Tag: Muizzu

Muizzu

  • Mohamed Muizzu: মোদিকে ধন্যবাদ চিন-প্রেমী মুইজ্জুর, দ্বীপরাষ্ট্রের হলটা কী?

    Mohamed Muizzu: মোদিকে ধন্যবাদ চিন-প্রেমী মুইজ্জুর, দ্বীপরাষ্ট্রের হলটা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের প্রতি মোহভঙ্গ? নাকি মুইজ্জুর (Mohamed Muizzu) ভোলবদল? কী বলবেন একে? ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভূয়সী (PM Modi) প্রশংসা করলেন মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জু। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত যে প্রকৃতই বন্ধু, তা ক্রমেই উপলব্ধি করতে পারছেন দ্বীপরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। তার ওপর পর্যটনে ভাঁটার টান হওয়ায় পেটেও টান পড়েছে দ্বীপবাসীর। সেই কারণেই মুইজ্জুর ভোল বদল বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    মলদ্বীপ সফরে জয়শঙ্কর (Mohamed Muizzu)

    শুক্রবার তিনদিনের মলদ্বীপ সফরে গিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। শনিবার ছিল এই সফরের দ্বিতীয় দিন।এদিন মলদ্বীপের রাজধানী মালেতে গিয়ে মুইজ্জুর সঙ্গে বৈঠক করেন জয়শঙ্কর। পরে এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারায় আমি সৌভাগ্যবান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তাঁকে।” সূত্রের খবর, বৈঠকে বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে। জয়শঙ্কর আরও লিখেছেন, “আমাদের জনগণ এবং আঞ্চলিক পরিস্থিতি উন্নত করার লক্ষ্যে ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্ক আরও গভীর করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    কী বললেন জয়শঙ্কর

    শনিবার মুইজ্জুর সঙ্গে সাক্ষাতের আগে শুক্রবার জয়শঙ্কর বৈঠক করেন সে (Mohamed Muizzu) দেশের বিদেশমন্ত্রী মুসা জামিরের সঙ্গে। পরে তিনি বলেন, “আমাদের প্রতিবেশী প্রথম নীতির অন্যতম ভিত্তিই হল মলদ্বীপ। ভারতের কাছে প্রতিবেশী হল অগ্রাধিকার। আর প্রতিবেশীদের মধ্যে মলদ্বীপ হল আমাদের অগ্রাধিকার। দুদেশের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্কও খুব নিবিড়।”

    আরও পড়ুন: “মা পদত্যাগ করেননি, এখনও তিনিই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী”, দাবি হাসিনা-পুত্রের

    ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্কে তিক্ততা

    মুইজ্জু চিনপন্থী। ক্ষমতায় আসার পরেই তিনি আওয়াজ তুলেছিলেন ‘ইন্ডিয়া আউট’। মলদ্বীপের অন্যান্য প্রেসিডেন্টরা যখন ক্ষমতায় এসে প্রথমে ভারত সফর করেছিলেন, রীতি ভেঙে মুইজ্জু চলে গিয়েছিলেন চিনে। ‘ইন্ডিয়া আউট’ স্লোগানের পাশাপাশি তাঁর সরকারের তিন মন্ত্রী কটাক্ষ করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। ভারতের জাতীয় পতাকার অবমাননা করা হয় বলেও অভিযোগ। তার জেরে মলদ্বীপ বয়কটের আওয়াজ তোলেন ভারতীয় পর্যটকরা। পেটে টান পড়ে দ্বীপবাসীর। তার পরেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক মেরামতের ওপর জোর দেয় মুইজ্জু প্রশাসন।

    কী বললেন মুইজ্জু

    এদিন জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকের পর এক্স হ্যান্ডেলে মুইজ্জু লেখেন, “সব সময় মলদ্বীপকে সমর্থন করায় আমি ভারত সরকার বিশেষত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমাদের স্থায়ী অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী হচ্ছে, নিরাপত্তা, উন্নয়ন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ে সহযোগিতার মাধ্যমে আমাদের দেশগুলোকে কাছাকাছি নিয়ে এসেছে। আমরা এক সঙ্গে এই অঞ্চলের জন্য একটি উজ্জ্বল এবং সমৃদ্ধতর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলি।”

    দ্বীপভূমে ইউপিআই পরিষেবা

    এদিকে, দ্বীপরাষ্ট্রে (Mohamed Muizzu) ইউনিফায়েড পেমেন্ট ইন্টারফেজ বা ইউপিআই পরিষেবা চালু করতে চলেছে ভারত। এ সংক্রান্ত মউ-ও স্বাক্ষরিত হয়েছে। ট্যুইট-বার্তায় জয়শঙ্কর বলেন, “মলদ্বীপে (এ) ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম চালু করার বিষয়ে ভারতের ন্যাশনাল পেমেন্ট কর্পোরেশন ও মলদ্বীপের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বাণিজ্য মন্ত্রকের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সাক্ষী হয়েছি।” ইউপিআই হল রিয়েল টাইম পেমেন্ট সিস্টেম। এটি মোবাইল মারফত তাৎক্ষণিকভাবে ব্যাঙ্কের টাকা লেনদেনের সুবিধা দেয়। এদিন মউ স্বাক্ষরিত হওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন মলদ্বীপের বিদেশমন্ত্রী মুসা জামিরও। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, “দুই দেশের মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।”

    ‘ওয়েলকাম ইন্ডিয়ান’

    ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্কে অবনতির পর মলদ্বীপই সম্পর্ক মেরামতে উদ্যোগী হয়। মলদ্বীপে বেড়াতে আসা পর্যটকদের সিংহভাগই ভারতীয়। তারা মুখ ফিরিয়ে নেওয়ায় বিপাকে পড়ে মুইজ্জু প্রশাসন। টান পড়ে দ্বীপরাষ্ট্রের অর্থনীতিতেও। এর পরেই যে মুইজ্জু প্রশাসন ‘ইন্ডিয়া আউট’ আওয়াজ তুলে গলা ফাটাচ্ছিল, তারাই এখন ‘ওয়েলকাম ইন্ডিয়ান’ প্রচার শুরু করে। পর্যটক টানতে মুম্বই-সহ দেশের কয়েকটি জায়গায় তারা এই প্রচার করে। দ্বীপরাষ্ট্রের পর্যটনমন্ত্রী স্বয়ং এই কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন। তাঁর ভারত সফরের পরে পরেই এবার সে দেশে গেলেন জয়শঙ্কর।

    মলদ্বীপের ভারত-মুখী হওয়ার আরও একটি কারণ রয়েছে। প্রতি বছর ভারত প্রতিবেশী দেশগুলির জন্য অর্থ বরাদ্দ করে থাকে। এবার মলদ্বীপের জন্য সেই বরাদ্দ কমিয়ে করা হয়েছে মাত্র ২০০ কোটি টাকা। অভিজ্ঞমহলের মতে, পর্যটক কমে যাওয়ার পাশাপাশি বরাদ্দ কমে যাওয়ায় প্রমাদ গোণে দ্বীপরাষ্ট্র। তার পরেই একটু একটু করে ভারতের (PM Modi) দিকে ঝুঁকতে শুরু করে মুইজ্জু (Mohamed Muizzu) প্রশাসন।

    কথায় বলে না, ঠ্যালায় পড়লে বিড়ালও গাছে ওঠে!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Mohamed Muizzu: ‘মিথ্যে’ বলার অভিযোগ মুইজ্জুর বিরুদ্ধে, পর্দা ‘ফাঁস’ করলেন প্রাক্তন মন্ত্রী

    Mohamed Muizzu: ‘মিথ্যে’ বলার অভিযোগ মুইজ্জুর বিরুদ্ধে, পর্দা ‘ফাঁস’ করলেন প্রাক্তন মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ‘মিথ্যে’ বলার অভিযোগ উঠল মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জুর (Mohamed Muizzu) বিরুদ্ধে। যিনি দাবি করেছেন, তিনি মলদ্বীপেরই ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট তথা প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী আবদুল্লা শাহিদ।

    চিনপন্থী প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু

    তাঁর অভিয়োগ, ভারতীয় সেনাদের নিয়ে মিথ্যে বলছেন চিনপন্থী প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু। এক্স হ্যান্ডেলে আবদুল্লা লেখেন, “একশো দিন পেরিয়ে গেল। এটুকু পরিষ্কার যে প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু হাজার হাজার ভারতীয় সেনা নিয়ে যে দাবি করেছিলেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যে। এটি ওঁর অন্য অনেক মিথ্যের তালিকায় আরও একটি সংযোজন। বর্তমান প্রশাসন সঠিক পরিসংখ্যান দিতে ব্যর্থ। এই মুহূর্তে দেশে কোনও বিদেশি সশস্ত্র সেনা নেই।”

    ভারতীয় সেনা সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ

    মুইজ্জু (Mohamed Muizzu) চিনপন্থী হিসেবেই পরিচিত। গত ১৭ নভেম্বর মলদ্বীপের রাষ্ট্রপতি পদে আসীন হন তিনি। তার পরেই নিতে থাকেন একের পর এক ভারত বিরোধী সিদ্ধান্ত। নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়েও মুইজ্জু দাবি করেছিলেন, তাঁদের দেশে হাজার হাজার ভারতীয় সেনা রয়েছে। অথচ পরিসংখ্যান বলছে, দ্বীপরাষ্ট্রটিতে বর্তমানে ভারতীয় সেনা রয়েছেন মাত্র ৭০ জন। ক্ষমতায় এসেই ১০ মে-র মধ্যে মলদ্বীপ থেকে ভারতীয় সেনাদের সরিয়ে নিতে বলে মুইজ্জু সরকার।

    আরও পড়ুুন: ‘জ্ঞানবাপীর তহখানায় চলবে পুজো’, মুসলিম পক্ষের আপত্তি নাকচ এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্কে টানাপোড়েন

    প্রথা অনুযায়ী, যাঁরাই মলদ্বীপের রাষ্ট্রপতি পদে বসেন, তাঁরা প্রথমে ভারত সফরে আসেন। দীর্ঘদিনের সেই প্রথা ভেঙে ভারত নয়, তখতে বসেই মুইজ্জু প্রথমে যান তুরস্ক সফরে। এর পর, চিনা ভূখণ্ডে দাঁড়িয়ে বেজিংকে মিত্র দেশ হিসেবে ঘোষণা করেন মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট। তার পর থেকে ক্রমেই অবনতি হতে থাকে ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্কের। সম্প্রতি সে সম্পর্কে তলানিতে এসে ঠেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর প্রতি মুইজ্জু সরকারের তিন মন্ত্রীর করা অমমাননাকর মন্তব্যের পর।

    এর পরেই ভারতীয় পর্যটকরা মলদ্বীপ বয়কটের ডাক দেন। প্রমাদ গোণেন সে দেশের পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত মানুষজন। কারণ মলদ্বীপে ফি বছর যত পর্যটক বেড়াতে যান, তাঁদের সিংহভাগই ভারতীয়। একদা পরম মিত্র দেশ ভারতের সঙ্গে বৈরিতাও মেনে নিতে পারেননি সেদেশের মুইজ্জু-বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির প্রধানরা। এহেন পরিস্থিতিতে মুইজ্জুর (Mohamed Muizzu) মিথ্যের বেলুন ফাটিয়ে দিলেন সে দেশেরই প্রাক্তন মন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

      

LinkedIn
Share