সত্যযুগ শুরু করতে সম্ভলে আবির্ভূত হবেন। বিভিন্ন যুগে সম্ভলের বিভিন্ন নাম ছিল। একে সত্যযুগে সম্ভলেশ্বর, ত্রেতাযুগে মহাদগিরি, দ্বাপর যুগে পিংলা এবং কলিযুগে সম্ভল বলে বর্ণনা করা হয়েছে। এই স্থানেই বিষ্ণুর মন্দির নির্মাণ হয়। পরে মুসলমান শাসনে মন্দির ভেঙে মসজিদ (Jama-Masjid-Sambhal) নির্মাণ হয়।

    মসজিদের স্তম্ভ হিন্দু মন্দিরের

    ১৮৭৫ সালে ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক সর্বেক্ষণ জামা মসজিদের (Jama Masjid Sambhal) আসল তথ্য তুলে ধরেছিল। ‘ট্র্যাভেলস ইন দ্য সেন্ট্রাল দোয়াব অ্যান্ড গোরখপুর ১৮৭৪-৭৫ এবং ১৮৭৫-৭৬’-এর একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে, “মসজিদের ভিতরে ও বাইরে স্তম্ভগুলি প্রাচীন হিন্দু মন্দিরের। সেগুলি প্লাস্টার দিয়ে লুকোনোর চেষ্টা করা হয়েছিল। মসজিদের স্তম্ভগুলির একটি থেকে প্লাস্টার সরানো হলে প্রাচীন লাল রঙের হিন্দু মন্দিরের নকশা বেরিয়ে আসবে। স্তম্ভের নকশা হিন্দু স্মৃতি চিহ্নবহ। মসজিদের গম্বুজ হিন্দু সম্রাট পৃথ্বীরাজ চৌহানের আমলে নির্মাণ করা হয়েছে। মসজিদে এমন অনেক নিদর্শন রয়েছে যাতে স্পষ্ট এটি এককালে প্রাচীন হিন্দু মন্দির ছিল।”

    এই রিপোর্ট তৈরি করেছিলেন প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের তৎকালীন কর্তা এসিএল কার্লাইল। তিনি স্পষ্ট করে আরও বলেন, “সম্ভলের প্রধান ভবনটি হল জামা মসজিদ, যা হিন্দুরা মূলত হরি মন্দির (Vishnu Temple) বলে দাবি করে। এটি একটি কেন্দ্রীয় গম্বুজ বিশিষ্ট ২০ ফুট বর্গাকার কক্ষ নিয়ে গঠিত, যার দুটি ডানা অসম দৈর্ঘ্যের। উত্তর দিকের একটি অংশ ৫০ ফুট ৬ ইঞ্চি, যখন দক্ষিণ দিকের অংশ মাত্র ৩৮ ফুট ১.৫ ইঞ্চি। উভয় অংশে তিনটি খিলানযুক্ত দরজা রয়েছে। যার সবকটিই বিভিন্ন প্রস্থের, ৭ ফুট থেকে ৮ ফুট পর্যন্ত পরিবর্তিত।” উল্লেখ্য সম্প্রতি স্থানীয় আদালত মসজিদ সমীক্ষা কাজের নির্দেশ দিয়েছে। এই সমীক্ষার রিপোর্ট দেওয়া হবে আগামী ২৯ নভেম্বর।

    হিন্দু পক্ষের দাবি

    সম্ভলের শাহি জামা মসজিদ (Jama Masjid Sambhal) সম্পর্কে হিন্দু পক্ষের দাবি হল, এই নির্মাণ আদতে হিন্দু দেবতা হরিহরের। এএসআই সমীক্ষা করে জানিয়েছে, মসজিদ আদতে মন্দির ছিল। ব্রিটিশ রাজত্বের সময় এএসআই সার্ভে করে ১৮৭৫ সালে মসজিদ থেকে পুরাতন পুঁথির সন্ধান পেয়েছে, যা হিন্দু সংস্কৃতির আরও বড় প্রমাণ। একই ভাবে মসজিদের একটি শিলালিপি থেকে জানা গিয়েছে, ৯৩৩ হিজরিতে মসজিদ নির্মাণ করেছিল মীর হিন্দু বেগ। মীর ছিল বাবরের দরবারের লোক। এক হিন্দু মন্দিরকে মসজিদে পরিণত করে এই মুসলমান সেনা।

    বাবর নামাতে উল্লেখ

    হিন্দু পক্ষের তরফে বিবাদের আবেদনকারী হরিশঙ্কর জৈন বাবরনামার উল্লেখ করে বলেন, “এই বাবরনামা বাবর স্বয়ং লিখেছেন। ব্রিটিশ প্রাচ্যবিদ অ্যানেট বেভারিজ সেটি নিজে অনুবাদ করেছেন। পুস্তকের ৬৮৭ পৃষ্ঠায় লেখা আছে, বাবরের নির্দেশ মীর হিন্দু বেগ সম্ভলের হিন্দু মন্দিরকে জামা মসজিদে (Jama Masjid Sambhal) রূপান্তর করেছিল। প্রাপ্ত শিলালিপির সঙ্গে এই তথ্য মিলে গিয়েছে। তাতে স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ রয়েছে মীর হিন্দু বেগ ৯৩৩ হিজরিতে এই মসজিদ নির্মাণ করেছে।

    মামলার সূত্রপাত

    সম্ভলের জেলা আদালতে একটি পিটিশন দায়ের করা হয় প্রথমে। পিটিশনে বলা হয়েছে সম্ভলে অবস্থিত জামা মসজিদটি (Jama Masjid Sambhal) শতাব্দী প্রাচীন শ্রী হরিহর মন্দিরের (Vishnu Temple) উপর নির্মিত হয়েছে। এটি কার্যত ভগবান কল্কিকে উৎসর্গ করা হয়েছিল এবং মুসলমান শাসক বাবর তা ধ্বংস করে দিয়েছিল। আবেদনকারীরা বলেছেন, স্থানটি হিন্দুদের জন্য ধর্মীয় তাৎপর্য রাখে এবং মুঘল আমলে জোর করে একটি মসজিদে রূপান্তরিত করা হয়েছে। এই আবেদনটি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং অ্যাডভোকেট বিষ্ণু শঙ্কর জৈনের বাবা, হরি শঙ্কর জৈন, নয়ডার পার্থ যাদব এবং অন্যান্য আবেদনকারীরা মামলা দায়ের করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sambhal Violence: মসজিদকাণ্ডের জেরে সোমবারও থমথমে সাম্ভাল, বন্ধ ইন্টারনেট, ছুটি স্কুলেও

    Sambhal Violence: মসজিদকাণ্ডের জেরে সোমবারও থমথমে সাম্ভাল, বন্ধ ইন্টারনেট, ছুটি স্কুলেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মসজিদ (Shahi Jama Masjid) নিয়ে হিংসার জেরে নিহত হয়েছেন চারজন। রবিবার উত্তরপ্রদেশের সাম্ভালের (Sambhal Violence) ওই ঘটনার উত্তেজনার আঁচ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে, সেজন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে স্কুলে।

    সমীক্ষা করতে গিয়ে অশান্তি

    আদালতের নির্দেশে এদিন সকালে সমীক্ষা শুরু হয় মোগল যুগের শাহি জামা মসজিদে (Shahi Jama Masjid)। তার জেরে শুরু হয় অশান্তি। সংঘর্ষ বাঁধে (Sambhal Violence) পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। হিন্দুত্ববাদীদের দাবি, মসজিদটি গড়ে উঠেছে হিন্দুদের মন্দিরের জায়গায়। ঘটনার জেরে বিক্ষোভকারীরা আগুন লাগিয়ে দেয় কয়েকটি যানবাহনে। পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ে উত্তেজিত জনতা। টিয়ার গ্যাসের সেল ফাটিয়ে, লাঠিচার্জ করে উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে পুলিশ। অশান্তির জেরে জখম হয়েছেন ২০ জন পুলিশ কর্মী। এঁদের মধ্যে এক কনস্টেবলের আঘাত গুরুতর বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।

    কী বলছেন পুলিশ কর্তা?

    এক পুলিশ কর্তা বলেন, “দুই মহিলা-সহ একুশজনকে আটক করা হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্ত। তিনি বলেন, হিংসায় (Sambhal Violence) অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর জাতীয় নিরাপত্তা আইন (NSA)-এর অধীনে মামলা দায়ের করা হবে।” ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট রাজেন্দ্র পেন্সিয়া বলেন, “যাঁরা মারা গিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে দুজনের মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট – দেশি পিস্তলের গুলির ক্ষত। ময়নাতদন্তের পর পরিষ্কার হয়ে যাবে তৃতীয় ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ।” সাম্ভাল (Sambhal Violence) তহসিলে ২৪ ঘণ্টার জন্য ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। জেলা প্রশাসন ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত সমস্ত সমস্ত স্কুলে ছুটি ঘোষণা করেছে। প্রশাসন জানিয়েছে, ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত কোনও বহিরাগত, সামাজিক সংগঠন বা জনপ্রতিনিধি কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া সাম্ভালে প্রবেশ করতে পারবে না।

    আরও পড়ুন: যোগীরাজ্যে ৬৫ শতাংশ মুসলিম অধ্যুষিত আসনে লক্ষাধিক ভোটে জয়ী বিজেপির হিন্দু প্রার্থী

    প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার থেকেই উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে সাম্ভাল (Sambhal Violence)। স্থানীয় আদালতের নির্দেশে জামা মসজিদে সমীক্ষা করা হয়েছিল। আদালতে জমা দেওয়া একটি পিটিশনে দাবি করা হয়েছে, যেখানে এখন মসজিদ রয়েছে, সেখানে একসময় হরিহর মন্দির ছিল। হিন্দু পক্ষের এক আইনজীবীর দাবি, ১৫২৯ সালে মুঘল সম্রাট বাবর সেখানে মন্দিরটি ধ্বংস করেছিলেন। তার পরেই গড়ে ওঠে মসজিদ (Shahi Jama Masjid)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Uttar Pradesh: সম্ভলের শাহী জামা মসজিদ জরিপের কাজে বাধা, ইট-পাথর বর্ষণ দুষ্কৃতীদের

    Uttar Pradesh: সম্ভলের শাহী জামা মসজিদ জরিপের কাজে বাধা, ইট-পাথর বর্ষণ দুষ্কৃতীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) সম্ভ্লের শাহী জামা মসজিদ জরিপ করতে গেলে ব্যাপক ভাবে পাথর বর্ষণ করল মুসলিম (Muslim) সম্প্রদায়ের একাংশ। শান্তিপূর্ণ ভাবে এই জরিপের কাজে গেলে সরকারি আধিকারিকদের উপর আচমকা হামলা করে দুষ্কৃতীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামানো হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। কাঁদানে গ্যাসের শেলও ফাটানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে “সরকারি কাজে বাধা এবং সরকারি কর্মীদের ব্যাপক ভাবে আঘাত করা হয়।”

    পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে (Uttar Pradesh)

    সম্ভলে (Uttar Pradesh) মজসিদের জমি নিয়ে বিবাদ দেখা দিলে সরকার পক্ষ  সম্পূর্ণ মসজিদকে জরিপ করতে যায়। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের ডিজিপি প্রশান্ত কুমার বলেছেন, “পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে। আদালতের নির্দেশে সম্বলে একটি মসজিদে সমীক্ষা চলছিল। কিন্তু স্থানীয় মুসলমান সম্প্রদায়ের বেশ কিছু দুষ্কৃতী কাজে বাধা দেয় এবং লাগাতার পাথর-ইট বর্ষণ শুরু করে। যারা এই কাজের নেতৃত্ব দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে সরকার অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণের কাজ শুরু করেছে। বেশ কিছু সরকারি কর্মী ঘটনায় মারাত্মক আহত হয়েছেন। তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

    মসজিদ পূর্বে মন্দির ছিল!

    এই প্রসঙ্গে সিনিয়র আইনজীবী বিষ্ণু শঙ্কর জৈনের দায়ের করা একটি পিটিশনে দেখা গিয়েছে এই সমীক্ষা একটি আইনি প্রক্রিয়ার অংশ ছিল। মসজিদ মূলত পূর্বে মন্দির (Uttar Pradesh) ছিল। মন্দির ভেঙে সেই জায়গায় মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। যদিও গত ১৯ নভেম্বরে স্থানীয় পুলিশ, মসজিদ (Muslim) কমিটির সহযোগে জরিপের কাজে তদারকি শুরু হয়েছিল। যদিও স্থানীয় মানুষের কাছে কোনও রকমের কাজে বাধা এবং কোনও রকম প্ররোচনা থেকে দূরে থাকার আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু তারপরেও রবিবার সকালে দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে। এলাকার শান্তিশৃঙ্খলাকে বিঘ্নিত করে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের (Muslim) চিহ্নিত করে ধরপাকড় শুরু করেছে।  

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Shimla Court: সময় ২ মাস, শিমলার সেই বিতর্কিত মসজিদের তিনটি তলা ভেঙে ফেলার নির্দেশ

    Shimla Court: সময় ২ মাস, শিমলার সেই বিতর্কিত মসজিদের তিনটি তলা ভেঙে ফেলার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিমাচলপ্রদেশের সেই বিতর্কিত মসজিদের (Disputed Mosque) তিনটি তলা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিল শিমলা আদালত (Shimla Court)। শিমলা মিউনিসিপ্যাল কমিশনার কোর্ট সানজাউলি মসজিদ ভেঙে ফেলার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে মসজিদ কমিটি ও ওয়াকফ বোর্ডকে দুমাস সময় দিয়েছে। আদালতের নির্দেশ, মসজিদ কমিটি ও ওয়াকফ বোর্ডকে তাদের নিজস্ব খরচে ভেঙে ফেলতে হবে মসজিদের তিনটি তলা। মসজিদটির বাকি দুটি তলা নিয়ে পরবর্তী শুনানি হবে ২১ ডিসেম্বর।

    আইনজীবীর প্রশ্ন (Shimla Court)

    আদালতে সানজাউলিবাসীর প্রতিনিধিত্ব করছেন যে আইনজীবী, তিনি বলেন, “২০১১ সালে মিউনিসিপাল কমিশন মসজিদ কমিটিকে প্রথম নোটিশ দেয়।” তাঁর প্রশ্ন, “২০১৮ সালের মধ্যে কীভাবে একটা পাঁচতলা ভবন নির্মিত হল? চাওয়া হলেও, মিউনিসিপাল কমিশনের কাছে কোনও রেকর্ড জমা দেওয়া হয়নি।” তিনি বলেন, “পুরো মসজিদটি অবৈধ। সেখানে অবৈধ কার্যকলাপ চলছে।” তাঁর প্রশ্ন, এর পরেও বিদ্যুৎ ও জলের সংযোগ কেন কাটা হল না? তিনি বলেন, “সানজাউলিতে অবৈধ মসজিদের জমি বাদে ১৫৬ বিঘা জমি রয়েছে (Shimla Court)।”

    স্থানীয়দের অভিযোগ

    সানজাউলিতে একটি মসজিদের একটি বড় অংশ অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। তাঁদের দাবি, অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই একতলা মসজিদটি পাঁচতলায় পরিণত হয়। বাইরে থেকে বহু মানুষ এখানে নমাজ আদায় করতে আসেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, এঁদের মধ্যে অসৎ লোকজনও থাকতে পারেন। ঘটনায় তাঁরা যে ভীত, সন্ত্রস্ত্র, তাও জানিয়েছিলেন তাঁরা। এর পরেই মসজিদের অবৈধ অংশ ভেঙে ফেলার দাবি জানান স্থানীয়রা। ১১ সেপ্টেম্বর ওই দাবিতে বিক্ষোভও দেখান স্থানীয়রা। বিক্ষোভ চলাকালীন দশজন জখম হন। তার পর ফের সানজাউলি মসজিদ চলে আসে খবরের শিরোনামে।

    আরও পড়ুন: “আমরা ভাগ হয়ে গেলে ওরা সেলিব্রেট করবে”, ভোটমুখী মহারাষ্ট্রে কংগ্রেসকে নিশানা মোদির

    সানজাউলির ঘটনা থিতু হওয়ার দিন দুই পরে বিক্ষোভ শুরু হয় মান্ডিতেও। সেখানে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে (Disputed Mosque) জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ (Shimla Court)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: ‘‘মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে মন্দির-মসজিদ ভাঙা যাবে’, বলল সুপ্রিম কোর্ট

    Supreme Court: ‘‘মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে মন্দির-মসজিদ ভাঙা যাবে’, বলল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘জনসাধারণের নিরাপত্তাই শেষ কথা। সেক্ষেত্রে মন্দির, মসজিদ কিংবা দরগা-সহ কোনও ধর্মীয় স্থান যদি রাস্তা, রেললাইন বা কোনও জলাশয় দখল করে গড়ে ওঠে (Religious Structure), তাহলে তা ভাঙা যাবে।’ মঙ্গলবার এমনই মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)।

    কী বলল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)

    শীর্ষ আদালত সাফ জানিয়ে দেয়, “ভারত একটি ধর্ম নিরপেক্ষে দেশ। সেক্ষেত্রে জবরদখল বিরোধী যদি কোনও অভিযান হয়, তাহলে তা ধর্ম বা নাগরিক দেখে হবে না। সবার ক্ষেত্রেই একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।” আদালতের মন্তব্য, “যদি রাস্তার মাঝে কোনও ধর্মীয় কাঠামো থাকে, সে গুরুদ্বার কিংবা দরগা অথবা মন্দির হোক, এটি পাবলিকের বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না।” বিচারপতি গাভাই বলেন, “অবৈধ নির্মাণের ক্ষেত্রে একটাই নিয়ম হবে। সেই নিয়ম কোনও ধর্মীয় বিশ্বাসের ওপর নির্ভর করবে না।”

    ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ

    দেশের একাধিক রাজ্যে বিভিন্ন (Supreme Court) অভিযোগে অভিযুক্তদের সম্পত্তি ধ্বংস নিয়ে হওয়া একটি মামলার শুনানি হচ্ছিল সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিআর গাভাই এবং বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথনের ডিভিশন বেঞ্চে। সেখানেই শীর্ষ আদালত সাফ জানিয়ে দেয়, পাবলিকের বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না কোনও ধর্মীয় কাঠামো। এই বেঞ্চই ১৭ সেপ্টেম্বর জানিয়ে দিয়েছিল, কোনও অভিযুক্তর সম্পত্তি ১ অক্টোবর পর্যন্ত ভাঙা যাবে না। আলাদত বলেছিল, কেউ কোনও মামলায় অভিযুক্ত হলেই তার সম্পত্তি ভেঙে দেওয়া যায় না।

    আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে ঘনাচ্ছে যুদ্ধের মেঘ, উদ্বিগ্ন ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর

    বিচারপতি গাভাই বলেন, “পুরসভা এবং পঞ্চায়েত আইন অবশ্যই মেনে চলতে হবে।” স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে একটা অনলাইন পোর্টাল বাস্তবায়নের পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। বিচারপতি বলেন, “একটি অনলাইন পোর্টালও হওয়া উচিত, যাতে লোকজন সচেতন হয়।” তিনি বলেন, “একাবার আপনি এটিকে ডিজিটাইজড করলে (Religious Structure), একটা রেকর্ড থেকে যাবে (Supreme Court)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Gyanvapi Mosque: “জ্ঞানবাপী মসজিদ নয়, স্বয়ং ভগবান বিশ্বনাথ”, দাবি মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের

    Gyanvapi Mosque: “জ্ঞানবাপী মসজিদ নয়, স্বয়ং ভগবান বিশ্বনাথ”, দাবি মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “জ্ঞানবাপী, যাকে কিছু লোক মসজিদ (Gyanvapi Mosque) বলে দাবি করছে, তা আসলে নিজেই ভগবান বিশ্বনাথ।” শনিবার কথাগুলি বললেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। এদিন তিনি দীন দয়াল উপাধ্যায় গোরখপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘নাথপন্থের অবদান ও একটি সামাঞ্জস্যপূর্ণ সমাজের সৃজন’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারে অংশ নেন। সেখানেই তিনি দাবি করেন, ‘জ্ঞানবাপী মসজিদ নয়, স্বয়ং বিশ্বনাথ’। প্রসঙ্গত, আদিত্যনাথ নিজেও নাথ সম্প্রদায়ের। গোরখনাথ মঠের প্রধান পুরোহিতও তিনিই।

    কী বললেন যোগী (Gyanvapi Mosque)

    তাঁর বক্তৃতায় উঠে এসেছে সাধু-সন্ন্যাসী ও ঋষিদের অবদানের কথা। প্রসঙ্গক্রমে এসেছেন আদি শঙ্করাচার্যও, যিনি দেশের চারটি জায়গায় চারটি মঠ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “যখন আদি শঙ্করাচার্য কাশীতে পৌঁছলেন, ভগবান বিশ্বনাথ তাঁকে পরীক্ষা করতে চাইলেন। শঙ্করাচার্য ব্রাহ্ম মুহূর্তে গঙ্গায় স্নান করতে গেলে ভগবান বিশ্বনাথ ছদ্মবেশ ধারণ করে অস্পৃশ্য হয়ে তাঁর সামনে উপস্থিত হলেন। শঙ্করাচার্য তাঁকে পথ ছাড়তে বললে ভগবান বিশ্বনাথ বললেন, যদি তুমি সত্যই অদ্বৈত জ্ঞান পূর্ণ হও, তাহলে কেবল শরীর দেখো না। যদি ব্রহ্মই চূড়ান্ত সত্য হয়, তাহলে আমার মধ্যেও সেই ব্রহ্মই আছে, যে ব্রহ্ম রয়েছে তোমার মধ্যেও।” আদিত্যনাথ বলেন, “যে জ্ঞানবাপীর (Gyanvapi Mosque) সাধনা আপনি করে চলেছেন, সেই জ্ঞানবাপী সরাসরি বিশ্বনাথই। যার উপাসনার জন্য তুমি এখানে এসেছ, আমি সে-ই।” তিনি বলেন, “দুর্ভাগ্যবশত, এই জ্ঞানবাপীকেই কিছু লোক মসজিদ বলে উল্লেখ করেন।”

    অস্পৃশ্যতা প্রতিবন্ধকতা

    আদিত্যনাথ বলেন, “আমাদের দেশের সাধু-সন্তরা বলেন, অস্পৃশ্যতা শুধু আধ্যাত্মিক চর্চার একটা বাধা নয়, বরং জাতীয় ঐক্য ও অখণ্ডতার প্রতিবন্ধকতা।” তিনি বলেন, “যদি অস্পৃশ্যতা দূরীকরণে আরও বেশি মনোযোগ দেওয়া হত, তাহলে হয়তো দেশ কখনওই দসত্বের শৃঙ্খলে বন্দি হত না।” তিনি বলেন, “সাধুদের ঐতিহ্য কখনওই সমাজের মধ্যে অস্পৃশ্যতাকে অগ্রাধিকার দেয়নি। এটি নাথপন্থের মূল ভাবনা। নাথপন্থীরা সব জাতি, সম্প্রদায়, ধর্ম এবং অঞ্চলকে সম্মান করে, সবাইকে একত্রিত করার চেষ্টা করে (Gyanvapi Mosque)।”

    আরও পড়ুন: পরিবারের নতুন সদস্য ‘দীপজ্যোতি’র সঙ্গে খুনসুটি মোদির, মজলেন নেটিজেনরা

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • llegal Mosque: শিমলার সেই মসজিদের অংশ ভাঙা হবে, জানালেন মুসলমানেরা

    llegal Mosque: শিমলার সেই মসজিদের অংশ ভাঙা হবে, জানালেন মুসলমানেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিমলার (Shimla) সেই মসজিদের অবৈধ অংশ (Illegal Mosque) ভেঙে ফেলা হবে। শিমলা পুরসভার কমিশনার ভূপেন্দ্র কুমার আত্তারিকে এ কথা জানালেন সনজৌলির মুসলমানরা। ১২ সেপ্টেম্বর এ ব্যাপারে কমিশনারকে একটি স্মারকলিপিও দেন তাঁরা। মসজিদের অবৈধ অংশ সিল করে দেওয়ার অনুরোধও করেন তাঁরা।

    কমিশনারকে স্মারকলিপি (llegal Mosque)

    এদিন যে প্রতিনিধি দল স্মারকলিপি দিতে গিয়েছিল, তাঁদের মধ্যে ছিলেন মসজিদটির ইমাম, ওয়াকফ বোর্ডের সদস্য এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্যরা। তাঁরা জানান, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী কল্যাণ কমিটি নিজেরাই মসজিদের অবৈধ অংশ ভেঙে ফেলবে। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা (Illegal Mosque) জানান, তাঁরা হিমাচলপ্রদেশের স্থায়ী বাসিন্দা। এলাকায় সম্প্রীতি ও সৌভ্রাতৃত্ব বোধ বজায় রাখতে পদক্ষেপ করবেন তাঁরা। কল্যাণ কমিটির তরফে মুফতি মহম্মদ শফি কাসমি বলেন, “আমরা সনজৌলিতে অবস্থিত অন-অনুমোদিত অংশটি ভেঙে ফেলার জন্য শিমলা পুর কমিশনারের অনুমতি চেয়েছি।”

    কী বলছেন ইমাম

    সনজৌলি মসজিদের ইমাম বলেন, “আমাদের ওপর কোনও চাপ নেই। আমরা এখানে কয়েক দশক ধরে বসবাস করছি। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে হিমাচলবাসী হিসেবে। আমরা শান্তিতে থাকতে চাই। এলাকায় সৌভ্রাতৃত্বের বাতাবরণ বজায় থাকা উচিত।” দেবভূমি সংগ্রাম কমিটির (এই কমিটির ব্যানারেই হচ্ছিল আন্দোলন) সদস্যরা স্থানীয় মুসলমানদের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। কমিটির সদস্য বিজয় শর্মা বলেন, মুসলমান সম্প্রদায়ের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানাই। বৃহত্তর স্বার্থে এই উদ্যোগ নেওয়ার জন্য আমরা প্রথমে তাঁদের আলিঙ্গন করতে চাই।

    আরও পড়ুন: গালওয়ান-সহ পূর্ব লাদাখের চার এলাকা থেকে সরেছে লালফৌজ, জানাল বেজিং

    সনজৌলিতে দীর্ঘদিন ধরে একটি মসজিদ রয়েছে। একতলার ওই মসজিদটিতেই স্থানীয়রা নমাজ আদায় করেন। সম্প্রতি মসজিদটিতে অবৈধ নির্মাণ হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে। প্রতিবাদে পথে নামেন স্থানীয়রা। তাঁরা মসদিদের অবৈধভাবে  অংশটি ভেঙে ফেলার আবেদনও জানান (Shimla)। তার প্রেক্ষিতেই এদিনের পদক্ষেপ বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহেলর (Illegal Mosque)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share