Tag: Murder

Murder

  • Asansol: লোকসভা ভোটের আগে প্রকাশ্য দিবালোকে শুটআউট আসানসোলে! তীব্র উত্তেজনা

    Asansol: লোকসভা ভোটের আগে প্রকাশ্য দিবালোকে শুটআউট আসানসোলে! তীব্র উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনেদুপুরে ব্যবসায়ীকে শুটআউট (Shootout)! লোকসভা ভোটের মুখে গুলিতে খুন মাইক্রো ফিনান্স সংস্থার মালিক। আসানসোলের (Asansol) কুলটি থানার চিনাকুড়িতে ঘটনাটি ঘটেছে। এলাকায় এই নিয়ে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল (Asansol)?

    সোমবার বেলা পৌনে বারোটা নাগাদ এই ঘটনাটি ঘটেছে। প্রকাশ্য দিবালোকে চিনাকুড়ি (Asansol) এলাকায় একটি বেসরকারি মাইক্রো ফিনান্স সংস্থা অফিসে ঢোকে এক দুষ্কৃতী। তার মুখ কাপড় দিয়ে বাঁধা ছিলো। এরপর অফিসের মধ্যে ঢুকে অফিসে বসে থাকা উমা শংকর চৌহানকে গুলি করে খুন করে দুষ্কৃতীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কুলটি থানার পুলিশ (Police), এরপর গুলিবিদ্ধ উমা শঙ্কর চৌহান ( ৩৫) কে উদ্ধার করে আসানসোল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক পরীক্ষা করে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    অফিসের কর্মীদের বক্তব্য

    ঘটনায় ওই অফিসের কর্মীরা বলেন, “এক দুষ্কৃতীরা এসে উমা শঙ্কর চৌহানকে লক্ষ্য করে পরপর ৪-৫ রাউন্ড গুলি করে। সেই গুলিতে জখম হয়ে অফিসের মধ্যে লুটিয়ে পড়েন উমাশংকর। পরে তাঁর মৃত্যু হয়। জানা গেছে, এই ঘটনার কয়েক মিনিট আগে এক যুবক অফিসে এসে একজনের খোঁজ করছিলো। তারপরেই মুখ বাঁধা ওঁই যুবক আসে। ঠিক ভোটের মুখে এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায় (Asansol)।” পুলিশ তরফে জানানো হয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। যুবকের খোঁজে তল্লাশি (Investigation) চালানো হচ্ছে। তবে কী কারণে আততায়ীর নিশানা হলেন উমা শঙ্কর, তা বুঝতে পারছেন না তাঁর পরিবারের লোকজনও।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে নিখোঁজ স্বামীর খোঁজ পেতে সিবিআই তদন্তের দাবি স্ত্রীর

    ১৩ মে ভোট আসানসোলে

    উল্লেখ্য ১৩ মে চতুর্থ দফা ভোট আসানসোলে (Asansol)। ইতিমধ্যেই প্রচার পর্ব চলছে জোরকদমে। ভোট নিয়ে মেতে রয়েছেন আসানসোলের মানুষ। আর তারই মধ্যে এই ঘটনায় হইচই পড়ে গেছে এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, অফিসের কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে সিসিটিভির ফুটেজ। পাশাপাশি উমাশঙ্করের সঙ্গে কারও টাকা পয়সা নিয়ে কোনও গন্ডগোল ছিল কিনা তাও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু ভোটের মুখে এই ঘটনা তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: রাজ্যপালের পায়ে ধরে সুবিচারের আর্জি জানালেন নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবারের লোকজন

    CV Ananda Bose: রাজ্যপালের পায়ে ধরে সুবিচারের আর্জি জানালেন নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবারের লোকজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে পশ্চিম মেদিনপুরের পিংলায় বাড়়ির কাছে ধান খেত থেকে বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার হয়েছিল। তৃণমূলের লোকজন তাঁকে খুন করেছে বলে অভিযোগ করেছিলেন পরিবারের লোকজন। সোমবার নিহত সেই বিজেপি কর্মীর বাড়িতে যান রাজ্যপাল  সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। কথা বলেন পরিবারের লোকজনের সঙ্গে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত বিজেপি কর্মীর নাম শান্তনু ঘড়ুই। তিনি এলাকায় সক্রিয় বিজেপি কর্মী হিসেবে পরিচিত। ২৩ মার্চ, পিংলার বাড়বাসি গ্রামে বাড়ি থেকে ২০০ মিটার দূরে ধান খেত থেকে উদ্ধার হয় বিজেপি কর্মীর ক্ষতবিক্ষত দেহ। তৃণমূলের ভোট-সন্ত্রাসে খুন হয়েছেন বলে অভিযোগ করে নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবার। তৃণমূলের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ তোলে নিহতের পরিবার ও বিজেপি নেতৃত্ব। নিহতের বাড়িতে যান ঘাটাল লোকসভার বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়। হিরণের অভিযোগ, প্রথমে এফআইআর নিতে চায়নি পুলিশ। স্ট্রোকে মৃত্যু হয়েছে বলে লিখিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা হয়। ঘাটালের তৃণমূল প্রার্থী দেবকেও নিশানা করেছেন হিরণ। সিবিআই তদন্তের দাবি জানান ঘাটাল লোকসভার বিজেপি প্রার্থী। সোমবার শালিমার থেকে ইস্ট কোস্ট এক্সপ্রেসে চড়ে পিংলায় নিহত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে যান রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)।

    আরও পড়ুন: “চায়ে পে চর্চা” কর্মসূচিতে দিলীপ ঘোষকে বাধা, বিজেপি কর্মীকে মারধর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) পায়ে ধরে সুবিচারের আর্জি

    এদিন দুপুরে ট্রেন থেকে নেমে সড়ক পথে রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) পিংলায় নিহত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে যান। রাজ্যপালকে সামনে পেয়ে পা জড়িয়ে ধরেন পরিবারের লোকজন কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, নিহত বিজেপি কর্মীর মুখে রক্ত এবং পেটে ছেঁকার দাগ ছিল। বিজেপি করায়, বছর ৩২-এর ওই যুবককে হাত-পা বেঁধে মেরে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিল তৃণমূলের লোকজন। তাঁরাই খুন করেছে। নিহত বিজেপি কর্মীর দেহ পুনুরায় কেন্দ্রীয় কোনও হাসপাতাল থেকে ময়না তদন্তের আর্জি জানান তাঁরা। এমনকী সিবিআই তদন্তের আর্জি জানান। পরিবারের লোকজনের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলে পাশে থাকার আশ্বাস দেন রাজ্যপাল।

    রাজ্যপাল কী বললেন?

    রাজ্যপাল (CV Ananda Bose) বলেন, নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বললাম। তাঁরা কিছু আবেদন জানিয়েছেন, সেই বিষয়টি আমরা নিয়ম মেনে পদক্ষেপ গ্রহণ করব। সামনে নির্বাচন। আমরা চাই, বাংলায় এই ধরনের ঘটনা আর যাতে না হয়। আর আবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট হোক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ভোটের আগেই বাড়ির কাছে তৃণমূল কর্মীকে কুপিয়ে খুন, প্রশ্নের মুখে পুলিশ

    Nadia: ভোটের আগেই বাড়ির কাছে তৃণমূল কর্মীকে কুপিয়ে খুন, প্রশ্নের মুখে পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল কর্মীকে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। শুক্রবার রাতে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) থানারপাড়া থানা এলাকার মোক্তারপুর গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম সাইদুল সেখ (৩৭)। তিনি তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত। এই খুনের ঘটনার পিছনে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল রয়েছে কি না তা নিয়ে দলের আন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই খুন করেছে। শনিবার রাত পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, খুনের ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নদিয়ার (Nadia) থানারপাড়া থানা এলাকার মোক্তারপুর গ্রামে গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে সাইদুলসাহেব সক্রিয়ভাবে দলীয় প্রার্থীর হয়ে খেটেছিলেন। মিটিং, মিছিলে তিনি নিয়মিত অংশগ্রহণ করতেন। লোকসভা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর হয়ে তিনি দেওয়াল লিখন শুরু করেছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার অন্যান্য দিনের মতোই কাজে গিয়েছিলেন সাইদুল। কিন্তু, নির্দিষ্ট সময়ে বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা তাঁকে ফোন করতে থাকেন। কিন্তু ফোনেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। এরপর শুক্রবার রাতেই পরিবারের সদস্যরা তাঁকে খুঁজতে বের হন। বাড়ির অদূরেই রক্তাক্ত অবস্থায় তৃণমূল কর্মীকে পড়ে থাকতে দেখেন তাঁরা। পরিবারের দাবি, সাইদুলের সারা শরীরে ক্ষত ছিল। রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে খুন করা হয়েছে। সাইদুলকে দ্রুত উদ্ধার করে নতিডাঙ্গা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় কংগ্রেস আশ্রীত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে পরিবার। দুষ্কৃতীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। ঘটনার দায় অস্বীকার করেছে কংগ্রেস। কংগ্রেস নেতৃত্বের বক্তব্য, পুরনো কোনও শত্রুতাতেই খুন হয়ে থাকতে পারেন সাইদুল। দলের কোন্দলের কারণে এই ঘটনা ঘটতে পারে। এর সঙ্গে কংগ্রেসের কোনও যোগ নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: টাক স্বামীকে অপছন্দ, বান্ধবীর সঙ্গে মন্দিরে মালা বদল সন্তান খুনে অভিযুক্ত মায়ের

    Hooghly: টাক স্বামীকে অপছন্দ, বান্ধবীর সঙ্গে মন্দিরে মালা বদল সন্তান খুনে অভিযুক্ত মায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার আদালতে পেশ করে ৯ দিনের পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে শান্তা শর্মা এবং তাঁর বান্ধবী ইফফাত পারভিনকে। এরপর পুলিশি জেরায় প্রায় প্রতিদিনই উঠে আসছে নতুন নতুন তথ্য। ১৬ ফেব্রুয়ারি হুগলির (Hooghly) কোন্নগরের কানাইপুর আদর্শনগর এলাকাতে নিজ বাড়ির ভেতরে খুন হয়ে যায় এক শিশু। সেই খুনের তদন্তে নেমে ৪ দিনের মাথায় পুলিশ গ্রেফতার করে মূল অভিযুক্ত তার মা ও ঘনিষ্ঠ বান্ধবীকে। মোটিভ হিসেবে উঠে আসে সমকামিতা।

    মন্দিরে মালা বদল হয় দুজনের (Hooghly)

    ২০১০ সালে শান্তার সঙ্গে পারভিনের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। পরে, পঙ্কজ শর্মার সঙ্গে শান্তার বিয়ে হয় ২০১২ সালে। ২০১৮ সালে পারভিনের বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের কিছুদিনের মধ্যে সে কেটে পড়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে। এরপরের বছর কলকাতার একটি মন্দিরে শান্তা আর পারভিন দুজনে মালা বদল করে। সেটা দুই পরিবারের কেউ জানত না। পঙ্কজ জানিয়েছেন, তাঁর স্ত্রী ও পারভিন বছর দুয়েক আগে দিল্লি গিয়েছিল। তখন ছেলেকে সঙ্গে নেয়নি। গত বছর বিহারে গিয়েছিল ছেলে ছিল সঙ্গে। তবে, পারভিনের বাড়িতে ছেলেকে আলাদা রেখে এক ঘরে রাত কাটায় শান্তা ও পারভিন। সে কথা শিশু তার বাবাকে জানিয়েছিল। হুগলি (Hooghly) জেলার পুলিশ দুজনের মোবাইল ঘেঁটে কিছু ছবি পায়। যেখানে একটি ছবিতে দুজনের হাতেই চুড়ি দেখা যায়। শান্তার স্বামী পুলিশকে জানিয়েছিল শান্তা কোনোদিনও চুড়ি পরত না।

    স্বামীর মাথার টাক অপছন্দের ছিল শান্তার

    নিজের স্বামীকে ছেড়ে হঠাৎ বান্ধবীর প্রতি আসক্তি কেন? শান্তার দাম্পত্য জীবন সুখের ছিল না। স্বামী পঙ্কজের মাথায় টাক। সেটা ছিল অপছন্দের বিষয় শান্তার কাছে। বিয়ের সময় থেকে পঙ্কজের মাথায় টাক ছিল। যা পছন্দ ছিল না শান্তার। বিয়ের পর এনিয়ে দুজনের অশান্তিও হত। একে স্বামীর সঙ্গে মনের মিল নেই অন্যদিকে সংসারে আর্থিক স্বচ্ছলতার অভাব। দুই এর সুযোগে পারভিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। শিশু খুনের দুদিন আগে থেকে কোনও যোগাযোগ নেই এটা প্রমাণ করতেই ফোনালাপ বন্ধ রাখে তারা। ঘটনার দিনও বেলা তিনটের সময় পারভিনের মোবাইল টাওয়ার লোকেশান ছিল ওয়াটগঞ্জ। আবার রাত সারে আটটায় সেই একই লোকেশানে ছিল। মাঝে ফোন বন্ধ ছিল। তবে, সন্ধা ছটা থেকে সারে ছটা নাগাদ শিশুকে খুন করা হয়। তার মিনিট পনেরে আগে শান্তা ও পারভিনের কথা হয় তার সূত্র পেয়ে যায় পুলিশ।

    পরিকল্পনা মতো কাজে গিয়েছিলেন শান্তা

    শান্তা একটি ফুড কোর্টে কাজ করতেন। পরিকল্পনা মাফিক সেদিন কাজে যান। দোকানে গিয়ে ডলি নামে প্রতিবেশি এক মহিলাকে দিয়ে বাড়িতে ছেলেকে খবর পাঠান তার চশমা দিয়ে যেতে।ছেলে মাকে চশমা দিয়ে বাড়ি ফিরে টিভি চালিয়ে কার্টুন দেখতে বসে। সে সময় আততায়ী ঘরে ঢুকে শিশুকে মাথা থেঁতলে খুন করে।শান্তার স্বামী পঙ্কজ শর্মা অভিযুক্তদের ফাঁসির সাজা চাইছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: ১৪ বছরের সম্পর্কে পথের কাঁটা শিশু! নৃশংস খুনে গ্রেফতার মা ও তাঁর বান্ধবী

    Hooghly: ১৪ বছরের সম্পর্কে পথের কাঁটা শিশু! নৃশংস খুনে গ্রেফতার মা ও তাঁর বান্ধবী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৪ বছর ধরে সম্পর্কে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল সন্তান। আর সেই পথের কাঁটা সরাতেই বান্ধবীর সাহায্যে সন্তানকে খুন করার অভিযোগ উঠল মায়ের বিরুদ্ধে। হুগলির (Hooghly) কোন্নগরে শিশু খুনের তদন্তে নেমে পুলিশের হাতে চাঞ্চল্যকর এই তথ্য সামনে এসেছে। এরপরই পুলিশ খুন হওয়া শিশুর মা ও তার বান্ধবীকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের নাম ইফফাত পারভিন ও শান্তা শর্মা।

    ১৪ বছর ধরে সম্পর্ক! (Hooghly)

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্ভবত ২০১০ সালে আলিপুরে কোনও একটা অনুষ্ঠানে শান্তার সঙ্গে পারভিনের পরিচয় হয়েছিল। শান্তার বিয়ে হয় ২০১২ সালে। পারভিনের বিয়ে হয় ২০১৮ সালে। ১৪ বছর ধরে তাঁদের সম্পর্ক ছিল। তবে দিন পনেরো সংসার করেই বাপের বাড়ি চলে আসেন পারভিন। এত বছরে দুই মহিলার বন্ধুত্বে চিড় ধরেনি। বরঞ্চ দু’জন দুজনকে ছাড়া থাকতে পারতেন না। দু’জনের বাড়িতে যাতায়াত ছিল। পরিবারও জানত, তাঁরা ‘ভালো বন্ধু’। গভীর রাত পর্যন্ত ফোনে গল্প করতেন শান্তা এবং পারভিন। বান্ধবীর ছেলে খুন হওয়ার পরদিনই হুগলির (Hooghly) কোন্নগরের আদর্শনগরে শান্তার বাড়িতে আসেন পারভিন। সমবেদনা জানান বান্ধবীকে। কিন্তু সবটাই ছিল অভিনয়। প্রথমত খুনের পরদিন অর্থাৎ, ১৭ ফেব্রুয়ারি সকালবেলা শান্ত ভাবে পোষ্যকে বিস্কুট খাওয়াতে যান শান্তা শর্মা। যদিও পোষ্য কুকুর সেই বিস্কুট ছোঁয়নি। বিষয়টি চোখ এড়ায়নি  তদন্তকারীদের। দ্বিতীয়ত এলাকার একটি সিসিটিভি ফুটেজে সন্দেহজনক ভাবে এক মহিলার ছবি আবিষ্কার করে পুলিশ। পরে ওই মহিলা যে পারভিন, তা প্রমাণিত হয়।

    ফোনের সূত্রে খোঁজ মিলল খুনির

    খুনের প্রথমদিন থেকেই তদন্তকারীরা নিশ্চিত ছিলেন, ছোট ওই শিশুটির নৃশংস খুনের পিছনে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ কেউ জড়িয়ে আছে, যে জানত যে ওই সময় শ্রেয়াং‌শ শর্মা একাই থাকে বাড়িতে। এছাড়া বাড়ির পোষ্যটিও ঘটনার সময় চিৎকার করেনি। ফরেনসিক থেকে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সব ধরনের পরীক্ষা চলে অকুস্থলে। শ্রেয়াং‌শকে হত্যা করতে আততায়ী বাইরে থেকে কোনও অস্ত্র আনেনি। বাড়িতে থাকা থান ইট, পিতলের মূর্তি, তরকারি কাটার ছুরি ব্যবহৃত হয়েছিল। পাশাপাশি সন্দেহকারীদের ফোনের কল ডিটেলস হাতে পেতেই তদন্তকারীদের বুঝতে অসুবিধা হয়নি এই জঘন্য ঘটনার নেপথ্যে কারা? পুলিশি জেরার মুখে ধৃতরা জানিয়েছে, তারা দুই বন্ধু পরস্পরকে ভালোবাসত। পুলিশের দাবি, দুজনের মধ্যে ‘গভীর’ সম্পর্ক ছিল। মা ও মায়ের বান্ধবীর ঘনিষ্ঠতা দেখে ফেলার জন্যই কি খুন? পুলিশের ইঙ্গিত খানিকটা সেদিকেই। প্রথমে শ্রেয়াং‌শর মা শান্তা ওরফে শ্রেয়াকে জেরা করার জন্য তুলে নিয়ে আসা হয় উত্তরপাড়া থানায়। অন্যদিকে পুলিশের অপর একটি টিম খিদিরপুর থেকে তুলে আনে ইফফাত পারভিনকে। দুজনকেই থানায় এনে গ্রেফতার করা হয়।

    পুলিশ-প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তড়িঘড়ি এই ঘটনা নিয়ে উত্তরপাড়া থানায় সাংবাদিক সম্মেলন করেন চন্দননগর কমিশনারেটের ডিসি (শ্রীরামপুর) অর্ণব বিশ্বাস। তিনি বলেন, খুনের অভিযোগে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা দোষ স্বীকার করেছে। সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: তৃণমূল কর্মীকে পিটিয়ে খুন, শাসকদলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    Murshidabad: তৃণমূল কর্মীকে পিটিয়ে খুন, শাসকদলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনের বেলায় প্রকাশ্যে এক তৃণমূল কর্মীকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল দলেরই এক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সালার থানার পূর্ব গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম রূপচাঁদ শেখ (৫৬)। তিনি এলাকায় সক্রিয় তৃণমূল কর্মী। এই ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন জখম হয়েছে। তাঁদের সালার গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রূপচাঁদ তালিবপুরের প্রধান রবি শেখের অনুগামী। রবি আবার মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের অনুগামী। আর হামলাকারী তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি মেহেরাজ হোসেন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে সুমনের অনুগামী। ব্লক সভাপতির সঙ্গে তৃণমূল বিধায়েক দ্বন্দ্ব নতুন নয়। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় থেকে এই কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে আসে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। নতুন করে আবার সেই দ্বন্দ্ব মাথাচাড়া দিয়েছে। বুধবার একটি ক্রিকেট খেলা ছিল। সেখানেই বিধায়ক অনুগামীরা ছিলেন। জানা গিয়েছে, বিধায়ক অনুগামীদের তৃণমূল করা যাবে না বলে ব্লক সভাপতির লোকজন হুমকি দেয়। এনিয়ে বিধায়ক অনুগামীরা প্রতিবাদ করে। এরপরই বিধায়ক অনুগামীদের বেধড়ক মারধর করা হয়। থানায় অভিযোগ করার পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার বিধায়ক অনুগামী রূপচাঁদ হামলার প্রতিবাদ করেন। এরপরই তাঁকে শাবল দিয়ে পিটিয়ে খুন করে বলে অভিযোগ।

    বিধায়ক অনুগামী তৃণমূল নেতা কী বললেন?

    বিধায়ক অনুগামী তৃণমূলের প্রধান রবি শেখ বলেন, ব্লক সভাপতির নির্দেশে এই হামলা হয়েছে। দলীয় কর্মী খুনের জন্য ব্লক সভাপতি দায়ী। তাঁর লোকজন খুন করেছে। আমরা অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।

    ব্লক সভাপতি কী বললেন?

    ব্লক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, হামলার ঘটনার সঙ্গে দলের কোনও বিষয় নেই। আসলে গ্রাম্য বিবাদ। সেটা নিয়ে দলকে জড়াচ্ছে ওরা। আর তৃণমূলের কোনও বিষয় নয়। আসলে চায়ের দোকানে কয়েক ইভটিজিং করছিল। তারজন্য মারধরের ঘটনা ঘটেছে। এদিন সকালের ঘটনা ঠিক হয়নি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • East Medinipur: প্রেম দিবসে হাড়হিম করা ঘটনা! স্ত্রীর মুণ্ডু কেটে হাতে নিয়ে রাস্তায় স্বামী

    East Medinipur: প্রেম দিবসে হাড়হিম করা ঘটনা! স্ত্রীর মুণ্ডু কেটে হাতে নিয়ে রাস্তায় স্বামী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রেম দিবসের দিনে মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী থাকলেন পূর্ব মেদিনীপুরের (East Medinipur) পটাশপুরবাসী। বুধবার সকাল থেকে বাড়িতে বাড়িতে যখন সরস্বতী পুজো নিয়ে সবাই আনন্দে আত্মহারা, কচিকাঁচারা নতুন জামা-প্যান্ট পরে পাড়ার মণ্ডপে পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার জন্য ব্যস্ত, সেই সময় স্যান্ডো গেঞ্জি আর বারমুডা পরে এক যুবক হাতে কাটা মুণ্ডু নিয়ে চিৎকার করতে করতে রাস্তায় হাঁটছেন। মুন্ডু বেঞ্চে রেখে পাশে বসলেনও। চোখের সামনে এই ঘটনা দেখে হতবাক হয়ে যান এলাকাবাসী। শিহরিত হয়ে ওঠেন রাজ্যবাসী।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব মেদিনীপুরের (East Medinipur) পটাশপুর থানার চিস্তিপুর গ্রামের বাসিন্দা গৌতম গুছাইতের সঙ্গে স্ত্রী ফুলরানি গুছাইতের বেশ কয়েক বছর আগে বিয়ে হয়। গৌতম হকারি করেন।  তাঁদের এক সন্তান রয়েছে। সে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে। স্থানীয়দের দাবি, বেশ কিছু দিন ধরেই পারিবারিক অশান্তি চলছিল। তার জেরেই বুধবার স্ত্রীকে তিনি খুন করেছেন বলে মনে করছেন তাঁরা। খুন করেন কাটারি দিয়ে। তার পর সেই কাটা মুন্ডু হাতে নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন। বেশ কিছুক্ষণ মুণ্ডু হাতে নিয়ে চিৎকার চেঁচামেচি করার পর একটি বেঞ্চে গিয়ে বসেন তিনি। পাশে রেখে দেন স্ত্রীর কাটা মুণ্ডু। সাদা স্যান্ডো গেঞ্জি এবং বারমুডা পরিহিত মারমুখী গৌতমকে দেখে শোরগোল শুরু হয়ে যায় ওই এলাকায়। হাতে রাখা ছিল কাটারি। স্থানীয় কয়েক জন চেষ্টা করেও ওই যুবকের কাছে ঘেঁষতে পারেননি ভয়ে। ওই ভাবে রক্তমাখা অস্ত্র হাতে নিয়ে ঠায় বসে থাকেন গৌতম। কিছুক্ষণের মধ্যেই খবর যায় পটাশপুর থানায়। এর পর পুলিশ এসে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। পাশাপাশি কাটা মুণ্ডু উদ্ধার করেন তদন্তকারীরা।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, গৌতমের মানসিক সমস্যা রয়েছে। এক বার তিনি আলিপুর চিড়িয়াখানায় সিংহের খাঁচায় ঢুকে পড়েছিলেন। এর আগেও স্ত্রীর সঙ্গে ঝামেলা হয়েছিল। তবে, এতবড় মর্মান্তিক সিদ্ধান্ত নেবে, তা ভাবতেই পারছি না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: গলা কেটে কচু পাতা দিয়ে ঢাকা বিজেপি কর্মীর মায়ের দেহ, থানা ঘেরাও লকেটের

    Hooghly: গলা কেটে কচু পাতা দিয়ে ঢাকা বিজেপি কর্মীর মায়ের দেহ, থানা ঘেরাও লকেটের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলির (Hooghly) পোলবায় এক বিজেপি কর্মীর মায়ের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধারে রহস্য দানা বাঁধতে শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম জ্যোৎস্না জানা। তাঁর বয়স ৫৫ বছর। তাঁর ছেলে রাজকুমার জানা বিজেপির সক্রিয় কর্মী। সুগন্ধায় ছেলের কাছে এসেছিলেন মা। সোমবার দুপুর থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ ছিলেন তিনি। পরে, একটি ইটভাটার কাছে থেকে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার থানা ঘেরাও করল বিজেপি। সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে থানায় বিক্ষোভ দেখানো হয়। লকেট বলেন, মৃতার স্বামীকে চাপ দিয়ে ভুল বয়ান টিপ সই দিয়ে লিখিয়ে নেওয়া হয়েছে। আমরা নতুন করে বয়ান লিখি। ওখানে দুজন ছিল, যারা এখন পলাতক। ওই দুজনই কিছু করছিল, সেটা দেখে ফেলাতেই গলা কেটে খুন করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Hooghly)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হুগলির (Hooghly) পোলবার সুগন্ধা গ্রাম পঞ্চায়েতের জগন্নাথবাটি গ্রামে জ্যোৎস্না জানার দুই ছেলে রাজকুমার ও রবি জানার বাড়ি। ছেলেরা গয়নার কাজ করেন। এদিকে জ্যোৎস্নার স্বামী একটি ইটভাটা চালাতেন। জ্যোৎস্না স্বামী পূর্ণচন্দ্রের শরীর ভালো নেই। স্বামী-স্ত্রী সেখানেই থাকতেন। তবে প্রায় ছেলেদের বাড়িতে আসতেন মা। জ্যোৎস্না জানার ছেলের বউ পারমিতা জানা বলেন, সোমবার দুপুর থেকে শাশুড়িকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তারপর ইটভাটা লাগোয়া একটি পরিত্যক্ত কেমিক্যাল কারখানার ঝোপে মৃতদেহ পরে থাকতে দেখা যায়। আমাদের আশঙ্কা, শাশুড়িকে খুন করা হয়েছে। খুন করে জঙ্গলে ফেলে দেওয়া হয়েছে। আমরা ঘটনার তদন্ত দাবি করছি। খুনিদের অবিলম্বের গ্রেফতার করতে হবে। খবর পেয়ে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব সোমবার রাতেই জ্যোৎস্নার বাড়িতে যায়। পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    মৃতদেহ উদ্ধার প্রসঙ্গে বিজেপি-র রাজ্য সম্পাদক দীপাঞ্জন গুহ বলেন, “আমাদের এক কর্মীর মাকে খুন করা হয়েছে। তাঁর ছেলে আমাদের দলের সক্রিয় কর্মী। ছেলেই ফোন করে জানায় এই ঘটনা। আমরা খবর পেয়ে এসেছি। বলা হচ্ছে গলা কাটা, কচু পাতা দিয়ে ঢাকা ছিল। বিষয়টি জানার পরই তড়িঘড়ি পুলিশও ঘটনাস্থলে এসে দেহ নিয়ে চলে গেল। সন্দেহ হচ্ছে আমাদের। তাঁকে খুন করা হয়েছে। আমরা চাই, খুনের ঘটনা সঠিক তদন্ত হোক।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে খুন, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    Nadia: ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে খুন, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশ্যে এক ব্যবসায়ীকে গলার নলি কেটে খুন করার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) করিমপুর থানার গোপালপুর এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম দুলাল বিশ্বাস (৬০)। তিনি তেহট্ট উত্তর এরিয়া কমিটির গোপালপুর শাখার সদস্য ছিলেন। প্রকাশ্যে এভাবে ব্যবসায়ীকে খুন করার ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, রাতে পুলিশের টহলদারি গাড়ি থাকে। রাস্তার মধ্যে এভাবে একজনকে খুন করে দিয়ে চলে গেল পুলিশ টের পর্যন্ত পেল না।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুলালবাবু সুদের ব্যবসা করতেন। প্রতিদিন পাওনা টাকা আদায় করে বাড়ি ফিরতেন। অন্যদিনের মতো রবিবারও তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। এরপরই রাতের দিকে বাড়ি ফেরার পথে ধারালো অস্ত্র নিয়ে দুষ্কৃতীরা তাঁর ওপর হামলা চালায়। রাস্তাতেই রক্তাক্ত অবস্থায় পড়েছিলেন তিনি। এরপরেই খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন এবং এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে গিয়ে তড়িঘড়ি উদ্ধার করে তাঁকে নদিয়ার (Nadia) করিমপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে করিমপুর থানার পুলিশ। পরবর্তীকালে পুলিশ মৃতদেহটি হাসপাতাল থেকে থানায় নিয়ে যায়। ব্যবসা সংক্রান্ত কোনও কারণে বচসার জেরে খুন হতে পারে বলে অনুমান স্থানীয়দের। যদিও এই ঘটনায় এখন কোনও অভিযুক্ত গ্রেফতার করেনি পুলিশ।

    ব্যবসায়ীর পরিবারের লোকজন কী বললেন?

    এ বিষয়ে মৃত দুলাল বিশ্বাসের ভাইপো বিপ্লব বিশ্বাস বলেন, রবিবার  রাতে আমাদের কাছে খবর আসে রক্তাক্ত অবস্থায় কাকা রাস্তায় পড়ে রয়েছে। আমরা তারপরেই তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাই। তবে, কাকাকে উদ্ধারের সময় যেটুকু মনে হয়েছে ওর সঙ্গে কয়েকজন ধস্তাধস্তি করেছে। পরবর্তীকালে ভোজালি দিয়ে কাকার গলায় কোপ মেরেছে। তিনি আরও বলেন, বহু মানুষের কাছে কাকা ধারের টাকা ফেরত পেত। সেই টাকা তাগাদা করতে গিয়েই এই খুন হতে পারে। আমরা পুলিশ প্রশাসনের কাছে তদন্ত দাবি করছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: মনুয়াকাণ্ডের ছায়া অশোকনগরে! প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে স্বামীকে খুন করল স্ত্রী

    North 24 Parganas: মনুয়াকাণ্ডের ছায়া অশোকনগরে! প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে স্বামীকে খুন করল স্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পথের কাঁটা সরাতে প্রেমিকের সাহায্যে স্বামীকে খুন করেছিল মনুয়া। হাড়হিম করা সেই খুনের ঘটনায় রাজ্যজুড়ে তোলপাড় পড়ে গিয়েছিল। বারাসতের সেই মনুয়া কাণ্ডের ছায়া এবার উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) অশোকনগরে শিমুলতলা এলাকায়। প্রেমিকের সাহায্যে স্বামীকে খুন করার অভিযোগ উঠেছে  স্ত্রীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম হারাধন রায় (৩৫)। তাঁর বাড়ি অশোকনগর পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের শিমুলতলা এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (North 24 Parganas)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক বছর আগে হারাধন রায়ের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল সবিতার। হারাধন পেশায় দিনমজুর। তাঁদের তিন সন্তানও রয়েছে। সবিতা উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বারাসতে একটি পানশালায় নর্তকীর কাজ করেন। বেশ কিছুদিন ধরেই সবিতা বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ। বিষয়টি জানাজানি হতেই স্বামী-স্ত্রীর অশান্তি চরমে ওঠে। অশান্তি মেটাতে এলাকায় সালিশি সভাও বসে। পরে সবিতা তাঁর প্রেমিকের সঙ্গেই থাকতে শুরু করেন। অন্যদিকে, শ্রমিকের কাজ নিয়ে মাস তিনেক আগে ওড়িশায় চলে যান হারাধন। পরিবারের দাবি, সম্প্রতি সবিতা ফোন করে একসঙ্গে থাকবেন বলে অশোকনগরে চলে আসতে বলেন স্বামীকে। স্ত্রীর কথা শুনে এক সপ্তাহ আগে ফেরেন হারাধন। বারাসতে ভাড়া বাড়িতে স্ত্রীকে নিয়ে হারাধনবাবু ছিলেন। বারাসতের নপাড়ায় রেলের কারশেড এলাকার রেললাইনের ধার থেকে হারাধনবাবুর মৃতদেহ উদ্ধার করে বারাসতের রেল পুলিশ। রেল পুলিশের কাছ থেকে খবর পেয়ে বারাসতে এসে দেহ শনাক্ত করেন হারাধন রায়ের পরিবার। শনিবার রাতে দেহ অশোকনগরের শিমুলতলায় পৌঁছতেই উত্তেজিত হয়ে পড়েন স্থানীয়রা। ভাই এবং প্রেমিকের সঙ্গে যোগসাজশ করে স্ত্রী সবিতাই খুন করেছে হারাধনকে, এই অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখান মৃতের পরিবার এনং স্থানীয়রা। দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে পুলিশকে ঘিরে চলে বিক্ষোভ। জনরোষের মুখে পড়ে মৃতের স্ত্রী সবিতা এবং শ্যালক-সহ সবিতার প্রেমিককে আটক করেছে অশোকনগর থানার পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share