Tag: mosquito borne disease

mosquito borne disease

  • Malaria New Drug: এক ডোজেই ম্যালেরিয়া নির্মূলের আশা! কলকাতায় শেষ পর্যায়ে নতুন ওষুধের ট্রায়াল

    Malaria New Drug: এক ডোজেই ম্যালেরিয়া নির্মূলের আশা! কলকাতায় শেষ পর্যায়ে নতুন ওষুধের ট্রায়াল

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দেশ জুড়ে বাড়ছে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ। তবে মশাবাহিত এই রোগে শুধু সংক্রমণের দাপটের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে না। উদ্বেগ বাড়াচ্ছে এই রোগের বদলে যাওয়া প্রকৃতি। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তবে, রোগের চরিত্র বদলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন্দ্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রক। ম্যালেরিয়ার দাপটকে কাবু করতে আরো সক্রিয় ওষুধ তৈরির প্রস্তুতিও চলছে। খোদ কলকাতাতেই পরীক্ষা চলছে। আক্রান্তের কাছে একটা ডোজ পৌঁছে গেলেই, ম্যালেরিয়ার দাপট কমবে। গবেষকেরা এমনটাই আশা করছেন।

    কেন ম্যালেরিয়ার চরিত্র বদল হচ্ছে?

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, আবহাওয়ার বদল হচ্ছে। পৃথিবী জুড়েই জলবায়ুর পরিবর্তন দেখা দিচ্ছে। ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানির মতো ইউরোপের দেশগুলোর পাশপাশি ভারত সহ বিশ্বের একাধিক দেশে জলবায়ুর পরিবর্তনের বিশাল প্রভাব পড়ছে। আবহাওয়ার এই পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি প্রভাব দেখা যাচ্ছে স্বাস্থ্যে। একাধিক রোগের প্রকৃতি বদল হচ্ছে। নানান ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়ার চরিত্র ও বদলে যাচ্ছে। এই পরিবর্তনের জেরে বদলে গিয়েছে ম্যালেরিয়ার চরিত্র। মশাবাহিত এই রোগ আগের থেকেও বেশি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে।

    বদলে যাওয়া রূপে কতখানি বিপদ বাড়াচ্ছে ম্যালেরিয়া?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ম্যালেরিয়ার ওষুধ রয়েছে। আপাতদৃষ্টিতে তাই ম্যালেরিয়া তুলনামূলক কম বিপজ্জনক বলেই মনে হয়। কিন্তু চরিত্র বদল করে ম্যালেরিয়া ভয়াবহ হয়ে উঠছে। সাধারণত দুই তিন দিন জ্বরের পরে পরীক্ষা করিয়ে আক্রান্ত সংক্রমণের বিষয়ে জানতে পারেন। তারপরে তাঁর চিকিৎসা শুরু হয়। কিন্তু নতুন চরিত্রের এই ম্যালেরিয়া মাত্র দুই-তিন দিনের মধ্যেই শরীরে গভীর প্রভাব ফেলছে। বিশেষত অন্ত্র, লিভার, মস্তিষ্কের উপরে গভীর ক্ষত তৈরি করছে। একাধিক অঙ্গের কার্যকারিতা নষ্ট করে দিচ্ছে। ফলে, শরীরের সক্রিয়তা কমছে। পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে। বাজার চলতি ওষুধে রোগ প্রতিরোধ করতে যে সময় নিচ্ছে, তাতে আক্রান্তের অবস্থা আরও সঙ্কটজনক হয়ে উঠছে। ফলে, মৃত্যু ঝুঁকি বাড়ছে। তাই ম্যালেরিয়া সংক্রমণ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

    নয়া দাওয়াইয়ে কেন বাড়তি ভরসা?

    কলকাতার স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিনে ম্যালেরিয়া নিয়ে নতুন ওষুধের পরীক্ষা চলছে। প্রস্তুতি পর্ব প্রায় শেষের দিকে। কর্তৃপক্ষের একাংশ জানাচ্ছেন, নতুন ওষুধ ম্যালেরিয়ার বাড়তি সঙ্কটের বোঝা কমাতে পারবে। তাঁরা আশাবাদী, ম্যালেরিয়ার চরিত্র বদল হয়ে যাওয়ায়, যে ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে, তা মোকাবিলায় নতুন ওষুধ বাড়তি সাহায্য করবে। নতুন ওষুধের চতুর্থ পর্বের ট্রায়াল চলছে। কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, নতুন ওষুধ মাত্র একটা ডোজেই কাজ করবে। যে কোনও রকমের ম্যালেরিয়া মোকাবিলা করতে এক ডোজেই সাহায্য হবে। বাজার চলতি ম্যালেরিয়ার ওষুধ একাধিকবার খেতে হয়। ম্যালেরিয়া এখন আরও বেশি প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে। ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হলে দ্রুত নিরাময় জরুরি। না হলেই লিভার, অন্ত্র ও মস্তিষ্ক বিকল হয়ে যাওয়ার মতো ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। তাই ম্যালেরিয়া দ্রুত নিরাময় করতে সাহায্য করবে, এমন ওষুধ প্রয়োজন। নতুন ওষুধ সেই কাজে সক্ষম হবে বলেই আশা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    কলকাতা ও তার আশপাশে কেন বাড়ছে ম্যালেরিয়ার দাপট?

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রত্যেক বছরেই ম্যালেরিয়ার দাপট উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। আবহাওয়ার পরিবর্তনের জেরে একদিকে ম্যালেরিয়া আরও বেশি বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। আবার আরেকদিকে ম্যালেরিয়া সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ জনসচেতনতার অভাব। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
    স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ জানাচ্ছেন, ম্যালেরিয়া কলকাতা, উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া সহ একাধিক জেলায় দাপট বাড়াচ্ছে। গত বছরেও জুন মাস থেকে ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা কয়েক হাজার ছাড়িয়েছিল। চলতি বছরেও এই সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, বর্ষায় অধিকাংশ জায়গায় নিকাশি ব্যবস্থা প্রায় ভেঙে পড়ে। কলকাতা সহ একাধিক জেলায় মারাত্মক জল জমে। একদিন বৃষ্টি হলেই কয়েক দিন ধরে জমা জলের ভোগান্তি থাকে। এগুলো মশার বংশবিস্তার করে। তাছাড়া পরিচ্ছন্ন বাগান, বাড়ির আশপাশের এলাকায় জল জমলেও মশাবাহিত রোগের দাপট বাড়তে থাকে। তাই ম্যালেরিয়ার দাপট ও বাড়ে।
    চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, প্রচন্ড জ্বর, তীব্র মাথার যন্ত্রণা, বমি ভাবের মতো উপসর্গ দেখা দিলে সময় নষ্ট করা উচিত নয়। দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ মতো শারীরিক পরীক্ষা করানো জরুরি। রোগ নির্ণয়ে দেরি হলে ম্যালেরিয়া মোকাবিলা আরও কঠিন হয়ে উঠছে।

  • World Malaria Day: ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত! লড়তে জরুরি ভাল খাবারও, কী বলছেন পুষ্টিবিদরা?

    World Malaria Day: ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত! লড়তে জরুরি ভাল খাবারও, কী বলছেন পুষ্টিবিদরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে পালিত হয়ে গেল ম্যালেরিয়া দিবস (World Malaria Day)। ফি বছর ২৫ এপ্রিল দিনটি ম্যালেরিয়া (Malaria) দিবস হিসেবে পালন করে তামাম বিশ্ব। ম্যালেরিয়া মশাবাহিত একটি রোগ। ২০২০ সালে বিশ্বে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন ২৪১ মিলিয়ন মানুষ। বিশ্বের ৮৫টি দেশে এই জ্বরে মৃত্যু হয়েছে ৬ লক্ষেরও বেশি মানুষের। আফ্রিকায় পাঁচ বছরের কম বয়সের শিশুর ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হার সব চেয়ে বেশি। তাই ম্যালেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করতে গেলে প্রয়োজন সঠিক ডায়েট।

    বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবসে (World Malaria Day) দাওয়াই পুষ্টিবিদদের…

    পুষ্টিবিদদের মতে, ম্যালেরিয়া জ্বরে দেহের মেটাবলিক রেট অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায়। তাই প্রয়োজন ক্যালোরির। সেই কারণে উচ্চ কার্বোহাইড্রেট ডায়েট করা উচিত। এজন্য ভাত এবং মিলেট খাওয়া প্রয়োজন। এই সময় শরীরের প্রয়োজন প্রচুর প্রোটিনের। প্রোটিনের ঘাটতি হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় শরীরের। তাই রোগ প্রতিরোধ (World Malaria Day) ক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন। এজন্য ডিম, বাদাম, মাংস, মাছ এবং ডেয়ারি প্রোডাক্ট খাওয়া উচিত। যেহেতু এই সময় শরীরের ক্ষমতা কমে যায়, তাই ডাবের জল, আখের রস, তাজা ফলের রস, লেবুজল, স্যুপ এবং স্ট্যু খাওয়া প্রয়োজন। প্রয়োজন জল ফুটিয়ে খাওয়াও। মশাবাহিত রোগের মোকাবিলা করতে হলে শরীরে যাতে প্রচুর পরিমাণে চর্বি না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এজন্য চিয়া বীজ, ফ্ল্যাক্স বীজ, ওয়ালনাট, মাছ এবং মাছের তেল খাওয়া প্রয়োজন। এই সব খাবার শরীরকে ফ্যাটমুক্ত রাখতে সাহায্য করে।

    আরও পড়ুুন: কেন্দ্রের পাঠানো করোনার বুস্টার ডোজ স্টোরে থেকে নষ্ট হয়েছে, বাড়তি উদ্বেগ রাজ্যে!

    শরীরে রোগ (World Malaria Day) প্রতিরোধ গড়ে তোলে ভিটামিন এ এবং সি। সেই জন্য পেঁপে, আম, আঙুর, মিষ্টি লেবু, আনারস এবং আমলকি নিত্য খাওয়া প্রয়োজন। এগুলি শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিনের জোগান দেয়। মশাবাহিত রোগের মোকাবিলা করতে বেশি তেল-মশলা যুক্ত খাবার খাওয়া উচিত নয়। আচার, অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়াও উচিত নয়। চা, কফি এবং ক্যাফিনযুক্ত খাবার না খাওয়াই ভাল। পুষ্টিবিদদের মতে, রোগ প্রতিরোধে শরীরের প্রয়োজন ভিটামিন ডি-এরও। এজন্য প্রতিদিন সকালের নরম রোদে বেশ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা প্রয়োজন। ভিটামিন ই এবং ফলিক অ্যাসিড যুক্ত খাবারও খাওয়া উচিত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share