Tag: MSME

MSME

  • PM Modi: পিএলআই প্রকল্প-এমএসএমইতে কর্মসংস্থানের দিশা থাকবে মোদি সরকারের বাজেটে?

    PM Modi: পিএলআই প্রকল্প-এমএসএমইতে কর্মসংস্থানের দিশা থাকবে মোদি সরকারের বাজেটে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন শেষ হয়েছে কিছুদিন আগেই। নির্বাচনের কারণে পেশ হয়েছিল ভোট অন অ্যাকাউন্ট। ইতিমধ্যেই শপথ নিয়েছে নয়া সরকার। বাদল অধিবেশনে পেশ হবে পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তারই প্রস্তুতি চলছে জোর কদমে। এটি মোদি সরকারের (PM Modi)  তৃতীয় টার্ম।

    বাজেটে দিশা (PM Modi)

    দেশবাসীর আশা অনেক। এই বাজেটে খেলনা, আসবাবপত্র, জুতো তৈরি, টেক্সটাইলের বিভিন্ন ক্ষেত্রের পাশাপাশি এমএসএমই-র ওপর জোর দেওয়া হবে বলে আশা। উদ্দেশ্য হল, মহিলাদের রোজগার বাড়ানো এবং পরিকাঠামোর উন্নয়ন। নির্বাচন চলাকালীনই গত মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে সরকার গড়ার পর প্রথম একশো দিনে কী কী কাজ করা হবে, তার রোডম্যাপও তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ২০৩০ সালের মধ্যে মোদি সরকার যাতে লক্ষ্য পূরণ করতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা হয়। এবার বাজেটে এসবেরই দিশা থাকতে পারে বলে আশা বিশেষজ্ঞদের (PM Modi)।

    মধ্যবিত্তদের সুবিধা!

    মধ্যবিত্তদের কীভাবে আরও সুবিধা দেওয়া যায়, সেদিকেও দৃষ্টি রয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণের। কেবল ট্যাক্সে ছাড়ই নয়, হাউজিং লোন এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে সুদের হার কীভাবে কমানো যায়, সেই বিষয়টি নিয়েও ভাবছেন তিনি। এই বিষয়গুলিতে প্রাথমিকভাবে জোর দেওয়া হবে। যদিও এ ব্যাপারে ডিটেইলড কোনও তথ্য মেলেনি। বর্তমানে বিদেশ সফরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি ফিরে কী নির্দেশ দেন, আপাতত সেদিকেই তাকিয়ে অর্থমন্ত্রক।

    আরও পড়ুন: “যত বড়ই আধিকারিক হন, ছাড়া পাবেন না”, নিট বিতর্কে বার্তা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের

    জানা গিয়েছে, প্রাক-বাজেট পরামর্শ-পর্ব শুরু হবে চলতি সপ্তাহেই। তবে আধিকারিকরা ইতিমধ্যেই কিছু গ্রাউন্ড ওয়ার্ক সেরে নিয়েছেন। এই আধিকারিকদেরই প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন নয়া সরকার গঠিত হওয়ার পর প্রথম একশো দিনে কী কী কাজ হবে। বুধবার এবং জুনের ২৫ তারিখের মধ্যে অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে মিলিত হতে পারেন সীতারামণ। শনিবার তিনি রাজ্যের অর্থমন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলবেন, জানতে চাইবেন বাজেট নিয়ে তাঁদের আশা-আকাঙ্খার কথা। ছোটখাট ব্যবসায়ীদের উন্নতিকল্পে এমএসএমই প্যাকেজ তৈরি হতে পারে। কর্মসংস্থানের পরিমাণ এবং গুণমান কীভাবে আরও বাড়ানো যায়, এবারের বাজেটে থাকতে পারে সেই হদিশও (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • RBI-New Loan Policy: শীঘ্রই ঋণ সংক্রান্ত নিয়মে বদল আসছে! বিরাট ঘোষণা আরবিআই-এর

    RBI-New Loan Policy: শীঘ্রই ঋণ সংক্রান্ত নিয়মে বদল আসছে! বিরাট ঘোষণা আরবিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের আর্থিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবার ব্যাঙ্কগুলিকে নতুন নির্দেশ দিল কেন্দ্রীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (Reserve Bank)। ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (RBI) সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১ অক্টোবর থেকে ব্যাঙ্ক, এনবিএফসিগুলিতে (NBFC) খুচরো এবং এমএসএমই (MSME) মেয়াদি ঋণের জন্য ঋণগ্রহীতাদের সব তথ্য জমা দিতে হবে। এতে ঋণের (RBI-New Loan Policy) সুদ ও অন্যান্য খরচসহ ঋণের নথি (KFS) সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য দিতে হবে। এবার থেকে নতুন নিয়মের আওতায় ঋণ পাবেন গ্রাহকেরা। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তরফে জানানো হয়েছে, ব্যাঙ্ক, এনবিএফসিগুলিতে খুচরো ও এমএসএমই ঋণের নিয়ম আগামী অক্টোবর থেকেই পরিবর্তিত হচ্ছে।

    রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নির্দেশ (RBI-New Loan Policy)

    আরবিআই জানিয়েছে, নতুন নিয়মে ঋণগ্রহীতাকে সুদ এবং অন্য খরচ সহ ঋণের সব তথ্য (KFS) অবশ্যই সরবরাহ করতে হবে। এই নিয়মের ফলে বেসরকারি ব্যাঙ্কগুলি গ্রাহকদের যাবতীয় তথ্য জানাতে বাধ্য থাকবে। বিশেষ করে পার্সোনাল লোন দেওয়ার ক্ষেত্রে ডিজিটাল ঋণ এবং স্বল্প পরিমাণের ঋণ সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য প্রদান করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। উল্লেখ্য এই ধরনের ঋণে (RBI-New Loan Policy) স্বচ্ছতা বাড়াতে আরবিআই-এর আওতাধীন আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলির প্রোডাক্ট সম্পর্কিত তথ্যের অভাব দূর করার জন্য এই নিয়মটি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে, ঋণগ্রহীতারা সমস্ত তথ্য খতিয়ে চিন্তা ভাবনা করে লোন নিতে পারবেন। আরবিআই-এর নিয়ন্ত্রণাধীন সমস্ত সংস্থা যেগুলো খুচরো ও এমএসএমই লোন দেয়, তাঁদের জন্য এই ঋণ প্রযোজ্য হবে। একই ভাবে ব্যাঙ্কগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, লোন সংক্রান্ত সব তথ্য ও চার্জ গ্রাহকদের লিখিত আকারে জানাতে হবে। কেইএস উল্লেখ করা নেই এমন কোনও চার্জ নেওয়া যাবে না। অর্থাৎ কোনও লুকনো চার্জ দিতে হবে না গ্রাহককে। ফলে ঝঞ্জাটহীন লোনের সুবিধা পাবেন গ্রাহকেরা।

    আরও পড়ুনঃ নিয়মিত পুজো করেন? জেনে নিন ঠাকুরের সামনে কতক্ষণ প্রসাদ রাখা যায়

    নতুন নিয়ম

    রিজার্ভ ব্যাঙ্ক বলেছে,“এবার থেকে থার্ড পার্টি পরিষেবা প্রদানকারীদের পক্ষ থেকে আরবিআই-এর আওতাধীন ঋণ (RBI-New Loan Policy) গ্রহণকারী সংস্থাগুলি থেকে সংগৃহীত বিমা এবং আইনি ফিগুলির (এপিআর) অংশ হবে। এটি আলাদাভাবে প্রকাশ করতে হবে। অন্যদিকে নতুন ঋণগ্রহীতাদের সঙ্গে যদি বর্তমান গ্রাহকরাও নতুন করে ঋণ নেন, তাহলেও সেই ঋণ এই নিয়মের আওতাতেই আসবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Defence MSME: এমএসএমই থেকে প্রতিরক্ষা সামগ্রী কেনার পরিমাণ ছুঁল সর্বকালীন রেকর্ড

    Defence MSME: এমএসএমই থেকে প্রতিরক্ষা সামগ্রী কেনার পরিমাণ ছুঁল সর্বকালীন রেকর্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের বি টু জি (B2G) পোর্টাল গভর্নমেন্ট ইমার্কেটপ্লেসে (Government eMarketplace), ক্ষুদ্র ও মাঝারি ও কুটীর শিল্পোদ্যোগ (MSME) এবং অন্যান্য সংস্থার কাছ থেকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের (Defence Ministry) প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত বিভিন্ন পণ্য এবং পরিষেবা কেনার (Defence Procurement) পরিমাণ চলতি অর্থবর্ষে আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২৫০ শতাংশ বেড়েছে। শনিবার মন্ত্রকের একটি বিবৃতি অনুসারে, জিইএম-এর মাধ্যমে চলতি অর্থবর্ষে ১৫,০৪৭.৯৮ কোটি টাকার পণ্য ক্রয় হয়েছে, যা সর্বকালীন রেকর্ড।
      
    মন্ত্রকের কথায়, পুরনো টেন্ডার প্রক্রিয়াকে পুনর্গঠন করতে এবং ডিজিটাইজেশনের মাধ্যমে সরকারি ক্রয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনতে ২০১৬ -র অগাস্ট মাসে শুরু হয়েছিল জিইএম। প্রতিষ্ঠার পর থেকে অল্প সময়ের মধ্যে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ডিজিটাল ড্রাইভের পথ অনুসরণ করেছে। প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও সাফল্য লাভ করেছে সরকারের এই পদক্ষেপ। 

    ২০২০ সালের মার্চ মাসে রাজ্যসভায় কেন্দ্রীয় ক্ষুদ্র, মাঝারি এবং কুটীর শিল্প মন্ত্রকের তৎকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ির দেওয়া তথ্য অনুসারে, ২০২০ অর্থবর্ষের মাঝামাঝি সময় অবধি প্রতিরক্ষা পাবলিক সেক্টর ইউনিটগুলিকে সরবরাহকারী মোট এমএসএমই বিক্রেতার সংখ্যা ছিল ১০,৫০৬। ২০১৯- এ সেই সংখ্যা ছিল  ৮,৬৪৩ এবং ২০১৮-এ ৭,৫৯১। ২০২১ সালের ডিসেম্বর নাগাদ সেই সংখ্যা বেড়ে ১২,০০০-এ পৌঁছয়। ফলস্বরূপ, এমএসএমই থেকে ডিপিএসইউ- র অর্থ সংগ্রহের পরিমাণ ২০১৯ অর্থবর্ষে ৪৮৪২.৯২ কোটি টাকা থাকলেও তা ২০২১ অর্থবর্ষে বেড়ে দাঁড়ায় ৫৪৬৩.৮২ কোটি টাকা।   

    ২০২০ সালে সরকার প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া (DAP) ‘মেক প্রজেক্ট’ (Make Projects) চালু করে, যাতে সরকারি তহবিল এবং শিল্প তহবিল উভয়ের মাধ্যমেই প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের দেশীয়করণ এবং উন্নয়ন সম্ভব হয়। ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ (Make in India) পোর্টাল অনুসারে, মেক  প্রকল্পগুলি প্রতিরক্ষায় এমএসএমইর ভূমিকাকে আরও জোরাল করতে সাহায্য করেছে। এই সংক্রান্ত প্রকল্পগুলির ৪০ শতাংশ অর্ডার ক্ষুদ্র, মাঝারি ও কুটির শিল্প সংস্থাগুলির জন্যে সংরক্ষণ করা হয়েছে। ১০০০ কোটি টাকার কাজ বরাদ্দ করা হয়েছে এমএসএমই সংস্থাগুলোর জন্যে।

    ইতিমধ্যে, জিইএম-এর সামগ্রিক ৪২.৩৫ লক্ষ বিক্রেতা এবং মন্ত্রকের ৬০,০০০ সরকারি বিভাগ মিলিয়ে প্রায় ২.৪০ লক্ষ কোটি টাকার কেনাবেচা হয়েছে। মোট বিক্রেতার সংখ্যার মধ্যে ৭.৭০ লক্ষই ক্ষুদ্র এবং ছোট উদ্যোগ থেকে আসা। জিইএমের তথ্য অনুসারে শুধুমাত্র ক্ষুদ্র এবং ছোট উদ্যোগের সংস্থাগুলিই ৫৬%  ব্যবসা করেছে এই পোর্টালে।

     

     

LinkedIn
Share