Tag: Nandan Nilekani

Nandan Nilekani

  • Exam Reform Task Force: প্রশ্নফাঁস রুখতে মোদির বড় সিদ্ধান্ত, নন্দন নিলেকানির নেতৃত্বে গঠিত উচ্চপর্যায়ের টাস্ক ফোর্স, প্যানেলে আর কারা?

    Exam Reform Task Force: প্রশ্নফাঁস রুখতে মোদির বড় সিদ্ধান্ত, নন্দন নিলেকানির নেতৃত্বে গঠিত উচ্চপর্যায়ের টাস্ক ফোর্স, প্যানেলে আর কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রশ্নফাঁস রুখে দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ, স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তুলতে বড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছয় সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের টাস্ক ফোর্স গঠনের ঘোষণা করেছেন। এই কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে ইনফোসিসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং আধার প্রকল্পের অন্যতম রূপকার নন্দন নিলেকানিকে। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, পরীক্ষায় জালিয়াতি ও প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে সরকার ইতিমধ্যেই ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠন এবং কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ করেছে। তবে শুধুমাত্র শাস্তি নয়, গোটা পরীক্ষা ব্যবস্থাকেই আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন, যাতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আস্থা ফেরানো যায়।

    নন্দন নিলেকানির নেতৃত্বে প্রযুক্তিনির্ভর সংস্কারের রূপরেখা

    ১৯৫৫ সালের ২ জুন কর্নাটকের বেঙ্গালুরুতে জন্ম নন্দন নিলেকানির। পরিবারের আদি বাড়ি কর্নাটকের সিরসিতে। বেঙ্গালুরুর বিশপ কটন বয়েজ স্কুল এবং ধারওয়াড়ের সেন্ট জোসেফস্ হাই স্কুলে পড়াশোনার পর তিনি আইআইটি বম্বে থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বি.টেক সম্পন্ন করেন। ইনফোসিসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা নিলেকানি আধার ডিজিটাল পরিচয় প্রকল্পের অন্যতম স্থপতি হিসেবে পরিচিত। এবার তাঁর নেতৃত্বে টাস্ক ফোর্স পরীক্ষা ব্যবস্থায় অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, পরীক্ষার্থীদের ডিজিটাল যাচাই এবং ফল প্রকাশের পুরো প্রক্রিয়াকে আরও নিরাপদ ও দক্ষ করার সুপারিশ করবে।

    মহাকাশ প্রযুক্তির অভিজ্ঞতা নিয়ে এস সোমনাথ

    ১৯৬৩ সালে কেরলের আলাপ্পুঝা জেলার থুরাভুরে জন্ম এস সোমনাথের। তিনি কোল্লামের টিকেএম কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বি.টেক এবং বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স (আইআইএসসি) থেকে অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে এম.টেক সম্পন্ন করেন। পরে আইআইটি মাদ্রাজ থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত ইসরোর চেয়ারম্যান ও মহাকাশ দফতরের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। প্রায় চার দশকের অভিজ্ঞ এই মহাকাশ বিজ্ঞানী বৃহৎ প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা ও জটিল প্রকল্প পরিচালনায় বিশেষ দক্ষ।

    নিরাপত্তা কাঠামো শক্তিশালী করবেন তপন কুমার ডেকা

    অসমের বরপেটা জেলার সারথেবাড়িতে ১৯৬৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি জন্ম তপন কুমার ডেকার। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিদ্যায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৮৮ ব্যাচের আইপিএস কর্মকর্তা হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। হিমাচল প্রদেশ ক্যাডারের এই আইপিএস অফিসার ২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর (আইবি) ডিরেক্টর ছিলেন। সন্ত্রাসবাদ দমন, ২৬/১১ মুম্বই হামলার তদন্ত, ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের বিরুদ্ধে অভিযান এবং জম্মু-কাশ্মীর ও উত্তর-পূর্ব ভারতের নিরাপত্তা অভিযানে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। পরীক্ষা ব্যবস্থার নিরাপত্তা জোরদারে তাঁর অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে বলে মনে করছে কেন্দ্র।

    আইআইটি মাদ্রাজের পরিচালক ভি কামাকোটির প্রযুক্তিগত পরামর্শ

    চেন্নাইয়ে ১৯৬৮ সালে জন্ম ভি কামাকোটির। তিনি শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে বিই এবং আইআইটি মাদ্রাজ থেকে এমএস (রিসার্চ) ও পিএইচডি সম্পন্ন করেন। ২০২২ সাল থেকে আইআইটি মাদ্রাজের পরিচালক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। কম্পিউটার আর্কিটেকচার, তথ্য নিরাপত্তা এবং ভিএলএসআই ডিজাইনের বিশেষজ্ঞ কামাকোটি জাতীয় স্তরের মাইক্রোপ্রসেসর উন্নয়ন এবং সাইবার নিরাপত্তা প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত। এছাড়া তিনি ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজরি বোর্ডের সদস্য এবং বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রকের গঠিত এআই টাস্ক ফোর্সেরও চেয়ারম্যান ছিলেন।

    শিক্ষা নীতির অভিজ্ঞতা নিয়ে অনিতা কারওয়াল

    দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের লেডি শ্রীরাম কলেজ থেকে অর্থনীতিতে পড়াশোনা শেষে ১৯৮৮ ব্যাচের আইএএস কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন অনিতা কারওয়াল। গুজরাত ক্যাডারের এই আইএএস অফিসারের প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ৩৬ বছরেরও বেশি। ২০১৭ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত তিনি সিবিএসই-র চেয়ারম্যান ছিলেন। পরে স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা দফতরের সচিব হিসেবে জাতীয় শিক্ষা নীতি (এনইপি) ২০২০ এবং ন্যাশনাল কারিকুলাম ফ্রেমওয়ার্ক প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

    প্রশাসনিক দক্ষতা নিয়ে অমৃত লাল মীনা

    ১৯৬৫ সালে রাজস্থানে জন্ম অমৃত লাল মীনার। ১৯৮৯ ব্যাচের বিহার ক্যাডারের আইএএস কর্মকর্তা হিসেবে দীর্ঘ প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। বিহারে প্রায় ২৫ বছর এবং কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দফতরে ১১ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ২০২৪-২৫ সালে বিহারের মুখ্যসচিব এবং ২০২২-২৪ সালে কেন্দ্রীয় কয়লা মন্ত্রকের সচিব ছিলেন। প্রশাসন, সমন্বয় এবং বৃহৎ পরিসরের লজিস্টিক ব্যবস্থাপনায় তাঁর অভিজ্ঞতা পরীক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে কাজে লাগবে।

    কী করবে এই টাস্ক ফোর্স?

    কেন্দ্রের গঠিত এই বহুমুখী বিশেষজ্ঞ কমিটি দেশের সরকারি ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ব্যবস্থার প্রতিটি ধাপ পর্যালোচনা করবে। প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার, পরীক্ষা পরিচালনা, পরীক্ষার্থীদের পরিচয় যাচাই এবং ফল প্রকাশের প্রক্রিয়াকে আরও নির্ভরযোগ্য ও স্বচ্ছ করার সুপারিশ করবে এই টাস্ক ফোর্স। একই সঙ্গে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ)-র কাঠামোগত সংস্কার এবং ভবিষ্যতে প্রশ্নফাঁসের মতো ঘটনা প্রতিরোধে প্রযুক্তিনির্ভর স্থায়ী সমাধানের রূপরেখাও তৈরি করবে কমিটি। কেন্দ্রের দাবি, এই টাস্ক ফোর্সের সুপারিশের ভিত্তিতেই ভবিষ্যতে দেশের উচ্চঝুঁকির প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলিকে আরও নিরাপদ, স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে একাধিক সংস্কার কার্যকর করা হবে।

  • ONDC: দেশের পাঁচটি শহর থেকে প্রথম চালু হচ্ছে সরকারের ই-কমার্স সেক্টর

    ONDC: দেশের পাঁচটি শহর থেকে প্রথম চালু হচ্ছে সরকারের ই-কমার্স সেক্টর

    ই-কমার্স সেক্টরে ফ্লিপকার্ট (Flipkart) এবং  অ্যামাজন (Amazon)-এর আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য ভারত সরকার নিয়ে আসছে নতুন একটি প্ল্যাটফর্ম। দেশের প্রায় ছ’কোটি খুচরো বিক্রেতা এর সুবিধা নিতে পারবে।  খুব শীঘ্রই নিজস্ব ই-কমার্স মার্কেটপ্লেস চালু করতে চলেছে সরকার। এই উন্মুক্ত ডিজিটাল পরিকাঠামোর নাম ওপেন নেটওয়ার্ক ডিজিটাল কমার্স বা ওএনডিসি (Open Network for Digital Commerce)। এটি হবে এমন এক ধরনের ই-কমার্স মার্কেটপ্লেস যেখানে মুদি ব্যবসায়ীরাও নিজেদের রেজিস্ট্রেশান করাতে পারবেন।

    বাণিজ্য মন্ত্রকের অধীনে কর্মরত শিল্প ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের (ডিপিআইআইটি) উন্নয়ন বিভাগের অতিরিক্ত সচিব অনিল আগরওয়াল জানিয়েছেন যে, সরকার এই ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মটি দিল্লি, ব্যাঙ্গালুরু, কোয়েম্বাটুর, শিলং এবং ভোপাল থেকে শুরু করার প্রস্তুতি নিয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে এতে মানুষ কেমন সাড়া দিচ্ছেন তা দেখতে চায় সরকার। এই ৫টি শহরে প্রচুর পরিমান খুচরো বিক্রেতা এবং ব্যবসায়ী রয়েছেন। একইসঙ্গে অনেক লজিস্টিক পার্টনারকেও এর সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে।

    সরকারের নিজস্ব ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম করার ভাবনা আসে করোনা মহামারীর সময়। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে এর কাজ শুরু হয়। সেই সময়ে, অনেক মানুষের কাছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করতে অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়েছিল সরকারকে, যার জেরে সরকারের এমন একটি উন্মুক্ত ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম তৈরির পরিকল্পনা আসে। এতে দেশের সেই সমস্ত ছোট দোকানদাররা এর ফলে উপকৃত হবেন। যাঁরা এখনও ই-কমার্স ইকোসিস্টেমের অংশ হয়ে উঠতে পারেননি, তাঁরা এর আওতায় আসবেন।
     
    এতে এক ধরনের ওপেন রেজিস্ট্রি হবে। যাতে ছোট দোকানদাররা নিজেদের রেজিস্টার করাতে পারবেন। এর ফলে খুচরো বিক্রেতাদের অনলাইনে পণ্য বিক্রি করার জন্য আর আলাদা আলাদা ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে নিজেকে রেজিস্টার করাতে হবে না। এর ফলে গ্রাহকদেরও বিশেষ সুবিধা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।  

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই ডিজিটাল খোলা বাজারের ভাবনাকে সফল করতে এগিয়ে এসেছেন ইনফোসিসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা নন্দন নীলকোনি।এর আগে নন্দন নীলেকানি কেন্দ্র সরকারকে আধার বায়োমেট্রিক আইডি সিস্টেম ডেভেলপমেন্টে সহায়তা করেছিলেন।

    অন্য দিকে বৃহস্পতিবার অ্যামাজন ইন্ডিয়া এবং ফ্লিপকার্টের কিছু শীর্ষ সেলার-এর অফিসে কম্পিটিশন কমিশন অফ ইন্ডিয়া (CCI)-র অভিযান চালায়। এই অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছে কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্স (CAIT)। কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্স বা কেইট (CAIT)-এর সাধারণ সম্পাদক প্রবীণ খান্ডেলওয়াল,একটি বিবৃতিতে বলেছেন, এটি সিসিআই (CCI)-এর একটি সঠিক পদক্ষেপ। ক্লাউটডেল এবং অ্যাপারিও, যারা কি না অ্যামাজনের সেলার, তাদের অফিসে অভিযান চালানো হয়েছে। সেলারদের ঘরে তল্লাশির ব্যাপার নিয়ে অ্যামাজনের তরফে আপাতত কোনও মন্তব্য করা হয়নি। এই দুটি সংস্থাতেই অ্যামাজনের বিনিয়োগ রয়েছে।

LinkedIn
Share