Tag: Nagpur

Nagpur

  • School Jihad: মুম্বইয়ে এবার ‘স্কুল জেহাদ’, পরিচালনায় মুসলিম ‘ল্যান্ড মাফিয়া’

    School Jihad: মুম্বইয়ে এবার ‘স্কুল জেহাদ’, পরিচালনায় মুসলিম ‘ল্যান্ড মাফিয়া’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বইয়ে কথিত ‘স্কুল জেহাদ’ (School Jihad) নিয়ে যে বিতর্ক চলছে, সেটি রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোচনায় এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বৃহন্মুবই মিউসিপাল কর্পোরেশন (BMC)-এর প্রস্তুত করা একটি তালিকার (Muslim Land Mafia) উল্লেখ করে কিরীট সোমাইয়ার দাবি, বর্তমানে শহরে ১৬৪টি অবৈধ স্কুল চালু রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১৫০টি স্কুল এক মুসলিম ‘ল্যান্ড মাফিয়া’ দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে বলে অনুমান। এই স্কুলগুলি সরকারি স্বীকৃতি বা অনুমতি ছাড়াই চলছে। আরও অভিযোগ, এগুলির উদ্দেশ্য দ্বিমুখী—একদিকে জমি দখল, অন্যদিকে একটি নির্দিষ্ট মতাদর্শের প্রচার।

    সোমাইয়ার বক্তব্য (School Jihad)

    পরিসংখ্যান দেখিয়ে সোমাইয়া বলেন, “মুম্বইয়ে আগে ‘ল্যান্ড জেহাদ’, ‘কর্পোরেট জেহাদ’, ‘লাভ জেহাদ’ এবং ‘কোচিং জেহাদ’ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এই তালিকায় নবতম সংযোজন ‘স্কুল জেহাদ’। সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে এই কার্যকলাপ চলছে এবং গোবিন্দি, মালাড ও কুর্লা এলাকার বহু স্কুল এতে জড়িত। সাধারণত প্রথমে একটি জমি দখল করা হয়। তারপর রাতারাতি সেখানে স্কুল বা অন্য কোনও প্রতিষ্ঠান তৈরি করে অবৈধ দখলকে স্থায়ী করা হয়। সোমাইয়ার মতে, পুরো প্রক্রিয়াটি একটি সুপরিকল্পিত কৌশলের অংশ। তাঁর অভিযোগ, ল্যান্ড মাফিয়া প্রথমে বেআইনিভাবে জমি দখল করে এবং পরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আড়ালে ধীরে ধীরে নির্মাণকাজ শুরু করে। এতে একদিকে যেমন অবৈধ দখলকে বৈধতার ছাপ দেওয়া হয়, অন্যদিকে তেমনি কঠিন হয়ে পড়ে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া। তাঁর আরও অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রে এই স্কুলগুলির ভেতরে বা আশপাশে মসজিদও নির্মাণ করা হয়েছে (School Jihad)।

    এই ঘটনা অবৈধ অভিবাসনের সঙ্গেও যুক্ত!

    এই জাতীয় ঘটনার প্রেক্ষিতে সোমাইয়া কর্পোরেশনের কার্যকারিতা নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন তোলেন। তাঁর মতে, গত দুই দশকে এই ধরনের বেআইনি কার্যকলাপ বেড়ে যাওয়ার মূল কারণ হল দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অবহেলা। সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া হলে এত অবৈধ স্কুল গড়ে উঠত না (Muslim Land Mafia)। সোমাইয়া এই ঘটনাকে অবৈধ অভিবাসনের সঙ্গেও যুক্ত করেছেন। তাঁর অভিযোগ, এই স্কুলগুলির মাধ্যমে মুম্বইয়ে অবৈধ বাংলাদেশিদের বসবাসের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তিনি জানান, এ বিষয়ে তিনি রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতর ও কর্পোরেশনের কর্তাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন। তাঁর দাবি, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে এবং খুব শিগগিরই তা কার্যকর হবে।

    ‘জেহাদ’ শব্দের ব্যাখ্যা

    এই বিতর্কের আবহে ‘জেহাদ’ শব্দটির ব্যাখ্যা নিয়েও জোরদার আলোচনা শুরু হয়েছে। ইসলামি পণ্ডিতদের মতে, ‘জেহাদ’ মূলত সংগ্রাম বা আত্মসংযমের প্রতীক—নিজেকে উন্নত করা এবং নিজের দোষত্রুটির বিরুদ্ধে লড়াই করা। এটি সাধারণত দুই ভাগে বিভক্ত: ‘জেহাদ-আল-আকবর’ (অভ্যন্তরীণ সংগ্রাম) এবং ‘জেহাদ-আল-আসগর’ (বাহ্যিক সংগ্রাম)। অধিকাংশ পণ্ডিত অভ্যন্তরীণ সংগ্রামকেই বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন এবং শব্দটির সঙ্গে হিংসার সম্পর্ককে ভুল ব্যাখ্যা বলে মনে করেন। তবে কিছু লেখক এবং গবেষক ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে ভিন্ন ব্যাখ্যাও তুলে ধরেন (School Jihad)। কিছু লেখকের মতে, ইতিহাসে জেহাদ শুধু আধ্যাত্মিক ধারণা হিসেবে নয়, রাজনৈতিক ও সামরিক সম্প্রসারণের মাধ্যম হিসেবেও ব্যবহৃত হয়েছে। তাঁদের দাবি, ইসলামের বিস্তারের জন্য বিভিন্ন উপায় (হিংসা-সহ) ব্যবহৃত হয়েছে (Muslim Land Mafia)।

    জেহাদের ইতিহাস

    অ্যানড্রিউ জি বস্টম তাঁর বই ‘দ্য লিগেসি অফ জেহাদে’ লিখেছেন, জেহাদের ইতিহাস কেবল আধ্যাত্মিক সংগ্রামে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি রাজনৈতিক ও সামরিক সম্প্রসারণের একটি সংগঠিত প্রক্রিয়ার অংশ ছিল। রবার্ট স্পেনসার তাঁর বই ‘দ্য পলিটিক্যালি ইনকারেক্ট গাইড টু ইসলামে’ বলেন, ইসলামের প্রাথমিক বিস্তার অনেকাংশে সামরিক অভিযানের মাধ্যমে ঘটেছিল। এমএ খান তাঁর লেখায় উল্লেখ করেন, ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে জেহাদ রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার ও সামাজিক নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে। ব্যাট ইয়র তাঁর বই ‘দ্য ধিম্মি’তে লিখেছেন, অ-মুসলিমদের ওপর সামাজিক ও অর্থনৈতিক চাপের ফলে অনেকেই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন (School Jihad)। ভারতীয় ইতিহাসের ক্ষেত্রেও কিছু গবেষণার উল্লেখ করা হয়। সীতারাম গোয়েল তাঁর গ্রন্থে মধ্যযুগে মন্দির ধ্বংসের পেছনে ধর্মীয় উদ্দেশ্যের কথা উল্লেখ করেছেন। কেএস লালের মতে, মধ্যযুগীয় যুদ্ধে বন্দিদের দাসে পরিণত করে ধর্মান্তরিত করা হত। মাইকেল বোনের জেহাদকে একটি সামাজিক-রাজনৈতিক প্রক্রিয়া হিসেবে বর্ণনা করেছেন। মাজিদ খাদুরি ইসলামি আইনে জেহাদকে রাষ্ট্র বিস্তারের একটি উপায় হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন (Muslim Land Mafia)। সব মিলিয়ে, মুম্বইয়ে ‘স্কুল জেহাদ’ নিয়ে ওঠা অভিযোগ নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। অভিযোগ, এই স্কুলগুলি অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের বসতি স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। প্রশাসন কী করে, এখন সেটাই (School Jihad) দেখার।

     

  • LPG: এলপিজি সিলিন্ডার নিয়ে শুরু কালোবাজারি! আসছে ভুতুড়ে ডেলিভারির এসএমএসও

    LPG: এলপিজি সিলিন্ডার নিয়ে শুরু কালোবাজারি! আসছে ভুতুড়ে ডেলিভারির এসএমএসও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এলপিজি (LPG) সিলিন্ডার নিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে কালোবাজারি! ভুতুড়ে ডেলিভারির (Ghost Deliveries) এসএমএসও হচ্ছে। প্রত্যাশিতভাবেই উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছেন বিভিন্ন রাজ্যের এলপিজি গ্রাহকরা।

    ভুতুড়ে কাণ্ড (LPG)

    দক্ষিণ দিল্লির একটি কলোনিতে একই বাড়ি, একই গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর—কিন্তু দুই তলায় দু’রকম অভিজ্ঞতার সাক্ষী স্থানীয়রা। এক ব্যক্তি মঙ্গলবার রাতে গ্যাস বুক করে, পরের দিন দুপুরের মধ্যেই সিলিন্ডার ডেলিভারিও হয়। অথচ, নীচেরতলায় থাকা বছর বাহাত্তরের এক বৃদ্ধা তখন উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছিলেন। কারণ তাঁর বুকিং ব্লক হয়ে গিয়েছিল। তাঁর নামে একটি ভুয়ো ডেলিভারিও দেখানো হয়েছিল। জানা গিয়েছে, ওই বৃদ্ধা ১২ মার্চ রিফিল বুক করেছিলেন, ডেলিভারি হয় ১৪ মার্চ। কিন্তু ২৩ মার্চ একটি এসএমএস পান তিনি। তাতে লেখা, তাঁর সিলিন্ডার ডেলিভারি হয়ে গিয়েছে। যদিও তিনি নতুন করে বুকিং করেননি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, শেষ ডেলিভারির ২৫ দিনের আগে নতুন বুকিং করা যায় না। ১৪ মার্চের পর ২৫ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরেও তিনি সিলিন্ডার বুক করতে পারছেন না, কারণ সিস্টেম তাঁকে ব্লক করছে। তাই মাত্র একটি সিলিন্ডার দিয়ে কোনওক্রমে দিন কাটাতে হচ্ছে তাঁকে।

    সিলিন্ডার নিয়েও কালোবাজারি

    এই সমস্যা শুধু দিল্লির নয়, দেশজুড়ে হাজার হাজার মানুষ একই সমস্যায় ভুগছেন। জানা গিয়েছে, একটি বড় অবৈধ এলপিজি বাজার দীর্ঘদিন ধরে চলছে ভারতে। কম দামে পাওয়া গৃহস্থালির সিলিন্ডার অবৈধভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে রেস্তোরাঁ, রাস্তার দোকান এবং ছোটখাটো ব্যবসায়। ৫ কেজির সিলিন্ডার নিয়েও কালোবাজারি হচ্ছে। প্রসঙ্গত, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এবং সরবরাহ ঘাটতি এই অবৈধ ব্যবস্থার মুখোশ খুলে দিয়েছে। যার জেরে বাজেয়াপ্ত হয়েছে হাজার হাজার অবৈধ সিলিন্ডার। জানা গিয়েছে, গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর এবং ডেলিভারি এজেন্টরাই সবচেয়ে দুর্বল লিংক। সরকার ডিএসি DAC (Delivery Authentication Code) চালু করলেও, সেটি ওটিপি স্পুফিংয়ের মাধ্যমে পাশ কাটানো হচ্ছে বলে অভিযোগ (LPG)। প্রাক্তন এক কর্মী জানান, অনেক পরিবার তাদের পুরো কোটার এলপিজি ব্যবহার করে না। এই অব্যবহৃত সিলিন্ডারই কালোবাজারে বিক্রি হয় চড়া দরে (Ghost Deliveries)।

    কালোবাজারে সিলিন্ডারের দাম

    বর্তমানে একটি ১৪ কেজি সিলিন্ডার, যার সরকারি দাম ৯১৪ টাকার কাছাকাছি, কালোবাজারে সেটাই বিক্রি হচ্ছে ৪,০০০ থেকে ৫,০০০ পর্যন্ত টাকায়। ডেলিভারি এজেন্টদের লাভ আগে যেখানে ছিল ২০০ টাকা, সেটাই এখন হচ্ছে সিলিন্ডার প্রতি ৪,০০০ টাকা। ডিস্ট্রিবিউটররা বলছেন, এটি সিস্টেম গ্লিচ। কিন্তু বিভিন্ন রাজ্য থেকে একই ধরনের অভিযোগ প্রমাণ করে, এটি একটি বড় স্ক্যাম। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, বুকিং না করেই ডেলিভারি দেখানো হচ্ছে, সিলিন্ডার না পেয়েও “ডেলিভার্ড” এসএমএস আসছে। অভিযোগ করলে দেরিতে ডেলিভারি দেওয়া হচ্ছে।ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ডিস্ট্রিবিউটরদের এক সঙ্গে অনেক সিলিন্ডার (যেমন ৩৬০টি) ডেলিভারি দেখাতে হয়। অনেক সময় তাঁরা সিস্টেমে “ডেলিভার্ড” দেখিয়ে সিলিন্ডার পাঠিয়ে দেয় কালোবাজারে। এর ফলেই সৃষ্টি হয়েছে হরেককিসিমের কালোবাজারি। গ্রাহক সিলিন্ডার পান না, যদিও সিস্টেমে ডেলিভারি দেখায়, নয়া বুকিং ব্লক হয়ে যায় (LPG)।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সমস্যার সমাধান করতে হলে বাড়াতে হবে সরকারি নজরদারি, ডিস্ট্রিবিউটরদের বিরুদ্ধে নিতে হবে কঠোর ব্যবস্থা, গ্রাহকদের অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা সহজ করা, ছোট ব্যবসা ও শ্রমিকদের বৈধ এলপিজি ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করা। তাঁদের মতে, এতেই রোখা যাবে কালোবাজারি (Ghost Deliveries)।

     

  • Ranveer Singh: নাগপুরে আরএসএস দফতরে রণবীর সিং, কেন জানেন?

    Ranveer Singh: নাগপুরে আরএসএস দফতরে রণবীর সিং, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএস কর্তা মোহন ভাগবতের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জের তারকা অভিনেতা রণবীর সিং (Ranveer Singh)। তাঁর সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ছবিটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। শুক্রবার তিনি গিয়েছিলেন নাগপুরে, বিজেপির সদর কার্যালয়ে (Mohan Bhagwat)।  সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা গিয়েছে, ভগবতের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় অভিনেতা সাদা কুর্তা-পায়জামা পরেছিলেন। জানা গিয়েছে, এদিন বিকেল ৪টা নাগাদ বাবাসাহেব আম্বেদকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছন ধুরন্ধরের তারকা। সেখান থেকে তিনি সোজা চলে যান নাগপুরে, আরএসএসের সদর দফতরে। সেখানে তিনি ছিলেন ঘণ্টা দেড়েক।

    ভগবতের সঙ্গে সাক্ষাৎ (Ranveer Singh)

    জানা গিয়েছে, রণবীর আরএসএস প্রধান মোহন ভগবতের সঙ্গে দেখা করেন। আলোচনা করেন তাঁর ছবিটি নিয়ে। তাঁকে সংগঠনের কাজকর্ম ও সেবামূলক উদ্যোগ সম্পর্কে জানানো হয়। রণবীর রেশিমবাগে অবস্থিত ড. হেডগেওয়ার স্মৃতি মন্দিরেও যান। সেখানে তিনি আরএসএস প্রতিষ্ঠাতা কেবি হেডগেওয়ার এবং সরসংঘচালক এমএস গোলওয়াকারের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। সঙ্ঘের তরফে তাঁকে ওই দুই নেতার জীবন সম্পর্কে অবহিত করা হয়। রণবীর সেখানে উপস্থিত কয়েকজন আরএসএস সদস্যের সঙ্গেও কথা বলেন। রণবীরের এই সফর এমন একটা সময়ে হয়েছে, যখন তাঁর সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি বক্স অফিসে দারুণ সাফল্য পাচ্ছে। আদিত্য ধর পরিচালিত এই ছবিটি মুক্তি পেয়েছে ১৯ মার্চ। রোজগার করেছে ১০০০ কোটি টাকারও বেশি (Ranveer Singh)।

    প্রোপাগান্ডা বলে সমালোচনার কড়া জবাব

    তবে, অনেকেই এই ছবিটিকে প্রোপাগান্ডা বলে সমালোচনা করেছেন (Mohan Bhagwat)। সম্প্রতি, চলচ্চিত্র নির্মাতা সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গা এই সমালোচনার কড়া জবাব দিয়েছেন। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে সমালোচকদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন এবং ছবির পরিচালক আদিত্য ধর ও অভিনেতা রণবীর সিংকে সমর্থন করেন। ছবিটি দেখে তিনি প্রশংসাও করেন।

    তিনি লিখেছেন, “অনেক লেখক ও অভিনেতা প্রোপাগান্ডার ওপর কেরিয়ার গড়েছেন, আর ইন্ডাস্ট্রি চুপ করে থেকেছে। এখন একই দল ধুরন্ধরকে নিয়ে মজা করছে। আপনি নিজেকে লিবারাল বলতে পারেন না যদি আপনার প্রথম প্রতিক্রিয়া হয় উপহাস করা। কবে থেকে সত্যকে প্রোপাগান্ডা বলা শুরু হয়েছে, জানি না… অদ্ভুত সময়। মূল কথায় আসি… আমি @আদিত্যধর ফিল্মস এবং @রণবীরঅফিসিয়ালকে বলতে চাই, এই খারাপ নজর এভাবে যাবে না… এক মুঠো লাল লঙ্কায় কাজ হবে না… পুরো ক্ষেত জ্বালাতে হবে (Mohan Bhagwat)। গত রাতে (Ranveer Singh) ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জ দেখলাম… অসাধারণ ছবি (এসআইসি)।”

     

  • Donald Trump: ভারত বিরোধী ট্রাম্প! মার্কিন প্রেসিডেন্টের কুশপুতুল নিয়ে বিক্ষোভ নাগপুরের মারবাট উৎসবে

    Donald Trump: ভারত বিরোধী ট্রাম্প! মার্কিন প্রেসিডেন্টের কুশপুতুল নিয়ে বিক্ষোভ নাগপুরের মারবাট উৎসবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে নাগপুরে (Nagpur) চলছে মারবাট উৎসব। শনিবার এই উৎসবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) একটি বিরাট কুশপুত্তলিকা নিয়ে প্রতিবাদ জানানো হয় এবং সেখানে অনেক সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। তারা বলতে থাকে যে ভারতীয় পণ্যের উপর আমেরিকার প্রেসিডেন্ট যেভাবে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন এবং পাকিস্তানের সঙ্গে যেভাবে ঘনিষ্ঠ হয়েছেন, তারই প্রতিবাদ হিসেবে তারা এই প্রদর্শনী করছেন।

    কী কী লেখা ছিল কুশপুতুলে?

    বিশাল কুশপুত্তলিকার সঙ্গে অনেক প্ল্যাকার্ড দেখা যায় (Donald Trump)। ওই প্ল্যাকার্ডগুলিতে লেখা ছিল— “আমাদের ভয় দেখানোর জন্য শুল্ক আরোপ করেছে তারা, কিন্তু তারা অচিরেই বুঝবে ভারতের শক্তি।” একইসঙ্গে আরও লেখা ছিল। “আমাদের পণ্যের উপর শুল্ক আরোপ যারা করবে, তাদের নিজেদেরই ব্যবসা ধ্বংস হবে।”

    ট্রাম্পকে চাচা বলে সম্বোধন

    ট্রাম্পকে (Donald Trump) উদ্দেশ্য করে কিছু কিছু আন্দোলনকারী হাতে প্ল্যাকার্ড এনেছিলেন, যেখানে লেখা ছিল— “ট্রাম্প, আপনি ভারতকে বলেছিলেন ‘তুমি আমার বন্ধু’, কিন্তু আপনি পর্দার আড়ালে পাকিস্তানকেই ভালোবাসেন।” কেউ কেউ আবার ট্রাম্পকে চাচা বলে সম্বোধন করে লিখে রাখেন— “আমেরিকান চাচা ভারতের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন, তবু রাশিয়ার পণ্য নিজেই গ্রহণ করেন।”

    রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়ে শুল্ক যুদ্ধ (Donald Trump)

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি রাশিয়া থেকে তেল কেনার ইস্যুতে ভারতের বিরুদ্ধে তীব্র মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং এই নিয়ে ভারত সরকার ও বিদেশ মন্ত্রক জানিয়ে দিয়েছে যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট যা বলছেন তা অনর্থক এবং অযৌক্তিক, এবং ভারত কোথায় ব্যবসা করবে, তা এই দেশ নিজেই ঠিক করবে। রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভারতীয় চুলচে পণ্যের উপর আমেরিকাতে শুল্কের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে মোট ৫০ শতাংশ। নতুন যে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, তা ২৭ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে। প্রসঙ্গত, নাগপুরের মারবাট উৎসব হলো এক ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক। এই উৎসবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কুশপুত্তলিকা নিয়ে প্রদর্শন একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা বলেই মনে করছেন অনেকে।

  • RSS: শতবর্ষে আরএসএস, বিজয়াদশমীতে নাগপুরে প্রধান অতিথি হিসেবে হাজির থাকবেন রামনাথ কোবিন্দ

    RSS: শতবর্ষে আরএসএস, বিজয়াদশমীতে নাগপুরে প্রধান অতিথি হিসেবে হাজির থাকবেন রামনাথ কোবিন্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথিবীর সর্ববৃহৎ সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন হল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS)। এই সংগঠন চলতি বছরের বিজয়া দশমীর দিনে ১০০ বছরে পা দিচ্ছে। এই দিনটি পড়েছে ২ অক্টোবর ২০২৫। ১০০ বছর উপলক্ষে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে আরএসএস। জানা যাচ্ছে, অক্টোবরের ২ তারিখে বিজয়া দশমী উৎসব সংঘটিত হবে ঠিক সকাল সাতটা চল্লিশ মিনিটে, নাগপুরের (Nagpur) রেশিমবাগ মাঠে। এখানেই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯২৫ সালে এবং তা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ডঃ কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার(RSS)।

    হাজির থাকবেন ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ডঃ রামনাথ কোবিন্দ

    এই উপলক্ষে সেখানে হাজির থাকবেন ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ডঃ রামনাথ কোবিন্দ এবং তিনি এই বিজয়া দশমীর সম্মেলনের প্রধান অতিথি হবেন। অন্যদিকে, শততম বর্ষে স্বয়ংসেবকদের (RSS) উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখবেন মোহন ভাগবতজি এবং তিনি ব্যাখ্যা করবেন আগামী শতকে সংঘের কাজ। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের কাছে বিজয়া দশমী সর্বদাই একটি আলাদা গুরুত্ব পেয়েছে। এটাই সেই দিন যেদিন ডঃ কেশব বালিরাম হেডগেওয়ার এই সংগঠনের স্থাপন করেছিলেন (Nagpur)। তিনি চেয়েছিলেন একটি শক্তিশালী, ঐক্যবদ্ধ এবং সাংস্কৃতিক ভারত নির্মাণ করতে।

    জাগরণের বার্তা পৌঁছায় সংঘ

    ১০০ বছর ধরে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) সমাজের প্রত্যেকটি স্তরে কাজ করে চলেছে—তা সে শিক্ষা হোক, স্বাস্থ্য হোক, গ্রামীণ উন্নয়ন হোক, দুর্যোগ মোকাবিলা হোক কিংবা সমাজ সংস্কার হোক। প্রতিবছর আরএসএস-এর বিজয়া দশমী কেবলমাত্র একটি আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠান হিসেবে পালন করা হয় না বরং এই দিনের মাধ্যমে সারা দেশজুড়ে একটি গভীর ও শক্তিশালী বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়। এই বার্তা শুধুমাত্র একটি উৎসবের আবহ নয়—এটি এক জাতীয় চেতনার আহ্বান। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশবাসীকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয় জাতীয় জাগরণের গুরুত্ব, নিজেদের মধ্যে শৃঙ্খলা বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তা, সাংগঠনিক শক্তির মাধ্যমে সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করার তাগিদ এবং মাতৃভূমির প্রতি আত্মনিবেদনের মহান আদর্শ।

  • PM Modi: মোদি-ভাগবতের যুগলবন্দি, রাজনীতির বাইরেও এক অটুট বন্ধনের বার্তা

    PM Modi: মোদি-ভাগবতের যুগলবন্দি, রাজনীতির বাইরেও এক অটুট বন্ধনের বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ও আরএসএসের সরসংঘচালক মোহন ভাগবতের মধ্যে সম্পর্ক সব সময়ই অভিন্ন আদর্শ ও গভীর পারস্পরিক শ্রদ্ধার। আরএসএসের প্রবীণরা প্রায়ই বলেন, তাঁরা সবচেয়ে ভালো বন্ধু হয়ে উঠেছেন। বৃহত্তর লক্ষ্যে নিবেদিতপ্রাণ ভাইদের মতোই তাঁরা এক সঙ্গে কাজ করতে কোমর বেঁধে নেমেছেন। রবিবার নাগপুরে আরএসএসের সদর দফতরে (Mohan Bhagwat) গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে তাঁদের যুগলবন্দি— স্মৃতি মন্দিরে পাশাপাশি হাঁটা, মঞ্চে হালকা মুহূর্ত ভাগ করে নেওয়া এবং সহজ-সরল সৌহার্দপূর্ণ আচরণ—এই সম্পর্কের একটি বিরল প্রকাশ যা জনসমক্ষে দেখা যায় না।

    বিশেষ বন্ধনের মাধ্যমে যুক্ত (PM Modi)

    যাঁরা ভিজ্যুয়ালি দেখতে পেয়েছিলেন, তাঁরা খুব কমই জানতেন যে তাঁরা কী নিয়ে কথা বলেছেন। তবে এটি স্পষ্ট যে দুজনের মধ্যে বন্ধন— বৃহত্তম হিন্দুত্ব শক্তির প্রধান ও দেশের সবচেয়ে প্রতিভাধর মুখ— রাজনীতি, নিয়মিত বিষয় এবং সমস্ত বিতর্কের ঊর্ধ্বে। ২০০০ সালে ভাগবতকে আরএসএসের সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছিল। আর ২০০১ সালে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছিলেন মোদি। একজন পদস্থ আরএসএস কর্মী বলেন, “যদিও তাঁরা বিভিন্ন রাজ্যে বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তবুও তাঁরা সবসময় একটি বিশেষ বন্ধনের মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন।”

    কী বলছে আরএসএস?

    আরএসএসের আর এক পদস্থ কর্তা বলেন, “তাঁদের প্রায়ই জনসমক্ষে এক সঙ্গে দেখা যায় না। কিন্তু এর মানে এই নয় যে, তাঁরা (PM Modi) কথাবার্তা বলেন না। প্রয়োজন অনুযায়ী এবং বিভিন্ন স্তরে তাঁরা যোগাযোগ রাখেন। আমরা প্রায়ই তাঁদের জয়-বীরু বলে ডাকি, যদিও আমাদের কাঠামোয় আমাদের সর্বদা শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকতে হয়, এমনকি কথাবার্তাতেও। কিন্তু আমরা তাঁদের বন্ধুত্ব, তাঁদের পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং আশ্চর্যজনক সংগঠনিক কাজের সমীকরণের কথা শুনে শুনেই বড় হয়েছি। গত তিন দশক ধরে, আমরা সেখানে কোনও ফাটল দেখিনি (Mohan Bhagwat)।” আরএসএস সূত্রে খবর, শনিবার মোদি-ভাগবতের এই মঞ্চ শেয়ার কোনও আকস্মিক সাক্ষাতের উদাহরণ নয় এটি ছিল একটি বন্ধনের পুনর্নিশ্চয়তা, যা দশকজুড়ে সাধারণ মূল্যবোধ, শৃঙ্খলা এবং সেবার প্রতি সমর্পণের মধ্যে প্রোথিত। রবিবার নাগপুরে দেশ যখন একটি ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হয়েছিল, তখন এই বন্ধনটি ফের একবার প্রমাণিত হয়েছিল।

    আরএসএসের সদর দফতরে মোদি

    রবিবারই প্রথম কোনও প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) নাগপুরে আরএসএসের সদর দফতরে পা রাখেন। কেবল পা রাখাই নয়, এদিন মোদি ভাগবতের সঙ্গে, আরএসএসের ভরকেন্দ্র স্মৃতি মন্দির পরিদর্শনও করেন। স্মৃতি মন্দির— যেটি রেশিমবাগে হেডগেওয়ার স্মৃতি মন্দির নামে বেশি পরিচিত— সংঘের কাছে একটি পবিত্র স্থান হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি আরএসএসের প্রতিষ্ঠাতা ড. হেডগেওয়ার এবং এমএস গোলওয়ালকরের (যিনি সংঘের মধ্যে ‘গুরুজি’ নামে খ্যাত) উত্তরাধিকার ও স্মৃতি বহন করে চলেছে। এটি সর্বদাই সংঘের সব স্তরের স্বয়ংসেবকদের জন্য তাত্ত্বিক চিন্তা ও শ্রদ্ধা নিবেদনের কেন্দ্রস্থল। ভাগবতের সঙ্গে মোদির রেশিমবাগে উপস্থিতি ভারতের পুনরুত্থানের লক্ষ্যে আরএসএস ও সরকারের মধ্যে চিন্তার ধারাবাহিকতাকে প্রতীকীভাবে প্রকাশ করেছে। এটি সমগ্র সংঘ পরিবার, যার মধ্যে বিজেপিও অন্তর্ভুক্ত, তাদের জন্য একটি স্পষ্ট বার্তা দেয় (Mohan Bhagwat)।

    “হম স্বয়ংসেবক”

    এদিন, স্মৃতি মন্দির থেকে মোদি ও ভাগবত মাধব নেত্রালয়ে পৌঁছান। এটি একটি প্রতিষ্ঠান যা আরএসএসের সেবা ধর্মের প্রতীক। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) দশকের পর দশক ধরে দৃষ্টিশক্তি পুনরুদ্ধারে তাদের অঙ্গীকারের প্রশংসা করেন, সংগঠনের কাজ এবং আরএসএসের বৃহত্তর মিশনের প্রশংসাও করেন। সমাজে শারীরিক ও আদর্শগত দৃষ্টিভঙ্গি দুইই আনার কথাও বলেন তিনি। তাঁর বক্তৃতায়, মোদি একজন বহিরাগতের মতো নয়, বরং তাঁদেরই একজন হিসেবে কথা বলেন। তিনি বারবার “হম স্বয়ংসেবক” শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করে তাঁর আরএসএসের ঐতিহ্যকে পুনর্ব্যক্ত করেন। প্রসঙ্গত, এক সময় আরএসএসের প্রচারক হিসেবে কাজ করতেন প্রধানমন্ত্রী। এই আনুষ্ঠানিকতার বাইরে যা চোখে পড়ল তা হল অকৃত্রিম কিছু মুহূর্ত— মোদি ও ভাগবতের সাবলীল কথোপকথন (Mohan Bhagwat), তাঁদের হাসি-ঠাট্টা এবং প্রাঞ্জল আলাপচারিতা।

    সম্মিলিত সংগ্রাম ও শৃঙ্খলার মাধ্যমে গড়ে ওঠা বন্ধন

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মোদি-ভাগবতের এসব (PM Modi) আচরণ লোক দেখানোর জন্য নয়, বরং বছরের পর বছর ধরে সম্মিলিত সংগ্রাম ও শৃঙ্খলার মাধ্যমে গড়ে ওঠা একটি বন্ধন, একটি সম্পর্কের প্রতিফলন। তাঁদের মধ্যে যে আন্তরিকতা বিভিন্ন টুকরো টুকরো দৃশ্যের মাধ্যমে ফুটে উঠেছে, তা প্রায় সমস্ত অভিযোগমূলক বিভেদের ধারণা বা কোনও বিবাদের জল্পনাকে খারিজ করে দিয়েছে। আরএসএসের কর্তাদের একাংশের মতে, এদিনের এই অনুষ্ঠানটি একটি সুসময়ের সংযোগ, সযত্নে তৈরি একত্রীকরণের একটি মুহূর্ত। এটি আরএসএস ও সরকারের মধ্যে আদর্শিক সেতুকে আরও শক্তিশালী করেছে। নাগপুরে (PM Modi) এই অনুষ্ঠানের মূল বার্তা স্পষ্ট— একটি ঐক্যবদ্ধ সংঘ পরিবারের প্রতিচ্ছবি (Mohan Bhagwat)।

    এক দেশ, এক ভারত!

  • PM Modi: গড়লেন ইতিহাস, আরএসএসের সদর দফতরে পা প্রধানমন্ত্রীর, কী বললেন মোদি?

    PM Modi: গড়লেন ইতিহাস, আরএসএসের সদর দফতরে পা প্রধানমন্ত্রীর, কী বললেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, রবিবার হিন্দু নববর্ষ। এদিনই নাগপুরে আরএসএসের (RSS) দফতরে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। নাগপুরে কেশবকুঞ্জে একটি চক্ষু হাসপাতালের সম্প্রসারণের শিলান্যাস করবেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন সকালে তিনি প্রথমে যান রেশমিবাগে আরএসএসের সদর দফতরের কাছে স্মৃতি মন্দির দর্শনে। শ্রদ্ধা জানান সংঘের প্রতিষ্ঠাতা কেশব বলিরাম হেডগেওয়ারকে।

    আরএসএসের সদর দফতরে পা প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi)

    প্রসঙ্গত, এই প্রথম কোনও প্রধানমন্ত্রী পা রাখলেন আরএসএসের সদর দফতরে। ২০১২ সালে শেষবারের মতো সংঘের সদর দফতরে গিয়েছিলেন মোদি। তবে তখন তিনি প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না। তারপর কেটে গিয়েছে আস্ত একটা যুগ। রাজনীতির কারবারিদের মতে, এই পর্বে দেশজুড়ে বিজেপিকে বিপুল রাজনৈতিক মাইলেজ দিয়েছে সংঘ। তবে সেই কারণে তিনি নাগপুর যাননি। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এদিন আরএসএস প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। এই বৈঠকের পর এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির নাম ঘোষণা করা হতে পারে।

    মোদির পাশে ভাগবত   

    এদিন মোদির শ্রদ্ধাজ্ঞাপন পর্বে তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় সরসংঘচালক মোহন ভাগবতকে। আরএসএসের শ্রুতি মন্দিরে সংঘ প্রতিষ্ঠাতাদের শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের পর দীক্ষাভূমি মন্দিরে যান প্রধানমন্ত্রী। পরে সংবিধান প্রণেতা বাবা সাহেব আম্বেডকরকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে প্রধানমন্ত্রী যান দীক্ষাভূমিতে। এখানেই হিন্দু ধর্ম ছেড়ে বৌদ্ধ ধর্মে দীক্ষা নিয়েছিলেন আম্বেডকর (PM Modi)।

    এর আগে গত বছর অযোধ্যায় রামমন্দির উদ্বোধনে সংঘ প্রধানের সঙ্গে দেখা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর। গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন ২০১৪ সালে একবার প্রকাশ্য অনুষ্ঠানেও দেখা গিয়েছিল মোদি ও ভাগবতকে। তার পরে আবার এদিন এক মঞ্চে দেখা গেল দুই মহীরুহকে। আরএসএসের দফতর ঘোরার শেষে ভিজিটর্স বুকে তাঁর অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “নাগপুরে স্মৃতি মন্দির দর্শন একটি অত্যন্ত বিশেষ অভিজ্ঞতা। এটি জাতির সেবা করতে প্রাণিত করে।” ভিজিটর্স বুকে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “ভারতীয় সংস্কৃতি, জাতীয়তাবাদ ও সংগঠনের মূল্যবোধের প্রতি নিবেদিত এই পবিত্র স্থান আমাদের দেশের সেবায় প্রেরণা জোগায়। এই স্থানের সঙ্গে যুক্ত সকল মহান ব্যক্তিদের নিষ্ঠা এবং কঠোর পরিশ্রম (RSS) জাতির সেবায় লক্ষ লক্ষ স্বেচ্ছাসেবকদের শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে। আমাদের প্রচেষ্টার মাধ্যমে ভারত মাতার গৌরব উজ্জ্বল হবে (PM Modi)।”

  • PM Modi: আরএসএসের সদর দফতরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, কেন জানেন?

    PM Modi: আরএসএসের সদর দফতরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনও প্রধানমন্ত্রী যাচ্ছেন নাগপুরে, আরএসএসের (RSS) সদর দফতরে। অথচ, স্বাধীনতার পর তিন-তিনবার নিষিদ্ধ সংগঠনের তকমা সাঁটিয়ে দেওয়া হয়েছে আরএসএসের গায়ে। তথাকথিত উদারপন্থীদের কাছে এখনও অচ্ছুত এই সংগঠন। পাছে ভোটব্যাংকে ধস নামে, তাই আরএসএসের সংস্রব এড়িয়ে চলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীরা।

    আরএসএসের সদর দফতরে যাচ্ছেন মোদি (PM Modi)

    আগামী ৩০ মার্চ সেখানে পা রাখবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি আরএসএসের প্রতিষ্ঠাতা কেবি হেডগেওয়ারের স্মৃতিসৌধ পরিদর্শন করবেন। স্থাপন করবেন মাধব নেত্রালয় প্রিমিয়াম সেন্টারের সম্প্রসারণ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর। হেডগেওয়ার এবং আরএসএসের দ্বিতীয় সরসঙ্ঘচালক এমএস গোলওয়ালকারের স্মৃতিসৌধগুলি নাগপুরের রেশিমবাগ এলাকায় ডঃ হেডগেওয়ার স্মৃতি মন্দিরে অবস্থিত। বৃহস্পতিবার মহারাষ্ট্র বিজেপির প্রধান চন্দ্রশেখর বাওয়ানকুলে জানান, প্রধানমন্ত্রী ৩০ মার্চ এই স্মৃতিসৌধগুলি পরিদর্শন করবেন। প্রধানমন্ত্রী মাধব নেত্রালয় প্রিমিয়াম সেন্টারের সম্প্রসারণ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন বলেও জানান তিনি।

    গিয়েছিলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়

    আরএসএসের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নাড়ির টান। তিনি দীর্ঘদিন আরএসএসের প্রচারক হিসেবে কাজ করেছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। তবে ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে একবারও যাননি সঙ্ঘের সদর দফতরে। তবে আরএসএসের সদর দফতরে গিয়েছিলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়। তা নিয়ে আগে-পরে বিস্তর জলঘোলা হয়েছিল কংগ্রেসের অন্দরে। সেসব উপেক্ষা করেই প্রণব গিয়েছিলেন নাগপুরে। এবার যাবেন মোদি।

    এ বছর সঙ্ঘের শতবর্ষ। সেই উপলক্ষে বছরভর নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে আরএসএস। প্রধানমন্ত্রী যে অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন, সেখানে থাকবেন সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবতও। ২০১৪ সালের পর এ নিয়ে তৃতীয়বার প্রকাশ্যে মঞ্চ শেয়ার করবেন গেরুয়া শিবিরের দুই ‘মহীরুহ’। আরএসএস ইতিহাসের এক স্কলার বলেন, “এটি প্রথমবার যে একজন সক্রিয় প্রধানমন্ত্রী ডঃ হেডগেওয়ার স্মৃতি মন্দির প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করবেন।” তিনি বলেন, “প্রয়াত বিজেপি নেতা অটল বিহারী বাজপেয়ী ২০০৭ সালে এই স্মৃতিসৌধে গিয়েছিলেন। কিন্তু তখন তিনি প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না। মোদি এর আগে একজন প্রচারক হিসাবে এই স্মৃতিসৌধে গিয়েছিলেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরে এটি তার প্রথম দর্শন।” জানা গিয়েছে, ওই দিন প্রধানমন্ত্রী ‘দীক্ষাভূমি’ও পরিদর্শন করবেন, যেখানে সংবিধান প্রণেতা বিআর আম্বেডকর ১৯৫৬ সালে হাজারো অনুগামীকে সঙ্গে নিয়ে বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেছিলেন (PM Modi)।

    প্রসঙ্গত, এই নাগপুর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ বিজেপির নীতীন গডকরী। আরএসএসের সদর দফতরটি যে এলাকায় রয়েছে (RSS), সেখানকার বিধায়ক বিজেপিরই দেবেন্দ্র ফড়নবীশ (PM Modi)।

  • Nagpur Violence: নাগপুর হিংসায় বাংলাদেশ যোগ! পদ্মাপাড় থেকেই উস্কানি, জানাল সাইবার সেল

    Nagpur Violence: নাগপুর হিংসায় বাংলাদেশ যোগ! পদ্মাপাড় থেকেই উস্কানি, জানাল সাইবার সেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঔরঙ্গজেবের সমাধি হঠানোকে কেন্দ্র করে হিংসা! ভাঙচুর, পাথর ছোড়া থেকে আগুন লাগানো। উত্তাল নাগপুর (Nagpur Violence)। ঘটনার তদন্তে নেমে নাগপুর পুলিশের সাইবার সেল জানতে পেরেছে, একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ছড়ানো হয়েছিল হিংসা। বাংলাদেশের (Bangladesh Connection in Nagpur) একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টও খুঁজে পেয়েছেন তদন্তকারীরা। পদ্মাপাড় থেকেই আগুনে ঘৃতাহুতি দিয়েছেন চক্রান্তকারীরা, দাবি সাইবার সেলের।

    নাগপুর হিংসায় বাংলাদেশি পোস্ট

    সম্প্রতি ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক হিংসা ছড়িয়েছিল নাগপুরে (Nagpur Violence)। তবে সেই হিংসাই একেবারে অন্যদিকে মোড় নেয় যখন স্থানীয় পুলিশ বুঝতে পারে যে সোশ্য়াল মিডিয়ায় কিছু লিঙ্ক ঘুরছে যেটা আসল উৎপত্তিস্থল হল বাংলাদেশ। নাগপুর পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিট একটা ফেসবুক পোস্টকে চিহ্নিত করে। সেটা আসলে এক বাংলাদেশি পোস্ট করেছিল। যার জেরে শহরে আবার অস্থিরতা তৈরি হয়। সাইবার সেল সূত্রে খবর, সেই ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বাংলাদেশের এক ব্যক্তির। সেই পোস্টের মাধ্য়মে হিংসা যাতে ছড়িয়ে পড়ে তার উস্কানি দেওয়া ছিল। নাগপুর হিংসাকে ছোট ঘটনা বলে উল্লেখ করা হয়েছিল ওই অ্যাকাউন্টের আর একটি পোস্টে। ভবিষ্যতে আরও বড় হিংসার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল।

    বহু পোস্টের আইপি অ্যাড্রেস বাংলাদেশের

    নাগপুর (Nagpur Violence) পুলিশ জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত এই ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত ৯৭টি আপত্তিকর এবং ভুয়ো সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট পাওয়া গিয়েছে। এই ধরনের বেশ কয়েকটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করা হয়েছিল এমন কম্পিউটার থেকে, যেগুলির আইপি অ্যাড্রেস ছিল বাংলাদেশের (Bangladesh Connection in Nagpur)। সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ছড়ানোর অভিযোগে নাগপুর পুলিশ চারটি এফআইআর দায়ের করেছে। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৯০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে দাঙ্গাকারীদের অনেকেই আত্মগোপন করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। হিংসা এবং গুজব ছড়ানোর সঙ্গে জড়িত প্রায় ২০০ জনকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। তারা জানিয়েছে, আরও এক হাজার জনকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। এই ঘটনার তদন্তের জন্য পুলিশ ১৮টি দল গঠন করেছে। এই দলগুলি তদন্তের বিভিন্ন দিকে নিযুক্ত। প্রসঙ্গত, ঔরঙ্গজেবের সমাধি অপসারণের দাবিতে ১৭ মার্চ নাগপুরের মহাল এলাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ করেছিল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বজরং দল। সেখানে একটি ধর্মগ্রন্থের অবমাননা করা হয়েছে বলে গুজব ছড়ায়। সেই গুজবকে কেন্দ্র করে নাগপুরের বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে।

  • Nagpur: ‘ছাভা’ সিনেমার কারণেই নাকি নাগপুর অশান্তি! অপরাধীদের আড়াল করতে আজব তত্ত্ব বামপন্থীদের

    Nagpur: ‘ছাভা’ সিনেমার কারণেই নাকি নাগপুর অশান্তি! অপরাধীদের আড়াল করতে আজব তত্ত্ব বামপন্থীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অত্যাচারী ইসলামিক শাসকদের গৌরবান্বিত করা হোক অথবা মৌলবাদী আক্রমণের সময় আসল অপরাধীদের আড়াল করা, এই দুটো কাজই এদেশের বামপন্থী বুদ্ধিজীবী (Leftists) মহল খুব উৎসাহের সঙ্গে করে থাকেন। এমনটাই অন্তত বলছে ওয়াকিবহাল মহল। বামপন্থীরা এমন মিথ্যাচার করতে পেশ করে বেশ কিছু বিকৃত তত্ত্ব ও তথ্য। ভারতবর্ষে যেকোন স্থানেই সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলে এমনটা করে থাকেন বামপন্থীরা। উগ্র মৌলবাদীদের অপরাধীদের আড়াল করার প্রচেষ্টা করেন তাঁরা। তাদের লক্ষ্য একটাই, যে কোনও মূল্যে মৌলবাদীদের নির্দোষ প্রমাণ করা। ২০২০ সালের দিল্লি হিংসা হোক অথবা সাম্প্রতিক নাগপুর (Nagpur) হিংসা-দুই ক্ষেত্রেই বামপন্থীরা নিজেদের কাজ করে যাচ্ছে। মৌলবাদী ও অপরাধীদের আড়াল করা। প্রসঙ্গত, ঔরঙ্গজেবের সমাধি অপসারণ আন্দোলন নিয়ে উত্তাল মহারাষ্ট্র। অত্যাচারী ও হিন্দু বিরোধী শাসক ছিলেন ঔরঙ্গজেব-একথা ঐতিহাসিক সত্য। এই আবহে চলতি সপ্তাহে নাগপুরে হিংসা ছড়ায়। এই হিংসার দায় বামপন্থীরা চাপিয়েছে সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ভিকি কৌশল অভিনীত ছবি ‘ছাভা’র ওপরে।

    ঐতিহাসিক সত্যকে অস্বীকার করে বামপন্থীরা

    বামপন্থীদের দাবি, এই ছবি নাকি বিশেষ ধর্মের মানুষজনদের অনুভূতিতে আঘাত করেছে। প্রসঙ্গত, ছত্রপতি সম্ভাজী মহারাজের জীবনীর ওপর নির্মিত এই সিনেমায় দেখানো হয়েছে ঔরঙ্গজেবের নৃশংসতা। তিনি কীভাবে হিন্দু মন্দিরগুলোকে ধ্বংস করতেন এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণ চালাতেন। সেই সমস্ত ঐতিহাসিত দৃশ্যপটগুলিকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই সিনেমায়। এতেই আপত্তি বামপন্থীদের। ভিকি কৌশল অভিনীত ওই ছবি সারা দেশেই ব্যাপক জনপ্রিয় হয়েছে। বেশ কিছু রাজ্য এই ছবিকে করমুক্ত করেছে। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এই ছবির প্রশংসা করেছেন। কিন্তু বামপন্থীদের দাবি, এই ছবির কারণেই নাকি সংঘটিত হয়েছে নাগপুর হিংসা। একথা বলার অপেক্ষা রাখে না, ইতিহাসকে অস্বীকার করেই এমন বিবৃতি দিচ্ছেন বামপন্থীরা। অত্যাচারী মোঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের সমর্থনে কথা বলতে শুরু করেছে বামপন্থীরা। ওয়াকিবহল মহল মনে করছে, ঐতিহাসিক সত্যকে অস্বীকার করে মৌলবাদীদের হিংসাকে আড়াল করার যে ষড়যন্ত্র বামপন্থীরা করে আসছে, নাগপুরেও (Nagpur) তার ব্যতিক্রম হয়নি।

    কেবল নাগপুর (Nagpur) নয়, দিল্লির ক্ষেত্রেও বামেরা আড়াল করেছিল মৌলবাদীদের

    ২০২৩ সালের ৩১ জুলাই উত্তপ্ত হয়েছিল হরিয়ানার নুহ এলাকা। সেখানেও বামপন্থীরা একইভাবে মৌলবাদীদের আড়াল করার চেষ্টা করেছিল। অন্যদিকে, ২০২০ সালে দিল্লিতে সিএএ বিরোধী আন্দোলনের নামে শুরু হয় সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষ। সেখানে বামপন্থী মদতে চলা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম এবং বুদ্ধিজীবী মহল তথ্য বিকৃত করতে শুরু করে। সামনে আনে মিথ্যা তত্ত্ব। শারজিল ইমাম, ওমর খালিদ-এই সমস্ত বামপন্থী নেতারা গোটা দিল্লির হিংসার জন্য দায়ী করে বিজেপি নেতা কপিল মিশ্রকে। কিন্তু সে সময়ে মৌলবাদীদের বিভিন্ন হামলা সামনে আসে। পেট্রোল বোমা ছোড়া থেকে সম্পত্তি ভাঙচুর-এই সবকিছুকেই আড়াল করতে থাকে বামপন্থীরা। এগুলোর কোনও জবাব বামপন্থীরা সে সময় দিতে পারেনি।

    নাগপুরের (Nagpur) ঘটনায় গ্রেফতার মাস্টারমাইন্ড

    অন্যদিকে নাগপুরের (Nagpur) সংঘর্ষের ঘটনায় এক মাস্টারমাইন্ডকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে মহারাষ্ট্র পুলিশ। তার বিরুদ্ধে ভিড়কে উস্কানি দেওয়া, জমায়েত করা, হামলা চালানোর একাধিক অভিযোগ রয়েছে। প্রসঙ্গত, এই হামলাগুলিতে একাধিক পুলিশ কর্মীও আহত হয়েছেন। জানা গিয়েছে, অভিযুক্তের নাম ফাহিম খান। তাঁকে ২১ মার্চ পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত নাগপুরের সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের ঘটনায় ৫১ জনের নামে এফআইআর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মহারাষ্ট্র পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, ফাহিম খান পড়াশোনা করেছে দশম শ্রেণী পর্যন্ত। তাঁর বর্তমান বয়স ৩৮ বছর। হিংসার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড হিসেবে তাঁর নাম উঠে আসে।

    আগে থেকেই ভিড় জমাতে শুরু করে ফাহিম

    এরপরেই ফাহিম খানকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে ডেকে পাঠায় পুলিশ। জানা গিয়েছে, গত সোমবার অর্থাৎ ঘটনার দিন ৩০ থেকে ৪০ জনকে তিনি জড়ো করেছিলেন সকাল ১১টা নাগাদ। অর্থাৎ ঔরঙ্গজেবের সমাধি অপসারণ আন্দোলনের ঘোষিত বিক্ষোভ শুরু হওয়ার আগেই ফাহিম খান এই জমায়েত করেছিলেন বলে জেনেছে পুলিশ। অভিযুক্ত ফাহিম একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্তও রয়েছেন। তার নাম হল মাইনোরিটিস ডেমোক্রেটিক পার্টি। এই দলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাও করেছিলেন ফাহিম। কিন্তু হেরে যান।

LinkedIn
Share