Tag: Mosques

Mosques

  • New Namaz Guidelines: শহরের মসজিদগুলিতে নমাজ আদায়ের নয়া গাইডলাইন কার্যকর করার নির্দেশ

    New Namaz Guidelines: শহরের মসজিদগুলিতে নমাজ আদায়ের নয়া গাইডলাইন কার্যকর করার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার শহরে মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই দেখা গেল পরিবর্তনের ছবি। শহরের বিভিন্ন মসজিদে (Mosques) মুসল্লিরা রাস্তার ওপর নন, মসজিদ চত্বরের মধ্যেই নমাজ আদায় করেন (New Namaz Guidelines)। নয়া সরকারের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও জনশৃঙ্খলার ওপর জোর দেওয়ার নীতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে পুলিশ মৌখিক নির্দেশ দিয়েছিল। বিভিন্ন এলাকায় সমাজের প্রবীণ ব্যক্তি, মসজিদ কমিটি এবং পুলিশ একসঙ্গে সমন্বয় করে যাতে কোনও বিঘ্ন ছাড়াই নমাজ আদায়-পর্ব সম্পন্ন হয়, তা নিশ্চিত করেন। অনেক মসজিদে ইমামরা খুতবার সময় মুসল্লিদের রাস্তার ওপর নমাজ না পড়ার অনুরোধ জানান।

    মৌখিক নির্দেশেই হয়েছে কাজ (New Namaz Guidelines)

    রাজ্যের নয়া সরকার সম্প্রতি উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অগ্রাধিকারের কথা জানিয়েছিল। সদ্য নির্বাচিত বিজেপি সরকার সোমবার পুলিশকে নির্দেশ দেয় যে ধর্মীয় স্থানের বাইরে লাউডস্পিকারের শব্দ যেন না যায় এবং বিশেষ অনুষ্ঠান ছাড়া প্রার্থনার জমায়েত যেন রাস্তা অবরুদ্ধ করে সাধারণ মানুষের অসুবিধা সৃষ্টি না করে। যদিও এ বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি। তবে মসজিদ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় থানাগুলি থেকে মৌখিক নির্দেশ পৌঁছে দেওয়া হয়। শুক্রবার বড় বড় মসজিদের সামনে পুলিশ মোতায়েন ছিল, যাতে জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ ও স্থানীয় আয়োজকদের সঙ্গে সমন্বয় রক্ষা করা যায়।

    নমাজ শুধুমাত্র মসজিদের ভেতরেই হবে

    রবীন্দ্র সরণির কাছে নাখোদা মসজিদে শুক্রবার সকাল থেকেই পুলিশ ঘোষণা করে, নমাজ শুধুমাত্র মসজিদের ভেতরেই হবে। নমাজের সময় ঘনিয়ে আসতেই বহু মুসল্লি মসজিদে প্রবেশের জন্য সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ান। অনেককে ভেতরে জায়গা দেওয়া হলেও, কিছু মানুষ জায়গা না পেয়ে পাশের ফুটপাথে নমাজ পড়ার অনুমতি চান (New Namaz Guidelines)। প্রথমে পুলিশ সেই অনুমতি দেয়নি, তবে জায়গার অভাবের কারণে পরে সীমিত সংখ্যক মুসল্লিকে ফুটপাথে নমাজ পড়তে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ আধিকারিকরা জানান, এই ব্যবস্থা সাময়িক। এক পুলিশ অফিসার বলেন, “আগামী সপ্তাহ থেকে সবাইকে মসজিদের ভেতরেই নমাজ পড়তে হবে (Mosques)।”

    নাখোদা মসজিদের ট্রাস্টির বক্তব্য

    নাখোদা মসজিদের ট্রাস্টিরা জানান, আগামী শুক্রবার থেকে বেশি সংখ্যক মানুষের জন্য বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবা হচ্ছে। মসজিদের ট্রাস্টি নাসের ইব্রাহিম বলেন, “আমরা দুই দফায় নমাজ আদায়ের ব্যবস্থা করার কথা ভাবছি।” নমাজ শুরু হওয়ার আগে ইমাম শফিক কাসমি মুসল্লিদের মসজিদের ভেতরে নমাজ পড়ার আহ্বান জানান। কলকাতার রয়েড স্ট্রিট, বেনিয়াপুকুর, খিদিরপুর, মোমিনপুর, তপসিয়া এবং পার্ক সার্কাস-সহ বিভিন্ন এলাকায়ও একই ধরনের দৃশ্য দেখা গিয়েছে। সর্বত্রই অধিকাংশ মুসল্লি মসজিদের ভেতরেই নমাজ আদায় করেছেন।কিছু জায়গায় যাঁরা ভেতরে জায়গা পাননি, তাঁরা মসজিদ লাগোয়া ফুটপাথে নমাজ আদায় করেন। যদিও মূল রাস্তা খোলা রাখা হয়েছিল যান চলাচলের জন্য।

    কী বললেন রয়েড স্ট্রিট মসজিদের ইমাম

    রয়েড স্ট্রিট মসজিদের ইমাম মওলানা শাব্বির মিসবাহি বলেন, “স্থানীয় থানা থেকে আমাদের বলা হয়েছিল, বাইরে নমাজ আদায় করায় নিরুৎসাহিত করতে হবে (New Namaz Guidelines)।” স্থানীয় বাসিন্দা ও মসজিদ কমিটির সদস্যরা জানান, অনেক মুসল্লি স্থানীয় মসজিদে জায়গা না পেয়ে স্বেচ্ছায় কাছাকাছি অন্য মসজিদে চলে গিয়েছিলেন। রাজাবাজার এলাকায় একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনায় কিছু মানুষের সঙ্গে পুলিশের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়েছিল। পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছিল। স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তি ও মসজিদ কমিটির সহায়তায় দ্রুত সমস্যা মিটিয়ে ফেলা হয়। পরে মুসল্লিদের পাশের মসজিদগুলিতে নমাজ আদায়ের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। জুম্মার নমাজের সময় কলকাতার অধিকাংশ এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল (Mosques)।

     

  • Arunachal Pradesh: অবৈধ ধর্মীয় পরিকাঠামো নির্মাণ বন্ধ করতে হবে, দাবি অরুণাচলবাসীর

    Arunachal Pradesh: অবৈধ ধর্মীয় পরিকাঠামো নির্মাণ বন্ধ করতে হবে, দাবি অরুণাচলবাসীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মুসলিম ও ভারতের বিভিন্ন অংশ থেকে আসা ইসলামপন্থী-সহ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে এবং অরুণাচল প্রদেশের স্থানীয় জনগণের তৈরি মসজিদ ও মাদ্রাসার মতো অবৈধ ধর্মীয় পরিকাঠামো নির্মাণের প্রতিবাদে আন্দোলন এখন চরমে। রাজ্যের একাধিক আদিবাসী সংগঠন অবৈধ বসতিস্থাপনকারীদের (Arunachal Pradesh) বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে এবং রাজ্য সরকারকে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করার লক্ষ্যে ২৪ ঘণ্টার অরুণাচল বনধের ডাক দিয়েছে।

    অরুণাচল এসটি বাঁচাও আন্দোলন (Arunachal Pradesh)

    লোয়ার সুবনসিরি জেলার প্রশাসন ২০ জানুয়ারি, অরুণাচল এসটি বাঁচাও আন্দোলনের ডাকা ২৪ ঘণ্টার বনধ চলাকালীন পারিয়ামি মসজিদ খালি করে দেয়। এর ফলে জিরোতে কথিত দুটি অবৈধ মসজিদকে কেন্দ্র করে যে আন্দোলন চলছে, তা আরও তীব্র হয়। এই বনধের মূল লক্ষ্য ছিল সুলুয়া ও পারিয়ামিতে নির্মিত অনুমোদনহীন পরিকাঠামো। সংগঠনটি ওই কাঠামোগুলি অবিলম্বে ভেঙে ফেলার দাবি জানিয়েছে।  পাশাপাশি পারিয়ামি মসজিদের ভেতরে থাকা একটি ইসলামি স্তম্ভ অপসারণের দাবিও তোলেন স্থানীয়রা। এ জন্য ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করা হয় এবং দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

    এসটি বাঁচাও আন্দোলন

    এর প্রেক্ষিতে অরুণাচল প্রদেশ সরকার সুলুয়া মসজিদ, যেটি ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে এসটি বাঁচাও আন্দোলনের অভিযোগের পর সিল করা হয়েছিল, তা খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেয়, যাতে জমির মালিক রুবু তাপা নিজের খরচে সেটি ভেঙে ফেলতে পারেন। এই নির্দেশ আসে ১৯ জানুয়ারি ওল্ড জিরো মার্কেট ওয়েলফেয়ার কমিটির এক আবেদনের পর। ইনচার্জ ডেপুটি কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী (Illegal Mosques) এসডিও হাগে তারুং অবিলম্বে কার্যকর করার জন্য সার্কেল অফিসার মিস মিডে বাগেকে নির্দেশ দেন। এই নির্দেশের অনুলিপি পুলিশ সুপার, টাউন ম্যাজিস্ট্রেট, জিরো পুলিশ স্টেশন, এসটি বাঁচাও আন্দোলন এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে পাঠানো হয়।

    নিরাপত্তা ইস্যু

    এদিকে, অরুণাচল প্রদেশে নিরাপত্তা ইস্যুকে গুরুত্ব দেওয়ার আর একটি পদক্ষেপ হিসেবে রাজ্যপাল কেটি পার্নাইক শুক্রবার সদ্যনিযুক্ত ডিজিপি শিব দর্শন সিং জামওয়ালকে অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পার্নাইক বলেন, “অবৈধ অনুপ্রবেশ সামাজিক সম্প্রীতি ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার পক্ষে মারাত্মক হুমকি, যা লোয়ার সুবনসিরির মতো জেলাগুলিতে অননুমোদিত ধর্মীয় কাঠামো ও জনসংখ্যাগত পরিবর্তন নিয়ে স্থানীয় উদ্বেগের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ (Arunachal Pradesh)।” এই ঘটনাপ্রবাহ স্পষ্ট দেখাচ্ছে যে জেলাটিতে অবৈধ ধর্মীয় কাঠামোকে ঘিরে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে।

    এর আগে, ২৭ ডিসেম্বর রাজ্যের রাজধানী ইটানগরে অনুষ্ঠিত এক বিশাল সমাবেশে একাধিক সংগঠন রাজ্য থেকে অবৈধ বাংলাদেশি ‘মিঞা-মুসলিম’ বসতিস্থাপনকারীদের উচ্ছেদ এবং তাদের ইনার লাইন পারমিট (আইএলপি) বাতিলের দাবি তোলে। অরুণাচল প্রদেশ ইন্ডিজেনাস ইয়ুথ ফোর্স (IYFA) এবং অরুণাচল প্রদেশ ইন্ডিজেনাস ইয়ুথ অর্গানাইজেশনের (APIYO) উদ্যোগে আয়োজিত এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা ‘বন্দে মাতরম’ ও ‘ভারত মাতা কি জয়’ ধ্বনি দেন (Illegal Mosques)। সংগঠনের নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “অভিবাসীদের রাজ্যে কোনও জায়গা নেই এবং অরুণাচল প্রদেশ ও সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারত কখনওই বাংলাদেশের অংশ হতে পারে না (Arunachal Pradesh)।”

     

  • Pak Forces: ৪০টি মসজিদ ধ্বংস করেছে পাকিস্তান, বিস্ফোরক বালোচ নেতা

    Pak Forces: ৪০টি মসজিদ ধ্বংস করেছে পাকিস্তান, বিস্ফোরক বালোচ নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pak Forces) বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন বালোচ (Balochistan) জাতির শীর্ষ নেতা তথা মানবাধিকারকর্মী মীর ইয়ার বালোচ। ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে তাঁর অভিযোগ, পাকিস্তানের বালুচিস্তান প্রদেশে একের পর এক মসজিদ ধ্বংস করা হয়েছে। মীর বলেন, “ইসলামাবাদ যখন পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীর (পিওজেকে)-তে মসজিদ ‘প্রোফাইলিং’-এর অভিযোগ তুলে ভারতের সমালোচনা করছে, তখন একই সময়ে পাক সেনাবাহিনী বালুচিস্তানে প্রায় ৪০টি মসজিদ ধ্বংস করেছে।”

    পাকিস্তানকে তোপ (Pak Forces)

    কাশ্মীর জুড়ে মসজিদ, ইমাম এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটিগুলির তথ্য সংগ্রহ বা প্রোফাইলিং করার ভারত সরকারের সিদ্ধান্তের সমালোচনার প্রেক্ষিতেই মীর এই মন্তব্য করেন। পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ধর্মীয় বিষয়ে হস্তক্ষেপ ধর্ম ও বিশ্বাসের স্বাধীনতার মৌলিক অধিকারের গুরুতর লঙ্ঘন। ইসলামাবাদের ভিত্তিহীন ক্ষোভের তীব্র নিন্দা করে এই বালোচ নেতা বলেন, “পাকিস্তান একটি সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্র এবং দেশটি হিন্দু, শিখ, খ্রিস্টান ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের নিপীড়নে জড়িত”। এক্স হ্যান্ডেলে করা এক পোস্টে তিনি বলেন, “রিপাবলিক অব বালুচিস্তান পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে ভারতের নীতিগত অবস্থানের পাশে সম্পূর্ণভাবে রয়েছে। যখন পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ধর্মীয় ও জেহাদি উগ্রপন্থীদের ব্যবহার করে হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের দমন ও ভীতিপ্রদর্শনের হাতিয়ার বানায়, তখন পাকিস্তানের কোনও নৈতিক অধিকার নেই ভারত, বালুচিস্তান, আফগানিস্তান বা অন্য কাউকে সংখ্যালঘু অধিকার নিয়ে উপদেশ দেওয়ার।”

    কী বললেন বালোচ নেতা

    মীর এও বলেন, “পাকিস্তানের বহিরাগত শক্তি বালুচিস্তান প্রজাতন্ত্রে প্রায় ৪০টি মসজিদ ধ্বংস করেছে। এর মধ্যে রয়েছে সরাসরি মসজিদে বোমা হামলা, কোরআন পোড়ানো এবং মসজিদের ইমাম বা প্রধানদের অপহরণ (Pak Forces)।” তিনি জানান, প্রথম শিকার হয়েছিল বালুচিস্তান প্রজাতন্ত্রের শাসকের মসজিদ, কালাতের খানের মসজিদ। প্রতিবেশী পাকিস্তানের আক্রমণকারী সেনাবাহিনী ট্যাঙ্ক নিয়ে ঢুকে সাধারণ মানুষের ওপর গোলাবর্ষণ ও কামানের শেল নিক্ষেপ করেছিল। আজও কালাতের খানের মসজিদে মর্টার শেলের চিহ্ন দেখা যায়, যা পাকিস্তানের নিষ্ঠুরতা, দখলদারিত্ব এবং অ-ইসলামিক আচরণের প্রমাণ।

    বালুচিস্তান পাকিস্তানের খনিজসম্পদে সমৃদ্ধ হলেও অনুন্নত একটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ, যার সীমানা ইরানের সঙ্গে যুক্ত। বালোচ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সূচনা কয়েক দশক আগে, যেখানে বৃহত্তর স্বায়ত্তশাসন, প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ এবং সম্পূর্ণ স্বাধীনতার দাবি জানানো হয়। এই বিদ্রোহ কখনও তীব্র হয়েছে, কখনও কিছুটা কমেছে, তবে ইসলামাবাদের জন্য এটি দীর্ঘদিন ধরেই একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গিয়েছে।

    ২০২৫ সালের মে মাসে বালোচ জাতীয়তাবাদী নেতারা পাকিস্তান থেকে বালুচিস্তানের (Balochistan) স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তবে অঞ্চলটি এখনও অস্থির। পাকিস্তানি সেনা ও বিদেশি প্রকল্পগুলিকে লক্ষ্য করে বিদ্রোহ অব্যাহত রয়েছে, যার মধ্যে চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর (Pak Forces) (সিপিইসি)-এর প্রকল্পগুলিও রয়েছে।

LinkedIn
Share