Tag: Muslim women

Muslim women

  • Muslim Women: সংসদের কমিটির বৈঠকে ওয়াকফ বোর্ডের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মুসলিম মহিলারা

    Muslim Women: সংসদের কমিটির বৈঠকে ওয়াকফ বোর্ডের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মুসলিম মহিলারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল সোমবার ওয়াকফ (Waqf Board) সংশোধনী আইনের আরও একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হল। জয়েন্ট পার্লামেন্টারি কমিটির এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিজেপির সাংসদ জগদম্বিকা পাল। প্রকৃতপক্ষে এটাই ছিল প্রথমবার, যখন জয়েন্ট পার্লামেন্টের এই কমিটির বৈঠকে মুসলিম মহিলারাও (Muslim Women) হাজির ছিলেন। আজ ৫ নভেম্বর আরও একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা যাচ্ছে। জয়েন্ট পার্লামেন্টারি কমিটির এই বৈঠকে অখিল ভারতীয় অধিবক্তা পরিষদকেও নামের একটি সংগঠনকেও ডাকা হয়েছে। হাজির থাকবেন সংগঠনের নেতা শ্রী হরিবোরিকর। আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মহম্মদ হানিফ আহমেদ, ইমরান চৌধুরীদেরও হাজির থাকার কথা রয়েছে আজকের বৈঠকে। গতকাল সোমবার যে সমস্ত প্রতিনিধিদের ডাকা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে এই বৈঠকে হাজির ছিলেন মুসলিম বুদ্ধিজীবী মহলের অন্যতম মুখ শালিনি আলি। ওয়াকফ আইন সংশোধনের বিষয়ে তিনি নিজের মতামত রাখেন এবং প্রস্তাবও দেন বলে সূত্রের খবর।

    মুসলিম মহিলারা (Muslim Women) প্রশ্ন তুলেছেন ওয়াকফ বোর্ডের কার্যকারিতা নিয়ে 

    সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, বৈঠকে মুসলিম মহিলারা প্রশ্ন তুলেছেন ওয়াকফ বোর্ডের (Waqf Board) কার্যকারিতা নিয়ে। তাঁরা এমন অভিযোগও করেছেন যে ওয়াকফ বোর্ড সামাজিক কল্যাণে কোনও অংশগ্রহণ করে না। কোনও ভূমিকাই নেই এই বোর্ডের। মুসলিম মহিলারা (Muslim Women) জানিয়েছেন, এই বোর্ডকে শুধুমাত্র কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি পরিচালনা করেন। যাঁরা পরিচালনা করেন তাঁদের মধ্যে কখনও মহিলা প্রতিনিধি অথবা সমাজের ভূমিস্তরের প্রতিনিধিদেরও দেখা যায় না। মুসলিম মহিলাদের দাবি, ওয়াকফ বোর্ড পরিষ্কার করে জানাক যে সমাজের কল্যাণে তাদের ঠিক কী কী ভূমিকা রয়েছে।

    কী বললেন শিয়া ধর্মগুরু?

    সোমবারের বৈঠকে শিয়া মুসলিম (Muslim Women) ধর্মগুরুরাও হাজির ছিলেন, নেতৃত্বে ছিলেন মওলানা মুস্তফা। তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘‘আমরা আমাদের বিষয় রেখেছি, জয়েন্ট পার্লামেন্টের কমিটির কাছে।’’ সূত্রের মাধ্যমে জানা গিয়েছে, ওই ধর্মগুরু প্রস্তাবিত বিলকে সমর্থন করেছেন কিন্তু তাঁর মতভেদ রয়েছে জেলাশাসকদের সার্ভে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ করার বিষয়ে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Supreme Court: এবার খোরপোশ দাবি করতে পারবেন ডিভোর্সি মুসলিম মহিলারাও, ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ

    Supreme Court: এবার খোরপোশ দাবি করতে পারবেন ডিভোর্সি মুসলিম মহিলারাও, ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধ-সকালে ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)। এবার থেকে বিবাহ বিচ্ছেদ হলে প্রাক্তন স্বামীর কাছ থেকে খোরপোশ দাবি করতে পারবেন মুসলিম মহিলারাও (Divorced Muslim Women)। এদিন এমনই রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। রায় দিয়েছে শীর্ষ আদালতের বিচারপতি বিভি নাগারত্ন এবং বিচারপতি অগাস্টাইন জর্জ মাসিহ-র ডিভিশন বেঞ্চ। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের জেরে এতদিন যে সুযোগ-সুবিধা পেতেন হিন্দু বিবাহবিচ্ছিন্ন মহিলারা, এবার থেকে সেই একই সুযোগ পাবেন মুসলমান ডিভোর্সি মহিলারাও।

    ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ (Supreme Court)

    সুপ্রিম কোর্টের এই বেঞ্চ জানায়, মুসলিম মহিলা (বিবাহ বিচ্ছেদ অধিকার সংরক্ষণ) আইন, ১৯৮৬ সেকুলার আইনের ঊর্ধ্বে হতে পারে না। ডিভিশন বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, সব বিবাহিত মহিলাই খোরপোশের দাবি করতে পারেন, তা তিনি যে ধর্মেরই হোন না কেন। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নাগারত্ন বলেন, “কিছু স্বামী এটা বুঝতেই পারেন না যে তাঁর স্ত্রী, যিনি গৃহবধূ, তিনি মানসিক ও অন্যান্য দিক থেকে তাঁর ওপরে নির্ভরশীল। তাই সময় এসেছে, ভারতীয় পুরুষদের গৃহবধূদের ভূমিকা ও আত্মত্যাগকে স্বীকার করে নেওয়ার।”

    ‘অনুচ্ছেদ ১২৫ প্রত্যেক মহিলার ক্ষেত্রেই কার্যকর’

    বিবাহ বিচ্ছেদের পর প্রাক্তন স্ত্রীকে খোরপোশ দিতে অস্বীকার করেছিলেন এক মুসলিম ব্যক্তি। নিম্ন আদালতের খোরপোশের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে তিনি দ্বারস্থ হন সুপ্রিম কোর্টের। এদিন তাঁর সেই পিটিশন খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালত। ডিভিশন বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দেয়, ফৌজদারি আইনের ১২৫ নম্বর ধারায় বিবাহ বিচ্ছিন্ন মুসলিম মহিলারাও খোরপোশ দাবি করতে পারেন তাঁর প্রাক্তন স্বামীর কাছ থেকে।

    আর পড়ুন: দেশে নয়া কর্মসংস্থান হয়েছে ৪ কোটি ৭০ লাখ, বলছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক

    সুপ্রিম কোর্টের মন্তব্য, “অনুচ্ছেদ ১২৫ প্রত্যেক মহিলার ক্ষেত্রেই কার্যকর। কেবলমাত্র বিবাহিত হিন্দু মহিলাই নন, প্রত্যেক মহিলার ক্ষেত্রেই কার্যকর।” আদালত (Supreme Court) এ-ও জানিয়েছে, খোরপোশ কোনও দান-খয়রাত নয়। প্রত্যেক বিবাহিত মহিলার অধিকার। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, খোরপোশের আবেদন মুলতুবি থাকাকালীনও যদি বিবাহ বিচ্ছেদে সিলমোহর পড়ে যায়, তাহলে সেক্ষেত্রে ২০১৯ সালের আইন অনুযায়ী এগোতে (Divorced Muslim Women) পারবেন সংশ্লিষ্ট মহিলা। সেক্ষেত্রেও ১২৫ নম্বর ধারায় রয়েছে প্রতিকারের ব্যবস্থা (Supreme Court)।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lucknow: ‘ভোট-প্রতিশ্রুতি’র ১ লক্ষ টাকা নিতে লখনউ কংগ্রেস দফতরে ভিড় জমালেন মুসলিম মহিলারা

    Lucknow: ‘ভোট-প্রতিশ্রুতি’র ১ লক্ষ টাকা নিতে লখনউ কংগ্রেস দফতরে ভিড় জমালেন মুসলিম মহিলারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবারই প্রকাশিত হয়েছে ২০২৪ লোকসভা ভোটের ফলাফল। ফলাফলে ইন্ডিয়া জোট অপ্রত্যাশিতভাবে উত্তর প্রদেশে বিজয়ী হয়েছে। আর সেই ফল প্রকাশের পরেই বুধবার লখনউ (Lucknow) এর একটি কংগ্রেস অফিসের বাইরে প্রচারের সময় প্রতিশ্রুত ‘গ্যারান্টি কার্ডের’ দাবিতে ভিড় জমায় অসংখ্য মহিলা। কারন নির্বাচনের আগে প্রচারের সময় কংগ্রেস অনেক পরিবারকে ‘গ্যারান্টি কার্ড’ বিতরণ করেছিল। একইসঙ্গে প্রতি দরিদ্র পরিবারের মহিলা প্রধানকে বার্ষিক ১ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল। আর এদিন সেই প্রতিশ্রুতির দাবি নিয়েই কংগ্রেস অফিসের (Congress office) বাইরে ভিড় জমান অসংখ্য মহিলা। 

    প্রকাশ্যে ভিডিও ফুটেজ (Lucknow)

    সম্প্রতি একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে এই গরমে রোদ মাথায় নিয়ে বেশ কিছু সংখ্যক মুসলিম মহিলা লখনউতে কংগ্রেস অফিসের (Congress office)  বাইরে লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। তাদের মধ্যে কিছু মহিলা ‘গ্যারান্টি কার্ড’ দাবি করেছেন। অন্যদিকে যারা ইতিমধ্যে তাদের গ্যারান্টি কার্ড পেয়েছেন তারা তাদের অ্যাকাউন্টে প্রতিশ্রুত অর্থ জমা দেওয়ার জন্য ফর্ম জমা দিয়েছেন। কেউ কেউ দাবি করেছেন যে তারা তাদের ফর্ম জমা দেওয়ার পরে কংগ্রেস অফিস থেকে রসিদ পেয়েছেন।

     

    ‘ঘর ঘর গ্যারান্টি’ কর্মসূচি  

    নির্বাচনের আগেই কংগ্রেস ২৫টি গ্যারান্টি কার্ড সহ প্রায় ৮ কোটি পরিবারের কাছে পৌঁছানোর জন্য ‘ঘর ঘর গ্যারান্টি’ কর্মসূচি চালু করেছিল। এর মধ্যে ছিল মহালক্ষ্মী স্কিম, যা দারিদ্র্য সীমার নীচে (বিপিএল) পরিবারের মহিলা প্রধানদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি প্রতি মাসে ৮,৫০০ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি। এই প্রকল্পটি আসলে কর্ণাটকের কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন গৃহ লক্ষ্মী প্রকল্পের অনুরূপ। যদিও কর্ণাটকে দরিদ্র পরিবারের মহিলা প্রধানদের ২,০০০ টাকা প্রদান করে এই স্কিম।  

    আরও পড়ুন: সপ্তাহের শেষে শিয়ালদহ ডিভিশনে বাতিল বহু ট্রেন! আবারও ভোগান্তির আশঙ্কা নিত্য যাত্রীদের

    অন্যদিকে ইন্ডি জোট ক্ষমতায় এলে এসব সুযোগ সুবিধা পাওয়ার লক্ষ্যে সম্প্রতি অনেক মহিলা বেঙ্গালুরুর জেনারেল পোস্ট অফিসে অ্যাকাউন্ট খুলতে ছুটে এসেছেন। কারন তাঁরা আশা করেছিলেন যদি ইন্ডি জোট কেন্দ্রে ক্ষমতা পায় তাহলে মাসিক ৮,৫০০ টাকা তাদের অ্যাকাউন্টে জমা হবে। তবে ফলাফল প্রকাশের পর দেখা গেছে ইন্ডি জোট এক্সিট পোলকে মিথ্যে করে দিয়ে ২৩৪টি আসনে জয়ী হয়েছে। একইসঙ্গে এনডিএ পরবর্তী সরকার গঠনের জন্যও প্রস্তুত করেছে নিজেদের। কারন বিজেপির (BJP) নেতৃত্বাধীন এনডিএ ২৯২টি আসন লাভ করে, ২৭২টি আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অতিক্রম করেছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UCC: দেশে একটাই দেওয়ানি বিধি থাকুক, চাইছেন অধিকাংশ মুসলিম মহিলাই! উঠে এল সমীক্ষায়

    UCC: দেশে একটাই দেওয়ানি বিধি থাকুক, চাইছেন অধিকাংশ মুসলিম মহিলাই! উঠে এল সমীক্ষায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে একটাই দেওয়ানি বিধি (UCC) থাকুক। অন্তত এমনটাই চান এ দেশের সিংহভাগ মুসলমান মহিলা। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায়ই উঠে এসেছে এই তথ্য। জানা গিয়েছে, দেশের ৬৭ শতাংশ মুসলমান মহিলা চান গোটা দেশের জন্য একটাই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি থাকুক। যাঁরা এই মত পোষণ করেছেন, তাঁদের মধ্যে ৬৮ শতাংশ মহিলাই গ্র্যাজুয়েট কিংবা তারও বেশি ডিগ্রিধারী।

    বহু বিবাহ সমর্থনযোগ্য নয় 

    ৭৬ শতাংশ মুসলমান মহিলা বহু বিবাহের সঙ্গে সহমত পোষণ করেন না। মুসলমান পুরুষদের চারটি বিয়ে করার অধিকারও থাকা উচিত নয় বলেই মনে করেন তাঁরা। যাঁরা এমন মত ব্যক্ত করেন, তাঁদের মধ্যে গ্র্যাজুয়েট কিংবা তারও বেশি শিক্ষাগত যোগত্যার অধিকারী ৭৯ শতাংশ মহিলা। সমীক্ষায় যাঁরা যোগ দিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে ৭৪ শতাংশ মহিলা মনে করেন বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যাওয়া নারী এবং পুরুষের দ্বিতীয়বার বিয়ে করার অনুমতি দেওয়া প্রয়োজন। কোনওরকম বিধিনিষেধ (UCC) ছাড়াই এটা হতে দেওয়া দরকার বলে মনে করেন ওই মুসলিম মহিলারা। দত্তক নেওয়ার পক্ষেও সায় দিয়েছেন সিংহভাগ মুসলিম মহিলা।

    বিয়ের বয়স 

    ৬৯ শতাংশ মুসলিম মহিলা মনে করেন যাঁরা প্রবীণ হয়েছেন, তাঁরা তাঁদের সম্পত্তি ইচ্ছে মতো দান করতে পারেন। এ মতের স্বপক্ষে যাঁরা সায় দিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে ৭৩ শতাংশ মহিলাই গ্র্যাজুয়েট কিংবা তারও বেশি শিক্ষাগত যোগ্যতার অধিকারী। বিয়ের বয়স মহিলা এবং পুরুষ উভয় ক্ষেত্রেই ২১ হওয়া প্রয়োজন বলেও মনে করেন সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৭৯ শতাংশ মুসলিম মহিলা। এঁদের মধ্যে গ্র্যাজুয়েট কিংবা তারও বেশি শিক্ষিতের হার ৮২ শতাংশ।

    আরও পড়ুুন: ‘কালীঘাটের কাকু’র কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষা করতে ইডি-কে অনুমতি হাইকোর্টের

    সমীক্ষায় প্রাপ্ত তথ্য থেকে একথা স্পষ্ট যে, ভারতের সিংহভাগ মুসলমান মহিলাই চাইছেন, অবিলম্বে চালু হোক অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC) । এই বিধি লাগু হলে বিবাহ বিচ্ছেদ সহ নানা ক্ষেত্রে জাতি-ধর্ম-নির্বিশেষে একটাই আইন চালু হবে। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পক্ষে সওয়াল করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। দিল্লির এক বিজেপি নেতার দাবি, সংসদের বাদল অধিবেশনেই আসতে পারে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • PM Modi: “মুসলিম বোনেদের হাত থেকে রাখি পরুন”, বিজেপি সাংসদদের পরামর্শ মোদির

    PM Modi: “মুসলিম বোনেদের হাত থেকে রাখি পরুন”, বিজেপি সাংসদদের পরামর্শ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মুসলিম বোনেদের হাত থেকে রাখি পরুন।” বিজেপি (BJP) সাংসদদের এমনই পরামর্শ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর দাবি, তিন তালাক নিষিদ্ধ করার জন্য তাঁর সরকারের সিদ্ধান্ত নিরাপত্তা বাড়িয়েছে মুসলিম মহিলাদের। তা নিয়ে অনেক মুসলিম মহিলা বিজেপিকে সমর্থন করেছেন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই কারণেই মুসলমান মহিলাদের কাছে পৌঁছানোর পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী 

    বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। বিজেপিকে মাত দিতে গঠিত হয়েছে বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডিয়া’। যদিও আগামী লোকসভা নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী বিজেপি। তবে পদ্ম শিবির চাইছে, গতবারের চেয়েও বেশি সংখ্যক আসন নিয়ে দিল্লিতে ফিরতে। সেই কারণেই এনডিএর সদস্য দলগুলির সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ৩১ জুলাই হয়েছে প্রথম বৈঠক। চলবে ১০ অগাস্ট পর্যন্ত। প্রথম দিন প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করেছেন বাংলা, ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ডের সাংসদদের সঙ্গে। সেখানে প্রচারের কৌশল কী হবে, তাও বলে দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

    রাখি পরার পরামর্শ

    ঘণ্টা তিনেকের এই বৈঠকেই প্রধানমন্ত্রী মুসলমান বোনেদের হাত থেকে রাখি পরার পরামর্শ দেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, তিন তালাক নিষিদ্ধ হওয়ায় মুসলিম মহিলাদের নিরাপত্তা বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই সঙ্গে মুসলিম মহিলাদের জন্য মোদি সরকার কী কী পদক্ষেপ করেছে, সে সম্পর্কেও অবহিত করেন দলীয় সাংসদদের। প্রসঙ্গত, এ বছর রাখিবন্ধন উৎসব পালিত হবে ৩০ অগাস্ট।

    মুসলিম মহিলাদের জন্য মোদি সরকার যে গুচ্ছ পদক্ষেপ করেছে, তা দিন কয়েক আগের ‘মন কি বাতে’র অনুষ্ঠানে জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছিলেন, চলতি বছর পুরুষ সঙ্গী (মেহরাম) ছাড়াই চার হাজারেরও বেশি মুসলমান মহিলা হজ করতে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন। নির্বিঘ্নে হজ শেষ করে ফিরে তাঁদের অনেকেই ধন্যবাদ জানিয়ে চিঠি লিখেছিলেন প্রধানমন্ত্রীকে। হজের নীতিতে পরিবর্তন আনার কথাও বলেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: মসজিদ কমিটির আর্জি খারিজ, জ্ঞানবাপীতে এএসআইকে সমীক্ষার অনুমতি আদালতের

    সোমবারের ওই বৈঠকে ইন্ডিয়াকেও আক্রমণ শানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তিনি বলেছিলেন, “বিরোধী জোট তাদের নাম ইউপিএ থেকে ‘ইন্ডিয়া’তে পরিবর্তন করতে পারে। তবে এই নাম তাদের দুর্নীতি ও অপশাসনের পাপ ধুয়ে ফেলতে পারবে না। কারণ ইউপিএ বেশ কয়েকটি কেলেঙ্কারিতে কলঙ্কিত হয়েছিল।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share