Tag: Nabanna

Nabanna

  • Kolkata Book Fair: কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলার ঢাকে কাঠি, কবে শুরু হবে মেলা?

    Kolkata Book Fair: কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলার ঢাকে কাঠি, কবে শুরু হবে মেলা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়ে গেল কলকাতা বইমেলার সলতে পাকানোর কাজ। ‘কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা, ২০২৭’ (Kolkata Book Fair) আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়ে নবান্নের চোদ্দতলার কনফারেন্স হয়ে গেল বৈঠক (Meeting)। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ভারত সেবাশ্রম সংঘ, রামকৃষ্ণ মিশন, এবং ন্যাশনাল বুক ট্রাস্টের প্রতিনিধিরা। গণশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার পরিষেবা বিভাগের প্রধান সচিবও উপস্থিত ছিলেন এই বৈঠকে। জানা গিয়েছে, আসন্ন বইমেলায় আরও বেশি মানুষের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করতে চাইছে সরকার। পূর্বে উত্থাপিত বিভিন্ন প্রশাসনিক বা ব্যবস্থাপনাগত সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে বইমেলা কমিটিকে দিকনির্দেশনা দেবে একটি অ্যাডভাইজরি বোর্ড। এই বোর্ড গঠিত হবে প্রকাশনা শিল্পের সঙ্গে পরিচিত ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের নিয়ে।

    কারা ছিলেন সভায়? (Kolkata Book Fair)

    রামকৃষ্ণ মিশনের বই প্রকাশিত হয় উদ্বোধন কার্যালয় থেকে। এই প্রকাশনা সংস্থার তরফে বক্তব্য রাখেন স্বামী আর্যেশানন্দ। ভারত সেবাশ্রম সংঘের তরফে বক্তব্য রাখেন স্বামী সরস্বতানন্দ মহারাজ। এঁরা প্রত্যেকেই নিজস্ব মতামত দেন। নানা বিষয়ে পরামর্শও দেন। পরামর্শদাতা বোর্ডে কারা থাকবেন তা নিয়েও সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত হয় ওই বৈঠকে। এঁরা হলেন, স্বামী আর্যেশানন্দ, প্রকাশনা প্রধান, উদ্বোধন (রামকৃষ্ণ মিশনের প্রতিনিধি), স্বামী সরস্বতানন্দ, প্রকাশনা প্রধান (ভারত সেবাশ্রম সংঘের প্রতিনিধি), শ্রী দেবজ্যোতি দত্ত (পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের প্রতিনিধি) (Kolkata Book Fair), শ্রী অনিল আচার্য (পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের প্রতিনিধি), শ্রী মিলিন্দ দে (পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের প্রতিনিধি), শ্রী রাজকুমার বর্মন (পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের প্রতিনিধি), শ্রীমতী তনুজা চক্রবর্তী (সমাজকর্মী), অ্যাডভোকেট দেবজিৎ সরকার (আইনজীবী ও সম্পাদক, দেশের ডাক), শ্রী সপ্তর্ষি চৌধুরী (সমাজকর্মী), শ্রীমতী অফেলিয়া সিং (শিক্ষক), শ্রী প্রসেনজিৎ বক্সী (পরামর্শদাতা সম্পাদক, দূরদর্শন), শ্রী অনির্বাণ দে (গ্রন্থ বিকাশ পরিষদ), ড. অরিন্দম ভট্টাচার্য (অধ্যাপক, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়), শ্রী বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় (কবি), শ্রী সুকেশ মণ্ডল (স্বস্তিকা), শ্রী জয়ন্ত বিশ্বাস (ভিএইচ বার্তা), ড. রবিরঞ্জন সেন (কলামিস্ট), ড. মোহিত রায় (লেখক), শ্রী অমিতাভ রায় (ভারতীয় জন বার্তা), অ্যাডভোকেট ওসমান গণি (সেক্যুলার ফাউন্ডেশন), এনবিটি (ন্যাশনাল বুক ট্রাস্ট)-এর একজন প্রতিনিধি, শ্রী আশিস গিরি, নির্দেশক, ইজেডসিসি (ইস্টার্ন জোনাল কালচারাল সেন্টার-এর প্রতিনিধি), মাকাইয়াস (MAKAIAS)-এর একজন প্রতিনিধি, এবং রাজা রামমোহন রায় লাইব্রেরি ফাউন্ডেশনের একজন প্রতিনিধি (Meeting)।

    বৈঠকের সিদ্ধান্ত

    এই বৈঠকে আরও বিষয়গুলিও সিদ্ধান্ত হিসেবে গৃহীত হয়েছে, সেগুলি হল ‘কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা, ২০২৭’ (Kolkata Book Fair) ইস্ট জোন কালচারাল সেন্টার (ইজেডসিসি) এবং ন্যাশনাল বুক ট্রাস্ট (এনবিটি)-এর সহযোগিতায়, উপদেষ্টা বোর্ডের দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ অনুযায়ী পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ড দ্বারা আয়োজিত হবে। সুষ্ঠু সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে উপদেষ্টা বোর্ড প্রয়োজন অনুযায়ী সভা করবে এবং গিল্ডের অন্যান্য সদস্য ও আয়োজকদের আমন্ত্রণ জানাতে পারবে।

    ম্যানেজমেন্ট সংক্রান্ত কাজ

    বইমেলা সংক্রান্ত বিভিন্ন ম্যানেজমেন্ট সংক্রান্ত কাজের দায়িত্বে থাকা সাব-কমিটিগুলি প্রয়োজন (Kolkata Book Fair) অনুযায়ী উপদেষ্টা বোর্ড থেকে সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করে নিতে পারবে। উপদেষ্টা বোর্ডের বৈঠকগুলি ইজেডসিসি (EZCC)-তে অথবা উপদেষ্টা বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অন্য কোনও সুবিধাজনক স্থানে অনুষ্ঠিত হবে। বইমেলা শুরু হবে আগামী ২২ জানুয়ারি, চলবে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ডের প্রতিনিধিরা জানান, মেলার জন্য নির্দিষ্ট মাঠ অর্থাৎ সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্ক বরাদ্দের অনুরোধ ইতিমধ্যেই নগর উন্নয়ন ও পৌর বিষয়ক বিভাগের মন্ত্রীর কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। গিল্ডকে এই বিষয়টি নিয়ে নগর উন্নয়ন ও পৌর বিষয়ক (UDMA) বিভাগের সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ রক্ষা ও তদারকি চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধও জানানো হয়েছে উদ্যোক্তাদের তরফে। বৈঠক শেষে তৈরি (Meeting) হয় সভার কার্য বিবরণী। তাতে স্বাক্ষর করেছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত আইএএস ড. সুব্রত গুপ্ত (Kolkata Book Fair)।

  • Anti Goonda Act: সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করলে রেয়াত নয়, গুন্ডাদমন আইনের অংশ কার্যকর বাংলায়

    Anti Goonda Act: সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করলে রেয়াত নয়, গুন্ডাদমন আইনের অংশ কার্যকর বাংলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে আনতে নয়া পদক্ষেপ করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার (Suvendu Adhikari)। সোমবার থেকে রাজ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়ে গিয়েছে গুন্ডাদমন আইনের (Anti Goonda Act) একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আন্দোলন, বিক্ষোভ কিংবা অন্য কোনও অজুহাতে সরকারি বা জনসম্পত্তি নষ্ট করলে কাউকে রেয়াত করা হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে সরকারের তরফে। এমন ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত সম্পত্তির জন্য বিপুল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ আদায়ের সিদ্ধান্তের কথাও জানানো হয়েছে।

    সোমবার সন্ধ্যায় নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে একাধিক জনকল্যাণমূলক বিষয় নিয়ে বক্তব্য রাখার পাশাপাশি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং সদ্য পাস হওয়া আইন কার্যকর করার বিষয়টি তুলে ধরা হয়। সেখানেই বলা হয়, “আজ, সোমবার থেকেই গুন্ডাদমন আইনের একটি অংশ কার্যকর করা হল পশ্চিমবঙ্গে। সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করলে কাউকেই রেয়াত করা হবে না।”

    সরকারের তরফে আরও জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতে হিংসাত্মক আন্দোলন বা অরাজকতার নামে সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস করা হলে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ক্ষতির মূল পরিমাণের তিন গুণ অর্থ আদায় করা হবে। সেই অর্থ কড়ায়-গন্ডায় সুদ-সহ আদায়ের ব্যবস্থাও করা হবে। শুধু সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর বা অগ্নিসংযোগ নয়, কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের উপর হামলার ঘটনায়ও দ্রুত ও কঠোর আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে।

    জুলাইয়েই বিধানসভায় পাস গুন্ডাদমন বিল (Anti Goonda Act)

    রাজ্য থেকে অপরাধমূলক ও অসামাজিক কার্যকলাপ নির্মূল করার লক্ষ্যে চলতি বছরের জুলাইয়ের শুরুতেই বিধানসভায় পেশ ও পাস করা হয় ‘পশ্চিমবঙ্গ জননিরাপত্তা এবং অসামাজিক কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ বিল, ২০২৬’। সাধারণ মানুষের কাছে যা গুন্ডাদমন বিল নামে পরিচিত হয়েছে। বিধানসভায় বিলটি পাসও হয়।

    বিল পেশের সময় সরকারের তরফে জানানো হয়েছিল, সম্পূর্ণ গুন্ডামুক্ত বাংলা গড়ে তোলাই এই আইনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি রুখতে প্রশাসনকে আরও কার্যকর ক্ষমতা দেওয়ার কথাও বলা হয় (Anti Goonda Act)।

    এর পাশাপাশি অসামাজিক কার্যকলাপ প্রতিরোধে রাজ্যে আগে থেকেই চালু থাকা আইনি কাঠামোয় সংশোধন এনে পাস করা হয়েছে ‘পশ্চিমবঙ্গ জনশৃঙ্খলা রক্ষণ আইন সংশোধনী বিল, ২০২৬’। দু’টি আইন একসঙ্গে কার্যকর হওয়ায় রাজ্য পুলিশ ও প্রশাসনের হাতে অতিরিক্ত ক্ষমতা এসেছে। অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আশঙ্কা থাকলে প্রতিরোধমূলক আটক করার পাশাপাশি অপরাধীদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো কঠোর ব্যবস্থাও নেওয়া যাবে।

    অতীতের হিংসার প্রসঙ্গ তুলে কড়া বার্তা

    সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যের অতীতের একাধিক হিংসাত্মক ঘটনার প্রসঙ্গও উঠে আসে। সিএএ-বিরোধী আন্দোলনের সময় মুর্শিদাবাদের বিস্তীর্ণ এলাকায় সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়। রেল স্টেশন, ট্রেন এবং সরকারি বাসে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছিল বলে দাবি করা হয়। কয়েকটি এলাকায় দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্যের জেরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল বলেও অভিযোগ।

    হাওড়ার সাঁকরাইলেও সরকারি সম্পত্তিতে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের অভিযোগের প্রসঙ্গ তোলা হয়। সেই সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদেরও হামলার মুখে পড়তে হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে (Anti Goonda Act)।

    সরকারি সম্পত্তি নষ্টে জিরো টলারেন্সের বার্তা

    বর্তমান প্রশাসনিক ব্যবস্থার কথা তুলে ধরে সরকারের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, বাংলায় সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। আন্দোলনের নামে হিংসা, অরাজকতা বা সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসের ঘটনা ঘটলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে (Suvendu Adhikari)।

    সরকারের বার্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনসম্পত্তি সুরক্ষার ক্ষেত্রে কোনও ধরনের আপস করা হবে না। গুন্ডামি ও অরাজকতার বিরুদ্ধে প্রশাসন আরও কঠোর অবস্থান নেবে এবং আইন ভাঙলে তার আর্থিক ও আইনি—দুই ধরনের পরিণতিই ভোগ করতে হবে (Anti Goonda Act)।

     

  • BJP: ১০০ দিনে সরকারের খতিয়ান নিয়ে প্রচারে বিজেপি, শাহের সফর ঘিরে পদ্ম শিবিরে তৎপরতা তুঙ্গে

    BJP: ১০০ দিনে সরকারের খতিয়ান নিয়ে প্রচারে বিজেপি, শাহের সফর ঘিরে পদ্ম শিবিরে তৎপরতা তুঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বিজেপি (BJP) সরকারের ১০০ দিন পূর্তি উপলক্ষে ৪১ পাতার বিশেষ বই প্রকাশ করল বঙ্গ বিজেপি। ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সংকল্প এবং সাফল্যের ১০০ দিন’ (Sankalp Achievements) শীর্ষক এই বইয়ে নয়া সরকারের প্রথম ১০০ দিনের বিভিন্ন কাজ, সামাজিক প্রকল্প, বিনিয়োগ, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং অনুপ্রবেশ রুখতে গৃহীত পদক্ষেপের খতিয়ান তুলে ধরা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রের খবর। বইয়ের প্রচ্ছদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। দলীয় নেতৃত্বের পরিকল্পনা, এই বইয়ের তথ্য নিয়েই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যাবেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা।

    প্রথম ১০০ দিনের সাফল্য (BJP)

    রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের প্রথম ১০০ দিনের সাফল্যকে সামনে রেখে জনসংযোগ বাড়ানোই পদ্মশিবিরের মূল লক্ষ্য। নিউটাউনে আয়োজিত প্রশিক্ষণ শিবিরে দলীয় নেতা-কর্মীদের সেই বার্তাই দেওয়া হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরকারের কাজের খতিয়ান তুলে ধরার পাশাপাশি নতুন সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা কত মানুষ পেয়েছেন, রাজ্যে কত বিনিয়োগ এসেছে এবং উন্নয়নমূলক ক্ষেত্রে কী কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দলীয় সূত্রে খবর, প্রকাশিত বইটিতে এ সংক্রান্ত একাধিক পরিসংখ্যানও দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে অন্নপূর্ণা যোজনা। নতুন রাজ্য সরকার ক্ষমতায় আসার পর মহিলাদের জন্য মাসে ৩ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তার এই প্রকল্প চালু করেছে। সরকারি ও সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে প্রায় ২৮ লাখেরও বেশি মহিলার অ্যাকাউন্টে এই আর্থিক সহায়তা পৌঁছনোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রীও জানিয়েছিলেন, দেড় মাসের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ মহিলা এই সুবিধা পেয়েছেন এবং যোগ্য বাকি প্রাপকদেরও প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের পরে প্রকল্পের আওতায় আনা হবে।

    একাধিক সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প

    শুধু অন্নপূর্ণা যোজনাই নয়, বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পে আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধি, স্বাস্থ্য, নারীকল্যাণ, কর্মসংস্থান এবং অন্যান্য জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির কথাও বইয়ে তুলে ধরা হয়েছে বলে বিজেপি সূত্রে খবর। জুন মাসে আয়োজিত জনকল্যাণ শিবিরগুলিতেও অন্নপূর্ণা যোজনা, আয়ুষ্মান ভারত, সুকন্যা সমৃদ্ধি, কিষাণ ক্রেডিট কার্ড-সহ বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য সাধারণ মানুষকে সাহায্য করা হয়েছিল (Sankalp Achievements)। শিল্প ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও প্রথম ১০০ দিনের সাফল্যের হিসাব সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরতে চাইছে বিজেপি। রাজ্যে নতুন বিনিয়োগ, শিল্পের সম্ভাবনা এবং উন্নয়নমূলক প্রকল্পের অগ্রগতিকে সরকারের সাফল্যের অন্যতম মাপকাঠি হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। তবে বইয়ে উল্লিখিত মোট বিনিয়োগের অঙ্ক দলীয় প্রকাশনার পরিসংখ্যান হিসেবেই উপস্থাপন করা হচ্ছে (BJP)।

    সীমান্ত সুরক্ষা এবং অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গ

    সীমান্ত সুরক্ষাও এই প্রচারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের বিষয়টি নতুন সরকারের অন্যতম বড় পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। মে মাসে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, প্রয়োজনীয় জমি বিএসএফকে দ্রুত হস্তান্তর করা হবে। পরে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ১৭২.৬ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে মোট ১,০২৪.৭৫ একর জমি আনুষ্ঠানিকভাবে বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। অনুপ্রবেশ রোখার বিষয়টিও বিজেপির প্রচারে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া, বিএসএফকে জমি দেওয়া এবং অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বারবার জানিয়েছে রাজ্য সরকার। দলীয় প্রকাশনায় কতজনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে বা এই বিষয়ে কতগুলি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তার নির্দিষ্ট পরিসংখ্যানও রাখা হয়েছে বলে দাবি বিজেপির।

    সংগঠন নিয়ে কড়া বার্তা

    ১০০ দিন পূর্তির এই প্রচারের পাশাপাশি সংগঠন নিয়েও কড়া বার্তা দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। নিউটাউনের প্রশিক্ষণ শিবিরে দলীয় জনপ্রতিনিধি ও নেতাদের উদ্দেশে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তোলাবাজি বা কাটমানির অভিযোগ প্রমাণিত হলে দল কোনওরকম আপস করবে না। শিবিরে তিনি বলেন, “বিধায়ক বা জেলা স্তরের কোনও নেতার বিরুদ্ধে তোলাবাজি বা কাটমানির অভিযোগ প্রমাণিত হলে দল তাঁকে বরখাস্ত করতে দ্বিধা করবে না।” এই বক্তব্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অনুমতি নিয়েই বলা হয়েছে বলেও জানান শমীক। দলীয় সূত্রের দাবি, বর্তমানে বিজেপির বিধায়কদের মধ্যে ১৫ থেকে ২০ জন দল ছেড়ে চলে গেলেও, সংগঠনের উপর তার বিশেষ প্রভাব পড়বে না—এমন বার্তাও শিবিরে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ ব্যক্তির চেয়ে সংগঠনই যে বড়, এই অবস্থানও স্পষ্ট করতে চাইছেন রাজ্য নেতৃত্ব। ক্ষমতায় আসার পর দলের অভ্যন্তরে ‘শুদ্ধিকরণে’র যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, তার সঙ্গেও এই বার্তার যোগ রয়েছে বলে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা (BJP)।

    দুর্নীতির অভিযোগে সাসপেন্ড বহু নেতা-কর্মী

    বিজেপির অন্দরে ইতিমধ্যেই একাধিক নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে দলবিরোধী কার্যকলাপ, তোলাবাজি এবং অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দলীয় সূত্রের দাবি, সাসপেন্ডের সংখ্যা আড়াইশো ছাড়িয়েছে। একই সঙ্গে জেলা স্তরের সংগঠন নিয়েও অসন্তোষ রয়েছে রাজ্য নেতৃত্বের একাংশের মধ্যে। কয়েকটি জেলায় সভাপতিরা সংগঠনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন বলেও (Sankalp Achievements) দলের অন্দরে আলোচনা রয়েছে। সেই কারণেই খুব শীঘ্রই এক ডজনেরও বেশি জেলা সভাপতিকে সরিয়ে সাংগঠনিক স্তরে বড়সড় রদবদল করা হতে পারে বলে খবর।

    বঙ্গ সফরে আসছেন শাহ!

    এমন আবহে শাহের সম্ভাব্য বঙ্গ সফর ঘিরে রাজনৈতিক গুরুত্ব আরও বাড়ছে। বিজেপি সূত্রে খবর, তিন দিনের সফরে আগামী ২০ অগাস্ট কলকাতায় আসতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ২১ ও ২২ অগাস্ট তাঁর একাধিক দলীয় ও সরকারি কর্মসূচি থাকতে পারে। রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনাও রয়েছে। সরকারি প্রকল্পের অগ্রগতি, প্রশাসনিক কাজকর্ম এবং রাজ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে সেই বৈঠকে আলোচনা হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। শুধু প্রশাসনিক বৈঠক নয়, শাহ নবান্নেও যেতে পারেন বলে দলীয় সূত্রে খবর। সেখানে প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের সম্ভাবনাও রয়েছে। পাশাপাশি বঙ্গ বিজেপির কোর কমিটি এবং রাজ্য কমিটির বর্ধিত বৈঠকেও উপস্থিত থাকতে পারেন শাহ। ফলে তাঁর সফরকে একই সঙ্গে প্রশাসনিক এবং সাংগঠনিক—দুই দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন পদ্ম নেতৃত্ব।

    বিজেপির অন্দরে তৎপরতা তুঙ্গে

    আগামী ১৯ অগাস্ট রাজ্যে বিজেপি সরকারের ১০০ দিন পূর্ণ হচ্ছে। সেই উপলক্ষে একদিকে যেমন সরকারের কাজের প্রচারকে তৃণমূল স্তরে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে, অন্যদিকে তেমনি সংগঠনের ভিতরে শৃঙ্খলা ফেরাতে কড়া অবস্থান নেওয়ার বার্তাও দেওয়া হচ্ছে (BJP)। ১০০ দিনের সাফল্যের খতিয়ান সম্বলিত বই সামনে রেখে নেতা-কর্মীদের বাড়ি বাড়ি প্রচার, সামাজিক প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের তথ্য তুলে ধরা, সীমান্ত সুরক্ষায় জমি হস্তান্তরের পরিসংখ্যান জানানো এবং সরকারের উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। তার মধ্যেই শাহের সম্ভাব্য সফর এবং জেলা স্তরে সাংগঠনিক (Sankalp Achievements) রদবদলের জল্পনা—সব মিলিয়ে সরকারের ১০০ দিন পূর্তিকে কেন্দ্র করে রাজ্য বিজেপির অন্দরে তৎপরতা এখন তুঙ্গে (BJP)।

  • Shyamaprasad Mukherjee: প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুলপাঠ্যে শ্যামাপ্রসাদ অধ্যায়! নবান্ন থেকে একগুচ্ছ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    Shyamaprasad Mukherjee: প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুলপাঠ্যে শ্যামাপ্রসাদ অধ্যায়! নবান্ন থেকে একগুচ্ছ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত কেশরী ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (Shyamaprasad Mukherjee) ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী পালিত হচ্ছে বঙ্গে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) উদ্যোগে শ্যামাপ্রসাদকে ঘিরে নানা পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে তৈরি হয়েছে বিশেষ কমিটি। বৃহস্পতিবার সেই কমিটির প্রথম বৈঠক ছিল। তাতে বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সিদ্ধান্ত হয়েছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (Shyamaprasad Mukherjee) ঐতিহাসিক অবদান, রাষ্ট্রবাদী দর্শন ও দেশপ্রেমকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে বছরভর একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করতে চলেছে রাজ্য সরকার (West Bengal Government)। নিউ টাউনের ইকো পার্কে (Eco Park) ১২৫ ফুট উঁচু দণ্ডায়মান মূর্তি ও সংগ্রহশালা নির্মাণ, পৈতৃক ভিটে সংস্কার, বিদ্যালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় স্তর পর্যন্ত পাঠ্যক্রমে তাঁর ইতিহাস অন্তর্ভুক্তি এবং স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ—রাজ্য গঠিত উচ্চপর্যায়ের সরকারি কমিটির প্রথম বৈঠকেই চূড়ান্ত ছাড়পত্র পেল এই সব প্রকল্প।

    নতুন প্রজন্মের সামনে শ্যামাপ্রসাদ

    বৃহস্পতিবার সচিবালয়ের সভাগৃহে দীর্ঘক্ষণ ধরে চলা পর্যালোচনা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)-সহ রাজ্যের অর্থমন্ত্রী-সহ একাধিক মন্ত্রী, বিধায়ক প্রতিনিধি, মুখ্যসচিবের নেতৃত্বাধীন শীর্ষ আমলা ও আধিকারিকেরা। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক দফতরের প্রতিনিধি এবং রাজ্যের প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায়-সহ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতি ও আদর্শের সঙ্গে যুক্ত বহু চিন্তাশীল ব্যক্তিবর্গ। সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরের পাঠ্যক্রমে শ্যামাপ্রসাদের জীবন ও রাজনৈতিক ভূমিকা অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তাঁর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, দেশ ও সমাজের প্রতি অবদান এবং আত্মত্যাগের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।

    হিডকো-কে শ্যামাপ্রসাদের মূর্তি নির্মাণের অনুমতি

    বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নিউ টাউনের ইকো পার্কে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫ ফুট উঁচু দণ্ডায়মান মূর্তি বসানোর জন্য ইতিমধ্যে জমি নির্বাচন ও ভূমিপূজন সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবারের বৈঠকে হিডকো (HIDCO)-র তরফে একটি বিশেষ পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে প্রস্তাবিত মূর্তি, মিউজিয়াম এবং আনুষঙ্গিক পরিকাঠামোর পুরো রূপরেখা ও নকশা কমিটির সামনে তুলে ধরা হয়। আগামী ৬ জুলাই যাতে প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা যায়, সে কথা মাথায় রেখে হিডকো-কে অবিলম্বে নির্মাণকাজ শুরু করার প্রশাসনিক অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

    জিরাটে শ্যামাপ্রসাদের লাইব্রেরি

    হুগলির জিরাটে শ্যামাপ্রসাদের (Shyamaprasad Mukherjee) পৈতৃক ভিটেতে রাজ্য সরকারের কেনা ৩০ ডেসিমেল জায়গায় জোড়া প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। সেখানে তৈরি হতে চলেছে ‘স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়’-এর নামাঙ্কিত একটি আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন লাইব্রেরি এবং একটি সুসজ্জিত সংগ্রহশালা।

    প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পাঠ্যক্রমে শ্যামাপ্রসাদ

    নতুন প্রজন্মকে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য গঠন ও স্বাধীন ভারতের উন্নয়নে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা চেনাতে বড় পদক্ষেপ করছে স্কুল শিক্ষা দফতর। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই পর্যায়ক্রমে প্রাথমিক স্তর থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সিলেবাসে শ্যামাপ্রসাদের অবদান যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্বাধীন ভারতে প্রথম শিল্প ও শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে তাঁর সুদূরপ্রসারী অর্থনৈতিক ভাবনা, গঠনমূলক চিন্তাধারা এবং দৃষ্টিভঙ্গি বিস্তারিত ভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে পাঠ্যসূচিতে। তাঁর আত্মবলিদান পড়ানো হবে স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় সর্বস্তরে।

    শ্যামাপ্রসাদকে নিয়ে প্রকাশ পাবে দুটি বিশেষ গ্রন্থ

    এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বছরব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে দুটি বই প্রকাশের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায়ের সক্রিয় উদ্যোগে রামকৃষ্ণ মিশনের একটি প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে নিয়ে পাণ্ডুলিপি প্রস্তুত করা হয়েছে। এই পাণ্ডুলিপি যৌথ ভাবে সরকারি উদ্যোগে মুদ্রণ ও প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারের গণশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার পরিষেবা দফতকে নোডাল এজেন্সি করে বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় একটি পূর্ণাঙ্গ পুস্তিকা প্রকাশের জন্য বিশেষ কমিটি তৈরি হয়েছে। এ ছাড়াও সাধারণ মানুষ, গবেষক, ইতিহাসবিদ কিংবা বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের কাছ থেকে পরামর্শ ও প্রস্তাব সংগ্রহের জন্য তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের তরফে একটি বিশেষ ডিজিটাল পোর্টাল চালু করা হচ্ছে। নির্দিষ্ট ১৫ থেকে ৩০ দিনের সময়সীমায় যে কেউ সেখানে নিজেদের প্রস্তাব জমা দিতে পারবেন।

    শ্যামাপ্রসাদকে নিয়ে রাজনীতি

    এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আরও জানান, ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের উজ্জ্বল জীবনী ও তাঁর আত্মবলিদান এতদিন প্রচারের আলোয় আনা হয়নি। এর নেপথ্যে রাজনীতি হয়েছে। কিন্তু এবার বঙ্গে বিজেপি সরকার আসায় ‘ভারত কেশরী’র অবদানকে প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে দিতে উদ্যোগ নিয়েছে। এবছরটা তাঁর ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী। তাই বছরভর উদযাপনের সুদীর্ঘ পরিকল্পনা করেছে রাজ্য সরকার। তারই প্রথম ধাপ হিসেবে বৃহস্পতিবার শ্যামাপ্রসাদ সংক্রান্ত বিশেষ কমিটি বৈঠকে বসে। শুভেন্দু জানান, স্বাধীনতা আন্দোলন, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রতিষ্ঠা, কাশ্মীর নীতি এবং স্বাধীন ভারতের পরিকাঠামো গঠনে শ্যামাপ্রসাদের অবিস্মরণীয় ভূমিকা স্মরণ করার মাধ্যমেই ২০৪৭ সালের ‘বিকশিত ভারত’ ও ‘এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর স্বপ্নপূরণে নতুন উদ্দীপনা সঞ্চারিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

     

     

     

     

  • Tata Motors: টাটার সঙ্গে বরফ গলছে! ৭৬৬ কোটি ক্ষতিপূরণ মেটাতে উদ্যোগ, বিনিয়োগেও জোর শুভেন্দু সরকারের

    Tata Motors: টাটার সঙ্গে বরফ গলছে! ৭৬৬ কোটি ক্ষতিপূরণ মেটাতে উদ্যোগ, বিনিয়োগেও জোর শুভেন্দু সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিঙ্গুরের পরিত্যক্ত কারখানার জমি, রাজনৈতিক আন্দোলন আর দীর্ঘ দেড় দশকের তিক্ত আইনি যুদ্ধ- সবকিছু পিছনে ফেলে অবশেষে বরফ গলতে শুরু করেছে কলকাতা থেকে মুম্বইয়ের অন্দরে। রাজ্য সরকারের সঙ্গে টাটা গোষ্ঠীর (Tata Motors) সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের আলোচনার পর রাজ্য শিল্প মহলে এখন এক নতুন আশার আলো। অতীত সংঘাতের তিক্ততা ভুলে গিয়ে ফের কি বাংলায় বড় বিনিয়োগের পথে হাঁটবে টাটা গোষ্ঠী? শিল্প মহলে এখন এটাই সবচেয়ে বড় চর্চার বিষয়।

    মুম্বইয়ে বৈঠক, আলোচনায় ক্ষতিপূরণ ও বিনিয়োগ

    সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ শিল্প উন্নয়ন নিগম (WBIDC)-এর প্রতিনিধিরা এবং রাজ্যের শিল্প দপ্তরের সচিব বন্দনা যাদব মুম্বইতে টাটা গোষ্ঠীর (Tata Motors) সদর দফতরে গিয়ে এক দফায় দীর্ঘ বৈঠক সেরে এসেছেন। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই আলোচনার পিছনে মূলত দুটি বড় উদ্দেশ্য ছিল- প্রথমত, আর্বিট্রেশন ট্রাইবুনালের নির্দেশ মেনে টাটাদের প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ মেটানোর প্রশাসনিক রূপরেখা তৈরি করা। দ্বিতীয়ত, অতীতের জটিলতা দূরে সরিয়ে নতুন করে পশ্চিমবঙ্গে টাটাদের (Tata Motors) শিল্প বিনিয়োগের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা।

    সিঙ্গুর (Singur) আন্দোলন থেকে সুপ্রিম কোর্ট

    সিঙ্গুর (Singur) ও টাটাদের (Tata Motors) এই আইনি লড়াইয়ের মূল শিকড় লুকিয়ে রয়েছে দেড় দশক আগের রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েনে-

    ২০০৬-এর অধিগ্রহণ ও ২০০৮-এর প্রস্থান: ২০০৬ সালে তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকার সিঙ্গুরে  (Singur) অত্যন্ত সুলভ মূল্যের ১ লাখ টাকার ‘ন্যানো’ গাড়ি কারখানার জন্য কৃষিজমি অধিগ্রহণ করে টাটা মোটর্সকে (Tata Motors) হস্তান্তর করে। তবে জমি অধিগ্রহণের পদ্ধতি ও অনিচ্ছুক চাষিদের স্বার্থ নিয়ে প্রশ্ন তুলে প্রবল আন্দোলন গড়ে তোলেন তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। আন্দোলনের চাপে পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে ২০০৮ সালের পুজোর ঠিক আগে বাংলা ছেড়ে গুজরাতে কারখানা স্থানান্তরের ঐতিহাসিক ঘোষণা দেন টাটার তৎকালীন প্রধান রতন টাটা (Ratan Tata)।

    ২০১১-র রাজ্য রাজনীতিতে বদল ও জমি ফেরত: ২০১১ সালে রাজ্যে রাজনৈতিক ক্ষমতা বদল হয় এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। সরকার গড়েই প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিঙ্গুরের (Singur) জমি চাষিদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। চাষিরা জমি ফেরত পেলেও কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করে কারখানা গড়তে না পারায় চরম ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখে পড়ে টাটা গোষ্ঠী (Tata Motors)।

    আইনি লড়াই ও ২০২৩-এর আইনি নির্দেশ: এই ক্ষতির প্রতিকার চেয়ে আইনি লড়াইয়ে নামে টাটা মোটর্স (Tata Motors)। আইনি প্রক্রিয়া গড়ায় আর্বিট্রেশন ট্রাইব্যুনালে। সেখানে রাজ্যের বিরুদ্ধে রায় দেওয়া হলে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে, কিন্তু সর্বোচ্চ আদালত তা খারিজ করে দেয়। শেষ পর্যন্ত ২০২৩ সালের অক্টোবরে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল নির্দেশ দেয়- সিঙ্গুরের ন্যানো গাড়ি প্রকল্পের ক্ষতিপূরণ হিসেবে রাজ্য সরকারকে টাটা মোটর্সকে মেটাতে হবে ৭৬৫ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা। ২০১৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে সম্পূর্ণ অর্থ পরিশোধ না করা পর্যন্ত বার্ষিক ১১ শতাংশ হারে সুদ গুণতে হবে পশ্চিমবঙ্গ শিল্পোন্নয়ন নিগমকে। এর পাশাপাশি নিগমকে আরও ১ কোটি টাকা মামলার আইনি খরচ হিসেবে টাটাদের মেটাতে হবে।

    তৃণমূল আমলের আইনি স্থগিতাদেশ: তৎকালীন তৃণমূল সরকার আলোচনার মাধ্যমে এই সঙ্কট নিষ্পত্তির পথে না গিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়। শিল্পোন্নয়ন নিগমকে সামনে রেখে কলকাতা হাইকোর্টে আপিল পিটিশন করা হলে বিচারপতি অনিরুদ্ধ রায়ের সিঙ্গল বেঞ্চ ট্রাইব্যুনালের রায়ের উপর ৮ সপ্তাহের স্থগিতাদেশ দিয়েছিলেন। ফলে ক্ষতিপূরণের পাওনা নিয়ে দীর্ঘ জটিলতা তৈরি হয়।

    নতুন সরকারের গতিশীল কূটনীতি

    চলতি বছরের মে মাসে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর পুরো আইনি অচলাবস্থা কাটানোর জন্য অত্যন্ত দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করে নতুন সরকার। পুরনো তিক্ততা ধরে না রেখে আলোচনার টেবিলে বসে জটিলতা কাটানোর উদ্যোগ নেয় নবান্ন।

    প্রায় ৭৬৬ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ নিয়ে কী আলোচনা? কলকাতা হাইকোর্টে চলতে থাকা মামলার বিষয়টি নিয়ে আলোচনার লক্ষ্যেই মুম্বইতে টাটাদের সদর দফতরে যান রাজ্যের শিল্প সচিব বন্দনা যাদব (Bandana Yadav)। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টাটাকে সিঙ্গুরের (Singur) জমির ক্ষতিপূরণ মেটাতে ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ মানতে রাজি রাজ্য সরকার। নবান্ন (Nabanna) সূত্রের খবর, টাটার পাওনা এই বিশাল অঙ্কের অর্থ কীভাবে এবং কতদিনের মধ্যে মেটানো হবে, সে বিষয়ে ইতিমধ্যেই একটি বিশেষ ‘গাইডলাইন’ বা নীতিমালা প্রস্তুত করেছে নবান্ন।

    সমঝোতার পথে দুই পক্ষ? সম্পর্কের এই সুবাতাসকে আরও এগিয়ে নিতে রাজ্য সরকার পূর্ণ প্রস্তুত। টাটা (Tata Motors) কর্তৃপক্ষ সম্মত হলেই রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত (Swapan Dasgupta) এবং শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় (Tapash Roy) সরকারি শীর্ষ আধিকারিকদের একটি উচ্চপর্যায়ের দল নিয়ে নিজে মুম্বই গিয়ে টাটাদের নীতি-নির্ধারকদের সঙ্গে মুখোমুখি বৈঠকে বসতে রাজি আছেন।

    পাখির চোখ বাংলায় নতুন বিনিয়োগ

    নবান্নের (Nabanna) একাংশের মতে, শুধুই পুরানো একটি প্রকল্পের বকেয়া অর্থ মিটিয়ে দেওয়া এই উদ্যোগের শেষ কথা নয়। রাজ্যের নতুন সরকারের মূল লক্ষ্য হলো বৃহৎ শিল্প বিনিয়োগ টানতে বড় বড় কর্পোরেট হাউসের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে নিবিড় সম্পর্ক বজায় রাখা। মুম্বইয়ের বৈঠকে টাটাদের সামনে পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান শিল্পনীতি, উন্নত অবকাঠামো, সুসংহত লজিস্টিক সুবিধা এবং আগামী দিনের বিনিয়োগের নানা সুযোগ বিশদে তুলে ধরা হয়েছে। পুরোনো সমস্ত জটিলতা দূর করে নতুন কোনো মেগা প্রজেক্টে অংশ নেওয়ার জন্য টাটাদের ইতিবাচক আহ্বান জানানো হয়েছে। যদিও এই বৈঠক বা আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে রাজ্য সরকার কিংবা টাটা গোষ্ঠীর (Tata Motors) পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য বা স্পষ্ট বিবৃতি জারি করা হয়নি, তবে সরকারি সূত্রের দাবি- উভয় পক্ষই পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে দীর্ঘদিনের মামলা নিষ্পত্তি করতে এবং শিল্পায়নের স্বার্থে ভবিষ্যতে একসঙ্গে কাজ করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নিতে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

  • NIA Police Station: খাগড়াগড় বিস্ফোরণের এক যুগ পর! নিউটাউনে এনআইএ-র নিজস্ব থানা, এক্তিয়ারে গোটা বাংলা

    NIA Police Station: খাগড়াগড় বিস্ফোরণের এক যুগ পর! নিউটাউনে এনআইএ-র নিজস্ব থানা, এক্তিয়ারে গোটা বাংলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাল ২০১৪। খাগড়াগড় বিস্ফোরণের পর রাজ্যে প্রথম তদন্ত শুরু করে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই ঘটনার এক যুগ পর পশ্চিমবঙ্গে থানা পেল এনআইএ। সপ্তাহখানেক আগেই ক্যাবিনেট বৈঠকে থানা (NIA Police Station) তৈরির ছাড়পত্র মেলে। এবার তৈরি হল এনআইএ থানা। এবার থেকে আর রাজ্যের অন্য কোনও সাধারণ বা স্থানীয় থানার পরিকাঠামোর উপর তাদের নির্ভর করতে হবে না। নবান্নের তরফে এই সংক্রান্ত একটি আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে । বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নিউটাউনের এনবিসিসি স্কোয়ারে এনআইএ-র নিজস্ব থানা কাজ শুরু করবে।

    এনআইএ-র থানার ভৌগোলিক পরিধি

    সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল এনআইএ-র থানার ভৌগোলিক পরিধি। রাজ্য সরকারের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই একটি মাত্র থানার এক্তিয়ারেই থাকবে সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ। অর্থাৎ, রাজ্যের যেকোনও প্রান্তে ঘটে যাওয়া অপরাধের তদন্তের প্রয়োজনে এই নির্দিষ্ট থানাতেই এফআইআর দায়ের বা মামলা রুজু করতে পারবে কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। নতুন ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (বিএনএসএস) বা ২০২৩ সালের ৪৬ নম্বর আইনের অধীনে রাজ্য সরকার এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ওই আইনের ২(১)(ইউ) ধারায় রাজ্য সরকারকে যেকোনও স্থানকে থানা হিসেবে ঘোষণা করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। সেই ক্ষমতার ভিত্তিতেই রাজ্যপাল এই থানার অনুমোদন দিয়েছেন। রাজ্যপালের নির্দেশ অনুযায়ী এই বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বরাষ্ট্রসচিব সঙ্ঘমিত্রা ঘোষ। নবান্নের জারি করা এই বিজ্ঞপ্তির নম্বর হল ১৯৭৫-পিএল/পিবি/৪পি-০২/২০২৬।

    কোথায় হয়েছে এনআইয়ের থানা

    সরকারি নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, ২০০৮ সালের এনআইএ আইনের অধীনে থাকা নির্দিষ্ট অপরাধগুলির তদন্তের জন্যই মূলত এই থানা কাজ করবে। নিউটাউনের অ্যাকশন এরিয়া থ্রি-তে অবস্থিত এনবিসিসি স্কোয়ারের ১৬ তলায় এই থানার আনুষ্ঠানিক ঠিকানা নির্দিষ্ট করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে থানার নাম দেওয়া হয়েছে, ‘ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি পুলিশ স্টেশন, ওয়েস্ট বেঙ্গল’। তার ঠিক পাশেই এক্তিয়ারভুক্ত এলাকা হিসেবে ‘সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য’-এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যান্য থানার মতোই এই থানাতেও ওসি, সাব ইন্সপেক্টর, কনস্টেবলের মতো পোস্ট থাকে। এ রাজ্যে কোনও ঘটনায় এনআইএ তদন্তের প্রয়োজনীয়তা থাকলে, তা তদন্ত করা হবে এই থানা থেকে। রাজ্যে পশ্চিমবঙ্গে বেলডাঙার অশান্তির মামলা, মালদহের মোথাবাড়ি-কাণ্ড থেকে শুরু করে একাধিক মামলার তদন্ত করছে এনআইএ। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিস্ফোরণের মামলাতেও একাধিকবার তদন্তভার নিয়েছে এনআইএ। সম্প্রতি রাজ্যে মন্ত্রিসভার বৈঠকে থানা তৈরির বিষয়টিতে অনুমোদন দেওয়া হয়। সম্প্রতি অমিত শাহও রাজ্য সফরে এসে এই বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন।

    এনআইয়ের নিজস্ব থানার সুবিধা

    তৃণমূল সরকারের আমলেই থানা খুলতে চেয়েছিল এনআইএ। তবে বিভিন্ন সমস্যায় সেই থানা খোলা যায়নি বলে দাবি। তবে ক্ষমতায় এসেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা উন্নতিতে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির সহযোগিতা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। সেই লক্ষ্যেই তিনমাসের মধ্যে ক্যাবিনেট বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় রাজ্যে খোলা হবে এনআইএ থানা। সেই সিদ্ধান্তের পরই খুলে গেল থানা। এতদিন রাজ্যে এনআইএ-র নিজস্ব কোনও পূর্ণাঙ্গ থানা ছিল না। ফলে তদন্তের প্রয়োজনে তাদের নানা আইনি এবং পদ্ধতিগত জটিলতার মুখে পড়তে হত। কোথাও তল্লাশি চালানো, কাউকে গ্রেফতার করা বা ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার ক্ষেত্রে স্থানীয় থানাগুলির উপর নির্ভর করতে হত। অনেক ক্ষেত্রে এফআইআর দায়ের করার প্রক্রিয়াতেও অহেতুক সময় নষ্ট হত বলে অভিযোগ ছিল। নতুন এই থানা চালু হওয়ার ফলে সেই পরিকাঠামোগত সমস্যা আর থাকবে না। এখন থেকে সরাসরি নিজেদের থানাতেই অভিযোগ দায়ের করতে পারবেন এনআইএ আধিকারিকরা।

    তৈরি হবে এনআইএ আদালত-ও

    শুধু থানা নয় এনআইএ আদালতও তৈরি করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দ্রুতই সেই কাজ হবে বলে জানা যাচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে এই আদালত তৈরি হবে। কোথায় হবে আদালত, তা ঠিক করবে কলকাতা হাইকোর্ট। এই আদালতে শুধুমাত্র এনআইএ মামলাগুলিরই শুনানি হবে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে মামলাগুলির আরও দ্রুত নিষ্পত্তি হবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহল মহল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ রয়েছে দেশজুড়ে এনআইএ-এর মামলাগুলোর জন‍্য সুনির্দিষ্ট ও পৃথক আদালত গঠন করতে হবে। সেই নির্দেশ মেনে এই আদালত তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বিচারভবনে মুখ্য বিচারকের এজলাসের উপর এনআইএ-এর আদালতের দায়িত্ব দিয়েছে রেখেছে হাইকোর্ট। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলায় তাদের মামলার সংখ্যাও অনেকটা বেড়েছে। এবার পৃথক থানা তৈরি হয়ে গেল। এবার আদালত গঠন হলে মামলার কাজ দ্রুত এগোনো সম্ভব হবে বলে দাবি করা হয়েছে।

    জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ

    প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ। এনআইএ সাধারণত সন্ত্রাসবাদ, দেশদ্রোহিতা, জালনোট কারবার বা বিস্ফোরক আইনের মতো গুরুতর এবং আন্তঃরাজ্য অপরাধের তদন্ত করে থাকে। নিজস্ব থানা না থাকায় অনেক সময় ধৃতদের ট্রানজিট রিমান্ডে নেওয়া বা লকআপে রাখার ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হত। এখন নিউটাউনের এই ঠিকানাই হবে রাজ্যে এনআইএ-র মূল কন্ট্রোল রুম। এখান থেকেই গোটা রাজ্যের যেকোনও প্রান্তের মামলার আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে। এর ফলে একদিকে যেমন তদন্তের কাজে গতি আসবে, তেমনই জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত স্পর্শকাতর মামলাগুলির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গোপনীয়তা বজায় রাখাও অনেক বেশি সহজ হবে।

  • Manoj Agarwal: এসআইআর-এ ধরা পড়েছে ‘অনিয়ম’, জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্রের নিয়মে বড় বদল! মুখ্যসচিবের কড়া বার্তা

    Manoj Agarwal: এসআইআর-এ ধরা পড়েছে ‘অনিয়ম’, জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্রের নিয়মে বড় বদল! মুখ্যসচিবের কড়া বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্রকে কেন্দ্র করে বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের। সম্প্রতি ভুয়ো শংসাপত্র ইস্যু ও অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসছিল, তারপরেই একগুচ্ছ কড়া সিদ্ধান্ত নবান্নের (Nabanna)। এবার থেকে আর পুরপ্রধান বা পঞ্চায়েত প্রধানরা জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র ইস্যু করতে পারবেন না। সেই দায়িত্ব যাবে সরকারি আধিকারিকদের হাতে। একইসঙ্গে ১৯৯৭ সাল থেকে নথিভুক্ত সমস্ত শংসাপত্র পুনরায় যাচাই, রাজ্যজুড়ে পুলিশের অভিযান এবং অভিন্ন ডিজিটাল তথ্যভান্ডার তৈরির মতো একাধিক পদক্ষেপের ঘোষণা মুখ্যসচিব মনোজ আগারওয়ালের (Manoj Agarwal)।

    কেন এই সিদ্ধান্ত?

    নবান্নের (Nabanna) দাবি, জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র বিতরণে দীর্ঘদিন ধরেই অনিয়মের অভিযোগ উঠে আসছিল। বিশেষ করে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) চলাকালীন বিপুল সংখ্যক ভুয়ো জন্ম শংসাপত্রের সন্ধান মিলেছে বলে অভিযোগ। নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে প্রশাসন ও পুলিশের কাছেও একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই পুরো ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    মুখ্যসচিবের বার্তা

    মুখ্যসচিবের (Manoj Agarwal) কথায়, “জন্ম শংসাপত্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সরকারি নথি। নির্বাচনের পরে অনেক অভিযোগ পেয়েছি। SIR করতে গিয়ে বহু ভুলভ্রান্তি ধরা পড়েছে। পুলিশের কাছেও অনেক অভিযোগ এসেছে। অনেক জায়গায় নকল জন্ম শংসাপত্র পাওয়া গিয়েছে। এই ভুয়ো নথির মাধ্যমে অনেকেই সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন। নিয়ম থাকলেও বহু ক্ষেত্রে অনিয়ম হয়েছে।”

    দায়িত্বে থাকবেন সরকারি আধিকারিক

    নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জন্ম ও মৃত্যু শংসাপত্র ইস্যুর ক্ষমতা আর কোনও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির হাতে থাকবে না। পুরপ্রধান, চেয়ারম্যান বা পঞ্চায়েত প্রধানদের পরিবর্তে নির্দিষ্ট সরকারি আধিকারিকরাই এই শংসাপত্র ইস্যু করবেন। স্বাস্থ্য দফতর খুব শীঘ্রই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের তালিকা প্রকাশ করবে। সরকারের দাবি, এই পরিবর্তনের ফলে শংসাপত্র ইস্যুর ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বাড়বে এবং অনিয়মের সুযোগ অনেকটাই কমবে।

    ১৯৯৭ সাল থেকে সব নথির পুনর্যাচাই

    নবান্ন (Nabanna) সূত্রে খবর, ১৯৯৭ সাল থেকে নথিভুক্ত হওয়া সমস্ত জন্ম ও মৃত্যু শংসাপত্র ধাপে ধাপে পুনরায় যাচাই করা হবে। সমস্ত তথ্য ডিজিটালভাবে স্ক্যান করে একটি অভিন্ন তথ্যভান্ডার (ডেটাবেস) তৈরি করা হবে। পরে সেই তথ্যভান্ডার কেন্দ্রীয় পোর্টালের সঙ্গেও যুক্ত করা হবে। যাতে ভবিষ্যতে সহজেই নথির সত্যতা যাচাই করা যায়। এদিন মুখ্যসচিব (Manoj Agarwal) স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই স্ক্যানিং ও ডিজিটাল রেকর্ড তৈরির উদ্দেশ্য শুধুমাত্র তথ্য যাচাই। তা শেষ হলেই সমস্ত রেজিস্টার সংশ্লিষ্ট দফতরে ফেরত দেওয়া হবে।

    বাড়ি বাড়ি সমীক্ষা, শুনানির সুযোগও

    তবে, শুধু নথি যাচাই করেই থেমে থাকবে না প্রশাসন। প্রয়োজন হলে বাড়ি বাড়ি সমীক্ষাও করা হবে। যাঁদের কাছে বৈধ জন্ম শংসাপত্র নেই, তাঁদের শুনানির সুযোগ দেওয়া হবে। সমস্ত তথ্য যাচাইয়ের পর প্রয়োজন হলে নতুন করে শংসাপত্র দেওয়া হবে। অন্যদিকে, কোনও ভুয়ো বা বেআইনি শংসাপত্র ধরা পড়লে তা বাতিল করা হবে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কীভাবে সেই নথি পেয়েছেন? তা নিয়েও তদন্ত হবে।

    ‘কোনও অবৈধ বিদেশি নাগরিক থাকতে পারবেন না’

    যাচাই অভিযানের প্রসঙ্গে মুখ্যসচিব মনোজ আগারওয়াল (Manoj Agarwal) বলেন, “কোনও অবৈধ বিদেশি নাগরিক এখানে থাকতে পারবেন না। ভুয়ো নথির মাধ্যমে কেউ যাতে বেআইনিভাবে সরকারি সুবিধা নিতে বা পরিচয় গোপন করে থাকতে না পারেন, তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।”

    স্কুলের নথিতেও ভুয়ো শংসাপত্রের অভিযোগ

    মুখ্যসচিবের (Manoj Agarwal) অভিযোগ, শুধু সরকারি প্রকল্প নয়, স্কুলের নথিতেও বহু ক্ষেত্রে ভুয়ো জন্ম শংসাপত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এর ফলে প্রকৃত আবেদনকারীরা সমস্যার মুখে পড়েছেন। তাই সব তথ্য স্ক্যান করে পুনরায় যাচাই করা হবে।

    মুখ্যসচিবের আশ্বাস

    তবে সাধারণ মানুষের ভয়ের যে কোনও কারণ নেই, এদিন তাও আশ্বস্ত করলেন মুখ্যসচিব (Manoj Agarwal)। তিনি বলেন, “এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। এটি একটি নিয়মিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। শুধুমাত্র সরকারি আধিকারিকরাই এই যাচাই করবেন। কোনও চুক্তিভিত্তিক কর্মীকে এই দায়িত্ব দেওয়া হবে না।”

    রাজ্যজুড়ে পুলিশের কড়া অভিযান

    মুখ্যসচিবের নির্দেশের পর বৃহস্পতিবার থেকেই কলকাতাসহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় তল্লাশি ও নথি যাচাই প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিশ। বীরভূম, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম-সহ একাধিক জেলার পুরসভা ও পঞ্চায়েত অফিসে গিয়ে জন্ম-মৃত্যুর রেজিস্টার পরীক্ষা করা হচ্ছে। প্রশাসনের দাবি, এসআইআর চলাকালীন বেআইনিভাবে শংসাপত্র ইস্যুর অভিযোগের ভিত্তিতেই এই অভিযান চলছে।

    সরকারের লক্ষ্য

    নবান্নের (Nabanna) স্পষ্ট বার্তা, এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা নয়, বরং জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্র ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, নির্ভুল ও দুর্নীতিমুক্ত করা। বৈধ নথি থাকা সাধারণ মানুষের আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। কোথাও কারচুপির প্রমাণ মিললে বা কোনও সরকারি আধিকারিক ইচ্ছাকৃতভাবে বেআইনি কাজ করে থাকলে, তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই উদ্যোগে আরও স্পষ্ট হল বিজেপি সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি।

  • CM Suvendu Adhikari: রথযাত্রার ৬০ কমিটিকে ৫ লাখ করে অনুদান, শ্রাবণে জলযাত্রীদের ওপর পুষ্পবৃষ্টির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    CM Suvendu Adhikari: রথযাত্রার ৬০ কমিটিকে ৫ লাখ করে অনুদান, শ্রাবণে জলযাত্রীদের ওপর পুষ্পবৃষ্টির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রথযাত্রায় মোটা অঙ্কের অনুদান দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আগামী বৃহস্পতিবার রথযাত্রা উৎসব (Rath Yatra Committee)। তার আগে সোমবার নবান্নে জেলাশাসক ও বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের ৬০টি রথযাত্রা কমিটিকে ৫ লাখ টাকা করে সরকারি সাহায্য দেওয়া হবে। শ্রাবণ মাসে শিবের মন্দিরে যাওয়া জলযাত্রীদের জন্য বিশেষ পরিষেবা এবং অনুকূল আবহাওয়া থাকলে হেলিকপ্টার থেকে পুষ্পবৃষ্টি করা হবে বলেও ঘোষণা করেছেন (CM Suvendu Adhikari) তিনি।

    রথযাত্রা কমিটিগুলিকে অনুদান (CM Suvendu Adhikari)

    এদিনের বৈঠকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়েছিল রথযাত্রা কমিটিগুলি। এই বৈঠকেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “দশকের পর দশক উৎসব হয়, এমন ৬০টি কমিটিকে ৫ লাখ টাকা করে সরকারি সাহায্য দেব। এটি আমাদের অংশগ্রহণ।” তিনি জানান, প্রথম বছর কমিটির তালিকা তৈরিতে কোনও ত্রুটি থাকলে তা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইল। রাজ্যের পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “আগামী দিনে ত্রুটিহীন তালিকা তৈরি করব। অনেক দূর যাবে এই বিশেষ ব্যবস্থা। আজ যে বৃক্ষ রোপিত হল, আগামী দিনে তা মহীরূহ হবে। ঐতিহ্যে পরিণত হবে।” মুখ্যমন্ত্রী রথযাত্রা কমিটিগুলিকে সরকারি অনুদানের অর্থ পুরানো, বিশেষ করে কাঠের তৈরি রথ সংস্কারের কাজে ব্যবহার করারও অনুরোধ জানান।রথযাত্রা নিয়ে পূর্বতন তৃণমূল সরকারকেও আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “এত দিন রথযাত্রা উৎসবে সরকারি স্তরে কয়েক জন ট্রাফিক পুলিশ পাঠিয়েই সরকার দায়িত্ব পালন শেষ করত। বর্তমান সরকার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যে স্লোগান— উন্নয়ন এবং ঐতিহ্য, দু’টিকে সামনে রেখে এগোতে চায়। তাই এ বারের রথযাত্রায় সরকারিভাবে, সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

    পুষ্পবৃষ্টি

    মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের ৭৫টি ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রার মেলায় সেবাকেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের উদ্যোগে পুণ্যার্থীদের জন্য ন্যূনতম পরিষেবা দেওয়া হবে। এই কাজে পুরসভা, জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট রথযাত্রা কমিটিগুলিকে যুক্ত করা হবে।শ্রাবণ মাসে জলযাত্রীদের জন্যও একাধিক বিশেষ উদ্যোগের কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “শেওড়াফুলি থেকে তারকেশ্বরে যাওয়ার পথে প্রতি ৫ কিলোমিটার অন্তর সেবাকেন্দ্র স্থাপন করছে সরকার। তারকেশ্বর ধামকে সাজানোর জন্য ১৫ কোটি টাকার কাজ করছি।” তিনি জানান, জলযাত্রীদের পরিষেবার জন্য রাজ্যের তিনটি তীর্থস্থানকে বেছে নেওয়া হয়েছে— জলপাইগুড়ির জল্পেশ মন্দির, ভুটান সীমান্তবর্তী জয়ন্তী এলাকার একটি মন্দির এবং তারকেশ্বর। এই তিনটি কেন্দ্রকে ঘিরে পরিষেবা শিবির গড়ে তোলা হবে। সেখানে থাকবে পুলিশি সহায়তা কেন্দ্র, অস্থায়ী স্বাস্থ্য শিবির, পানীয় জল, ওআরএস এবং বিশ্রামের ব্যবস্থা। এই প্রসঙ্গেও পূর্বতন সরকারকে কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ভারতের অন্য রাজ্যে দেখেছি, সরকারিভাবে এই পরম্পরাকে বাঁচাতে সহযোগিতা করা হয়। এত দিন এই রাজ্য বঞ্চিত ছিল। কিন্তু এই সরকার সহায়তা করবে (CM Suvendu Adhikari)।” তিনি আরও জানান, শ্রাবণ মাসের প্রতি সোমবার আবহাওয়া অনুকূল থাকলে জলযাত্রীদের ওপর হেলিকপ্টার থেকে গোলাপের পাপড়ি বর্ষণ করা হবে। এর পাশাপাশি, তিনি জানান, ১৪ জুলাই তারকেশ্বরে উপস্থিত থেকে শ্রাবণী মেলার সূচনা করবেন।

    তীর্থক্ষেত্র সার্কিট প্রকল্প

    মুখ্যমন্ত্রী জানান, বাজেটে তীর্থক্ষেত্র সার্কিট প্রকল্প রাখা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, “মঠ, মন্দির, কিরীটেশ্বরী-সহ অনেক প্রাচীন মন্দির, যাদের ইতিহাস রয়েছে, তাদের সংস্কার এবং হেরিটেজের আওতায় আনতে উদ্যোগী হয়েছি। ধর্মীয় স্থানগুলির রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণে ১০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছি।” তিনি আরও জানান, ভারত সেবাশ্রম সংঘ পরিচালিত হাসপাতালগুলিকে আয়ুষ্মান ভারতের আওতায় আনা (Rath Yatra Committee) হয়েছে। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মস্থান সিমলা স্ট্রিটের উন্নয়নের জন্য ৫ কোটি টাকার কর্পাস তহবিল দেওয়ার সিদ্ধান্তও নিয়েছে রাজ্য সরকার (CM Suvendu Adhikari)।

     

  • West Bengal Investment: ৩০ বছর পর বাংলায় ফের মিৎসুবিশি! সেমিকন্ডাক্টর-ইভি প্রকল্পে নজর, দুই সপ্তাহের মধ্যেই জমি দেখাবে রাজ্য

    West Bengal Investment: ৩০ বছর পর বাংলায় ফের মিৎসুবিশি! সেমিকন্ডাক্টর-ইভি প্রকল্পে নজর, দুই সপ্তাহের মধ্যেই জমি দেখাবে রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় নতুন শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা আরও জোরালো হতে পারে। প্রায় তিন দশক পর ফের পশ্চিমবঙ্গে বড় বিনিয়োগের আগ্রহ দেখাল জাপানের বিশ্বখ্যাত সংস্থা মিৎসুবিশি কেমিক্যাল। সংস্থাটি রাজ্যে সেমিকন্ডাক্টর এবং ইলেকট্রিক ভেহিকল (EV) শিল্পের জন্য উৎপাদন ইউনিট গড়ে তোলার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এই সম্ভাব্য প্রকল্প নিয়ে বুধবার নবান্নে রাজ্যের শিল্প ও অর্থ দফতরের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন সংস্থার শীর্ষ আধিকারিকরা।

    নবান্নে বৈঠক, জমি চিহ্নিত করার প্রস্তুতি

    বুধবার নবান্নে মিৎসুবিশি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন তেরুয়ো ফুজিতা এবং তোমাফুমি কোয়ামা। তাঁদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় এবং অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। বৈঠকে মূলত রাজ্যে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলার সম্ভাবনা, প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো এবং জমি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে শিল্পমন্ত্রী জানান, সম্ভাব্য প্রকল্পের জন্য উপযুক্ত জমি চিহ্নিত করার কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে জাপানি প্রতিনিধিদল আবার কলকাতায় আসবে। সেই সফরে সম্ভাব্য শিল্পাঞ্চল ও জমি সরেজমিনে দেখানো হবে।

    কেন ভারতের দিকে ঝুঁকছে মিৎসুবিশি?

    বিশ্বজুড়ে সাপ্লাই চেইন পুনর্গঠনের প্রেক্ষাপটে ভারতকে এখন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে দেখছে বহু আন্তর্জাতিক সংস্থা। বিশেষ করে চিনের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প উৎপাদন ঘাঁটি তৈরির কৌশলের অংশ হিসেবে ভারতকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে মিৎসুবিশি কেমিক্যালও। সংস্থাটি সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনে ব্যবহৃত আল্ট্রা-পিওর কেমিক্যাল এবং ইভি ব্যাটারির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান তৈরিতে বিশ্বস্ত নাম। দেশে একের পর এক চিপ উৎপাদন প্রকল্প এবং বৈদ্যুতিক গাড়ি শিল্পের সম্প্রসারণের ফলে এই বাজারে নিজেদের উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে চায় জাপানি সংস্থাটি। সেই কারণেই ভারতে একটি বৃহৎ উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যার সম্ভাব্য গন্তব্যগুলির তালিকায় উঠে এসেছে পশ্চিমবঙ্গ।

    ১৯৯৭-এর পর ফের বাংলায় প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা

    মিৎসুবিশি কেমিক্যালের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সম্পর্ক নতুন নয়। ১৯৯৭ সালে হলদিয়ায় সংস্থাটি পিউরিফায়েড টেরেফথ্যালিক অ্যাসিড (PTA) প্ল্যান্ট স্থাপন করেছিল। এরপর দীর্ঘ সময় নতুন কোনও বড় বিনিয়োগ হয়নি। প্রায় ৩০ বছর পর আবার বাংলায় উৎপাদন কেন্দ্র গড়ার আগ্রহকে শিল্পমহল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে।

    বাংলার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ অসম

    তবে এই প্রকল্পের দৌড়ে পশ্চিমবঙ্গ একা নয়। সূত্রের খবর, কলকাতায় আসার আগে মিৎসুবিশির প্রতিনিধিরা অসম সরকারের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন। ইতিমধ্যেই অসমে টাটা গোষ্ঠীর সেমিকন্ডাক্টর প্রকল্প এগোচ্ছে, ফলে সেই রাজ্যও শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিল্পবান্ধব নীতি, জমি, পরিকাঠামো, কর-সুবিধা এবং দ্রুত অনুমোদনের মতো বিষয়গুলিই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে কোন রাজ্যে মিৎসুবিশি তাদের বহু প্রতীক্ষিত প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।

    জুলাইতেই বাংলায় একাধিক বড় বিনিয়োগের ঘোষণা

    নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধু মিৎসুবিশি নয়, চলতি জুলাই মাসেই আরও কয়েকটি বড় শিল্প প্রকল্পের ঘোষণা হতে চলেছে।

    • লাক্স কোজি: আগামী ১১ জুলাই ডানকুনিতে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা বিনিয়োগে নতুন উৎপাদন কেন্দ্রের ঘোষণা হতে পারে।
    • আমূল: ১৮ জুলাই হাওড়ার সাঁকরাইলে নতুন দই উৎপাদন ইউনিটের শিলান্যাসের সম্ভাবনা রয়েছে।
    • শ্যাম স্টিল: ২৭ জুলাই বাঁকুড়ার মেজিয়ায় প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার ইস্পাত প্রকল্পের ঘোষণা হওয়ার কথা।

    শিল্পমহলের একাংশের মতে, যদি এই ঘোষণাগুলি বাস্তবায়নের পথে এগোয় এবং মিৎসুবিশির প্রকল্পও পশ্চিমবঙ্গে আসে, তাহলে রাজ্যের শিল্পায়ন, বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে তা একটি বড় মোড় ঘোরানো পদক্ষেপ হতে পারে।

  • Nabanna: পেনশনভোগীদের জন্য বড় সুখবর! চলতি মাসেই ২০০৮-২০১৫ সালের বকেয়ার ৫০% মেটাবে রাজ্য সরকার

    Nabanna: পেনশনভোগীদের জন্য বড় সুখবর! চলতি মাসেই ২০০৮-২০১৫ সালের বকেয়ার ৫০% মেটাবে রাজ্য সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিএ সংক্রান্ত পদক্ষেপের পর এবার রাজ্য সরকারের অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের জন্য এল আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা পেনশনের এরিয়ার (Arrear) মেটাতে বড় পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছে রাজ্য সরকার। প্রাথমিকভাবে ২০০৮ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত সাত বছরের বকেয়া অর্থের আনুমানিক হিসেব করে তার ৫০ শতাংশ পরিশোধ করা হবে। পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে সম্পূর্ণ বকেয়া মিটিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    নবান্নর ঘোষণা…

    শুক্রবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্ত এবং অর্থদপ্তরের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর এই তথ্য জানান সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ। দীর্ঘদিন ধরে সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের বকেয়া সংক্রান্ত আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ভাস্কর ঘোষের এই বক্তব্য সামনে আসতেই অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদের মধ্যে আশাবাদের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

    পেনশনভোগীদের পাশাপাশি আরও বহু কর্মী উপকৃত হতে পারেন

    ভাস্কর ঘোষ জানান, শুধু অবসরপ্রাপ্ত কর্মীরাই নন, শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, পঞ্চায়েত ও পুরসভার কর্মী, বিভিন্ন বোর্ড ও কর্পোরেশনের কর্মচারী, কলকাতার বিভিন্ন ব্যাঙ্কের মাধ্যমে পেনশনপ্রাপক, ওয়ার্ক চার্জ কর্মী এবং হোমগার্ডদের বকেয়া সংক্রান্ত বিষয়ও আলোচনায় উঠে এসেছে। পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের আর্থিক দাবি ও অন্যান্য সমস্যার সমাধানের দিকেও সরকার ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

    কেন দেরি হচ্ছে বকেয়া মেটাতে?

    বৈঠকে সরকারি আধিকারিকরা জানিয়েছেন, পুরনো তথ্য সংগ্রহ ও যাচাইয়ের ক্ষেত্রে কিছু প্রশাসনিক জটিলতার কারণে প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ হয়ে উঠেছে। ভাস্কর ঘোষের বক্তব্য অনুযায়ী, আইএসএমওএস (ISMOS) পোর্টালে যাঁদের বেতন সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে, তাঁদের অনেকের এমপ্লয়ি আইডি বিভিন্ন সময়ে পরিবর্তিত হয়েছে বলে সরকারি দফতরের দাবি। এছাড়া ২০১৫ সালের আগে ব্যাঙ্কগুলিতে ডিজিটাল তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় পুরনো নথি সংগ্রহ করতেও সময় লাগছে। এই সমস্যা কাটাতে নতুন পোর্টালের মাধ্যমে তথ্য একত্রিত করার কাজ চলছে। তবে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়ে জানানো হয়েছে যে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কর্মীদের মূল পরিচয় অপরিবর্তিত রয়েছে। ফলে দ্রুত যাচাই শেষ করে বকেয়া মেটানোর প্রক্রিয়া শুরু করার দাবি জানানো হয়েছে।

    কবে মিলবে ৫০ শতাংশ এরিয়ার?

    এখনও পর্যন্ত সরকার কোনও নির্দিষ্ট দিনক্ষণ ঘোষণা করেনি। তবে বৈঠকে উপস্থিত প্রতিনিধিদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে, এরিয়রের ৫০ শতাংশ টাকা চলতি মাসেই মিটিয়ে দেবে রাজ্য সরকার। জানা গিয়েছে, প্রক্রিয়া শেষ হলে চলতি মাসেই সম্ভবত প্রথম ধাপে ২০০৮-২০১৫ সময়কালের আনুমানিক বকেয়ার ৫০ শতাংশ প্রদান করা হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে বাকি অর্থও পরিশোধ করা হবে।

    সরকারের পদক্ষেপকে স্বাগত সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের

    বৈঠকের পর ভাস্কর ঘোষ জানান, সরকারি কর্মীদের দীর্ঘদিনের দাবি নিয়ে সরকারের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমান প্রশাসন সরকারি কর্মীদের মতামত ও ফিডব্যাককে গুরুত্ব দিচ্ছে, যা প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। তাঁর কথায়, কোনও কর্মী যেমন প্রাপ্যের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ চান না, তেমনই আইনসঙ্গত ও ন্যায্য প্রাপ্য থেকেও কেউ যেন বঞ্চিত না হন, সেই বিষয়টিই তাঁদের মূল দাবি। সরকারের সাম্প্রতিক উদ্যোগ সেই লক্ষ্য পূরণের দিকেই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

LinkedIn
Share