Tag: Murshidabad

Murshidabad

  • Murshidabad: ‘‘ছাব্বিশের ভোটের আগেই নতুন দল’’! শোকজের চিঠি পেয়েই হুঙ্কার হুমায়ুন কবীরের

    Murshidabad: ‘‘ছাব্বিশের ভোটের আগেই নতুন দল’’! শোকজের চিঠি পেয়েই হুঙ্কার হুমায়ুন কবীরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর আজ সাংবাদিকদের সামনে বললেন, ‘‘২০২৬-এর আগামী বিধানসভা ভোটের আগেই আমি নতুন দল তৈরি করবো।’’ বর্তমানে আমি তৃণমূলের বিধায়ক, ২০২৪ সালে পার্লামেন্ট ভোটে দেখে নেবো, আর তারপরেই দল গঠন করব। তৃণমূলের তরফ থেকে শোকজের অভিযোগ করা হলে, উত্তরে এমনই মন্তব্য করেন এই তৃণমূল বিধায়ক। তাঁর এই মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে তীব্র উত্তেজনা শুরু হয়েছে।

    নতুন দল গঠন করবেন (Murshidabad)

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় পর্ব থেকেই হুমায়ুন কবীর দলের জেলা এবং রাজ্য নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। দল এবার শোকজ করলে, তিনি সাংবাদিকদের সামনে নতুন দল তৈরির কথা বলেন। বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বলেন, “যদি আমার কাছ থেকে তৃণমূল কংগ্রেস করার অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া হয়, তাহলে আমি নতুন দল গঠন করবো এবং তা হবে ২০২৬ সালের ভোটের আগেই”। সেই সঙ্গে আরও বলেন, “আমি যে শুধু মুখে বলি তা নয়, ভবিষ্যতে আপনারা দেখতেও পাবেন। এই দল মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) দল হবে না, সারা পশ্চিমবঙ্গ ব্যাপী হবে। দল যখন খুলবো তখন দেখবেন, নর্থ, সাউথে কোথায় আমার কত লোক রয়েছে। সব দেখতে পাবেন ধৈর্য ধরুন।” এই প্রসঙ্গে উল্লেখ করে আরও বলেন, “মার্কসবাদী দল আমি করব না। কারণ বিগত ৩০ বছর রাজনীতি করেছি আর এর মধ্যে বামপন্থীরা ২৭ টি রাজনৈতিক কেস আমাকে দিয়েছে। এক সময় কংগ্রেস দলও করেছি, এখন আমি তৃণমূল কংগ্রেস করছি, তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক।”

    কবে থেকে তৃণমূল করতেন?

    হুমায়ুন বলেন, “১৯৯৭ সালে তৃণমূল কংগ্রেস তৈরির আগে আমি মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) কংগ্রেস করতাম। তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কংগ্রেসের যুব সভানেত্রী এবং সৌমেন মিত্র প্রদেশ সভাপতি। এই তৃণমূল দলটা তো তখন কয়েকজন মিলে তৈরি করা হয়েছিল। এই দলের রেজিস্ট্রেশন কার নামে আছে! তার কপি আমার কাছে আছে। সুতরাং হয়তো কেউ কেউ ভাবছেন আমি মুখে বলছি, হুংকার দিচ্ছি, কিছুই হবে না! তাঁদের উদ্দেশ্যে বলছি ধৈর্য ধরুন ২০২৪ সাল পর্যন্ত, এরপর দেখবেন হুমায়ুন মুখে যা বলে, কাজেও তাই করে।” তিনি এই বিষয়ে আরও বলেন, “মানুষের পিঠ যখন দেওয়ালে ঠেকে যায় তখন মানুষ বাঁচার জন্য তার শেষ চেষ্টা করে। আমারও ঠিক তাই, কিছু করেই মরবো।”

    জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে হুমায়ুন বলেন, “জেলানেত্রী আশায় বুক বেঁধেছেন যে হুমায়ুনকে দল বার করে দিলে তাঁদের লুটপাট ভালই চলবে। আজ দু’ঘণ্টা আগে শোকজের চিঠি পেয়েছি। আর চার দিন ধরে শোকজের চিঠি সোশ্যাল মিডিয়াতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আজ বারোটার সময় আমার ছেলে চিঠি রিসিভ করছে। আগামী ৭ দিনের মধ্যে তার উত্তর আমি তৈরি করে বিধানসভায় উপস্থিত হবো। এরপর হাতে হাতে চিঠিটা রিসিভ করে নিয়ে আসবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Humayun Kabir: ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে শো-কজ তৃণমূলের, পাল্টা তোপ নেতার

    Humayun Kabir: ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে শো-কজ তৃণমূলের, পাল্টা তোপ নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে শো-কজ করল দল। শনিবার দলের তরফে তাঁকে শো-কজের চিঠি পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় নাম না করে পঞ্চায়ত ভোটে হুমায়ুনের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার এক দিন পরে বিধায়ককে শোকজ করল দল। 

    কী বলেছিলেন হুমায়ুন

    শুক্রবার বিধানসভায় প্রশ্ন উত্তর পর্বে হুমায়ুন কবীর এ রাজ্যের মুসলিম মহিলাদের আর্থিক অবস্থা ভালো নয় বলে মন্তব্য করেন। যা রীতিমতো দলের পক্ষে অস্বস্তিকর।  কেন হঠাৎ করে হুমায়ুন এরকম মন্তব্য করলেন? তা নিয়েই রীতিমতো ক্ষুব্ধ দল। হুমায়ুন বলেন, ‘রাজ্যে মুসলিম মহিলাদের আর্থিক অবস্থা ভালো নয়। মুসলিম মহিলাদের লক্ষ্মীর ভান্ডারে ১ হাজার টাকা দেওয়া যায় কি? প্রশ্ন তোলেন তিনি। প্রস্তাব রাখেন, ‘অন্তত ওবিসি মুসলিম মহিলাদের ১ হাজার টাকা করে দেওয়া হোক।’ তৃণমূল বিধায়কের এই বক্তব্যে রীতিমতো শোরগোল পড়ে যায় বিধানসভায়।

    আরও পড়ুুন: প্রযুক্তি সংস্থাগুলিকে ৫০ শতাংশ আর্থিক সাহায্য দেওয়ার কথা ঘোষণা মোদির

    কেন শোকজ

    হুমায়ুন কবীর বর্তমানে বিধানসভার দু’টি স্থায়ী (স্ট্যান্ডিং) কমিটিতে আছেন। ‘পেপার লেড স্ট্যান্ডিং কমিটি’-র চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন ভরতপুরের বিধায়ক। এর সঙ্গে বিদ্যুৎ দফতরের স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবেও তিনি কাজ করছেন। এদিন বিধায়ক শো-কজের চিঠি পাওয়ার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে এই চিঠি শনিবার সকালে নিয়েছেন। দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সির সই করা লেটারহেডে এই চিঠি এসেছে। তিনি যথা সময়ে চিঠির উত্তর দেবেন বলে জানিয়েছেন বিধায়ক। পঞ্চায়েত নির্বাচনে দল বিরোধী কাজ করার অভিযোগে তাঁকে শোকজ নোটিস ধরানো হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। হুমায়ুন বলছেন, আগামী দিনে তিনি শোকজের যথাযথ উত্তর দিয়ে নেতৃত্বের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করবেন। কিন্তু যদি সেক্ষেত্রে ব্যর্থ হন, তাহলে কী পদক্ষেপ করবেন তিনি, সেটি অবশ্য স্পষ্ট করেননি। তবে এটা বলেছেন, ‘‘যতদিন আমার শরীর-স্বাস্থ্য ঠিক থাকবে, রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকব।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: অভিষেকের হুঁশিয়ারির পর খড়গ্রামে বিজেপি প্রার্থীর বাড়ি ঘেরাও করে ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: অভিষেকের হুঁশিয়ারির পর খড়গ্রামে বিজেপি প্রার্থীর বাড়ি ঘেরাও করে ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট মিটতেই ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল মুর্শিদাবাদের খড়গ্রাম। বিজেপি (BJP) প্রার্থী সঞ্জয় দাসের বাড়ি ঘেরাও করে ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের জয়ী প্রার্থীর বিরুদ্ধে। বিজেপি প্রার্থী ও তাঁর পরিবারের লোকজনদের বেধড়ক পেটানো হয় বলে অভিযোগ। তৃণমূলের হামলা পাল্টা বিজেপির প্রতিরোধে দুপক্ষের মোট ৭ জন জখম হন। তাদের কান্দি মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    ২১ জুলাই সভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি (BJP) নেতাদের ঘেরাও করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। অভিষেকের সভার পর পরই খড়গ্রামে বিজেপি প্রার্থীর সঞ্জয় দাসের বাড়িতে হামলা চালানো হয়। জানা গিয়েছে, তৃণমূলের জয়ী প্রার্থীর নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন কর্মী সমর্থক এসে সঞ্জয় দাসের বাড়ি ঘেরাও করে। জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে পুরানো গণ্ডগোল তুলে সঞ্জয়বাবুদের বচসা শুরু হয়। এরপরই তৃণমূলের নেতৃত্বে ব্যাপক হামলা চালানো হয়। প্রতিবাদ করলে বিজেপি প্রার্থীর বাবাকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক পেটায়। চোখের সামনে বাবাকে মারতে দেখে বিজেপি নেতা সঞ্জয়বাবু বাঁচাতে গেলে তাঁকেও মারধর করা হয়।

    কী বললেন আক্রান্ত প্রার্থীর পরিবারের লোকজন?

    বিজেপি (BJP) প্রার্থী সঞ্জয় দাসের পরিবারের লোকজন বলেন, পঞ্চায়েত ভোটে বিজেপি হারতেই ওরা দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিল। শুক্রবার রাতে পুরানো একটি গণ্ডগোলের বিষয় নিয়ে কথা তুলে বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। আমাদের মারধর করে। পুলিশ আমাদের কোনও মামলা নেয়নি। উল্টে আমাদের কর্মীদের পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    বিজেপির (BJP) মুর্শিদাবাদের উত্তরের সভাপতি ধনঞ্জয় ঘোষ বলেন, অভিষেকের দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যের জন্যই এই হামলার ঘটনা ঘটল। বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। পুলিশের ভুমিকা ঠিক নয়। আমরা এর বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামব।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের খড়গ্রাম ব্লকের সভাপতি শামসের আলি মমিন বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখে এই বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ভোট পূর্ববর্তী মৃত্যুমিছিলে ১৮ তম সংযোজন মুর্শিদাবাদের অরবিন্দ মণ্ডল

    Murshidabad: ভোট পূর্ববর্তী মৃত্যুমিছিলে ১৮ তম সংযোজন মুর্শিদাবাদের অরবিন্দ মণ্ডল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসলামপুর (Murshidabad) থানার অন্তর্গত হেরামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের রায়পুর এলাকায় পতাকা ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ বাধে। ঘটনায় বিশ্বনাথ মণ্ডল নামে এক কংগ্রেস কর্মীর মাথা ফাটে এবং অরবিন্দ মণ্ডল নামে আরও এক কংগ্রেস কর্মীর অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। ভোটের আগের দিন এই রাজনৈতিক সংঘর্ষে ফের উত্তপ্ত পঞ্চায়েত নির্বাচন।

    কী অভিযোগ (Murshidabad)?

    পরিবারের (Murshidabad) অভিযোগ, গতকাল রাতে তৃণমূলের লোকেরা অরবিন্দেরকে মারধর করে, সেকারণেই শুক্রবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়। যদিও পুলিশ জানিয়েছে অরবিন্দ মণ্ডলের হৃদযন্ত্রে সমস্যা ছিল। আর সেজন্যই গন্ডগোলের খবর শুনে আতঙ্কিত হয়ে মারা গিয়েছেন। একই কথা বলে হত্যাকে অস্বীকার করেছে শাসক দল তৃণমূল। কিন্তু নিহত পরিবারের লোক মানতে নারাজ, তাঁরা বলেছেন শাসকদলের লোকেদের হাতে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু হয়েছে অরবিন্দ মণ্ডলের।

    পরিবারের বক্তব্য

    মৃত কংগ্রেস কর্মী অরবিন্দ মণ্ডলের স্ত্রী অন্নপূর্ণা মণ্ডল (Murshidabad) বলেন, আমরা কংগ্রেস দল করি, শুধু মাত্র কংগ্রেস করবার জন্যই আমার স্বামীকে বাড়িতে ঢুকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেছে। এই হত্যাকাণ্ড তৃণমূল দুষ্কৃতীরা করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, গতকাল রাত থেকেই ঝামেলা শুরু হয়েছে, রাতেই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা প্রশান্তের নেতৃত্বে প্রথমে আক্রমণ করে। আর তারপর আজ সকালে, বাড়ির উঠানের সামনে ২০ জন দুষ্কৃতী প্রাশান্তের নেতৃত্বেই লাঠি-বাঁশ দিয়ে প্রচণ্ড পেটায় আর তারপরেই আরবিন্দবাবুর মৃত্যু হয় বলে জানান অন্নপূর্ণাদেবী। মৃত অরবিন্দ বাবুর মেয়ে বলেন, এই ভোটের জন্য আমার বাবাকে কেন রাজনৈতিক হত্যার শিকার হতে হল?

    তৃণমূলের বক্তব্য

    স্থানীয় (Murshidabad) এক তৃণমূলের নেতা বলেন বলন এই হত্যা কাণ্ডের পেছেনে তৃণমূলের কোনও ভূমিকা নেই। তিনি আরও বলেন, গতকাল রাতে কংগ্রেসের কর্মীরা আমাদের উপর আক্রমণ করে। আজ আমরা থানায় আক্রমণের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছি।

    হিংসা এবং হত্যা নিয়ে অধীর রঞ্জন চৌধরির মন্তব্য

    কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরি (Murshidabad) শুক্রবার সাংবাদিকদের বলেন, “পঞ্চায়েত নির্বাচনে রক্তপাত করে ভোটকে কার্যত প্রহসনে পরিণত করা হয়েছে। অথচ, মা মাটি মানুষের সরকারের শাসনে পঞ্চায়েত নির্বাচন অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ চলছে! সমস্ত পুলিশ প্রশাসন অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে উঠেছে। আইসি অফিসাররা কংগ্রেস কর্মীদের বার বার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। হাইকোর্টের আদেশে বাহিনী কীভাবে মোতায়েন করা হয়েছে? পর্যবেক্ষকরা কীভাবে কাজ করছে? তা আমাদের কাছে এখনও স্পষ্ট নয়।” তিনি আরও বলেন, রাজ্য নির্বাচন কমিশন, রাজ্য প্রশাসনকে ভোটের পূর্বে ঘটা এই হিংসার দায়িত্ব নিতে হবে।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: মুর্শিদাবাদে ফের আমবাগানে প্রচুর বোমা উদ্ধার, আতঙ্কিত স্থানীয়রা

    Murshidabad: মুর্শিদাবাদে ফের আমবাগানে প্রচুর বোমা উদ্ধার, আতঙ্কিত স্থানীয়রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সাগরপাড়া থানার সাহেবনগর এলাকায় একটি আম বাগানের মধ্যে তাজা বোমা উদ্ধার। সেই সঙ্গে ভরতপুর থানার অন্তর্গত সরকারপাড়ায় গ্রামের ফাঁকা মাঠে মধ্যে পরিতক্ত বাড়ি থেকে জার ভর্তি তাজা বোমা উদ্ধার। সামনে ৮ই জুলাই পঞ্চায়েত ভোট! তাই এই বোমা কী নির্বাচনকে অশান্ত করে ভোট লুট করতে রাখা হয়েছিল? বিরোধীদের ঠিক এই প্রশ্ন শাসক দলের বিরুদ্ধে। জেলা জুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য।

    আম বাগানে বোমা উদ্ধার (Murshidabad)

    সাতটি সুতলি বোমা উদ্ধার। আম বাগানের মধ্যে একটি কাপড়ের ব্যাগের মধ্যে বোমাগুলো রাখা ছিল। বৃহস্পতিবার সকালে বোমাগুলো দেখতে পায় স্থানীয় বাসিন্দারা। এরপর খবর দেওয়া হয় সাগরপাড়া (Murshidabad) থানার পুলিশ প্রশাসনকে। পুলিশ পৌঁছে বোমার জায়গা ঘিরে রাখে। বাড়ির পাশে আম বাগানের মধ্যে বোমা উদ্ধারের ঘটনায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে। তিন দিন আগেই একই এলাকা থেকেই একটি কালভার্টের নিচে দুই বালতি তাজা বোমা উদ্ধার হয়েছিল। তারপর আজকে আবার ব্যাগভর্তি বোমা উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    স্থানীয়দের বক্তব্য

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এটাই আমাদের রাস্তা, সব সময় স্থানীয়রা এই বাগানের মধ্যে দিয়ে সাহেবনগর বাজারে যাতায়েত করে। ছোট ছোট ছেলে মেয়েরাও আম কুড়োনোর জন্য বাগানে ঘোরাফেরা করে। সেখানেই বোমা উদ্ধার হয়। যে কোনও সময় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারতো বলে, জানাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে বহরমপুর (Murshidabad) থেকে বোম ডিস্পসাল টিম এসে বোমাগুলো নিষ্ক্রিয় করে। বোমা নিষ্ক্রিয় করার পর কিছুটা হলেও আতঙ্ক কমেছে বলে জানাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। উল্লেখ্য মুর্শিদাবাদ জেলার ভরতপুরেও বোমা উদ্ধার হয় এই দিনে।

    গ্রামে জার ভর্তি তাজা বোম উদ্ধার (Murshidabad)

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার ভরতপুর থানার অন্তর্গত সরকারপাড়া গ্রামে গতকাল রাত্রে ভরতপুর থানার পুলিশ গোপন সূত্রে অভিযান চালিয়ে, একটি গ্রামের ফাঁকা মাঠে পরিতক্ত বাড়ি থেকে জার ভর্তি তাজা বোমা উদ্ধার করে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে জার ভর্তি তাজা বোমা উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য গোটা এলাকায়। বোমাগুলি উদ্ধার হবার পর বোম ডিস্পসাল টিমকে খবর দেয়া হয়েছে বোমা গুলি নিষ্ক্রিয় করবার জন্য।

    এছাড়াও, সামশেরগঞ্জের চাচন্ড গ্রামে কংগ্রেস প্রার্থীর বাড়ির পেছন থেকে তাজা বোমা উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনাস্থলে রয়েছে সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ। কী উদ্দেশ্যে এবং কেন বাড়ির পেছনে বোমা গুলো রাখা হয়েছিলো তার তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। এইদিকে পঞ্চায়েত ভোটের আগেই কংগ্রেস প্রার্থীর বাড়ির পেছন থেকে বোমা উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল সৃষ্টি হয়েছে এলাকাজুড়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: নির্বাচনে টাকা নিয়ে টিকিট বিক্রির অভিযোগ করলেন তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি

    Murshidabad: নির্বাচনে টাকা নিয়ে টিকিট বিক্রির অভিযোগ করলেন তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত নির্বাচনে টিকিট বিক্রির অভিযোগ করে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন খোদ তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি মিজানুর রহমান। তৃণমূলের বিরুদ্ধে দলেরই নেতার অভিযোগে দলে চরম অস্বস্তি।

    কোথায় ঘটেছে ঘটনা (Murshidabad)

    ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদ জেলার জলঙ্গী (Murshidabad) ব্লকের সাদিখাঁদেয়াড় অঞ্চলে। দলীয় কার্যালয়ে বসে অঞ্চল সভাপতির অনুগামীরা প্রার্থী হওয়ার টিকিট না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এমনকি যাঁরা দলের নির্দেশে নমিনেশন জমা করেছিলেন, তাঁদের অনেকেই দলের বি ফর্ম না মেলায় নির্দল হয়ে গেছেন বলে জানা যাচ্ছে। আর তাতেই চাপে পড়ে যায় ব্লক সভাপতির অনুগামীরা। টিকিট না পাওয়া এক বিক্ষুব্ধু তৃণমূল নেতা বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, দলের কর্মীরা যাঁকে প্রার্থী হিসবে নির্বাচন করবেন, দল তাঁকেই প্রার্থী করবে। সুতরাং ব্লকের কর্মীরা যে ব্যাক্তিদের টিকিট দিলেন, তাঁরা কেন প্রার্থী হতে পারল না? সবটা মিলিয়ে তৃণমূলের অন্দরে কোন্দল স্পষ্ট।

    কী বললেন অঞ্চল সভাপতি?  

    সাদিখাঁদেয়াড় অঞ্চল (Murshidabad) তৃণমূল সভাপতি মিজানুর রহমান বলেন, দলের মধ্যে অনেকদিন ধরে আমাদের একটা ক্ষোভ রয়েছে। দলের নির্দেশে আমরা নমিনেশন জমা করেছিলাম। কিন্তু কোনও প্রার্থীই বি ফর্ম দিতে পারলেন না। এইরকম ঘটনার যথার্থ কারণ কী, তাই বুঝতে পারছি না। নমিনেশন প্রত্যাহারের কথা কেন উঠছে বলেও দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটক জেলার নেতৃত্বদের নিয়ে একসঙ্গে বসে টিকিট বণ্টন করেন। মন্ত্রী এবং জেলার নেতাদের সামনে যে প্রার্থীদের টিকিট দেওয়া হয়েছে, মনোনয়নের পর সেই মতন কাজ হয়নি। ষড়যন্ত্র করে তালিকা বদল করে বাইরের লোককে পার্টির টিকিট দেওয়া হল কীভাবে, তাই জানতে চেয়েছেন মিজানুর রহমান। অঞ্চল সভাপতি আরও বলেন, টাকার বিনিময়ে বিধায়ক টিকিট বিক্রি করেছেন। এই অবস্থায় দলের ভরাডুবি হলে সেই দায় তাঁরা নেবেন না জানান অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: বোমা ফেটে জখম ৫, রাজ্যের রিপোর্ট তলব জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের

    Panchayat Election 2023: বোমা ফেটে জখম ৫, রাজ্যের রিপোর্ট তলব জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) আগে রাজ্যের যত্রতত্র বোমা তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ। বড়দের পাশাপাশি তার মাশুল গুণতে হচ্ছে শিশুদেরও। এই যেমন হল মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) জঙ্গিপুরে। সোমবার আমবাগানে পড়ে থাকা একটা গোলাকার বস্তুকে বল ভেবে খেলতে গিয়ে বোমার ঘায়ে জখম হয়েছে ৫ শিশু। তার মধ্যে একজনের অবস্থ আশঙ্কাজনক। কীভাবে ওই ৫ শিশু বোমার ঘায়ে জখম হল, তা জানতে মঙ্গলবার রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি দিয়েছে জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশন। জাতীয় শিশু সুরক্ষা আইনে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এ বিষয়ে জবাব চাওয়া হয়েছে রাজ্যের কাছে। তলব করা হয়েছে অ্যাকশন টেকেন রিপোর্টও। অকুস্থল পরিদর্শন করতে বাংলায় আসতে চায় কমিশনের বিশেষ টিম। সেই অনুমতিও চাওয়া হয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে।  

    জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের চিঠি

    জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশনের তরফে দুটি চিঠি লেখা হয়েছে। একটি রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে। তাতে লেখা হয়েছে, “মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর এলাকায় বল ভেবে (Panchayat Election 2023) বোমা নিয়ে খেলতে গিয়ে ৭ থেকে ১১ বছর বয়সি ৫ শিশু জখম হয়েছে। তারা জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।” ঘটনাটিকে গুরুতর ‘শিশু অধিকার লঙ্ঘন’ হিসেবে উল্লেখ করে কমিশনের আর্জি, স্বতঃপ্রণোদিত তদন্ত করুক রাজ্য। জখম শিশুদের দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং দোষীদের চিহ্নিত করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বার্তাও দেওয়া হয়েছে রাজ্যকে।

    রাজ্যের রিপোর্ট তলব

    ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজ্য সরকারের কাছে রিপোর্টও তলব করা হয়েছে। রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণায় হওয়ায় লাগু হয়েছে আদর্শ নির্বাচনী আচরণ বিধি। তাই রাজ্যে আসার জন্য নির্বাচন কমিশনের অনুমতিও চেয়েছে শিশু সুরক্ষা কমিশন। নির্বাচন (Panchayat Election 2023) কমিশনকে দেওয়া চিঠিতে জাতীয় শিশু সুরক্ষা কমিশন বলেছে, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করে আমাদের টিমকে ঘটনাস্থলে যেতে দেওয়া হোক।

    আরও পড়ুুন: হুমায়ুনের পর এবার বিদ্রোহী মনোরঞ্জন! ছাড়লেন দলীয় পদ

    ফরাক্কার ইমামনগর এলাকার একটি বাগানে খেলা করছিল ৫ শিশু। তাদেরই একজনের নজরে পড়ে বলের মতো গোলাকার একটি বস্তু। তাতে সজোরে লাথি মারে শিশুটি। কান ফাটানো আওয়াজ করে ফেটে যায় তাজা বোমাটি। জখম হয় পাঁচজনেই। দ্রুত উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় বেনিয়াগ্রাম প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। এক শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে পাঠানো হয় জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: আমি না শাওনি, ঠিক করতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে, বিস্ফোরক বিধায়ক হুমায়ুন কবীর

    Murshidabad: আমি না শাওনি, ঠিক করতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে, বিস্ফোরক বিধায়ক হুমায়ুন কবীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভরতপুরের (Murshidabad) বিধায়ক হুমায়ুন কবীর, তৃণমূল নেতা অশোক দাসকে পাশে বসিয়ে মুর্শিদাবাদ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী শাওনি সিংহরায়কে অপসারণ করতে হবে বলে দাবি তুললেন। শাওনির জায়গায় নিয়ামত শেখকে বসাতে হবে বলেও তাঁর দাবি। একধাপ এগিয়ে তিনি আরও বলেন, জেলার আরও এক নেতা অপূর্ব সরকারকেও সরাতে হবে। কার্যত তৃণমূলের এই বিধায়ক জেলার নিজের দলের বিরুদ্ধেই তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর প্রসঙ্গও টেনে আনেন। তাঁর গুরুত্বকে আরও একবার প্রমাণ করতে দলের বিরুদ্ধে এভাবেই বিস্ফোরক হলেন এই তৃণমূল বিধায়ক।

    কীভাবে ক্ষমতায় এল তৃণমূল?

    হুমায়ুন বলেন, এই জেলার (Murshidabad) রাজনৈতিক ইতিহাস দীর্ঘদিনের। অশোক দাসের মতো মানুষ ১৯৯৮ সাল থেকে দলের সদস্য। সেই সময় এই জেলায় তৃণমূলের ভোটের পরিমাণ ছিল ৪%। পরে অশোক দাসকে দলের সভাপতি করলে ভোটের পরিমাণ দাঁড়ায় ৯%। সেই সময় তাঁকে জেলার ওয়ার্কিং প্রেসিডেন্ট করা হয়েছিল। এরপর মোহম্মদ আলি যখন প্রেসিডেন্ট হন, তখন দলের ভোট ৯% থেকে ২৪% এ পৌঁছায়। যারা যোগ্য, যারা জিতেছে, তাদের মধ্যে কেউ দলের ক্ষমতায় নেই। কিন্তু যারা হেরেছে, তাদেরকেই ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে! ঠিক এইভাবে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানান দলের বিধায়ক হুমায়ন কবীর।

    মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোপ

    হুমায়ুন কবীর ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, মুখ্যমন্ত্রী যখন নন্দীগ্রামে হেরেছিলেন, আমরা ২১৩ জন বিধায়ক তখন মুখ্যমন্ত্রীকে দলনেত্রী হিসেবে স্বীকার করে নিয়েছিলাম। রাজ্যপালের কাছে শপথ নেওয়ার সময় আমরা বিধায়করাই সই করেছিলাম। সেখানে শাওনি সিংহরায় সই করেনি! হুমায়ুন কবীর সাংবাদিকদের সামনে আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর কাকে আগে প্রয়োজন! হুমায়ুন কবীরকে (Murshidabad) না শাওনি সিংহরায়কে? এটা মুখ্যমন্ত্রীকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে! তাঁর এই ধরনের বিস্ফোরক মন্তব্যে দলে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: বিধায়কের নির্বাচনী কমিটি থেকে বাদ ব্লক সভাপতি, প্রকাশ্যে তৃণমূলের কোন্দল

    Panchayat Election: বিধায়কের নির্বাচনী কমিটি থেকে বাদ ব্লক সভাপতি, প্রকাশ্যে তৃণমূলের কোন্দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election)  ভরতপুর- ২ ব্লকের তৃণমূলের সভাপতিকে কোণঠাসা করতে ফের আসরে নামলেন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। তারসঙ্গে যোগদান করলেন ভরতপুর- ২ ব্লকের প্রাক্তন সভাপতি আজহারউদ্দিন সিজার। ৪১ জনের নির্বাচনী কমিটি ঘোষণা করলেন বিধায়ক। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনায় পঞ্চায়েত ভোটের আগে তৃণমূলের কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    কী বললেন বিধায়ক?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election) দিন ঘোষণা হওয়ার পরও মুর্শিদাবাদের ভরতপুরে-২ ব্লকে কমতেই চাইছে না তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল। জেলায় বিতর্কিত নেতা হিসেবে হুমায়ুনের নাম রয়েছে। ভোট ঘোষণা হওয়ার পরও সেই বিতর্ক তাঁর পিছু ছাড়তে চাইছে না। ব্লক সভাপতিকে ছাড়াই মুর্শিদাবাদ জেলার সালারে পঞ্চায়েত নির্বাচনের দলীয় কমিটি ঘোষণা করলেন বিধায়ক। নির্বাচনী কমিটি ঘোষণা করার পর কার্যত নিজের দলেরই ব্লক সভাপতিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন তিনি। তিনি বলেন, ৪৩ হাজার ভোটে আমি জয়ী হয়েছি। তারপরও ব্লক সভাপতি বলছেন আমার বুথে কোনও লোক নেই। এরকম ব্লক সভাপতিকে আমি মানি না। সালারের উন্নয়ন, সালারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য যা পদক্ষেপ গ্রহণ করা দরকার তা আমি করব। ব্লক সভাপতি হয়ে তাঁর দশটা হাত হয়ে গিয়েছে। নিজেকে তিনি বিশাল কিছু ভাবছেন। তাই, তাঁরসঙ্গে কাজ করা সম্ভব নয়। তাই, আমরা আমাদের মতো করে কমিটি গঠন করে নির্বাচনে লড়াই করব। হুমায়ুনের বিরোধী গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত ছিল সিজার। সেই সিজার এবার বিধায়কের সঙ্গে হাত মেলালেন। স্বাভাবিকভাবে বিধায়ক গোষ্ঠীর দিকে কিছুটা হলেও পাল্লা ভারী হল। তৃণমূল নেতা সিজার সাহেব বলেন, বিধায়কের সঙ্গে কিছু বিষয়ে মতানৈক্য থাকতে পারে। তবে,  উন্নয়নের প্রশ্নে আমরা সকলেই এক। ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমরা লড়াই করব।

    কী বললেন ব্লক সভাপতি?

    ভরতপুর-২ নম্বর ব্লকের তৃণমূলের সভাপতি মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, “কিছু স্বার্থান্বেষী মানুষ আছে যারা ভোটের রাজনীতিটা করেন। সারাবছর মানুষের সঙ্গে থাকেন না। ভোট (Panchayat Election)  আসার জন্য তাঁরা অপেক্ষা করে থাকেন। স্বার্থপূরণ হলে তৃণমূল করে। আর তা নাহলে বিজেপি, কংগ্রেসে নাম লেখায়।” তবে পঞ্চায়েত নির্বাচনে কি বিরোধী বনাম শাসকের বদলে ঘাসফুল বনাম তৃণমূলের লড়াই দেখবে মুর্শিদাবাদবাসী সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: রাজ্য সড়কের ধারে বেআইনিভাবে যথেচ্ছ গাছ কাটার অভিযোগ, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    TMC: রাজ্য সড়কের ধারে বেআইনিভাবে যথেচ্ছ গাছ কাটার অভিযোগ, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্ত্রী গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের (TMC) প্রধান। স্বামী এলাকার বেতাজ বাদশা। তাঁর বিরুদ্ধে কথা বলার কারও সাহস নেই। তাই, আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাজ্য সড়কের ধারে বেআইনিভাবে একের পর এক সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ার চোঁয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের শাসক দলের প্রধানের স্বামী ও স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীর বিরুদ্ধে এই গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    হরিহরপাড়ার আমতলা রাজ্য সড়কের ধারে লাইন দিয়ে বড় বড় প্রচুর গাছ ছিল। গত কয়েকদিন ধরেই রাস্তার ধারে সেই গাছ কাটা চলছিল। রীতিমতো শ্রমিক লাগিয়ে এই গাছ কাটা হচ্ছিল। তৃণমূলের (TMC) পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী দাঁড়িয়ে এই কাজ করায় কেউ গাছ কাটার প্রতিবাদ করার সাহস দেখাননি। ফলে, গত কয়েকদিনে ১৪ থেকে ১৫ টি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এদিনও গাছ কাটা চলছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে অভিযোগ পেয়ে এদিন হরিহরপাড়ার বিডিও রাজা ভৌমিক সহ প্রশাসনের কর্তারা গজনীপুরে যান। তিনি গাছ কাটার কাজ বন্ধ করে দেন। শ্রমিকদের বক্তব্য, বন দফতরের অনুমতি নেওয়া হয়েছে কি না জানি না। তবে, প্রধানের নির্দেশে আমরা গাছ কাটতে এসেছিলাম। যদিও এই ঘটনার পর অভিযোগ খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ব্লক প্রশাসনের কর্তারা।

    গাছ কাটা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    প্রাক্তন বিধায়ক তথা সিপিএম নেতা ইনসার আলি বিশ্বাস বলেন, তৃণমূল (TMC) কোনও আইন মানে না। এই ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ। যারা গাছ কেটেছে তাদের গ্রেফতার করতে হবে। প্রধান বা প্রধানের স্বামী বলে কেউ যেন ছাড়া না পায়। প্রয়োজনে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামব। ব্লক কংগ্রেসের সভাপতি জাহাঙ্গির শা বলেন, তৃণমূল মানে একটি চোরের দল। বিধায়ক গোটা বিধানসভার সব গাছ কেটে সাফ করে দিচ্ছে। আর এই প্রধান তার নিজের এলাকার সব গাছ কেটে ফেলছে। আমরা এই ঘটনার কঠোরতম শাস্তি চাই। তৃণমূলের (TMC) ব্লক সভাপতি হাতাদউদ্দিন শেখ বলেন, এই ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। দল এসব বেআইনি কাজে পাশে নেই। আইন মেনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে আমি আবেদন জানাব। দলের পঞ্চায়েত প্রধান বলে ছেড়ে দেওয়া হবে না।

    কী বললেন অভিযুক্ত প্রধানের স্বামী?

    তৃণমূলের (TMC) পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী রাকিবুল হক বলেন, কয়েকদিন আগে ঝড়ে ডাল ভেঙে পড়ায় রাস্তায় ব্যাপক যানজট তৈরি হয়েছিল। তাই, বিডিওর কাছে আবেদনপত্র জমা দিয়ে আমরা গাছ কাটার কাজ শুরু করেছি। মূলত রাস্তার ধারে কয়েকটি গাছ কেটেছি। বড় গাছ কাটা হয়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share