Tag: Nadia Hanskhali rape

Nadia Hanskhali rape

  • Hanskhali: ছেলের কুকীর্তির কথা জানতেন সমরেন্দ্র! হাঁসখালি ধর্ষণকাণ্ডে ৩ দিনের সিবিআই হেফাজতে তৃণমূল নেতা

    Hanskhali: ছেলের কুকীর্তির কথা জানতেন সমরেন্দ্র! হাঁসখালি ধর্ষণকাণ্ডে ৩ দিনের সিবিআই হেফাজতে তৃণমূল নেতা

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: হাঁসখালি ধর্ষণকাণ্ডে (Hanskhali Rape) সিবিআই হেফাজতে (CBI custody) মূল অভিযুক্ত ব্রজগোপাল গয়ালির বাবা তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য সমরেন্দ্র গয়ালি। একইসঙ্গে সিবিআই হেফাজতে করা হয় তৃণমূল নেতার বন্ধু তাঁর পীযূষ ভক্ত। 

    মঙ্গলবার কয়েক ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর সমরেন্দ্রকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার ফের তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সি। সকাল ১১টা থেকে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পর সন্ধ্যায় সমরেন্দ্র গয়ালিকে গ্রেফতার করে সিবিআই। সঙ্গে গ্রেফাতর করা হয় সমরেন্দ্রর বন্ধু পীযূষ ভক্তকে। ধৃতদের বিরুদ্ধে তথ্য গোপন, যড়যন্ত্র ও নাবালিকার পরিবারকে হুমকি-সহ বিভিন্ন অভিযোগে আনা হয়।  

    গণধর্ষণের রাত থেকেই বেপাত্তা ছিলেন তৃণমূল নেতা সমরেন্দ্র গয়ালি ৷  অবশেষে তাঁর খোঁজ পান তদন্তকারীরা। নদীয়ার বগুলায় গা ঢাকা দিয়ে বসেছিলেন তিনি। সিবিআই আধিকারিকরা তলব করে সমরেন্দ্রকে। এই ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত স্থানীয় তৃণমূল নেতা সমরেন্দ্রর ছেলে ব্রজগোপাল ও তার বন্ধু প্রভাকর পোদ্দার। ব্রজগোপাল ও প্রভাকর আগেই গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তারা এখন সিবিআই হেফাজতে রয়েছে।

    তদন্তকারী সংস্থা ইতিমধ্য়েই জানতে পেরেছে, ধর্ষণ করার আগে হাঁসখালির নাবালিকাকে মাদক খাওয়ানো হয়েছিল। এমনকি গাঁজাও খাওয়ানো হয়েছিল মেয়েটিকে। মাদকাসক্ত অবস্থাতেই তাকে নির্যাতন চালায় ব্রজ এবং তার বন্ধুরা। শনিবার ধৃতদের আদালতে পেশ করা হলে তৃণমূল নেতাকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন জানায় সিবিআই। তাঁদের সেই আবেদন মেনে সমরেন্দ্র গয়ালিকে ৩ দিনের সিবিআই হেফাজত দেন বিচারক। 

    এদিন আদালতে চাঞ্চল্যকর দাবি করে সিবিআই। তদন্তকারী সংস্থা দাবি করে, ছেলের কীর্তির কথা সব জানতেন সমরবাবু। নির্যাতিতার পরিবারকে ধমকানোর জন্য লোক জোগাড় করেছিলেন তিনিই। শুনানিতে সিবিআই আইনজীবী বলেন, ৪ মার্চ রাতে বাড়িতে কী হয়েছে তা সব জানতেন মূল অভিযুক্ত ব্রজ গয়ালির বাবা সমরেন্দ্র গয়ালি। ফোনে তিনি ছেলেকে যাবতীয় নির্দেশ দিয়েছিলেন। এমনকী নির্যাতিতার পরিবারকে ধমকানোর জন্য লোক জোগাড় করেছিলেন তিনিই। মৃত্যুর পর নির্যাতিতার দেহ দ্রুত সৎকারের ব্যবস্থাও হয়েছিল তাঁরই উদ্যোগে। এমনকী সেজন্য নিজের রাজনৈতিক প্রভাবও ব্যবহার করেছিলেন সমরেন্দ্র গয়ালি।

    সিবিআইয়ের দাবি, সমরেন্দ্র গয়ালি এলাকায় অত্যন্ত প্রভাবশালী। তাঁর ভয়েই নির্যাতিতাকে হাসপাতালে পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারেনি তার পরিবার। তার বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক অভিযোগ উঠেছে। রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে সেগুলিও ধামাচাপা দিয়েছেন তিনি।

     

  • Hanskhali Minor Rape: হাঁসখালি ধর্ষণ-কাণ্ডের তদন্তভারও পেল সিবিআই, প্রবল চাপে মমতা-প্রশাসন

    Hanskhali Minor Rape: হাঁসখালি ধর্ষণ-কাণ্ডের তদন্তভারও পেল সিবিআই, প্রবল চাপে মমতা-প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও বিড়ম্বনার মুখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন রাজ্য প্রশাসন। বগটুইকাণ্ড ও তপন কান্দু হত্যা-মামলার তদন্তভার আগেই সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। বীরভূম গণহত্যা থেকে শুরু করে কংগ্রেস কাউন্সিলর খুন, সব ক্ষেত্রেই মুখ পুড়েছে রাজ্য পুলিশের। এবার নদিয়ার হাঁসখালির ধর্ষণ মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তের দাবিতে উচ্চ আদালতে দায়ের হল জনস্বার্থ মামলা।

    সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়ে হাইকোর্টে এই মামলায় জনস্বার্থ মামলা দাখিল করেন জনৈক আইনজীবী অনিন্দ্য সুন্দর দাস। এদিকে এই ঘটনায় আরও একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে। সেটি করেছেন আইনজীবী সুস্মিতা সাহা দত্ত। হাঁসখালির ঘটনার প্রতিবাদে মৌন মিছিল বের করে বিজেপি। অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি জানিয়ে এই মিছিলের ডাক দেয় বিজেপি। নেতৃত্বে স্থানীয় বিধায়ক আশিস বিশ্বাস। পাশাপাশি, বিজেপি মহিলা মোর্চা সভানেত্রীর নেতৃত্বে সাত সদস্যের প্রতিনিধিদল পৌঁছয় গ্রামে। তাঁরা থানায় তদন্তকারী অফিসারের সঙ্গে কথা বলেন।

    অভিযোগ, গত ৪ এপ্রিল ১৪ বছরের নাবালিকাকে জন্মদিনের পার্টিতে ডেকে মদ্যপান করায় তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য সমর গয়ালির ছেলে ব্রজগোপাল গয়ালি ওরফে সোহেল। এর পর সে ও তার বন্ধুরা মিলে গণধর্ষণ করে নাবালিকাকে। রাতে এক মহিলাকে দিয়ে নাবালিকা প্রেমিকাকে বাড়ি পাঠিয়ে দেয় সে। এর পর ক্রমশ অসুস্থ হয়ে পড়তে থাকে নাবালিকা। কিন্তু নাবালিকাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে বাধা দেয় ব্রজগোপাল। পরে বাড়িতেই মৃত্যু হয় নাবালিকার। 

    রাতারাতি ওই নাবালিকার দেহ জোর করে দাহ করানোর অভিযোগও উঠেছে ওই তৃণমূল নেতার ছেলের বিরুদ্ধে। পরিবারের দাবি, দ্রুত নাবালিকার দেহ সৎকারে বাধ্য করে ব্রজগোপাল। পুলিশকে এই বিষয় না জানাতে হুমকি দেয় নাবালিকার পরিবারকে। বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার, খুন করে ফেলার হুমকিও দেয় ব্রজগোপাল। জানা যায়, ওই নাবালিকার দেহ গত সোমবার রাতে দাহ করা হয়েছিল বিনা ডেথ সার্টিফিকেটে। ডেথ সার্টিফিকেট ছাড়া কীভাবে দেহ দাহ করা হল তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।

    পরিবারের দাবি, সোমবার রাতে নাবালিকাকে ধর্ষণের পর অসুস্থ অবস্থায় কোয়াক ডাক্তার অসিতকুমার বিশ্বাসের কাছে ওষুধ আনতে যান ওই নাবালিকার পরিবার। আর ফেরেননি। ধর্ষণের জেরে অত্যাধিক রক্তপাতে ওই কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার স্থানীয় শ্মশানে দাহ করা হয় ওই নির্যাতিতা কিশোরীর দেহ। কেরোসিন ঢেলে দাহ করা হয়েছিল। পাশাপাশি প্রমাণ লোপাট করার চেষ্টাও করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।

    এই ঘটনার কয়েকদিন পর হাঁসখালি থানায় অভিযোগ দায়ের করে মৃত কিশোরীর পরিবার। এরপরই মূল অভিযুক্ত ব্রজগোপালকে গ্রেফতারির দাবি ওঠে। রবিবার তাকে গ্রেফতার করে হাঁসখালি থানার পুলিশ। পাশাপাশি অভিযুক্তের বাবা সমীর গয়ালি যিনি পঞ্চায়েত সদস্য, তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নদিয়া জেলা দক্ষিণের সভাপতি রত্না ঘোষ কর এ প্রসঙ্গে জানান, সমীর গয়ালিকে তৃণমূল দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে, সমরের ভাগ্নে দিবাকরকে আটক করেও পরে তাঁকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। 

    এদিন, শ্মশানকর্মী ও কোয়াক ডাক্তারকে রানাঘাট মহকুমা আদালতে পাঠায় পুলিশ। শ্মশানকর্মী করুণা বাউলি ও কোয়াক ডাক্তার অসিতকুমার বিশ্বাসকে পুলিশে আদালতে পাঠায় গোপন জবানবন্দির জন্য।

LinkedIn
Share