Tag: Nadia

Nadia

  • Nadia: ত্রিকোণ প্রেমের জের! আইনজীবীর গাড়িতে মিলল সেভেন এমএম, দেশি পিস্তল, ১০ রাউন্ড গুলি

    Nadia: ত্রিকোণ প্রেমের জের! আইনজীবীর গাড়িতে মিলল সেভেন এমএম, দেশি পিস্তল, ১০ রাউন্ড গুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার রাতে নদিয়ার (Nadia) হাঁসখালির মিলননগর বাজারে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ আসে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আশিস বিশ্বাস নামে এক দুষ্কৃতীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। যদিও পুলিশের দাবি, নাকা চেকিংয়ের সময় গাড়ির পিছনে ধাওয়া করে আগ্নেয়াস্ত্র সহ দুষ্কৃতীদের ধরে ফেলে পুলিশ। পরিচয় জানার পরই হতবাক হয়ে যায় পুলিশ। জানা গিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে দুজন আইনজীবী রয়েছেন। তাঁদের নাম প্রসেনজিৎ দেবশর্মা ও সুদীপ ব্রহ্ম। এছাড়াও একজন আইনের ছাত্র, একজন ল ক্লার্ক এবং একজন কুখ্যাত সমাজবিরোধী রয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন আগে মাদক মামলায় আশিস বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেফতার করে। স্বামীকে ছাড়ানোর জন্য তাঁর স্ত্রী নদিয়ার (Nadia) রানাঘাট আদালতের আইনজীবী প্রসেনজিৎ দেবশর্মার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। নিয়মিত আইনজীবীর সঙ্গে তিনি যোগাযোগ রাখতেন। সেই সুবাদে দুজনের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। জেলে বসেই তার আঁচ পান আশিস। জেল থেকেই স্ত্রীকে খুন করার হমকি দিয়েছিলেন আশিস। তাঁর স্ত্রী বিষয়টি প্রেমিক আইনজীবীকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু, হুমকির বিষয়টি কথার কথা ভেবে সেভাবে তাঁরা গুরুত্ব দেননি। ফলে মেলামেশা বন্ধ হয়নি। ওদিকে জেল থেকে বেরিয়ে তাঁর সমস্ত রাগ গিয়ে পড়ে স্ত্রীর ওপর। নৃশংসভাবে স্ত্রীকে খুন করার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। ফের জেলে যান আশিস। জেল থেকে বেরিয়ে স্ত্রীর মতো তাঁর প্রেমিক আইনজীবীকে খুন করার হুমকি দিয়ে যান। কয়েকদিন আগে আশিস জামিনে মুক্তি পান। পথের কাঁটা সরাতে এরপরই আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে গাড়ি করে আশিসের ওপর হামলা চালানোর ছক কষেন ওই আইনজীবী।

    ধৃতদের কাছে থেকে কী কী বাজেয়াপ্ত করল পুলিশ?

    জানা গিয়েছে, গাড়ির মধ্যে একটি সেভেন এমএম এবং একটি দেশি পিস্তল সহ ১০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়। মঙ্গলবার ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে চেয়ে রানাঘাট আদালতে পাঠায় হাঁসখালি থানার পুলিশ। বিচারক ৭দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kalyani: সেচমন্ত্রীর গাড়ির সামনে বিক্ষোভ বিজেপি কর্মীদের, পার্থকে দেখে উঠল চোর চোর স্লোগান

    Kalyani: সেচমন্ত্রীর গাড়ির সামনে বিক্ষোভ বিজেপি কর্মীদের, পার্থকে দেখে উঠল চোর চোর স্লোগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে তৃণমূলের একাধিক তৃণমূল নেতা জেলে রয়েছে। এরইমধ্যে সন্দেশখালি কাণ্ডে মুখ পুড়েছে পুলিশের। এবার বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক। তাঁকে দেখে চোর চোর স্লোগান দিলেন বিজেপি কর্মীরা। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার কল্যাণীতে (Kalyani)।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kalyani)

    সন্দেশখালি কাণ্ডে উত্তাল রাজ্য। জেলায় জেলায় বিজেপির বিক্ষোভে পুলিশি বাধা দেওয়ার অভিযোগ। পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠিচার্জ করার অভিযোগ রয়েছে। এই আবহের মধ্যে বৃহস্পতিবার কল্যাণীতে (Kalyani) বিজেপি-র কর্মসূচি ছিল। এদিন হুগলির উদ্দেশে যাওয়ার সময় বিজেপি কর্মীদের বাধার মুখে পড়েন রাজ্যের সেচ মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক। তাঁকে লক্ষ্য করে উঠল চোর চোর স্লোগান। বিক্ষোভের জেরে মন্ত্রীর গাড়ি বেশ কিছুক্ষণ আটকে যায়। যদিও পুলিশের তৎপরতায় বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপরই কোনওরকমে মন্ত্রীর গাড়ির চালক গতি বাড়িয়ে এলাকা ছেড়ে চলে যায়। এরপরই পুলিশের সামনেই বিজেপি কর্মীরা মন্ত্রীর গা়ড়ির পিছনে ফের চোর চোর স্লোগান দিতে থাকেন। মন্ত্রী প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়ায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

    কী বললেন সেচমন্ত্রী?

    বিক্ষোভ প্রসঙ্গে মুখ খোলেন সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক। তাঁকে বিজেপি কর্মীরা চোর বলেননি তা তিনি স্পষ্ট করে দেন। তিনি বলেন, ওরা আমাকে চোর চোর বলেনি। ওরা তৃণমূলকে চোর চোর বলেছে। আর সন্দেশখালি নিয়ে বিজেপি চক্রান্ত করে লোক ভাড়া করে এই নোংরামো করছে। সন্দেশখালির ঘটনায় যারা অভিযুক্ত তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে, আরও তদন্ত চলছে। এখন শান্ত রয়েছে সন্দেশখালি। আর যারা টিভির সামনে বক্তব্য রাখছে তারা সন্দেশখালির বাসিন্দা নয়। এটা প্রমাণিত হয়ে গিয়েছে। আসলে উস্কানি দিয়ে উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছে। আমরা সেখানে মিটিং করব। ৫০ হাজার কর্মীর সেখানে জমায়েত হবে। সন্দেশখালির মানুষ যে আমাদের সঙ্গে রয়েছে ফের তা প্রমাণিত হয়ে যাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: এইমসে সরকারি চাকরি দেওয়ার নাম করে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ, গ্রেফতার এক

    Nadia: এইমসে সরকারি চাকরি দেওয়ার নাম করে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ, গ্রেফতার এক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কল্যাণী এইমসে সরকারি চাকরি দেওয়ার নাম করে শ’দুয়েক লোকের সঙ্গে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃত প্রতারকের নাম বলরাম দাস। বাড়ি নদিয়ার রানাঘাটের (Nadia) আনুলিয়ায়। আজ মঙ্গলবার তাকে রানাঘাট আদালতে তোলা হয় এরপর ধৃত প্রতারককে আট দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা দেওয়া হয়েছিল

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে হাঁসখালি (Nadia) থানার পাখিউড়া গ্রামের বাসিন্দা অভিজিৎ বিশ্বাস থানায় এসে অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, “আমি ছাড়াও এলাকায় আরও অনেক মানুষ এইমসে চাকরির জন্য টাকা দিয়েছিলেন। অভিজিৎ দাস এবং রাজু গুপ্ত নামক দুই ব্যক্তির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দেওয়ার কথা বলেন। এই দুই ব্যক্তির নম্বর থানায় জানানো হয়েছে। তাদের জেরা করলে বলরাম সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যাবে। রামনগর বড়চুপরিয়া ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান তথা তৃণমূল নেতা যামিনী মুন্ডারি সকলের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন।”

    পুলিশের বক্তব্য

    নদিয়া পুলিশ (Nadia) প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে, সম্প্রতি একটি ফেসবুক পেজ খুলে তাতে বিজ্ঞাপন দিয়ে এইমসে সরকারি পদে করণিক নেওয়া হবে বলে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। এরপর বলা হয় অনলাইনে আবেদন এবং পরীক্ষা হবে। তবে এলাকার পঞ্চায়েত প্রধান নিজে সকলকে চাকরির সুযোগের কথা জানান। এরপর ৪৫২ টাকা দিয়ে লোকজন ফর্ম ফিলাপ করে। এরপর তন্ময় দাস নামক এক এইমসে কর্মরত ব্যক্তি পরিচয় দিয়ে পাশের খবর দেয়। এরপর নানা ডাক্তারি পরীক্ষার কথা বলে সাড়ে ১২ হাজার টাকা নেওয়া হয়। সেই সঙ্গে বলা হয় ২৮ হাজার টাকা বেতন দেওয়া হবে। এরপর অনলাইনে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। ৩ ফেব্রুয়ারি কাজে যোগ দেওয়ার কথা বলা হয়। কিন্তু অনলাইনে যে গেট পাস এবং আইডি পাঠানো হয়েছিল তা এইমসে নিয়ে কাজে যোগদান করতে গেলে কাউকেই আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। এরপর সন্দেহ শুরু হয় এবং পরে বোঝা যায় সকলেই প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এরপর হাঁসখালি থানায় অভিযোগ জানানো হয়। এই ঘটনায় বলরাম একজন মিডলম্যন।

    পঞ্চায়েত প্রধানের বক্তব্য

    স্থানীয় পঞ্চায়েত (Nadia) প্রধান যামিনী মুন্ডারি বলেন, “আমি পাঠিয়েছিলাম, কিন্তু টাকা দিতে বারণ করেছিলাম। ওরা নিজেরাই লোভে পড়ে টাকা দিয়েছে। টাকা দেওয়ার কথা শুনে আমি এইমসে গিয়ে খোঁজ নিয়েছি।” পাশপাশি এই প্রতারণা চক্রের সঙ্গে যুক্ত আরও দুজনের খোঁজ করা চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: পেনসিলের ওপর আট মিলিমিটারের দেবী সরস্বতীর মূর্তি, তাক লাগিয়ে দিয়েছেন নদিয়ার শিল্পী

    Nadia: পেনসিলের ওপর আট মিলিমিটারের দেবী সরস্বতীর মূর্তি, তাক লাগিয়ে দিয়েছেন নদিয়ার শিল্পী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইচ্ছেশক্তি আর নিজের ওপর ভরসা থাকলে যে সব কাজই করা সম্ভব, তা আবারও প্রমাণ করে দিলেন নদিয়ার (Nadia) নবদ্বীপের এক শিল্পী। বুধবার সরস্বতী পুজোয় মেতে উঠেছেন রাজ্যবাসী। এরই মাঝে নিজের ইচ্ছেশক্তির ওপর ভর করে ফের একবার ভিন্ন ভাবনায় পেনসিলের ওপর আট মিলিমিটারের দেবী সরস্বতীর মূর্তি তৈরি করে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করলেন নবদ্বীপের অঙ্কন শিক্ষক গৌতম সাহা। নবদ্বীপ শহরের প্রতাপনগর এলাকার বাসিন্দা তিনি। বয়স আনুমানিক ৫৬। 

    চক-চালের ওপর শিল্পকলা 

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গৌতমবাবুর বাবা ছিলেন আকাশবাণীর গীতিকার ও শিক্ষক। পরিবারে স্ত্রী, সন্তান সহ দুই দিদি রয়েছেন। তাঁরাও লেখালেখি, সংগীতচর্চা নিয়ে ব্যস্ত। এক কথায় শিক্ষা ও শিল্পসত্ত্বা ঘেরা পরিবার থেকেই উঠে আসা গৌতমবাবুর। জানা যায়, গত লকডাউনের সময় থেকে তিনি এই ক্ষুদ্র শিল্পকলার কাজ শুরু করেন। অতীতে বিভিন্ন সময়ে তিনি কখনও মুগডালের ওপর, কখনও ধানের ওপর, তো কখনও চক বা চালের ওপর মাটি রং দিয়ে ফুটিয়ে তুলেছেন মা কালী, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, মহাপ্রভু সহ বিভিন্ন দেবদেবী ও মণীষীদের মূর্তি। আর এবার দেবী সরস্বতীর প্রতি তাঁর শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদনের জন্য গত পনেরো দিন ধরে দিন রাত এক করে এবার একটি আনুমানিক ছয় সেন্টিমিটারের পেনসিলের ওপর মাটি, রং দিয়ে আট মিলিমিটারের দেবী সরস্বতীর মূর্তি ফুটিয়ে তুলেছেন। আর তা দিয়েই কার্যত আবারও তাক লাগিয়েছেন নদিয়ার (Nadia) নবদ্বীপের এই শিল্পী। আর এবারের তাঁর এই সৃষ্টি দেখতে বাড়িতে হাজির হচ্ছেন অনেকেই।

    কী বললেন শিল্পী?

    গৌতমবাবু বলেন, এর আগে অনেক ক্ষুদ্র শিল্পকলার কাজ করেছি। তবে, এভাবে মা সরস্বতী মূর্তি তৈরি কোনও দিন করিনি। এবার সেই উদ্যোগ নিলাম। দু’সপ্তাহের মধ্যেই আমি এই কাজ সম্পূর্ণ করতে পেরেছি। সবার ভালো লেগেছে জেনে আমি খুশি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে খুন, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    Nadia: ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে খুন, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশ্যে এক ব্যবসায়ীকে গলার নলি কেটে খুন করার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) করিমপুর থানার গোপালপুর এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম দুলাল বিশ্বাস (৬০)। তিনি তেহট্ট উত্তর এরিয়া কমিটির গোপালপুর শাখার সদস্য ছিলেন। প্রকাশ্যে এভাবে ব্যবসায়ীকে খুন করার ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, রাতে পুলিশের টহলদারি গাড়ি থাকে। রাস্তার মধ্যে এভাবে একজনকে খুন করে দিয়ে চলে গেল পুলিশ টের পর্যন্ত পেল না।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুলালবাবু সুদের ব্যবসা করতেন। প্রতিদিন পাওনা টাকা আদায় করে বাড়ি ফিরতেন। অন্যদিনের মতো রবিবারও তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। এরপরই রাতের দিকে বাড়ি ফেরার পথে ধারালো অস্ত্র নিয়ে দুষ্কৃতীরা তাঁর ওপর হামলা চালায়। রাস্তাতেই রক্তাক্ত অবস্থায় পড়েছিলেন তিনি। এরপরেই খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন এবং এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে গিয়ে তড়িঘড়ি উদ্ধার করে তাঁকে নদিয়ার (Nadia) করিমপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে করিমপুর থানার পুলিশ। পরবর্তীকালে পুলিশ মৃতদেহটি হাসপাতাল থেকে থানায় নিয়ে যায়। ব্যবসা সংক্রান্ত কোনও কারণে বচসার জেরে খুন হতে পারে বলে অনুমান স্থানীয়দের। যদিও এই ঘটনায় এখন কোনও অভিযুক্ত গ্রেফতার করেনি পুলিশ।

    ব্যবসায়ীর পরিবারের লোকজন কী বললেন?

    এ বিষয়ে মৃত দুলাল বিশ্বাসের ভাইপো বিপ্লব বিশ্বাস বলেন, রবিবার  রাতে আমাদের কাছে খবর আসে রক্তাক্ত অবস্থায় কাকা রাস্তায় পড়ে রয়েছে। আমরা তারপরেই তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাই। তবে, কাকাকে উদ্ধারের সময় যেটুকু মনে হয়েছে ওর সঙ্গে কয়েকজন ধস্তাধস্তি করেছে। পরবর্তীকালে ভোজালি দিয়ে কাকার গলায় কোপ মেরেছে। তিনি আরও বলেন, বহু মানুষের কাছে কাকা ধারের টাকা ফেরত পেত। সেই টাকা তাগাদা করতে গিয়েই এই খুন হতে পারে। আমরা পুলিশ প্রশাসনের কাছে তদন্ত দাবি করছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Santipur: স্কুল ছাত্রদের নিয়ে সরস্বতী প্রতিমা তৈরি করতে ব্যস্ত শান্তিপুরের কলেজ পড়ুয়া অতনু

    Santipur: স্কুল ছাত্রদের নিয়ে সরস্বতী প্রতিমা তৈরি করতে ব্যস্ত শান্তিপুরের কলেজ পড়ুয়া অতনু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদবী পাল নয়। বংশে কেউ কোনওদিন প্রতিমা তৈরি করেননি। তাতে কী হয়েছে? মনের মধ্যে ইচ্ছা ছিল মৃৎশিল্পী হওয়ার। পড়াশুনার পাশাপাশি নিজের শিল্প সত্তাকে ফুটিয়ে তুলেছেন নদিয়ার শান্তিপুরের (Santipur) অতনু বিশ্বাস। গত চার বছর আগে বিদ্যালয়ের সরস্বতী প্রতিমা তৈরি করার জন্য আগ্রহী হয়েছিলেন তিনি। যদিও তখন তিনি স্কুল ছাত্র ছিলেন। এক সময় তিনি শান্তিপুর তন্তুবাই হাইস্কুলের ছাত্র ছিলেন। তাঁর ইচ্ছের কথা জানিয়েছিলেন প্রধান শিক্ষককে। এরপর প্রধান শিক্ষকের অনুমতি মেলায় শুরু করে সরস্বতী প্রতিমা তৈরির কাজ।

    কী বললেন কলেজ পড়ুয়া প্রতিমা শিল্পী? (Santipur)

    প্রথম বছরই প্রতিমা তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষিকাদের। তারপর চার বছর ধরে সরস্বতী প্রতিমা তৈরি করছেন অতনু। ২০২৩ এ উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি এখন শান্তিপুর (Santipur) কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র। কিন্তু, বিদ্যালয়ের প্রতি ভালোবাসা এতটুকুও কমেনি তাঁর। এবছরও বিদ্যালয়ে তৈরি করছেন সরস্বতী প্রতিমা। তবে, অতনুর সঙ্গে হাতে হাত লাগিয়েছেন অন্যান্য ছাত্ররা। এখন দিনরাত এক করে প্রতিমা তৈরির কাজে ব্যস্ত অতনুসহ তাঁর সহকারীরা। অতনু বলেন, আমার এই অদম্য ইচ্ছা শক্তির একটাই কারণ হচ্ছে, প্রতিমা তৈরির জন্য কৃষ্ণনগরের মৃৎশিল্পীদের প্রাধান্য দেওয়া হয়, সেখানে শান্তিপুরেও স্বনামধন্য অনেক মৃৎশিল্পী থাকলেও তাঁদের গুরুত্ব দেওয়া হয় না। আমরা দেখিয়ে দিতে চাই, মৃৎ শিল্পের সঙ্গে যুক্ত না হয়েও শুধু ইচ্ছা শক্তি থাকলে সবই সম্ভব।

    শিল্পীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রধান শিক্ষক

    অতনুর এই আত্মবিশ্বাসকে কুর্ণিশ জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনুপ সাহা। তিনি বলেন, ও বরাবরই শিল্পপ্রেমী। পড়াশোনাতে খুব একটা ভালো না হলেও ওর মধ্যে অদ্ভুত পাগলপনা আছে। সব থেকে বড় কথা অতনু বরাবরই খুবই বাধ্য ছেলে। প্রথমবার প্রতিমা তৈরি করে সকলের নজর কেড়েছিল। অন্যবারের মতো এবারও আমাদের স্কুলে ও প্রতিমা তৈরি করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: রেশন দুর্নীতির পর্দাফাঁস! নদিয়ায় ব্যবসায়ীর কালোবাজারি ধরলেন বাসিন্দারা

    Nadia: রেশন দুর্নীতির পর্দাফাঁস! নদিয়ায় ব্যবসায়ীর কালোবাজারি ধরলেন বাসিন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশনের চাল এবং আটা সরকারি আধিকারিক, রেশন ডিলারদের কাছ থেকে ক্রয় করে চলে গোডাউন ভরাটের কাজ। কিন্তু, সাধারণ মানুষ তাদের প্রাপ্য গম, আটা পায় না। নিম্নমানের রেশন সামগ্রী যখন সাধারণ মানুষদেরকে দেওয়া হচ্ছে, তখন সরকারি আধিকারিকদের কাছ থেকে উন্নতমানের রেশন সামগ্রী গোডাউনে মজুদ করার অভিযোগ উঠছে নদিয়ার (Nadia) রানাঘাটের মধু বণিক নামে এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গোডাউনে দিনের পর দিন সাধারণ মানুষের রেশনের চাল,গম,আটা প্রতিদিন গাড়ি গাড়ি মাল মজুদ করা হয় ব্যবসায়ীর ওই গোডাউনে। কিন্তু, সাধারণ মানুষ সেই রেশন সামগ্রী পায় না। অপরদিকে, কালোবাজারি করে রেশন সামগ্রী কিনে কীভাবে তিনি গোডাউনে মজুদ রাখছে তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। যদিও রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে ইতিমধ্যে রানাঘাটে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অভিযান চালিয়েছে। তারপরেও দিনের পর দিন জনসমক্ষে এইভাবে রেশনের কালোবাজারি উঠে এল নদিয়ার (Nadia) কুপার্স এলাকা থেকে। তবে, স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,  গাড়ি করে রেশনসামগ্রী ব্যবসায়ীর গোডাউন থেকে রেশনসামগ্রী ট্রাকে মজুদ করা হচ্ছিল। এরপরই এলাকার মানুষ বাধা দেন। রেশন সামগ্রী কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তা জানতে চান। কিন্তু, কেউ তার উত্তর দিতে পারেনি। এরপরই এলাকার মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়েন। দোকানের সামনে ভিড় করে গাড়ি সমেত রেশন সামগ্রী আটকে দেন এলাকাবাসী। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    বিষয়টি জানাজানি হতেই সেখান থেকে পালিয়ে যান সেই গোডাউনের মালিক মধু বণিক। তবে, প্রশাসনের নাকের ডগা দিয়ে কীভাবে এই রেশন সামগ্রীর কালোবাজারি চলছে তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। এলাকাবাসীর বক্তব্য, স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব এই সমস্ত ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত দিয়ে রেখেছে বলেই দিনের পর দিন এইভাবে রেশন সামগ্রীর কালোবাজারি নদিয়া (Nadia) জুড়ে চলে আসছে। তাদের দাবি অবিলম্বে এই কালোবাজারি বন্ধ হোক এবং সাধারণ মানুষ তাদের ন্যায্য রেশন যাতে পায় তা দেখা দরকার। যদিও এই ঘটনায় পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ১০ টাকা মাটি থেকে তুলতে গিয়েই বিপদ! ১ লক্ষ টাকা নিয়ে চম্পট দিল চোর

    Nadia: ১০ টাকা মাটি থেকে তুলতে গিয়েই বিপদ! ১ লক্ষ টাকা নিয়ে চম্পট দিল চোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০ টাকা মাটিতে পড়ে রয়েছে দেখতে বলেই ১ লক্ষ টাকা নিয়ে চম্পট দিল এক অজ্ঞাত চোর। মধ্যবয়স্ক এক মহিলার কাঁধে টোকা দিয়ে বলে, ‘দেখুন তো নিচে আপনার টাকা পড়ে রয়েছে কী না?’ ঠিক তারপরেই নিজের টাকা ভেবে তুলতে গেলে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই মহিলার টাকা ভর্তি ব্যাগ নিয়ে উধাও হয়ে যায় সেই চোর। মুহূর্তের মধ্যেই কীভাবে টাকা নিয়ে পালালো? ঘটনার তদন্তে নেমেছেন পুলিশ। এই নিয়ে ব্যপক চাঞ্চল্য তৈরি হইয়েছে নদিয়ার কৃষ্ণনগরে (Nadia)।

    অভিনব কায়দায় চুরি (Nadia)

    স্থানীয় (Nadia) সূত্রে জানা গিয়েছে, কার্যত অভিনব কায়দায় চুরির ঘটনা ঘটেছে কৃষ্ণনগর হেড পোস্ট অফিস চত্বরে। এরপর ঘটনাস্থলে আসে স্থানীয় পুলিশ। ঘটনার পর একে একে ডাকঘরের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হয়। এরপর এক সন্দেহ জনক ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা হয়। পুলিশ ইতিমধ্যে মধ্যেই তদন্ত শুরু করে দিয়েছে। ঠিক দুপুর ২টোর সময় ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। গ্রাহকেরা যখন টাকা জমা করছিলেন সেই সময় আচমকা ডাকঘরে চিৎকার শোনা যায়। এরপর জানা যায় ব্যাগে ১ লক্ষ টাকা ছিল এক মহিলার যা চুরি হয়ে গিয়েছে।

    গ্রাহক মহিলার বক্তব্য

    চুরি যাওয়া টাকার মালিক মধ্যবয়স্কা গ্রাহক মহিলা রুপালী বলেন, “আমার ব্যাগ আমার কাছেই ছিল। হঠাৎ এক বয়স্ক লোক আমার পিঠে টোকা দিয়ে বলে, “আপনার টাকা মাটিতে পড়ে রয়েছে! সত্যিই দেখি মাটিতে টাকা পড়ে রয়েছে। আমি ভাবলাম হয়তো কেউ ফেলে রেখে গিয়েছেন। নিচু হয়ে টাকা তুলে উঠে দেখি, আমার ব্যাগ জায়গায় নেই। এরপর সেই বয়স্ক লোকটিকেও আর দেখেতে পেলাম না। মুহূর্তে সব ভ্যানিশ হয়ে গেল।” ঘটনা সম্পর্কে ডাকঘরের (Nadia) পোস্ট মাস্টার বলেন, “সিসিটিভি এমন একটি ঘটনা দেখতে পেলাম। পুলিশকে খবর দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: বাইকের ইঞ্জিন দিয়েই তৈরি করলেন প্যারাগ্লাইডার! আকাশে ওড়ার স্বপ্নপূরণ রাজমিস্ত্রির

    Nadia: বাইকের ইঞ্জিন দিয়েই তৈরি করলেন প্যারাগ্লাইডার! আকাশে ওড়ার স্বপ্নপূরণ রাজমিস্ত্রির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছোটবেলা থেকেই শখ ছিল নিজের হাতে এমন কিছু তৈরি করবেন, যা দিয়ে আকাশে উড়তে পারবেন। একই সঙ্গে মাটিতেও দিব্যি ঘুরতে পারবেন। মনের মধ্যে অদম্য ইচ্ছে আর চেষ্টা থাকলে স্বপ্ন একদিন সত্যি হয়। মধ্যবিত্তের সেই আকাশছোঁয়ার গল্প সফল করলেন নদিয়ার (Nadia) পার্থ মণ্ডল। দীর্ঘ ৬ বছরের চেষ্টায় ২৪ বছরের যুবক ইউটিউবের সাহায্য নিয়ে তৈরি করে ফেললেন প্যারাগ্লাইডার।

    কী বললেন যন্ত্রের আবিষ্কারক? (Nadia)

    নদিয়ার (Nadia) ধানতলা থানার দলুয়াবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা পার্থ মণ্ডল। পেশায় রাজমিস্ত্রি। নিজের তৈরি করা প্যারাগ্লাইডারে চেপে দিব্যি আকাশ-মাটিতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তিনি। এবার নিজের তৈরি করা প্যারাগ্লাইডার অতি দ্রুত বাজারজাত করে সফল ব্যবসায়ী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন পার্থ। বর্তমানে প্যারাগ্লাইডারে রয়েছে শুধুমাত্র চালকের আসন। ভবিষ্যতে পাশে বসার আরও একটি আসন তৈরির করার ইচ্ছে রয়েছে তাঁর। এখনও পর্যন্ত পেট্রল চালিত গোটা যন্ত্রটি তৈরি করতে খরচ হয়েছে আনুমানিক দু’লক্ষ টাকা। পার্থ বলেন, ইউটিউবে প্রথম প্যারাগ্লাইডার তৈরি করা দেখি। তারপর ধীরে ধীরে তা তৈরি করা শুরু করি। অনেকবার অসফল হয়েছি। কিন্তু, হার মানতে রাজি হইনি। বার বার চেষ্টা করে ৬ বছর পর অবশেষে আমার স্বপ্নপূরণ হল।

    ৮০ কেজি ওজনের প্যারাগ্লাইডারে দিব্যি উড়ছেন পার্থ

    জানা গিয়েছে, ২২০ সিসি মোটরবাইকের একটি ইঞ্জিন, সাধারণ মোটরের দু’টি প্রোপাইলার আর তার সঙ্গে ছোটখাট যন্ত্রপাতি মিলিয়ে মোট ৮০ কেজি ওজনের একটি প্যারাগ্লাইডার তৈরি করা হয়েছে। সড়ক ও আকাশপথে চলতে সক্ষম তৈরি ওই প্যারাগ্লাইডার। নিজের গ্রামের পথে এবং আকাশে ওই প্যারাগ্লাইডার চেপে ঘুরেও বেড়াচ্ছেন পার্থবাবু। এলাকার যুবকের এই কর্মকাণ্ড দেখে খুশি এলাকাবাসীরা। এই অভিনব আবিষ্কার দেখতে প্রতিদিনই প্রায় মানুষের ভিড় জমচ্ছে পার্থের বাড়িতে। আর নিজের হাতে স্বপ্নপূরণ করতে পেরে খুবই খুশি পার্থবাবু।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Moyna:  নদিয়ার পর ময়না, পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট, গাড়ি ভাঙচুর

    Moyna: নদিয়ার পর ময়না, পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট, গাড়ি ভাঙচুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার পর এবার পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার (Moyna) বাকচায় এবার আক্রান্ত হল পুলিশ। টহলদারির সময় পুলিশকর্মীদের ওপর হামলা চালায় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। পুলিশকে লক্ষ্য করে ডাব, ইট ছোড়া হয়। বাঁশ দিয়ে পুলিশের গাড়িতেও চলে ব্যাপক ভাঙচুর। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। বার বার পুলিশ আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পুলিশের ওপর থেকে আস্থা হারাচ্ছে সাধারণ মানুষ। বিরোধীদের বক্তব্য, পুলিশ এখন দলদাসে পরিণত হয়ে গিয়েছে। আইন মেনে শান্তি রক্ষা পুলিশের কাজ। সেটা অনেক সময় পুলিশের জন্য ব্যাহত হচ্ছে। তাই, পুলিশের ওপর বার বার হাত তোলার সাহস দেখাচ্ছে সাধারণ মানুষ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Moyna)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব মেদিনীপুর ময়নার (Moyna) বাকচায় কোনও এতটি বিষয় নিয়ে গণ্ডগোল হয়। শনিবার রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ ময়না থানার ডিউটি অফিসার ঈশ্বর সিংয়ের নেতৃত্বে ৬ জন পুলিশকর্মী টহল দিচ্ছিলেন। ময়না বাকচার নিমতলায় পৌঁছে চিৎকার চেঁচামেচি শুনতে পান পুলিশকর্মীরা। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করতে গেলে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ পুলিশের উপরই হামলা চালায়। মারধর করা হয়। পুলিশকে লক্ষ্য করে ডাব, ইট ছোড়া হয়। বাঁশ দিয়ে পুলিশের গাড়িতেও চলে ব্যাপক ভাঙচুর। জখম হন ৬ পুলিশকর্মী। তাঁদের ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কী কারণে হামলা তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। কয়েকদিন আগে মুখ্যমন্ত্রীর জেলা সফর চলাকালীন নদিয়ার ভীমপুরে পুলিশকে গাছে বেঁধে পেটালো এলাকাবাসী। দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ সামাল দিতে গিয়ে আক্রান্ত হন পুলিশকর্মীরা। দুই পুলিশ কর্মীকে গাছে বেঁধে ফেলেন মহিলারা। তাঁদের মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় আরও পুলিশ বাহিনী। তাঁরা গিয়ে ওই দুই পুলিশ কর্মীকে উদ্ধার করে। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে ময়নায় ফের পুলিশ আক্রান্তের ঘটনা ঘটল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share