Tag:

  • Tamluk: জেলাশাসকের দফতরে বিজেপি প্রার্থী সৌমেন্দুকে বাধা

    Tamluk: জেলাশাসকের দফতরে বিজেপি প্রার্থী সৌমেন্দুকে বাধা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তমলুকে (Tamluk) জেলাশাসকের অফিসে মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়লেন বিজেপি প্রার্থী (BJP Candidate) সৌমেন্দু অধিকারী (Soumendu Adhikary) । নিজেদের খাস তালুকেই বাধাপ্রাপ্ত হওয়ায় শোরগোল এলাকায়। বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল জেলা শাসকের অফিসে কর্মরত পুলিশের বিরুদ্ধে।  এদিন এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipore) কাঁথিতে বিজেপি প্রার্থী সৌমেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন জমাকে কেন্দ্র করে গন্ডগোলের সৃষ্টি হয়। মনোনয়ন চলাকালীন শিশির অধিকারীকেও (Sisir Adhikary) বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের বসচা শুরু হয়।

    আরও পড়ুন: “বিজেপি মুসলিম বিরোধী নয়”, স্পষ্ট বার্তা মিঠুনের

    জেলাশাসকের অফিসে ১৪৪ ধারী ধারার জারি

    পুলিশের তরফ থেকে দাবি করা হয় জেলাশাসকের অফিসে ১৪৪ ধারী ধারার জারি রয়েছে। দফতরের ১০০ মিটারের মধ্যে প্রার্থী, এজেন্ট এবং প্রস্তাবক ছাড়া মোট চারজনের বেশি কেউ প্রবেশ করতে পারবে না এমনটাই নির্দেশ রয়েছে জেলা শাসকের। বিজেপি কর্মীরা নাকি সেই সময় জোটবদ্ধ হয়ে জেলা শাসকের দপ্তরের কাছাকাছি চলে আসেন। সেই সময় পুলিশ তাদের বাধা দেয়। তবে শিসির অধিকারী এলাকার সাংসদ। তাঁকে কেন বাধা দেওয়া হয় এনিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয় বিজেপি কর্মীদের মধ্যে। এর পরেই  গন্ডগোল আরও বাড়ে। স্লোগান দিতে শুরু করেন বিজেপি কর্মীরা।  প্রসঙ্গত অধিকারি পরিবারের খাসতালুক কাঁথি। ২০২৪-এর লোকসভা ভোটে বিজেপির প্রতীকে এখান থেকেই লড়াই করছেন সৌমেন্দু অধিকারী। ২০০৯ সাল থেকে এখানে জয়ী হয়ে আসছেন শিশির অধিকারী। বয়স জনিত কারণে এবার তিনি প্রার্থী হচ্ছেন না। তার বদলে প্রার্থী করা হয়েছে তাঁর পুত্রকে। দীর্ঘদিন ধরেই অধিকারি পরিবারের কেউই আর তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত নয়। শিশির অধিকারী, সৌমেন্দু ও দিব্যেন্দু এরা সকলেই তৃণমূলের সঙ্গে সঙ্গ ত্যাগ করেছেন বহুদিন আগেই।

    ২০০৯ সাল থেকে সাংসদ শিশির অধিকারী 

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikary) বিজেপিতে যোগদান করার পরেই গোটা পরিবারের সঙ্গেই তৃণমূলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হতে শুরু করে। শিশির অধিকারী তৃণমূলের টিকিটের জয়ী হলেও তিনি সংবাদমাধ্যমে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক মঞ্চে যে বক্তব্য রেখেছেন তাতে তাঁর তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব প্রকাশ পেয়েছে।

  • Lok Sabha Elections 2024: এবছর কি আপনার প্রথম ভোট? তাহলে জেনে নিন ভোটকেন্দ্রে কী কী করণীয়?

    Lok Sabha Elections 2024: এবছর কি আপনার প্রথম ভোট? তাহলে জেনে নিন ভোটকেন্দ্রে কী কী করণীয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার শুরু হচ্ছে লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Elections 2024) ভোটগ্রহণ পর্ব। এবার লোকসভার ৫৪৪টি আসনে ভোট নেওয়া হবে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি আসন রয়েছে। এবার নির্বাচন হচ্ছে সাত দফায়। বাংলায় সাত দফার ভোটের মধ্যে প্রথম দফার ভোট হবে ১৯ এপ্রিল। দ্বিতীয় দফা ২৬ এপ্রিল। তৃতীয় দফার ভোট ৭ মে। ১৩ মে চতুর্থ দফার ভোট। পঞ্চম দফা ২০ মে। ষষ্ঠ দফা ২৫ মে। ১ জুন সপ্তম তথা শেষ দফার ভোট হবে বাংলায়। বাংলার মতোই সাত দফার ভোট হচ্ছে বিহার ও উত্তর প্রদেশে। ভোট গণনা ৪ জুন।

    শুক্রবার ১০২ আসনে ভোটগ্রহণ

    গোটা দেশের ২৮টি রাজ্য ও ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে শুক্রবার নির্বাচন হচ্ছে ১৭টি রাজ্য ও ৪টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ১০২টি আসনে। একই সঙ্গে আগামীকাল নির্বাচন আছে অরুণাচল প্রদেশের বিধানসভার ৬০টি এবং সিকিমের ৩২টি আসনে।

    কোন কোন নথি সঙ্গে রাখবেন?

    প্রতি বছরই নতুন ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। এবারেও নতুন ভোটার (first-time voters) সংখ্যা নেহাত কম নয়। তাই নতুন ভোটারদের সুবিধার্থে এবার ভোট দিতে গেলে কী কী নথি লাগবে তার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission), পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, কেন্দ্র–রাজ্য সরকার অধিগৃহীত সংস্থার সচিত্র পরিচয়পত্র, সাংসদ–বিধায়কদের দেওয়া সরকারি পরিচয়পত্র, সচিত্র ব্যাঙ্ক কিংবা পোস্ট অফিসের পাসবুক, প্যান কার্ড, রেজিস্ট্রার জেনারেল অফ ইন্ডিয়ার স্মার্ট কার্ড, একশো দিনের কাজের জব কার্ড (Lok Sabha Elections 2024), শ্রম মন্ত্রকের কোনও প্রকল্পের স্বাস্থ্য বিমার কার্ড, বিশেষভাবে সক্ষমদের ইউনিক কার্ড, সচিত্র পেনশন নথি, আধার কার্ড ও ভোটারদের সচিত্র পরিচয়পত্র-জানানো হয়েছে এই নথির যে কোনও একটি থাকলে আপনি ভোট দিতে পারবেন।  

    ভোটদান প্রক্রিয়া

    প্রথমেই ভোটারকে (Lok Sabha Elections 2024) তার কাছাকাছি ভোট কেন্দ্রে যেতে হবে। ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার পর ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা পোলিং অফিসারের কাছে নিজের নাম ভোটার (voter) লিস্টের সঙ্গে মেলাতে হবে। এরপর তথ্য যাচাই হয়ে গেলে হাতের আঙুলে কালি দেওয়া হবে এবং একটি স্লিপ দেওয়া হবে। এরপর রেজিস্টারে সই করে সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত পোলিং অফিসারের কাছে স্লিপটি জমা দিয়ে ভোটিং বুথের কাছে যেতে হবে। বুথের ভিতরে, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (EVM) গিয়ে পছন্দের প্রার্থীর নির্বাচনী প্রতীকের সাথে থাকা সংশ্লিষ্ট বোতাম টিপে ভোটদান প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। তবে যদি প্রার্থীদের মধ্যে কাউকে আপনি ভোট দিতে না চান, তাহলে ইভিএমের নীচে নোটা (NOTA-None Of The Above) নির্বাচন করার বিকল্প রয়েছে।

    ভোটকেন্দ্রের মধ্যে মোবাইল নিষিদ্ধ

    উল্লেখ্য, ভোটকেন্দ্রের মধ্যে মোবাইল এবং ক্যামেরার মতো ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে যাওয়া নিষিদ্ধ। তাই ভোটকেন্দ্রে ঢোকার আগে সঙ্গে ফোন থাকলে তা অবশ্যই দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের (Lok Sabha Elections 2024) কাছে জমা দিয়ে ভিতরে ঢুকতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Santanu Thakur: হুডখোলা জিপে রাজকীয় প্রচারে শান্তনু ঠাকুর, শঙ্খধ্বনি ও ফুলের মালায় বরণ

    Santanu Thakur: হুডখোলা জিপে রাজকীয় প্রচারে শান্তনু ঠাকুর, শঙ্খধ্বনি ও ফুলের মালায় বরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বনগাঁয় (bangaon) হুডখোলা জিপে ভোট প্রচার বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুরের(Santanu thakur)। সঙ্গে রয়েছেন জেলা সভাপতি দেবদাস মন্ডল। লোকসভা ভোটের(lok sabha election 2024) বাকি আর কয়েকটি দিন। শাসক হোক বা বিরোধী সব রাজনৈতিক দলগুলিরই প্রস্তুতি একেবারে তুঙ্গে। কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে নারাজ। রোজই চলছে ভোট প্রচার। এবারের লোকসভা ভোটে, পশ্চিমবঙ্গের ওপর বিশেষ নজর রেখেছে বিজেপি। তাই ভোট প্রচারে ও কোনও অংশে পিছিয়ে নেই বিজেপি প্রার্থীরা। এবার জনসংযোগ বাড়াতে ভোট প্রচারে(election campaign) বেরিয়ে পড়েছেন শান্তনু ঠাকুরও। 

    শান্তনুর ভোট প্রচার

    ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী(BJP candidate) শান্তনু ঠাকুর (Santanu thakur), এদিন বনগাঁ মতিগঞ্জ থেকে একটি বাইক মিছিলের মাধ্যমে প্রচার শুরু করেন বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর। মাথায় পাগড়ি পরে জিপের সামনের সিটে বসেন শান্তনু। অন্যদিকে স্টিয়ারিং হাতে গাড়ি চালাচ্ছেন বনগাঁ জেলার বিজেপি সভাপতি দেবদাস মন্ডল (Debashis Mondal)। আর গাড়ির পিছনে কয়েশো বাইক নিয়ে কর্মী সমর্থকরা। মতিগঞ্জ থেকে বাগদা পর্যন্ত এই প্রচার মিছিল হবে।

    শঙ্খ বাজিয়ে বরণ শান্তনু ঠাকুরকে

    এদিন বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুরের প্রচারে আসার খবর পেয়ে বনগাঁ পাইকপাড়ায় মহিলারা তাঁকে স্বাগত জানাতে হাতে ফুলের থালা ও মালি নিয়ে দাড়িয়েছিলেন। এরপর পাইকপাড়ায় শান্তনুর মিছিল পৌছাতেই শঙ্খ বাজিয়ে পুষ্প বৃষ্টি শুরু হয়ে। মহিলারা মালা পড়িয়ে বরন করেন শান্তনুকে। এদিন প্রচারের(election campaign) সময় শান্তনু ঠাকুর বলেন, “জেতার ব্যাপারে ২০০ শতাংশ আশাবাদী।”

    বনগাঁয় ২০ মে পঞ্চম দফার ভোট

    প্রসঙ্গত, কোচবিহারে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী গতকালই বলেছেন, বাংলার সব পরিবারের নাগরিকত্ব মোদির গ্যারান্টি! কিন্তু সিএএ (CAA) নিয়ে উলটো সুর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুরের গলায়।  
    উল্লেখ্য, এবারের লোকসভা ভোটে বনগাঁ কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের মনোনীত প্রার্থী বিশ্বজিৎ দাস (Biswajit das), অর্থাৎ বিশ্বজিৎ দাসের প্রতিপক্ষ হয়েই এবারের লোকসভা নির্বাচনে লড়াইয়ে নামবেন বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর। শান্তনু ঠাকুরের পাশাপাশি প্রচারের ময়দানে পিছিয়ে নেই কিন্তু বিশ্বজিৎ দাসও। ভোটের শেষ মুহূর্তে প্রচার চালাচ্ছেন তিনিও। বনগাঁয় ২০ মে পঞ্চম দফার ভোট। আর ৪ জুন ভোটের ফল (election result) প্রকাশের পরেই জানা যাবে জিত কার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Locket Chatterjee: সহযোদ্ধাদের লড়াইয়ে রসদ জোগানোর টোটকা দিলেন লকেট, কী বললেন?

    Locket Chatterjee: সহযোদ্ধাদের লড়াইয়ে রসদ জোগানোর টোটকা দিলেন লকেট, কী বললেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহেই ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁয়েছে দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে বলা হয়েছে বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় বাষ্প ঢুকছে। তার ফলে অস্বস্তি বাড়বে। এই সপ্তাহেই অনেক জেলাতে ৪০ ডিগ্রি পার হবে তাপমাত্রার পারদ। ঠিক এমন সময়তেই বাংলায় আসন্ন লোকসভা নির্বাচন (lok sabha election 2024), আর ভোট আসতেই জেলায় জেলায় শুরু হয়ে গেছে ভোট প্রচার। তবে এই রোদে প্রতিদিন ভোট প্রচার (election campaign) থাকলেও নিজের শরীরের খেয়াল রাখতে ভুলছেন না হুগলী লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়।  

    লকেটের ডায়েট টিপস

    নিয়ম করে ডায়েট(diet) মেনে খাবার খেয়েই রোজ প্রচার সারছেন হুগলীর বিজেপি প্রার্থী। এই প্রচারের মাঝেই ভোটের বাকি প্রার্থীদের উদ্দেশ্যেও দিলেন ডায়েট টিপস। প্রচণ্ড গরমে সমস্ত প্রার্থীদের বেশী করে জল ও ঠান্ডা ভাত খেতে পরামর্শ দিলেন হুগলীর বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায় (locket chatterjee), একই সঙ্গে তিনি নিজের খাদ্য তালিকাও ভাগ করে নিলেন। জানালেন, “আমি নিজে বেশী করে বাতাসা খাচ্ছি, জল খাচ্ছি। সবাইকে বলবো বেশি করে জল খান, মুড়ি জল খান। বিগত দিনে চারটি নির্বাচনে এই পদ্ধতিতে লড়েই ভালও থেকেছি।”

    আরও পড়ুন: প্রচারে বেরিয়ে শরীর সুস্থ রাখতে সুকান্তর ডায়েট চার্ট কী জানেন?

    লকেটের জনসংযোগ

    উল্লেখ্য এদিন হুগলির বিজেপি প্রার্থী(hoogly BJP candidate) লকেট চট্টোপাধ্যায় হাতে পদ্ম ফুল নিয়ে, ব্যান্ড পার্টি সহকারে সকাল থেকে প্রচারে বের হন। এরপর সিঙ্গুর  বিধানসভার পাঁচঘরা জলাপাড়া শিব মন্দিরে পুজো দিয়ে এলাকায় পায়ে হেঁটে জনসংযোগ করলেন হুগলির বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়। এরপর কখনও পায়ে হেঁটে আবার কখনো হুড খোলা টোটোয় প্রচার সারেন পাঁচঘরা পঞ্চায়েত এলাকায়। সে সময়ই প্রচারের মাঝে নিজের ডায়েট চার্ট জানালেন লকেট। সঙ্গে অন্যান্য প্রার্থীদেরকে (election candidate) ও দিলেন গরমে সুস্থ থাকার টিপস। তাই প্রবল গরমের মধ্যে লোকসভা ভোটের (Lok Sabha Election) প্রচার চালাতে অবশ্যই খেতে হবে বেশি করে জল ও তরল জাতীয় খাবার (liquid food)। আর পড়তে হবে হালকা রঙের ঢিলে ঢালা পোশাক। প্রবল তাপপ্রবাহের মধ্যে রাজনীতির ময়দানে প্রচারে ঝড় তুলতে শরীর সুস্থ রাখতে এগুলিই হল চাবিকাঠি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: প্রচারে বেরিয়ে শরীর সুস্থ রাখতে সুকান্তর ডায়েট চার্ট কী জানেন?

    Sukanta Majumdar: প্রচারে বেরিয়ে শরীর সুস্থ রাখতে সুকান্তর ডায়েট চার্ট কী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই লোকসভা ভোট। হাতে সময় খুব কম। তাই এই এপ্রিল-মে মাসের সূর্যের তেজেও দমে নেই বালুরঘাটের হেভিওয়েট বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারের ভোট প্রচার। লড়াইয়ের ময়দানে মাথার ওপর চড়া রোদ নিয়ে প্রচারে নেমেছেন তিনি। তাই শরীর ঠিক রাখতে মানছেন কোন ডায়েট? (diet) মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে জীবনের অজানা কথা জানালেন  সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

    কী বললেন সুকান্ত

    প্রিয় খাবার থেকে ডায়েট চার্ট(Diet Chart), প্রচারে বেরিয়ে শরীর সুস্থ রাখতে মানছেন কোন ডায়েট সব নিজেই জানালেন বালুরঘাটের বিজেপি প্রার্থী। সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘আমি সাধারণত হালকা খাবার পছন্দ করি। এখন প্রচারের ব্যস্ততায় কর্মীদের বাড়ি খেতে হচ্ছে। তবে বাড়ির খাবার পেলে বেশি ভাল হয়।’ উল্লেখ্য ১৯ এপ্রিল উত্তরবঙ্গে(north bengal) রয়েছে প্রথম দফার ভোট। ফলত হাতে ভোট প্রচারের সময় কমে আসছে ক্রমশ। তাই এই সময় প্রচণ্ড গরমেও প্রচারে পিছুপা হটছেন না সুকান্ত। আর প্রচারে নেমে জন সাধারনের মাঝে ঝড় তুলতে হলে, নিজেকে ফিট রাখাটাও একান্তই প্রয়োজন। খাওয়া-দাওয়ার ক্ষেত্রেও তাই অত্যন্ত সতর্ক বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    আরও পড়ুন: ‘দলের কোনও দিশা নেই, সনাতন ধর্ম বিরোধী’, ইস্তফা দিলেন কংগ্রেস মুখপাত্র গৌরব বল্লভ

    মনোনয়নপত্র জমা দিলেন সুকান্ত

    বুধবার মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার(sukanta majhumdar)। আর মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে প্রতিপক্ষের উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি বদলে তার গলায় শোনা গেল ইলিশ, চিংড়ির গল্প। সুকান্তর কথায়, “আমি বাঙাল। পছন্দের তালিকায় ইলিশ। তবে ইলিশ সিজানাল বলে বেশি চিংড়ি হয়। ” এই প্রচন্ড গরমে যখন চিকিৎসকেরা (doctor) শরীর সুস্থ রাখতে প্রতিদিন বেশি করে জল ,টক দই ও তরল জাতীয় খাবার খেতে বলছেন, সেই সময় বালুরঘাটের বিজেপি প্রার্থী (balurghat BJP candidate) কি ডায়েটে রয়েছেন  সে কথাও জানালেন নিজেই। মনোনয়ন জমা দিতে যাওয়ার দিন  তিনি দুপুরে কি খেয়েছেন তা ভাগ করে নিলেন সকলের সঙ্গে।  জানালেন ভাত,আলু পটলের তরকারি, সজনে ডাটার তরকারি, মাছের ঝোল, কুলের চাটনি ও টক দই দিয়ে সেরেছেন দুপুরের মধ্যাহ্নভোজ (lunch), অতএব লড়াইয়ের ময়দানে শরীর ঠিক রাখতে সঠিক পথেই আছেন বালুরঘাটের হেভিওয়েট বিজেপি প্রার্থী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hindu Nababarsa 2024: অপেক্ষার শেষ, ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টে কবে শুরু হচ্ছে হিন্দু নববর্ষ?

    Hindu Nababarsa 2024: অপেক্ষার শেষ, ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টে কবে শুরু হচ্ছে হিন্দু নববর্ষ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই পয়লা বৈশাখ (bengali new year), ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুসারে পয়লা জানুয়ারি থেকে নতুন বছর শুরু হলেও হিন্দু ধর্মে নতুন বছরের ক্যালেন্ডার আলাদা হয়। বৈদিক পঞ্জিকা অনুসারে চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের প্রতিপদ তিথি থেকে শুরু হয় হিন্দু নববর্ষ। এ বছর ৮ এপ্রিল থেকে হিন্দু নববর্ষ (hindu nababarsa) শুরু হচ্ছে। প্রতিপদ তিথি শুরু হচ্ছে সোমবার, ৮ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে।  উল্লেখ্য এই হিন্দু নববর্ষ গুড়ি পাড়োয়া, উগাদি, বৈশাখাদি, বৈশাখী, নভরোজের মতো নামেও পরিচিত।

    সম্রাট বিক্রমাদিত্য ৫৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে এই পদ্ধতি প্রথম অনুশীলন শুরু করেছিলেন

    হিন্দু ক্যালেন্ডারে (hindu calender) রয়েছে ১২টি মাস, যার মধ্যে প্রথম মাস হল চৈত্র। এরপর বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ়, শ্রাবণ, ভাদ্র, আশ্বিন, কার্তিক, অগ্রহায়ন, পৌষ, মাঘ এবং শেষ মাস হল ফাল্গুন। ভারতীয় উপমহাদেশে হিন্দু এবং শিখরা যেই ক্যালেন্ডার পদ্ধতি অনুসরণ করে তাকে বলা হয় বিক্রম সংবত। ‘সংবত’ অর্থাৎ বছর। সম্রাট বিক্রমাদিত্য ৫৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে এই পদ্ধতি প্রথম অনুশীলন শুরু করেছিলেন। হিন্দু নববর্ষ (hindu nababarsa) আসার সাথে সাথেই প্রকৃতিও সেজে ওঠে। এই মুহূর্তে পাতাঝরার মরশুম চলছে। পাতা ঝরার মরশুম শেষ হলেই প্রকৃতি আবার নিজেকে নতুন রূপে সাজাতে শুরু করে। এই সময় প্রকৃতি নিজের জীর্ণ রূপ ত্যাগ করে ধীরে ধীরে সবুজ হতে থাকে। 

    হিন্দু নববর্ষের গুরুত্ব –

    তবে বিশেষজ্ঞদের মতে হিন্দু নববর্ষের গুরুত্ব অনেক। বিক্রম সংবত ২০৮১ সালের অধিপতি মঙ্গল ও শনি, তাই এই বছরে থাকবে অশান্তির ছায়া। ভারতে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব হলেও দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এই নতুন বছরে। 
    এ প্রসঙ্গে বালিয়ার বিখ্যাত হনুমান মন্দিরের পুরোহিত আচার্য পণ্ডিত বিজয় নারায়ণ শরণ আমাদের জানিয়েছেন যে, এই পাতাঝরার মরশুম হিন্দু নববর্ষের আগমন বার্তা বয়ে আনে। শুধু তাই নয়, এই সময় গ্রহের অবস্থানও পরিবর্তন হয়। হিন্দুদের নতুন বছর অর্থাৎ চৈত্র শুক্ল প্রতিপদে, হিন্দু ক্যালেন্ডারও (hindu calender) পরিবর্তিত হয় এবং নবরাত্রির পূজার মাধ্যমে প্রকিতির এই নতুন রূপের উদযাপন হয়। এই নবরাত্রিতে (navaratri) প্রতিটি বাড়িতে মহাসমারোহে পুজো করা হয় দেবীর।

    ৩০ বছর পর এই বার নববর্ষে (nababarsa) একটি শুভ রাজযোগ তৈরি হচ্ছে

    অন্যদিকে এই বছরের হিন্দু নববর্ষ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে- কারণ জ্যোতিষশাস্ত্রের গণনা অনুসারে, প্রায় ৩০ বছর পর এই বার নববর্ষে(nababarsa) একটি শুভ রাজযোগ তৈরি হচ্ছে। অমৃত সিদ্ধি যোগ, সর্বার্থ সিদ্ধি যোগ এবং শশ রাজযোগ ৯ এপ্রিল গঠিত হবে। এই বছর জুড়েই শনি ও মঙ্গল গ্রহের প্রভাব দেখা যাবে। হিন্দু নববর্ষে (hindu nababarsa)গঠিত এই শুভ যোগগুলি বৃষ রাশির জাতকদের ভাগ্যকে উজ্জ্বল করতে চলেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Hooghly: “আজ না হয় কাল এই দলে আসতেই হবে”, রচনাকে কটাক্ষ বিজেপি প্রার্থী লকেটের

    Hooghly: “আজ না হয় কাল এই দলে আসতেই হবে”, রচনাকে কটাক্ষ বিজেপি প্রার্থী লকেটের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলিতে (Hooghly) লোকসভার প্রচারে নেমে তৃণমূল প্রার্থী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, ওড়িশার জনপ্রিয় অভিনেতা তথা রচনার প্রাক্তন স্বামী সিদ্ধান্ত মহাপাত্র বিজেপিতে যোগদান করেছেন। এরপর রচনা সম্পর্কে কড়া মন্তব্য করে লকেট বলেন, “আজ না হয় কাল এই দলে আসতেই হবে।” আবার সিদ্ধান্ত বলেছেন, “রচনা নয়, আগে শুভেচ্ছা জানাব লকেটকে।”

    কী বলেছেন লকেট (Hooghly)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, লকেট এদিন ব্যান্ডেল (Hooghly) থেকে দলীয় সভায় বলেন, “সিদ্ধান্ত বুঝতে পেরেছেন দেশে দুর্নীতিমুক্ত সরকার একান্ত দরকার। এই জন্য নরেন্দ্র মোদির হাত ধরতে হবে। কিন্তু তিনি (রচনা) বুঝতে পারেননি। দিদি নম্বর ওয়ান থেকে ভুল করে চলে এসেছেন। পরে ওঁকে পস্তাতে হবে, আমি কোন দলে চলে এলাম। যদি আসতে হয় মোদিজির দলে আসতে হবে। আমি জানি আজ না হয় কাল তাঁকে এই দলে আসতেই হবে। সকলেই বিজেপির হাত ধরেছেন। নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশ এখন এগিয়ে চলেছে। সিদ্ধান্ত প্রতিবেশী রাজ্যের একজন বিখ্যাত অভিনেতা। তিনি সুপারস্টার। আমরা ওঁর সঙ্গে অনেক কাজ করছি। তিনি দারুণ কাজ করেছেন। সন্দেশখালি থেকে আমাদের বিজয় রথ শুরু হবে। বাংলার মহিলারা জেগে উঠবে।”

    রচনার বক্তব্য

    এদিন নিজের কেন্দ্রের পোলবার (Hooghly) সুগন্ধা গ্রাম পঞ্চায়েতে ভোট প্রচার চলাকালীন প্রতিক্রিয়া দিয়ে রচনা বলেন, “আমার অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল। আমি দিদির পাশে রয়েছি। পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নের জন্য আমার লড়াই চলছে। আমি হুগলিবাসীর কথা বলব। কে কী করছে আমি জানি না। আমার ভাবার মতো সময় নেই।”

    আরও পড়ুনঃ ভোটের মুখে ভাইরাল, মঞ্চে হাঁটুর বয়সি তরুণীর কোমর ধরে অশ্লীল নাচ তৃণমূল নেতার!

    হুগলির প্রতিদ্বন্দ্বী দুই তারকা

    হুগলিতে (Hooghly) প্রচার ময়দানে রীতিমতো দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন রচনা এবং লকেট। কেউ কাউকে জমি ছেড়ে দিতে নারাজ। এদিকে দুই তারকা প্রার্থী নির্বাচনী প্রচারে গরমকে উপেক্ষা করেই ময়দানে নেমে পড়েছেন। রচনা নিজের খাদ্য তালিকায় রেখেছেন ডাব, হালকা খাবার, ফল। অপর দিকে লকেটের খবারের তালিকায় রয়েছে পান্তাভাত, মুড়ি, বাতাসা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: ভোটের মুখে ভাইরাল, মঞ্চে হাঁটুর বয়সি তরুণীর কোমর ধরে অশ্লীল নাচ তৃণমূল নেতার! 

    Bankura: ভোটের মুখে ভাইরাল, মঞ্চে হাঁটুর বয়সি তরুণীর কোমর ধরে অশ্লীল নাচ তৃণমূল নেতার! 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কার্যত টলমল করছে পা, মঞ্চে হাঁটুর বয়সি তরুণীর কোমর ধরে নাচলেন তৃণমূল নেতা। এই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে, বিজেপির পক্ষ থেকে যার তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। এই ঘটনা ঘটেছে বাঁকুড়ার (Bankura) ইন্দাসে। তবে রাজ্যের শাসক দলের নেতা এবং তাঁদের ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে সামজিক মাধ্যমে আগেও এই রকম অশ্লীল নাচের চিত্র এসেছে। শুধু তাই নয়, মালদা, নদিয়া, বীরভূম জেলার অনেক তৃণমূল নেতার ছেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগেও সরব হয়েছে বিজেপি।

    টলমলে পায়ে মঞ্চে উদ্দাম নাচ (Bankura)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই তৃণমূল নেতার নাম মনোরঞ্জন নন্দী। তিনি বাঁকুড়ার (Bankura) ইন্দাস মঙ্গলপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের জুতবিহার বুথের সভাপতি। তিনি এলাকার দাপুটে নেতা। এলাকায় তৃণমূলের সূত্রে খবর, তাঁর হাত ধরে তৃণমূলের অনেক নেতা নিচু স্তর থেকে উপরে উঠেছেন। এলাকায় তাঁর ভূমিকা বিরাট। এবার একটি নাচের দৃশ্যে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছেন তিনি। সেবাশ্রম মেলার একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে একটি চটুল নাচের আয়োজন করা হয়। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে এক তরুণী মঞ্চে গান গাইছেন। সেই মঞ্চে নাচ করছেন এই তৃণমূল নেতা। হাঁটুর বয়সি তরুণীর কোমর ধরে নাচ করতে দেখা যায় তাঁকে। দেখা যায় তাঁর পা টলমল করছে। তিনি নেশাগ্রস্থ অবস্থায় মঞ্চে উদ্দাম নাচ করছেন। এই ঘটনায় সামজিক মাধ্যমে ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায়। ইতিমধ্যে নিন্দার ঝড় উঠেছে রাজনৈতিক মহলে।

    বিজেপির বক্তব্য

    এই ঘটনায় বিষ্ণুপুর লোকসভার (Bankura) বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁ বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস সব কিছুতে শালীনতার সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। বুথের তৃণমূল নেতা সকলের সামনে অশ্লীল নাচ করছেন। তৃণমূল মানেই পয়সার বিলাস, তাঁরা সব সময় মজে থাকেন ফূর্তিতে। অত্যন্ত লজ্জাজনক ঘটনা।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    অপর দিকে বিষ্ণুপুর (Bankura) লোকসভার তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডল বলেন, “বিজপি প্রার্থীর মস্তিস্ক বিকৃত তো ছিলই, এখন আরও বৃদ্ধি হয়েছে। তাঁর চোখমুখের ভাব দেখেই বোঝা যাচ্ছে, সারাক্ষণ সুজাতা নামক একটা টেনশনে থাকছেন। কে কোথায় নাচবে এবং কে কোথায় গাইবে, আমার আলাদা করে বলার কিছু নেই। এই নিয়ে দলেরও কিছু বলার নেই।”

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: কেষ্টর জামিনের জন্য হরিনাম সংকীর্তন, রাম নামেই মজেছে তৃণমূলের যুব সংগঠন

    Birbhum: কেষ্টর জামিনের জন্য হরিনাম সংকীর্তন, রাম নামেই মজেছে তৃণমূলের যুব সংগঠন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচারকাণ্ডে গ্রেফতার হয়ে তিহার জেলে বন্দি বীরভূমের (Birbhum) তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ওরফে কেষ্ট। তাঁর জেলজীবন থেকে মুক্তির আশায় তৃণমূলের যুব সংগঠন সাঁইথিয়ায় হরিনাম সংকীর্তনের আয়োজন করেছে। আর এর ফলে জেলায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। কেষ্টর জামিনের জন্য কি এখন রাম নামেই ভরসা? গত ২২ শে জানুয়ারি রাম মন্দিরের উদ্বোধনের পর থেকেই দেশ জুড়ে রাম নামের প্রভাব সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। মন্দিরে রোজ উপচে পড়ছে ভিড়। এর মাঝেই তৃণমূল কর্মীরা নিজেদের দলের দুর্নীতিতে  অভিযুক্ত জেলবন্দি নেতার মুক্তির জন্য রামনামের শরণ নিয়েছেন।

    দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেফতার কেষ্ট (Birbhum)

    গরু পাচারকাণ্ডে অনেক দিন আগেই গ্রেফতার হয়েছেন অনুব্রত। কয়লা পাচার কাণ্ডেও অভিযুক্ত তিনি। নিজের নামে অথবা অনামে-বেনামে প্রচুর চালকল সম্পর্কে তথ্য পেয়ে অভিযান চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। অপর দিকে শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতির তালিকায় অনুব্রতর মেয়ের নাম উঠেছে। স্কুলে না গিয়ে বেতন নিতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বাবার সঙ্গে এখন মেয়েও জেলে বন্দি। বীরভূমের (Birbhum) এই প্রতাপশালী এবং প্রভাবশালী নেতা বার বার কোর্টে জামিনের জন্য আবেদন করেছিলেন। কিন্তু জামিন মঞ্জুর হয়নি। অভিযোগ গুরুতর বুঝেই হয়তো আইনের কৌশলের পাশপাশি রামনামের শরণ নিতে হয়েছে বীরভূমের জেলা তৃণমূলকে।

    বিজেপির বক্তব্য

    বীরভূমের (Birbhum) জেলা সহ-সভাপতি দীপক দাস বলেছেন, “তৃণমূল শেষ পর্যন্ত রাম নাম করছে, এটা ভালো খবর। কিন্তু অনুব্রত মণ্ডল জামিন পাবে না।” আবার তৃণমূলের জেলা কোর কমিটির আহ্বায়ক বিকাশ রায় এই সবে পাত্তা দিতে নারাজ। তৃণমূলের রামনামে ভুল কিছু নেই বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।

    তৃণমূলের বক্তব্য  

    জেলা (Birbhum) কোর কমিটির আহ্বায়ক বিকাশ রায় আরও বলেছেন, “অনুব্রত মণ্ডলকে অনেক মানুষ ভালোবাসেন। সকলেই চাইছেন তিনি যেন জেল থেকে মুক্তি পান। আর এই জন্যই কেউ রাম নাম আবার কেউ হরিনাম করছেন।” রাজনীতির বিশেষজ্ঞরা অবশ্য বলছেন, জেলার সভাপতি পদে এখনও বহাল রয়েছেন কেষ্ট। তাঁর অনুগামীরা বাড়তি অক্সিজেন দিতে এই সমস্ত করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kerala Blast: টিফিন বক্সে রাখা ছিল বিস্ফোরক! নমুনা সংগ্রহে নামল এনআইএ, মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন অমিত শাহের  

    Kerala Blast: টিফিন বক্সে রাখা ছিল বিস্ফোরক! নমুনা সংগ্রহে নামল এনআইএ, মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন অমিত শাহের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের এর্নাকুলাম জেলার কালামাসেরির এলাকায় বিস্ফোরণ কাণ্ডে (Kerala Blast) তদন্তভার নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছল এনআইএ বা জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। একই ভাবে বিস্ফোরণের কারণ সন্ধানের জন্য পৌঁছল এনএসজি। শুরু হয়েছে নমুনা সংগ্রহের কাজ। বিস্ফোরণের ঘটনায় ইতিমধ্যে উদ্বিগ্ন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দুর্ঘটনার খবর পেয়েই কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়নকে ফোন করে খবর নিলেন তিনি। অপর দিকে, কেরলে ধারবাহিক বিস্ফোরণের পর দিল্লি এবং মুম্বইকে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হল। দিল্লি পুলিশ এবং মুম্বই পুলিশ জারি করেছে বিশেষ সতর্কতা। জনবহুল এবং বাণিজ্য কেন্দ্রগুলির নিরাপত্তাকে আরও কড়া করা হল।

    তদন্তে পৌঁছল এনআইএ (Kerala Blast)

    পুলিশ সূত্রের প্রথমিক ভাবে জানা গেছে, টিফিন বক্সে রাখা ছিল বিস্ফোরক। তবে বিস্ফোরণে (Kerala Blast) তুলনামূলক কম শক্তিশালী বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছে। বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থলে আগুন লেগে যায়। এই বিস্ফোরণের তদন্তভার জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-কে দেওয়া হয়েছে। কোচি শাখার তদন্তকারী দল ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে গেছে। সেই সঙ্গে দিল্লি থেকে পাঁচ সদস্যের আরও একটি দল কেরলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। অপর দিকে কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীণা জর্জ রাজ্যের স্বাস্থ্যকর্মীদের জরুরি পরিষেবা দিতে সবরকম ভাবে প্রস্তুত থাকার কথা বলেছেন।

    কেরলের মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্য

    বিস্ফোরণের (Kerala Blast) পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন অত্যন্ত উদ্বিগ্ন হয়ে বলেন, “এই বিস্ফোরণ অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। যাবতীয় তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহের কাজ চলছে। প্রশাসনের সমস্ত অধিকর্তারা এর্নাকুলামে পৌঁছেছেন। ঘটনাস্থলে ডিজিপিও রয়েছেন। ডিজিপির সঙ্গে কথা হয়েছে। বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।”

    নমুনা সংগ্রহের ফলে, বিস্ফোরণে আইআইডি ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, এই কোচি সংলগ্ন এলাকায় একটা সময় পিএফআই (পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া)-এর শক্ত ঘাঁটি ছিল। ফলে এই ঘটনার পিছনে এই নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের কোনও হাত আছে কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।  

       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share