Tag: Mumbai Police

Mumbai Police

  • 26/11 Trial: ২৬/১১ হামলায় হাফিজ সইদ-সহ ৬ পাকিস্তানি নাগরিকের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের সাহায্য চাইছে মুম্বই পুলিশ

    26/11 Trial: ২৬/১১ হামলায় হাফিজ সইদ-সহ ৬ পাকিস্তানি নাগরিকের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের সাহায্য চাইছে মুম্বই পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০০৮ সালের ২৬/১১ মুম্বই হামলার (26/11 Trial) মামলায় পাকিস্তানে থাকা ছয় পলাতক অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আদালতের জারি করা ‘প্রোক্লেমেশন অর্ডার’ কার্যকর করতে ইন্টারপোলের সহায়তা চাইল মুম্বই পুলিশ। এই ছয় অভিযুক্তের মধ্যে রয়েছে লস্কর-ই-তৈবার প্রতিষ্ঠাতা হাফিজ সইদ (Hafiz Saeed) এবং জাকি-উর-রহমান লখভি। মুম্বই পুলিশের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন জানানো হয়েছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩৫৬ ধারায় এই আবেদন করা হয়েছে। বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি উজ্জ্বল নিকাম শুক্রবার একটি অন্তর্বর্তীকালীন রিপোর্ট জমা দিয়েছেন। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে আর্জি

    শুক্রবার ২৬/১১ মামলার বিশেষ আদালতে সরকারি আইনজীবী উজ্জ্বল নিকম জানান, গত জুলাইয়ে জারি হওয়া প্রোক্লেমেশন অর্ডার নিয়ে একটি অন্তর্বর্তী রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। নিকম আদালতকে জানান, পাকিস্তানে থাকা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে প্রোক্লেমেশন অর্ডার কার্যকর করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে আবেদন করা হয়েছে। গত ৩ আগস্ট মন্ত্রক সেই আবেদন গ্রহণ করেছে এবং পরবর্তী অগ্রগতির রিপোর্ট দিতে সময় চেয়েছে। আদালতের নির্দেশে যাঁদের বিরুদ্ধে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, তাঁরা হলেন—হাফিজ সইদ, জাকি-উর-রহমান লখভি, সাজিদ মীর, আবু আলকামা, আসিম ওরফে আবু কাহাফা এবং মেজর আবদুর রহমান পাশা। প্রত্যেকেই পাকিস্তানি নাগরিক। মুম্বই হামলায় তাঁদের কথিত ভূমিকার উল্লেখ রয়েছে হামলার একমাত্র জীবিত জঙ্গি আজমল কাসাব এবং পরে রাজসাক্ষী হওয়া ডেভিড কোলম্যান হেডলির বয়ানে।

    অনুপস্থিতিতেই হতে পারে বিচার

    ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (BNSS), ২০২৩-এর ৩৫৬ ধারায়, কোনও অভিযুক্ত বিচার এড়াতে দীর্ঘদিন আত্মগোপন করলে এবং তাঁকে দ্রুত গ্রেফতার করার সম্ভাবনা না থাকলে আদালত তাঁর অনুপস্থিতিতেই পূর্ণাঙ্গ ফৌজদারি বিচার চালাতে পারে। সেই আইনি ব্যবস্থার আওতাতেই এবার ২৬/১১ মামলার বাকি অভিযুক্তদের বিচার এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ২০০৮ সালের নভেম্বরে ১০ জন পাকিস্তানি জঙ্গি মুম্বইয়ে একের পর এক হামলা চালিয়ে শহরকে ৬০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে কার্যত অবরুদ্ধ করে রেখেছিল। তাজ হোটেল, ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হামলা চালানো হয়। ওই হামলায় ১৬৬ জনের মৃত্যু হয়, যার মধ্যে ছয়জন ছিলেন মার্কিন নাগরিক। একমাত্র জীবিত ধৃত জঙ্গি আজমল কাসাবকে গণহত্যা এবং ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালানোর অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। মৃত্যুদণ্ডের সাজা কার্যকর করে ২০১২ সালের ২১ নভেম্বর পুণের ইয়েরওয়াড়া কেন্দ্রীয় কারাগারে তাঁর ফাঁসি হয়।

    প্রোক্লেমেশন অর্ডার কার্যকর হওয়ার অপেক্ষা

    ২৬/১১ হামলার সঙ্গে যুক্ত মূল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপকে মামলার বিচারে একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি অগ্রগতি বলে মনে করা হচ্ছে। ইন্টারপোলের মাধ্যমে প্রোক্লেমেশন অর্ডার কার্যকর হলে পাকিস্তানে থাকা অভিযুক্তদের অনুপস্থিতিতেই বিচার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথ আরও সুগম হতে পারে। বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি উজ্জ্বল নিকামের প্রতিনিধিত্বে পুলিশ শুক্রবার পলাতক অভিযুক্তদের অনুপস্থিতিতে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য চলতি বছরের জুলাই মাসে জারি করা ঘোষণাপত্রের ওপর একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন দাখিল করেছে। সন্ত্রাস মামলার শুনানি চলা বিশেষ আদালতে নিকাম বলেন, “পাকিস্তানে বসবাসকারী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে ঘোষণাপত্র জারির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে (এমএইচএ) চিঠি দিয়েছি। ৩ আগস্ট এমএইচএ আমাদের অনুরোধটি স্বীকার করে নিয়েছিল এবং এর অবস্থা জানানোর জন্য সময় চেয়েছিল।” হাফিজের বিরুদ্ধে ট্রায়াল ইন অ্যাবসেনশিয়া শুরু হলে যদি হাফিজ সইদ এই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়, তাহলে তাকে যখনই ভারতে আনা হবে, তখনই তাকে শাস্তির মুখে পড়তে হবে।

    পাকিস্তানে বাড়ানো হল হাফিজের নিরাপত্তা!

    ভারত যখন লস্কর প্রধান হাফিজের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়ার গতি বাড়াচ্ছে তখনই পাকিস্তানে ‘বন্দি’ হাফিজের নিরাপত্তা আগের থেকেও বাড়িয়ে দিয়েছে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। যে বাড়িতে হাফিজ রয়েছে, সেখান নিরাপত্তারক্ষীর সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। আইবি গোয়েন্দা অফিসারদের মতে, এর আগে, বহুবার হাফিজকে খুন করার চেষ্টা দেখা গিয়েছে অতীতে। হাফিজ ঘনিষ্ঠ অনেকেই খুন হয়েছে, যার জেরেই তড়িঘড়ি আইএসআই হাফিজের নিরাপত্তা বাড়িয়েছে। জানা যাচ্ছে, হাফিজকে ঘিরে টার্গেট গত কয়েক মাসে বেড়ে গিয়েছে। যার জেরে হাফিজকে লস্করের ট্রেনিং ক্যাম্পেও যেতে দেওয়া হচ্ছে না পাকিস্তানের নিরাপত্তার খাতিরে। শুধু তাই নয়, লস্করের যে জায়গায় উগ্রপন্থায় যুবকদের মগজধোলাই হয়, সেই ক্যাম্পেও হাফিজ যাচ্ছে না বলে খবর। আর এই সবই তার নিরাপত্তা বাড়িয়ে তোলার জেরে হয়েছে। এর আগে, এই সমস্ত জায়গায় হাফিজের আনাগোনা ছিল।

    কোথায় রয়েছেন হাফিজ?

    প্রসঙ্গত, পাকিস্তান দাবি করছে, লাহোরের কোট লখপত জেলে নাকি ‘বন্দি’ রয়েছে হাফিজ সইদ। তবে ভারতীয় গোয়েন্দাদের মতে, জেলে নয়, লাহোরের মোহাল্লা জোহার এলাকার এক সেফ হাউজ-এ হাফিজকে রেখে দিয়েছে পাকিস্তান। যে সেফ হাউজকে কার্যত দুর্গের মতো করে নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছে শেহবাজ শরিফ, আসিম মুনিরের দেশ। আরও একটি রিপোর্ট দাবি করছে, লাহোরের মিঞা মীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকার একটি বাড়িতে হাফিজকে নিয়ে রাখা হচ্ছে। সেখানে তার নিরাপত্তা বাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। একদিকে, অপারেশন সিঁদুরে গুঁড়িয়ে যাওয়া তাদের জঙ্গি শিবিরকে ফের গড়ে তোলার চেষ্টায় রয়েছে লস্কর ই তৈবা, তারই মাঝে হাফিজ সইদকে কোনও জঙ্গি ট্রেনিং সেন্টারে দেখা যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সে শুধু ভিডিয়ো কল-এ কথা বলে ক্যাডারদের সঙ্গে। তাও শুধু বড় মাপের বৈঠকেই এমন কল হয়, সেখানে কড়া নিরাপত্তা থাকে।

  • Muharram Procession: মুম্বইয়ে মহরমের শোভাযাত্রায় বিষ মেশানো ক্যাপসুল বিলি, গ্রেফতার যুবক

    Muharram Procession: মুম্বইয়ে মহরমের শোভাযাত্রায় বিষ মেশানো ক্যাপসুল বিলি, গ্রেফতার যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বইয়ে মহরমের আশুরা শোভাযাত্রায় (Muharram Procession) হাজার হাজার মানুষের মধ্যে বিষ মেশানো ক্যাপসুল বিলির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশি তৎপরতায় বড়সড় প্রাণহানির ঘটনা এড়ানো গিয়েছে (Poisonous Tablets) বলে দাবি তদন্তকারীদের।

    বিষ মেশানো ক্যাপসুল বিলি (Muharram Procession)

    অভিযুক্তের নাম ফৈয়াজ প্রেমজি। শুক্রবার বাইকুল্লা এলাকার রেহমতাবাদ কবরস্থানের কাছে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ওষুধ বিলি করছিলেন বলে অভিযোগ। তিনি নিজেকে ওষুধ বিতরণকারী হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন। ওই ক্যাপসুলকে কখনও ‘ব্যথার ওষুধ’, আবার কখনও ‘ইমিউনিটি বুস্টার’ বলে দাবিও করছিলেন তিনি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্তত ১১ জন ওই ক্যাপসুল খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদের বমি, পেটব্যথা-সহ একাধিক শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করায় আপাতত সকলেই বিপন্মুক্ত।তদন্তে জানা গিয়েছে, ক্যাপসুলগুলির মধ্যে মেশানো ছিল জিঙ্ক ফসফাইড (Zinc Phosphide), যা সাধারণত ইঁদুর মারার বিষ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মুম্বই পুলিশের ডেপুটি কমিশনার জয়ন্ত মীনা জানান, অভিযুক্তের কাছে এই ধরনের রাসায়নিক রাখার বা বিলি করার কোনও অনুমতি ছিল না। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১৪,৯০০টি ক্যাপসুল উদ্ধার করেছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, এর আগেই প্রচুর ক্যাপসুল মানুষের মধ্যে বিলি করা হয়েছিল। এছাড়াও, অভিযুক্ত ৩০ হাজার খালি ক্যাপসুল এবং প্রায় ৫০ কেজি ফসফরাস অর্ডার করেছিলেন বলেও দাবি পুলিশের।

    অপরাধ কবুল অভিযুক্তের!

    এই ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন তিন মহিলা স্বেচ্ছাসেবী। তাঁদের মধ্যে একজন অভিযুক্তের সন্দেহজনক আচরণ লক্ষ্য করে তাঁকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেন। পরে লাউডস্পিকারে মানুষকে ওই ক্যাপসুল না খেতে সতর্ক করে দেন। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের সময় অভিযুক্ত কবুল করেছে, তার উদ্দেশ্য ছিল শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া হাজার হাজার মানুষের মধ্যে বিষপ্রয়োগ করা। অসমর্থিত সূত্রের খবর (Muharram Procession), অভিযুক্ত বলেছে, “আমি অন্তত ১৫ হাজার মানুষকে হত্যা করতে চেয়েছিলাম।” জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত বিবিএ (BBA) স্নাতক। তদন্তে তাঁর ইরান ও ইরাক সফরের তথ্যও সামনে এসেছে। ঘটনার পেছনে কোনও জঙ্গি যোগ বা বড়সড় ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    জিঙ্ক ফসফাইড কতটা বিপজ্জনক?

    অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (BNS) ১২৩ ধারায় বিষ প্রয়োগ করে ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে অপরাধের মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালত তাঁকে দু’দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জিঙ্ক ফসফাইড অত্যন্ত বিষাক্ত রাসায়নিক। এটি শরীরে প্রবেশ করার পর পাকস্থলীর অ্যাসিডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে ফসফিন গ্যাস তৈরি করে, যা হৃদযন্ত্র, ফুসফুস, লিভার, কিডনি এবং মস্তিষ্কের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। এই (Poisonous Tablets) বিষের কোনও নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই। তাই আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে উপসর্গভিত্তিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে ভেন্টিলেটর সাপোর্ট দেওয়াই একমাত্র উপায় (Muharram Procession)।

  • Mumbai Police: ৪০০ কেজি আরডিএক্স-সহ ঢুকেছে ১৪ জঙ্গি, হুমকি বার্তা মুম্বই পুলিশকে , জারি হাই অ্যালার্ট

    Mumbai Police: ৪০০ কেজি আরডিএক্স-সহ ঢুকেছে ১৪ জঙ্গি, হুমকি বার্তা মুম্বই পুলিশকে , জারি হাই অ্যালার্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বই পুলিশের (Mumbai Police) হোয়াটসঅ্যাপ হেল্পলাইনে আসা একটি হুমকি বার্তা নিয়ে ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। ওই হুমকিবার্তায় দাবি করা হয়েছে, ১৪ জন জঙ্গি প্রায় ৪০০ কেজি আরডিএক্স-সহ শহরে প্রবেশ করেছে। আরও দাবি করা হয়, ৩৪টি মানব বোমা বহনকারী গাড়ি মুম্বইয়ের বিভিন্ন জায়গায় রাখা হয়েছে।তার বিস্ফোরণে কাঁপবে মুম্বই। এই খবর পাওয়ার পরই গোটা শহরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং জারি হয়েছে হাই অ্যালার্ট। মুম্বই পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ভুয়ো হুমকি বার্তা দেওয়া হয়েছে। তবে কোনও রকম ঝুঁকি নিতে নারাজ মুম্বই পুলিশ। বম্ব স্কোয়াড এবং বিশেষ পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। শুক্রবার মুম্বই পুলিশের (Mumbai) এক আধিকারিক জানান, হুমকি বার্তাটি বৃহস্পতিবার ট্রাফিক পুলিশের কন্ট্রোলরুমের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে আসে। এরপরই গোটা নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে চাঙ্গা করা হয়। বিশেষ করে রেলস্টেশন, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় শুরু হয়েছে কড়া নজরদারি ও তল্লাশি।

    ‘লস্কর-ই-জিহাদি’ নামের সংগঠনের কথা বলা হয়

    পুলিশ সূত্রে খবর, বার্তায় ‘লস্কর-ই-জিহাদি’ নামক একটি সংগঠনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, বিস্ফোরণের জন্য ৩৪টি গাড়িতে ৪০০ কেজি আরডিএক্স রাখা রয়েছে। ওই বার্তায় (Mumbai Police) এমন কথাও লেখা রয়েছে—এই বিস্ফোরক দিয়ে গোটা দেশ কেঁপে উঠবে। এই হুমকির তদন্তে নেমেছে মুম্বই পুলিশের (Mumbai) ক্রাইম ব্রাঞ্চ। পাশাপাশি সন্ত্রাস দমন শাখা (ATS) ও অন্যান্য কেন্দ্রীয় সংস্থাকেও জানানো হয়েছে।

    সতর্কতা মুম্বইজুড়ে (Mumbai Police)

    শহরে সম্ভাব্য কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ইতিমধ্যেই নেওয়া হয়েছে একাধিক সতর্কতামূলক ব্যবস্থা। উল্লেখ্য, অনন্ত চতুর্দশীর দিন শহরে লক্ষ লক্ষ মানুষ রাস্তায় নামবেন গণেশ প্রতিমা বিসর্জনের জন্য। তার আগে এমন হুমকি বার্তা ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহজনক কোনও কিছু চোখে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে থানায় জানাতে হবে। মুম্বইবাসীদের (Mumbai Police) উদ্দেশে আবেদন জানিয়ে পুলিশ বলেছে, কোনও গুজবে কান দেবেন না এবং শহরের নিরাপত্তা রক্ষায় সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।

  • Disha Salian Death: সুশান্ত সিং রাজপুতের প্রাক্তন ম্যানেজারের মৃত্যুর ঘটনায় উদ্ধব পুত্রের যোগ! দাবি দিশার বাবার

    Disha Salian Death: সুশান্ত সিং রাজপুতের প্রাক্তন ম্যানেজারের মৃত্যুর ঘটনায় উদ্ধব পুত্রের যোগ! দাবি দিশার বাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত (Sushant Singh Rajput) ও তাঁর প্রাক্তন ম্যানেজার দিশা সালিয়ানের রহস্যময় মৃত্যুর (Disha Salian Death) বিষয়ে ফের আলোচনা তুঙ্গে। বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর কয়েকদিন আগেই রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয়েছিল তাঁর প্রাক্তন ম্যানেজার দিশা সালিয়ানের (Disha Salian)। তবে সময় যত এগিয়েছে, ততই এই তদন্ত ধামাচাপা পড়তে থাকে। তবে এবার ফের এই মামলা নিয়ে শুরু হচ্ছে তদন্ত। দিশার বাবা সম্প্রতি রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের ছেলে আদিত্য ঠাকরের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন। তাঁর মতে এই মামলায় সরাসরি যোগ রয়েছে আদিত্যর। তাঁকে অবিলম্বে তলব করা উচিত। এই প্রসঙ্গে এবার দিশার বাবার হয়ে সমর্থন দেখালেন বিজেপি বিধায়ক তথা মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নিতিশ রানে।

    আদিত্য ঠাকরেকে আক্রমণ নিতিশের

    এদিন নিতিশ বলেন, “আমি প্রথম থেকেই দাবি করেছিলাম দিশা সালিয়ানের মৃত্যুর (Disha Salian Death) পিছনে আদিত্য ঠাকরে জড়িত রয়েছেন। ফলে এটা নিছকই আত্মহত্যার ঘটনা নয়। এর পিছনে বড় চক্রান্ত রয়েছে। আমি রাজ্য় সরকারের কাছে দাবি করছি, যাতে এই ঘটনায় প্রথম থেকে যাঁদের নাম জড়িয়ে রয়েছে তাঁদের আবারও জেরা করা হোক। ঘটনার দিন আদিত্য কোথায় ছিলেন, মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন খতিয়ে দেখা, আবাসনে নিরাপত্তারক্ষীদের আবারও জেরা করা হোক। তাহলেই আসল সত্যি বেরিয়ে আসবে।”

    দিশা ও সুশান্তের মৃত্যু

    ২০২০-র ১৪ জুন, মুম্বইয়ের বান্দ্রায় অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতকে (Sushant Singh Rajput) নিজের ফ্ল্যাটে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। কয়েক দিন আগে, ৮ জুন, অভিনেতার প্রাক্তন ম্যানেজার দিশা সালিয়ানকে মৃত (Disha Salian Death) অবস্থায় পাওয়া যায়। পুলিশ জানিয়েছিল, দিশা মালাডের একটা বহুতল থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেছিলেন। রাজ্যের তৎকালীন বিরোধী দল অর্থাৎ বর্তমানের শাসক দল বিজেপি সেই সময় বারংবার এই ঘটনাকে খুন বলেই দাবি করে আসছিল। কিন্তু তৎকালীন শাসক দলের চাপে পুলিশ এই ঘটনা চাপা দিয়ে দেয়। পরবর্তীকালে বিজেপি ক্ষমতায় এলে আবারও এই মামলার তদন্ত শুরু করার কথা হয়। ঘটনার পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও আসল সত্যি সামনে আসেনি। সুশান্তের বাবা কে কে সিং বারবার দাবি করেন, তাঁর ছেলে আত্মহত্যা করতে পারে না। সুবিচারের আশায় এখনও দিন গুনছে দিশা ও সুশান্তের পরিবার।

  • Terror Attack on PM Modi: ফ্রান্স সফরের মাঝেই প্রধানমন্ত্রীর বিমানে জঙ্গি হামলার হুমকি! মুম্বই পুলিশে উড়ো ফোন

    Terror Attack on PM Modi: ফ্রান্স সফরের মাঝেই প্রধানমন্ত্রীর বিমানে জঙ্গি হামলার হুমকি! মুম্বই পুলিশে উড়ো ফোন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Terror Attack on PM Modi) বিমান উড়িয়ে দেবে জঙ্গিরা! ফোনের ওপার থেকে মুম্বই পুলিশকে এমনই জানিয়েছিলেন এক ব্যক্তি। মঙ্গলবারই এই হুমকি ফোন পেয়ে তদন্তে নেমে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে মুম্বই পুলিশ। বর্তমানে ফ্রান্সে রয়েছেন তিনি। এর পর নয়া মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাতে করতে যাবেন আমেরিকায়। তার আগে মুম্বই পুলিশের কাছে মোদির বিমানে বিস্ফোরণের হুমকি দিয়ে একটি উড়ো ফোন কল আসে।

    মুম্বই পুলিশে উড়ো ফোন

    মুম্বই পুলিশ জানিয়েছে, ১১ ফেব্রুয়ারি কন্ট্রোল রুমে একটি ফোন আসে। সেই ফোনে এক ব্যক্তি জানান, বিদেশ সফরে প্রধানমন্ত্রীর বিমানে হামলা চালানো হতে পারে। জঙ্গিরা বিমানে বোমা-হামলা করার ছক কষেছে। খবর পাওয়ামাত্রই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়। বিভিন্ন সংস্থাকে হুমকি ফোনের বিষয়টি জানানো হয়। তদন্তে নেমে মুম্বইয়ের চেম্বুর থেকে এক ব্যক্তিকে আটক করেন তদন্তকারীরা। জানা যায়, তিনিই কন্ট্রোল রুমে ফোন করেছিলেন। গ্রেফতার করে তাঁকে ওই হুমকি ফোনের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, তাঁর মানসিক অবস্থা স্থিতিশীল নয়। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদের পর প্রাথমিকভাবে এমনই অনুমান পুলিশের।

    বিদেশেই হুমকি

    সোমবার বিদেশ সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (Terror Attack on PM Modi)। ফ্রান্স সফর সেরে যাবেন আমেরিকায়। মঙ্গলবার প্যারিসে এআই সম্মেলনে যোগ দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। বুধবার মোদি এবং ম্য়াক্রঁ, দু’জনে মার্সেইতে যুদ্ধের সমাধিক্ষেত্র পরিদর্শন করেন। যুদ্ধে শহিদ ভারতীয় সৈন্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানন প্রধানমন্ত্রী। ফ্রান্স সফর সেরে আমেরিকায় পাড়ি দেবেন মোদি। তার মধ্যেই এল প্রাণনাশের হুমকি তবে এটা নতুন নয়, গত বছর ডিসেম্বরে মুম্বই ট্র্যাফিক পুলিশের কন্ট্রোল রুমে হুমকি ফোন এসেছিল। আইএস জঙ্গিযোগের কথাও বলা হয়েছিল। সেই ঘটনায় দু’জনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে গত বছর কান্দিবলির বাসিন্দা ৩৪ বছর বয়সি শীতল চৌহানকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

  • Wikipedia: ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনগুলির সমর্থনে ব্যবহার করা হচ্ছে উইকিপিডিয়াকে, দাবি মার্কিন সংস্থার

    Wikipedia: ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনগুলির সমর্থনে ব্যবহার করা হচ্ছে উইকিপিডিয়াকে, দাবি মার্কিন সংস্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনগুলির সমর্থনের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে উইকিপিডিয়াকে (Wikipedia), এমনই গুরুতর অভিযোগ আনল মার্কিন দেশের একটি সংবাদ সংস্থা পাইরেট ওয়্যারস। মার্কিন দেশের ঐ সংস্থার দাবি হামাসপন্থী এবং হিজবুল্লাপন্থী সাংবাদিকদের ব্যবহার করা হচ্ছে প্যালেস্তাইন-ইজরায়েল যুদ্ধকে বিকৃত করে উপস্থাপন করার কাজে। শুধু তাই নয়, ইহুদিদের বিরুদ্ধে লাগাতার ঘৃণার প্রচারও চালাচ্ছে ওই সাংবাদিকরা। পাইরেট ওয়্যারসের (Pirate Wires) আরও দাবি, অন্তত ৪০ জন হামাস ও হিজবুল্লাপন্থী সাংবাদিককে এভাবেই ব্যবহার করা হচ্ছে উইকিপিডিয়াতে তথ্য বিকৃত করার কাজে।

    ইহুদি বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে (Wikipedia) 

    গত বছরের সাত অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ সম্পর্কে জনসাধারণের মধ্যে থাকা ধারণাকে (Wikipedia) পরিবর্তন  করতেই তারা এই কাজ করছে। অত্যন্ত সুক্ষ্মভাবে তারা হামাস ও হিজবুল্লাকে হিরো বানিয়ে, ইজরায়েলকে ভিলেন বানাতে চাইছে। অনলাইন যুদ্ধে এভাবেই তারা ইহুদি বিরোধী একটা মহল তৈরি করতে চাইছে।

    ২০ লক্ষ বার সম্পাদনা (Wikipedia) করা হয়েছে বিভিন্ন আর্টিকেল 

    পাইরেট ওয়্যারস (Pirate Wires) আরও জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত দশ হাজারেরও বেশি বিভিন্ন ধরনের প্রবন্ধে প্রায় কুড়ি লক্ষবার সম্পাদনা করা হয়েছে এবং প্রতিক্ষেত্রেই হামাস এবং হিজবুল্লার সমর্থনে কথা বলা হয়েছে। প্রতিবারই ইহুদিদের বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। আরও তথ্য উঠে এসেছে, টেক ফর প্যালেস্টাইন নামের একটি ৮,০০০ সদস্যের ডিসকর্ড গ্রুপ এভাবেই অনলাইন যুদ্ধ চালাচ্ছে। পাইরেট ওয়্যারসের মতে, ‘নাবলেজি’ নামে একজন টিএফপি সদস্য হিজবুল্লার সমর্থক বলেই নিজের পরিচয় দেন। তিনি অসংখ্যবার হামাস-হিজবুল্লা বিরোধী লেখা মুছে সেখানে ইহুদি বিদ্বেষ ছড়িয়েছেন বলে অভিযোগ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Yogi Adityanath: যোগীকে খুনের হুমকি, মুম্বই পুলিশ গ্রেফতার করল মুসলিম তরুণীকে

    Yogi Adityanath: যোগীকে খুনের হুমকি, মুম্বই পুলিশ গ্রেফতার করল মুসলিম তরুণীকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে (Yogi Adityanath) খুনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ফতেমা খান নামে এক তরুণীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, ওই তরুণীর বয়স ২৪। রবিবার দুপুরেই তাঁকে গ্রেফতার করে মুম্বই পুলিশ। শনিবারই মুম্বইয়ের ট্র্যাফিক পুলিশের কাছে হোয়াট্‌সঅ্যাপে একটি হুমকিবার্তা এসেছিল, যোগী ১০ দিনের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর পদ না ছাড়লে তাঁর পরিণতিও বাবা সিদ্দিকির মতো হবে। ঘটনার পরেই মুম্বই পুলিশের (Mumbai Police) জঙ্গিদমন শাখা এবং উল্লাসনগর থানার পুলিশ যৌথ অভিযান শুরু করে।

    ফতেমা খানের বাড়ি থানে জেলার উল্লাসনগরে

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ফতেমা খানের বাড়ি থানে জেলার উল্লাসনগরে। ফতেমার পিতার কাঠের ব্যবসা রয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তিতে স্নাতক (বিএসসি) পাশ করেছেন ওই তরুণী। জানা গিয়েছে, ওই তরুণীকে গ্রেফতারের পর ইতিমধ্যে জেরাও শুরু করেছেন তদন্তকারী আধিকারিকেরা। ওই তরণী কেন হুমকিবার্তা দিয়েছিলেন, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। ফতেমাকে প্রাথমিক জেরার পর পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, তরুণী শিক্ষিত। কিন্তু তাঁর মানসিক অস্থিরতা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: রোটি-বেটি-মাটি সুরক্ষিত করার আহ্বান শাহের, ঝাড়খণ্ডে ইস্তেহার প্রকাশ বিজেপির

    গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত শুরু করে মুম্বই পুলিশ (Mumbai Police)

    সম্প্রতি, মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা এনসিপি নেতা সিদ্দিকিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। সেই ঘটনায় লরেন্স বিষ্ণোই গ্য়াংয়ের নাম উঠে আসে। এরই মধ্যে যোগী আদিত্যনাথকে (Yogi Adityanath) খুনের হুমকিবার্তা আসে মহারাষ্ট্র পুলিশের কাছে। প্রসঙ্গত, ভোটমুখী মহারাষ্ট্রে প্রায়ই যাওয়া-আসা করছেন যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। মহারাষ্ট্র থেকে হুমকি আসায় ঘটনাটিকে যথেষ্ঠ গুরুত্ব সহকারে তদন্ত শুরু করে সে রাজ্যের পুলিশ। তাতেই উঠে আসে ওই তরুণীর নাম। সম্প্রতি, বিহারের সাংসদ পাপ্পু যাদবকেও হুমকি দেয় লরেন্স বিষ্ণোইয়ের গ্যাং। সেই ঘটনাতেও শনিবার বিহার পুলিশ দিল্লি থেকে মহেশ পাণ্ডে নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Anupam Kher: জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত ছবির নেগেটিভ নেই! অনুপম খেরের অফিসে চুরির ঘটনায় গ্রেফতার ২

    Anupam Kher: জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত ছবির নেগেটিভ নেই! অনুপম খেরের অফিসে চুরির ঘটনায় গ্রেফতার ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বলিউডের বিশিষ্ট অভিনেতা অনুপম খেরের (Anupam Kher) অফিসে চুরির ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করল মুম্বই পুলিশ (Mumbai Police)। সম্প্রতি আন্ধেরি পশ্চিমে অভিনেতা অনুপম খেরের অফিসে চুরি হয়। সিন্দুক ভর্তি টাকার সঙ্গে চুরি হয় জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ছবি ‘ম্যায়নে গান্ধী কো নেহিঁ মারা’র (Maine Gandhi Ko Nahi Mara) নেগেটিভ। এই ছবির নেগেটিভ চুরি যাওয়ায় ভেঙে পড়েন অভিনেতা।

    তদন্তে পুলিশ

    অভিনেতা অনুপম খেরের (Anupam Kher)  অফিসটি যে বাড়িতে সেটি পুরনো বলে পাশের বাড়ির সিসিটিভি ক্যামেরার সাহায্য নেয় পুলিশ (Mumbai Police)। সেই ফুটেজ খতিয়ে দেখে জানা যায়, দু’জন ব্যক্তি এই চুরির সঙ্গে জড়িত। মুম্বইয়ের যোগেশ্বরী এলাকা থেকে মজিদ শেখ এবং মহম্মদ দালের বাহরিম খান নামে ওই দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তির অপরাধমূলক ইতিহাস রয়েছে এবং তারা অপরাধ করার জন্য অটোরিকশা ব্যবহার করে। এরা মুম্বইয়ের বিভিন্ন এলাকায় চুরি করেছে এর আগেও। চোরেরা রাতে জোর করে অনুপম খেরের অফিসে প্রবেশ করে এবং প্রায় ৪ লাখ টাকার নগদ ও মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে পালিয়ে যায়। চুরি যাওয়া জিনিস উদ্ধার হয়েছে কি না সে বিষয়ে পুলিশের তরফে এখনও পর্যন্ত কিছু জানানো হয়নি।

    আর পড়ুন: হিন্দুজা পরিবারের চারজনকে কারাবাসের সাজা সুইৎজারল্যান্ডের আদালতের

    অনুপমের উদ্বেগ

    সমাজমাধ্যমে বিপর্যস্ত অফিসের ছবি পোস্ট করেন অনুপম (Anupam Kher) নিজেই। থানায় অভিযোগ দায়ের করে অভিনেতা সমাজমাধ্যমে লেখেন, “অফিসের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ (Mumbai Police) জানিয়েছে, খুব দ্রুত তদন্ত হবে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, তারা সব জিনিস নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে একটি অটোতে উঠে পড়ে। ঈশ্বরের কৃপায় ওদের মতিগতি ঠিক হোক।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: পাকিস্তানে তথ্য পাচারে বাংলা যোগ! ধৃতের অ্যাকাউন্টে কোটি টাকা লেনদেনের হদিশ

    Uttar Dinajpur: পাকিস্তানে তথ্য পাচারে বাংলা যোগ! ধৃতের অ্যাকাউন্টে কোটি টাকা লেনদেনের হদিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের গুরুত্বপূর্ণ গোপনীয় তথ্য পাকিস্তান সহ বিভিন্ন দেশে পাচারের অভিযোগে উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জের এক যুবককে গ্রেফতার করল মুম্বই পুলিশের  এটিএস (অ্যান্টি টেররিজম স্কোয়াড)। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে ধৃতের নাম মুক্তা মাহাত। তাঁর বাড়ি উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur) জেলার কালিয়াগঞ্জ থানার কাকড়া মোড় এলাকায়। রবিবার রায়গঞ্জ জেলা আদালতের সিজেএম কোর্টের বিচারকের অনুমতিক্রমে ধৃত যুবককে ট্রানজিট রিমান্ডে নিয়ে মুম্বই রওনা দিয়েছে এটিএস। মঙ্গলবার ধৃতকে মুম্বইয়ের বিশেষ আদালতে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে।

    জেলা আদালতের এপিপি কী বললেন? (Uttar Dinajpur)

    উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) রায়গঞ্জ জেলা আদালতের এপিপি পিন্টু ঘোষ বলেন, দেশের তথ্য বাইরে পাচার করার অভিযোগ রয়েছে মুক্তা মাহাতর বিরুদ্ধে। সম্প্রতি মুম্বই থেকে এই একই অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করে মুম্বই পুলিশ। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই কালিয়াগঞ্জের এই যুবকের নাম উঠে আসে। তার সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টিও সামনে আসে। এরপরই মুম্বই পুলিশের এটিএস কালিয়াগঞ্জে থেকে মুক্তা মাহাতকে গ্রেফতার করে। পরে, রায়গঞ্জ জেলা আদালতে পেশ করে ধৃতকে ট্রানজিট রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানায়। বিচারক ধৃতকে ১৮ ডিসেম্বর মুম্বইয়ের থানে সিজেএম আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেন।

    ধৃতের কাছে থেকে একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের হদিশ মিলল

    গোয়েন্দাদের একটি সূত্রে খবর, মুক্তা মাহাত মোবাইলে অনলাইন গেম খেলতেন। একবার মুক্তা মাহাত অনলাইন গেম খেলে জেতার পর তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে কিছু টাকা ক্রেডিট হয় বলেও জানা গিয়েছে। তার একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেরও নাকি হদিশ পেয়েছে এটিএস। ওই অ্যাকাউন্টগুলি থেকে কোনও নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে কয়েক কোটি টাকা লেনদেনের খবরও মিলেছে। দেশের কী কী তথ্য পাচার হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি তথ্য পাচারের জন্য কতটা তিনি আর্থিক ভাবে লাভবান হয়েছেন তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। অন্যদিকে রায়গঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার সানা আক্তার ফোনে জানিয়েছেন, আর্থিক প্রতারণার কারনে মুক্তা মাহাতকে মুম্বই নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সমস্ত বিষয়টি মুম্বই এটিএস তদন্ত করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mukesh Ambani: ২০ কোটির পর এবার ২০০ কোটি চেয়ে খুনের হুমকি মুকেশ আম্বানিকে

    Mukesh Ambani: ২০ কোটির পর এবার ২০০ কোটি চেয়ে খুনের হুমকি মুকেশ আম্বানিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০ কোটির পর এবার ফের ২০০ কোটির দাবি করে খুনের হুমকি এল ই-মেলে। আগের মেলের উত্তর না মেলায়, এবার ১০ গুণ টাকা বৃদ্ধি করে মুকেশ আম্বানিকে (Mukesh Ambani) হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। শেষ ২৪ ঘণ্টায় এই নিয়ে দু’বার হুমকির বার্তা পেলেন দেশের সর্বোচ্চ ধনী এবং শিল্পপতি মুকেশ আম্বানি। ফলে এই ঘটনায় ফের উত্তেজনার সৃষ্টি হল সারা দেশ জুড়ে।

    কী জানাল মুম্বই পুলিশ (Mukesh Ambani)?

    সূত্রের খবর, মুম্বই পুলিশ জানিয়েছে, গত শুক্রবার একটি অজ্ঞাত ই-মেল থেকে মুকেশ আম্বানির সংস্থাকে খুনের হুমকির বার্তা দেওয়া হয়। সেই ই-মেলে ২০ কোটি টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়। আর যদি টাকা না দেওয়া হয়, তাহলে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যানকে হত্যা করা হবে বলে জানানো হয়। সেই সময় ই-মেলে বলা হয়েছিল, “আমাদের অভিজ্ঞ শ্যুটার রয়েছে, গুলি করে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হবে মুকেশ আম্বানিকে।”

    থানায় অভিযোগ

    খুনের হুমকি পাওয়ার পর মুকশের বাড়ি অ্যান্টিলিয়ার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিক দেবেন্দ্র মুন্সিরাম গামদেবী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর থেকেই যে ই-মেল থেকে হুমকি এসেছে, সেই মেলের ঠিকানা, আইপি অ্যাড্রেস চিহ্নিত করা হয়েছে। যে ব্যক্তি এই হুমকি দিয়েছে, তার নাম সাদাব খান বলে পুলিশ প্রকাশ করেছে। কিন্তু প্রথম মেলের উত্তর না পাওয়ায়, দ্বিতীয়বার ফের মেল করে হুমকি দেওয়া হয় আম্বানিকে (Mukesh Ambani)।

    দ্বিতীয়বার মেলে কী বলা হয়েছে?

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দ্বিতীয় মেলে বলা হয়, “আপনি মেলের জবাব দেননি। এবার ২০ কোটি থেকে ২০০ কোটি করা হল। যদি টাকা না পাই, তাহলে মৃত্যু (Mukesh Ambani) অবধারিত।” উল্লেখ্য প্রথম মেলের উৎস জানতে পারলেও, দ্বিতীয় মেলের সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি। পুলিশ ইতিমধ্যে এই অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে, ভারতীয় দণ্ডবিধি ৩৮৭ এবং ৫০৬ (২) ধারায় মামলা দায়ের করেছে। উল্লেখ্য, এই প্রথম নয় মুকেশকে হত্যার হুমকি। এর আগে, একাধিকবার খুনের হুমকি পেয়েছেন তিনি। গত বছর হুমকির অপরাধে বিহার থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে এক অভিযুক্তকে। ২০২১ সালে তাঁর বাসভবনের বাইরে থেকে বিস্ফোরক ভর্তি গাড়ি উদ্ধার করে পুলিশ। সবটা মিলিয়ে বিষয়টা উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।  

        

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share