Tag: MRI

MRI

  • North Bengal Medical College: ডাক্তার বলেছিলেন পায়ের এমআরআই, করা হল মাথার! ব্যাপক শোরগোল

    North Bengal Medical College: ডাক্তার বলেছিলেন পায়ের এমআরআই, করা হল মাথার! ব্যাপক শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোগীর চিকিৎসার জন্য ডাক্তার পরীক্ষা করতে দিয়েছিলেন। আর এই পরীক্ষা করতে গিয়েই বিরাট গোলমালের ঘটনা ঘটল। ডাক্তার দিয়েছেন পায়ের এমআরআই করতে, আর মেডিক্যাল করেছে মাথার এমআরআই। এমন ঘটনা ঘটেছে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (North Bengal Medical College)। ঘটনায় রোগীর পরিবার ইতিমধ্যেই হাসপাতালের কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেছেন। কিন্তু কীভাবে ঘটল এমন ঘটনা? রীতিমতো ঘটনায় তোলপাড় হাসপাতালে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

    রোগীর বক্তব্য (North Bengal Medical College)?

    রোগী আবুবক্কর সিদ্দিকি বলেন, “হাসপাতালে (North Bengal Medical College) গেলে চিকিৎসক আমাকে দেখে ভর্তির কথা বলেন। এরপর আমাকে এমআরআই করতে বলেন। কিন্তু প্রথমে আমি তারিখ পাইনি। এরপর আমি বেশ কিছুদিন ধরে ঘুরলেও পরীক্ষার জন্য তারিখ মিলছিলনা। এরপর আমি বাইরের এক দালালকে কিছু টাকা দিলে অবশেষে তারিখ পাই। গত ১৫ তারিখে ডাক্তারের কাছে রিপোর্ট নিয়ে গেলে ডাক্তার বলেন, এটা পায়ের নয় মাথার প্লেট।” সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ার দাসপাড়ায় রোগীর বাড়ি। তিনি একটি মাদ্রাসার মৌলবি।

    রোগীর আত্মীয়র বক্তব্য

    রোগীর ভুল পরীক্ষার কারণে, হাসপাতালের (North Bengal Medical College) বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে নিজের আবুবক্করের আত্মীয় হাকিমুল ইসলাম বলেন, “আমরা দোষীর শাস্তি চাই। টাকা ছাড়া এখানে কোনও কাজ হয় না। ভুল রিপোর্ট দিয়ে রোগীকে বাঁচানোর থেকে আরও অসুবিধার মধ্যে ফেলা হচ্ছে। হাসপাতালে যদি এমন হয়, আমরা তাহলে কোথায় যাবো?”

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    ভুল রিপোর্টের কথা স্বীকার করে হাসপাতাল (North Bengal Medical College) কর্তৃপক্ষের আসিস্ট্যান্ট সুপার গৌতম দাস বলেন, “নাম নথিভুক্ত করার সময় ভুল করা হয়েছে। দালাল চক্রের বিষয়ে আমরা খোঁজ নেবো। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করব। হয় তো তিনি কোনও প্রকার খপ্পরে পড়ে ছিলেন।”

    উল্লেখ্য, রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসার সময় হাসপাতালের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন। ফলে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যেখানে সরকারি হাসপাতালে সুরক্ষিত নন, সেখান সাধারণ মানুষের কী অবস্থা বোঝাই যাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Swasthya Sathi: স্বাস্থ্য সাথীতে ওষুধের পর এবার রাশ সিটি স্ক্যান সহ একাধিক ব্যয়বহুল পরীক্ষায়! 

    Swasthya Sathi: স্বাস্থ্য সাথীতে ওষুধের পর এবার রাশ সিটি স্ক্যান সহ একাধিক ব্যয়বহুল পরীক্ষায়! 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা রাজ্যে কার্যত বিজ্ঞাপনে পরিণত হয়েছে। বারবার এমনই অভিযোগ তোলেন সাধারণ মানুষ। এবার সেই ভোগান্তির তালিকা আরও দীর্ঘ হতে চলেছে বলেই আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা। শুধু ভোগান্তি নয়। স্বাস্থ্য সাথী কার্ড (Swasthya Sathi) নিয়ে স্বাস্থ্য দফতরের নয়া নির্দেশে, রোগীদের স্বাস্থ্য নিয়েও জটিলতা বাড়ার আশঙ্কায় চিকিৎসক মহল।

    কী নয়া নির্দেশ (Swasthya Sathi) স্বাস্থ্য দফতরের? 

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বাস্থ্য সাথী (Swasthya Sathi) কার্ডে আর সিটি স্ক্যান, এমআরআই-র মতো জটিল অর্থবহুল শারীরিক পরীক্ষা সহজে করা যাবে না। এই ধরনের শারীরিক পরীক্ষা করার জন্য প্রয়োজন হবে একাধিক অনুমতির। স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা জানান, সিটি স্ক্যান, এমআরআই-র মতো ব্যয়বহুল শারীরিক পরীক্ষার জন্য খরচ বাড়ছে। বিপুল অর্থ ব্যয় হচ্ছে। সেই খরচে রাশ টানতেই নতুন একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নিচ্ছে স্বাস্থ্য দফতর। 
    সূত্রের খবর, এবার থেকে স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের আওতায় এই ধরনের শারীরিক পরীক্ষা করাতে হলে হাসপাতালের চিকিৎসককে নিজের পুরো সই, তারিখ ও সিল দিয়ে ব্যাখ্যা করতে হবে। লিখিত ভাবে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে, কেন রোগীর ওই পরীক্ষা জরুরি। তারপরে রোগীর দ্বিতীয় দফায় ওই পরীক্ষা করতে হলে, সেক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষকেও সমস্ত রকম ব্যাখ্যা দিতে হবে। স্বাস্থ্য দফতরের নির্দিষ্ট কমিটি থাকবে। তারা ব্যাখ্যা যাচাই করে দেখবে। তারা প্রয়োজন বুঝলে, তবেই পরীক্ষার অনুমতি দেবে। তারপরে রোগীর পরীক্ষা হবে। তাছাড়া, কোনও রোগী জরুরি বিভাগে দেখাতে এলেই, তার এই ধরনের পরীক্ষা স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের আওতায় করা যাবে না। হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন থাকলে তবেই পরীক্ষা করা যাবে। তাছাড়া, যেসব সরকারি হাসপাতালে পিপিপি মডেলে এই পরীক্ষাগার চলে, সেখানে আলাদা রেজিস্ট্রেশন নথি তৈরি করতে হবে। কোনও রোগীর কেন এই ধরনের পরীক্ষা হচ্ছে, তা বিস্তারিত লিখতে হবে। প্রত্যেক ক্ষেত্রে চিকিৎসকের রেজিস্ট্রেশন নম্বর, তারিখ লিখে সম্পূর্ণ সই করতে হবে। যাতে পরবর্তীতে হিসাব সংক্রান্ত জটিলতা হলে চিকিৎসককে তলব করা যায়।

    কোন ভোগান্তির (Swasthya Sathi) আশঙ্কা করছে চিকিৎসক মহল? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, এর জেরে রোগীদের ভোগান্তি বাড়বে। আগেই ন্যায্য মূল্যের ওষুধ নিয়ে রোগীদের ভোগান্তির শেষ নেই। বারবার অভিযোগ ওঠে, সরকারি হাসপাতালে, বড় বড় ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকান থাকলেও, সেখানে প্রয়োজনীয় ওষুধ পাওয়া যায় না। এমনকী স্বাস্থ্য সাথী (Swasthya Sathi) কার্ড থাকলেও বেসরকারি হাসপাতাল ভর্তি নিতে রাজি হয় না, এমনও অভিযোগ একাধিকবার উঠেছে। এবার সেই তালিকায় পরীক্ষার সমস্যা যুক্ত হবে বলেই আশঙ্কা করছে সংশ্লিষ্ট মহল। তারা জানাচ্ছে, যে ভাবে লাল ফিতের ফাঁস তৈরি হচ্ছে, তাতে সময় মতো রোগীর পরীক্ষা করাই কঠিন হয়ে উঠবে। চিকিৎসকরা জটিলতার ভয়ে হয়তো অনেক ক্ষেত্রে পরীক্ষার পরামর্শ এড়িয়ে চলবেন। যার ফল হবে ভয়ানক। তাছাড়া, অনেক ক্ষেত্রে রোগীকে একাধিকবার সিটি স্ক্যানের মতো পরীক্ষা করাতে হয়। আর সেই পরীক্ষা সময় মতো করা জরুরি। যে দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পরিকল্পনা স্বাস্থ্য দফতর করছে, তাতে রোগীর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা হবে কিনা, তা নিয়েও উদ্বিগ্ন চিকিৎসক মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • MRI: এমআরআই করাতে গিয়ে মৃত্যু পদার্থবিদ্যার ছাত্রীর! কোথায় ঘটল?

    MRI: এমআরআই করাতে গিয়ে মৃত্যু পদার্থবিদ্যার ছাত্রীর! কোথায় ঘটল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এমআরআই (MRI) করাতে এসে বাড়ি ফেরা হল না ছাত্রীর। ভেন্টিলেশনে নিয়ে যাওয়ার পরেও শেষরক্ষা করা গেলনা। তবে পরিবারের দাবি, বড় কোনও অসুস্থতা ছিল না তার। আঁকার সময় হাতটা ইদানিং কাঁপছিল। স্নায়ুর কোনও সমস্যা হচ্ছিল। কিন্তু তার পরিণতি যে এমন হবে তা ভাবতে পারেননি আত্মীয় থেকে বন্ধু মহল। পার্ক সার্কাসের বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে তাঁরা ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। মৃত ছাত্রীর নাম শ্রীপর্ণা দত্ত (২০)। বাড়ি আসানসোলে হলেও, পড়াশোনার জন্য থাকতেন কলকাতায়। জানা গেছে, ওই তরুণী পদার্থবিদ্যার ছাত্রী ছিলেন।

    ঠিক কী হয়েছিল ঘটনাটি?

    বেসরকারি হাসপাতালে এমআরআই (MRI) করার জন্য এসেছিল লেডি ব্রেবোর্ন কলেজের ওই মেধাবী ছাত্রী। স্নায়ুর কিছুটা সমস্যা ছিল। সেকারণেই চিকিৎসক বলেছিলেন তাঁর এমআরআই (MRI) করার জন্য। সেই মতো পরিবারের লোকজন তাঁর এমআরআই করার জন্য নিয়ে গিয়েছিলেন। শুরু হয়েছিল এমআরআই (MRI)। কিন্তু এমআরআই করার পরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। এরপর ভেন্টিলেশনেও রাখা হয়েছিল। সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্য়াগ করেন ওই তরুণী। তবে পরিবারের দাবি, হাসপাতালের গাফিলতিতেই এই কাণ্ড হল। কোনও চিকিৎসক ছিলেন না বলে পরিবারের দাবি। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সংবাদমাধ্যমের কাছে গাফিলতির অভিযোগ মানতে চায়নি।

    কী বলছেন আত্মীয়-স্বজনরা?

    মৃত তরুণীর পরিবারের সদস্যরা বলছেন, কিছুই তো বুঝতে পারলাম না। আমরা বার বার বলতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ওরা কিছু করতেই চাইল না। আমাদের প্রশ্ন করছিল আপনারা কে! যা করার পুলিশ করবে। আসলে জুনিয়ররা তার এমআরআই করতে গিয়েছিল। তখনই ওরা সমস্যা করে ফেলে। আমরা এনিয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাব। তাঁদের আরও দাবি, কোথাও কোনও সমস্যা ছিল না। একেবারে সুস্থ। শুধু হাতটা মাঝেমধ্যে কাঁপছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই সব শেষ হয়ে গেল। এটা পুরোপুরি হাসপাতালের গাফিলতি। শ্রীপর্ণার এক বান্ধবীর মতে, এমআরআই (MRI) করাতে এসে একজন সুস্থ মানুষ এভাবে মারা যাবে এটা মানা যায় না। ওই ছাত্রীর আরও দাবি, স্টাফদের জামায় রক্তের দাগ লেগেছিল। তারা ছোটাছুটি করছিল। শ্রীপর্ণার বুকে পাম্পও করছিল। কিন্তু তারপরেই সব শেষ। এমআরআই করার পরে ওর খিঁচুনি হয়েছিল। তারপরেই শেষ। এদিকে তার সিপিআর করা হয়েছিল। কিন্তু বাঁচানো যায়নি। গোটা ঘটনায় চাপান উতোর শুরু হয়েছে। কীভাবে ওই ছাত্রীর মৃ্ত্যু হল তা নিয়ে রহস্য চরমে উঠেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hospital: মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার ১৬ মাস পরেও এমআরআই পরিষেবা চালু করা গেল না হাসপাতালে!

    Hospital: মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার ১৬ মাস পরেও এমআরআই পরিষেবা চালু করা গেল না হাসপাতালে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ হচ্ছে না প্রতীক্ষার। অত্যাধুনিক মানের পরিকাঠামো প্রস্তুত। এক মাস আগে বালুরঘাটে এসে পৌঁছেছে যন্ত্রও। পরিষেবা চালু হচ্ছে বলে সরকারি বিজ্ঞাপনে শহর ছয়লাপ। তবুও মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার ১৬ মাস পরেও এমআরআই পরিষেবা চালু করা গেল না বালুরঘাট হাসপাতালে (Hospital)। এবার হিলিয়াম গ্যাসের অভাবে ওই পরিষেবা চালু কার্যত বিশবাঁও জলে। ফলে আজও উন্নত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ভিন জেলা বা কলকাতায় ছুটতে হচ্ছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার মানুষকে। অর্থ বরাদ্দ, অনুমোদন, যন্ত্রপাতি সহ সব কিছুই ঠিক থাকলেও কেন আজও এল না হিলিয়াম গ্যাস, তার উত্তর মেলেনি। বরং এই নিয়ে চলছে  টালবাহানা। সীমান্ত জেলার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সঙ্গেই কেন এমন টালবাহানা চলে, উঠছে প্রশ্ন। 

    এর আগেও ঘটেছে এমন ঘটনা

    এর আগে এন্ডোস্কপি, ল্যাপারোস্কপির মতো বিভিন্ন যন্ত্রাংশ বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে (Hospital) বছরের পর বছর ফেলে রাখা হয়েছিল। সেগুলি প্রতিস্থাপিতই করা হয়নি বা ব্যবহার করা হয়নি। পরে ওই যন্ত্রাংশগুলি কলকাতায় ফেরত পাঠানো হয়। অক্সিজেন সংযোগকারী সংস্থার উদাসীনতায় প্রায় দু বছর ধরে চালু না হয়ে পড়ে রয়েছে ২৪ বেডের সিসিইউ বিভাগ। এবারে বহু প্রতীক্ষিত এমআরআই পরিষেবাও চালু না হওয়ায় বাড়ছে ক্ষোভ।

    কী বলছেন বাসিন্দারা?

    এই বিষয়ে বালুরঘাটের এক বাসিন্দা তপন বাগচি বলেন, ‘এমআরআইয়ের জন্য নার্সিংহোমে গেলে অনেক খরচ পড়ে যায়। যখন বালুরঘাট সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে এই মেশিনটি আসে, আমরা ভেবেছিলাম আর অসুবিধা হবে না। কিন্তু একমাস হতে চলল এখনও পরিষেবা চালু হল না। আমরা চাই, দ্রুত এই পরিষেবা চালু হোক।’
    প্রসঙ্গত, সীমান্তের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলাতে বেসরকারি চিকিৎসা পরিষেবা প্রায় নেই বললেই চলে। এই জেলার অধিকাংশ মানুষই সরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। অথচ বিভিন্ন সময় চিকিৎসক ও পরিকাঠামোর অভাব থাকায় জেলা থেকে রেফারের হার বেশি হয় বলে অভিযোগ। এছাড়াও বালুরঘাট জেলা হাসপাতাল (Hospital) নিয়ে রয়েছে বিস্তর অভিযোগ। যা নিয়ে প্রত্যন্ত এই জেলার মানুষকে ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হয়। কারণ বাইরের রোগীদের নিয়ে যেতে যা খরচ, তা বহন করা সম্ভব হয় না৷ আজও এই জেলায় চালু নেই এমআরআই পরিষেবা। অথচ ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসেই রায়গঞ্জ থেকে বালুরঘাট হাসপাতালে এই পরিষেবা চালু হল বলে ঘোষণা করেন মুখ্যমুন্ত্রী। তার পরের দিনই বালুরঘাট সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের নিচতলায় একটি ঘর বরাদ্দ করা হয়। ধীরে ধীরে পরিকাঠামো গড়া হয়। চিলার মেশিন বসানো হয়। প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে গত মার্চ মাসেই বালুরঘাটে এসে পৌঁছয় এমআরআই মেশিন। এই মেশিন আসতেই বালুরঘাট শহরের বিভিন্ন এলাকায় পোস্টার দিয়ে এই পরিষেবার বিষয়ে মানুষের সামনে প্রচার তুলে ধরা হয়েছিল। কিন্তু আজও হিলিয়াম গ্যাস না আসায় ওই পরিষেবা চালুই হয়নি। ফলে এখনও জটিল রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে রোগীকে বাইরে নিয়ে যেতে হচ্ছে। চলছে রোগী হয়রানিও। 

    কী আশ্বাস দিলেন হাসপাতালের সুপার?

    বালুরঘাট সদর হাসপাতাল (Hospital) সুপার কৃষেন্দুবিকাশ বাগ জানান, এমআরআই মেশিন প্রতিস্থাপিত করা হয়ে গিয়েছে। কিন্ত হিলিয়াম গ্যাসের অভাবে ওই পরিষেবা চালু করা যাচ্ছে না। যে সংস্থা এই গ্যাস সরবরাহ করবে, তারা এখনও এই গ্যাস দেয়নি। কবে দেবে তাও জানা নেই। আমরাও চাইছি দ্রুত বালুরঘাট হাসপাতালে এমআরআই পরিষেবা চালু করতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share