Tag: muslim

muslim

  • Bangladesh: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মার্কিন মুলুকেও

    Bangladesh: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মার্কিন মুলুকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুদের ওপর সংঘটিত নির্যাতনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ ও স্লোগান কর্মসূচি শুরু করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন। শনিবার দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরের কেন্দ্রে বিপুল (Hindus) সংখ্যক মানুষ সমবেত হয়ে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান হিংসার প্রতিবাদে র‍্যালি করে। মার্কিন মুলুকের অন্তত ২২টিরও বেশি শহরে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই ঘটনা প্রতিবাদের ব্যাপকতা, তীব্রতা এবং বাংলাদেশে হিংসার ভয়াবহতা ও তাৎক্ষণিক আন্তর্জাতিক নজরদারির প্রয়োজনীয়তাকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।

    বিরাট জমায়েত (Bangladesh)

    ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের আর্টেসিয়া শহরে অন্যতম বৃহৎ জমায়েত দেখা যায়। বিক্ষোভকারীরা বাংলাদেশ পরিস্থিতির ওপর অবিলম্বে আন্তর্জাতিক মনোযোগ দাবি করেন এবং ইউনূস প্রশাসনের জবাবদিহির আহ্বান জানান। কারণ তাঁর শাসন কালেই দেশে উগ্রপন্থী তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে তাঁদের অভিযোগ। প্রতিবাদকারীরা বাংলাদেশে শান্তি ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার দাবি জানিয়ে “ওম শান্তি”-সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। মানবাধিকার সংগঠনগুলি জানিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভগুলি ছিল শান্তিপূর্ণ, আইনসম্মত ও রাজনৈতিকভাবে শালীন, যার মাধ্যমে বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশে হিন্দুদের সুরক্ষার জন্য গঠিত গ্লোবাল কোয়ালিশনের মিডিয়া প্রতিনিধি গীতা সিকান্দ বলেন, “এই আন্দোলনের উদ্দেশ্যই হল বিশ্ববাসীর দৃষ্টি দুর্বল ও নির্যাতিত সম্প্রদায়ের যন্ত্রণার দিকে আকর্ষণ করা। আমরা সুরক্ষা, জবাবদিহি ও শান্তি চাই।”

    সংহতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের নিদর্শন

    সংহতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের নিদর্শন হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ইহুদি সম্প্রদায়ও এই বিক্ষোভে অংশ নেয় এবং বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের জন্য ন্যায়বিচারের দাবি তোলে (Hindus)। আমেরিকার পশ্চিম, মধ্য-পশ্চিম, উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন শহরে র‍্যালি ও প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। শীতপ্রধান অঞ্চলে মাইনাস তাপমাত্রার মধ্যেও মানুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানান। তাঁদের সাফ কথা, বাংলাদেশের সঙ্কট আন্তর্জাতিক মনোযোগ ও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানায়। বিক্ষোভকারীরা বলেন, “আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সর্বোচ্চ জরুরি ভিত্তিতে বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান হিংসার পরিস্থিতির দিকে নজর দিতে হবে এবং ইউনূস প্রশাসনের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। কারণ নিরীহ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়কে উগ্রপন্থী উদ্দেশ্যে টার্গেট করা হচ্ছে। তাঁরা বাংলাদেশে ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার রক্ষারও আহ্বান জানান (Bangladesh)।

    হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতার বক্তব্য

    মানবাধিকার সংগঠনগুলি আরও উল্লেখ করে যে, ১৯৭১ সাল থেকে বাংলাদেশে একাধিকবার সাম্প্রদায়িক হিংসা ও উগ্রপন্থী বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় বারবার নিশানায় এসেছে। তবে ইউনূসের রাজত্বে এই নির্যাতনের মাত্রা ভয়াবহভাবে বেড়ে গিয়েছে এবং সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনও পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা সুরেন্দ্র শর্মা বলেন,
    “সমষ্টিগত কণ্ঠস্বর তোলা হচ্ছে প্রথম ধাপ। আমরা সব সম্প্রদায়ের জন্য শান্তি, নিরাপত্তা ও মর্যাদা চাই।” প্রতিদিন বাংলাদেশের পরিস্থিতি যে আরও গভীর সঙ্কটে তলিয়ে যাচ্ছে এবং অন্তর্বর্তী প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ করা হচ্ছে না, তাও জানান তিনি। অভিযোগ, ইউনূস জমানায় উগ্র ইসলামপন্থী গোষ্ঠীগুলি আরও শক্তি সঞ্চয় করেছে, যার ফলে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়কে পরিকল্পিতভাবে নিশানা করা হচ্ছে। প্রশাসনের ব্যর্থতায় দেশটি রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও অর্থনৈতিক সঙ্কটে পড়েছে (Hindus)। ক্রমবর্ধমান সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা বাংলাদেশকে কার্যত নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ক্ষমতালোভী গোষ্ঠীগুলি নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্য সংখ্যালঘুদের অধিকারের প্রশ্নে নীরব রয়েছে (Bangladesh)।

    পরিস্থিতির গুরুত্ব

    বাংলাদেশে বাড়তে থাকা সাম্প্রদায়িক হিংসার বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে যে প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে, তা পরিস্থিতির গুরুত্বই প্রতিফলিত করে। গত সপ্তাহে ব্রিটেনেও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়। সেখানে লেবার সরকারের কাছে বাংলাদেশে ইউনূস প্রশাসনের জবাবদিহি নিশ্চিত করা ও হিন্দু সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষার দাবি জানানো হয়। তবে বাংলাদেশ সাধারণ নির্বাচনের দিকে এগিয়ে চললেও এবং ঢাকায় নতুন ক্ষমতাকাঠামো গড়ে ওঠার সম্ভাবনা থাকলেও, হিন্দু সংখ্যালঘুদের জীবন ও অধিকার এখনও অনিশ্চয়তার মধ্যেই রয়েছে—যেখানে তাঁদের ওপর হামলা, মারধর, ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া এবং প্রকাশ্যে মানুষকে পুড়িয়ে মারার মতো নৃশংস ঘটনা ঘটছে (Bangladesh)। ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ হলেও, ব্রিটেন এবং আমেরিকায় শক্তিশালী আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ ও কণ্ঠস্বর বাংলাদেশে হিন্দুদের জীবনরক্ষায় একটি বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলেই (Hindus) ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

     

  • Sayak Chakraborty: ধর্মান্তরনের চেষ্টা! পার্কস্ট্রিটের রেস্তরাঁয় হিন্দু অভিনেতাকে পরিবেশন করা হল গরুর মাংস

    Sayak Chakraborty: ধর্মান্তরনের চেষ্টা! পার্কস্ট্রিটের রেস্তরাঁয় হিন্দু অভিনেতাকে পরিবেশন করা হল গরুর মাংস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি একে হিন্দু, তার ওপর আবার ব্রাহ্মণ। এহেন এক হিন্দুকে পরিবেশন করা হল গরুর মাংস! কলকাতার পার্কস্ট্রিটের (Muslim Waiter) ঘটনায় রাজ্যজুড়ে সমালোচনার ঝড়। জানা গিয়েছে, শুক্রবার পার্কস্ট্রিট এলাকার একটি অভিজাত রেস্তোরাঁয় খেতে গিয়েছিলেন অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তী (Sayak Chakraborty)। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তাঁর দুই বন্ধুও। অভিযোগ, খাসির মাংস অর্ডার দিয়ে টেবিলে গিয়ে বসেন তাঁরা। এই রেস্তরাঁর এক মুসলিম ওয়েটার গরুর মাংস পরিবেশন করে বলে অভিযোগ।

    কী বলছেন হিন্দু অভিনেতা? (Sayak Chakraborty)

    ফেসবুকে প্রকাশিত এক ভিডিওয় সায়ককে বলতে শোনা যায়, “এই মুহূর্তে আমরা পার্কস্ট্রিটের একটি বড় রেস্তোরাঁয় রয়েছি। এখানে আমরা মাটন স্টেক অর্ডার করেছিলাম। তারা আমাদের বিফ স্টেক পরিবেশন করেছে। আমরা জানতাম না, এটা কী। আমরা ভেবেছিলাম এটা মাটন স্টেকই। আমরা খেয়েও ফেলি।” গরুর মাংস খাওয়ানো হচ্ছে জেনে ব্যাপক খেপে যান অভিনেতা। তাঁকে বলতে শোনা যায়, “তুমি কি জানো আমি একজন ব্রাহ্মণ? আমায় না বলেই কী করে গরুর মাংস খাইয়ে দিলে? গোমাতাকে খাইয়ে দিলে? তোমার ধর্ম কি? আমি তোমায় না বলে শুয়োরের মাংস খাইয়ে দিলে, খাবে তো?” তর্কাতর্কি শুরু হতেই ওই মুসলমান ওয়েটার ক্ষমা চায়। কবুল করে তার ভুল হয়ে গিয়েছে। এর পরেই সায়ক ফের তাকে জিজ্ঞেস করেন, “এটা কি কোনও রসিকতা?” এদিকে, প্রশ্ন করা হলে অভিজাত রেস্তরাঁর ম্যানেজারকে হাসতে দেখা যায়। অভিনেতার বন্ধু অনন্যা গুহ বলেন, “এটা হাসির বিষয় নয়। এটা একজন নিরামিষাশীকে মুরগির মাংস খাইয়ে দেওয়ার মতোই অপরাধ (Sayak Chakraborty)।”

    দাঙ্গা লাগানোর ইচ্ছেই আমার নেই

    সায়ক বলেন, “তুমি একজন মুসলিম হয়ে আমায় বিফ খাইয়েছ। তুমি এটা কীভাবে করলে? ইচ্ছাকৃতভাবে (Muslim Waiter)?” তিনি বলেন, “দাঙ্গা লাগানোর কোনও ইচ্ছেই আমার নেই। আমার মুসলমান বন্ধুও রয়েছে। রিয়াজের বাড়িতে আমি ইদেও খেতে গিয়েছি। আমার কন্টেন্টেও সব সময় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা দেওয়া হয়। আমি বিশ্বাস করি, বন্ধুত্বের পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াতে পারে না ধর্ম।” তিনি বলেন, “যেটা আমি খাই না, সেটা যখন আমার অজান্তে আমায় পরিবেশন করা হল, তার প্রতিবাদ যদি আজ না করি, তাহলে আরও অনেক মানুষের সঙ্গে এরকম ঘটনা ঘটবে (Sayak Chakraborty)।”

     

  • Bangladesh: বাংলাদেশে ফের হিন্দু খুন, গ্যারেজ কর্মীকে পুড়িয়ে হত্যা

    Bangladesh: বাংলাদেশে ফের হিন্দু খুন, গ্যারেজ কর্মীকে পুড়িয়ে হত্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে ফের হিন্দু খুন। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সে দেশে হওয়ার কথা সাধারণ নির্বাচন। এমন সময় বাংলাদেশে হিন্দু (Hindu Burnt Alive) সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে হিংসার মধ্যেই আরও একটি ভয়াবহ ঘটনা প্রকাশ্যে চলে এল (Bangladesh)। রাজধানী ঢাকা থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে নরসিংদী শহরে ঘুমন্ত অবস্থায় বছর তেইশের এক হিন্দু যুবককে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ এই দেশে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে।

    হিন্দু খুন (Bangladesh)

    নিহত যুবকের নাম চঞ্চল চন্দ্র ভৌমিক। তিনি কুমিল্লা জেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা খোকন চন্দ্র ভৌমিকের ছেলে। চঞ্চল নরসিংদী পুলিশ লাইনের খানাবাড়ি মসজিদ মার্কেট এলাকায় একটি গ্যারাজে কাজ করতেন। শুক্রবার রাতে কাজ শেষ করে ক্লান্ত অবস্থায় গ্যারাজের ভেতরেই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন চঞ্চল। সেই সময় অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজন ব্যক্তি গ্যারাজে আগুন লাগিয়ে দেয়। গ্যারাজের ভেতরে প্রচুর পরিমাণে পেট্রোল, ইঞ্জিন অয়েল ও অন্যান্য দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় আগুন দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

    মারা হল জ্যান্ত পুড়িয়ে

    ঘুমন্ত অবস্থায় থাকা চঞ্চল ভৌমিক দমবন্ধ হয়ে ও দগ্ধ হয়ে প্রাণ হারান। স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, এটি ছিল একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে হামলাকারীদের গ্যারাজে আগুন দিতে দেখা গেলেও এখনও তাদের পরিচয় জানা যায়নি (Bangladesh)। পুলিশের এক আধিকারিক জানান, “মামলার গুরুত্ব বিবেচনা করে আমরা তদন্ত শুরু করেছি। মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পুলিশের একটি দল দোষীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা করছে।” ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রায় ১ কোটি ৩১ লাখ ৩০ হাজার হিন্দু বসবাস করেন, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭.৯৫ শতাংশ।

    এর আগে ভারত বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। প্রতিবেশী এই দেশে চরমপন্থা বৃদ্ধির আশঙ্কার মধ্যেই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর থেকে হিন্দুদের বিরুদ্ধে ব্যাপক হিংসার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। এক সপ্তাহ আগেই গাজিপুর জেলায় এক হিন্দু মিষ্টি বিক্রেতাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। তিনি এক কর্মচারীকে হামলার হাত থেকে বাঁচাতে গিয়েছিলেন। ওই সপ্তাহেই সিলেট জেলায় এক হিন্দু পরিবারের বাড়িতে আগুন (Hindu Burnt Alive) লাগানো হয় এবং ফেনি জেলায় এক হিন্দু অটোরিকশা চালককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয় (Bangladesh)।

     

  • Saraswati Puja: তৃণমূলের তুষ্টিকরণের রাজনীতি, সরস্বতীপুজো বন্ধ একাধিক জায়গায়

    Saraswati Puja: তৃণমূলের তুষ্টিকরণের রাজনীতি, সরস্বতীপুজো বন্ধ একাধিক জায়গায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের তুষ্টিকরণের রাজনীতির বিষবৃক্ষে ফলতে শুরু করেছে বিষময় ফল! তার জেরে এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল-শাসিত (TMC) রাজ্যের একাধিক জায়গায় ব্যাহত হয়েছে বার্ষিক হিন্দু উৎসব সরস্বতী পুজো (Saraswati Puja)। শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি ছিল সরস্বতী পুজো। উত্তর ২৪ পরগনার কামারহাটি শহরে শাসক দল তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে বাধা সৃষ্টি হয় সরস্বতী পুজোয়।

    তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে মন্দিরে তালা (Saraswati Puja)

    সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেলঘরিয়া সর্বজনীন শ্রীশ্রী দুর্গা চৌক সোসাইটি মন্দিরটিতে তৃণমূলের এক গোষ্ঠী তালা ঝুলিয়ে দেয়। এর ফলে স্থানীয় হিন্দু মহিলারা সরস্বতীর আরাধনা করতে পারেননি। সমস্যার সমাধান করতে পারেননি সংশ্লিষ্ট টিএমসি কাউন্সিলরও। পুলিশ জানিয়েছে, টিএমসির বিবদমান দুই গোষ্ঠী কোনও সমঝোতায় না পৌঁছনো পর্যন্ত তারা তালা ভাঙবে না বা হস্তক্ষেপ করবে না। স্থানীয় এক মহিলা বলেন, “আমরা চাই এই মন্দিরটি সকলের জন্য একটি সাধারণ উপাসনাস্থল হোক। এখানে একটি মাত্র তালা থাকবে, যার দুটি চাবি থাকবে, একটি ওদের কাছে, অন্যটি আমাদের কাছে।” আর এক মহিলা বলেন, “এটি কোনও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। এটি সবার।”

    পুজো বন্ধ কলেজ-স্কুলেও

    এদিকে, দক্ষিণ কলকাতার সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত যোগেশচন্দ্র চৌধুরী কলেজের এক ছাত্রী জানান, সরস্বতী পুজোর আয়োজন করার জন্য তাঁদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, হুমকি দেওয়া টিএমসি নেতার নাম দাউদ আলম মোল্লা। ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে ওই ছাত্রী বলেন, “দাউদ আলম মোল্লা বাইরে দাঁড়িয়ে রয়েছে। সে আমায় হুমকি দিয়েছে যে সে আমার এলএলএম (LLM) নষ্ট করে দেবে।” উল্লেখ্য, যোগেশচন্দ্র চৌধুরী ল’ কলেজই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা টিএমসি সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী (TMC), কীভাবে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য তৃণমূল ছাত্র পরিষদের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ শব্বির আলি সরস্বতী পুজোর আয়োজন করলে ছাত্রছাত্রীদের ধর্ষণ ও খুনের হুমকি দিয়েছিলেন।

    এদিন, কোচবিহার জেলার দিনহাটা কলেজে টিএমসির দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলে সরস্বতী পূজার মণ্ডপ পরিত্যক্ত হয়ে যায়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে তলব করা হয়। খবর পেয়ে দিনহাটা থানার ওসি এবং এসডিপিও কলেজ চত্বরে পৌঁছন (Saraswati Puja)। পুজোয় অংশ নিতে আসা হিন্দু ভক্তদের নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে এলাকা ছেড়ে পালাতে বাধ্য করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া দৃশ্যে দেখা যায়, শাসক দলের দুষ্কৃতীরা কলেজ ক্যাম্পাসকে কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত করেছে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বারাসত শহরের আর একটি ঘটনায়, স্কুল চত্বরে সরস্বতী পুজো আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয়নি হিন্দু ছাত্রছাত্রীদের। জানা গিয়েছে, ওই স্কুলে ৫০ শতাংশের বেশি মুসলিম ছাত্রছাত্রী থাকায় পুজোর অনুমতি নাকচ করা হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ আধিকারিকরা ছাত্রছাত্রীদের দেবী সরস্বতীর পুজো করতে বাধা দিচ্ছেন।

    ফুটপাতে পুজোর আয়োজন!

    শেষ পর্যন্ত হিন্দু ছাত্রছাত্রীদের স্কুল প্রাঙ্গণের বাইরে, ফুটপাতে পুজোর আয়োজন করতে বাধ্য করা হয় (Saraswati Puja)। প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তি বলেন, “তারা বলেছে, এই স্কুলে হিন্দুরা সংখ্যালঘু হওয়ায় এখানে পুজো করা যাবে না। পশ্চিমবঙ্গে থাকা হিন্দুদের অবস্থা আর বাংলাদেশের হিন্দুদের অবস্থার মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই (TMC)।” তিনি এও বলেন, “পুলিশ দেবী সরস্বতীকেও স্কুল থেকে বের করে দিয়েছে, ফলে ছাত্রছাত্রীদের রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে ফুল দিতে হয়েছে।” এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। টুইট-বার্তায় তাঁর প্রশ্ন, “পশ্চিমবঙ্গ কি এখন বাংলাদেশে পরিণত হয়েছে?” তিনি এও লেখেন, “এই ঘটনা আমাদের একটি বিষয় শেখায়, যদি হিন্দুরা সংখ্যালঘু হয়ে যায়, তাহলে তাদের সঙ্গে কেমন আচরণ করা হবে।” উপরোক্ত চারটি ঘটনা স্থানীয় একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে প্রায়ই যেমন দেখা যায়, হিন্দুদের অধিকার সংক্রান্ত বহু খবরই মূলধারার সংবাদমাধ্যমে উপেক্ষিত থেকে যায়। তাই সরস্বতী পুজো ব্যাহত হওয়ার ঘটনার সংখ্যা (TMC) কয়েক ডজন ছাড়িয়ে গেলেও আশ্চর্য হওয়ার কিছু থাকবে না (Saraswati Puja)।

  • Hindu Businessman: বাংলাদেশে ফের খুন হিন্দু ব্যবসায়ী, পিটিয়ে হত্যা ৫৫ বছরের লিটন ঘোষকে

    Hindu Businessman: বাংলাদেশে ফের খুন হিন্দু ব্যবসায়ী, পিটিয়ে হত্যা ৫৫ বছরের লিটন ঘোষকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিবেশীর বাগান থেকে চুরি গিয়েছে কলার কাঁদি। তার জেরে নিছক সন্দেহের বশে শনিবার এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে (Hindu Businessman) খুন করা হল। বাংলাদেশের (Bangladesh) গাজিপুর জেলার ঘটনায় চাঞ্চল্য। মৃতের নাম লিটন চন্দ্র ঘোষ, বয়স ৫৫। কালীগঞ্জ এলাকায় রয়েছে তাঁর ‘বৈশাখী সুইটমিট অ্যান্ড হোটেল’। সেখানে এসেই দুষ্কৃতীরা পিটিয়ে মারে তাঁকে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে পুলিশ একই পরিবারের তিন সদস্যকে আটক করেছে। তারা হল স্বপন মিঞা, তার স্ত্রী মাজেদা খাতুন এবং তাদের ছেলে মাসুম মিঞা।

    বচসা থেকে হাতাহাতি (Hindu Businessman)

    পুলিশ জানিয়েছে, মাসুমের একটি কলার বাগান রয়েছে। সেখান থেকে খোয়া যায় এক কাঁদি কলা। কলার খোঁজে করতে বেরিয়ে সে লিটনের হোটেলে পৌঁছে যায়। সেখানেও কলা ঝোলানো ছিল। সেই কলার কাঁদি তারই বাগানের বলে দাবি করতে থাকে মাসুম। এ নিয়েই দুপক্ষের মধ্যে প্রথমে বচসা শুরু হয়। পরে মাসুম ফিরে যায়। সকাল ১১টা নাগাদ মাসুম ফের হোটেলে এসে একটি তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে হোটেলের এক কর্মচারীর সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়ে। এর কিছুক্ষণ পরে মাসুমের বাবা-মাও ওই হোটেলে এসে হাজির হয়। তার পরেই শুরু হয় হাতাহাতি (Hindu Businessman)।

    অভিযুক্তরা লিটনকে ঘুষি ও লাথি

    পুলিশের দাবি, অভিযুক্তরা লিটনকে ঘুষি ও লাথি মারে। মারের চোটে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন লিটন। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর।এই ঘটনাটি এমন একটা সময়ে ঘটল, যখন বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ১৫ জানুয়ারির মধ্যে দেশে অন্তত ১৫ জন সংখ্যালঘু হিন্দুকে হত্যা করা হয়েছে, যা বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। তবে এই ঘটনাটি বাংলাদেশে হিন্দুদের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক (Bangladesh) হিংসার ধারাবাহিকতার সঙ্গে যুক্ত কি না, সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু নিশ্চিত করেননি। লিটনের মৃত্যুর কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে অভিযুক্তদের (Hindu Businessman)।

    বাংলাদেশে সাম্প্রতিক হিন্দু-নিধন…

    • ২ ডিসেম্বর: ফরিদপুর জেলার সালথা উপজেলায় ৩৫ বছর বয়সি হিন্দু মাছ ব্যবসায়ী উৎপল সরকারকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
    • ২ ডিসেম্বর: বাংলাদেশের নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলায় ৪২ বছর বয়সি হিন্দু স্বর্ণ ব্যবসায়ী প্রণতোষ কর্মকারকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
    • ৭ ডিসেম্বর: রংপুর নিবাসী মুক্তিযোদ্ধা ৭৫ বছর বয়সি যোগেশ চন্দ্র রায় ও তাঁর স্ত্রী সুবর্ণা রায়কে তাঁদের বাড়িতে নির্মমভাবে গলা কেটে হত্যা করা হয়।
    • ১২ ডিসেম্বর: কুমিল্লা জেলায় ১৮ বছর বয়সি হিন্দু অটোরিকশা চালক শান্ত চন্দ্র দাসকে খুন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তাঁর গলা কেটে হত্যা করা হয়েছিল এবং মরদেহটি একটি ভুট্টাক্ষেতে ফেলে রাখা হয়।
    • ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫: ময়মনসিংহে (ধর্ম অবমাননার অভিযোগে) দীপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যা করে জনতা।
    • ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫: রাজবাড়িতে জনতা অমৃত মণ্ডলকে পিটিয়ে হত্যা করে।
    • ২৯-৩০ ডিসেম্বর ২০২৫: বজেন্দ্র বিশ্বাসকে (পোশাক কারখানায় কর্তব্যরত অবস্থায়) গুলি করে হত্যা করা হয়।
    • ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫: শরীয়তপুরে খোকন চন্দ্র দাসকে ছুরিকাঘাত করা হয় এবং তারপর পেট্রোল ঢেলে জীবন্ত পুড়িয়ে ফেলা হয়। ৩ জানুয়ারি তিনি হাসপাতালে মারা যান।
    • ৫ জানুয়ারি ২০২৬: যশোরে রানা প্রতাপ বৈরাগীকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
    • ৫ জানুয়ারি ২০২৬: নরসিংদীতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুন করা হয় শরৎ চক্রবর্তী মণিকে।
    • ১১ জানুয়ারি ২০২৬: এক দল উন্মত্ত জনতা পিটিয়ে মেরে ফেলে বছর আঠাশের সমীর কুমার দাসকে। হামলার পর দুষ্কৃতীরা তাঁর অটোরিকশাটি নিয়ে পালিয়ে যায়।
    • ১৬ জানুয়ারি ২০২৬: রাজবাড়ী জেলায় পেট্রোল পাম্প থেকে জ্বালানির দাম না দিয়ে পালানোর সময় চলন্ত গাড়িকে আটকাতে গেলে চাপা দেওয়া হয় পেট্রোল পাম্পের কর্মী হিন্দু যুবক রিপন সাহাকে।
    • ১৭ জানুয়ারি ২০২৬: বাংলাদেশের গাজিপুর জেলার কালীগঞ্জে কলা নিয়ে বিবাদের জেরে হিন্দু ব্যবসায়ী লিটন চন্দ্র যোষকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু বিদ্বেষ, দেখে নিন এ সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু বিদ্বেষ, দেখে নিন এ সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত এবং বিদেশ, সর্বত্রই হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর হামলা এখন নিয়মিত ও নিরবচ্ছিন্ন ঘটনা হয়ে উঠেছে। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নিপীড়ন এমন একটা অবস্থায় পৌঁছেছে, যা ধীরে ধীরে আমাদের চোখের সামনেই একপ্রকার গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Hindus Under Attack)। গত কয়েক দশক ধরে গভীর ও উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষের জেরে বিশ্ব এই হামলাগুলির প্রকৃত ব্যাপ্তি ও ভয়াবহতা উপেক্ষা করে এসেছে (Roundup Week)। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, ধর্মীয় উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক ভাষণ, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত সব ক্ষেত্রেই হিন্দুরা তাঁদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখোমুখি হচ্ছেন, যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষ।

    মানবাধিকার সঙ্কট (Hindus Under Attack)

    ২০২৬ সালের ১১ জানুয়ারি থেকে ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে এই সাপ্তাহিক সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদনে আমরা এমন কিছু ঘটনার একটি ছবি তুলে ধরতে চাই, যাতে বিশ্বজুড়ে আরও মানুষ এই গুরুতর মানবাধিকার সঙ্কট সম্পর্কে সচেতন হন। প্রথমে দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। মাদ্রাজ হাই কোর্ট তিরুপ্পারনকুন্দ্রমে অবস্থিত অরুলমিগু সুব্রহ্মণ্য স্বামী মন্দিরের নির্বাহী আধিকারিককে কড়া প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। মন্দিরের সম্পত্তি হিসেবে ঘোষিত জমিতে একটি দরগার পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল। আদালতের মন্তব্য, এই কাজটি ফৌজদারি অনধিকার প্রবেশের শামিল।

    অধ্যাপকের অভিযোগ

    আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের (এএমইউ) রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রবীণ অধ্যাপক রচনা কৌশল প্রায় তিন দশক ধরে চলা ধর্মীয় বৈষম্য ও মানসিক হয়রানির গুরুতর অভিযোগ এনেছেন। তাঁর দাবি, ধারাবাহিক নিপীড়নের ফলে এমন এক শত্রুতাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, যার কারণে ২০০৪ সালে যমজ সন্তানের গর্ভধারণের সময় তাঁর গর্ভপাত ঘটে। এএমইউয়ের উপাচার্যের কাছে জমা দেওয়া অডিও রেকর্ডিং ও নথিপত্রের ভিত্তিতে করা এই অভিযোগ একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মনিরপেক্ষতার মারাত্মক লঙ্ঘন এবং হিন্দুদের বিরুদ্ধে লক্ষ্যভিত্তিক হয়রানির চিত্র তুলে ধরে (Hindus Under Attack)।

    রাম’ শব্দে বিতর্ক

    ছত্তিশগড়ের মহাসমুন্দ জেলায় সরকারি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ইংরেজি অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার একটি বহুনির্বাচনী প্রশ্ন ঘিরে ৮ জানুয়ারি বিক্ষোভ ছড়িয়ে (Roundup Week) পড়ে। প্রশ্নে একটি কুকুরের নাম হিসেবে বিকল্পের মধ্যে ‘রাম’ শব্দটি অন্তর্ভুক্ত থাকায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়। ৭ জানুয়ারির পরীক্ষায় প্রশ্নটি ছিল—‘মোনার কুকুরের নাম কী?’ বিকল্প হিসেবে দেওয়া হয়েছিল ‘বালা’, ‘শেরু’, ‘নো ওয়ান’ এবং ‘রাম’। স্থানীয় হিন্দু সংগঠনগুলির অভিযোগ, এতে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে। বেঙ্গালুরুর ইলেকট্রনিক সিটির হুলিমাঙ্গলা এলাকায় এক উদ্বেগজনক ঘটনার সাক্ষী হল শহরটি। অবৈধ ইসলামি বসতি উচ্ছেদ অভিযানের সময় এক ইসলামপন্থী মহিলা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন। সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, জেসিবি মেশিন দিয়ে বেআইনি নির্মাণ ভাঙার সময় এই ঘটনা ঘটে। পরে হেব্বাগোডি থানার পুলিশ ওই মহিলাকে গ্রেফতার করে এবং তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয় (Hindus Under Attack)।

    পুলিশ ও বিচারব্যবস্থার বৈরী মনোভাব

    দিল্লির তুর্কমান গেট এলাকায় ফয়েজ-ই-ইলাহি মসজিদের কাছে পুরনিগমের উচ্ছেদ অভিযানের সময় সংঘটিত হিংসার ঘটনায় অভিযুক্ত মহম্মদ ইমরানকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ (Roundup Week)। পাকিস্তানের ইসলামিক প্রজাতন্ত্রে হিন্দু সংখ্যালঘু নাবালিকা মেয়েদের অপহরণ, ধর্ষণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তর ও বিয়ে একটি সাধারণ ও নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু সিন্ধ প্রদেশেই প্রতি বছর অন্তত ১,০০০ সংখ্যালঘু মেয়ে এ ধরনের যৌন দাসত্বের শিকার হয়। এছাড়াও পাকিস্তানের হিন্দুরা প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত বৈষম্য এবং অবহেলার মুখোমুখি, যার মধ্যে রয়েছে হিন্দু মন্দিরে ঘনঘন হামলা, শিক্ষাক্রমে হিন্দুবিদ্বেষী উপস্থাপন, পুলিশ ও বিচারব্যবস্থার বৈরী মনোভাব, মৌলিক অধিকার অস্বীকার এবং এমনকি অস্পৃশ্যতার মতো সামাজিক বৈষম্য। পাকিস্তানে ভিল (Bheel) সম্প্রদায়ের মহিলাকে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের সাম্প্রতিক ঘটনাটি পাকিস্তানে হিন্দু সংখ্যালঘুদের করুণ অবস্থার আর একটি জ্বলন্ত প্রমাণ।

    প্রান্তিক ভাগচাষি নিহত

    পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশে প্রভাবশালী এক জমিদারের গুলিতে কাইলাস কোলহি নামে এক প্রান্তিক ভাগচাষি নিহত হন। এই হত্যাকাণ্ড সংখ্যালঘু গোষ্ঠী ও মানবাধিকার কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও বিক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। গ্রামীণ সিন্ধে সামন্ততান্ত্রিক হিংসা, সংখ্যালঘু অধিকার ও বিচারহীনতার দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলি আবারও সামনে এসেছে। বিক্ষোভকারীরা অবিলম্বে পদক্ষেপ ও ঝুঁকিপূর্ণ সম্প্রদায়ের সুরক্ষার দাবিতে সড়ক ও জাতীয় সড়ক অবরোধ করে (Roundup Week)। এদিকে, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা অব্যাহত এবং পরিকল্পিতভাবে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ধীরে ধীরে দেশছাড়া করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের গবেষণা অনুযায়ী, কাঠামোগত ও প্রাতিষ্ঠানিক নিপীড়নের ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগে গণহামলা, ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর, এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য, এইসব পদ্ধতি ব্যবহার করে হিন্দুদের আতঙ্কিত করে দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হচ্ছে।

    দীপু দাস হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত

    বাংলাদেশ পুলিশ ময়মনসিংহে দীপু দাস হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত এক মসজিদের ইমাম ইয়াসিন আরাফতকে গ্রেফতার করেছে। এই গ্রেফতারিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ ঘটনাটি বাংলাদেশ-সহ আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছিল এবং ভারত থেকেও কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করা হয়েছিল। শরীয়তপুর জেলায় সংঘটিত এক নৃশংস হামলায় জখম হয়ে বছর পঞ্চাশের ব্যবসায়ী খোকন চন্দ্র দাসের মৃত্যু হয়েছে বলে পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে খবর। তিনি ডামুড্যা উপজেলার তিলই গ্রামের বাসিন্দা এবং একটি ওষুধের দোকান ও মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবার মালিক ছিলেন। ৩১ ডিসেম্বর রাতে কেওড়ভাঙা বাজারের কাছে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয় (Roundup Week)।

    হিন্দু ব্যক্তির নতুন হত্যাকাণ্ড

    বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে এক হিন্দু ব্যক্তির নতুন হত্যাকাণ্ডে। উত্তর-পূর্ব বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার বাসিন্দা জয় মহাপাত্রকে স্থানীয় এক ব্যক্তি মারধর করে গুরুতর আহত করে এবং পরে বিষ প্রয়োগ করে বলে পরিবারের অভিযোগ। তাঁকে সিলেটের এমএজি ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয় (Hindus Under Attack)। উত্তর-পশ্চিম বাংলাদেশের এক ঘটনায় চুরির অভিযোগে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে বাঁচতে একটি খালে ঝাঁপ দিয়ে মারা যান মিঠুন সরকার নামে একজন। এটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে হিংসার আর একটি উদাহরণ। পাবনা জেলার প্রখ্যাত হিন্দু সংগীতশিল্পী ও ক্ষমতাসীন আওয়ামি লিগের প্রবীণ নেতা প্রলয় চাকীর মৃত্যু হয়েছে পুলিশি হেফাজতে থাকাকালীন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে।

    ঘৃণাজনিত অপরাধ

    বেশিরভাগ ঘৃণাজনিত অপরাধের পেছনে রয়েছে হিন্দুবিদ্বেষ, যা কিছু ধর্মীয় শিক্ষাব্যবস্থা ও রাজনৈতিক মতাদর্শের ভেতরে প্রোথিত। ইসলামি দেশগুলিতে হিন্দুবিরোধী ঘৃণা প্রকাশ্য ও স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ও জনপরিসরে হিন্দুবিদ্বেষের আর একটি সূক্ষ্ম রূপ রয়েছে, যা হিন্দুফোবিয়া ও ঘৃণাজনিত অপরাধের সহায়ক পরিবেশ তৈরি করে (Roundup Week)। এই সূক্ষ্ম ও দৈনন্দিন বৈষম্য সহজে চোখে পড়ে না, যদি না বিদ্যমান আইন ও তার প্রয়োগের ধরন এবং সামগ্রিক প্রবণতাগুলি গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়। দীপাবলিতে ধীরে ধীরে বাজি পোড়ানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা তার একটি ভালো উদাহরণ। আপাতদৃষ্টিতে এটি দূষণ-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত বলে মনে হতে পারে। কিন্তু বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবগুলির ওপর ধারাবাহিক বিধিনিষেধ এবং এই নিষেধাজ্ঞার পেছনে সুসংগত যুক্তির অভাব লক্ষ্য করলে সংশ্লিষ্ট দ্বৈত মানদণ্ডই স্পষ্ট হয়ে ওঠে (Hindus Under Attack)।

     

  • Bangladesh: মারাই গেলেন হিন্দু ব্যবসায়ী খোকন দাস, জ্যান্ত জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল ইউনূসের বাংলাদেশে

    Bangladesh: মারাই গেলেন হিন্দু ব্যবসায়ী খোকন দাস, জ্যান্ত জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল ইউনূসের বাংলাদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ মারাই গেলেন বাংলাদেশের (Bangladesh) হিন্দু ব্যবসায়ী খোকন চন্দ্র দাস। বর্ষবরণের রাতে কয়েকজন দুষ্কৃতী প্রথমে ছুরিকাঘাত করে তাঁকে, পরে গায়ে লাগিয়ে দেয় আগুন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকালে মৃত্যু হয় তাঁর (Hindu Businessman)। ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৭টা ২০ মিনিট নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয় বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় প্রায় তিন দিন ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন খোকন। কিন্তু তাঁর শারীরিক অবস্থার ক্রমাগত অবনতি হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো যায়নি। জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, “শরিয়তপুর জেলার দামুদ্যা উপজেলার অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আহত খোকন দাস আজ সকাল ৭টা ২০ মিনিটে বাংলাদেশ জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে মারা গিয়েছেন।”

    হিন্দু ব্যবসায়ীর ওপর হামলা (Bangladesh) 

    নববর্ষের রাতে শরিয়তপুরের দামুদ্যা উপজেলায় একদল দুর্বৃত্ত খোকনের ওপর হামলা চালিয়েছিল। হামলাকারীরা প্রথমে তাঁকে ছুরি দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপায়, পরে গায়ে আগুন লাগিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে ঢাকায় স্থানান্তরিত করা হয়।এই ঘটনার জেরে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে নতুন করে (Bangladesh)। চিকিৎসকদের মতে, খোকনের শরীরের প্রায় ৩০ শতাংশ অংশ দগ্ধ হয়েছে। আগুনে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাঁর মুখমণ্ডল ও শ্বাসনালী। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এই আঘাতগুলি অত্যন্ত গুরুতর ছিল। প্রশাসন সূত্রে খবর, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের কাজ সম্পন্ন হলেই দেহ তুলে দেওয়া হবে পরিবারের হাতে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন (Hindu Businessman)।

    শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন

    শরিয়তপুর জেলার দামুদ্যা উপজেলার কোনেশ্বর ইউনিয়নের কেয়ুরভাঙা বাজার এলাকায় ছিল খোকনের ওষুধের দোকান। বর্ষবরণের রাতেও প্রতিদিনের মতোই দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। এই সময় একদল দুর্বৃত্ত পথরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করতে থাকে তাঁকে। পরে তাঁর শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় হামলাকারীরা। প্রাণ বাঁচাতে রাস্তার পাশের একটি পুকুরে ঝাঁপ দেন খোকন। তাঁর চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এলে হামলাকারীরা চম্পট দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয় (Bangladesh)। শরিয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলায় দুর্বৃত্তদের হামলায় গুরুতর আহত এক ব্যবসায়ী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। নিহতের নাম দাস। তিনি মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

    চিকিৎসকের বক্তব্য

    স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় দাসকে উদ্ধার করে প্রথমে শরিয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা সেদিন রাতেই তাকে ঢাকায় রেফার করেন। শরিয়তপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নজরুল ইসলাম জানান, খোকন দাসের শরীরের একাধিক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন ছিল। তাঁর পেটে গুরুতর ক্ষত ছিল। তাঁর মুখমণ্ডল, মাথার পেছনের অংশ ও হাতের একটা অংশ আগুনে পুড়ে গিয়েছিল। ডামুড্যা থানার পুলিশ সূত্রে খবর, খোকন কনেশ্বর ইউনিয়নের তিলই গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।   ঘটনার সময় তিনি একটি অটোরিকশায় চড়ে ডামুড্যা–শরিয়তপুর সড়ক দিয়ে যাচ্ছিলেন। পথে দুর্বৃত্তরা তাঁর ওপর হামলা চালায় (Hindu Businessman)।

    কী বলছেন ওসি

    ডামুড্যা থানার ওসি মহম্মদ রবিউল হক জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত দু’জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, “কেওড়ভাঙা বাজারে এক ব্যবসায়ীর ওপর হামলার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই (Bangladesh)। হামলাকারীদের মধ্যে দু’জনের পরিচয় জানা গিয়েছে। তারা স্থানীয় বাসিন্দা রাব্বি ও সোহাগ। তাদের গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে। এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

    গ্রেফতারির দাবি

    নিহতের এক আত্মীয় বলেন, “এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া যাবে না। যাদের পরিচয় পাওয়া গিয়েছে, তাদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে।” নিহতের স্ত্রী সীমা দাস জানান, বাড়িতে ঢোকার মুহূর্তেই তাঁর স্বামীর ওপর হামলা চালানো হয়। তিনি বলেন, “আমার স্বামী পেশায় ব্যবসায়ী। তিনি বাড়িতে ঢোকার সময় একদল লোক তাঁর ওপর হামলা চালায়। তারা গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। আমার স্বামী অত্যন্ত শান্ত প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। কারও সঙ্গে তাঁর কোনও শত্রুতা ছিল না। কেন হামলা করা হল, আমরা কিছুই বুঝতে পারছি না (Hindu Businessman)।”

    প্রসঙ্গত, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা এমন একটা সময়ে ঘটল, যখন বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হিংসার ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে (Bangladesh)। গত মাসেই ময়মনসিংহে পোশাক কারখানার কর্মী দীপু চন্দ্র দাসকে মিথ্যে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে পিটিয়ে খুন করা হয়। একই সময়ে রাজবাড়িতে তোলাবাজির অভিযোগে অমৃত মণ্ডল নামে আর এক হিন্দু যুবককে প্রকাশ্যে পিটিয়ে খুন করা হয়। পরপর এই ধরনের ঘটনায় বাংলাদেশ ও ভারতের রাজনৈতিক মহল, ধর্মীয় সংগঠন এবং সংখ্যালঘু অধিকার সংগঠনগুলির মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন মহল থেকে এই হিংসার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে (Hindu Businessman)। দাবি উঠেছে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার (Bangladesh)।

  • TMC: মুসলিম-তোষণের জন্য এবার নিউটাউনে দুর্গা অঙ্গনের স্থান বদল! মমতাকে তুলোধনা বিজেপির

    TMC: মুসলিম-তোষণের জন্য এবার নিউটাউনে দুর্গা অঙ্গনের স্থান বদল! মমতাকে তুলোধনা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গা অঙ্গন বিতর্কে বেকায়দায় তৃণমূল (TMC)। এই ইস্যুতে রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে ফের একবার তোপ দাগল বিজেপি। পদ্মশিবিরের দাবি, এই প্রকল্প ঘিরেই সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্য রাজনীতিতে (Muslim Vote Bank) নতুন এক উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সংবাদ মাধ্যমের একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, তৃণমূল সরকার নিউ টাউনের বিশ্ববাংলা সরণির ধারে সরকারি জমিতে বৃহৎ দুর্গা অঙ্গন প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেন। মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের পক্ষ থেকে একে মা দুর্গার প্রতি ‘সভ্যতাগত শ্রদ্ধার্ঘ্য’ বলে উল্লেখ করা হয়। দুয়ারে বিধানসভা নির্বাচন কড়া নাড়ায় প্রকল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি জমি নির্বাচনও করা হয়। দ্রুত টেন্ডার ডেকে তড়িঘড়ি করে চুক্তি স্বাক্ষর এবং মাটি ভরাটের কাজ শুরু হয়ে যায়।

    ৪ কোটি টাকা জলে (TMC)

    সরকারি নথি অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই প্রায় ৪ কোটি টাকার কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। প্রকল্পের প্রস্তুতিমূলক ব্যয় ধরা হয়েছিল ১০ কোটি টাকার কাছাকাছি (Muslim Vote Bank)। হঠাৎ করে পরিস্থিতি বদলে যায়, যখন স্থানীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একাংশ দাবি তোলে যে ওই জমি মুসলিম ওরিজিন এবং সেখানে একটি হিন্দু ধর্মীয় কাঠামো নির্মাণে সরকারি অর্থ ব্যয় করা অনুচিত। এই আপত্তির পরেই অভিযোগ, রাজ্য সরকার আচমকাই প্রকল্পের কাজ বন্ধ করে দেয়। সবচেয়ে (TMC) বিতর্কের বিষয় হল, এই সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সরকারের তরফে কোনও ব্যাখ্যা, কোনও দায়বদ্ধতা নির্ধারণ, এবং ইতিমধ্যেই ব্যয় হওয়া অর্থ ফেরতের কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি (Muslim Vote Bank)। শেষ মুহূর্তে প্রকল্পের শিলান্যাস অন্য একটি জমিতে সরিয়ে দেওয়া হয়, যা আদতে শিল্প প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত ছিল।

    তুষ্টিকরণের রাজনীতি

    তৃণমূলের তুষ্টিকরণের এই রাজনীতিকেই নিশানা করেছে বিজেপি। পদ্ম-নেতা অমিত মালব্য এই ঘটনাকে কটাক্ষ করে বলেন, “এটি শাসনের নামে আতঙ্কজনিত তোষণ। তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক রক্ষার জন্য করদাতাদের কোটি কোটি টাকা জলে ফেলা হয়েছে।” বিজেপির আরও অভিযোগ, দুর্গা সংক্রান্ত প্রকল্পে বারবার পিছু হটা এক ভয়ঙ্কর বার্তা দিচ্ছে, যেন হিন্দু ধর্ম ও ঐতিহ্য রাজনৈতিক চাপের কাছে  আপসযোগ্য। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই প্রসঙ্গে আগে সমাজমাধ্যমে লেখেন, “এবার ছুঁচো গেলার অবস্থা হয় মাননীয়ার ! নিজেকে হিন্দু প্রমাণ করতে গিয়ে দুর্গাঙ্গন, মহাকাল মন্দির ইত্যাদি বানানোর ঘোষণা করা হয়ে গেছে, আবার মুসলিম ভোট ব্যাংক কে চটালে সাড়ে সর্বনাশ!” নন্দীগ্রামের বিধায়ক আরও লেখেন, “অজ্ঞতা ভোট ব্যাংকের ওজনের ভারের তুলনায় হিন্দুদের ভাবাবেগ হালকা, তাই তাড়াতাড়ি স্থান পরিবর্তন করে বর্তমানে দুর্গাঙ্গনের স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে নিউটাউনের বাস স্ট্যান্ডের পাশে। এবারের চিহ্নিত জমি শিল্পের জন্যে নির্ধারিত ছিল!”

    বিজেপির অভিযোগ (TMC)

    বিজেপির দাবি, এই ঘটনা শুধুই আর্থিক অপচয় নয় (TMC), বরং রাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অনুভূতির প্রতিও অবমাননাকর। এদিকে, দুর্গাপুজো ও হিন্দু ধর্মীয় রীতিনীতি নিয়ে ফের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে (TMC) আক্রমণ শানাল বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের দাবি, গত কয়েক বছরে রাজ্য সরকারের নেওয়া একাধিক সিদ্ধান্তে একটি স্পষ্ট প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যেখানে সাংবিধানিক সমতা ও সাংস্কৃতিক মর্যাদার বদলে ভোটের অঙ্কই প্রধান হয়ে উঠেছে। গেরুয়া শিবিরের মতে, এই ধরনের সিদ্ধান্ত হিন্দু সমাজের ধর্মীয় অধিকারকে খর্ব করছে। এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ শাখার অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবারও রাজনৈতিক তোষণের জন্য দুর্গাপুজোর সঙ্গে আপোস করেছেন। পোস্টে বলা হয়েছে, সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর আপত্তি উঠলেই হিন্দু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের ওপর নানা বিধিনিষেধ আরোপ করাকে রাজ্য সরকার কার্যত স্বাভাবিক করে তুলেছে।

    হিন্দু সমাজের মধ্যে ভয়ের পরিবেশ

    বিজেপির আরও অভিযোগ, এই ধরনের অবস্থান নির্বাচিত কিছু গোষ্ঠীকে বিক্ষোভে উৎসাহিত করছে এবং রাজ্যের হিন্দু সমাজের মধ্যে ভয় ও অনাস্থার পরিবেশ সৃষ্টি করছে। গেরুয়া শিবিরের মতে, এর ফলে রাজ্যে ধর্মীয় সহাবস্থানের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। এই ইস্যুতে এখনও পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেস বা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি (TMC)। তবে দুর্গাপুজো ঘিরে রাজনৈতিক তরজা যে আরও তীব্র হতে চলেছে, তা স্পষ্ট। একটি রাজনৈতিক দলের অভিযোগ, ২০১৬ সালে বীরভূম জেলার একটি গ্রামে টানা চার বছর ধরে দুর্গাপুজো করার অনুমতি পায়নি গ্রামের শতাধিক হিন্দু পরিবার। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই গ্রামের বাসিন্দারা জেলাশাসক, পুলিশ সুপার-সহ একাধিক ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক আধিকারিকের কাছে বারবার আবেদন করলেও, পুজোর অনুমতি মেলেনি।

    উদ্যোক্তাদের দাবি

    উদ্যোক্তাদের দাবি, প্রায় ২৫টি মুসলিম পরিবারের আপত্তির পরেই প্রশাসন দুর্গাপুজোর অনুমতি দিতে অস্বীকার করে। জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রের বক্তব্য উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই এলাকায় পুজোর সংখ্যা আগেই চূড়ান্ত করা হয়ে গিয়েছিল (Muslim Vote Bank)। তাই নতুন করে আর কোনও পুজোর অনুমতি দেওয়ার সুযোগ নেই (TMC)। এই ঘটনাকে ঘিরে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্ব করার অভিযোগও প্রকাশ্যে এসেছে। কাংলাপাহাড়ি দুর্গা মন্দির কমিটির সদস্য চন্দন সাউয়ের অভিযোগ, পুজো আয়োজনের অনুমতি না মেলায় ওই এলাকার মহিলা ও শিশুদের দুর্গাপুজোয় আনন্দ করতে তিন থেকে আট কিলোমিটার পর্যন্ত পথ যাতায়াত করতে হচ্ছে। তাঁর দাবি, পরিস্থিতি জানা সত্ত্বেও জেলা প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে হস্তক্ষেপ করেনি। কারণ তারা মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি অংশকে বিরূপ করতে চায়নি।

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া

    এই ঘটনায় বিজেপির প্রতিক্রিয়া, এটি রাজনৈতিক চাপে পরিচালিত প্রশাসনিক পক্ষপাতের স্পষ্ট উদাহরণ (TMC)। বিজেপি এও মনে করিয়ে দিয়েছে, ২০১৭ সালে দুর্গাপ্রতিমা বিসর্জন নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের কথাও (Muslim Vote Bank)। সেই সময় মহরমের মিছিলের কথা উল্লেখ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে মামলাও হয়েছিল এবং কলকাতা হাইকোর্ট সেই নিষেধাজ্ঞা বাতিল করে দিয়েছিল।

    কী বলেছিল আদালত

    হাইকোর্ট তখন ওই সিদ্ধান্তকে খামখেয়ালি বলে আখ্যা দিয়েছিল। পর্যবেক্ষণে আদালত জানিয়েছিল, রাজ্য সরকার একটি সম্প্রদায়কে তুষ্ট করতে গিয়ে অন্য সম্প্রদায়ের স্বার্থ উপেক্ষা করেছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়। কড়া ভাষায় দেওয়া সেই নির্দেশে আদালত স্পষ্ট জানায়, সরকার এমন কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারে না যা বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করে। আদালত আরও উল্লেখ করেছিল, পূর্ববর্তী (Muslim Vote Bank) বছরগুলিতে (TMC) এই ধরনের কোনও বিধিনিষেধ ছিল না।

  • Hindus Under Attack: দেশ তো বটেই, বিদেশেও চলছে হিন্দুদের ওপর হামলা

    Hindus Under Attack: দেশ তো বটেই, বিদেশেও চলছে হিন্দুদের ওপর হামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও বিদেশ সর্বত্রই হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর হামলা এখন নিয়মিত ও নিরবচ্ছিন্ন হয়ে উঠেছে (Hindus Under Attack)। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন আমাদের চোখের সামনেই ধীরে ধীরে সংঘটিত হওয়া এক ধরনের গণহত্যার রূপ নিচ্ছে (Roundup Week)। কয়েক দশক ধরে বিশ্ব এই হামলাগুলির প্রকৃত গভীরতা ও বিস্তৃতি উপেক্ষা করে এসেছে, যার পেছনে রয়েছে উদ্বেগজনক হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ। হত্যা, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য – সব মিলিয়ে হিন্দুরা অস্তিত্বের সংকটে পড়েছেন। এসবই নজিরবিহীন হিন্দু-বিদ্বেষের প্রকাশ। ২১ ডিসেম্বর থেকে ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫- এই সময়সীমায় প্রকাশিত সাপ্তাহিক সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদনে আমরা এই ধরনের অপরাধগুলির একটি চিত্র তুলে ধরতে চাই, যাতে বিশ্বজুড়ে আরও মানুষ এই মানবাধিকার সংকট সম্পর্কে সচেতন হন।

    ভারতের ছবি (Hindus Under Attack)

    প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। তেলঙ্গনার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডির নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস সরকার তাদের শাসনব্যবস্থা ও রাজনৈতিক বার্তায় খ্রিস্টান প্রতিষ্ঠান, যাজক ও সাধারণ খ্রিস্টান সমাজের সঙ্গে অত্যন্ত সক্রিয় ও প্রকাশ্য যোগাযোগ স্থাপন করেছে। অন্তত সাতটি উচ্চপর্যায়ের নথিভুক্ত অনুষ্ঠানে খ্রিস্টান উৎসব, কল্যাণমূলক প্রতিশ্রুতি এবং চার্চ সম্পত্তির সুরক্ষার বিষয়টি বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়েছে। গুজরাটের নবসারি জেলার দাবেল গ্রামে এক তরুণ হিন্দু আদিবাসীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে, যা ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে এবং লক্ষ্যভিত্তিক হিংসা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। নিহত যুবকের নাম দীপক কালিদাস রাঠোর। তিনি হালপতি আদিবাসী সম্প্রদায়ের সদস্য ছিলেন। নবসারি পুলিশের দায়ের করা এফআইআর অনুযায়ী, তাঁর এলাকার একাধিক মুসলিম যুবকের নৃশংস হামলার ফলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয় (Roundup Week)।

    গায়িকা লগ্নজিতাকে হেনস্থা

    খ্যাতনামা বাঙালি গায়িকা লগ্নজিতা চক্রবর্তীর অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গের ভগবানপুরে একটি বেসরকারি স্কুলের অনুষ্ঠানে লাইভ(Hindus Under Attack)  পারফরম্যান্স চলাকালীন তাঁকে মৌখিক ও শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয়। তিনি যখন চলচ্চিত্র দেবী চৌধুরানী থেকে ভক্তিমূলক গান “জাগো মা” পরিবেশন করেন, তখন মেহবুব মল্লিক নামে এক ব্যক্তি, যিনি এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা বলে পরিচিত, মঞ্চে উঠে তাঁকে ধমক দেন এবং ‘ধর্মনিরপেক্ষ কিছু’ গান গাওয়ার দাবি জানান। তামিলনাড়ুর ডিন্ডিগুল জেলা ও আশপাশের একাধিক গ্রামে জমির ব্যবহার, ধর্মীয় অধিকার এবং কথিত দখলদারিকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা চলছে। এর মধ্যে পেরুমাল কোভিলপট্টি গ্রামটি বিশেষভাবে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। গ্রামটিতে প্রায় ১,০০০টি পরিবার বসবাস করে, যার মধ্যে আনুমানিক ৮৫০টি খ্রিস্টান এবং প্রায় ১৫০টি হিন্দু পরিবার। ফলে হিন্দুরা সেখানে সংখ্যালঘু। বিরোধের কেন্দ্রবিন্দু হল ধর্মীয় উদ্দেশ্যে বরাদ্দ সরকারি একটি জমি।

    নমাজ বিতর্ক

    বৈষ্ণব কিন্নর আখড়ার মহামণ্ডলেশ্বর আরাধনা সখী পুনের শনিবার ওয়াড়া নমাজ বিতর্কে সরব হওয়ার পর ব্যাপক দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর বিতর্কের সূত্রপাত হয়। সেখানে দেখা যায় সংরক্ষিত ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভ শনিবার ওয়াড়ার প্রাঙ্গনে নমাজ আদায় করা (Roundup Week) হচ্ছে। কেরলের শিক্ষামন্ত্রী ভি শিবন কুট্টি তিরুবনন্তপুরমের আট্টুকালে অবস্থিত চিন্ময় বিদ্যালয়কে(Hindus Under Attack) বড়দিন উদযাপনের নির্দেশ দেন। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, বিদ্যালয়টি বড়দিন উদযাপনের জন্য প্রত্যেক ছাত্রের কাছ থেকে ৬০ টাকা করে সংগ্রহ করেছিল। পরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ টাকা ফেরত দিয়ে জানায় যে উৎসবটি বাতিল করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, এক অভিভাবকের অভিযোগের পর মন্ত্রী হস্তক্ষেপ করে স্কুলকে উৎসব আয়োজনের নির্দেশ দেন।

    হিন্দুরা বৈষম্যের শিকার

    ডিএমকের শাসনে হিন্দুরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। এই বৈষম্যের সর্বোত্তম উদাহরণ হল থিরুপারঙ্কুন্দ্রাম। তামিলনাড়ুর মাদুরাই জেলার এই ঐতিহাসিক শহরটি ধর্মীয় স্বাধীনতা, প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা এবং হিন্দু ধর্মীয় আচরণের প্রতি বৈষম্য নিয়ে বিতর্কের একটি বড় কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। কাশী বিশ্বনাথর মন্দির চত্বরে ও তার আশপাশে সাম্প্রতিক ঘটনাবলি হিন্দু সমাজে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে, কারণ রাজ্য প্রশাসন পরিকল্পিতভাবে হিন্দু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান সীমিত করছে, অথচ মুসলিম ধর্মীয় সমাবেশগুলিকে জাঁকজমকপূর্ণ নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক সহায়তা দিয়ে সাহায্য করছে (Hindus Under Attack)।দীপাবলিতে ‘না’, কিন্তু বড়দিনে ‘হ্যাঁ’- এই হল (Roundup Week) টিভিকে বিজয়ের দ্রাবিড় মডেলের রাজনীতি। অভিনেতা-রাজনীতিবিদ বিজয়ের দল তামিলাগা ভেট্ট্রি কাজাগাম (TVK) স্পষ্ট দ্বিচারিতার জন্য তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। কারুর পদদলিত দুর্ঘটনার পর জনশোকের অজুহাত তুলে একটি হিন্দু উৎসব উদযাপনে নিরুৎসাহিত করা হয়, অথচ পরে কোনও সংযম না দেখিয়ে বড়দিন উদযাপন করা হয় এবং তাতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণও করা হয়।

    লাভ জেহাদ

    ওড়িশার কেন্দ্রপাড়া জেলায় এক মুসলিম মহিলার অভিযোগ একটি আলোচিত তদন্তের সূত্রপাত করেছে। অভিযোগ, তাঁর স্বামী পরিকল্পিত ‘লাভ জেহাদ’ চক্রের মাধ্যমে হিন্দু নারীদের ফাঁদে ফেলত এবং প্রতিটি বিয়ের জন্য সহযোগী সংগঠনগুলির কাছ থেকে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত পেত (Hindus Under Attack)। পুলিশ প্রতারণা এবং সংগঠিত আর্থিক প্রণোদনার নেটওয়ার্ক – উভয় বিষয়েই তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনায় রাজ্যে জনরোষ ও রাজনৈতিক চাপ ক্রমেই বাড়ছে। লখনউয়ের কিং জর্জ মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির এক জুনিয়র রেসিডেন্ট ডাক্তার, যিনি যৌন শোষণ, ব্ল্যাকমেইল এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরের (লাভ জেহাদ বা যৌন গ্রুমিং) অভিযোগ এনেছেন। তাঁকে এখন ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে পুলিশি তদন্ত, অভ্যন্তরীণ অনুসন্ধান ও ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ তীব্রতর হয়েছে। অভিযুক্ত মুসলিম রেসিডেন্ট ডাক্তার রামিজউদ্দিন, প্যাথলজি বিভাগের কর্মী, তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। অনুমতি ছাড়া ক্যাম্পাসে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতা ও উত্তরপ্রদেশের ধর্মান্তর বিরোধী আইনের আওতায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    নৃসিংহ স্বামী মন্দির 

    পবিত্র কাদিরি শ্রী নৃসিংহ স্বামী মন্দিরে সাম্প্রতিক ঘটনাটি ভারতজুড়ে হিন্দু ভক্তদের মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। আটটি পুলিশ যান ও নজরদারি ড্রোনের উদ্বোধনের সময় টিডিপি বিধায়ক কন্দিকুন্তা ভেঙ্কট প্রসাদ কাদিরি শ্রী নৃসিংহ স্বামী মন্দিরের প্রবেশদ্বারে একজন পাদ্রি ও একজন মৌলানাকে প্রার্থনা করাতে আমন্ত্রণ জানান। কর্নাটকে কংগ্রেস সরকারের অধীনে কেপু মন্দিরের ‘কোরি কট্টা’ আচারকে (Roundup Week) কেন্দ্র করে পুলিশের হস্তক্ষেপ আইন, ঐতিহ্য এবং হিন্দু ধর্মীয় রীতিনীতিকে লক্ষ্য করে প্রশাসনিক পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা (Hindus Under Attack)। এদিকে, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নিরবচ্ছিন্নভাবে চলছে হামলা। পরিকল্পিতভাবে দেশটি থেকে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়টিকে ধীরে ধীরে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে এসব হামলা করা হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের একটি গবেষণা অনুযায়ী, প্রাতিষ্ঠানিক ও পদ্ধতিগত নিপীড়নের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে আর কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে জনতার হামলা, নারীদের ধর্ষণ ও জোরপূর্বক ধর্মান্তর, এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য, এসবই হিন্দুদের ভয় দেখানো ও দেশ ছাড়তে বাধ্য করার জন্য ব্যবহৃত কৌশল।

    বাংলাদেশের ছবি

    ঝিনাইদহ জেলায় এক হিন্দু রিকশাচালককে জনতা মারধর করেছে বলে জানা গিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা তার কবজিতে একটি পবিত্র লাল সুতো লক্ষ্য করার পর তাঁর পরিচয় ও উদ্দেশ্য নিয়ে গুজব ছড়াতে শুরু করে। স্থানীয় সূত্রে খবর, ঝিনাইদহ পুরসভার গেটের কাছে একদল লোক ওই অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিকে তাঁর রিকশা থেকে নামিয়ে এনে শুধু কবজির লাল সুতো থাকার কারণেই মারধর করে(Hindus Under Attack)। জনতার সহিংসতার এক ভয়াবহ ঘটনায়, বাংলাদেশ পুলিশের স্থানীয় প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজবাড়ি জেলায় মুসলিম গ্রামবাসীদের হাতে ২৯ বছর বয়সী এক হিন্দু যুবককে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। নিহত ব্যক্তির নাম অমৃত মণ্ডল, যিনি সম্রাট নামেও পরিচিত ছিলেন। পাংশা এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে একটি বিরোধ থেকে সংঘর্ষের সূত্রপাত হলে তাঁকে আক্রমণ করা হয় (Roundup Week)। স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, চট্টগ্রামের রাউজান এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, যখন অভিযোগ ওঠে যে হিন্দু বাসিন্দাদের বাড়ির ভেতরে আটকে রেখে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করা হয়েছিল।

    হিন্দুবিরোধী বিদ্বেষ

    অধিকাংশ ঘৃণাজনিত অপরাধের পেছনে কিছু ধর্মীয় শিক্ষায় ও রাজনৈতিক মতাদর্শে প্রোথিত হিন্দুবিরোধী বিদ্বেষ কাজ করে। ইসলামী দেশগুলিতে হিন্দুবিরোধী ঘৃণা স্পষ্ট হলেও, আর একটি আরও সূক্ষ্ম ধরনের হিন্দুবিরোধী মনোভাব দেখা যায় তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির (যেমন ভারত) প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরে (Hindus Under Attack)। এই সূক্ষ্ম বৈষম্য হিন্দুফোবিয়া ও ঘৃণাজনিত অপরাধের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরি করে। প্রচলিত আইন ও নিদর্শনগুলি গভীরভাবে বিশ্লেষণ না করলে এই দৈনন্দিন বৈষম্য অনেক সময় নজর এড়িয়ে যায়। দীপাবলিতে ধীরে ধীরে আতশবাজির ওপর নিষেধাজ্ঞা তার একটি ভালো উদাহরণ। ওপর ওপর এটি দূষণ-সংক্রান্ত বিষয় বলে মনে হতে পারে। কিন্তু বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবগুলির ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ এবং নিষেধাজ্ঞার পেছনে যুক্তিসঙ্গত (Roundup Week) ব্যাখ্যার অভাব লক্ষ্য করলে এই দ্বিচারিতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে (Hindus Under Attack)।

  • Andhra Pradesh: নাবালিকাকে অপহরণ করে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৪

    Andhra Pradesh: নাবালিকাকে অপহরণ করে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর তেরোর এক নাবালিকাকে অপহরণ করে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে চারজনের বিরুদ্ধে। অন্ধ্রপ্রদেশের (Andhra Pradesh) গুন্টুর জেলার মঙ্গলগিরি শহর এলাকার ওই ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেছে, দায়ের হয়েছে পকসো আইনে মামলাও (Gang Rape Case)।

    গণধর্ষিতা নাবালিকা (Andhra Pradesh)

    পুলিশ সূত্রে খবর, ১৮ ডিসেম্বর রাতে গুন্টুর অঞ্চলের মঙ্গলগিরি রেলস্টেশনের কাছে ঘটনাটি ঘটে। রাত ১০টা নাগাদ নাবালিকাটি তার বন্ধুদের সঙ্গে ছিল। সেই সময় অভিযুক্তরা তাকে প্রলোভন দেখিয়ে একটি অটো-রিকশায় তুলে নেয় এবং শহরের উপকণ্ঠের একাধিক নির্জন জায়গায় নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। পুলিশ জানিয়েছে, বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গিয়ে কিশোরীটিকে বারংবার যৌন নিগ্রহ করা হয়। অভিযুক্তরা হল, তাড়েপল্লির কেএল রাও কলোনির বাসিন্দা শেখ খাদর বাশা (৫০), তার ছেলে কামাল সাহেব (২৫), বিজয়ওয়াড়ার প্রকাশ নগরের বাসিন্দা শেখ সেলিম (৪২) এবং অটো-রিকশাচালক শেখ রাব্বানি (৩৯)।

    নির্যাতিতার চিৎকার

    জানা গিয়েছে, ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে যখন অটো-রিকশায় করে নিয়ে যাওয়ার সময় নির্যাতিতা চিৎকার শুরু করে। তার চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে আসেন। তারপরেই অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে মেয়েটি বাড়িতে ফিরে মাকে ভয়াবহ এই ঘটনার বিবরণ দেয়। অভিযোগ দায়ের করা হয় থানায় (Andhra Pradesh)। অভিযোগ পাওয়ার পরেই পুলিশ আধিকারিক কে বীরস্বামী ও তাঁর দল অভিযানে নামেন। ২১ ডিসেম্বর বিকেলে ডন বসকো এলাকার কাছে চারজন সন্দেহভাজনকেই গ্রেফতার করা হয়। ডিএসপি নিশ্চিত করেছেন যে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা এবং পকসো আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। পরে অভিযুক্তদের রাস্তায় প্যারেড করানো হয়। ডিএসপি মুরলীকৃষ্ণ সংবাদমাধ্যমে বলেন, “এই প্যারেড আমাদের এলাকায় নারী ও শিশুদের লক্ষ্য করে যারা অপরাধ করে, তাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের বার্তা দেওয়া।”

    পুলিশ জানিয়েছে, চার অভিযুক্তকেই বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে (Gang Rape Case)। এই ঘটনাটি কোনও বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত কিনা, কিংবা অন্য কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখাতেই হচ্ছে তদন্ত (Andhra Pradesh)।

LinkedIn
Share