Tag: Nabanna

Nabanna

  • NIA Police Station: খাগড়াগড় বিস্ফোরণের এক যুগ পর! নিউটাউনে এনআইএ-র নিজস্ব থানা, এক্তিয়ারে গোটা বাংলা

    NIA Police Station: খাগড়াগড় বিস্ফোরণের এক যুগ পর! নিউটাউনে এনআইএ-র নিজস্ব থানা, এক্তিয়ারে গোটা বাংলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাল ২০১৪। খাগড়াগড় বিস্ফোরণের পর রাজ্যে প্রথম তদন্ত শুরু করে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই ঘটনার এক যুগ পর পশ্চিমবঙ্গে থানা পেল এনআইএ। সপ্তাহখানেক আগেই ক্যাবিনেট বৈঠকে থানা (NIA Police Station) তৈরির ছাড়পত্র মেলে। এবার তৈরি হল এনআইএ থানা। এবার থেকে আর রাজ্যের অন্য কোনও সাধারণ বা স্থানীয় থানার পরিকাঠামোর উপর তাদের নির্ভর করতে হবে না। নবান্নের তরফে এই সংক্রান্ত একটি আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে । বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নিউটাউনের এনবিসিসি স্কোয়ারে এনআইএ-র নিজস্ব থানা কাজ শুরু করবে।

    এনআইএ-র থানার ভৌগোলিক পরিধি

    সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল এনআইএ-র থানার ভৌগোলিক পরিধি। রাজ্য সরকারের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই একটি মাত্র থানার এক্তিয়ারেই থাকবে সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ। অর্থাৎ, রাজ্যের যেকোনও প্রান্তে ঘটে যাওয়া অপরাধের তদন্তের প্রয়োজনে এই নির্দিষ্ট থানাতেই এফআইআর দায়ের বা মামলা রুজু করতে পারবে কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। নতুন ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (বিএনএসএস) বা ২০২৩ সালের ৪৬ নম্বর আইনের অধীনে রাজ্য সরকার এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ওই আইনের ২(১)(ইউ) ধারায় রাজ্য সরকারকে যেকোনও স্থানকে থানা হিসেবে ঘোষণা করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। সেই ক্ষমতার ভিত্তিতেই রাজ্যপাল এই থানার অনুমোদন দিয়েছেন। রাজ্যপালের নির্দেশ অনুযায়ী এই বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বরাষ্ট্রসচিব সঙ্ঘমিত্রা ঘোষ। নবান্নের জারি করা এই বিজ্ঞপ্তির নম্বর হল ১৯৭৫-পিএল/পিবি/৪পি-০২/২০২৬।

    কোথায় হয়েছে এনআইয়ের থানা

    সরকারি নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, ২০০৮ সালের এনআইএ আইনের অধীনে থাকা নির্দিষ্ট অপরাধগুলির তদন্তের জন্যই মূলত এই থানা কাজ করবে। নিউটাউনের অ্যাকশন এরিয়া থ্রি-তে অবস্থিত এনবিসিসি স্কোয়ারের ১৬ তলায় এই থানার আনুষ্ঠানিক ঠিকানা নির্দিষ্ট করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে থানার নাম দেওয়া হয়েছে, ‘ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি পুলিশ স্টেশন, ওয়েস্ট বেঙ্গল’। তার ঠিক পাশেই এক্তিয়ারভুক্ত এলাকা হিসেবে ‘সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য’-এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যান্য থানার মতোই এই থানাতেও ওসি, সাব ইন্সপেক্টর, কনস্টেবলের মতো পোস্ট থাকে। এ রাজ্যে কোনও ঘটনায় এনআইএ তদন্তের প্রয়োজনীয়তা থাকলে, তা তদন্ত করা হবে এই থানা থেকে। রাজ্যে পশ্চিমবঙ্গে বেলডাঙার অশান্তির মামলা, মালদহের মোথাবাড়ি-কাণ্ড থেকে শুরু করে একাধিক মামলার তদন্ত করছে এনআইএ। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিস্ফোরণের মামলাতেও একাধিকবার তদন্তভার নিয়েছে এনআইএ। সম্প্রতি রাজ্যে মন্ত্রিসভার বৈঠকে থানা তৈরির বিষয়টিতে অনুমোদন দেওয়া হয়। সম্প্রতি অমিত শাহও রাজ্য সফরে এসে এই বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন।

    এনআইয়ের নিজস্ব থানার সুবিধা

    তৃণমূল সরকারের আমলেই থানা খুলতে চেয়েছিল এনআইএ। তবে বিভিন্ন সমস্যায় সেই থানা খোলা যায়নি বলে দাবি। তবে ক্ষমতায় এসেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা উন্নতিতে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির সহযোগিতা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। সেই লক্ষ্যেই তিনমাসের মধ্যে ক্যাবিনেট বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় রাজ্যে খোলা হবে এনআইএ থানা। সেই সিদ্ধান্তের পরই খুলে গেল থানা। এতদিন রাজ্যে এনআইএ-র নিজস্ব কোনও পূর্ণাঙ্গ থানা ছিল না। ফলে তদন্তের প্রয়োজনে তাদের নানা আইনি এবং পদ্ধতিগত জটিলতার মুখে পড়তে হত। কোথাও তল্লাশি চালানো, কাউকে গ্রেফতার করা বা ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার ক্ষেত্রে স্থানীয় থানাগুলির উপর নির্ভর করতে হত। অনেক ক্ষেত্রে এফআইআর দায়ের করার প্রক্রিয়াতেও অহেতুক সময় নষ্ট হত বলে অভিযোগ ছিল। নতুন এই থানা চালু হওয়ার ফলে সেই পরিকাঠামোগত সমস্যা আর থাকবে না। এখন থেকে সরাসরি নিজেদের থানাতেই অভিযোগ দায়ের করতে পারবেন এনআইএ আধিকারিকরা।

    তৈরি হবে এনআইএ আদালত-ও

    শুধু থানা নয় এনআইএ আদালতও তৈরি করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দ্রুতই সেই কাজ হবে বলে জানা যাচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে এই আদালত তৈরি হবে। কোথায় হবে আদালত, তা ঠিক করবে কলকাতা হাইকোর্ট। এই আদালতে শুধুমাত্র এনআইএ মামলাগুলিরই শুনানি হবে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে মামলাগুলির আরও দ্রুত নিষ্পত্তি হবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহল মহল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ রয়েছে দেশজুড়ে এনআইএ-এর মামলাগুলোর জন‍্য সুনির্দিষ্ট ও পৃথক আদালত গঠন করতে হবে। সেই নির্দেশ মেনে এই আদালত তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বিচারভবনে মুখ্য বিচারকের এজলাসের উপর এনআইএ-এর আদালতের দায়িত্ব দিয়েছে রেখেছে হাইকোর্ট। জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলায় তাদের মামলার সংখ্যাও অনেকটা বেড়েছে। এবার পৃথক থানা তৈরি হয়ে গেল। এবার আদালত গঠন হলে মামলার কাজ দ্রুত এগোনো সম্ভব হবে বলে দাবি করা হয়েছে।

    জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ

    প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ। এনআইএ সাধারণত সন্ত্রাসবাদ, দেশদ্রোহিতা, জালনোট কারবার বা বিস্ফোরক আইনের মতো গুরুতর এবং আন্তঃরাজ্য অপরাধের তদন্ত করে থাকে। নিজস্ব থানা না থাকায় অনেক সময় ধৃতদের ট্রানজিট রিমান্ডে নেওয়া বা লকআপে রাখার ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হত। এখন নিউটাউনের এই ঠিকানাই হবে রাজ্যে এনআইএ-র মূল কন্ট্রোল রুম। এখান থেকেই গোটা রাজ্যের যেকোনও প্রান্তের মামলার আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে। এর ফলে একদিকে যেমন তদন্তের কাজে গতি আসবে, তেমনই জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত স্পর্শকাতর মামলাগুলির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গোপনীয়তা বজায় রাখাও অনেক বেশি সহজ হবে।

  • Manoj Agarwal: এসআইআর-এ ধরা পড়েছে ‘অনিয়ম’, জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্রের নিয়মে বড় বদল! মুখ্যসচিবের কড়া বার্তা

    Manoj Agarwal: এসআইআর-এ ধরা পড়েছে ‘অনিয়ম’, জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্রের নিয়মে বড় বদল! মুখ্যসচিবের কড়া বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্রকে কেন্দ্র করে বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের। সম্প্রতি ভুয়ো শংসাপত্র ইস্যু ও অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসছিল, তারপরেই একগুচ্ছ কড়া সিদ্ধান্ত নবান্নের (Nabanna)। এবার থেকে আর পুরপ্রধান বা পঞ্চায়েত প্রধানরা জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র ইস্যু করতে পারবেন না। সেই দায়িত্ব যাবে সরকারি আধিকারিকদের হাতে। একইসঙ্গে ১৯৯৭ সাল থেকে নথিভুক্ত সমস্ত শংসাপত্র পুনরায় যাচাই, রাজ্যজুড়ে পুলিশের অভিযান এবং অভিন্ন ডিজিটাল তথ্যভান্ডার তৈরির মতো একাধিক পদক্ষেপের ঘোষণা মুখ্যসচিব মনোজ আগারওয়ালের (Manoj Agarwal)।

    কেন এই সিদ্ধান্ত?

    নবান্নের (Nabanna) দাবি, জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র বিতরণে দীর্ঘদিন ধরেই অনিয়মের অভিযোগ উঠে আসছিল। বিশেষ করে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) চলাকালীন বিপুল সংখ্যক ভুয়ো জন্ম শংসাপত্রের সন্ধান মিলেছে বলে অভিযোগ। নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে প্রশাসন ও পুলিশের কাছেও একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই পুরো ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    মুখ্যসচিবের বার্তা

    মুখ্যসচিবের (Manoj Agarwal) কথায়, “জন্ম শংসাপত্র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সরকারি নথি। নির্বাচনের পরে অনেক অভিযোগ পেয়েছি। SIR করতে গিয়ে বহু ভুলভ্রান্তি ধরা পড়েছে। পুলিশের কাছেও অনেক অভিযোগ এসেছে। অনেক জায়গায় নকল জন্ম শংসাপত্র পাওয়া গিয়েছে। এই ভুয়ো নথির মাধ্যমে অনেকেই সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন। নিয়ম থাকলেও বহু ক্ষেত্রে অনিয়ম হয়েছে।”

    দায়িত্বে থাকবেন সরকারি আধিকারিক

    নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জন্ম ও মৃত্যু শংসাপত্র ইস্যুর ক্ষমতা আর কোনও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির হাতে থাকবে না। পুরপ্রধান, চেয়ারম্যান বা পঞ্চায়েত প্রধানদের পরিবর্তে নির্দিষ্ট সরকারি আধিকারিকরাই এই শংসাপত্র ইস্যু করবেন। স্বাস্থ্য দফতর খুব শীঘ্রই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের তালিকা প্রকাশ করবে। সরকারের দাবি, এই পরিবর্তনের ফলে শংসাপত্র ইস্যুর ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বাড়বে এবং অনিয়মের সুযোগ অনেকটাই কমবে।

    ১৯৯৭ সাল থেকে সব নথির পুনর্যাচাই

    নবান্ন (Nabanna) সূত্রে খবর, ১৯৯৭ সাল থেকে নথিভুক্ত হওয়া সমস্ত জন্ম ও মৃত্যু শংসাপত্র ধাপে ধাপে পুনরায় যাচাই করা হবে। সমস্ত তথ্য ডিজিটালভাবে স্ক্যান করে একটি অভিন্ন তথ্যভান্ডার (ডেটাবেস) তৈরি করা হবে। পরে সেই তথ্যভান্ডার কেন্দ্রীয় পোর্টালের সঙ্গেও যুক্ত করা হবে। যাতে ভবিষ্যতে সহজেই নথির সত্যতা যাচাই করা যায়। এদিন মুখ্যসচিব (Manoj Agarwal) স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই স্ক্যানিং ও ডিজিটাল রেকর্ড তৈরির উদ্দেশ্য শুধুমাত্র তথ্য যাচাই। তা শেষ হলেই সমস্ত রেজিস্টার সংশ্লিষ্ট দফতরে ফেরত দেওয়া হবে।

    বাড়ি বাড়ি সমীক্ষা, শুনানির সুযোগও

    তবে, শুধু নথি যাচাই করেই থেমে থাকবে না প্রশাসন। প্রয়োজন হলে বাড়ি বাড়ি সমীক্ষাও করা হবে। যাঁদের কাছে বৈধ জন্ম শংসাপত্র নেই, তাঁদের শুনানির সুযোগ দেওয়া হবে। সমস্ত তথ্য যাচাইয়ের পর প্রয়োজন হলে নতুন করে শংসাপত্র দেওয়া হবে। অন্যদিকে, কোনও ভুয়ো বা বেআইনি শংসাপত্র ধরা পড়লে তা বাতিল করা হবে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কীভাবে সেই নথি পেয়েছেন? তা নিয়েও তদন্ত হবে।

    ‘কোনও অবৈধ বিদেশি নাগরিক থাকতে পারবেন না’

    যাচাই অভিযানের প্রসঙ্গে মুখ্যসচিব মনোজ আগারওয়াল (Manoj Agarwal) বলেন, “কোনও অবৈধ বিদেশি নাগরিক এখানে থাকতে পারবেন না। ভুয়ো নথির মাধ্যমে কেউ যাতে বেআইনিভাবে সরকারি সুবিধা নিতে বা পরিচয় গোপন করে থাকতে না পারেন, তা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।”

    স্কুলের নথিতেও ভুয়ো শংসাপত্রের অভিযোগ

    মুখ্যসচিবের (Manoj Agarwal) অভিযোগ, শুধু সরকারি প্রকল্প নয়, স্কুলের নথিতেও বহু ক্ষেত্রে ভুয়ো জন্ম শংসাপত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এর ফলে প্রকৃত আবেদনকারীরা সমস্যার মুখে পড়েছেন। তাই সব তথ্য স্ক্যান করে পুনরায় যাচাই করা হবে।

    মুখ্যসচিবের আশ্বাস

    তবে সাধারণ মানুষের ভয়ের যে কোনও কারণ নেই, এদিন তাও আশ্বস্ত করলেন মুখ্যসচিব (Manoj Agarwal)। তিনি বলেন, “এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। এটি একটি নিয়মিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। শুধুমাত্র সরকারি আধিকারিকরাই এই যাচাই করবেন। কোনও চুক্তিভিত্তিক কর্মীকে এই দায়িত্ব দেওয়া হবে না।”

    রাজ্যজুড়ে পুলিশের কড়া অভিযান

    মুখ্যসচিবের নির্দেশের পর বৃহস্পতিবার থেকেই কলকাতাসহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় তল্লাশি ও নথি যাচাই প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিশ। বীরভূম, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম-সহ একাধিক জেলার পুরসভা ও পঞ্চায়েত অফিসে গিয়ে জন্ম-মৃত্যুর রেজিস্টার পরীক্ষা করা হচ্ছে। প্রশাসনের দাবি, এসআইআর চলাকালীন বেআইনিভাবে শংসাপত্র ইস্যুর অভিযোগের ভিত্তিতেই এই অভিযান চলছে।

    সরকারের লক্ষ্য

    নবান্নের (Nabanna) স্পষ্ট বার্তা, এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা নয়, বরং জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্র ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, নির্ভুল ও দুর্নীতিমুক্ত করা। বৈধ নথি থাকা সাধারণ মানুষের আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। কোথাও কারচুপির প্রমাণ মিললে বা কোনও সরকারি আধিকারিক ইচ্ছাকৃতভাবে বেআইনি কাজ করে থাকলে, তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই উদ্যোগে আরও স্পষ্ট হল বিজেপি সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি।

  • CM Suvendu Adhikari: রথযাত্রার ৬০ কমিটিকে ৫ লাখ করে অনুদান, শ্রাবণে জলযাত্রীদের ওপর পুষ্পবৃষ্টির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    CM Suvendu Adhikari: রথযাত্রার ৬০ কমিটিকে ৫ লাখ করে অনুদান, শ্রাবণে জলযাত্রীদের ওপর পুষ্পবৃষ্টির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রথযাত্রায় মোটা অঙ্কের অনুদান দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আগামী বৃহস্পতিবার রথযাত্রা উৎসব (Rath Yatra Committee)। তার আগে সোমবার নবান্নে জেলাশাসক ও বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের ৬০টি রথযাত্রা কমিটিকে ৫ লাখ টাকা করে সরকারি সাহায্য দেওয়া হবে। শ্রাবণ মাসে শিবের মন্দিরে যাওয়া জলযাত্রীদের জন্য বিশেষ পরিষেবা এবং অনুকূল আবহাওয়া থাকলে হেলিকপ্টার থেকে পুষ্পবৃষ্টি করা হবে বলেও ঘোষণা করেছেন (CM Suvendu Adhikari) তিনি।

    রথযাত্রা কমিটিগুলিকে অনুদান (CM Suvendu Adhikari)

    এদিনের বৈঠকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়েছিল রথযাত্রা কমিটিগুলি। এই বৈঠকেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “দশকের পর দশক উৎসব হয়, এমন ৬০টি কমিটিকে ৫ লাখ টাকা করে সরকারি সাহায্য দেব। এটি আমাদের অংশগ্রহণ।” তিনি জানান, প্রথম বছর কমিটির তালিকা তৈরিতে কোনও ত্রুটি থাকলে তা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইল। রাজ্যের পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “আগামী দিনে ত্রুটিহীন তালিকা তৈরি করব। অনেক দূর যাবে এই বিশেষ ব্যবস্থা। আজ যে বৃক্ষ রোপিত হল, আগামী দিনে তা মহীরূহ হবে। ঐতিহ্যে পরিণত হবে।” মুখ্যমন্ত্রী রথযাত্রা কমিটিগুলিকে সরকারি অনুদানের অর্থ পুরানো, বিশেষ করে কাঠের তৈরি রথ সংস্কারের কাজে ব্যবহার করারও অনুরোধ জানান।রথযাত্রা নিয়ে পূর্বতন তৃণমূল সরকারকেও আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “এত দিন রথযাত্রা উৎসবে সরকারি স্তরে কয়েক জন ট্রাফিক পুলিশ পাঠিয়েই সরকার দায়িত্ব পালন শেষ করত। বর্তমান সরকার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যে স্লোগান— উন্নয়ন এবং ঐতিহ্য, দু’টিকে সামনে রেখে এগোতে চায়। তাই এ বারের রথযাত্রায় সরকারিভাবে, সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

    পুষ্পবৃষ্টি

    মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের ৭৫টি ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রার মেলায় সেবাকেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের উদ্যোগে পুণ্যার্থীদের জন্য ন্যূনতম পরিষেবা দেওয়া হবে। এই কাজে পুরসভা, জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট রথযাত্রা কমিটিগুলিকে যুক্ত করা হবে।শ্রাবণ মাসে জলযাত্রীদের জন্যও একাধিক বিশেষ উদ্যোগের কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “শেওড়াফুলি থেকে তারকেশ্বরে যাওয়ার পথে প্রতি ৫ কিলোমিটার অন্তর সেবাকেন্দ্র স্থাপন করছে সরকার। তারকেশ্বর ধামকে সাজানোর জন্য ১৫ কোটি টাকার কাজ করছি।” তিনি জানান, জলযাত্রীদের পরিষেবার জন্য রাজ্যের তিনটি তীর্থস্থানকে বেছে নেওয়া হয়েছে— জলপাইগুড়ির জল্পেশ মন্দির, ভুটান সীমান্তবর্তী জয়ন্তী এলাকার একটি মন্দির এবং তারকেশ্বর। এই তিনটি কেন্দ্রকে ঘিরে পরিষেবা শিবির গড়ে তোলা হবে। সেখানে থাকবে পুলিশি সহায়তা কেন্দ্র, অস্থায়ী স্বাস্থ্য শিবির, পানীয় জল, ওআরএস এবং বিশ্রামের ব্যবস্থা। এই প্রসঙ্গেও পূর্বতন সরকারকে কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ভারতের অন্য রাজ্যে দেখেছি, সরকারিভাবে এই পরম্পরাকে বাঁচাতে সহযোগিতা করা হয়। এত দিন এই রাজ্য বঞ্চিত ছিল। কিন্তু এই সরকার সহায়তা করবে (CM Suvendu Adhikari)।” তিনি আরও জানান, শ্রাবণ মাসের প্রতি সোমবার আবহাওয়া অনুকূল থাকলে জলযাত্রীদের ওপর হেলিকপ্টার থেকে গোলাপের পাপড়ি বর্ষণ করা হবে। এর পাশাপাশি, তিনি জানান, ১৪ জুলাই তারকেশ্বরে উপস্থিত থেকে শ্রাবণী মেলার সূচনা করবেন।

    তীর্থক্ষেত্র সার্কিট প্রকল্প

    মুখ্যমন্ত্রী জানান, বাজেটে তীর্থক্ষেত্র সার্কিট প্রকল্প রাখা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, “মঠ, মন্দির, কিরীটেশ্বরী-সহ অনেক প্রাচীন মন্দির, যাদের ইতিহাস রয়েছে, তাদের সংস্কার এবং হেরিটেজের আওতায় আনতে উদ্যোগী হয়েছি। ধর্মীয় স্থানগুলির রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণে ১০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছি।” তিনি আরও জানান, ভারত সেবাশ্রম সংঘ পরিচালিত হাসপাতালগুলিকে আয়ুষ্মান ভারতের আওতায় আনা (Rath Yatra Committee) হয়েছে। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মস্থান সিমলা স্ট্রিটের উন্নয়নের জন্য ৫ কোটি টাকার কর্পাস তহবিল দেওয়ার সিদ্ধান্তও নিয়েছে রাজ্য সরকার (CM Suvendu Adhikari)।

     

  • West Bengal Investment: ৩০ বছর পর বাংলায় ফের মিৎসুবিশি! সেমিকন্ডাক্টর-ইভি প্রকল্পে নজর, দুই সপ্তাহের মধ্যেই জমি দেখাবে রাজ্য

    West Bengal Investment: ৩০ বছর পর বাংলায় ফের মিৎসুবিশি! সেমিকন্ডাক্টর-ইভি প্রকল্পে নজর, দুই সপ্তাহের মধ্যেই জমি দেখাবে রাজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় নতুন শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা আরও জোরালো হতে পারে। প্রায় তিন দশক পর ফের পশ্চিমবঙ্গে বড় বিনিয়োগের আগ্রহ দেখাল জাপানের বিশ্বখ্যাত সংস্থা মিৎসুবিশি কেমিক্যাল। সংস্থাটি রাজ্যে সেমিকন্ডাক্টর এবং ইলেকট্রিক ভেহিকল (EV) শিল্পের জন্য উৎপাদন ইউনিট গড়ে তোলার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এই সম্ভাব্য প্রকল্প নিয়ে বুধবার নবান্নে রাজ্যের শিল্প ও অর্থ দফতরের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন সংস্থার শীর্ষ আধিকারিকরা।

    নবান্নে বৈঠক, জমি চিহ্নিত করার প্রস্তুতি

    বুধবার নবান্নে মিৎসুবিশি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন তেরুয়ো ফুজিতা এবং তোমাফুমি কোয়ামা। তাঁদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় এবং অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। বৈঠকে মূলত রাজ্যে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন কেন্দ্র গড়ে তোলার সম্ভাবনা, প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো এবং জমি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে শিল্পমন্ত্রী জানান, সম্ভাব্য প্রকল্পের জন্য উপযুক্ত জমি চিহ্নিত করার কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে জাপানি প্রতিনিধিদল আবার কলকাতায় আসবে। সেই সফরে সম্ভাব্য শিল্পাঞ্চল ও জমি সরেজমিনে দেখানো হবে।

    কেন ভারতের দিকে ঝুঁকছে মিৎসুবিশি?

    বিশ্বজুড়ে সাপ্লাই চেইন পুনর্গঠনের প্রেক্ষাপটে ভারতকে এখন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে দেখছে বহু আন্তর্জাতিক সংস্থা। বিশেষ করে চিনের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প উৎপাদন ঘাঁটি তৈরির কৌশলের অংশ হিসেবে ভারতকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে মিৎসুবিশি কেমিক্যালও। সংস্থাটি সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনে ব্যবহৃত আল্ট্রা-পিওর কেমিক্যাল এবং ইভি ব্যাটারির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান তৈরিতে বিশ্বস্ত নাম। দেশে একের পর এক চিপ উৎপাদন প্রকল্প এবং বৈদ্যুতিক গাড়ি শিল্পের সম্প্রসারণের ফলে এই বাজারে নিজেদের উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে চায় জাপানি সংস্থাটি। সেই কারণেই ভারতে একটি বৃহৎ উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যার সম্ভাব্য গন্তব্যগুলির তালিকায় উঠে এসেছে পশ্চিমবঙ্গ।

    ১৯৯৭-এর পর ফের বাংলায় প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা

    মিৎসুবিশি কেমিক্যালের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সম্পর্ক নতুন নয়। ১৯৯৭ সালে হলদিয়ায় সংস্থাটি পিউরিফায়েড টেরেফথ্যালিক অ্যাসিড (PTA) প্ল্যান্ট স্থাপন করেছিল। এরপর দীর্ঘ সময় নতুন কোনও বড় বিনিয়োগ হয়নি। প্রায় ৩০ বছর পর আবার বাংলায় উৎপাদন কেন্দ্র গড়ার আগ্রহকে শিল্পমহল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে।

    বাংলার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ অসম

    তবে এই প্রকল্পের দৌড়ে পশ্চিমবঙ্গ একা নয়। সূত্রের খবর, কলকাতায় আসার আগে মিৎসুবিশির প্রতিনিধিরা অসম সরকারের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন। ইতিমধ্যেই অসমে টাটা গোষ্ঠীর সেমিকন্ডাক্টর প্রকল্প এগোচ্ছে, ফলে সেই রাজ্যও শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিল্পবান্ধব নীতি, জমি, পরিকাঠামো, কর-সুবিধা এবং দ্রুত অনুমোদনের মতো বিষয়গুলিই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে কোন রাজ্যে মিৎসুবিশি তাদের বহু প্রতীক্ষিত প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।

    জুলাইতেই বাংলায় একাধিক বড় বিনিয়োগের ঘোষণা

    নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধু মিৎসুবিশি নয়, চলতি জুলাই মাসেই আরও কয়েকটি বড় শিল্প প্রকল্পের ঘোষণা হতে চলেছে।

    • লাক্স কোজি: আগামী ১১ জুলাই ডানকুনিতে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা বিনিয়োগে নতুন উৎপাদন কেন্দ্রের ঘোষণা হতে পারে।
    • আমূল: ১৮ জুলাই হাওড়ার সাঁকরাইলে নতুন দই উৎপাদন ইউনিটের শিলান্যাসের সম্ভাবনা রয়েছে।
    • শ্যাম স্টিল: ২৭ জুলাই বাঁকুড়ার মেজিয়ায় প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার ইস্পাত প্রকল্পের ঘোষণা হওয়ার কথা।

    শিল্পমহলের একাংশের মতে, যদি এই ঘোষণাগুলি বাস্তবায়নের পথে এগোয় এবং মিৎসুবিশির প্রকল্পও পশ্চিমবঙ্গে আসে, তাহলে রাজ্যের শিল্পায়ন, বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে তা একটি বড় মোড় ঘোরানো পদক্ষেপ হতে পারে।

  • Nabanna: পেনশনভোগীদের জন্য বড় সুখবর! চলতি মাসেই ২০০৮-২০১৫ সালের বকেয়ার ৫০% মেটাবে রাজ্য সরকার

    Nabanna: পেনশনভোগীদের জন্য বড় সুখবর! চলতি মাসেই ২০০৮-২০১৫ সালের বকেয়ার ৫০% মেটাবে রাজ্য সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিএ সংক্রান্ত পদক্ষেপের পর এবার রাজ্য সরকারের অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের জন্য এল আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা। দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা পেনশনের এরিয়ার (Arrear) মেটাতে বড় পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছে রাজ্য সরকার। প্রাথমিকভাবে ২০০৮ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত সাত বছরের বকেয়া অর্থের আনুমানিক হিসেব করে তার ৫০ শতাংশ পরিশোধ করা হবে। পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে সম্পূর্ণ বকেয়া মিটিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    নবান্নর ঘোষণা…

    শুক্রবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্ত এবং অর্থদপ্তরের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর এই তথ্য জানান সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ। দীর্ঘদিন ধরে সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের বকেয়া সংক্রান্ত আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ভাস্কর ঘোষের এই বক্তব্য সামনে আসতেই অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদের মধ্যে আশাবাদের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

    পেনশনভোগীদের পাশাপাশি আরও বহু কর্মী উপকৃত হতে পারেন

    ভাস্কর ঘোষ জানান, শুধু অবসরপ্রাপ্ত কর্মীরাই নন, শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, পঞ্চায়েত ও পুরসভার কর্মী, বিভিন্ন বোর্ড ও কর্পোরেশনের কর্মচারী, কলকাতার বিভিন্ন ব্যাঙ্কের মাধ্যমে পেনশনপ্রাপক, ওয়ার্ক চার্জ কর্মী এবং হোমগার্ডদের বকেয়া সংক্রান্ত বিষয়ও আলোচনায় উঠে এসেছে। পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের আর্থিক দাবি ও অন্যান্য সমস্যার সমাধানের দিকেও সরকার ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

    কেন দেরি হচ্ছে বকেয়া মেটাতে?

    বৈঠকে সরকারি আধিকারিকরা জানিয়েছেন, পুরনো তথ্য সংগ্রহ ও যাচাইয়ের ক্ষেত্রে কিছু প্রশাসনিক জটিলতার কারণে প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ হয়ে উঠেছে। ভাস্কর ঘোষের বক্তব্য অনুযায়ী, আইএসএমওএস (ISMOS) পোর্টালে যাঁদের বেতন সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে, তাঁদের অনেকের এমপ্লয়ি আইডি বিভিন্ন সময়ে পরিবর্তিত হয়েছে বলে সরকারি দফতরের দাবি। এছাড়া ২০১৫ সালের আগে ব্যাঙ্কগুলিতে ডিজিটাল তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় পুরনো নথি সংগ্রহ করতেও সময় লাগছে। এই সমস্যা কাটাতে নতুন পোর্টালের মাধ্যমে তথ্য একত্রিত করার কাজ চলছে। তবে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়ে জানানো হয়েছে যে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কর্মীদের মূল পরিচয় অপরিবর্তিত রয়েছে। ফলে দ্রুত যাচাই শেষ করে বকেয়া মেটানোর প্রক্রিয়া শুরু করার দাবি জানানো হয়েছে।

    কবে মিলবে ৫০ শতাংশ এরিয়ার?

    এখনও পর্যন্ত সরকার কোনও নির্দিষ্ট দিনক্ষণ ঘোষণা করেনি। তবে বৈঠকে উপস্থিত প্রতিনিধিদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে, এরিয়রের ৫০ শতাংশ টাকা চলতি মাসেই মিটিয়ে দেবে রাজ্য সরকার। জানা গিয়েছে, প্রক্রিয়া শেষ হলে চলতি মাসেই সম্ভবত প্রথম ধাপে ২০০৮-২০১৫ সময়কালের আনুমানিক বকেয়ার ৫০ শতাংশ প্রদান করা হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে বাকি অর্থও পরিশোধ করা হবে।

    সরকারের পদক্ষেপকে স্বাগত সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের

    বৈঠকের পর ভাস্কর ঘোষ জানান, সরকারি কর্মীদের দীর্ঘদিনের দাবি নিয়ে সরকারের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমান প্রশাসন সরকারি কর্মীদের মতামত ও ফিডব্যাককে গুরুত্ব দিচ্ছে, যা প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। তাঁর কথায়, কোনও কর্মী যেমন প্রাপ্যের বাইরে অতিরিক্ত অর্থ চান না, তেমনই আইনসঙ্গত ও ন্যায্য প্রাপ্য থেকেও কেউ যেন বঞ্চিত না হন, সেই বিষয়টিই তাঁদের মূল দাবি। সরকারের সাম্প্রতিক উদ্যোগ সেই লক্ষ্য পূরণের দিকেই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

  • Suvendu Adhikari Cabinet: শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় কার হাতে কোন দফতর? চমকে দেওয়া দায়িত্ব বণ্টনের পূর্ণ তালিকা প্রকাশ

    Suvendu Adhikari Cabinet: শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় কার হাতে কোন দফতর? চমকে দেওয়া দায়িত্ব বণ্টনের পূর্ণ তালিকা প্রকাশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৯ মে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে প্রথম দফায় আরও পাঁচ জন মন্ত্রী শপথ নেন। এরপর ১ জুন দ্বিতীয় দফায় শপথ গ্রহণ করেন রাজ্যের আরও ৩৫ জন মন্ত্রী। এই ৩৫ জনের মধ্যে— ১৩ জন পূর্ণমন্ত্রী, ৩ জন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এবার হয়ে গেল তাঁদের দফতর বণ্টন।

    উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহলে বিশেষ গুরুত্ব

    নতুন মন্ত্রিসভা গঠনে আঞ্চলিক ভারসাম্যের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে মোট ১০ জন মন্ত্রী স্থান পেয়েছেন রাজ্য মন্ত্রিসভায়। একই সঙ্গে জঙ্গলমহল অঞ্চলকেও উল্লেখযোগ্য গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নিজ জেলা পূর্ব মেদিনীপুর থেকেও চার জন মন্ত্রী মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছেন। এছাড়া মন্ত্রিসভায় রয়েছেন ৭ জন মহিলা মুখ।

    দিল্লিতে বৈঠকের পর চূড়ান্ত দফতর বণ্টন

    দফতর বণ্টনের আগে দিল্লিতে গিয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা নিতিন নবীনের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই বৈঠকের পরই মন্ত্রিসভার দায়িত্ব বণ্টন চূড়ান্ত করা হয়। বুধবার নবান্ন থেকে নতুন মন্ত্রীদের দফতর বণ্টনের সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে।

    গুরুত্বপূর্ণ দফতর নিজের কাছেই রাখলেন শুভেন্দু

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতর নিজের অধীনেই রেখেছেন। তাঁর হাতে থাকা দফতরগুলি হল—

    • ● স্বরাষ্ট্র ও পাহাড় বিষয়ক
    • ● তথ্য ও সংস্কৃতি
    • ● বিদ্যুৎ
    • ● ভূমি ও ভূমি সংস্কার
    • ● উদ্বাস্তু ও পুনর্বাসন

    শুভেন্দুর সরকারের নতুন টিমে কোন মন্ত্রী কোন দফতরের দায়িত্ব পেলেন

    পূর্ণ মন্ত্রী

    • ● দীপক বর্মন – স্কুলশিক্ষা এবং আবাসন দফতর এবং ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প দফতর
    • ● তাপস রায়- শিল্প, বাণিজ্য ও উদ্যোগ
    • ● শঙ্কর ঘোষ- পর্যটন, সংসদীয় বিষয়ক
    • ● মনোজ কুমার ওঁরাও- বন ও পরিবেশ
    • ● অর্জুন সিংহ- পরিবহণ এবং শ্রম
    • ● গৌরী শঙ্কর ঘোষ-গণশিক্ষা সম্প্রসারণ ও গ্রন্থাগার এবং অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ
    • ● জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়- উচ্চ শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন
    • ● স্বপন দাশগুপ্ত- অর্থ
    • ● শারদ্বত মুখোপাধ্যায়-স্বাস্থ্য
    • ● কল্যাণ চক্রবর্তী- তথ্যপ্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক্স এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন
    • ● অরূপ কুমার দাস- সেচ ও জলপথ
    • ● অজয় কুমার পোদ্দার-পূর্ত এবং জনস্বাস্থ্য কারিগরি
    • ● দুধকুমার মণ্ডল- কৃষি
    • ● নিশীথ প্রামাণিক- উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন এবং জলসম্পদ অনুসন্ধান ও উন্নয়ন
    • ● অশোক কীর্তনীয়া- খাদ্য সরবরাহ, সমবায়
    • ● ক্ষুদিরাম টুডু- অনগ্রসর, সংখ্যালঘু উন্নয়ন এবং মাদ্রাসা শিক্ষা
    • ● দিলীপ ঘোষ- পঞ্চায়েত, গ্রামোন্নয়ন এবং কৃষি বিপণন
    • ● অগ্নিমিত্রা পাল- পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর

    স্বাধীন দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী

    • ● মালতি রাভা রায়- নারী ও শিশু কল্যাণ দপ্তর স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও কর্মসংস্থান এবং পরিসংখ্যান দফতর
    • ● রাজেশ মাহাতো- প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও মৎস্য দফতর
    • ● ইন্দ্রনীল খাঁ- ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ এবং ক্রেতা সুরক্ষা দফতর

    প্রতিমন্ত্রী

    • ● জোয়েল মুর্মু- আদিবাসী উন্নয়ন এবং সেচ ও জলপথ
    • ● হরেকৃষ্ণ বেরা- উচ্চ শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন
    • ● আনন্দময় বর্মন- অর্থ
    • ● অশোক দিন্দা- কৃষি বিপণন, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প ও বস্ত্র
    • ● নাদিয়ার চাঁদ বাউরি- পূর্ত এবং অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ
    • ● বিশাল লামা- মাদ্রাসা শিক্ষা
    • ● শান্তনু প্রামাণিক- পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন, খাদ্য ও সরবরাহ
    • ● মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র- শিল্প, বাণিজ্য ও উদ্যোগ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ও জৈবপ্রযুক্তি
    • ● উমেশ রাই- নগর উন্নয়ন ও পুর বিষয়ক, সংসদীয় বিষয়ক
    • ● পূর্ণিমা চক্রবর্তী- পর্যটন
    • ● কৌশিক চৌধুরী- শিক্ষা এবং অগ্নিনির্বাপন ও জরুরি পরিষেবা
    • ● ভাস্কর ভট্টাচার্য- শ্রম এবং জনস্বাস্থ্য কারিগরি
    • ● দিবাকর ঘরামি- সমবায়, বন ও পরিবেশ
    • ● অমিয় কিস্কু- কৃষি এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন
    • ● কলিতা মাজি- আবাসন
    • ● গার্গী দাস ঘোষ- বিদ্যুৎ, অপ্রচলিত এবং পুনর্নবীকরণ যোগ্য শক্তি
    • ● বিরাজ বিশ্বাস- উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন এবং আইন ও বিচার
    • ● দীপঙ্কর জানা- সুন্দরবন বিষয়ক
    • ● সুমনা সরকার- স্বাস্থ্য
  • Digha Jagannath Temple: বদলাল দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের নাম, কী হল নতুন নাম?

    Digha Jagannath Temple: বদলাল দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের নাম, কী হল নতুন নাম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সনাতন সংস্কৃতিকে অপমান করেছে তৃণমূল সরকার। ধাম শব্দটি সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। মন্দিরে (Digha Jagannath Temple) সনাতনী সংস্কৃতি মেনেই পুজো হবে।” মঙ্গলবার কথাগুলি বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ‘ধাম’ শব্দের ব্যবহার আঘাত করেছে ওড়িশাবাসী ও জগন্নাথদেবের ভক্তদের। এই মর্মে একটি চিঠি নিয়ে এ দিন ওড়িশার প্রতিনিধি হিসেবে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এসেছিলেন পুরীর সাংসদ সম্বিত পাত্র। সেই চিঠি হাতে নিয়েই এমন মন্তব্য করেন রাজ্যের পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু ঘোষণা করেন, এবার থেকে দিঘার এই মন্দিরের নাম হবে শ্রীশ্রী জগন্নাথ মন্দির সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।  নিয়ম মেনে মন্দিরে প্রতিদিনের পুজো, আরতি ও ভজন-কীর্তন সব আগের মতোই চলবে বলেও জানান তিনি।

    ওড়িশার আপত্তি (Digha Jagannath Temple)

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে ২০২৫ সালে ঘটা করে দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাট করেছিলেন তৎকালীন রাজ্য সরকারের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্দির না বলে সেটিকে উল্লেখ করা হয় ‘জগন্নাথ ধাম’ হিসেবে। এরপর থেকেই শুরু হয় বিতর্ক। নাম নিয়ে আপত্তি তোলে ওড়িশার রাজনৈতিক মহল এবং পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের সেবায়েতরা। তাঁদের দাবি ছিল, ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় পরম্পরা অনুযায়ী ‘জগন্নাথ ধাম’ অভিধাটি একমাত্র প্রযোজ্য পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের ক্ষেত্রেই। এই ইস্যুতে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আপত্তি জানিয়ে চিঠিও পাঠিয়েছিলেন। এ সংক্রান্ত অনুরোধপত্রটি এদিন শুভেন্দুর (Digha Jagannath Temple) হাতে তুলে দেন পুরীর সাংসদ।

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী

    এরপর মন্ত্রিসভার সঙ্গে আলোচনা করে রাজ্য সরকার দিঘার মন্দিরের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়। সেই মতো ঘোষণাও করা হয়। এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দুর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন সম্বিত এবং রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ কুমার আগরওয়াল। সরকার অবশ্য স্পষ্ট করে দিয়েছে, নাম বদল হলেও মন্দিরের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও নিয়মিত পুজোয় কোনও বদল হবে না। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ধাম শব্দটি নিয়ে বিতর্ক ছিল। তাই সরানো হয়েছে। দিঘার মন্দির শ্রী শ্রী জগন্নাথ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। এটাই হিডকোর টেন্ডারে রয়েছে। স্থাপত্যটি মন্দির নামেই পরিচিত হবে। সনাতন সংস্কৃতির রীতি নীতি মেনেই দিঘার মন্দিরে পুজোও হবে (Suvendu Adhikari)।” প্রশাসনিক সূত্রে খবর, ওড়িশা সরকারের দীর্ঘদিনের দাবিকে সম্মান জানিয়েই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে (Digha Jagannath Temple)।

     

  • WB Police: পালাবদলের পরে বড় রদবদল পুলিশে, ১৭৯ অফিসারের বদলি ও পদোন্নতি বাংলায়

    WB Police: পালাবদলের পরে বড় রদবদল পুলিশে, ১৭৯ অফিসারের বদলি ও পদোন্নতি বাংলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পালাবদলের পর পুলিশ প্রশাসনে বিরাট রদবদল। একসঙ্গে কলকাতা এবং রাজ্য পুলিশে ১৭৯ জন আইপিএস-ডব্লিউবিপিএস-কে বদলি করার নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার। বদলি করা হল কলকাতা পুলিশের জয়েন্ট সিপি (ট্রাফিক) রূপেশ কুমারকে। বিধানসভা ভোটের আগে এই রূপেশকে ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জ্যাক’ বলেছিলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে সরানো হয়েছে এসটিএফে। রাজ্যের উচ্চপদস্থ কর্তাদের রদবদলের নোটিশ জারি করেছে হোম অ্যাফেয়ার্স দফতর। রাজ্য হোম অ্যাফেয়ার্স দফতেরের নোটিশ অনুযায়ী, ১৭৯ আইপিএস বদলির পাশাপাশি, একাধিক পুলিশ সুপারের বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১২টি পুলিশ জেলার এসপি বদল করা হচ্ছে।

    কাকে কাকে বদলি

    অন্য দিকে এত দিন ফাঁকা ছিল কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম)। সেই পদেও নিয়োগ করা হয়েছে। সেখানকার যুগ্ম কমিশনারকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বদলি হয়েছেন আইপিএস মুরলীধর শর্মা। মুরলীধরকে আইজি (আইবি) পদে বসানো হয়েছে। বিধানসভা ভোটের আগে গত এপ্রিলে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার পদ থেকে সরানো হয়েছিল মুরলীধরকে। তার আগে মুরলীধরকে ভোটের পর্যবেক্ষক হিসাবে তামিলনাড়ুতে পাঠানোর কথা বলেছিল কমিশন। পরে সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয় তারা। বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার পদেই থেকে যান মুরলী। এ ছাড়া বেশ কয়েকটি জেলায় পুলিশ সুপারকেও বদলি করা হয়েছে। আইপিএস কুণাল আগরওয়ালকে কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) নিয়োগ করা হয়েছে। সেখানে এত দিন ছিলেন যুগ্ম কমিশনার পদের এক আধিকারিক। ওই পদে ছিলেন সোমা দাস মিত্র। তাঁকে বদলি করা হয়েছে আইজি (পলিসি) পদে। রূপেশকে কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (ট্রাফিক) থেকে ডিআইজি (এসটিএফ) করা হয়েছে।

    রুটিন মাফিক বদলি

    নির্বাচনের আচরণবিধি লাগু হওয়ার পরে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশে বিরাট রদবদল করেছিল নির্বাচন কমিশন। ভোট মেটার পরে নতুন সরকারের সময়ে এই প্রথম এত বড় মাপের রদবদল করা হলো। রুটিনমাফিক এই বদলির সিদ্ধান্ত বলেই নবান্ন সূত্রে খবর। নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বাঁকুড়া, মালদা রেঞ্জ-সহ একাধিক বিভাগের আইজিপি (ইন্সপেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ) পদে রদবদল হয়। পাশাপাশি একাধিক জেলার পুলিশ সুপার পদেও বদলি করা হয়েছে।

    কোথায় কোথায় বদলি

    • রাজেশ কুমার যাদবকে বাঁকুড়া রেঞ্জের আইজিপি থেকে এসটিএফ-এর আইজিপি।
    • গৌরব শর্মাকে ট্রাফিক আইজিপি পদ থেকে এসটিএফ-এর আইজিপি করা হয়েছে।
    • সুকেশ কুমার জৈনকে আইবি থেকে সিসিডব্লু-এর আইজিপি করা হল।
    • শীশ রাম ঝাঝারিয়া সংগঠন শাখা থেকে এসভিএসপিএ-র ডিরেক্টর হলেন।
    • মুরলীধর শর্মাকে আইবি-র আইজিপি হিসেবে নিযুক্ত করা হল।
    • শুভঙ্কর সিনহাকে সরকার কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার পদ থেকে আইজিপি করা হয়েছে (প্রভিশনিং)।
    • কুণাল আগরওয়ালকে কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) পদে রাখা হয়েছে।
    • ভি. সলোমন নেসাকুমারকে আইজিপি (পার্সোনেল) পদ দেওয়া হয়েছে।
    • শঙ্খশুভ্র চক্রবর্তীকে আইজি হোম গার্ড পদ দেওয়া হয়েছে।
    • উৎপল কুমার নস্করকে আইজিপি কারেকশনাল সার্ভিসেস-এ নিযুক্ত করা হয়েছে।
    • ফারহাত আব্বাস হলেন আইজিপি ট্রেনিং।
    • অঞ্জন চক্রবর্তীকে করা হল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির ডিরেক্টর।
    • রণেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় হলে আইবি-র আইজি।
    • স্বপন সরকারকে করা হল আইজিপি, অ্যান্টি করাপশন ব্রাঞ্চ (ACB)।
    • সঙমিত লেপচার পদোন্নতি করে আইজিপি, আর্মড পুলিশ (উত্তরবঙ্গ) করা হয়েছে।
    • মেহমুদ আখতার পদোন্নতি পেয়ে আইজি ট্রাফিক।
    • অজয় কুমার ঠাকুরের পদোন্নতি হয়ে আইজিপি, সিআইডি করা হয়েছে।
    • সোমা দাস মিত্র পদোন্নতি পেয়ে হলেন আইজিপি (পলিসি)।
    • কৃষ্ণকলি লাহিড়ীর পদোন্নতি পেয়ে আইজি, সিসিডব্লু করা হয়েছে।
    • শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার সৈয়দ ওয়াকার রাজা পদোন্নতি পেয়ে আইজিপি র‍্যাঙ্কে বহাল হলেন।
    • সূর্যপ্রতাপ যাদব বীরভূমের এসপি থেকে হলেন কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (ট্রাফিক)।
    • বারাসত পুলিশ জেলার এসপি পুষ্পা হলেন পূর্ব বর্ধমানের এসপি।
    • ওয়াই রঘুবংশী কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার এসপি পদ থেকে হলেন STF উত্তরবঙ্গের এসপি।
    • ঈশানী পাল ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলা থেকে কলকাতা পুলিশের ডিসি (সাউথ ওয়েস্ট) হলেন।
    • অতুল ভি. হলেন কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার এসপি।
    • সায়ক দাসকে পূর্ব বর্ধমানের এসপি থেকে কলকাতা পুলিশের ডিসি (নর্থ) করা হল।
    • সুজাতা কুমারী বীণাপাণিকে জলপাইগুড়ির এসপি পদে বহাল করা হয়েছে।
    • জে. মার্সিকে বারাসত পুলিশ জেলার এসপি করা হল।
    • চন্দ্রশেখর বর্ধন হলেন ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার এসপি।
    • অভিষেক গুপ্ত হলেন দক্ষিণ দিনাজপুরের এসপি।
    • প্রিয়ব্রত রায় হলেন পশ্চিমবঙ্গ ট্রাফিক পুলিশের এসপি।
    • শুভেন্দ্র কুমার বারুইপুর পুলিশ জেলার এসপি হলেন।
    • সুবিমল পাল হলেন কলকাতা পুলিশের ডিসি (ইস্ট সাবার্বান ডিভিশন)।
    • বিদিত রাজ ভুন্ডেশকে বীরভূমের এসপি পদ দেওয়া হয়েছে।
    • ভি. সি. সতীশ পাসুমার্তি বাঁকুড়ার এসপি পদ পেলেন।
    • সৌম্যদীপ ভট্টাচার্যকে এসটিএফ মালদার এসপি পদ দেওয়া হয়েছে।
    • চিন্ময় মিত্রকে করা হল কলকাতা পুলিশের ডিসি (রিজার্ভ ফোর্স)।
    • অমিত ভার্মা হলেন হাওড়া (গ্রামীণ)-এর এসপি।
    • সানি রাজ হলেন পুরুলিয়ার এসপি।
    • কুনওয়ার ভূষণ সিং হুগলি (গ্রামীণ)-এর এসপি।
    • চারু শর্মা শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের ডিসিপি।
    • ইন্দ্র বদন ঝা SRP, শিলিগুড়ি। কল্যাণ সিনহা রায় আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসি (স্পেশাল ব্রাঞ্চ।
    • মণীশ জোশী কলকাতা পুলিশের ডিসি (ওয়্যারলেস)।
    • জয়ন্ত মুখোপাধ্যায় SRP, খড়গপুর।
    • অম্লান ঘোষ হোম গার্ড সংগঠনের সিনিয়র স্টাফ অফিসার।
    • দেবরাজ দাস বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটে ডিসি।
    • পল্লবতী শারন্যা ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসিপি।
  • Self Survey Housing Scheme: গ্রামীণ আবাস প্রকল্পে প্রকৃত উপভোক্তা চিহ্নিত করতে স্ব-সমীক্ষা পদ্ধতি চালুর নির্দেশ পদ্ম সরকারের

    Self Survey Housing Scheme: গ্রামীণ আবাস প্রকল্পে প্রকৃত উপভোক্তা চিহ্নিত করতে স্ব-সমীক্ষা পদ্ধতি চালুর নির্দেশ পদ্ম সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রামীণ আবাস প্রকল্পে প্রকৃত উপভোক্তা চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করতে বড় পদক্ষেপ করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। অন্যান্য রাজ্যের ধাঁচে এবার এ রাজ্যেও (West Bengal) চালু হচ্ছে ‘সেলফ সার্ভে’ বা স্ব-সমীক্ষা পদ্ধতি। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ নিজেরাই আবাস প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারবেন (Self Survey Housing Scheme)।

    আবেদনপত্র জমা দেওয়ার পদ্ধতি (Self Survey Housing Scheme)

    নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, আবেদনকারীদের মোবাইল ফোনে ‘AwasPlus 2024’ এবং ‘AadhaarFaceRD’ অ্যাপ ডাউনলোড করে আধার-ভিত্তিক পরিচয় যাচাইয়ের মাধ্যমে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। এরপর সরকারি সার্ভেয়াররা আবেদনকারীর বাড়িতে গিয়ে তথ্য যাচাই করবেন এবং নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী আবেদনকারী এই যোজনায় অনুদান পাওয়ার অধিকারী কিনা, তা যাচাই করবেন। শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার জানিয়েছে, যাঁরা প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন না, তাঁদের জন্যও বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সার্ভেয়াররা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে যোগ্য পরিবারগুলিকে চিহ্নিত করবেন, যাতে কোনও প্রকৃত উপভোক্তা তালিকার বাইরে না রয়ে যান।

    ত্রিস্তরীয় যাচাই ব্যবস্থা

    উপভোক্তাদের তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ত্রিস্তরীয় যাচাই ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। নির্দেশিকা অনুযায়ী, অন্তত ১০ শতাংশ পরিবারের তথ্য ব্লক বা মহকুমা স্তরে পুনরায় যাচাই করা হবে (Self Survey Housing Scheme)। পাশাপাশি ৫ শতাংশ ক্ষেত্রে ব্লকস্তরের আধিকারিকদের পৃথক পর্যালোচনা এবং ২ শতাংশ ক্ষেত্রে জেলাস্তরের আধিকারিকদের সরাসরি যাচাই বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।প্রশাসনের দাবি, এই বহুমাত্রিক যাচাই ব্যবস্থার ফলে তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত হবে এবং সম্ভাব্য অনিয়ম বা ভুলত্রুটি সহজেই ধরা পড়বে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক প্রভাব, পক্ষপাতিত্ব বা ভুল তথ্যের ভিত্তিতে নাম অন্তর্ভুক্তির অভিযোগও অনেকাংশে কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    নবান্নের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ২০ জুলাইয়ের মধ্যে সমীক্ষা ও যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই জেলা প্রশাসন (West Bengal) এবং সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শুরু করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে (Self Survey Housing Scheme)।

     

  • Survey of Madrasa: ৫ জুলাইয়ের মধ্যে দিতে হবে রিপোর্ট, রাজ্যের সব মাদ্রাসার সমীক্ষার নির্দেশ নবান্নের

    Survey of Madrasa: ৫ জুলাইয়ের মধ্যে দিতে হবে রিপোর্ট, রাজ্যের সব মাদ্রাসার সমীক্ষার নির্দেশ নবান্নের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার (Survey of Madrasa) প্রকৃত চিত্র, পরিকাঠামো এবং শিক্ষার মান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যে বিশেষ সমীক্ষার নির্দেশ দিল নবান্ন। ব্লক ও পুরসভা স্তরে থাকা সমস্ত মাদ্রাসার তথ্য সংগ্রহ করতে জেলার প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ৫ জুলাই, ২০২৬-এর মধ্যে জেলাভিত্তিক রিপোর্ট জমা দিতে হবে। সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতর গত ৫ জুন সমস্ত জেলাশাসকের কাছে এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা পাঠিয়েছে। নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, প্রতিটি ব্লক ও পুরসভা এলাকায় সমীক্ষা চালিয়ে মাদ্রাসাগুলির বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে হবে।

    কোনও মাদ্রাসাই সমীক্ষার বাইরে নয়

    নবান্নের নির্দেশ অনুযায়ী, সরকারি, বেসরকারি, স্বীকৃত, অস্বীকৃত এবং অনুদানপ্রাপ্ত— সব ধরনের মাদ্রাসাই এই সমীক্ষার আওতায় আসবে। রাজ্যের মাদ্রাসা শিক্ষার একটি পূর্ণাঙ্গ ও হালনাগাদ তথ্যভান্ডার তৈরি করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। প্রশাসনের মতে, এই তথ্যভান্ডার ভবিষ্যতে শিক্ষানীতি প্রণয়ন, শিশু কল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং প্রশাসনিক নজরদারি আরও কার্যকর করতে সাহায্য করবে। সমীক্ষার সময় মূলত চারটি ক্ষেত্রে তথ্য সংগ্রহ করা হবে—

    প্রতিষ্ঠানের বর্তমান অবস্থা ও আইনি স্বীকৃতি
    পরিকাঠামো ও উপলব্ধ সুযোগ-সুবিধা
    শিক্ষা ও একাডেমিক কার্যক্রমের ধরন
    ছাত্রছাত্রীদের সংখ্যা এবং সামাজিক বিন্যাস

    উদ্বেগের কারণ নেই, জানাল নবান্ন

    সমীক্ষা ঘিরে কোনও ধরনের উদ্বেগের প্রয়োজন নেই বলেও স্পষ্ট করেছে নবান্ন। সরকারের দাবি, এই উদ্যোগ শুধুমাত্র তথ্য সংগ্রহ ও নীতিনির্ধারণের উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে। এর ভিত্তিতে কোনও মাদ্রাসা বন্ধ করা হবে না বা পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ করা হবে না। পাশাপাশি, শিক্ষাবর্ষের স্বাভাবিক কার্যক্রমও এতে ব্যাহত হবে না। তবে, ৫ জুলাইয়ের মধ্যে এই সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা বাধ্যতামূলক, বলে জানিয়েছে নবান্ন। তাই জেলাশাসকদের অবিলম্বে সমীক্ষার কাজ শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন এই সমীক্ষাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছে।

LinkedIn
Share