Tag: Nadia

Nadia

  • Ranaghat: বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে রানাঘাটে জোড়া খুন, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    Ranaghat: বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে রানাঘাটে জোড়া খুন, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রানাঘাটে প্রকাশ্যে সোনার দোকানে ডাকাতির পর এবার (Ranaghat) ভরসন্ধ্যায় জোড়া খুন (Murder)। এই ঘটনায় রানাঘাটের আনুলিয়া মনসাতলা এলাকা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম রূপক দাস (৩৮) এবং সুমন চক্রবর্তী (৪০)। সুমনবাবু পেশায় ব্যবসায়ী। তাঁর গাড়ির চালক ছিলেন রূপক। দুজনের বাড়ি রানাঘাট পুরসভা এলাকায়। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পরিবারের লোকজন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Ranaghat)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সুমনবাবুর কাছে বৃহস্পতিবার ফোন এসেছিল। সেই ফোন পেয়েই রূপকবাবুকে নিয়ে বাইকে করে ওই ব্যবসায়ী বেরিয়েছিলেন। তবে, তিনি কোথায় যাচ্ছেন তা বাড়িতে বলে যাননি। আর তিনি বাড়ি ফেরেননি। সন্ধ্যা ৭ টা নাগাদ পরিবারের লোকজন খবর পান, নির্মীয়মাণ বাড়িতে তাঁদের ক্ষতবিক্ষত দেহ পড়ে রয়েছে। পরিবারের লোকজন তড়িঘড়ি তাঁদের দুজনকে সেখান থেকে উদ্ধার করে রানাঘাট হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকেরা দুজনকেই মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরিবারের প্রাথমিক অনুমান, চক্রান্ত করে ওই ব্যবসায়ী ও তাঁর গাড়ির চালককে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। তবে, এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করে দিল নির্বাচন শেষ হয়ে গেলেও এখনও উত্তপ্ত রানাঘাট। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সাধারণ মানুষ প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে রানাঘাট থানার পুলিশ।

    আরও পড়ুন: ২৬ জুলাই কার্গিল বিজয় দিবস, দেশের ইতিহাসে কেন গুরুত্বপূর্ণ এই দিন

    নিহত ব্যবসায়ীর আত্মীয় কী বললেন?

    নিহত ব্যবসায়ীর আত্মীয় মেঘনাদ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সুমন পেশায় ব্যবসায়ী ছিল। তার সঙ্গে কারও শত্রুতা ছিল বলে আমার জানা নেই। পরিবারের কাছে এই ধরনের আশঙ্কার কথাও ও বলেছে বলে আমার জানা নেই। এদিন সন্ধ্যায় আমরা খবর পেয়ে হাসপাতালে আসি। যেটুকু জেনেছি, কোনও ফোন পেয়ে সুমন বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল। সঙ্গে গাড়ির চালক ছিল। দুজনকে এভাবে কুপিয়ে খুন (Murder) করা হবে তা ভাবতে পারছি না। পুলিশ প্রশাসনের উদাসীনতার কারণেই দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য বাড়ছে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বলে কিছু নেই। ফলে, এই ঘটনার পর আমরাও আতঙ্কিত। আমাদের দাবি অবিলম্বে দুষ্কৃতীদের গ্রেফতার করতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kalyani AIIMS: ভুয়ো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতারণার ফাঁদ! সতর্ক করল কল্যাণী এইমস

    Kalyani AIIMS: ভুয়ো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতারণার ফাঁদ! সতর্ক করল কল্যাণী এইমস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কল্যাণী এইমস (Kalyani AIIMS) এবার ভুয়ো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নিয়ে প্রতারণার ফাঁদে পা না দেওয়ার জন্য সতর্ক করল। একাধিক কর্মখালি নিয়ে ইতিমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। দেওয়া আছে শূন্যপদের বিবরণ সহ বেতনের তালিকা। অথচ্‌ এইমস কিছুই জানে না। ঘটনায় ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে। উল্লেখ্য আগেও একাধিকবার এই ভাবে মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিয়ে চাকরি দেওয়ার নাম করে একাধিক সময়ে টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছিল।

    ভুয়ো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে কী বলা হয়েছে (Kalyani AIIMS)?

    সামজিক মাধ্যমে এই ভুয়ো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কাজের সময়। বেতন আকর্ষণীয়। দশম শ্রেণি পাশ হলে মিলবে ১৭ হাজার, উচ্চ মাধ্যমিক পাশ হলে মিলবে ২০ হাজার, ডিপ্লমা থাকলে সাড়ে ২১ হাজার, ডিগ্রি থাকলে ২৬ হাজার মিলবে। আবেদনকারীদের বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে।” যোগাযোগ নম্বর দেওয়া রয়েছে। সেই সঙ্গে বিজ্ঞপ্তির মধ্যে রয়েছে অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স-এর (Kalyani AIIMS) লোগো। কয়েক দিন ধরে এই পোস্ট সামাজিক মাধ্যমে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

    ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি দিলে জালিয়াতি হয়!

    জাল বিজ্ঞপ্তিতে (Kalyani AIIMS) দেওয়া নম্বরে ফোন করে জানা গিয়েছে, বিজয় গঙ্গোপাধ্যায় নামক এক ব্যক্তি ধরেছেন। তিনি বলেছেন, “চাকরি হয়ে গেলে বাড়ি থেকে এইমসে যাওয়া-আসা করতে গেলে যদি অসুবিধা হয়, তাহলে আমাদের কাছে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। নার্সিংয়ে শূন্যপদ রয়েছে চাইলে আবেদন করতে পারেন। ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি দিলে জালিয়াতি হয়, তাই এই ভাবে দেওয়া হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ পানিহাটিতে তৃণমূলের ২ গোষ্ঠীর মধ্যে মারপিট! প্রতিবাদে থানা ঘেরাও, এলাকায় উত্তেজনা

    কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    এইমসের (Kalyani AIIMS) পক্ষ থেকে হাসপাতালের জনসংযোগ আধিকারিক চিকিৎসক সুকান্ত সরকার বলেছেন, “এই ধরনের কোনও বিজ্ঞপ্তি আমাদের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি। এখানে শূন্যপদে নিয়োগ হবে এমন কোনও খবর আমাদের কাছে এখনও পর্যন্ত নেই। চাকরিপ্রার্থীদের অনুরোধ করবো, তাঁরা যেন অবশ্যই কল্যাণী এইমসের নিজেস্ব ওয়েবসাইট থেকে তথ্য যাচাই করে নেন। প্রতারণার ফাঁদ থেকে সকলে সাবধান থাকবেন।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Protest: অশান্ত বাংলাদেশ! আটকে ভারতীয় পড়ুয়ারা, উদ্বেগে পরিবারের লোকজন

    Bangladesh Protest: অশান্ত বাংলাদেশ! আটকে ভারতীয় পড়ুয়ারা, উদ্বেগে পরিবারের লোকজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোটা বিরোধী আন্দোলনের জেরে অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ (Bangladesh Protest)। গত তিন-চারদিন ধরে শয়ে শয়ে ভারতীয় দেশে ফিরছেন। কিন্তু, এখনও বহু ভারতীয় বাংলাদেশে রয়েছেন। তাঁরা ফিরতে পারেননি। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদ, নদিয়ার অনেক পড়ুয়া আটকে রয়েছেন বাংলাদেশের বিভিন্ন শহরে। ফলে, চরম আতঙ্কে রয়েছেন তাঁদের পরিবারের সদস্যরা। কারণ, অনেককেই ফোনেও পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁরা কী অবস্থায় রয়েছেন, তা জানা যাচ্ছে না।

    চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন পরিবারের লোকজন (Bangladesh Protest)

    হরিহরপাড়ার বাসিন্দা নাসিম হাসান বিশ্বাস ঢাকার ডেলটা মেডিক্যাল কলেজের এমবিবিএস ফাইনাল ইয়ারের ছাত্র। একই কলেজের ডাক্তারি পড়ুয়া রানিনগরের ইমরুল কায়েস। অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে তাঁরা আটকে রয়েছেন ঢাকা (Bangladesh Protest) শহরে। ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ হওয়ার কারণে তাঁদের সঙ্গে পরিবারের লোকজন কোনও যোগাযোগ করতে পারছেন না। এর আগে শেষবার যখন যোগাযোগ হয়েছিল তাতে জানা গিয়েছিল, ঘরে ফেরার জন্য তাঁরা বাস পাচ্ছেন না। বাতিল হয়েছে উড়ান। ফলে তাঁদের মতো অনেকেই আটকে রয়েছেন সেখানে। হরিহরপাড়ার নাসিমের বাবা হাফিজুল ইসলাম বলেন, “ছেলে যে কলেজে পড়ে সেখানকার নিরপত্তারক্ষী খুন হয়েছেন। এই ঘটনার পর ছেলে আতঙ্কে রয়েছে। সে বাড়ি ফেরার জন্য বাস পায়নি। প্লেনও পায়নি। ইন্টারনেট সংযোগও নেই। ফলে, আমরাও ওর সঙ্গে ঠিক মতো যোগাযোগ করতে পারছি না। চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছি। প্রতিদিন খবরে যা দেখছি, তাতে আতঙ্ক আরও বাড়ছে। ছেলের সঙ্গে নদিয়া, মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) অনেক পড়়ুয়া রয়েছে। সকলেই দেশে না ফেরা পর্যন্ত আমাদের আতঙ্ক কাটবে না। প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্যোগ গ্রহণ করলে খুব ভালো হয়।”

    আরও পড়ুন: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে দেখলেই গুলি চালানোর নির্দেশ সেনাকে! শনিবারও নিহত ৭

    কী বললেন সাংসদ?

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সাংসদ আবু তাহের খান বলেন, “এই এলাকায় অনেকে বাংলাদেশে (Bangladesh Protest) রয়েছে। তাঁরা ফিরতে চাইছেন, সেখানকার পরিস্থিতির কারণে তাঁরা আটকে পড়েছেন। তাঁদের ফেরানোর জন্য আমরা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলব। প্রয়োজনে বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রীকেও জানাব। ছেলেমেয়েরা যাতে ঘরে ফিরতে পারে তার ব্যবস্থা করা হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Protest: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, নিরাপদে থাকতে ভারতে আসছেন বহু বাংলাদেশি

    Bangladesh Protest: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ, নিরাপদে থাকতে ভারতে আসছেন বহু বাংলাদেশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে (Bangladesh Protest)। জারি করা হয়েছে কার্ফু। বন্ধ ইন্টারনেট পরিষেবা। এই পরিস্থিতিতে ভারত থেকে বাংলাদেশে যারা পড়াশুনা করতে গিয়েছিলেন, তাঁরা দল বেঁধে দেশে ফিরছেন। একইসঙ্গে বহু বাংলাদেশি নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে নিজের দেশ ছেড়ে ভারতে চলে আসছেন। পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় তাঁরা আত্মীয়দের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নিচ্ছেন। এমনিতেই বাংলাদেশের এই পরিস্থিতিতে অনুপ্রবেশ ঘটতে পারে আশঙ্কা করেই সীমান্তে বিএসএফ কড়া নজরদারি শুরু করেছেন।

     গেদে সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরলেন পড়ুয়ারা (Bangladesh Protest)

    বাংলাদেশের (Bangladesh Protest) মেডিক্যাল কলেজ পড়ুয়া সাদিকুল। তিনি ভারতীয়। বাংলাদেশে পড়তে গিয়েছিলেন। অশান্ত পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার পর ক্যাম্পাসের বাইরে বের হওয়া বন্ধ হয়ে যায়। খবর জেনে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন পরিবারের লোকজন। কলেজের অন্য ভারতীয় ছাত্রেরা বাড়ি ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। সে দলে নাম লেখান সাদিকুলও। রাতের অন্ধকারে গাড়ি ভাড়া করে চলে আসেন গেদে (Gede)। নদিয়ার মায়াপুরের বাসিন্দা নীলাভ সাইদ বাংলাদেশের মেডিক্যাল কলেজের ছাত্র। তিনি বলেন, “অনেক স্বপ্ন নিয়ে বাংলাদেশে পড়তে গিয়েছিলাম। জানি না, আগামী দিনে সব ঠিকঠাক হবে কিনা। জীবন নিয়ে ফিরলেও কেরিয়ার অনিশ্চিত হয়ে গেল। বাড়ি ফিরতে পারলাম, এটা ভেবেও ভালো লাগছে।”

    আরও পড়ুন: ৬ মাস আত্মগোপনের ছক কষেছিলেন সোনারপুরের জামাল! অবশেষে গ্রেফতার

    আসছেন বহু বাংলাদেশি

    ভারতীয়দের পাশাপাশি বাংলাদেশিরাও আশ্রয় নিচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গে। বাংলাদেশের রাজশাহী ঘোষপাড়ার বাসিন্দা চার খুড়তুতো-জ্যেঠতুতো ভাই গেদে সীমান্ত দিয়ে ভারতে আসেন। গেদে (Gede) স্টেশন থেকে তাঁদের নানিকে ফোন করেন। নানির বাড়ি মুর্শিদাবাদের লালগোলায়। তাঁরা সেখানেই উঠবেন। খুব ভোরে বাড়ি থেকে বেরিয়েছেন চার ভাই। গেদে সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশের পর হাঁফ ছেড়েছেন। এঁদের এক জন ডিগ্রি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র প্রিন্স মহম্মদ। তিনি বলেন, “মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের ছাত্রেরাও বিক্ষোভে শামিল হচ্ছেন। তাঁরাও এমন অনৈতিক সংরক্ষণ চাইছে না। ঢাকার বাসিন্দা নাইমুর রহমান। পেশায় আইনজীবী। বাংলাদেশের গন্ডগোলের জন্য তিনিও ভারতে চলে এসেছেন। গেদে সীমান্তে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক। আমি ভ্রমণ করতে ভারতে এসেছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘রাজ্যে হিন্দুদের ভোট দিতে দিচ্ছে না তৃণমূল সরকার”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘রাজ্যে হিন্দুদের ভোট দিতে দিচ্ছে না তৃণমূল সরকার”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পুলিশ প্রশাসনকে সামনে রেখে তৃণমূল বিধানসভা উপনির্বাচনের আগেরদিন হিন্দুদের বেছে বেছে বাড়ি ভাঙচুর করেছে। ভোটের দিন দুপুরে হিন্দু ভোটারদের গ্রেফতার করা হয়েছে। শুধু বিজেপি নয়, হিন্দু ভোটারদের ভোট দিতে দেওয়া হচ্ছে না।” শুক্রবার নদিয়ার পায়রাডাঙ্গায় আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে দেখা করে একথা বললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, পুলিশকে সামনে রেখে তৃণমূলের জেহাদিরা এসব করে বেড়াচ্ছে। এসব বেশিদিন চলতে পারে না। আক্রান্তদের পাশে থাকার বার্তা দিতেই এসেছিলাম। আমাদের স্পষ্ট বার্তা, স্বৈরাচারী মমতার সরকারের অবসান করতে হবে। এরজন্য হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।

    শুভেন্দুকে বাধা তৃণমূলের (Suvendu Adhikari)

    বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে রানাঘাট এবং গাংনাপুর এলাকার বিভিন্ন বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর এবং তাঁদের মারধর করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। শুক্রবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের বাড়িতে যান। তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি যখন গাংনাপুরে গিয়ে পৌঁছান, ঠিক তখনই তৃণমূলের পতাকা নিয়ে বেশ কয়েকজন দলীয় কর্মী তাঁকে ঘিরে স্লোগান দিতে শুরু করেন। পাশাপাশি কালো পতাকা দেখানো হয়। এরপরই দেখা যায়, গাড়ি থেকে নেমে শুভেন্দু অধিকারী তাঁর প্রতিবাদ জানান। প্রকাশ্যে তৃণমূল কর্মীরা বিক্ষোভ দেখালেও পুলিশ নীরব দর্শক ছিল বলে অভিযোগ।

    আরও পড়ুন: ৬ মাস আত্মগোপনের ছক কষেছিলেন সোনারপুরের জামাল! অবশেষে গ্রেফতার

    তৃণমূল-পুলিশকে তুলোধনা করলেন শুভেন্দু

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “এটা তৃণমূলের কালচার। আমাকে ওরা আক্রমণ করেছিল। ভেবেছিল আমি ভয়ে গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যাব। কিন্তু, আমি একা তার প্রতিবাদ করেছি। ওদের বিক্ষোভ রুখে দিয়েছি। পুলিশের সামনেই সব কিছু হয়েছে। ওরা কিছু করেনি। আসলে গাংনাপুর থানার ওসি সম্পূর্ণ বিষয়টি সামনে থেকে করিয়েছেন। আমি সকলকে চিহ্নিত করব এবং গাংনাপুর থানার ওসির বিরুদ্ধে আদালতে জানাব। আমি কোনওভাবেই এই ধরনের নোংরামো সহ্য করব না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: তোলা না দেওয়ায় মাছ ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলি! অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্র নেতা, হাড়হিম করা ভিডিও ভাইরাল

    Nadia: তোলা না দেওয়ায় মাছ ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলি! অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্র নেতা, হাড়হিম করা ভিডিও ভাইরাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাছের ব্যবসায়ী তোলা না দেওয়ায় প্রকাশ্যে গুলি চালানোর ঘটনায় তীব্র শোরগোল পড়েছে নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগরে। এই হাড়হিম করা ভিডিও সামজিক মাধ্যমে ইতিমধ্যে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মাছ বিক্রেতাকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করা হচ্ছে। একই সঙ্গে আবার পিস্তল উঁচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে আরও এক ব্যক্তি। ওঁই ব্যবসায়ীর পায়ে একটি গুলি লেগেছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত শহরের তৃণমূল ছাত্রপরিষদের সভাপতি। বিজেপির অভিযোগ এই রাজ্যে তৃণমূল মস্তানতন্ত্র চলছে। এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। 

    চার রাউন্ড গুলি করে দুষ্কৃতীরা (Nadia)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার ভোররাতে এক মাছ ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে চার রাউন্ড গুলি চালানো হয়। গুলিবিদ্ধ মাছ ব্যবসায়ী ভর্তি হাসপাতালে। ঘটনাটি ঘটেছে কৃষ্ণনগর (Nadia) কোতোয়ালি থানার গোয়ারী বাজারে। নগেন্দ্রনগর এলাকার বাসিন্দা সমির ঘোষ এবং বিশ্বনাথ ঘোষ নামে দুই ভাই মাছ ব্যবসা করেন। প্রতিদিন তাঁরা কৃষ্ণনগর গোয়ারা বাজার থেকে মাছ কিনে পাত্র বাজারে বিক্রি করেন। প্রতিদিনের মতো আজ ভোররাতেও তাঁরা গোয়ারি বাজারে মাছ কিনতে যান। অভিযোগ উঠে, হঠাৎ ওই এলাকার কিছু নামজাদা তৃণমূল দুষ্কৃতী তাঁদেরকে আচমকা ঘিরে ধরে এবং টাকা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকার করায় হঠাৎ একটি পিস্তল বের করে ওই দুই মাছ ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে থাকে। প্রথমে একটি গুলি বিশ্বনাথ ঘোষের পায়ে লাগে। বিশ্বনাথকে বাঁচাতে গেলে সমীর ঘোষকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। কিন্তু গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। অন্যদিকে বিশ্বনাথ ঘোষের পায়ে গুলি লাগার কারণে মাটিতে পড়ে যান। এরপরেই বন্দুক দিয়ে মাথায় আঘাত করে দুষ্কৃতীরা। এরপর চিৎকার চেঁচামেচি এবং গুলির আওয়াজে, ওই বাজারের অন্যান্য মাছ ব্যবসায়ীরা ঘটনাস্থলে ছুটে এলে ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। এরপরেই রক্তাক্ত অবস্থায় বিশ্বনাথ ঘোষকে উদ্ধার করে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অন্যদিকে ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার পুলিশ। পাশাপাশি হাসপাতালে গিয়ে ওই দুই মাছ ব্যবসায়ীর সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলে পুলিশ এবং ঘটনার বিবরণ শোনেন। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও অভিযুক্ত আটক কিংবা গ্রেফতার হয়নি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    অভিযুক্ত ২৩ নম্বর ওয়ড়াক্ট প্রাক্তন তৃণমূল সভাপতি

    এ বিষয়ে বিশ্বনাথ ঘোষ বলেন, “আমাদের অভিযুক্তদের সঙ্গে পুরনো কোনও শত্রুতা নেই। তবে যারা গুলি চালিয়েছে তারা ওই এলাকার সমাজবিরোধী হিসেব কাজ করে বেড়ায়। ওরা টাকা চেয়েছিল আমি দিতে অস্বীকার করাতেই এই আক্রমণ করেছে। আমার এবং ভাইয়ের কাছ থেকে ওরা প্রায় ৪০ হাজার নগদ টাকা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়েছে। আমরা চাই অবিলম্বে প্রশাসন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে আইনত ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।” আবার বিশ্বনাথের ভাই সমির ঘোষ বলেছেন, “সৈকত হালদার ওরফে ডাকু এই ভাবে গুলি করেছে। এলাকার মার্কামারা দুষ্কৃতী। মাত্র দুইদিন আগেই জেল থেকে ফিরছে। মদ খাওয়ার জন্য টাকা চাইছিল ওরা, কিন্তু না দেওয়ায় গুলি করে। এলাকায় তৃণমূল নেতা ডাকু, এক সময় শহরের (Nadia) তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি (TMC) ছিলেন।”

    বিজেপির বক্তব্য

    এই গুলিকাণ্ডের ঘটনায় বিজেপির তরফ থেকে তৃণমূল (TMC) সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ হয়েছে। বিজেপি নেতা রাহুল সিন্‌হা বলেছেন, “এই রাজ্যে তৃণমূলের আমলে মস্তানতন্ত্র (Nadia) চলছে। সারা রাজ্যে একই বিষয় চলছে।”

    আরও পড়ুনঃ বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যকে কোমরে পিস্তল ঠেকিয়ে তৃণমূল পার্টি অফিসে মারধর!

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূলের (TMC ) পক্ষ থেকে রাজ্যের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেছেন, “মানুষ আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। আমরা বিষয়টি দেখছি। এলাকায় (Nadia) ঘটনা একদম সহ্য করা যাবে না। প্রশাসনকে বলব উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: স্কুলে ছুটি হলেই বসত মদের আসর! তৃণমূল নেতার ছেলে ও সিভিকের পর্দাফাঁস করলেন শিক্ষক

    Nadia: স্কুলে ছুটি হলেই বসত মদের আসর! তৃণমূল নেতার ছেলে ও সিভিকের পর্দাফাঁস করলেন শিক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতার ছেলে ও সিভিক ভলান্টিয়ার মিলে স্কুল ছুটি হলেই চালাতেন মদের আসর। এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়ায় গোটা এলাকায়। ইতিমধ্যেই একজনকে আটক করেছে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) বগুলা বাজার জিএসএফটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Nadia)

    জানা গিয়েছে, বগুলার (Nadia) এই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা ৩৮। আর শিক্ষক রয়েছেন চারজন। স্কুলের চাবি থাকে পাশের একটি দোকানদারের কাছে। ঘটনার দিন স্কুল ছুটির পর সমস্ত শিক্ষক বাড়ি চলে যান। স্কুলের কিছু কাজের জন্য পুনরায় ফিরে আসতে হয় শিক্ষক বিমান মিদ্দাকে। বিমানবাবু স্কুলে ঢুকতেই থ হয়ে যান। তিনি  বলেন, “ওইদিন স্কুলের ছুটি হয়ে গেলে আমি কিছু কাগজপত্র জেরক্স করার জন্য বেরিয়েছিলাম। স্কুলের প্রধান শিক্ষক অফিস ঘরে তালা মেরে চাবি পাশের একটি দোকানে রেখে যান। পরবর্তীকালে আমি জেরক্স করে স্কুলে ঢুকতেই দেখি, একজন সিঁড়ি দিয়ে অফিস থেকে বেরিয়ে আসছেন। অফিস ঘরে ঢুকেই দেখি, সেখানে মদের আসর বসেছে। টেবিলের ওপর কিছু খাবারও রাখা ছিল। আমাকে দেখেই ওরা মদের আসর ছেড়ে সকলেই অফিস থেকে পালিয়ে যান। সেখানে একজন স্থানীয় তৃণমূল নেতার ছেলে এবং একজন সিভিক ভলান্টিয়ার ছিলেন। আমি পুরো বিষয়টি পরবর্তীকালে ভিডিও করি। প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট দফতরে জানিয়েছি।”

    আরও পড়ুন: রাজ্যপালকে অপমানজনক মন্তব্য নয়, মুখ্যমন্ত্রী সহ চারজনকে বিরত করল হাইকোর্ট

    প্রধান শিক্ষক কী সাফাই দিলেন?

    এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক সঞ্জীব কুমার ঠাকুর বলেন, “আমি কিছুদিন আগে এখানে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগ দিয়েছেন। চাবি আগে থেকেই ওই দোকানে রাখা হত।” নদিয়ার (Nadia) হাঁসখালি চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক তন্দ্রা ঘোষ বলেন, “বিষয়টি আমিও জানি। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি।” স্কুল থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে বলেও জানিয়েছে।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    হাঁসখালি পঞ্চায়েত সমিতির বিজেপির সদস্য বিজেপির আনন্দ কবিরাজ বলেন, “আমাদের কাছে নির্দিষ্ট খবর আছে তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতার ছেলে এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে সঙ্গে নিয়ে নিয়মিত ওই স্কুলে মদের আসর বসাত। এর থেকে লজ্জার আর কী থাকতে পারে।” তৃণমূলের (Trinamool Congress) হাঁসখালি-২ সাংগঠনিক ব্লক সভাপতি শিশির রায় বলেন, “এমন কোনও ঘটনার কথা জানা নেই। খোঁজ না নিয়ে কোনও মন্তব্য করব না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: সরকারি দফতরে তৃণমূলের মদতে নির্বিচারে কাটা পড়ল গাছের ডাল, প্রতিবাদে বিজেপি

    Nadia: সরকারি দফতরে তৃণমূলের মদতে নির্বিচারে কাটা পড়ল গাছের ডাল, প্রতিবাদে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণগঞ্জের বিডিও অফিসের ক্যাম্পাসের মধ্যে রয়েছে ফুটবল খেলার মাঠ। এই খেলার মাঠের চারিদিকে রয়েছে বড় বড় আমগাছ। সেই আম গাছের ডাল নির্বিচারে কাটা হয়েছে । এখন প্রশাসনের পক্ষ থেকে অরণ্য সপ্তাহ চলছে। অরণ্য সপ্তাহ পালনের মধ্যে এইভাবে ব্লক প্রশাসনের ভিতর যেভাবে গাছের ডালগুলি কাটা হয়েছে তা নিয়ে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে এলাকায়। তৃণমূলের (Trinamool Congress) মদতেই এসব হয়েছে। এমনই অভিযোগ বিজেপির।

    কাটমানি নিয়ে গাছ চুরির অনুমতি! (Nadia)

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, মাঠ পরিষ্কারের নামে যেভাবে কৃষ্ণগঞ্জের (Nadia) বিডিও অফিস চত্বরে গাছগুলির ডাল কাটা হয়েছে, এটা কখনও কাম্য নয়। এই বিষয়ে বিজেপি নেতা তথা বিশিষ্ট আইনজীবী অমিত প্রামাণিক বলেন, কীভাবে অফিস ক্যাম্পাসের মধ্যে গাছগুলিকে কাটা হয়েছে, বন দফতর কীভাবে গাছগুলি ন্যাড়া করার অনুমতি দেয়। না আদৌ এই ন্যাড়া করার পিছনে অন্য কারণ লুকিয়ে আছে? তিনি আরও বলেন, তৃণমূল সরকারের আমলে কয়লা চুরি, বালি চুরি, চাকরি চুরির পর এবার গাছ চুরির ঘটনা ঘটেছে। তৃণমূল নেতারা কাটমানি নিয়ে গাছ চুরির অনুমতি দিয়েছে। আমাদের দাবি, ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

    আরও পড়ুন: ইউরোপের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস জয়, ভারতীয় হিসেবে নজির গড়লেন হুগলির শুভম

    প্রতিবাদে সরব পরিবেশপ্রেমী

    পরিবেশপ্রেমী (Nadia) স্বপন কুমার ভৌমিক বলেন, কোনও অবস্থাতেই এইরকমভাবে ফলন্ত গাছের ডাল কাটা যায় না। গাছের ডাল যেভাবে কাটা হয়েছে, কয়েকদিনের মধ্যেই অধিকাংশ গাছ মারা যাবে। প্রতিবছর টেন্ডারের মাধ্যমে বিডিও অফিস থেকে এই আম গাছগুলির ফল বিক্রি করা হয় অর্থাৎ লিজ দেওয়া হয়। যে বা যারা এই গাছের ডাল নির্মমভাবে কাটার সঙ্গে যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন তদন্ত করে করে ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূল (Trinamool Congress) নেত্রী তথা কৃষ্ণগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কাকলি দাস বলেন, মাঠের সৌন্দর্যায়নের জন্য গাছের ডাল কাটা হয়েছে। বিজেপির লোকেরা উন্নয়ন দেখতে পান না বলেই তাঁরা এই সমস্ত অভিযোগ করছেন। যে ডালগুলি কাটা হয়েছে, সেগুলি আইন মাফিক করা হয়েছে। গাছের কাটা ডাল টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kalyani: প্রকাশ্যে ‘দাদাগিরি’! ব্যবসায়ীর দোকানে তালা ঝোলালেন তৃণমূল নেতা

    Kalyani: প্রকাশ্যে ‘দাদাগিরি’! ব্যবসায়ীর দোকানে তালা ঝোলালেন তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোপড়া, আড়িয়াদহের পর এবার কল্যাণী (Kalyani) । তৃণমূল নেতার ‘দাদাগিরি’র সাক্ষী থাকলেন শহরবাসী। নিজের দাপট দেখাতে দোকানে তালা দিলেন তৃণমূল নেতা। ঘটনাটি ঘটেছে কল্যাণী পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে। এই ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতির  দুলালকৃষ্ণ মজুমদারের বিরুদ্ধে দাদাগিরি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে।

    ঠিক কী অভিযোগ?(Kalyani)

    কল্যাণী (Kalyani) পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে একটি ফার্নিচারের দোকান রয়েছে। সেই দোকানের পাশে একটি বাথরুম তৈরি করছিলেন দোকানের মালিক। আচমকা অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা দুলালকৃষ্ণ মজুমদার এসে কাজ বন্ধ করে দেন। তারপর দোকানের শাটারের ওপরে তালা লাগিয়ে দেন। বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও কোনও কথা শোনেননি। দোকানের মালিকের ছেলে বলেন, তৃণমূলের নেতা বলেই যা খুশি করে যাবে। আমাদের কোনও কথা শোনা হবে না। এভাবে আমাদের দোকান কেন ওই তৃণমূল নেতা বন্ধ করলেন তা বোঝা যাচ্ছে না। পুলিশ ও কাউন্সিলরকে জানানো হয়েছে সমস্ত বিষয়টি। কিন্তু, কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। আসলে শাসকদলের নেতা বলে পুলিশ তাঁর গায়ে হাত দেওয়ার সাহস দেখাচ্ছে না। চরম আতঙ্কে রয়েছি। এভাবে চলতে থাকলে আমরা এই এলাকায় ব্যবসা পর্যন্ত করতে পারব না।

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রের বিধান পরিষদের ভোটে জয়জয়কার বিজেপি জোটের, ১১টির মধ্যে ঝুলিতে ৯ আসন

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    অভিযুক্ত তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা দুলালকৃষ্ণ মজুমদার কার্যত ওই দোকানে (Kalyani) তালা লাগানোর কথা স্বীকারও করে নেন। তিনি বলেন, “ওই জায়গায় অবৈধ নির্মাণ করছিলেন ফার্নিচারের দোকানদার। আমি সরকারি কোনও পদে নেই তো কী হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের ওই ওয়ার্ডের সভাপতি আমি। তাই আমার এসব দেখার দায়িত্ব আছে। সেই কারণেই দোকান বন্ধ করে তালা লাগিয়ে দিয়েছি”। তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর বলেন, “আমি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি ওই ব্যবসায়ীকে প্রশাসনের কাছে জানাতে বলেছি। দলকেও আমি জানিয়েছি”।

    তৃণমূল নেতার দাদাগিরি নিয়ে সরব বিজেপি নেতৃত্ব

    বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর বিজেপি বিধায়ক অম্বিকা রায় বলেন, “এটাই তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamool Congress) সংস্কৃতি। রাজ্যজুড়ে তো এখন এটাই হচ্ছে। ব্যবসায়ীকে  হয়তো তোলা চেয়েছিলেন, সেটা না দেওয়ার তৃণমূল নেতা দোকানে তালা দিলেন। দোষীর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: “শুকুনের দৃষ্টি মমতার আমাদের ওপর পড়েছে”, বুক চাপড়ে আর্তনাদ এক হকারের

    Nadia: “শুকুনের দৃষ্টি মমতার আমাদের ওপর পড়েছে”, বুক চাপড়ে আর্তনাদ এক হকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও হকার উচ্ছেদ শুরু হল নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগরে। বুলডোজার চালিয়ে ভেঙে দেওয়া হল থানার কাছে রাস্তার পাশে ফুটপাতে তৈরি হওয়া একাধিক দোকান। কান্নায় ভেঙে পড়লেন হকাররা। উচ্ছেদ হওয়া হকাররা (Hawker) প্রকাশ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন।

    বুলডোজার চলতেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন হকাররা (Nadia)

    রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রাজ্য জুড়েই শুরু হয়েছে ফুটপাত দখলমুক্ত করার কাজ। যারা মূলত বেআইনিভাবে রাস্তার ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করছিলেন, তাঁদেরকে উঠে যাওয়ার জন্য প্রথমে মাইকে প্রচার চালানো হয়। যদিও কৃষ্ণনগরে প্রথমে হকার উচ্ছেদ শুরু করলেও বিরোধীদের প্রতিবাদের জেরে তা কিছুটা থমকে ছিল। বিশেষ করে জেলা বিজেপি নেতারা হকারদের নিয়ে আন্দোলন করেছিলেন। উচ্ছেদ বন্ধ করার জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছিলেন। বেশ কিছুদিন উচ্ছেদ নিয়ে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। এরইমধ্যেই শনিবার সকালে কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার সামনে রাস্তার পাশে যে সমস্ত দোকানদাররা ফুটপাতে ব্যবসা করছিলেন, তাঁদের দোকান বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দিতে দেখা যায়। দোকান ভাঙা নিয়ে সুচিত্রা মিত্র নামে এক হকার বলেন, “শুকুনের দৃষ্টি মমতার আমাদের ওপর পড়েছে। এখন আমরা কোথায় যাব।” সংসার চালাবো কী করে, তা বুঝে উঠতে পারছি না বলে বুক চাপড়ে কাঁদতে শুরু করলেন। অন্য এক হকার (Hawker) বিপ্লব সাহা বলেন, “৪০ বছর ধরে ব্যবসা করছি। আমাদের কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি। শুধু মাইকিং করা হয়েছিল। এরপরই এদিন দোকান বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল। আমাদের পুনর্বাসন দিতে হবে।”  

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রের বিধান পরিষদের ভোটে জয়জয়কার বিজেপি জোটের, ১১টির মধ্যে ঝুলিতে ৯ আসন

    পুরসভার চেয়ারম্যান কী বললেন?

    এই বিষয়ে কৃষ্ণনগর (Nadia) পুরসভার চেয়ারম্যান রিতা দাস বলেন, “এতে আমাদের কিছু করার নেই। ওপর থেকে আমাদের যেভাবে নির্দেশ দিচ্ছে, আমরা তা শুধু পালন করছি। তবে, বিরোধীদের যে সমস্ত লিখিত অভিযোগ রয়েছে তা আমরা ওপরতলায় জানিয়ে দেব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share