Tag: Myanmar

Myanmar

  • Manipur: ভারত-মায়ানমার আন্তর্জাতিক সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া তৈরির সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    Manipur: ভারত-মায়ানমার আন্তর্জাতিক সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া তৈরির সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার স্বার্থে ভারত-মায়ানমার আন্তর্জাতিক সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া তৈরি এবং ফ্রি মুভমেন্ট রেজিম (FMR) বাতিলের সিদ্ধান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় সরকার (Manipur)। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কুকি, জোমি ও হামার সম্প্রদায়ভুক্ত একাধিক জঙ্গি সংগঠন এবং তাদের সমর্থনকারী খ্রিস্টান সংগঠনগুলোর তীব্র আপত্তির নেপথ্যে রয়েছে গভীর নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণ (Indian Passport)।

    জঙ্গি সংগঠনের জোটের শীর্ষ নেতা (Manipur)

    নিরাপত্তা সংস্থা সূত্রের দাবি, বহু বছর ধরে খোলা ভারত-মায়ানমার সীমান্ত জঙ্গিদের অবাধ যাতায়াতের করিডর হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সীমান্তে কড়াকড়ি না থাকায় দুই দেশের জঙ্গিরা অনায়াসেই সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে ঢুকে নাশকতামূলক কার্যকলাপ চালাচ্ছে। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য হল, মণিপুরে সক্রিয় ৮টি কুকি জঙ্গি সংগঠনের জোটের বর্তমান শীর্ষ নেতা মায়ানমারের নাগরিক। তিনি অবৈধভাবে ভারতে বসবাস করছেন, ভারতবিরোধী কার্যকলাপেও যুক্ত রয়েছেন বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, তিনি কীভাবে ভারতীয় পাসপোর্ট পেলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে খোদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

    পাসপোর্ট পেলেন কীভাবে

    সূত্রের খবর, থাংগালিয়ানপাউ গুইটে, যিনি জোমি রিইউনিফিকেশন অর্গানাইজেশন (ZRO) ও তার সশস্ত্র শাখা জোমি রেভল্যুশনারি আর্মি (ZRA)–এর সভাপতি, তিনি আদতে মায়ানমারের নাগরিক। এই সংগঠনটি বর্তমানে ইউনাইটেড পিপলস ফ্রন্ট (UPF)–এর অন্তর্ভুক্ত, যেখানে কুকি, জোমি ও হামার সম্প্রদায়ের মোট ৮টি জঙ্গি সংগঠন রয়েছে। এই সংগঠনগুলি বর্তমানে ‘সাসপেনশন অফ অপারেশনস (SoO)’ চুক্তির আওতায় রয়েছে (Manipur)। মণিপুরের মুখ্য সচিবকে পাঠানো এক নোটিশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানতে চেয়েছে, কীভাবে একজন মায়ানমারের নাগরিক ভারতীয় পাসপোর্ট পেলেন, কীভাবেই বা তিনি বছরের পর বছর ভারতে বসবাস করছেন (Indian Passport)।

    মায়ানমারের চিন রাজ্যের বাসিন্দা

    নোটিশে বলা হয়েছে, “থাংগালিয়ানপাউ গুইটে মায়ানমারের চিন রাজ্যের টনজাং টাউনশিপের পাংমুয়াল গ্রামের বাসিন্দা। ১৯৯০ সালে তিনি জোমি ন্যাশনাল কংগ্রেস (ZNC) দলের প্রার্থী হিসেবে মায়ানমারের এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরে গ্রেফতারের আশঙ্কায় মায়ানমার থেকে পালিয়ে যান।” বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ভারত–মায়ানমার সীমান্তে বেড়া নির্মাণ এবং এফএমআর বাতিল করা কেবল প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন। সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ জোরদার না হলে উত্তর–পূর্ব ভারতের নিরাপত্তা আরও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে মত নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের।

    চূড়াচাঁদপুর জেলায় বসবাস করছেন

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে, থাঙ্গালিয়ানপাউ গুইটে ১৯৯৫ সাল থেকে মণিপুরের চূড়াচাঁদপুর জেলায় বসবাস করছেন। এর পর তিনি আর জন্মভূমি মায়ানমারে যাননি। বর্তমানে তাঁর কাছে বৈধ ভারতীয় পাসপোর্ট এবং ভোটার আইডি রয়েছে (Manipur)। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের বিবৃতি অনুযায়ী, থাঙ্গালিয়ানপাউ গুইটে এবং তাঁর পরিবারের সকল সদস্য মণিপুরের ভোটার। এর অর্থ হল, তিনি শুধু দীর্ঘদিন ভারতে বসবাসই করছেন না, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায়ও অংশ নিয়েছেন (Indian Passport)। এদিকে, ভারত সরকার মায়ানমার সীমান্ত ঘিরে কাঁটাতার বসানোর কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। মোট ১,৬৪৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ভারত-মায়ানমার আন্তর্জাতিক সীমান্তে আগামী ১০ বছরের মধ্যে ‘নো কাট, নো ক্লাইম্ব’ ধরনের নিরাপত্তা বেড়া বসানো হবে (Manipur)।

    ৪২ হাজার মায়ানমারের নাগরিক চিহ্নিত

    ২০২৪ সালের মার্চ মাসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা সংক্রান্ত কমিটি ভারত-মায়ানমার সীমান্তে কাঁটাতার বসানো এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় রাস্তা নির্মাণের জন্য ৩১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের অনুমোদন দেয়। এদিকে, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৪২ হাজার মায়ানমারের নাগরিককে চিহ্নিত করেছে। এদের অধিকাংশই বর্তমানে মিজোরাম এবং মণিপুরের পার্বত্য জেলাগুলিতে বসবাস করছেন বলে খবর (Indian Passport)। সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতেই এই পদক্ষেপগুলি করা হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়েছে (Manipur)।

  • India Rebukes UN Report: রাষ্ট্রসংঘের মায়ানমার সংক্রান্ত রিপোর্টের তীব্র প্রতিবাদ ভারতের

    India Rebukes UN Report: রাষ্ট্রসংঘের মায়ানমার সংক্রান্ত রিপোর্টের তীব্র প্রতিবাদ ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মায়ানমারের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে রাষ্ট্রসংঘের সাম্প্রতিক এক রিপোর্টের তীব্র প্রতিবাদ করল ভারত (India Rebukes UN Report)। নয়াদিল্লির তরফে একে পক্ষপাতদুষ্ট এবং ভিত্তিহীন বলে দাবি করা হয়েছে। রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি থমাস এইচ অ্যান্ড্রুজের তৈরি ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে পাহেলগাঁওয়ে যে জঙ্গি হামলা (Pahalgam Terror Attack) ঘটেছিল, তা ভারতে থাকা মায়ানমারের বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

    রিপোর্টটি পক্ষপাতদুষ্ট ও একপেশে (India Rebukes UN Report)

    মঙ্গলবার রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের তৃতীয় কমিটিতে ভারতের পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে লোকসভার সদস্য দিলীপ সইকিয়া বলেন, “ওই রিপোর্টে যেসব অভিযোগের কথা বলা হয়েছে, সেগুলির কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই।” তিনি বলেন, “রিপোর্টটি পক্ষপাতদুষ্ট ও একপেশে।” রাষ্ট্রসংঘকে তাঁর অনুরোধ, তারা যেন যাচাই করা হয়নি এমন তথ্য এবং সংবাদমাধ্যমর বিকৃত রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে কোনও সিদ্ধান্তে না পৌঁছায়। সইকিয়া বলেন, “আমার দেশ বিশেষ প্রতিনিধির এমন পক্ষপাতদুষ্ট ও সংকীর্ণ বিশ্লেষণ প্রত্যাখ্যান করছে।” রাষ্ট্রসংঘের ওই রিপোর্টে আরও বলা হয়েছিল, পহেলগাঁও হামলার পর ভারতে থাকা মায়ানমারের শরণার্থীরা হয়রানি, আটক এবং দেশান্তর করার হুমকির সম্মুখীন হয়েছেন।

    তথ্যগতভাবে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন

    যদিও ভারত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, পহেলগাঁওকাণ্ডের সঙ্গে মায়ানমারের নাগরিকদের কোনও যোগই ছিল না। এই ধরনের যে কোনও দাবি তথ্যগতভাবে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন (India Rebukes UN Report)। সইকিয়া বলেন, “রিপোর্টটি প্রমাণের ভিত্তিতে নয়, রাজনৈতিক পক্ষপাত দ্বারা পরিচালিত হয়েছে বলে মনে হয়। ভারত সব সময় বাস্তুচ্যুত সব মানুষের প্রতি মানবিক আচরণের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি বলেন, “ভারতে বর্তমানে ২০ কোটিরও বেশি মুসলমান বসবাস করছেন। এটি বিশ্বের মোট মুসলমান জনসংখ্যার প্রায় ১০ শতাংশ। তাঁরা অন্যান্য সম্প্রদায়ের সঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করছেন (Pahalgam Terror Attack)।”

    ভারতের দীর্ঘদিনের নীতির উল্লেখ করে সইকিয়া বলেন, “মায়ানমারে স্থায়ী শান্তি ফিরতে পারে কেবলমাত্র রাজনৈতিক আলাপ-আলোচনা এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার মাধ্যমে।” তিনি জানান, ভারত মায়ানমার-নেতৃত্বাধীন ও মায়ানমার-নিয়ন্ত্রিত শান্তি প্রক্রিয়াকে সমর্থন করে যাচ্ছে। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য আসিয়ান (ASEAN) ও রাষ্ট্রসংঘের নেতৃত্বাধীন প্রচেষ্টাকেও সমর্থন করছে (India Rebukes UN Report)।

LinkedIn
Share