Tag:

  • Suvendu Adhikari: “ফটফট করবেন না, গরু পাচারে আপনার নাম আছে”, তৃণমূল বিধায়ককে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “ফটফট করবেন না, গরু পাচারে আপনার নাম আছে”, তৃণমূল বিধায়ককে হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের সব থেকে বড় জেলা উত্তর ২৪ পরগনা। আজ মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনায় দক্ষিণ হাবড়া পল্লীমঙ্গল ক্লাবের মাঠে সভা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এবারের লোকসভা ভোটে এই জেলার সবকটি লোকসভা আসনেই বিজেপির জয় সুনিশ্চিত করার জন্য সাধারণ মানুষকে আহ্বান জানালেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী এই হাবড়ায় সিএএ নিয়ে অপপ্রচার করে গিয়েছেন। কাউকেই ১৯৭১ সালের দলিল দেখাতে হবে না।” পাশাপাশি মঞ্চ থেকে শাসকদলের একাধিক নেতা-মন্ত্রীকে ‘বাড়াবাড়ি’ না করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

    ঠিক কি বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    আজ হাবড়ার সভা থেকে এদিন অশোকনগরের বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামীর উদ্দেশে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “অশোকনগরের এমএলএ বেশি ফটফট করবেন না, গরু পাচারে আপনার নাম আছে। একটু স্লো চলুন। বারসতের গতবারের বিদায়ী সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের পিএ বাপি প্রচুর টাকা তুলেছেন। তাঁর সঙ্গে জড়িত রয়েছেন সাংসদও। আমি একথা বলেছিলাম বলে মানহানির মামলা করেছিল আমার নামে। পাল্টা আইজীবীর চিঠিতে বাবার নাম তোলার প্রসঙ্গ মনে করিয়ে দিতেই তারপর থেকে আমাকে আর খোঁচাতে আসেননি। পিএ-এর বস্তাটা যদি খুলে দিই ওঁর ঘর থেকে বেরিয়ে প্রচার করা মুশকিল হয়ে যাবে!”

    মধ্যমগ্রামেও গার্ডেনরিচের মতো ভুয়ো বিল্ডিং রয়েছে

    এদিন নাম না করে রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষকেও আক্রমণ করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। রেশন কেলেঙ্কারি, কেন্দ্র সরকারের টাকা চুরি এবং কাট মানিতে এই জেলায় তৃণমূলের নেতারা বিরাট ভূমিকা পালন করেছে বলে মন্তব্য করেন। একই ভাবে গার্ডেনরিচের প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু বলেন, “মধ্যমগ্রামে যদি হাত দেন, গার্ডেনরিচের মতো কত ভুয়ো বিল্ডিং বের হবে। একই ভাবে অশোকনগর, বারাসতে প্রচুর পুকুর ভরাট করে বৈধ বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে। পুরসভায় দুর্নীতিতে রথীন ঘোষ জড়িত। আমার কাছে তার প্রমাণ রয়েছে। প্রচারে সেগুলো বলব। কয়েকদিন আগে ইডি, সিবিআই ওঁকে বাড়িতে গিয়ে আদর করে এসেছে।”

    রাজ্যের নির্বাচন প্রসঙ্গে কী বললেন?

    রাজ্যের বিরোধী দল নেতা শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “রাজ্যের নির্বাচন কমিশন দুর্নীতিগ্রস্থ পুলিশ আধিকারিকদের বদল করবে। কারণ এই পুলিশ প্রশাসন ২০২১ সালের বিধানসভার নির্বাচন করার পর মানুষকে নিরাপত্তা দিতে পারেনি। আমদের সংখ্যালঘু নেতা মহম্মদ আলিকে এই বারাসতে পিটিয়ে খুন করেছিল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। খুনিদের এখনও গ্রেফতার করেনি পুলিশ। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনেও ব্যাপক সন্ত্রাস চালিয়েছে তৃণমূলের গুন্ডারা। মনোনয়ন জমা থেকে ভোট দেওয়া এবং গণনা কেন্দ্রে বিরোধীদের সকল অধিকার লুট করেছে তৃণমূল। তাই চোরেদের হারাতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Israel Hamas War: সন্ত্রাস-হামলার নেপথ্যে এরাই! হামাসের কুখ্যাত ‘নুখবা’ কমান্ডোদের ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিল ইজরায়েল

    Israel Hamas War: সন্ত্রাস-হামলার নেপথ্যে এরাই! হামাসের কুখ্যাত ‘নুখবা’ কমান্ডোদের ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিল ইজরায়েল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েলে অতর্কিত জঙ্গি-হামলার নেপথ্যে ছিল এরাই! বদলা স্বরূপ, হামাসের সেই কুখ্যাত কমান্ডোদের সদর দফতর বোমা মেরে গুঁড়িয়ে দিল ইজরায়েল (Israel Hamas War)। 

    ‘নুখবা’-র ডেরায় বোমাবর্ষণ ইজরায়েলের

    ইজরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ)-এর তরফে জানানো হয়েছে, গাজার প্রাণকেন্দ্রে হামাসের কুখ্যাত স্পেশাল ফোর্সের ইউনিট ‘নুখবা’-র ডেরায় অভিযান চালায় ইজরায়েল। বৃহস্পতিবার ভোর রাতে আকাশপথে বোমাবর্ষণ করে হামাসের কমান্ডো-বাহিনীর ঘাঁটি ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে ইজরায়েলি বায়ুসেনা (Israel Hamas War)। আইডিএফ-এর আরও দাবি, রাতে গাজায় হামাসের ঘাঁটি লক্ষ্য করে মুহুর্মুহু আক্রমণ শানিয়েছে ইজরায়েলি বায়ুসেনা। সেই অভিযানে হামাসের রাফা নৌবাহিনীর প্রধান আবু শামলা খতম হয়েছে। জানা গিয়েছে, হামাসের নৌ-অস্ত্রাগারের পাশে একটি ডেরায় ছিলেন আবু শামলা। সেখানেই বোমা নিক্ষেপ করা হয়।

    আরও পড়ুন: ভারত চায় আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা মেটাক ইজরায়েল-প্যালেস্তাইন, জানাল বিদেশমন্ত্রক

    ইজরায়েলে হামলার নেপথ্যে কুখ্যাত ‘নুখবা’!

    ‘নুখবা’ হল সিরিয়ার বাছাই করা জঙ্গিদের নিয়ে গঠিত একটি এলিট ফোর্স। শীর্ষস্থানীয় হামাস নেতারা নিজের হাতে ‘নুখবা’-র সদস্যদের বেছে নেয়। অতর্কিত হামলা থেকে শুরু করে খুনজখম, সুড়ঙ্গ খুঁড়ে অনুপ্রবেশ— এরা সিদ্ধহস্ত। শুধু তাই নয়, ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র চালানো থেকে শুরু করে রকেট হানা এবং নিখুঁত লক্ষ্যভেদকারী স্নাইপার— এরা বিভিন্ন অস্ত্র চালনায় পারদর্শী। বর্তমানে এই কমান্ডোরাই হামাসের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে বলে ইজরায়েলি গোয়েন্দাদের দাবি।

    আইডিএফ জানিয়েছে, ২০০৭ সালে গাজার দখল নেয় হামাস। তার পর থেকে নিজেদের ‘সেফ প্যাসেজ’ তৈরি করতে গোপনে গাজায় গোপন সুড়ঙ্গের নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়। দায়িত্ব দেওয়া হয় সুড়ঙ্গ খোঁড়ায় পারদর্শী ‘নুখবা’ বাহিনীকেই (Israel Hamas War)। এবার এই বাহিনীকে দিয়েই সীমান্তে গোপনে সুড়ঙ্গ খুঁড়ে সেখান দিয়ে আচমকা ইজরায়েলে অনুপ্রবেশ করায় হামাস। ইজরায়েলি গোয়েন্দার দাবি, গাজায় হামাসের সুড়ঙ্গের নেটওয়ার্ক এমনভাবে বিস্তৃত যে, প্রত্যেকটি স্কুল বা মসজিদ অথবা কোনও হামাস দফতর— সবার ভেতর দিয়ে একটি সুড়ঙ্গ পথ তৈরি করা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘অপারেশন অজয়’-এর প্রথম উড়ানে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইজরায়েল থেকে ফিরলেন ২১২ জন ভারতীয়

    নিরীহ অপহৃতদের ঢাল বানাচ্ছে হামাস

    গত শনিবার সকালে, ইজরায়েলে অতর্কিতে হামলা চালায় হামাস জঙ্গিরা। হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজা থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে রকেট এসে আছড়ে পড়ে ইজরায়েলে। আইডিএফ জানিয়েছে, ২০ মিনিটে প্রায় ৫ হাজার রকেট নিক্ষেপ করা হয়ে ইজরায়েলে। আয়রন ডোম-এর ফলে, অধিকাংশ মাঝ-আকাশেই নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। তাও, অনেকগুলো আছড়ে পড়ে মাটিতে। এর পাশাপাশি, প্যারাগ্লাইডারে চেপে ইজরায়েলে অনুপ্রবেশ করে হামাস জঙ্গিরা (Israel Hamas War)। এছাড়া, সীমান্তে সুড়ঙ্গ কেটে এবং সুমুদ্রপথেও ইজরায়েলে ঢুকে হামলা চালায় জঙ্গিরা। হামাসের হামলায় ১২০০-র বেশি ইজরায়েলির মৃত্যু হয়। জখম হল ৩ হাজারের বেশি। হত্যালীলা চালানোর পর বহু ইজরায়েলিকে এপার থেকে অপহরণ করে সীমান্ত পেরিয়ে গাজায় পণবন্দি করে রেখেছে হামাস। তাঁদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে দাবি আইডিএফ-এর।

    গাজায় ঢোকার অপেক্ষায় ৩ লক্ষ ইজরায়েলি ফৌজ

    এর পরই যুদ্ধ ঘোষণা করে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। গাজায় হামাসের ঘাঁটি লক্ষ্য করে চলে মুহুর্মুহু আক্রমণ।  ইজরায়েলি সেনার হামলায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত গাজার একাংশ। হামাস তাদের হামলার নাম দিয়েছিল ‘অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড’। ইজরায়েলের জবাবি অভিযানের কোডনেম হল ‘অপারেশন সোর্ডস অফ আয়রন’। হামাসের হত্যালীলা রুখতে ইজরায়েলের তরফে ৩ লক্ষ শক্তিশালী বাহিনীকে সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে (Israel Hamas War)। ইজরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা স্থলপথে গাজায় ঢুকতে তৈরি। কিন্তু, রাজনৈতিক সবুজ সঙ্কেত না মেলায় তারা অপেক্ষায় রয়েছে। যদিও বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, পৃথিবীর বুকে একটিও হামাস জঙ্গিকে রাখা হবে না। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী জানান, বায়ুসেনাকেও হামাসের উপরে হামলা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • C-295 Airlifter: ভারতে পৌঁছল প্রথম ‘সি-২৯৫’ বিমান, কতটা লাভবান হবে ভারতীয় বায়ুসেনা?

    C-295 Airlifter: ভারতে পৌঁছল প্রথম ‘সি-২৯৫’ বিমান, কতটা লাভবান হবে ভারতীয় বায়ুসেনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে ভারতে পৌঁছল অত্যাধুনিক সামরিক পণ্য সরবরাহকারী বিমান ‘সি-২৯৫’ এয়ারলিফটার (C-295 Airlifter)। এধরনের ৫৬টি বিমান কিনছে ভারত। এর ফলে, এক ধাক্কায় ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force) ধার ও ভার অনেকটাই বেড়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, এবার চিন-সীমান্তের মতো দুর্গম জায়গায় অতি সহজেই অস্ত্র ও রসদ পৌঁছে দিতে পারবে বায়ুসেনা। 

    চিন-সীমান্তে নিমেষেই পৌঁছে যাবে বাহিনী, অস্ত্র-রসদ

    দীর্ঘদিন ধরেই বর্তমানে ব্যবহৃত পুরনো আমলের এবং তুলনামূলক ছোট ও কম শক্তিশালী অ্যাভরো-৭৪৮ বিমানকে অবসরে পাঠিয়ে তার জায়গায় নতুন শক্তিশালী, আরও প্রযুক্তিগত উন্নত এবং সর্বোপরি অধিক সক্ষমতার একটি পণ্য সরবরাহকারী বিমানের খোঁজে ছিল ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force)। অনেক সময় জরুরি প্রয়োজনে সামরিক সরঞ্জাম পৌঁছে দিতে অসুবিধার মধ্যে পড়তে হয় বায়ুসেনাকে। বিশেষ করে ভারত-চিন সীমান্ত অঞ্চলে এই সমস্যা বেশি দেখা দিয়েছে। সেনা ট্রাকে করে সড়কপথে বাহিনী বা সামরিক সরঞ্জাম পৌঁছতে অনেক বিলম্ব হয়। এবার ‘সি-২৯৫’ (C-295 Airlifter) চলে আসায় অবশেষে বায়ুসেনার সেই সমস্যা আর থাকবে না। এর ফলে লাদাখ, অরুণাচল প্রদেশ, সিকিমে মতো দুর্গম অঞ্চলে অতি সহজে এবং কম সময়ের মধ্যে অস্ত্র ও রসদ পৌঁছে দিতে পারবে বায়ুসেনা।

    ভদোদরায় পৌঁছল ‘সি-২৯৫’

    বায়ুসেনা সূত্রে খবর, বুধবার গুজরাটের ভদোদরার বায়ুসেনাঘাঁটিতে স্পেন থেকে প্রথম বিমানটি এসে পৌঁছেছে। বাহরিন থেকে বিমানটি চালিয়ে নিয়ে এসেছেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন পিএস নেগি। গত ১৩ তারিখ, স্পেনের সেভিয়া শহরে একটি অনুষ্ঠানে এয়ার চিফ মার্শাল ভিআর চৌধুরী এবং স্পেনে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত দীনেশ পট্টনায়েকের উপস্থিতিতে প্রথম ‘সি-২৯৫’ (C-295 Airlifter) বিমানটি ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে তুলে দিয়েছিল বিমান নির্মাতা সংস্থা ‘এয়ারবাস ডিফেন্স অ্যান্ড স্পেস’। বায়ুসেনার (Indian Air Force) সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর দিল্লির কাছে হিন্ডন বায়ুসেনাঘাঁটিতে নির্ধারিত একটি অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং আনুষ্ঠানিকভাবে বিমানটিকে ভারতীয় বিমান বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করবেন।

    ৫৬টি ‘সি-২৯৫’ কিনেছে বায়ুসেনা

    জানা গিয়েছে, ২ বছর আগে, ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে এয়ারবাসের সঙ্গে ৫৬টি ‘সি-২৯৫’ (C-295 Airlifter) বিমান কেনার চুক্তি করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক, যার মূল্য প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা। চুক্তি মোতাবেক, ৫৬টি বিমানের মধ্যে প্রথম ১৬টি একেবারে ফ্লাই-অ্যাওয়ে কন্ডিশনে (সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায়) ভারতে উড়িয়ে আনা হবে। বাকি ৪০টি ভারতে তৈরি হবে প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে। চুক্তি অনুযায়ী, ভারতে বিমানগুলি তৈরি হবে গুজরাটের ভাদোদরায়, টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমস-এর কারখানায়।

    ‘সি-২৯৫’-এর অনন্য বৈশিষ্ট্য

    বিমানটি ১৩ ঘণ্টা টানা কম জ্বালানী খরচ করে উড়তে পারে। একটি ইঞ্জিনের সাহায্য এটি সাড়ে ১৩ হাজার ফুট উচ্চতা পর্যন্ত উড়তে সক্ষম। ২টি ইঞ্জিন ব্যবহার করলে, এই বিমান ৩০ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়তে পারে। এছাড়া, এই বিমানে মিড-এয়ার রিফুয়েলিং ব্যবস্থা রয়েছে। অর্থাৎ, যুদ্ধবিমানের মতো মাঝ-আকাশেই জ্বালানি ভরতে সক্ষম ‘সি-২৯৫’ এয়ারলিফটার (C-295 Airlifter)। টেক অফের জন্য এই বিমানের প্রয়োজন মাত্র ৪২০ মিটার রানওয়ে। ল্যান্ডিংয়ের জন্য প্রয়োজন এর অর্ধেক। ফলে, ছোট বা সম্পূর্ণ তৈরি না হওয়া এয়ারস্ট্রিপ থেকেও উড়ান দিতে পারবে এটি। এয়ারবাসের তরফে জানানো হয়েছে, কাঁচা, নরম এবং বালুকাময় অথবা ঘাসের এয়ারস্ট্রিপ থেকে অসাধারণ শর্ট টেক-অফ এবং ল্যান্ডিং (STOL) করার ক্ষমতা রয়েছে ‘সি-২৯৫’ বিমানের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • G20 Summit: ভারত মণ্ডপমে রাষ্ট্রনেতাদের স্বাগত জানালেন মোদি, শুরু হল জি২০ সম্মেলন

    G20 Summit: ভারত মণ্ডপমে রাষ্ট্রনেতাদের স্বাগত জানালেন মোদি, শুরু হল জি২০ সম্মেলন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসে গেল বহু প্রতিক্ষিত মুহূর্ত। প্রবল প্রত্যাশার মধ্যে দিয়ে নয়াদিল্লিতে সূচনা হল দুদিন ব্যাপী জি২০ শীর্ষ সম্মেলনের (G20 Summit)। প্রথমবার এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন ভারতে বসছে। সম্মেলনের সভাপতিত্ব করছে ভারত। এই জন্য এবারের সম্মেলনকে মাথায় রেখে বিশ্বের সামনে দেশের সংস্কৃতি ও গরিমা তুলে ধরতে সচেষ্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সম্মেলনের জন্য দিল্লির প্রগতি ময়দানে নির্মিত ভারত মণ্ডপম সভাঘর থেকে শুরু করে বিদেশি অতিথিদের আপ্যায়ন— সবকিছুতে ভারতের ইতিহাস ও ঐতিহ্য বহন করছে। এই সম্মেলনের থিম ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’। অর্থ, গোটা বিশ্ব একটিই পরিবার। 

    রাষ্ট্রনেতাদের স্বাগত জানালেন মোদি

    আজ কড়া নিরাপত্তায় এই সম্মেলন (G20 Summit) শুরু হয়েছে। এদিন সকাল ৯টা নাগাদ ভারত মণ্ডপম-এ পৌঁছে যান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁকে স্বাগত জানান বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। এরপর একে একে আসতে শুরু করে বিদেশি রাষ্ট্রনেতারা। এক এক করে সভায় যোগ দিতে আসা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা, দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতি সিরিল রামাফোসা, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক, রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ, চিনের প্রিমিয়ার লি কিয়াং, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। 

     

     

    শুরুতেই বড় ঘোষণা মোদির

    এর পর সভার উদ্বোধনী বক্তব্যে (G20 Summit) মোদি বলেন, ‘‘করোনা মহামারির পরে বিশ্বে বিশ্বাসজনিত সঙ্কট তৈরি হয়েছে। যুদ্ধ এই সঙ্কটকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। নিজেরা আলোচনা করে এই সঙ্কটকে কাটাতে পারি। এটাই একসঙ্গে চলার সময়।’’ একইসঙ্গে, মরক্কোয় গতকালের ভূমিকম্পে প্রাণহানির ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেন আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন। এর পর বড় ঘোষণা করলেন মোদি। জি২০-র (G20 Summit 2023) স্থায়ী সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হল আফ্রিকান ইউনিয়ন। আজকে সম্মেলনের প্রথম সেশনে এই নিয়ে ঘোষণা করে গোষ্ঠীর বর্তমান সভাপতি তথা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    সম্মেলনে কী কী নিয়ে আলোচনা হবে?

    জি২০ গোষ্ঠীতে (G20 Summit) রয়েছে ১৯টি রাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এই গোষ্ঠীর সদস্য দেশগুলি হল— ভারত, অস্ট্রেলিয়া, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, কানাডা, চিন, ফ্রান্স, জার্মানি, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, মেক্সিকো, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া, তুরস্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন। এই সম্মেলনে একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা (G20 Summit 2023)। আলোচ্য বিষয়বস্তুর তালিকায় রয়েছে— উন্নয়নশীল দেশগুলিকে ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক ঋণ কাঠামোর সংস্কার, ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ন্ত্রণবিধি, ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা এবং খাদ্য ও পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ উৎপাদনের নিরাপত্তা ও তার প্রভাব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Narendra Modi: ‘আদিত্য-এল১’ এর সফল উৎক্ষেপণে ইসরোকে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রী, অমিত শাহের

    PM Narendra Modi: ‘আদিত্য-এল১’ এর সফল উৎক্ষেপণে ইসরোকে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রী, অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রথম সূর্য মিশন ‘আদিত্য-এল১’ উপগ্রহের সফল উৎক্ষেপণের জন্য ভারতীয় গবেষণা সংস্থা ইসরোকে অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    ‘‘আমাদের নিরলস বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টা চলবে’’

    মহাকাশে ‘আদিত্য-এল১’ তার নির্দিষ্ট কক্ষপথে পৌঁছনোর পরই, ইসরোর বিজ্ঞানীদের অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। ট্যুইটারে (অধুনা এক্স) তিনি লেখেন, ‘‘চন্দ্রযান ৩-এর সাফল্যের পর ভারত তার মহাকাশ যাত্রা জারি রেখেছে। ভারতের প্রথম সৌর মিশন ‘আদিত্য-এল১’-এর সফল উৎক্ষেপণের জন্য ইসরোর সকল বিজ্ঞানী ও ইঞ্জিনিয়ারদের অভিনন্দন।’’ প্রধানমন্ত্রী আরও লেখেন, ‘‘ সমগ্র মানব সভ্যতার কল্যাণের জন্য বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকে আরও ভালো করে বুঝতে আমাদের নিরলস বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টা চলবে।’’

    অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রায়পুরে একটি সভায় তিনি বলেন, ‘‘মিশন আদিত্যর সফল উৎক্ষেপণের জন্য আমি সকলকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।’’

    অভিনন্দন জানানো হয়েছে বিজেপির তরফেও। দলের অফিসিয়াল ট্যুইটার হ্যান্ডলে তারা লিখেছে, ‘‘ভারতের প্রথম সূর্যাভিযান আদিত্য-এল১-এর সফল উৎক্ষেপণের জন্য ইসরোকে অভিনন্দন।’’

    শনিবার মহাকাশে সফলভাবে পাড়ি দিয়েছে ‘আদিত্য-এল১’। এদিন, সকাল ১১টা ৫০ মিনিট নাগাদ শ্রীহরিকোটার সতীশ ধওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে পিএসএলভি-সি৫৭ রকেটে চেপে মহাকাশে পাড়ি দেয় ১৫০০ কেজি ওজনের ‘আদিত্য-এল১’ (ISRO Aditya-L1 Mission)। উৎক্ষেপণের ৬৩ মিনিট পর ইসরোর তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, নির্দিষ্ট কক্ষপথে স্থাপিত করা হয়েছে ‘আদিত্য-এল১’ (Aditya-L1 Launch) উপগ্রহকে। ইসরো জানিয়েছে, প্রায় ১৬ দিন পৃথিবীর চারিদিকে চক্কর কাটবে ‘আদিত্য-এল১’ (ISRO Aditya-L1 Mission)। এই ভাবে ১৬ দিনে সূর্যের দিকে পাড়ি দেওয়ার জন্য পাঁচটি ধাপে নিজের উপযুক্ত গতিবেগ অর্জন করবে। এর পর লিক্যুইড অ্যাপোজি মোটরে ভর করে ‘হেলো অরবিট ল্যাগ্রাঞ্জ পয়েন্ট’-এর দিকে যাত্রা করবে ‘আদিত্য-এল১’। ১১০ দিনের সেই যাত্রা শেষ করে একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে দাঁড়িয়ে সূর্যকে পর্যবেক্ষণ করবে ‘আদিত্য-এল১’। চূড়ান্ত গন্তব্য হলো পৃথিবী থেকে তার দূরত্ব ১৫ লক্ষ কিলোমিটার দূরে একটি জায়গা যার নাম ল্যাগ্রাঞ্জিয়ান পয়েন্ট-১ পয়েন্ট বা এল-১। এখানে সূর্য এবং পৃথিবীর আকর্ষণ এবং বিকর্ষণ বল একসঙ্গে ক্রিয়াশীল। ফলত, উপগ্রহটি একটি জায়গায় স্থির হয়ে থাকতে পারবে এবং সর্বক্ষণ সূর্যের বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা করবে। আপাতত চার মাসের অপেক্ষা। তার পর আরেকটি ইতিহাস তৈরি হবে।

    এদিন সফল উৎক্ষেপণের পর বক্তব্য রাখতে গিয়ে ইসরো প্রধান এস সোমনাথ বলেন, এখান থেকে এল১ পয়েন্টে যাওয়ার যাত্রা শুরু হলো। সামনে এক দীর্ঘ যাত্রা। প্রায় ১২৫ দিনের। আসুন সকলে মিলে ‘আদিত্য-এল১’-কে এই সফরের জন্য শুভেচ্ছা জানাই। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Aditya-L1 Launch: আর কিছুক্ষণের অপেক্ষা, তারপরই সূর্যে পাড়ি দেবে ‘আদিত্য-এল১’

    Aditya-L1 Launch: আর কিছুক্ষণের অপেক্ষা, তারপরই সূর্যে পাড়ি দেবে ‘আদিত্য-এল১’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও এক মাহেন্দ্রক্ষণের প্রহর গুণছে ইসরো। আরও গর্বের মুহূর্তের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় দেশবাসী। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই, আজই সূর্যের দেশে পাড়ি দিচ্ছে ইসরোর প্রথম সোলার মিশন ‘আদিত্য-এল১’ (Aditya-L1 Launch)।

    আর কিছুক্ষণের মধ্যেই উৎক্ষেপণ

    আজ সকাল ১১টা ৫০ মিনিট নাগাদ শ্রীহরিকোটার সতীশ ধওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে ভারতের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল বা পিএসএলভি-সি৫৭ রকেটে চেপে মহাকাশে পাড়ি দেবে ১৪৮০ কেজি ওজনের ‘আদিত্য-এল১’ (Aditya-L1 Launch)। রকেট তাকে পৌঁছে দেবে ২৩৫ x ১৯,৫০০ কিলোমিটার পরিধির পৃথিবীর কক্ষপথে। ইসরো জানিয়েছে, চন্দ্রযানের মতোই, উৎক্ষেপণের পর প্রায় ১৬ দিন পৃথিবীর চারিদিকে চক্কর কাটবে ‘আদিত্য-এল১’ (ISRO Aditya-L1 Mission)। এই ভাবে ১৬ দিনে সূর্যের দিকে পাড়ি দেওয়ার জন্য পাঁচটি ধাপে নিজের উপযুক্ত গতিবেগ অর্জন করবে। এর পর ‘হালো অরবিট ল্যাগ্রাঞ্জ পয়েন্ট’-এর দিকে যাত্রা করবে ‘আদিত্য-এল১’। ১১০ দিনের সেই যাত্রা শেষ করে একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে দাঁড়িয়ে সূর্যকে পর্যবেক্ষণ করবে ‘আদিত্য-এল১’।

     

     

    ‘আদিত্য-এল১’ কি সূর্যে যাচ্ছে?

    ইসরো জানিয়েছে, ‘আদিত্য-এল১’ (Aditya-L1 Launch) কখনই সূর্যে যাচ্ছে না। অর্থাৎ, নাসার পাঠানো পার্কার সোলার প্রোব-এর মতো ‘আদিত্য-এল১’ কোনও সোলার প্রোব নয়। এটি ভারতের প্রথম স্পেস বেসড্ সোলার অবজারভেটরি হতে চলেছে। অর্থাৎ মহাকাশে স্থাপিত সূর্য পর্যবেক্ষ কেন্দ্র। বা বলা ভালো, এটি একটি উপগ্রহ। ইসরো জানিয়েছে, ‘আদিত্য-এল১’ (ISRO Aditya-L1 Mission) পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যবর্তী একটি অঞ্চল পর্যন্তই যাবে। যে বিন্দুকে বলা হচ্ছে ল্যাগ্রাঞ্জ-১ পয়েন্ট বা এল-১। যেখানে ‘আদিত্য-এল১’ পৌঁছবে, পৃথিবী থেকে তার দূরত্ব ১৫ লক্ষ কিলোমিটার (যা, পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যে দূরত্বের ১ শতাংশ মাত্র)। এই বিন্দুতে, এখানে সূর্য এবং পৃথিবীর আকর্ষণ এবং বিকর্ষণ বল একসঙ্গে ক্রিয়াশীল। ফলত, উপগ্রহটি একটি জায়গায় স্থির হয়ে থাকতে পারবে।

    এই মিশনের লক্ষ্য কী?

    ‘আদিত্য-এল১’ মিশনের মূল লক্ষ্য হলো, এই মহাকাশযানটি সূর্যের নানা রহস্য উন্মোচন করবে। ‘আদিত্য-এল১’ (Aditya-L1 Launch) উপগ্রহ মোট সাতটি পেলোড নিয়ে মহাকাশে যাবে। তার মধ্যে চারটি সূর্যের আলো পর্যবেক্ষণ করবে। বাকি তিনটি প্লাজমা ও ম্যাগনেটিক ফিল্ড পর্যবেক্ষণ করবে। মহাকাশের পরিবেশ, আবহাওয়া, তার উপর সূর্যের কী প্রভাব পড়ে, সে সব জানার চেষ্টা করবে ‘আদিত্য-এল১’ (ISRO Aditya-L1 Mission)। সূর্যের করোনা ও ফোটোস্পিয়ার, ক্রোমোস্পিয়ারের পর্যবেক্ষণ করবে বিভিন্ন ওয়েভব্যান্ড থেকে। সূর্যের উত্তাপ, সৌর পদার্থের নিঃসরণ, সৌরঝড়ের মতো সূর্যকেন্দ্রিক বিষয়গুলি বুঝতেও বিজ্ঞানীদের সাহায্য করবে। 

    প্রতি মিনিটে একটি করে ছবি তুলবে সোলার ক্যামেরা

    সূর্য গ্রহণ, সৌরঝড়, সূর্যের নানা অবস্থান পর্যবেক্ষণ করে কাছ থেকে ছবি তুলে ইসরোকে পাঠাবে ‘আদিত্য-এল১’ (Aditya-L1 Launch)। এই ছবি পাঠানোর কাজ করবে ভিসিবল এমিশন লাইন করোনাগ্রাফি(ভিইএলসি) এবং সোলার আল্ট্রাভায়োলেট ইমেজিং টেলিস্কোপ (এসএউআইটি) নামে দু’টি মূল পেলোড। ইসরো জানিয়েছে, সমস্ত যন্ত্র সঠিকভাবে কাজ করলে, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে ‘আদিত্য-এল১’ (ISRO Aditya-L1 Mission) প্রতিদিন ১৪৪০টি করে সূর্যের ছবি পাঠাবে। অর্থাৎ, প্রতি মিনিটে একটি করে ছবি তুলবে ভিইএলসি। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব অ্যাস্ট্রোফিজিক্সের তথ্য অনুযায়ী, ১৯০ কেজির ভিইএলসি পেলোড আগামী পাঁচ বছর ধরে ছবি পাঠাবে। এটি উপগ্রহের ন্যূনতম আয়ু।

    কোথায়, কখন সরাসরি সম্প্রচার?

    ইসরো জানিয়েছে, শনিবার সকাল ১১টা ২০ মিনিট থেকেই এই ‘আদিত্য-এল১’ (Aditya-L1 Launch) উৎক্ষেপণের সম্প্রচার শুরু হবে। সরাসরি দেখতে পাওয়া যাবে ঘরে বসেই। ইসরোর সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে (ফেসবুক, এক্স, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব, ওয়েবসাইট) দেখা যাবে উৎক্ষেপণের লাইভ সম্প্রচার।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • LCA Tejas Mk-1A: আরও ১০০টি তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমান কিনছে ভারতীয় বায়ুসেনা! শীঘ্রই বরাত হ্যাল-কে

    LCA Tejas Mk-1A: আরও ১০০টি তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমান কিনছে ভারতীয় বায়ুসেনা! শীঘ্রই বরাত হ্যাল-কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন-পাকিস্তান দ্বৈত সীমান্তের কথা মাথায় রেখে ভারতীয় বায়ুসেনাকে (Indian Air Force) শক্তিশালী করার প্রক্রিয়া বেশ কয়েক বছর ধরেই করে আসছে মোদি সরকার। সেই প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যেতে দেশীয় লাইট কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট (এলসিএ) তেজস যুদ্ধবিমানের আরও ১০০টি নতুন ‘মার্ক ১এ’ (LCA Tejas Mk-1A) সংস্করণ কেনার বিষয়ে উদ্যোগী হলো বায়ুসেনা। এই প্রেক্ষিতে একটি প্রস্তাব বায়ুসেনার তরফে কেন্দ্রের কাছে পেশ করা হতে পারে। সূত্রের খবর, হয়ত তা কেন্দ্রের সবুজ সঙ্কেত পেয়েও যাবে। সব ঠিকঠাক চললে, খুব শীঘ্রই এই বিমান প্রস্তুতকারী সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেডকে বরাত দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। 

    বায়ুসেনায় ৩০০টির ওপর তেজস

    বায়ুসেনার (Indian Air Force) তরফে যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, সেই অনুযায়ী, ‘তেজস মার্ক ১এ’ (LCA Tejas Mk-1A) যুদ্ধবিমানের আধুনিক সংস্করণের ১০০টি ইউনিট কেনা হবে। খুব দ্রুত এর জন্য বরাত দেওয়া হবে হ্যাল-কে। জানা গিয়েছে, এই ১০০টি বিমান হাতে আসতে প্রায় ১৫ বছর লাগবে। সেটা হওয়ার পর বায়ুসেনার হাতে ৪০টি এলসিএ তেজস মার্ক-১, ১৮০টি এলসিএ তেজস মার্ক-১এ এবং অন্তত ১২০টি তেজস মার্ক-২ (বর্তমানে পরীক্ষার স্তরে) যুদ্ধবিমান থাকবে। 

    গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বায়ুসেনা প্রধান

    বুধবার, বায়ুসেনার (Indian Air Force) সদর দফতরে এলসিএ প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল ভি আর চৌধুরি। সেখানেই বায়ুসেনার উচ্চ পদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে বায়ুসেনার শীর্ষ আধিকারিকদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রক, হ্যাল, ডিআরডিও এবং এডিএ-র শীর্ষ পদাধিকারীরা। সেখানেই এই ১০০টি যুদ্ধবিমান (LCA Tejas Mk-1A) কেনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ হয়। মৌখিকভাবে, হ্যালকে সেই সিদ্ধান্ত জানিয়েও দেওয়া হয়েছে। আপাতত, অপেক্ষা সরকারি সিলমোহরের। 

    দেশের গর্ব এলসিএ তেজস

    চতুর্থ প্রজন্মের ‘লাইট কমব্যাট এয়ারক্র্যাফ্‌ট’ গোত্রের তেজস সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি। এর ৬৫ শতাংশেরও বেশি যন্ত্রাংশ ও সরঞ্জামও ভারতীয় সংস্থাগুলি তৈরি। ছ’দশকের পুরনো রুশ যুদ্ধবিমান মিগ-২১ বাইসন যুদ্ধবিমানের পরিবর্ত হিসেবে তেজস ব্যবহার করতে শুরু করে ভারতীয় বায়ুসেনা। ভারতীয় বায়ুসেনায় এলসিএ তেজস মার্ক-১ যুদ্ধিবিমানের অন্তর্ভুক্তি হয়েছিল ২০১৬ সালে। প্রথম স্কোয়াড্রনটি ছিল বায়ুসেনার ৪৫ স্কোয়াড্রন, পোশাকী নাম ‘ফ্লাইং ড্যাগার্স’। তেজস ব্যবহারের আগে, এই স্কোয়াড্রন মিগ-২১ বাইসন ব্যবহার করতো। 

    চলছে আধুনিকীকরণ

    পরবর্তীকালে, ২০২১ সালের গোড়ায় দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ৮৩টি হালকা যুদ্ধবিমান তেজসের উন্নত সংস্করণ মার্ক-১এ (LCA Tejas Mk-1A) কেনার বিষয়ে ছাড়পত্র দিয়েছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি। এখন সেগুলির উৎপাদন চলছে সংস্থার বেঙ্গালুরুর কারখানায়। হ্যাল-এর তরফে জানানো হয়েছে, ২০২৪ ফেব্রুয়ারি থেকেই ওই শুরু হবে এই বিমানগুলোর ডেলিভারি প্রক্রিয়া। তার আগেই, বায়ুসেনার (Indian Air Force) তরফে আরও ১০০টি আধুনিক সংস্করণের যুদ্ধবিমানের বরাত পেতে চলেছে হ্যাল। উৎপাদনের পাশাপাশি, প্রতিনিয়ত এই যুদ্ধবিমানকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করার প্রক্রিয়া একইসঙ্গে চলছে। তেজসকে সম্প্রতি ‘অ্যাক্টিভ ইলেকট্রনিক্যালি স্ক্যান্‌ড অ্যারো রেডার’ (এএসইএ), মিড এয়ার ফুয়েলিংয়ে সজ্জিত করার কাজও সম্পূর্ণ করে ফেলেছে হ্যাল। ইতিমধ্যেই ভারতীয় নৌবাহিনীর বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রমাদিত্য (INS Vikramaditya) থেকে সফল উড়ান এবং অবতরণ পরীক্ষা হয়েছে তেজসের। 

    শক্তিশালী ‘অস্ত্র’-এ সজ্জিত তেজস

    শুধু তাই নয়, তেজস-এর (LCA Tejas Mk-1A) মারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার পরীক্ষাও চলছে ক্রমাগত। বুধবারই ২০ হাজার ফুট উচ্চতায় তেজস যুদ্ধবিমান থেকে পরীক্ষামূলকভাবে নিক্ষেপ করা হয় স্বদেশীয় ‘অস্ত্র’ ক্ষেপণাস্ত্রের। গোয়ায় ডিআরডিও-র তত্ত্বাবধানে এই পরীক্ষা চলে। ‘অস্ত্র’  হলো ১০০ কিলোমিটার পাল্লার মাক ৪.৫ (শব্দের চেয়ে সাড়ে চার গুণ বেশি গতি) বিয়ন্ড ভিজ্যুয়াল রেঞ্জ বা দৃষ্টিসীমার বাইরে থাকা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম আকাশ-থেকে-আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র। এক কথায়, বিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া যায়। এই ক্ষেপণাস্ত্র মূলত আকাশপথে হামলাকারী শত্রু বিমান, হেলিকপ্টার, ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ধ্বংস করতে সক্ষম। সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমানে ইতিমধ্যেই যুক্ত করা হয়েছে এই মিসাইল। বুধবারের পরীক্ষা সফল হওয়ায়, শীঘ্রই তেজসেও এই বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত করা হবে। বর্তমানে এই ক্ষেপণাস্ত্রের আরও উন্নত ও অধিক ১৬০ কিমি পাল্লার সংস্করণ নিয়ে পরীক্ষা চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gadar 2: রকেটের গতিতে ছুটছে ‘গদর ২’, মাত্র ছ’ দিনে রোজগার কত জানেন?

    Gadar 2: রকেটের গতিতে ছুটছে ‘গদর ২’, মাত্র ছ’ দিনে রোজগার কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কী বলবেন একে? টাইফুন? সুনামি? নাকি হ্যারিকেন? কারণ মাত্র ছ’ দিন আগেই মুক্তি পেয়েছিল ‘গদর ২’ (Gadar 2)। সপ্তাহও পার হয়নি, এর মধ্যেই অনিল শর্মার এ ছবি ঘরে তুলেছে ২০০ কোটিরও বেশি টাকা। সানি দেওল ও আমিশা প্যাটেলের মতো নক্ষত্র খচিত এই ছবি ছুটছে অশ্বমেধের ঘোড়ার গতিতে।

    ‘গদর: এক প্রেমকথা’

    ২০০১ সালে মুক্তি পেয়েছিল ‘গদর: এক প্রেমকথা’। এর পর ‘গদর ২’ মুক্তি পেল বাইশ বছর পরে। তাই প্রথম ছবির সিক্যুয়েল ‘গদর’ প্রথম ছবির সাফল্য স্পর্শ করতে পারবে কিনা, সে প্রশ্ন ছিলই। তবে ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পরেই কার্যত উত্তর পেয়ে যান জিজ্ঞাসুরা। স্বাধীনতা দিবসেই এ ছবি ব্যবসা করেছে ৫৫.৪০ কোটি টাকার। ‘গদর ২’-এর (Gadar 2) ট্রেড অ্যানালিস্ট তরণ আদর্শ সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, “স্বাধীনতা দিবসে ইতিহাস গড়ল। ১৫ অগাস্টে সব চেয়ে বেশি। হ্যাঁ, গদর ২ স্বাধীনতা দিবসে বল পাঠাল মাঠের বাইরে।” তাঁর হিসেব, সব মিলিয়ে এ ছবি এখনই ব্যবসা করেছে ২২৮.৯৮ কোটি টাকার। ব্লক ব্লাস্টারের দৌড় অব্যাহত। তিনি জানান, স্বাধীনতা দিবসে ‘গদর ২’ কেবল সিঙ্গল স্ক্রিনেই দেখানো হয়নি, মাল্টিপ্লেক্সেও দেখানো হয়েছিল।

    ‘গদর ২’-র রোজগার 

    জানা গিয়েছে, ‘গদর ২’ করতে খরচ হয়েছে ২৬১.৩৫ কোটি টাকা। যে টাকার সিংহভাগই উঠে এসেছে মাত্র ছ’ দিনে। শুক্রবার মুক্তি পেয়েছে ছবিটি। সেদিনই ব্যবসা করেছিল ৪০ কোটি টাকার। তার পর থেকে যত দিন গড়িয়েছে, ততই ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে রোজগারের লেখচিত্র। শনিবার ‘গদর ২’ ব্যবসা করেছে ৪৩ কোটি টাকার। রবিবার নির্মাতারা ঘরে তুলেছেন ৫১ কোটি টাকা। সোমবার, সপ্তাহের প্রথম দিন হওয়ায় ব্যবসা কিছুটা কমে দাঁড়ায় ৩৮ কোটি টাকায়। আর মঙ্গলবার স্বাধীনতা দিবসে ছবি বেচে আয় হয় ৫৫.৫ কোটি টাকা। মাত্র পাঁচ দিনেই এ ছবি পেরিয়েছে ২০০ কোটির গন্ডি।

    আরও পড়ুুন: তৃণমূলের মঞ্চে খড়দা থানার আইসি, কাউন্সিলারদের তোলাবাজি না করার হুঁশিয়ারি, বিতর্ক

    ষাটোর্ব্ধ সানি বলেন, “আমি দারুণ খুশি। গদরের সিক্যুয়েলটা যখন শ্যুট করছিলাম, তখনও জানতাম না যে ছবিটা দর্শকদের এত ভাল লাগবে।” ছবির পরিচালক অনিল শর্মা বলেন, “গদর ২ এ (Gadar 2) সানি দেওল তারা সিংহ নামে অমৃতসরের এক ট্রাক চালকের ভূমিকায় অভিনয় করছেন। আর আমিশা অভিনয় করছেন তাঁর প্রেয়সী সাকিনার ভূমিকায়। ১৯৪৭ সালের ভারত ভাগের পটভূমিকায় তৈরি হয়েছে গদর ২।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Chandrayaan 3 Launch: উৎক্ষেপণ সফল, এবার যাত্রা শুরু! চাঁদের দেশে পাড়ি দিল ‘চন্দ্রযান ৩’

    Chandrayaan 3 Launch: উৎক্ষেপণ সফল, এবার যাত্রা শুরু! চাঁদের দেশে পাড়ি দিল ‘চন্দ্রযান ৩’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গন্তব্য চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চল। নির্ধারিত সময়েই মহাকাশে পাড়ি দিলো ভারতের ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3 Launch)। ইতিহাসের পথে এক পা বাড়ালো ভারত। শুক্রবার, ঠিক ২টো ৩৫ মিনিটে শ্রীহরিকোটার সতীশ ধওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে সফল উৎক্ষেপণ হলো ‘এলভিএম-৩’ রকেটের। এই রেকেটে চেপেই পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির বাধা টপকে মহাকাশের একটি নির্দিষ্ট কক্ষপথে পৌঁছল চন্দ্রযান ৩ মহাকাশযান। সেখান থেকে আগামী একমাস বিভিন্ন পদক্ষেপ অবলম্বন করে চাঁদের উদ্দেশে ৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটারের পথ পাড়ি দেওয়া শুরু করবে ‘চন্দ্রযান ৩’। উৎক্ষেপণের ৩০ মিনিট পর ইসরোর তরফে ঘোষণা করা হয়, এলভিএম-৩ রকেট সফলভাবে চন্দ্রযান ৩ মহাকাশযান নির্ধারিত কক্ষপথে পৌঁছে দিয়েছে। 

    কোন পদ্ধতিতে চাঁদের দিকে এগোবে চন্দ্রযান ৩?

    উৎক্ষেপণের পর ২৬ মিনিটের মাথায় ‘চন্দ্রযান ৩’ মহাকাশযানকে ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৭০ কিলোমিটার উচ্চতায় পৌঁছে দেয় রকেট। সেখানে পেলোড অর্থাৎ ‘চন্দ্রযান ৩’ মডিউলকে ছেড়ে দেওয়া হয়। প্রথমে, ডিম্বাকৃতি কক্ষপথে পৃথিবীর চারপাশে প্রদক্ষিণ করতে শুরু করবে চন্দ্রযান মডিউল। লক্ষ্য গতি সঞ্চয় করা। এইভাবে আগামী কয়েকদিন ধরে ৫ বার কক্ষপথের আয়তন একদিকে স্থির রেথে অন্যদিকে বাড়াতে থাকবে ‘চন্দ্রযান ৩’। ডিম্বাকৃতি কক্ষপথ এমন ভাবে তৈরি হবে যা একদিকে ১৭০ কিলোমিটার (অ্যাপোজি বা পৃথিবী থেকে কাছে) অন্যদিকে ৩৬ হাজার ৫০০ কিলোমিটার (পেরিজি বা পৃথিবী থেকে দূরে)। এর পরের ধাপে, রেট্রো ইঞ্জিন ফায়ার করিয়ে পৃথিবীর কক্ষপথ ছেড়ে চাঁদের কক্ষপথ (লুনার ট্রান্সফার অরবিট) ধরবে ‘চন্দ্রযান ৩’। এর পর ৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটারের পথ পাড়ি দেওয়া শুরু করে চাঁদের কক্ষপথে (লুনার অরবিট) প্রবেশ করবে মহাকাশযান। চূড়ান্ত ধাপে, চন্দ্রপৃষ্ঠের ১০০ কিমি ওপরে প্রোপালশন মডিউল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ল্যান্ডার মডিউল অবতরণ শুরু করবে। 

    চন্দ্রযান মহাকাশযানের মোট ওজন ৩,৯০০ কেজি। এতে রয়েছে একটি ল্যান্ডার, একটি রোভার ও একটি প্রোপালশন মডিউল। রোভারটি রয়েছে ল্যান্ডারের পেটে। এই দুটো মিলিয়ে ল্যান্ডার মডিউল। প্রোপালশন মডিউলের কাজ ল্যান্ডার মডিউলকে বহন করা। প্রোপালশন মডিউলের ওজন ২,১৪৮ কেজি, ল্যান্ডারটি ১,৭২৩ কেজি ও রোভারের ওজন ২৬ কেজি। এবারের চন্দ্রযানে মোট ১৩টি ‘থ্রাস্টার’ রয়েছে, যা সফট ল্যান্ডিং করতে সাহায্য করবে। প্রোপালশন মডিউল যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে। চন্দ্রযান ২-এর অন্তিম ব্যর্থতার কথা মাথায় রেখে চন্দ্রযান ৩-এর ল্যান্ডারে এবার কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে। ইসরো সূত্রে খবর, এই ল্যান্ডার চাঁদের মাটিতে ১২০ ডিগ্রি কোণে অবতরণ করবে। উলম্ব গতিবেগ থাকবে সেকেন্ডে ২ মিটারেরও কম। 

    এক ঝলকে উৎক্ষেপণ-পরবর্তী প্রক্রিয়া-পর্ব 

    ২টো ৩৫ মিনিটে শ্রীহরিকোটার সতীশ ধওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ হলো ‘এলভিএম-৩’ রকেট। কাউন্টডাউন শেষ হতেই ‘ইগনিশন’। প্রথমে দুদিকে আটকানো জোড়া এস-২০০ স্ট্র্যাপ বুস্টার ইঞ্জিন ফায়ার করলো। মহাকাশের দিকে উঠল ‘এলভিএম-৩’। এই রকেট বহন করছে ‘চন্দ্রযান ৩’ মহাকাশযানকে।

    উৎক্ষেপণের ১০৮ সেকেন্ড পর জ্বলে উঠলো এল-১১০ ইঞ্জিন, যা মূল রকেটের সঙ্গে যুক্ত। 

    উৎক্ষেপণের ১২৭ সেকেন্ড পর দুধারে আটকে থাকা এক জোড়া স্ট্র্যাপ বুস্টার মূল রকেট থেকে বিচ্ছিন্ন হলো। 

    উৎক্ষেপণের ১৯৫ সেকেন্ড পর পেলোড ফেয়ারিং বিচ্ছিন্ন হলো। 

    উৎক্ষেপণের ৩০৬ সেকেন্ড পর এল-১১০ ইঞ্জিন বিচ্ছিন্ন হলো। 

    আরও পড়ুন: ‘ব্যর্থতা-ভিত্তিক পদ্ধতি’-তেই সফল হবে চন্দ্রযান ৩! দাবি ইসরো প্রধানের, বিষয়টা কী?

    উৎক্ষেপণের ৩০৮ সেকেন্ড পর সি-২৫ ইঞ্জিন জ্বলে উঠলো।

    উৎক্ষেপণের ৯৫৪ সেকেন্ড পর সি-২৫ ইঞ্জিন বন্ধ হলো। 

    উৎক্ষেপণের ৯৬৯ সেকেন্ড পর মূল রকেট থেকে ‘চন্দ্রযান ৩’ মডিউল বিচ্ছিন্ন হলো। 

    উৎক্ষেপণের ২৬ মিনিট পর ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৭০ কিলোমিটার উচ্চতায় নির্ধারিত কক্ষপথে পৌঁছে গেলো ‘চন্দ্রযান ৩’।

    এক মাস পর চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করবে ‘চন্দ্রযান ৩’। ইসরো জানিয়েছে, ২৩ বা ২৪ অগাস্ট, ‘চন্দ্রযান ৩’-এর সম্ভাব্য অবতরণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3 Launch: উৎক্ষেপণের অপেক্ষায়! ঠিক দুপুর ২টো ৩৫ মিনিটে মহাকাশে পাড়ি দেবে ‘চন্দ্রযান ৩’

    Chandrayaan 3 Launch: উৎক্ষেপণের অপেক্ষায়! ঠিক দুপুর ২টো ৩৫ মিনিটে মহাকাশে পাড়ি দেবে ‘চন্দ্রযান ৩’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ঘড়ির কাঁটা বলছে বাকি আর মাত্র তিন ঘণ্টা। তার পরই ইতিহাসের পথে পা বাড়াবে ভারত ও তার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। চাঁদের দেশে পাড়ি দেবে ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3 Launch)।

    মাহেন্দ্রক্ষণ দুপুর ২টো ৩৫ মিনিট

    শুক্রবার ঠিক দুপুর ২টো ৩৫ মিনিট নাগাদ শ্রীহরিকোটার সতীশ ধওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে ভারতের সর্ববৃহৎ এলভিএম-৩ রকেটে চেপে চাঁদের উদ্দেশে রওনা দেবে ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3 Launch)। প্রায় এক মাস পর চাঁদের বুকে অবতরণ করবে ল্যান্ডার ও রোভার। এই অভিযান সফল হলে ভারত চতুর্থ দেশ হবে যদি এই অভিযান সফল হয়। এর আগে চাঁদে সফট ল্যান্ডিংয়ের চেষ্টা করেছিল আমেরিকা, রাশিয়া, চিন এবং ইজরায়েল। ইজরায়েল ছাড়া বাকি দেশগুলি সফল হয়েছে। চন্দ্রযান-৩ সফলভাবে চাঁদে সফট ল্যান্ডিং করলে ভারত চতুর্থ দেশ হবে। এই গোটা মিশনের জন্য খরচ হয়েছে প্রায় ৬১৫ কোটি টাকা। 

    উৎক্ষেপণের লাইভ স্ট্রিমিং

    চন্দ্রযান ৩-এর উৎক্ষেপণের পুরো বিষয়টি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এবং ইসরো-র ইউটিউব চ্যানেলেও এই বিষয়টি লাইভে দেখা যাবে৷ পাশাপাশি ডিডি ন্যাশানাল চ্যানেলেও এই উৎক্ষেপণ (Chandrayaan 3 Launch) লাইভ দেখা যাবে৷ অথবা সরাসরি দেখতে এখানে নিচের ভিডিওতে ক্লিক করুন —

    চন্দ্রযানকে মহাকাশে পৌঁছে দেবে ভারতের ‘বাহুবলী’

    ইসরোর এই চন্দ্রযাত্রার কেন্দ্রে রয়েছে ভারতের সবচেয়ে শক্তিশালী ‘বাহুবলী’ রকেট লঞ্চ ভেহিকল মার্ক ৩ (ISRO Chandrayaan 3) বা এলভিএম-৩ রকেট। এই রকেট চন্দ্রযানটিকে শক্তি জোগাবে এবং পৃথিবীর কক্ষপথের বাইরে ঠেলে দেবে। এলভিএম-৩ হল একটি ত্রিস্তরীয় উৎক্ষেপণ যান। এর মধ্যে দু’টি স্তরে কঠিন জ্বালানি এবং একটি স্তরে তরল জ্বালানি রয়েছে। কঠিন জ্বালানি ১২৭ সেকেন্ড ধরে জ্বলে। উৎক্ষেপণের ১০৮ সেকেন্ডের মধ্যে জ্বলতে শুরু করে তরল জ্বালানি। তা ২০৩ সেকেন্ড ধরে রকেটটি চালনা করে। উৎক্ষেপণের সময় রকেটের ওজন প্রায় ৬৪২ টন থাকবে। এর মধ্যে শুধুমাত্র জ্বালানির পরিমাণ ৫৫৩ টনের বেশি। 

    কোন পদ্ধতিতে চাঁদের দিকে এগোবে চন্দ্রযান ৩?

    উৎক্ষেপণের পর ১৬ মিনিটেই চন্দ্রযান ৩ (Chandrayaan 3 Launch) মহাকাশযানকে ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৭৯ কিলোমিটার উচ্চতায় পৌঁছে দেবে রকেট। সেখানে পেলোড ছেড়ে দেওয়া হবে। প্রথমে, ডিম্বাকৃতি কক্ষপথে পৃথিবীর চারপাশে প্রদক্ষিণ করতে শুরু করবে চন্দ্রযান মডিউল। লক্ষ্য গতি সঞ্চয় করা। এইভাবে বারে বারে কক্ষপথের আয়তন একদিকে স্থির রেথে অন্যদিকে বাড়াতে থাকবে চন্দ্রযান ৩ (ISRO Chandrayaan 3)। ডিম্বাকৃতি কক্ষপথ এমন ভাবে তৈরি হবে যা একদিকে ১৭০ কিলোমিটার (পৃথিবী থেকে নিকট) অন্যদিকে ৩৬ হাজার ৫০০ কিলোমিটার (পৃথিবী থেকে দূরে)। এর পরের ধাপে, বুস্টার ইঞ্জিন ফায়ার করিয়ে পৃথিবীর কক্ষপথ ছেড়ে চাঁদের উদ্দেশে ৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটারের পথ পাড়ি দেওয়া শুরু করবে চন্দ্রযান ৩ মহাকাশযান। চন্দ্রযান মহাকাশযানের মোট ওজন ৩,৯০০ কেজি। এতে রয়েছে একটি ল্যান্ডার, একটি রোভার ও একটি প্রোপালশন মডিউল। রোভারটি রয়েছে ল্যান্ডারের পেটে। এই দুটো মিলিয়ে ল্যান্ডার মডিউল। প্রোপালশন মডিউলের কাজ ল্যান্ডার মডিউলকে বহন করা। প্রোপালশন মডিউলের ওজন ২,১৪৮ কেজি, ল্যান্ডারটি ১,৭২৩ কেজি ও রোভারের ওজন ২৬ কেজি। 

    আরও পড়ুন: ‘ব্যর্থতা-ভিত্তিক পদ্ধতি’-তেই সফল হবে চন্দ্রযান ৩! দাবি ইসরো প্রধানের, বিষয়টা কী?

    সফ্ট ল্যান্ডিংয়ের লক্ষ্যে ল্যান্ডারে পরিবর্তন

    চন্দ্রযান ৩-এর ল্যান্ডারের নকশা এমনভারে করা হয়েছে, যাতে তা চাঁদে সফট ল্যান্ডিং করতে পারে। প্রোপালশন মডিউল ল্যান্ডার মডিউলকে চাঁদের ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে পৌঁছে দেবে। চন্দ্রের কক্ষপথে প্রবেশের পর প্রোপালশন মডিউল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে এই চন্দ্রযান ৩ (Chandrayaan 3 Launch) ল্যান্ডার মডিউল। শেষ পর্যায়ে, সেখান থেকে চূড়ান্ত অবতরণ শুরু করবে ল্যান্ডার মডিউল। এবারের চন্দ্রযানে মোট ১৩টি ‘থ্রাস্টার’ রয়েছে, যা সফট ল্যান্ডিং করতে সাহায্য করবে। প্রোপালশন মডিউল যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে। চন্দ্রযান ২-এর অন্তিম ব্যর্থতার কথা মাথায় রেখে চন্দ্রযান ৩-এর ল্যান্ডারে এবার কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে। ইসরো সূত্রে খবর, এই ল্যান্ডার চাঁদের মাটিতে ১২০ ডিগ্রি কোণে অবতরণ করবে। উলম্ব গতিবেগ থাকবে সেকেন্ডে ২ মিটারেরও কম। 

    চাঁদের দক্ষিণ মেরুর অন্ধকার পিঠে নামবে চন্দ্রযান ৩

    চন্দ্রযান ৩ (ISRO Chandrayaan 3) পালকের মতোই সফ্ট ল্যান্ড করবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর অন্ধকার পিঠে। চন্দ্রপৃষ্ঠের গঠন, খনিজ শনাক্তকরণ ও বণ্টনের পরিমাণ, পৃষ্ঠের রাসায়নিক গঠন, চাঁদের উপরের মাটির তাপ-ভৌত বৈশিষ্ট্য, চাঁদের ক্ষীণ বায়ুমণ্ডলের গঠন সম্বন্ধে তথ্য অন্বেষণ করা।  চাঁদের রেগোলিথ, চন্দ্র ভূকম্পন, চন্দ্র পৃষ্ঠের প্লাজমা বায়ুমণ্ডল এবং মৌলিক গঠনের তাপ পদার্থগত বৈশিষ্ট্যগুলি পরীক্ষা করার জন্য বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি বহন করবে চন্দ্রযান ৩-এ থাকা রোভার ‘প্রজ্ঞান’। এই রোভারের আয়ু এক চন্দ্র-দিবস, বা ১৪ দিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share