Tag: municipality

municipality

  • Christmas Cake: বড় দিনের কেকে মেশানো হচ্ছে ভেজাল! অনুসন্ধান করে অভিযান চালাবে পুরসভা

    Christmas Cake: বড় দিনের কেকে মেশানো হচ্ছে ভেজাল! অনুসন্ধান করে অভিযান চালাবে পুরসভা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই বড়দিন এবং নতুন বছরের বর্ষবরণ, তাই এই সময়ে কেককে (Christmas Cake) ঘিরে ভোজন রসিকদের মধ্যে চলে ব্যাপক উন্মাদনা। আর তাই কম দামে বেশি কেক বাজারে ছাড়তে কেকে মিশছে দেদার ভেজাল। বিশেজ্ঞদের অনুমান এই কেকের ভিতর দিয়ে শরীরের ভিতরে ঢুকতে পারে ক্যান্সারের উপাদান। ভেজাল আটকাতে অভিযান চালাবে পুরসভা (Municipality)।

    উজ্জ্বল করতে ব্যবহার করা হয় কৃত্রিম রং (Christmas Cake)

    কলকাতা পুরসভা (Municipality) সূত্রে জানা গিয়েছে, শীতে নানা জায়গায় ব্যাপক ভাবে মেলার আয়োজন হয়ে থাকে। তাই সতর্কতার বিষয় মাথায় রেখে বাজারে মেলার ফ্রুট কেকে (Christmas Cake) কতটা ভেজাল রয়েছে তার খোঁজে নামবেন কলকাতা পুরসভার ফুড সিকিউরিটি অফিসাররা। তবে শুধু ফ্রুট কেকেই নয়, পরীক্ষা করে দেখা হবে আরও নানান কেকগুলিও। কেকের মান নিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের বিশেজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ফ্রুট কেকের উপরে ছড়িয়ে থাকা লাল, সবুজ, কালো রঙের নজরটানা ফলের টুকরো ক্রেতাদের আকর্ষিত করে। তবে এসব ফলের টুকরো উজ্জ্বল করতে ব্যবহার করা হয় কৃত্রিম রং ও জেল। এতে থাকে ক্রোমিয়াম, আর্সেনিকের মতো ক্ষতিকারক উপাদান।

    পচা ডিমের গন্ধকে দুর করতে প্রচুর সুগন্ধি মেশানো হয়

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক প্রশান্তি বিশ্বাস বলেন, “কেকের (Christmas Cake) এই সব উপাদান স্নায়ুতন্ত্র, কিডনি, লিভারের সমস্যাকে বৃদ্ধি করে। এমন কী ক্যান্সারের মতো মারণ ব্যাধিও হতে পারে। আবার কেকের দ্বিতীয় ক্ষতিকারক দিক হল, পচা ডিমের গন্ধকে দূর করতে প্রচুর সুগন্ধি মেশানো হয়।”

    জানা গিয়েছে ডিমে থাকা ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়ার জন্য পেট খারাপ এবং বমি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সুগন্ধীতে ব্যবহার করা হয় নানা ক্ষতিকারক কেমিক্যাল। একই ভাবে কেকের আরেক ক্ষতিকারক দিক হল ময়দা। উৎসবের মধ্যে ময়দা মেখে ফেলে রাখার একটা রীতি রয়েছে। ফলে ময়দায় ছত্রাক জন্মানোর সম্ভাবনা থাকে। এই ছত্রাক পেটে গেলে নানা রকমের রোগ হওয়ার প্রবণতা অনেক বেড়ে যায়। মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অমলকুমার সরকার জানিয়েছেন, “আপনি হয়তো ভাবছেন এক টুকরো কেক খেলে আর কী হবে? কিন্তু ক্ষতিকারক উপাদান থাকলে শরীরে সমস্যা হবেই হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: “শুকুনের দৃষ্টি মমতার আমাদের ওপর পড়েছে”, বুক চাপড়ে আর্তনাদ এক হকারের

    Nadia: “শুকুনের দৃষ্টি মমতার আমাদের ওপর পড়েছে”, বুক চাপড়ে আর্তনাদ এক হকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও হকার উচ্ছেদ শুরু হল নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগরে। বুলডোজার চালিয়ে ভেঙে দেওয়া হল থানার কাছে রাস্তার পাশে ফুটপাতে তৈরি হওয়া একাধিক দোকান। কান্নায় ভেঙে পড়লেন হকাররা। উচ্ছেদ হওয়া হকাররা (Hawker) প্রকাশ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন।

    বুলডোজার চলতেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন হকাররা (Nadia)

    রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রাজ্য জুড়েই শুরু হয়েছে ফুটপাত দখলমুক্ত করার কাজ। যারা মূলত বেআইনিভাবে রাস্তার ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করছিলেন, তাঁদেরকে উঠে যাওয়ার জন্য প্রথমে মাইকে প্রচার চালানো হয়। যদিও কৃষ্ণনগরে প্রথমে হকার উচ্ছেদ শুরু করলেও বিরোধীদের প্রতিবাদের জেরে তা কিছুটা থমকে ছিল। বিশেষ করে জেলা বিজেপি নেতারা হকারদের নিয়ে আন্দোলন করেছিলেন। উচ্ছেদ বন্ধ করার জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছিলেন। বেশ কিছুদিন উচ্ছেদ নিয়ে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। এরইমধ্যেই শনিবার সকালে কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার সামনে রাস্তার পাশে যে সমস্ত দোকানদাররা ফুটপাতে ব্যবসা করছিলেন, তাঁদের দোকান বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দিতে দেখা যায়। দোকান ভাঙা নিয়ে সুচিত্রা মিত্র নামে এক হকার বলেন, “শুকুনের দৃষ্টি মমতার আমাদের ওপর পড়েছে। এখন আমরা কোথায় যাব।” সংসার চালাবো কী করে, তা বুঝে উঠতে পারছি না বলে বুক চাপড়ে কাঁদতে শুরু করলেন। অন্য এক হকার (Hawker) বিপ্লব সাহা বলেন, “৪০ বছর ধরে ব্যবসা করছি। আমাদের কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি। শুধু মাইকিং করা হয়েছিল। এরপরই এদিন দোকান বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল। আমাদের পুনর্বাসন দিতে হবে।”  

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রের বিধান পরিষদের ভোটে জয়জয়কার বিজেপি জোটের, ১১টির মধ্যে ঝুলিতে ৯ আসন

    পুরসভার চেয়ারম্যান কী বললেন?

    এই বিষয়ে কৃষ্ণনগর (Nadia) পুরসভার চেয়ারম্যান রিতা দাস বলেন, “এতে আমাদের কিছু করার নেই। ওপর থেকে আমাদের যেভাবে নির্দেশ দিচ্ছে, আমরা তা শুধু পালন করছি। তবে, বিরোধীদের যে সমস্ত লিখিত অভিযোগ রয়েছে তা আমরা ওপরতলায় জানিয়ে দেব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: ঠেলার নাম বাবাজি, চাপে পড়ে আবাস যোজনায় প্রধানমন্ত্রীর নাম লেখার নির্দেশ রাজ্যে

    Uttar Dinajpur: ঠেলার নাম বাবাজি, চাপে পড়ে আবাস যোজনায় প্রধানমন্ত্রীর নাম লেখার নির্দেশ রাজ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০০ দিনের কাজের বরাদ্দ বন্ধ করে দিয়েছে কেন্দ্র। বহু আবেদন করেও মেলেনি টাকা। ‘হাউস ফর অল’ প্রকল্পে এবার ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা’ (শহর) লেখার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। সামনের মাসে কেন্দ্রীয় টিম রাজ্যে আসছে। তাই, তড়িঘড়ি প্রকল্পের নতুন নামকরণ বাধ্যতামূলকভাবে লেখার নির্দেশ জারি করেছে রাজ্য। অন্যান্য জেলার মতো উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) রায়গঞ্জ, কালিয়াগঞ্জ, ইসলামপুর ও ডালখোলা পুরসভাতেও আবাস যোজনার ফলক বদল নিয়ে তৎপরতা শুরু হয়েছে। যা নিয়ে জোর চর্চা শুরু। ১০০ দিনের মতো এই প্রকল্পের টাকা বন্ধের আশঙ্কায় রাজ্য সরকার এখন কেন্দ্রের দেওয়া নির্দেশ মানতে শুরু করেছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    নতুন নির্দেশিকায় কী রয়েছে? (Uttar Dinajpur)

    গ্রামীণ এলাকায় সরকারি আবাস যোজনার ফলকে ‘বাংলা আবাস যোজনা’র নাম মুছে ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা’ লেখার ঘটনা ঘটেছে। শহরের ‘সবার জন্য বাড়ি’-প্রকল্পের বাড়িতে তা ছিল না বলে অভিযোগ। নির্দেশ অনুযায়ী, ফলকে ইংরেজি ও বাংলায় প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা লেখার পাশাপাশি, উপভোক্তার নাম, কোন অর্থবর্ষের টাকায় বাড়িটি তৈরি হয়েছে, কত টাকায় তৈরি হয়েছে, তার মধ্যে কেন্দ্র রাজ্য এবং উপভোক্তাদের অংশ কতটা সবই লিখতে হবে। প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী, শহর অঞ্চলে বসবাসকারী অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল মানুষদের জন্য বাড়ি দেওয়া হয়। এই প্রকল্পে মোট বরাদ্দ তিন লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা। কেন্দ্র দেয় দেড় লক্ষ, রাজ্য দেয় এক লক্ষ ৯৩ হাজার টাকা। বাকি ২৫ হাজার টাকা প্রকল্পের উপভোক্তাকে দিতে হয়। আর এতদিন ফলক দেওয়া বাধ্যতামূলক না থাকায় উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur) জেলায় একাধিক পুরসভায় এই প্রকল্পের বাড়ি শাসক দলের ঘনিষ্ঠরা পেয়ে গিয়েছেন। বিরোধীদের অভিযোগ, এমন বহু মানুষ আছেন, যাঁদের একাধিক পাকা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও এই প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন। ফলক দেওয়া বাধ্যতামূলক হওয়ায়, অযোগ্য হয়েও যাঁরা বাড়ি নিয়েছেন তাঁরা ধরা পড়ার ভয় পাচ্ছেন।

    পুরসভার চেয়ারম্যান কী বললেন?

    ইসলামপুর পুরসভার পুরপ্রধান কানাইয়ালাল আগরওয়াল বলেন, নির্দেশ কার্যকর করা হবে। এ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বাড়ির পাশাপাশি বাংলার বাড়ি লেখা যেতে পারে। ডালখোলার পুরপ্রধান স্বদেশ সরকার বলেন, কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল আসার কথা রয়েছে। তার আগে, নামের ফলক বদলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে পুর দফতর। নির্দেশ কার্যকর করা হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Coochbehar: কোচবিহারে বাড়ি সংস্কার করতে হলেও দিতে হবে নতুন হারে পুরকর, আন্দোলনে বিজেপি

    Coochbehar: কোচবিহারে বাড়ি সংস্কার করতে হলেও দিতে হবে নতুন হারে পুরকর, আন্দোলনে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়ির কোনও সংস্কার করতে হলেই দিতে হবে পুরকর। এমনই নির্দেশ জারি করেছে কোচবিহার (Coochbehar) পুরসভা। যা নিয়ে পুরসভা এলাকাজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। পুরসভার হাজার হাজার বাসিন্দা চরম ক্ষুব্ধ। আর এই ইস্যুকে সামনে রেখেই আন্দোলনে নেমেছে বিজেপি।

    পুরসভার নতুন নির্দেশিকা কী? (Coochbehar)

    কোচবিহার (Coochbehar) পুরসভা এলাকায় পুরানো বাড়ি কেউ সংস্কার করলে, বাড়িতে কেউ টাইলস বা মার্বেল বসাতে চাইলে পুরসভাকে আগে কর দিতে হবে। পুরসভার নতুন ফরমান অনুযায়ী পুরসভার সব বাসিন্দাকে এই নির্দেশ মেনে চলতে হবে। আর এতেই পুরসভার বাসিন্দারা রীতিমতো ক্ষুব্ধ। একই সঙ্গে ভবানীগঞ্জের বাজারে বহু বছর ধরে ব্যবসায়ীরা রয়েছে। পুরসভার নির্দেশ অনুযায়ী কোনও ব্যবসায়ী নিজের দোকান কাউকে বিক্রি করতে পারবে না। কোনও ব্যবসায়ী দোকান বিক্রি করতে চাইলে পুরসভাকে তা হস্তান্তর করতে হবে। বৃহস্পতিবারই দলীয় কর্মী সমর্থকদের নিয়ে বিজেপির দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক নিখিলরঞ্জন দে মিছিল করে পুরসভায় জমায়েত হন। পুর কর্তৃপক্ষের কাছে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিজেপির পক্ষ থেকে দরবার করেন।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি বিধায়ক নিখিলরঞ্জন দে বলেন, কোচবিহার (Coochbehar) পুরসভার সার্বিক পরিষেবা বলে কিছু নেই। মূলত এই পুরসভা এলাকায় একাধিক রাস্তা বেহাল রয়েছে। সেই রাস্তা সংস্কার করার বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কোনও হেলদোল নেই। অথচ পুরসভার প্রচুর টাকা রয়েছে। কারণ, ভবানীগঞ্জের বাজার মিনি মার্কেট সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে পুরসভা প্রচুর টাকা পুরকর সংগ্রহ করে। কিন্তু, সেই টাকার কোনও পরিষেবা নেই। এখন বাড়ি সংস্কারে পুরকর ধার্য করেছে পুরসভা। এটা বাস্তবে নেওয়া কি ঠিক? পুরসভা গা জোয়ারি করে এই সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিয়েছে। পুরসভার বাসিন্দারা রীতিমতো ক্ষুব্ধ। পুরসভার এই অবিবেচক সিদ্ধান্ত নিয়ে পুরমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা এই ধরনের নিয়ম বদলানোর দাবি জানাচ্ছি। আমাদের এই আর্জি মেনে সিদ্ধান্ত বদল না করলে আমরা আগামীদিনে এই ইস্যুকে সামনে রেখে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামব।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল পরিচালিত কোচবিহার (Coochbehar) পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, পুর আইন অনুযায়ী আমি এই কাজ করেছি। পুর আইনের বাইরে আমি কিছু করিনি। সামনে নির্বাচন আছে তাই বিজেপি এসব করেছে। এটা নিয়ে আমার কাছে বলার কিছু  নেই।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: দুর্গাপুর পুরসভা এলাকায় ডেঙ্গির প্রকোপ, ১৪ জনের দেহে মিলল জীবাণু

    Durgapur: দুর্গাপুর পুরসভা এলাকায় ডেঙ্গির প্রকোপ, ১৪ জনের দেহে মিলল জীবাণু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষার মরশুম সবে শুরু। আর তাতেই খারাপ খবর শহর দুর্গাপুরের জন্য। ইতিমধ্যেই শহরে ১৪ জনের শরীরে পাওয়া গিয়েছে ডেঙ্গির জীবাণু। দুর্গাপুর (Durgapur) পুরসভার ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের পলাশডিহা এলাকার এই ঘটনা চিন্তা বাড়িয়েছে শহরের। চলছে এলাকায় স্বাস্থ্য পরীক্ষা। সংখ্যা আরও কিছু বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা।

    কীভাবে ডেঙ্গির প্রকোপ (Durgapur)?

    বর্ষার জল জমে ডেঙ্গির থাবা। ইতিমধ্যেই দুর্গাপুর (Durgapur) পুরসভার তরফ থেকে বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে সার্ভে করার কাজ। কোথাও জল জমে রয়েছে কিনা, সেই বিষয়টি দেখা হচ্ছে। আগামী পাঁচ দিন ধরে এই কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। যে সমস্ত জায়গায় ডেঙ্গির মশার লার্ভা জন্ম নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, সেই জায়গাগুলিকে নষ্ট করা হচ্ছে এই অভিযানে। পাশাপাশি যাঁদের এই সময় জ্বর হচ্ছে, তাঁদেরকে সাবধানে থাকতে বলা হচ্ছে। বিনামূল্যে রক্ত পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে যাতে সঠিক সময় ডেঙ্গি চিহ্নিত করা যায়।

    সতর্কতা

    জানা গিয়েছে, যাঁরা আক্রান্ত হয়েছেন অর্থাৎ সেই ১৪ জন আপাতত অনেকটাই সুস্থ। তবে তাঁদের সব সময় মশারির ভেতরে থাকতে বলা হয়েছে। যাতে করে ডেঙ্গির জীবাণু আর ছড়াতে না পারে। স্টেট আরবান ডেভেলপমেন্টের পতঙ্গবিদ বিশ্বরূপ মিত্র ছিলেন এই সার্ভেতে। তিনি জানান, বর্ষার সময় ডেঙ্গি নিয়ে সচেতন থাকতে বলা হচ্ছে শহরবাসীকে (Durgapur)। বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখতে বলা হচ্ছে। পাশাপাশি কোথাও যাতে জল জমে না থাকে, সে বিষয়ে আবেদন করা হচ্ছে। অন্যদিকে শহরে একসঙ্গে ১৪ জনের ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা চিন্তা বাড়িয়েছে মানুষ এবং প্রশাসনের।

    পুরসভার বক্তব্য

    অন্যদিকে এই বিষয়ে দুর্গাপুর (Durgapur) পুরসভার চেয়ারপার্সন অনিন্দিতা মুখার্জি বলেছেন, ডেঙ্গির খবর পাওয়ার পর থেকেই দুর্গাপুরর পুরসভা অত্যন্ত তৎপর হয়েছে। SUDA (state urban development authority) অত্যন্ত বিচলিত। সুডার প্রতিনিধি এসেছেন। বিভিন্ন নর্দমা থেকে শুরু করে অন্যান্য অপরিষ্কার জায়গাগুলিকে পরিষ্কার করানো হচ্ছে। পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর থেকে আশা কর্মী, সাফাই কর্মীরা সকলে ডেঙ্গি মোকাবিলায় মাঠে নেমেছেন। যাঁরা ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁদের একটি কার্ড দেওয়া হয়েছে। আগামী ৮ দিন তাঁদের শারীরিক অগ্রগতি, অবনতির রিপোর্ট সেখানে দেওয়া থাকবে। আপাতত ১৪ জনের রিপোর্টে ডেঙ্গি ধরা পড়লেও, শহরে আরও দু এক জায়গায় আশঙ্কা রয়েছে বলেও খবর। তবে সাধারণ মানুষকে সাবধান থাকা এবং ডেঙ্গি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার জন্য বিশেষ আর্জি জানিয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Tropical Disease: ডেঙ্গির দোসর ম্যালেরিয়া! বিধাননগর, রাজারহাট, নিউটাউনে ভোগান্তি অব্যাহত!

    Tropical Disease: ডেঙ্গির দোসর ম্যালেরিয়া! বিধাননগর, রাজারহাট, নিউটাউনে ভোগান্তি অব্যাহত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতি বছর ভোগান্তি লেগেই থাকে! এবছর তা আরও বেড়েছে। বিধাননগর, রাজারহাট, নিউটাউন এলাকার বাসিন্দাদের দুশ্চিন্তা এবার আরও বেশি। কারণ, দুই রোগের (Tropical Disease) দাপটে কাবু হচ্ছেন এলাকাবাসী। কিন্তু অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অধিকাংশ সময়ই দায় এড়াচ্ছে! তাই ভোগান্তি বাড়ছে।

    কী সমস্যায় ভুগছেন বাসিন্দারা? 

    এলাকার বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, এই গরমেও তাঁরা ডেঙ্গি সংক্রমণে নাজেহাল। আর এবছর ডেঙ্গির দোসর হয়েছে ম্যালেরিয়া। এই দুই মশাবাহিত রোগের (Tropical Disease) দাপটে তাঁরা নাজেহাল। সূত্রের খবর, প্রতি বছর বিধাননগর, রাজারহাট, নিউটাউন এলাকায় ব্যাপকহারে ডেঙ্গি হয়। গত বছরও ওই এলাকার কয়েক হাজার মানুষ ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। পাড়ায় পাড়ায় চলেছিল মৃত্যুমিছিল। এবছরের শুরু থেকেই ডেঙ্গি সংক্রমণ হচ্ছে। তার সঙ্গে উপদ্রব বেড়েছে ম্যালেরিয়ার। স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা কয়েকশো হয়েছে। তারমধ্যে বিধাননগর, রাজারহাট, নিউটাউন এলাকার বহু বাসিন্দা রয়েছেন। 

    এলাকাবাসীর অভিযোগ কী? 

    বিধাননগর, রাজারহাট, নিউটাউন এলাকার বাসিন্দাদের একাংশ জানাচ্ছে, প্রত্যেক বছর ডেঙ্গিতে (Tropical Disease) মৃত্যুমিছিল হলেও হুঁশ ফেরে না প্রশাসনের। তার উপর এবছর ম্যালেরিয়ার প্রকোপ বাড়ছে। তারপরেও এক পরিস্থিতি। সল্টলেক, নিউটাউন, রাজারহাটের বিস্তৃত এলাকা ঠিকমতো পরিষ্কার করা হয় না। বিশেষত রাজারহাট ও নিউটাউন এলাকায় একাধিক পার্ক, বাগান রয়েছে, সেগুলো ঠিকমতো পরিচর্যা করা হচ্ছে না। ফলে, অপরিচ্ছন্ন এলাকা মশার আঁতুরঘর হয়ে উঠছে। সল্টলেকের বাসিন্দাদের একাংশ জানাচ্ছে, ওই এলাকায় একাধিক নার্সারি রয়েছে। অর্থাৎ, যেখানে চারাগাছ বিক্রি করা হয়। ওইসব জায়গায় জল জমে। প্রচুর টব থাকায়, সেখানে সহজেই জল জমা হয় ও মশার জন্ম হয়। কিন্তু সেইসব জায়গা যে ঠিকমতো রক্ষণাবেক্ষণ করা হচ্ছে না, সে ব্যাপারে কোনও নজরদারি নেই। ফলে, এলাকাবাসীর ভোগান্তি হয়। ফি-বছর অগাস্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর মাসে পুরসভা এলাকাবাসীকে আশ্বাস দেয়, বছরভর কাজ হবে। ডেঙ্গি নির্মূল হবে। কিন্তু তারপরেও পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হয় না। যেমন  এবছরেও পুরসভার সক্রিয়তার অভাব স্পষ্ট বলে অভিযোগ এলাকার বাসিন্দাদের। 

    সংশ্লিষ্ট পুর কর্তৃপক্ষ কী বলছে? 

    বিধাননগর পুরসভার তরফে বলা হয়েছে, অন্য বছরের তুলনায় এখনও পর্যন্ত বিধাননগর এলাকায় ডেঙ্গি (Tropical Disease) সংক্রমণ প্রায় অর্ধেক। তারা জানাচ্ছে, গত বছরও মে মাসে বিধাননগর পুর এলাকায় প্রায় ১৮ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত ছিলেন। কিন্তু এ বছর এপ্রিলের শেষ হিসাব অনুযায়ী ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ১০ জন। তবে, ম্যালেরিয়া যে চিন্তার কারণ, সে কথা মেনে নিয়ে বিধাননগর পুরসভার এক কর্তা জানান, মশা নিধনের জন্য প্রয়োজনীয় সবরকম কাজ বিধাননগর পুরসভা করছে। রাজারহাট গোপালপুর পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে, তারা সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। তবে, সব সমস্যা যে পুরসভা মেটাতে পারবে না, সে কথাও তারা জানিয়ে দিয়েছে! 

    ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ার যৌথ দাপট কতখানি ভয়ানক? কী বলছে বিশেষজ্ঞ মহল? 

    ম্যালেরিয়া (Tropical Disease) এবছর বাড়তি ঝুঁকি তৈরি করবে, এ কথা আগেই জানিয়েছিল বিশেষজ্ঞ মহল। তাই আক্রান্তের সংখ্যা বাড়বে! তবে, ম্যালেরিয়ার মোকাবিলা করতে এলাকার বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে বলে জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। জল জমতে না দেওয়া, চারপাশ পরিষ্কার রাখা, বিশেষত পার্ক, বাগান এলাকার আগাছা কাটা, জঞ্জাল সাফ করা নিয়মিত জরুরি। তাছাড়া, নর্দমা পরিষ্কার রাখা, ব্লিচিং পাউডার দেওয়ার মতো কাজগুলো নিয়ম করে করতে হবে। তবে, ডেঙ্গি রুখতেও প্রশাসনের এইসব ভূমিকা পালনের পরামর্শ একাধিকবার দিয়েছে বিশেষজ্ঞ মহল। কিন্তু প্রত্যেক বছর সংক্রমণ বাড়লে, তবেই প্রশাসন কাজ শুরু করে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত এই কাজগুলো বছরভর করতে হবে, তবেই সংক্রমণ কমবে। তা না হলে রাজ্যবাসীর জন্য আরও ভোগান্তি অপেক্ষা করছে বলেই তাদের আশঙ্কা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat Road: বাড়িতে জল পৌঁছে দিতে গিয়ে রাস্তা ভেঙে খান খান, ক্ষোভ শহরজুড়ে

    Balurghat Road: বাড়িতে জল পৌঁছে দিতে গিয়ে রাস্তা ভেঙে খান খান, ক্ষোভ শহরজুড়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একেই রাস্তা খারাপ। তার উপর সেই রাস্তা খুঁড়েই দেওয়া হচ্ছে জলের সংযোগ। এইভাবে জল দেওয়া হলেও পরে আর রাস্তার সেই ভাঙা অংশের সংস্কার হচ্ছে না। যার ফলে বালুরঘাট শহরের বহু রাস্তাই (Balurghat Road) ভাঙাচোরা। গর্তের মধ্য দিয়েই চলছে যানবাহন। যা নিয়ে কার্যত গোদের উপর বিষফোঁড়ার দশা বালুরঘাটে। অভিযোগ, শহরের অনেক জায়গায় রাস্তার খোয়া উঠে গিয়েছে। শহরের মূল রাস্তাগুলি দিয়ে চলাচল করা গেলেও অলিগলির রাস্তা একেবারেই বেহাল। ওইসব রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে চরম সমস্যায় পড়ছে মানুষ। যা নিয়ে ক্ষোভ ছড়িয়েছে শহরজুড়ে। 

    কীভাবে হল এই পরিস্থিতি, কী বলছেন বাসিন্দারা?

    জানা গিয়েছে, মাস দুয়েক হল বালুরঘাট শহরে বন্ধ থাকা জলের কানেকশন দেওয়া চালু হয়েছে। তা করতে গিয়ে বহু রাস্তা (Balurghat Road) ফাটিয়ে পাইপগুলি বাড়িতে পৌঁছনো হচ্ছে। কিন্তু রাস্তার ভাঙা অংশ আর সংস্কার করা হচ্ছে না। কোনওরকমে মাটি দিয়ে বোজানো হচ্ছে। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই সেই মাটি বেরিয়ে রাস্তার এক হাত পর পর বিশাল গর্ত দেখা যাচ্ছে। যার ফলে সাইকেল, মোটরসাইকেল, টোটো ও রিক্সার চাকা অনেক সময় আটকে পড়ছে কিংবা তীব্র ঝাঁকুনি খেয়ে ঝুঁকি নিয়েই ছুটছে মানুষ। অন্যদিকে, দীর্ঘদিন আগে থেকেই শহরের এ কে গোপালন কলোনি, চৌরঙ্গি, শিবতলা, রঘুনাথপুর, সত্যজিৎ মঞ্চ থেকে হাসপাতাল মোড় সহ গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার অনেক অংশ বেহাল। সেই বেহাল গর্তের রাস্তায় জল জমে থাকে। এমনকী অনেক রাস্তায় গর্ত রয়েছে। তবে সবচেয়ে বড় সমস্যা অলিগলির রাস্তা। শহরের ২৫টি ওয়ার্ডের নানা জায়গায় রাস্তা বেহাল হয়ে পড়েছে। এদিকে পুরবোর্ড গঠনের এক বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও রাস্তা সংস্কার হয়নি। তাই পুরসভার বিরুদ্ধে ক্ষোভ ছড়িয়েছে শহরজুড়ে। এবিষয়ে বালুরঘাট শহরের এক বাসিন্দা পিকু দাস বলেন, বহু রাস্তার অনেক জায়গায় গর্ত। ভাঙাচোরা হয়ে পড়ে রয়েছে। কোথাও আবার পিচ নেই। এরপর মাঝে আবার রাস্তাগুলি খুঁড়ে জলের পাইপলাইন বসানো হচ্ছে। সেই রাস্তা আর বোজানো হচ্ছে না। যার ফলে রাস্তা দিয়ে একেবারেই চলতে পারছি না। বাইক, সাইকেল নিয়ে চলাচল করাই এখন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে৷ 

    এরা একই কাজ একবারে করতে চায় না, তোপ বিরোধীদের

    এব্যাপারে সরব হয়েছে বিরোধী দলগুলি। ডিওয়াইএফআই শহর লোকাল কমিটির সম্পাদক ধীরাজ বসু বলেন, এই বোর্ড এমনিতেই শহরের উন্নয়ন করতে পারছে না। যে রাস্তাগুলি খোঁড়া হচ্ছে, তা মাটি দিয়েও ঠিকমতো বন্ধ করা হচ্ছে না। এরা মানুষের সমস্যা বোঝে না। নিজেদের পদ টিকিয়ে রাখার লড়াই চলছে। তাই শহরবাসীর উন্নয়ন, সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে ভাবার সময় নেই।বিজেপির টাউন মন্ডল কমিটির সভাপতি সমীরপ্রসাদ দত্ত বলেন, জলের কানেকশন দিয়ে কিছুদিনের মধ্যেই সেই রাস্তার (Balurghat Road) ভাঙা অংশগুলি সংস্কার করা যায়। কিন্তু এরা একই কাজ একবারে করতে চায় না। কারণ দুবারে করলে দুবার টেন্ডার করা যাবে। তাই শহরের ভোগান্তি নজরে আসে না। দীর্ঘদিন ধরেই শহরের অলিগলি থেকে শুরু করে মূল রাস্তা বেহাল। অথচ এসব এই তৃণমূল পুরবোর্ডের নজরে আসছে না। 

    দ্রুত সংস্কার হবে, আশ্বাস চেয়ারম্যানের

    এবিষয়ে বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র বলেন, জলের কানেকশন দেওয়ার পরে ওই পাইপলাইনের উপরে আগেই ঢালাই দেওয়া যায় না। পরবর্তীতে জল যেতে সমস্যাও হতে পারে। তাই কিছুদিন পাইপলাইনের উপরে মাটি দিয়ে বুজিয়ে রাখা হয়। পরে সমস্যা না হলে তা স্থায়ীভাবে ঢালাই দিয়ে দেওয়া হবে। শহরের যে রাস্তাগুলি খারাপ, সেগুলি দ্রুত সংস্কার করা হবে৷

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barasat Housing: প্রতিশ্রুতির পরেও ঘর মেলেনি ইন্দিরা কলোনির আবাসিকদের! ভোট বয়কটের ডাক

    Barasat Housing: প্রতিশ্রুতির পরেও ঘর মেলেনি ইন্দিরা কলোনির আবাসিকদের! ভোট বয়কটের ডাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাসত পৌরসভার ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইন্দিরা কলোনিতে দীর্ঘ ৪০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বসবাস করে আসছেন প্রায় ২৬০টি পরিবার। এঁরা সকলেই ১৯৭১ সালে ওপার বাংলা থেকে চলে আসেন এপারে। এপারে এসে কোনওরকমে বসবাস শুরু করেন বারাসত শহরের ইন্দিরা কলোনিতে। সকলেই দারিদ্র সীমার নীচে বসবাস করেন৷ সেখানে নিজেদের ক্ষমতায় পাকা বাড়ি তৈরি অনেকটাই স্বপ্নের মতো দিন আনা দিন খাওয়া এই মানুষগুলোর কাছে। কয়েক বছর ধরেই এই কলোনিতে পাকা ঘরের দাবি ছিল পরিবারগুলির। বাসিন্দাদের স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে এসেছিলেন তৃণমূল বিধায়ক তথা অভিনেতা চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। ২০২২ সালের ৬ জানুয়ারি এই কলোনিতে রীতিমতো ঢাকঢোল পিটিয়ে ‘শহর আবাসন জনপ্রকল্প’-এর (Barasat Housing) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন তিনি। তখনই ঠিক হয়, কলোনির ২.৪ একর জমিতে চারতলা আবাসন গড়ে তোলা হবে। প্রকল্পটি তৈরি করবে রাজ্য সরকারের পৌর দফতরের আওতাধীন কেএমডিএ। কিন্তু এই শিলান্যাসের পর এক বছর কেটে গেলেও এখনও গড়ে ওঠেনি আবাসন। তাই এবার ওই বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে ভোট বয়কটের ডাক দিলেন।

    উন্নয়নের নামে ছিনিমিনি খেলা, তোপ বিরোধী দলের

    বস্তিবাসীদের এই (Barasat Housing) অভিযোগে কার্যত সহমত প্রকাশ করেন বারাসত পৌরসভার বিরোধী দলনেতা ও পৌরসভার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের সিপিএম কাউন্সিলর বরুণ ভট্টাচার্য। এই বিষয়ে তিনি বলেন, “এটা নতুন কিছু নয়। উন্নয়নের নামে মানুষের সঙ্গে ছিনিমিনি খেলে আসছে শাসকদল। বারাসত শহরের যাবতীয় উন্নয়ন যা হয়েছে, তা বিগত বাম পৌরবোর্ডের আমলেই হয়েছে। তৃণমূল পৌরবোর্ড আসার পরে এখনও কিছুই করতে পারেনি। ক্ষমতায় এসে শুধু প্রতিশ্রুতি দিয়েই ভোট বৈতরণী পার হওয়ার চেষ্টা করেছে শাসক দল। মানুষ ওদের এই ভাঁওতাবাজি এখন ধরে ফেলেছে।

    প্রকল্প হবেই, আশ্বাস তৃণমূল নেতার

    যদিও বিরোধীদের এই অভিযোগকে একপ্রকার উড়িয়ে দিয়েছেন পৌর পারিষদ তথা বারাসত শহর তৃণমূলের সভাপতি অরুণ ভৌমিক। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এটি একটি বড় প্রজেক্ট। যে কোনও প্রজেক্টের কাজ শুরু হওয়ার আগে অনেকগুলো ধাপ থাকে। জমি, আর্থিক বরাদ্দ, ভেটিং-সহ নানা বিষয় ৷ জমিজটের বিষয়টি আপাতত কেটে গিয়েছে। প্রকল্পের ভেটিং-ও যাদবপুর ইউনিভার্সিটি-কে দেওয়া হয়ে গিয়েছে। আশা করছি, ভেটিং হয়ে গেলেই আবাসন প্রকল্পের কাজ খুব তাড়াতাড়ি শুরু হয়ে যাবে। হয়তো দেরি হচ্ছে বলেই সেখানকার বস্তিবাসীরা একটু অধৈর্য হয়ে পড়েছে। প্রকল্প হবেই। আটকে থাকার কোনও ব্যাপার নেই। এই আবাসনের জন্য ইতিমধ্যেই বরাদ্দও হয়ে গিয়েছে ১৬ কোটি ২৯ লাখ ৬২ হাজার ১৭১ টাকা। তবে, ইন্দিরা কলোনির যে জমির ওপর আবাসন প্রকল্পটি (Barasat Housing) গড়ে ওঠার কথা, সেই জমিটি শিক্ষা দফতরের হাতে থাকায় তা নিয়ে প্রথমে জটিলতা তৈরি হয়েছিল। পরে অবশ্য আলোচনার মাধ্যমে সেই জটিলতা কেটে যেতেই জমি হস্তান্তর করা হয় পৌরসভার হাতে। তবে এবার দেখার বিষয়, কত দিনে ওই ইন্দিরা কলোনির আবাসনের বাসিন্দাদের স্বপ্ন পূরণ হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Public Toilet: পুরবোর্ডের মেয়াদ পেরিয়েছে এক বছর, এখনও তালাবন্দি ৭৭টি শৌচালয়!

    Public Toilet: পুরবোর্ডের মেয়াদ পেরিয়েছে এক বছর, এখনও তালাবন্দি ৭৭টি শৌচালয়!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট শহরের বিভিন্ন জনবহুল এলাকা ও ক্লাবের ফাঁকা জায়গায় শৌচালয় তৈরি করে দিয়েছে পুরসভা। কিন্তু তৈরির কিছুদিন পর থেকেই অনেক শৌচালয় (Public Toilet) বন্ধ। কিছু কিছু শৌচালয় বানানোর পর খোলাই হয়নি। আবার যেগুলি চালু ছিল, তার কোথাও জলে প্রচুর আয়রন, কোথাও আলোর ব্যবস্থা নেই, কোথাও নিকাশি ব্যবস্থা ভালো নয়। এই সামান্য সমস্যাগুলি দূর করতে এতদিন উদ্যোগ নেয়নি কেউই, এমনই অভিযোগ এলাকার বাসিন্দাদের।

    সমস্যাটা ঠিক কী?

    দীর্ঘদিন ধরে বালুরঘাট শহরে বন্ধ সাধারণ শৌচালয়গুলি (Public Toilet)। পুরবোর্ডের মেয়াদ এক বছর পার হলেও শহরের ৭৭ টি শৌচালয় এখনও তালাবন্দি অবস্থায় পড়ে রয়েছে। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ছমাস আগে পুরসভার তরফে এক কোটি টাকা বরাদ্দে ওই শৌচালয়গুলির সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু এখনও সেই কাজ শেষ হয়নি। এমনকি অধিকাংশ শৌচালয়ের কাজ শেষ হলেও তা তালাবন্দি অবস্থায় পড়ে রয়েছে। যা নিয়ে ক্ষোভ ছড়িয়েছে শহরে। এদিকে বিরোধীদের অভিযোগ, পুরসভার দায়িত্ব নিয়ে এমন বহু কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা এখনও হয়নি। যা নিয়ে সরব হয়েছে বিরোধীরা। প্রসঙ্গত, বিগত পুরবোর্ডের আমলে ২০১৭ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে শহরে নতুন ৭৭ টি সাধারণ শৌচালয় (Public Toilet) গড়ে তোলার কাজ শেষ করা হয়। মূলত নির্মল বাংলা বা স্বচ্ছ মিশনের আওতায় এই শৌচালয়গুলি গড়ে তোলা হয়। নতুন পুরবোর্ড ক্ষমতায় আসতেই এই বন্ধ থাকা শৌচালয়গুলি খুলে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল। ‘সুডা’ থেকে প্রায় ১ কোটি ৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সেগুলি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। নভেম্বর মাস থেকে সেগুলির সংস্কারের কাজ চলছে। নতুন বছরেই সেগুলি খুলে দেওয়ার কথা থাকলেও আজও তা হয়নি। যা নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে শহরে।

    পৌরসভা প্রতিক্রিয়ায় কী জানাল?

    এবিষয়ে বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র বলেন, শহরের সাধারণ শৌচালয়গুলি (Public Toilet) সংস্কারের কাজ এখনও শেষ হয়নি। কোনওটার ইলেক্ট্রিকের কাজ বাকি, কোনওটার জলের পাইপলাইনের কাজ বাকি। তাই সেগুলি তালাবন্দি অবস্থায় রয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি সেই কাজগুলি শেষ হবে। সম্ভবত আগামী সপ্তাহেই চালু হয়ে যাবে। এছাড়াও শহরের বহু উন্নয়নের কাজ হয়েছে এবং অনেক কাজ চলছে।  

    সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া

    এবিষয়ে বালুরঘাটের রঘুনাথপুর এলাকার এক ব্যবসায়ী প্রদীপ দাস বলেন, আমাদের এলাকায় একটি সাধারণ শৌচালয় (Public Toilet) রয়েছে। কিন্তু তা দীর্ঘদিন ধরে তালাবন্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বাজার এলাকায় এবং ডাক্তার দেখাতে বহু মানুষ বাইরে থেকে প্রত্যেকদিন আসে। কিন্তু তারা এই সাধারণ শৌচালয় ব্যবহার করতে না পেরে রাস্তার ধারে মূত্র ত্যাগ করছে। বালুরঘাট ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক হরেরাম সাহা বলেন, তহবাজারে যে শৌচালয় রয়েছে, তা দীর্ঘদিন সংস্কার হয়নি। যার ফলে ব্যবসায়ীদের সমস্যা হয়। এর আগে পুরসভাকে জানিয়েছিলাম, তারা এবিষয়ে আশ্বাস দিয়েছিল। কিন্তু তবুও কোনও কাজ হয়নি। 

    সরব বিরোধীরা

    অন্যদিকে, বিরোধীরাও এবিষয়ে (Public Toilet) সরব হয়েছেন। বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য সুমন বর্মন বলেন, তৃণমূল বোর্ড কোনও কাজই করতে পারছে না। শহরকে নির্মল বা স্বচ্ছ বললেও সামাজিক শৌচালয়গুলিকে বন্ধ করে রাখা হয়েছে। বাধ্য হয়ে ফাঁকা জায়গাতেই মূত্রত্যাগ করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। ফলে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। আরএসপির জেলা আঞ্চলিক কমিটির সদস্য প্রলয় ঘোষ বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই শহরে বহু সামাজিক শৌচালয় (Public Toilet) বন্ধ রয়েছে। সেগুলির জন্য কোটি টাকা এসেছে। কিন্তু তবুও কেন শৌচালয়গুলি খোলা হচ্ছে না, জানি না। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Municipality Corruption: স্বজনপোষণের ঠেলায় পুরসভায় উপচে পড়ছে অস্থায়ী কর্মী, বেতন দিতে নাভিশ্বাস

    Municipality Corruption: স্বজনপোষণের ঠেলায় পুরসভায় উপচে পড়ছে অস্থায়ী কর্মী, বেতন দিতে নাভিশ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠিক সময়ে বেতন দিতে নাভিশ্বাস উঠছে। কোনও মাসেই নাকি সময়ে বেতন হয় না, এমনই জোরালো অভিযোগ ঘিরে তেড়েফুঁড়ে উঠলেন হুগলি-চুঁচুড়া পুরসভার অস্থায়ী কর্মচারীরা। বুধবার একপ্রস্থ বিক্ষোভ দেখানোর পর বৃহস্পতিবারও পুরসভা চত্বরে চেয়ারম্যানের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। বুধবার চেয়ারম্যান অমিত রায় পুরসভায় ঢুকতে গেলে বাধাপ্রাপ্ত হন। তাঁর অনুগামীদের সঙ্গে হাতাহাতিও হয়। আসলে বেতন ঠিক সময়ে হবে কী করে? প্রতিটি দফতরেই প্রয়োজনের অতিরিক্ত লোক নেওয়া হয়েছে (Municipality Corruption)। পুরসভার দেওয়ালে কান পাতলে এমনই অভিযোগ শোনা যায়।

    কী বলছেন চুঁচুড়ার বিধায়ক?

    চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদারের বক্তব্য, বাম আমল থেকে যেসব অস্থায়ী কর্মী এখানে কাজ করত, তাদের সরানো হয়নি। আবার জনসংখ্যা বাড়ছে, তার সঙ্গে কাজের চাপও বাড়ছে। তাই বাড়তি কিছু লোকও নিতে হয়েছে অস্থায়ী হিসেবে।”

    বর্তমানে চিত্রটা কী? 

    পুরসভা সূত্রে খবর, এখানে প্রায় ২২০০ অস্থায়ী কর্মী (Municipality Corruption)! আর ন্যূনতম মজুরি মাথাপিছু ২৭০ টাকা প্রতিদিন। প্রায় ৬০০ জনের মজুরি রাজ্য পুর উন্নয়ন সংস্থা থেকে আসে। বাকি ওই বিপুল বোঝা পুরসভাকেই টানতে হয়। কিন্তু সেই অর্থে এই পুর এলাকায় কোনও শিল্প না থাকায় পুরকরও তেমন ওঠে না। তাই মাঝে মধ্যেই অনিয়মিত হয়ে পড়ে অস্থায়ী কর্মীদের মজুরি। 

    ‘অস্থায়ী কর্মচারীদের অধিকাংশই তৃণমূলের ক্যাডার’, অভিযোগ বিজেপির

    বিরোধী দল থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, ওই বিপুল সংখ্যক অস্থায়ী কর্মীদের (Municipality Corruption) তৃণমূল আমলেই যে যেরকম পেরেছে ঢুকিয়ে গেছে। বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সুরেশ সাউ অভিযোগ করেন, এদের মধ্যে অধিকাংশই তৃণমূল পার্টির ক্যাডার। অর্ধেক লোক কাজ করে না, বাড়িতে বসে সারা মাসের মজুরি তুলে নেয়। এর একটা বিহিত হওয়া দরকার। এখানে বেশিরভাগ চোর। আমরা চাইছি অবিলম্বে চেয়ারম্যানকে পদত্যাগ করিয়ে এখানে অ্যামিনিস্ট্রেটর বসানো হোক। 

    প্রায় ২ ঘণ্টা অবস্থানের পর অস্থায়ী কর্মচারী ইউনিয়নের সঙ্গে আলোচনায় বসেন চেয়ারম্যান অমিত রায়। আগামী সোমবারের মধ্যেই মজুরির বিষয়টির সমাধান হয়ে যাবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। এরপর অবস্থান ওঠে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share