Tag: Murshidabad

Murshidabad

  • Recruitment Scam: নথি জাল করে বাবার স্কুলে চাকরি! ভূগোল শিক্ষকের কাণ্ডে সিআইডি ডাকল হাইকোর্ট

    Recruitment Scam: নথি জাল করে বাবার স্কুলে চাকরি! ভূগোল শিক্ষকের কাণ্ডে সিআইডি ডাকল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাবা একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক। পাশ করা এক শিক্ষকের সুপারিশপত্র জাল (Recruitment Scam) করে সেই স্কুলেই চাকরি করছিলেন ছেলে। এক আধ বছর নয়, টানা তিন বছর। শেষমেশ ফাঁস হল কেলেঙ্কারির পর্দা। বুধবার অনিমেষ তিওয়ারি নামের ওই শিক্ষকের স্কুলে ঢোকা ও বেতন বন্ধের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর বেঞ্চে শুনানি ছিল মামলাটির। এই মামলার পরবর্তী শুনানিতে সিআইডির ডিআইজিকে উপস্থিত থাকার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।

    কেলেঙ্কারি…

    বছর তিনেক আগে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সুতির এক নম্বর ব্লকের গোথা এয়ার স্কুলে শিক্ষকতার চাকরি পান ওই স্কুলেরই প্রধান শিক্ষকের ছেলে অনিমেষ। এতে সন্দেহ হয়ে অনেকেরই। দায়ের হয় মামলা। তথ্য জানার অধিকার আইনেও অনিমেষের নিয়োগ নিয়ে তথ্য জানতে চান অনেকে। তার পরেই জানা যায়, অনিমেষ ওই স্কুলে দীর্ঘ দিন ধরে চাকরি করলেও, জেলার স্কুল পরিদর্শকের কাছে তাঁর নামে কোনও নিয়োগপত্রই নেই। ভূগোলের শিক্ষক অনিমেষ ভূগোল বিষয়ে পরীক্ষাই দেননি (Recruitment Scam) বলে অভিযোগ। এদিন আদালতে মধ্য শিক্ষা পর্ষদের তরফে জানানো হয়েছে, মেধা তালিকায় নাম ছিল না অনিমেষের, কোনও সুপারিশও হয়নি তাঁর নামে। আসলে আতাউর রহমানের নামে সুপারিশ করা হয়েছিল বলে দাবি পর্ষদের। শুধু তাই নয়, অরবিন্দ মাইতি নামে অন্য এক চাকরি প্রার্থীর নিয়োগপত্র জাল করে অনিমেষ চাকরি পেয়েছেন বলে অভিযোগ।

    আরও পড়ুুন: পাখির চোখ পঞ্চায়েত নির্বাচন, বেকায়দায় পড়া তৃণমূলকে জব্দ করতে আসরে মিঠুন

    জানা গিয়েছে, প্রত্যেক নিয়োগপত্রের একটি মেমো নম্বর থাকে। অনিমেষের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি সেই মেমো নম্বর এক রেখে নিজের নাম বদলে দেন নিয়োগপত্রে (Recruitment Scam)। সেই নকল মেমো নম্বরের নিয়োগপত্রেই ভূগোল শিক্ষক হিসেবে চাকরি পান গোথা এলাকায় স্কুলে। আরটিআইয়ের মাধ্যমে স্কুলের কাছে অনিমেষের ব্যাপারে তথ্য চাওয়া হলে স্কুলের প্রধান শিক্ষক জানিয়ে দেন, অনিমেষ কর্মশিক্ষার শিক্ষক। অভিযোগ শুনে বিচারপতি বসু বলেন, দেখে অবাক হচ্ছি। এমন আর কত হয়েছে? হেড মাস্টার জানেন না, যাঁকে নিয়োগ করা হয়েছে, তিনি তথ্য বিকৃত করছেন কি না? তাহলে ছাত্রদের ভবিষ্যৎ কী?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Murshidabad: জঙ্গিপুরের তৃণমূল বিধায়ক জাকির হোসেনের বাড়ি, ফ্যাক্টরিতে আয়কর  হানা, কেন জানেন?

    Murshidabad: জঙ্গিপুরের তৃণমূল বিধায়ক জাকির হোসেনের বাড়ি, ফ্যাক্টরিতে আয়কর হানা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গিপুরের (Jangipur) তৃণমূল বিধায়ক (TMC MLA) জাকির হোসেনের (Jakir Hossain) বাড়ি ও কারখানায় আয়কর হানা। বুধবার সকাল থেকেই এ নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়ায় মুর্শিদাবাদে। এদিন দুপুরে সামশেরগঞ্জের আনন্দ বিড়ি ফ্যাক্টরি, ধুলিয়ান পুরসভার খরবোনা এলাকাতে বিজলি বিড়ি ফ্যাক্টরি এবং সুতির বিধায়ক জাকিরের শিব বিড়ি ফ্যাক্টরিতে হানা দেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা।

    কোথায় কোথায় আয়কর হানা

    স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার বেলা ১১টা নাগাদ সামশেরগঞ্জের গোবিন্দপুরের আনন্দ ফ্যাক্টরি এবং সুতিতে প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বর্তমান তৃণমূল বিধায়ক জাকিরের বাড়ি সংলগ্ন বিড়ি ফ্যাক্টরিতে হানা দেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা। প্রথমে বিএসএফ জওয়ানদের দিয়ে ঘিরে ফেলা হয় কারখানার চারদিক। বিড়ি কারখানাগুলিতে থাকা বিভিন্ন নথিপত্র এবং সামগ্রী পরীক্ষা করে দেখেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,আনন্দ বিড়ি ফ্যাক্টরির মালিক জনৈক ওলিউল ইসলাম এবং বিজলি বিড়ি ফ্যাক্টরির মালিক জনৈক লায়েক আলি, এঁদের বিরুদ্ধেও আয়কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বলে জানে গেছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী তিনটি জায়গাই ঘিরে রেখেছে। 

    আরও পড়ুন: কাঁথি টেন্ডার দুর্নীতি মামলায় পুরসভার ইঞ্জিনিয়ারকে তলব সিবিআইয়ের

    এলাকাবাসীরা জানিয়েছেন, আয়কর দফতরের আধিকারিকরা যখন জাকির হোসেনের বাড়িতে হানা দেন, সেই সময় তিনি বাড়িতেই ছিলেন। বাড়িতে ঢুকে আধিকারিকরা তৃণমূল বিধায়ক এবং তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যদের ফোনগুলো নিয়ে নেন বলে প্রাথমিকভাবে খবর।  কয়েকজন আধিকারিক এরপর পৌঁছে যান জাকির হোসেনের অন্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোতে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সেখানেও তল্লাশি চলছে। কাউকে সেই জায়গায় ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। জেলার অন্যতম বড় ব্যবসায়ী জাকির হোসেনের বিড়ি তৈরির ব্যবসা ছাড়াও চাল, ডাল, তেল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ একাধিক ব্যবসা রয়েছে।। সূত্রের খবর একাধিক ব্যবসা থেকে জাকির হোসেন ঠিকমত আয়কর প্রদান করেননি বলেই আয়কর দফতরের আধিকারিকদের কাছে তথ্য পৌঁছেছিল। 

    কলকাতায় তৃণমূল মেয়র পারিষদের বাড়িতে আয়কর আধিকারিকরা

    তৃণমূল মেয়র পারিষদ, কলকাতার ৫৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আমির উদ্দিন ববির হোটেলে হানা দিলেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, বুধবার দুপুরে কলকাতার মৌলালির ওই হোটেলে বেশ কিছু ক্ষণ ছিলেন তাঁরা। রিপন স্ট্রিটের হোটেলের নথিপত্র খতিয়ে দেখা হয় বলে খবর। জানা গিয়েছে, হোটেলের বিদ্যুতের বিল রয়েছে আমিরের নামে। কলকাতার মৌলালি অঞ্চলে তৃণমূল কাউন্সিলারের বিলাসবহুল হোটেল। আর সেখানেই বুধবার পৌঁছে যান আয়কর দফতরের আধিকারিকরা (IT Raid)। হোটেলের সমস্ত তথ্য তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখেন বলে খবর। এমনকি কাগজ-পত্রও খতিয়ে দেখেন আয়কর আধিকারিকরা। এমনটাই খবর। তবে কী কারণে তৃণমূল কাউন্সিলারের হোটেলে হানা দিলেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা তা স্পষ্ট নয়। প্রায় ঘন্টাখানেকেরও বেশি সময় ধরে চলে এই তল্লাশি। যদিও দীর্ঘ এই তল্লাশি চলাকালীন কাউন্সিলারের হোটেল সম্পূর্ণ ভাবে ঘিরে ফেলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর আধিকারিকরা। ওই সময়ে কাউকে হোটেলে ঢুকতে বা বের হতে দেওয়া হয়নি বলেও জানা যাচ্ছে। তৃণমূল কাউন্সিলারের হোটেলে হঠাত তল্লাশি ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • West Bengal: প্রতিমা বিসর্জন করতে গিয়ে ফের তিন জায়গায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, জলে ডুবে মৃত মোট ৪

    West Bengal: প্রতিমা বিসর্জন করতে গিয়ে ফের তিন জায়গায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, জলে ডুবে মৃত মোট ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল মায়ের বিদায়বেলায় জলপাইগুড়ির মালবাজারের ঘটনার পাশাপাশি আরও দুই জায়গায় ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে। জলাপাইগুড়ি ছাড়া মুর্শিদাবাদ ও বীরভূমেও ঘটেছে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন করতে গিয়ে মুর্শিদাবাদের সাটুইয়ে জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে মোট দুই জনের। অন্য ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের সামসেরগঞ্জের ধুলিয়ানে। সেখানে একজনের মৃত্যু হয়েছে। আবার বীরভূমেও জলের তলায় তলিয়ে যান ৮০ বছরের এক যুবক।

    মুর্শিদাবাদে কী ঘটেছিল?

    প্রথম ঘটনাটি ঘটেছিল মুর্শিদাবাদের সাটুইয়ে। সেখানেও মা দুর্গার প্রতিমা বিসর্জন করতে গিয়ে জলে ডুবে মৃত্যু হয় দুই জনের। দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদেরই সামসেরগঞ্জের ধুলিয়ানে। ওই এলাকার কাঞ্চনতলা গঙ্গাঘাটে এই ঘটনাটি ঘটেছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, সেখানেও প্রতিমা বিসর্জন করতে গিয়ে নৌকা করে যাচ্ছিলেন তাঁরা। তাঁদের মধ্যে এক ব্যক্তি নৌকা থেকে পরে গিয়ে জলে ডুবে মৃত্যু হয়। জানা গিয়েছে, মৃত ওই ব্যক্তির নাম অমিত সিংহ, বাড়ি ধুলিয়ান পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের রায়গঞ্জে। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে সামসেরগঞ্জ থানার পুলিশ।

    আরও পড়ুন: জলপাইগুড়িতে দুর্গা বিসর্জনে গিয়ে হড়পা বানে মৃত অন্তত ৮, ঠিক কী ঘটেছিল?

    বীরভূমের দুর্ঘটনা

    প্রতিমা নিরঞ্জনের মধ্যেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটল বীরভূমের ভীমগড়েও। সূত্রের খবর অনুযায়ী,  ইসগড়া গ্ৰাম থেকে বুধবার লোবা কালি মন্দিরে ১২ জন যুবক পুজো দিতে যান। তাঁরা দাবি করেছেন, পুজো দেওয়ার পর তাঁরা অজয় নদে স্নান করতে নামেন। আর সেকানে স্নান করতে গিয়েই জলে তলিয়ে যান ওই ব্যক্তি। ৪০ বছর বয়সী ওই মৃতের নাম কালিচরণ দত্ত। স্থানীয় সূত্রে খবর, করতে পারেনি। কালিচরণ জলেই তলিয়ে যান। পরে দুবরাজপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছান ও মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিউড়ি হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়।

    প্রায় প্রতি বছরই দশমীর দিন অনেক রাজ্যেই এমন দুর্ঘটনা দেখা যায়। প্রতিমা বিসর্জন করতে অনেকেই জলে ডুবে প্রাণ হারান। ফলে এবারও এমনই ঘটনা দেখা গেল পুরো রাজ্য জুড়ে। তবে এবারের মালবাজারের ঘটনার ফলে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

  • Sabina Yasmin: গঙ্গা ভাঙন দেখতে এসে বিক্ষোভের মুখে নদী পথে পালালেন রাজ্যের সেচ প্রতিমন্ত্রী

    Sabina Yasmin: গঙ্গা ভাঙন দেখতে এসে বিক্ষোভের মুখে নদী পথে পালালেন রাজ্যের সেচ প্রতিমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদ জেলার গঙ্গা ভাঙন বেশ কিছু দিন ধরেই চোখ রাঙাচ্ছিল। প্রতিদিনই নদীর গর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে বাড়ি, জমি, গবাদি পশু। সব কিছু হারিয়ে কার্যত খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছে বহু পরিবার। বারংবার প্রশাসনের কাছে আবেদন সত্ত্বেও প্রশাসন নির্বিকার। বহুদিন পরে গঙ্গাভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করতে যান রাজ্যের সেচ প্রতিমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। তাঁকে দেখেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, গত বছরও সেখানে গিয়ে নানান প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মন্ত্রী। কিন্তু কোনও কিছুরই বাস্তবায়ন হয়নি। স্বভাবতই স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা যায়। রাজ্যের সেচ প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সামশেরগঞ্জের বিধায়ক আমিরুল ইসলাম সহ অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।

    আরও পড়ুন: মেধাবী ছাত্রকে অপহরণ করে খুন, বাগুইআটিকাণ্ডের ছায়া বীরভূমে?

    ভাঙন পরিদর্শন শেষে মন্ত্রীকে ঘিরে শুরু হয় বিক্ষোভ। তাদের অভিযোগ প্রতিবছর এভাবে অস্থায়ী কাজ করে ভাঙন রোধ সম্ভব নয়। বালির বস্তা ফেলে গঙ্গা ভাঙন রোধ সম্ভব নয়। চাই স্থায়ী সমাধান। তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্ব এই বিক্ষোভ জোর করে আটকাতে গেলে গ্রামবাসীদের সঙ্গে খন্ডযুদ্ধ বাধে। শুরু হয় ইট বৃষ্টি। দুপক্ষের সংঘর্ষে মাথা ফাটে দু’জন তৃণমূল সদস্যের। অবস্থা বেগতিক বুঝে মন্ত্রী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা নৌকায় চেপে পালিয়ে যান। তৃণমূল বিধায়ক আমিরুল ইসলাম মন্ত্রীকে হেনস্থার পিছনে সিপিএমের উস্কানি রয়েছে বলে অভিযোগ করেন। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে  রাতেই সামসেরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে তৃণমূল নেতৃত্ব। শনিবারই ঘটনার মূল অভিযুক্ত সিপিআইএমের ধুলিয়ান এরিয়া কমিটির সদস্য হারুন অল রশিদকে গ্রেপ্তার করে সামসেরগঞ্জ থানার পুলিশ।পরে তাকে জঙ্গিপুর মহুকুমা আদালতে পাঠানো হয়। যদিও সিপিআইএমের ধুলিয়ান এরিয়া কমিটির সম্পাদক মোদাসসার হোসেন তাদের দলের সদস্য হারুন অল রশিদকে অন্যায় ভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেই দাবি করেছেন। অবিলম্বে তাকে মুক্তির দাবিও জানান তিনি।

    আরও পড়ুন: গার্ডেনরিচে তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে রহস্য

    গঙ্গা ভাঙ্গনের সমস্যাটি বহু দিনের। প্রতি বছর বর্ষায় মালদা ও মুর্শিদাবাদ জেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল নদীর গর্ভে তলিয়ে যায়। উত্তরপ্রদেশ ও বিহারে অতিবৃষ্টির জেরে বন্যা সৃষ্টি হলে নদীর জল প্রচন্ড গতিতে ঝাড়খন্ড হয়ে মালদায় প্রবেশ করে, ফলে জলের তোড়ে মালদহের ভুতনি, মানিকচক, ডোমহাট সহ মূর্শিদাবাদের বিস্তীর্ন এলাকায় নদী পাড়ে দেখা যায়। বছর বছর এই সমস্যার সমাধান না হওয়ায় এলাকার মানুষ স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ। মন্ত্রীরা শুধু দেখেই যান, কাজের কাজ কিছুই করেন না। আর এর প্রতিবাদেই বিক্ষোভ মাথাচাড়া দেয় সামসেরগঞ্জে। মন্ত্রীকে পালাতে হয় নদী পথে। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Fly Ash Syndicate: ‘ছাইয়ের ঝগড়া’! ফরাক্কায় তুঙ্গে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল

    Fly Ash Syndicate: ‘ছাইয়ের ঝগড়া’! ফরাক্কায় তুঙ্গে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাইয়ের দখল কার? এনটিপিসির ছাই নিয়ে এবার খুনোখুনির আশঙ্কা ফরাক্কায়। তুঙ্গে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল। নবান্ন থেকে স্থানীয় থানা- ফরাক্কার ব্লক সভাপতির চিঠি গেল সর্বত্র। একই বিষয়ে চিঠি গেছে জেলাশাসক থেকে শুরু করে এসডিপিও, জেলা পুলিশ সুপারের কাছেও। চিঠিতে তোলাবাজির অভিযোগ প্রাক্তন বিধায়কের বিরুদ্ধে। 

    চিঠি পাঠিয়েছেন ফরাক্কার তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শেখ আজারত আলি। নিজের প্রাণনাশের আশঙ্কা করে চিঠি পাঠিয়েছেন সর্বত্র। চিঠিতে অভিযোগ, প্রাক্তন বিধায়ক মইনুল হকের সিন্ডিকেট দখল রেখেছে এনটিপিসির ফ্লাই অ্যাশের কারবার। শেখ আজরাত আলির অভিযোগ, দৈনিক প্রায় ৭ লক্ষ টাকার কারবার চালাচ্ছেন ফরাক্কার পাঁচবারের বিধায়ক মইনুল হক।

    এনটিপিসির ফ্লাই অ্যাশ সাপ্লাইয়ের দখল কার হাতে থাকবে তাই নিয়ে কোন্দল। মুখোমুখি সমরে শেখ আজারাত আর মইনুল হকের দুই গোষ্ঠী। মইনুল পাঁচবারের কংগ্রেস বিধায়ক। একুশের নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রতীকে প্রার্থীও হন বিধানসভায়। হেরে যান তৃণমূলের মনিরুল ইসলামের কাছে। এরপরই ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে দলবদল করে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন মইনুল হক। নব্য-পুরাতনের ঝগড়া তৃণমূলে আছেই। মইনুল যোগ দেওয়ায় সেই ঝগড়া বেড়েছে বই কমেনি। তবে শেখ আজারতের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন মইনুল হক। মাধ্যমকে একান্ত সাক্ষাতকারে জানিয়েছেন, ৫ বারের বিধায়ক থাকাকালীন তোলাবাজি সিন্ডিকেট করলাম না এখন করতে যাব কেন?

    মইনুলের পাল্টা অভিযোগ, পুরানো ঈর্ষা থেকেই এমন অভিযোগ শেখ আজারাতের। তিনি বলেন, বাংলার নয় আদতে ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা আজারাত। তাকে ব্লক প্রেসিডেন্ট থেকে সরিয়েও দেওয়া হয়েছে। তৃণমূলের জেলা সভাপতি সাংসদ খলিলুর রহমান সবই জানেন।

    সম্প্রতি, নদিয়ার তেহট্টের বিধায়ক তাপস সাহার বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে।  তাপস সাহা পলাশীপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক ছিলেন। সেই সময় বিধায়ক থাকাকালীন তিনি চাকরি দেবেন বলে বহু মানুষের কাছে লক্ষ লক্ষ টাকা তুলেছেন বলে অভিযোগ। কিন্তু, কাউকে চাকরি দেওয়া হয়নি, সেই সমস্ত ব্যক্তিদের টাকাও ফেরত দেওয়া হয়নি। এই প্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করেছে  দুর্নীতি দমন শাখা। তদন্তকারীদের সামনে টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন তাপসের আপ্ত সহায়ক প্রবীর কয়াল বলে দাবি।

    কয়লা থেকে পাথর, গরুপাচারের একাধিক অভিযোগ বারবার উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। সিন্ডিকেট তোলাবাজিরও একাধিক অভিযোগ আছে। এবার ঝগড়া ছাই নিয়ে। কার দখল থাকবে ছাই পাচারে? কোন সিন্ডিকেট পাবে বরাত? পারষ্পরিক তরজা চলছিলই। এবার একে অপরকে প্রাণে মারার অভিযোগ দিয়ে চিঠি। দুই গোষ্ঠীর লড়াইয়ে নাভিশ্বাস ফরাক্কার সাধারণ মানুষের। কেউ কেউ অবশ্য আড়ালে বলছেন, ‘ছাইয়ের ঝগড়া’!

LinkedIn
Share