Tag: Municipal Corporation

  • Chandannagar Municipal Corporation: মেয়র সহ ৩০ কাউন্সিলরের ইস্তফা! ভেঙে গেল তৃণমূল পরিচালিত চন্দননগর পুরনিগম

    Chandannagar Municipal Corporation: মেয়র সহ ৩০ কাউন্সিলরের ইস্তফা! ভেঙে গেল তৃণমূল পরিচালিত চন্দননগর পুরনিগম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ধস তৃণমূলে। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে গোহারা হেরে গিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং এবং তাঁর হাতে গড়া দল তৃণমূল (TMC Councillors Resign)। তার পরে পরেই বর্ষায় পদ্মার ভাঙনের মতো ধসে পড়ছে ‘ঘাসফুল নদী’র পাড়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভাঙন ক্রমেই প্রকট হচ্ছে।  এবার পদত্যাগ করলেন চন্দননগর পুরসভার মেয়র-সহ ৩০ জন কাউন্সিলর (Chandannagar Municipal Corporation)। স্বাভাবিকভাবেই ভেঙে গিয়েছে তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার বোর্ড। চন্দননগর বিধানসভায় তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন ইন্দ্রনীল সেন। তিনি মুখ থুবড়ে পড়তেই প্রকাশ্যে চলে আসে বোর্ডের টালমাটাল দশার ছবি। তার পরেই একযোগে পদত্যাগ করেন মেয়র-সহ ২৪ জন কাউন্সিলর।

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া (Chandannagar Municipal Corporation)

    চন্দননগর পুরসভার ওয়ার্ড সংখ্যা ৩৩। এর মধ্যে ৩১ জনই তৃণমূলের কাউন্সিলর। শুক্রবার সকালে এঁদের মধ্যে ৬ জন পদত্যাগ করেন। পরে রাতে ইস্তফা দেন মেয়র-সহ ২৪ জন। এর আগেই পুরসভার ডেপুটি মেয়র ও কাউন্সিলর মুন্না আগরওয়াল পদত্যাগ করেছেন। তার জেরেই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল চন্দননগর পুরসভার বোর্ড। চন্দননগরের বিধায়ক বিজেপির দীপাঞ্জন গুহ বলেন, “তৃণমূলের যাঁরা ভেতরে থেকেছেন, তাঁদের প্রত্যেকের মধ্যেই কোথাও না কোথাও ভাবনা এসেছে, যে এই দলটা আর করা যায় না…। মানুষ যে সঙ্গে নেই, সেটা তাঁরা ভেবে নিয়েছেন। সেই জন্যই হয়তো তাঁরা পদত্যাগ করছেন।”

    গ্রেফতার ভদ্রেশ্বর পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান 

    বৃহস্পতিবার হুগলির তৃণমূল পরিচালিত ভদ্রেশ্বর পুরসভায় চেয়ারম্যান-সহ ৮ কাউন্সিলর ইস্তফা দিয়েছিলেন। তার পরের দিনই ওই পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান ফিরোজ খানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ফিরোজ চন্দননগরের প্রাক্তন বিধায়ক তথা তৃণমূল প্রার্থী ইন্দ্রনীল সেনের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। ফিরোজের বিরুদ্ধে, এলাকায় অশান্তি করা, পুরসভায় ঝামেলা করার মতো একাধিক অভিযোগ উঠেছিল (Chandannagar Municipal Corporation)। বেশ কিছু নথিও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে পুরসভা সূত্রে খবর। এনিয়ে ভদ্রেশ্বর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন পুরসভারই এক্সিকিউটিভ অফিসার। তার পরেই ফিরোজকে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে করা হয় গ্রেফতার।

    পাকড়াও নদিয়া পুরসভার চেয়ারম্যানও 

    গ্রেফতার করা হয়েছে নদিয়া পুরসভার চেয়ারম্যান তৃণমূলেরই বিমানকৃষ্ণ সাহাকেও। তাঁর বাড়ির ঠিক পাশের একটি ক্লাব থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর ত্রিপল-সহ ত্রাণ সামগ্রী। শুক্রবারই আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় বিমানকৃষ্ণকে লক্ষ্য করে জুতো এবং জলের বোতল ছোড়েন স্থানীয়রা (TMC Councillors Resign)। বিজেপির দাবি, নবদ্বীপ থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর লোকজন তল্লাশি চালিয়ে ক্লাবঘর থেকে প্রচুর পরিমাণে ত্রিপল ও ত্রাণের শাড়ি উদ্ধার করেছে। তার পরেই চেয়ারম্যানকে নিয়ে যায় পুলিশ (Chandannagar Municipal Corporation)।

     

  • TMC Inner Clash: তৃণমূলের পদ ছাড়লেন কাকলি, দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা পুরসভার আরও দুই কাউন্সিলরও

    TMC Inner Clash: তৃণমূলের পদ ছাড়লেন কাকলি, দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা পুরসভার আরও দুই কাউন্সিলরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষমতা খোয়াতেই টলোমলো হয়ে গিয়েছিল তৃণমূল নেত্রীর আসন (TMC Inner Clash)। কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে রোজকার যে ভিড়টা দেখা যেত, সেই চেনা ছবিটাও তো দু’সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে আর দেখা যাচ্ছে না। রাজ্যে বিপুল জনাদেশ নিয়ে (Calcutta Municipal Corporation) বিজেপি নবান্নের কুর্সিতে বসতেই তৃণমূল নেত্রীর পাশ থেকে সরে গিয়েছে স্তাবকের দল। আক্ষরিক অর্থেই একা মমতা প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে চলেছেন ‘নকল বুঁদি গড়’ রক্ষা করতে। তবে তিনি সেই ‘গড়’ কতদিন আগলে রাখতে পারবেন, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। কারণ, ছাব্বিশের নির্বাচনে দল খাদে পড়ে যেতেই তৃণমূল নেত্রীর পাশ থেকে সরে যেতে শুরু করেছেন এক এক করে বহু প্রবীণ নেতাও।

    পদ ছাড়লেন তৃণমূল সাংসদ কাকলি (TMC Inner Clash)

    এই যেমন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তৃণমূলের টিকিটে জিতে সংসদে গিয়েছেন কাকলি। ইদানিং তিনিই শুরু করেছেন বেসুরো গাইতে। দিন তিনেক আগে কাকলি ছেড়েছিলেন জেলা সভাপতির পদ। এবার তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন-সহ সমস্ত সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে দলীয় নেতৃত্বকে চিঠি দিলেন কাকলি। কারণ, কাকলির ‘বিলম্বিত বোধদয়’! শুধু তা-ই নয়, তৃণমূল জমানায় রাজ্যে হওয়া একের পর এক কেলেঙ্কারি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। নাম না করে কাকলি আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূলেরই শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি কাকলিকে তৃণমূলের সংসদীয় দলের মুখ্যসচেতকের পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে দায়িত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে কল্যাণকে। তার জেরে সোশ্যাল মিডিয়ায় কাকলি লেখেন, “’৭৬ থেকে পরিচয়, ‘৮৪-তে পথ চলা শুরু। চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।”

    কাকলির বিলম্বিত বোধদয়!

    তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীকে কাকলি লিখেছেন, ‘দুর্নীতি থেকে আরজিকরকাণ্ড তাঁকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে।’ বুধবার তিনি লেখেন, “আমার বিবেক আজ গভীরভাবে আলোড়িত। রেশন দুর্নীতি, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি-সহ একাধিক আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়ম সাধারণ মানুষের মনে গভীর ক্ষোভ ও অবিশ্বাসের জন্ম দিয়েছে।’ কাকলি জানান (TMC Inner Clash), ২০২৪ সালে আরজিকর মেডিকেল কলেজে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনাকে ‘সম্ভাব্য ধামাচাপার অভিযোগ’ সমাজকে স্তম্ভিত করেছে। তার অভিঘাত তিনি অনুভব করেছেন। তৃণমূলের সাংসদ লিখেছেন, ‘যে পদে থাকাকালীন মহিলা সাংসদের ওপর অন্য এক জন অশিক্ষিত, অভদ্র দলীয় সাংসদের অশালীন আচরণ বন্ধ করা যায় না বা ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের সহযোগিতা-সহানুভূতি পাওয়া যায় না, তখন আর সে পদে থাকার মানে হয় না।”

    কাকলির নিশানায় আইপ্যাক

    ওই চিঠিতেই কাকলি চাঁদমারি করেছেন আইপ্যাককে। নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে এই সংস্থাই ছিল তৃণমূলের পরামর্শদাতা। তিনি জানান, আইপ্যাক নিয়ে নানা মহল থেকে অভিযোগ উঠেছে। সেগুলিও তাঁকে বিচলিত করেছে (Calcutta Municipal Corporation)। কাকলি লিখেছেন, “যদি কোনও অস্বচ্ছ ও অগণতান্ত্রিক প্রভাব ক্রমশ সংগঠনের ওপর প্রভাব বিস্তার করে, তবে তা দলের আদর্শ ও ঐতিহ্যের পক্ষে শুভ হতে পারে না বলেই আমি মনে করি।” তৃণমূলের এই প্রবীণ নেত্রী জানান, তিনি তৃণমূলের সাধারণ কর্মী। কোনও ব্যক্তিগত ক্ষোভ বা অভিমান থেকে তিনি এই সিদ্ধান্ত নেননি। দল, গণতন্ত্র এবং মানুষের প্রতি নৈতিক দায়বদ্ধতা থেকেই সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে নিজেকে মুক্ত করে নিলেন তিনি।

    পদ ছাড়লেন সুশান্ত-অরূপ

    এদিকে, মঙ্গলবারই কাউন্সিলরদের নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন ঝাঁপিয়ে পড়ে কাজ করতে। তৃণমূল সুপ্রিম সেই নির্দেশের পর ২৪ ঘণ্টাও পেরোয়নি, গুরুত্বপূর্ণ পদে ইস্তফা দিলেন কলকাতা পুরসভার দুই তৃণমূল কাউন্সিলর – সুশান্ত ঘোষ এবং অরূপ চক্রবর্তী। বুধবার ১২ নম্বর বোরোর চেয়ারম্যান পদে ইস্তফা দেন সুশান্ত। আর মিউনিসিপ্যাল অ্যাকাউন্টস কমিটির পদে ইস্তফা দেন অরূপ চক্রবর্তী (TMC Inner Clash)। সুশান্ত এবং অরূপ যথাক্রমে ১০৮ এবং ৯৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর।

    বিজেপিকে ধন্যবাদ সুশান্তর

    সুশান্ত বলেন, “মানুষ যাঁদের ক্ষমতায় এনেছেন, তাঁদের কাজ করতে দেওয়া উচিত। দলের যেসব মন্ত্রী জেড প্লাস, ওয়াই প্লাস সিকিউরিটি নিয়ে ঘুরে বেড়াতেন, গত কয়েকদিনে তাঁদের আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। এঁদের জন্যই মমতার ধারে-কাছে ঘেঁষতে পারতাম না। বিজেপিকে ধন্যবাদ। ওদের জন্য আমাদের দলের অনেককে ঘরে ফেরাতে পেরেছি। বাকিদের ফিরিয়ে আনলে আমাদের দায়িত্ব শেষ।” তিনি বলেন, “২০২০ সালে আমার ওপর আক্রমণ হয়। ২০২৪ সালেও ফের আক্রমণ হয়। অবাক করা ব্যাপার হল, আমার সরকার ঠিক করে তদন্তটাও করেনি। অদ্ভুতভাবে মূল দুষ্কৃতীর জামিন হয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে আইনজীবীর ব্যবস্থা করে বাকি অভিযুক্তদের আটকে রেখেছি। রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করব, এই তদন্তটা দেখতে (Calcutta Municipal Corporation)।”

    কেষ্টু-বিষ্টুরা কোথায়?, প্রশ্ন অরূপের

    অরূপ বলেন, “মমতাদি-অভিষেক ছাড়া বাকি নেতৃত্ব কই? বাকি কেষ্টু-বিষ্টুরা কোথায়? যাঁদের কনভয়ের আগে চার-পাঁচটা করে গাড়ি থাকত? জনাদেশ আমাদের বিপক্ষে গিয়েছে। এটা আমাদের মানতে হবে। হার স্বীকার করতে হবে। ছাব্বিশের হার না মানা মানে বাকি সব জয় মিথ্যে হয়ে যায়। গণতন্ত্রে মানুষের রায়কে মান্যতা দিতেই হবে।” তিনি বলেন, “কেউ ক্ষমতায় সারাজীবন থাকে না। সিপিএম ভেবেছিল থাকবে, নেই। এখন আমরা নেই। মমতার বাড়িতে রবীন্দ্র-জয়ন্তী অনুষ্ঠানে যেসব সেলিব্রিটি ছিলেন, তাঁরা কোথায় (TMC Inner Clash)?” এদিন দুপুরে পুর-কমিশনার স্মিতা পাণ্ডের কাছে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন সুশান্ত-অরূপ। পরে তাঁরা পদত্যাগপত্র জমা দেন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের ঘরে গিয়েও।

    জনাদেশ মাথা পেতে নিয়ে ৯ নম্বর বরোর চেয়ারপার্সনের পদে ইস্তফা দিয়েছিলেন কলকাতা পুরসভার ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দেবলীনা বিশ্বাস। তিনি পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায়ের কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছিলেন (Calcutta Municipal Corporation)। ঘাসফুল শিবির সূত্রে খবর, ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে দলের ভরাডুবির জেরেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন দেবলীনা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, দলনেত্রী স্বয়ং গোহারা হারতেই আর ‘রিস্ক’ নেননি তিনি (TMC Inner Clash)।

     

  • Bakrid 2026: “গরু কোরবানি নয়, নমাজ আদায় মসজিদে”, বকরি ইদের আগে মুসলিমদের জন্য নির্দেশিকা জারি ইসলামিক সেন্টারের

    Bakrid 2026: “গরু কোরবানি নয়, নমাজ আদায় মসজিদে”, বকরি ইদের আগে মুসলিমদের জন্য নির্দেশিকা জারি ইসলামিক সেন্টারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে শান্তিপূর্ণ, আইনসম্মত ও স্বাস্থ্যকরভাবে আসন্ন বকরি ইদ (Bakrid 2026) পালনের জন্য ১২ দফা নির্দেশিকা জারি করেছেন অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ড (AIMPLB)-এর সদস্য এবং ইসলামিক সেন্টার অফ ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান মৌলানা খালিদ রশিদ ফিরঙ্গি মহলি। এতে (Islamic Centre of India) বিশেষভাবে গরু কোরবানি না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    ১২ দফা ইদ-উল-আধা নির্দেশিকা (Bakrid 2026)

    সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ইসলামিক সেন্টার অফ ইন্ডিয়া, লখনউ একটি ১২ দফা ইদ-উল-আধা নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানে মুসলিম সমাজকে বলা হয়েছে, কেবলমাত্র সেইসব পশুর কোরবানি করতে, যেগুলিতে কোনও আইনি নিষেধাজ্ঞা নেই। বিশেষ করে গরু কোরবানি করা যাবে না, কারণ তা দেশের আইনের বিরুদ্ধে।” এই নির্দেশিকায় শৃঙ্খলারক্ষা, পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশগত দায়িত্ববোধের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মুসলিম সম্প্রদায়কে সর্বজনীন জায়গায় নমাজ আদায় না করার অনুরোধও করা হয়েছে। মহলি বলেন, “এই নির্দেশিকায় আমরা মুসলিম সমাজকে নির্দেশ দিয়েছি যে নমাজ শুধুমাত্র ইদগাহ ও মসজিদের ভেতরে নির্ধারিত জায়গায় আদায় করতে হবে। কোরবানি করার সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধির প্রতি বিশেষ নজর দিতে হবে। পশুর বর্জ্য বাইরে ফেলা যাবে না। নগর নিগম ও পুরসভার নির্ধারিত ব্যবস্থাপনা অনুযায়ী তা ঠিকঠাকভাবে করতে হবে।”

    পাবলিক প্লেসে কোরবানি নয়

    তিনি এও বলেন, “কোরবানি শুধুমাত্র নির্ধারিত স্থানেই করতে হবে। কোনও পাবলিক প্লেস, রাস্তার ধারে বা গলির কাছে কোরবানি করা যাবে না।” মহলি জানান, এই নির্দেশিকায় মুসলিমদের দেশবাসীর কল্যাণ, সমৃদ্ধি এবং বর্তমান বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য প্রার্থনা করার আহ্বানও জানানো হয়েছে (Islamic Centre of India)। তিনি বলেন, “নমাজের পরে তীব্র গরম থেকে মুক্তি, দেশের নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য বিশেষ প্রার্থনা করতে হবে। একইভাবে দেশের সম্ভাব্য অর্থনৈতিক সঙ্কট থেকে রক্ষার জন্যও বিশেষ প্রার্থনা করা উচিত (Bakrid 2026)।” ইদ-আল-আধা বা বকরি ইদ, যা ২৭ বা ২৮ জুন পালিত হবে, ‘ত্যাগের উৎসব’ নামেও পরিচিত। এটি ইসলামি ক্যালেন্ডারের ১২তম মাস জিলহজ্জের দশম দিনে পালিত হয়। এই উৎসব বার্ষিক হজ পালন সমাপ্তির প্রতীক। প্রতি বছর এর তারিখ পরিবর্তিত হয়, কারণ এটি ইসলামি চন্দ্র-পঞ্জিকার ওপর নির্ভরশীল, যা পাশ্চাত্যের ৩৬৫ দিনের গ্রেগোরিয়ান ক্যালেন্ডার থেকে প্রায় ১১ দিন কম (Bakrid 2026)।

  • BJP: “আগামী ৪০–৫০ বছর বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না”, গুজরাটে গিয়ে এ কী বলে ফেললেন ইউসূফ পাঠান?

    BJP: “আগামী ৪০–৫০ বছর বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না”, গুজরাটে গিয়ে এ কী বলে ফেললেন ইউসূফ পাঠান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  “আগামী ৪০–৫০ বছর গুজরাটে বিজেপিকে (BJP) ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না।” এমনই মন্তব্য করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ইউসুফ পাঠান (Yusuf Pathan)।  রবিবার তিনি জানান, জনসমর্থন এবং উন্নয়নমুখী শাসনব্যবস্থার কারণে আগামী ৪০ থেকে ৫০ বছর গুজরাটে ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP) ক্ষমতায় থাকতে পারে। ভাদোদরায় চলা স্থানীয় সংস্থা নির্বাচনে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভোট দেন পাঠান। তার পরেই এহেন মন্তব্য করেন তৃণমূলের রাজ্যসভার এই সাংসদ। উল্লেখ্য, এই ভোটগ্রহণ গুজরাটজুড়ে শহর ও গ্রামীণ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বৃহৎ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অংশ।

    পাঠানের মুখে বিজেপি প্রশস্তি! (BJP)

    সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পাঠান বলেন, “আগামী ৪০–৫০ বছর গুজরাটে বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না। বাস্তবতা হল, যে দল শক্তিশালী, মানুষের জন্য কাজ করে এবং মানুষের পছন্দের দল—সেই দলই ক্ষমতায় থাকে।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, “নির্বাচনী সাফল্য শেষ পর্যন্ত জনগণের আস্থা এবং গ্রাউন্ড লেবেলে কাজের ওপর নির্ভর করে।” গুজরাটে ভোটের ধারা নিয়ে তিনি বলেন, “উন্নয়ন এখনও রাজ্যের ভোটারদের প্রধান বিষয়। এখানকার মানুষ বিজেপিকে পছন্দ করে এবং উন্নয়নের ভিত্তিতে ভোট দেন। তাই দলটি ক্ষমতায় থাকবে।” পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে তুলনা টেনে তৃণমূলের এই সাংসদ বলেন, “যেমন পশ্চিমবঙ্গে মানুষ টিএমসিকে পছন্দ করেন। কারণ দলটি মানুষের কথা বলে এবং মানুষের জন্যই কাজ করে।”

    বঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ রাজনৈতিক লড়াই

    ভোটদানের হার নিয়ে উদ্বেগ প্রসঙ্গে পাঠান বলেন, “ভোটার তালিকা থেকে কিছু ভোটারের নাম বাদ যাওয়ায় শতাংশ কম মনে হতে পারে। যদি সেই ভোটারদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তাহলে ভোটদানের হার এখনও ৮০ থেকে ৮১ শতাংশ থাকবে (BJP)। এটা কেবল হিসেবের বিষয় (Yusuf Pathan)।” উল্লেখ্য যে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হয়েছে। শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের সামনে বিজেপি ধারাবাহিক চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে এবং বিভিন্ন জেলা ও ভোটার গোষ্ঠীতে নিজেদের প্রভাব বাড়িয়েছে। ২০১৯ সালের পর থেকে নির্বাচনী প্রবণতায় রাজ্যটি আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে উঠেছে, যেখানে বিজেপি উল্লেখযোগ্যভাবে ভোট শেয়ার ও বিধানসভায় উপস্থিতি বাড়িয়েছে। দু’পক্ষের রাজনৈতিক ভাষণও আরও তীব্র হয়েছে, যা একতরফা পরিস্থিতির বদলে ঝুঁকিপূর্ণ রাজনৈতিক লড়াইকে নির্দেশ করে।

    মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন

    এদিকে, গুজরাটে কর্পোরেশন, পুরসভা, জেলা পঞ্চায়েত এবং তালুকা পঞ্চায়েত-সহ স্থানীয় শাসনের একাধিক স্তরে ভোটগ্রহণ চলছে (BJP)। প্রায় ১০,০০০ আসনে এই নির্বাচন হচ্ছে, অংশ নিচ্ছেন ৪ কোটিরও বেশি ভোটার। সকাল ৭টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত ইভিএমে ভোটগ্রহণ চলবে। গণনা হবে ২৮ এপ্রিল। আমেদাবাদ, সুরাট, রাজকোট এবং ভাদোদরার মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলিতে ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি চোখে পড়েছে। একই উৎসাহে ভোট হচ্ছে গ্রামীণ জেলাগুলিতেও (Yusuf Pathan)। নির্বাচন কমিশন শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে কড়া ব্যবস্থা নিয়েছে। হাজার হাজার ভোটকেন্দ্রে বহুস্তরীয় নিরাপত্তা, বিপুল পুলিশ মোতায়েন, কুইক রেসপন্স টিম এবং ডিজিটাল নজরদারি চালু করা হয়েছে (BJP)। গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল ভোটারদের সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ভোটদানকে পবিত্র নাগরিক দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেন এবং সর্বোচ্চ ভোটদানের হার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রত্যেকটি ভোট গ্রাম, তালুকা, জেলা ও শহরের উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। মানুষ এগিয়ে আসুন এবং একে গণতন্ত্রের উৎসবে পরিণত করুন (BJP)।”

    ভোটদানের আহ্বান বিধায়কেরও

    বিজেপি বিধায়ক তথা মন্ত্রী সঞ্জয়সিংহ মহিদা নাডিয়াদে ভোট দিয়ে নাগরিকদের ভোটদানের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আমি সকলকে অনুরোধ করছি সামনে এসে ভোট দিন (Yusuf Pathan)।” প্রসঙ্গত, এই স্থানীয় সংস্থা নির্বাচনকে গুজরাটের তৃণমূল স্তরের রাজনৈতিক প্রবণতার গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে বিজেপি বহু দশক ধরে শক্তিশালী অবস্থান ধরে রেখেছে। বিরোধী দলের নেতা হয়েও ইউসুফ পাঠানের এই মন্তব্য নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত রাজনৈতিক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। দু’দিন পরেই ভোট গণনা। সেই ফল শহর ও গ্রামীণ উভয় এলাকার ভোটারদেরই পছন্দ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেবে (BJP)।

     

LinkedIn
Share