Tag: nanoor

nanoor

  • Birbhum: দলীয় মঞ্চে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে উর্দি গায়ে পুলিশ আধিকারিক! জেলাজুড়ে শোরগোল

    Birbhum: দলীয় মঞ্চে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে উর্দি গায়ে পুলিশ আধিকারিক! জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের (Birbhum) নানুরে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ আয়োজিত অনুষ্ঠান মঞ্চে উর্দি পরে অতিথি হিসেবে বসে পুলিশ অফিসারেরা। নানুর চণ্ডীদাস মহাবিদ্যালয়ে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে বার্ষিক অনুষ্ঠানে নেতাদের পাশে মঞ্চে বসে সার্কেল ইনস্পেকটর কল্যাণপ্রসাদ মিত্র ও নানুর থানার ওসি শেখ ইজরাইল। যা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। ইতিমধ্যেই এই নিয়ে সরব হয়েছে বিজেপি।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Birbhum)

    বীরভূমের (Birbhum) নানুর চণ্ডীদাস মহাবিদ্যালয়ে বার্ষিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। সেই মতো দলীয় পতাকা সহ দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দিয়ে মঞ্চ সাজানো হয়েছিল। এমনকী, মঞ্চের পিছনে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ লেখা লোগো দেওয়া ছিল। সেই অনুষ্ঠান মঞ্চে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ, নানুরের বিধায়ক বিধানচন্দ্র মাঝি, তৃণমূল নানুর ব্লক সভাপতি সুব্রত ভট্টাচার্য সহ অন্যান্য তৃণমূল নেতারা। একই মঞ্চে অতিথি হিসেবে উর্দি পরে বসে থাকতে দেখা যায় নানুর সার্কেল ইনস্পেকটর (সিআই) কল্যাণপ্রসাদ মিত্রকে। এছাড়া, সাধারণ পোশাকে বসে থাকতে দেখা যায় নানুর থানার ওসি শেখ ইজরায়েলকে। যা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। কীভাবে তৃণমূল আয়োজিত অনুষ্ঠান মঞ্চে নেতাদের সঙ্গে কর্তব্যরত পুলিশ অফিসাররা বসে থাকতে পারেন। যদিও, এই প্রসঙ্গে মুখ খুলতে চাননি কোন তৃণমূল নেতৃত্ব।

    রাজ্যে শাসকের আইন চলছে, কটাক্ষ বিজেপির

    বিজেপির বোলপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অষ্টম মণ্ডল বলেন, ‘রাজ্যে আইনের শাসন নেই। শাসকের আইন চলছে। পুলিশ সব সময় শাসকের দলদাস। তাই ইউনিফর্ম পরে পুলিশ তৃণমূলের মঞ্চে বসে রয়েছে। এটা কাম্য নয়। এই পুলিশ কখনও নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারবে? পুলিশের সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ধারণা পাল্টে যাচ্ছে। এসব মানুষ বেশিদিন মেনে নেবে না। সামনেই লোকসভা নির্বাচন। সেই ভোটে মানুষ তৃণমূলকে বুঝিয়ে দেবে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: মনোনয়নে বাধা! আক্রান্ত বিরোধী প্রার্থীরা, গাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Panchayat Election: মনোনয়নে বাধা! আক্রান্ত বিরোধী প্রার্থীরা, গাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের কীর্ণাহারে সিপিআইএমের নেত্রীদের হেনস্থা, গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সোমবার নানুর বিডিও অফিসে পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) মনোনয়ন পত্র জমা দিতে যাচ্ছিলেন সিপিআইএম নেতা-কর্মীরা। অভিযোগ, সেই সময় পথ আটকে তাদের মারধর ও গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। ঘটনাস্থলে নানুর ও কীর্ণাহার থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    ৮ জুলাই পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election)। তার আগে সব রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার কাজ চলছে। বীরভূম জেলাকে স্পর্শকাতর ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। কয়েক দিন ধরেই উত্তেজনা রয়েছে নানুরে। এদিন, কীর্ণাহার থেকে নানুর ব্লক অফিসে মনোনয়ন পত্র জমা দিতে যাচ্ছিলেন সিপিআইএমের নেতা-কর্মীরা। অভিযোগ, কীর্ণাহার বাসস্ট্যান্ডের কাছে বাঁশ-লাঠি নিয়ে পথ আটকায় তৃণমূলের লোকজন। সিপিআইএমের নেত্রীদের হেনস্থা সহ অন্যান্য কর্মীদের মারধর করা হয়। ইট ছুঁড়ে ভেঙে দেওয়া হয় একটি গাড়ি। ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। নানুরে সিপিআইএমকে মনোনয়নে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। প্রসঙ্গত, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বার বার স্পষ্ট বলছেন বিরোধীদের মনোনয়নে বাধা দেওয়া যাবে না। মানুষকে ভোটাধিকার দিতে হবে। তারপরেও বীরভূমের দিকে দিকে বিরোধীদের মনোনয়নে বাধা, মারধর, হেনস্থার অভিযোগ উঠে আসছে।

    কী বললেন আক্রান্ত সিপিএম প্রার্থী?

    সিপিআইএম প্রার্থী সুনয়নী ঘোষ বলেন, পঞ্চায়েতে নির্বাচনে (Panchayat Election) আমরা মনোনয়ন পত্র জমা দিতে নানুরে যাচ্ছিলাম। সেই সময় তৃণমূলের লোকজন আমাদের রাস্তাতেই আটকায়। প্রথমে ফিরে যাওয়ার কথা বলে। আমরা আপত্তি জানালে আমাদের মারধর করা শুরু করে। আমাদের গাড়ি ভাঙচুর করে ওরা। তৃণমূলীদের হামলার কারণে আমরা আর মনোনয়ন জমা দিতে পারিনি। সকলেই ফিরে আসি। আমরা অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের জেলার কোর কমিটির নেতা কাজল সেখ বলেন,‘‘যাঁরা আজ বামেদের উপর হামলা চালিয়েছেন, তাঁরা কেউই সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য নন। যাঁরা আমাদের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশ মানবেন না, তাঁদের দলে থাকারও কোনও অধিকার নেই। আমি পুলিশকে বলেছি, তারা যাতে গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখে।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে একী বললেন তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক গদাধর হাজরা?

    Anubrata Mondal: অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে একী বললেন তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক গদাধর হাজরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) দিল্লি নিয়ে গিয়ে যদি কষ্ট দেওয়া হয়, বীরভূম জেলার বিজেপি কর্মীদের আমরা কষ্ট দেব। রবিবার বীরভূমের নানুরে দলীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক গদাধর হাজরা এই মন্তব্য করেন। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে তাঁর এই হুমকি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    বিজেপি কর্মীদের ঠিক কী হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক? Anubrata Mondal

    সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। জেল থেকে ছাড়া না পেলে এবার প্রথম অনুব্রতহীন (Anubrata Mondal) পঞ্চায়েত ভোট হবে এই জেলায়। স্বাভাবিকভাবে এটা জেলা নেতৃত্বের কাছে মস্তবড় চ্যালেঞ্জ। এদিনের সভায় গদাধরবাবু বলেন, অনুব্রত মণ্ডলকে(Anubrata Mondal) নিয়ে গিয়ে এই জেলার সংগঠন শেষ করার যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে তা হতে দেব না। জেলা কোর কমিটির সদস্য কাজল শেখ সহ আমরা সকলে রয়েছি। সামনের পঞ্চায়েত এবং লোকসভা নির্বাচনে আমরা দেখিয়ে দেব, অনুব্রত মণ্ডলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে ওরা যদি আঘাত করে, কষ্ট দেয় তাহলে এই জেলার বিজেপি কর্মীদের কষ্ট দেব। এই জেলায় বিজেপিকে কী করে শেষ করতে হয় সেটা দেখিয়ে দেব।

    কে এই গদাধর হাজরা?  একসময় গদাধর হাজরা নানুর বিধানসভার (২০১১-২০১৬) বিধায়ক ছিলেন। বিধায়ক থাকার সময় তিনি নানুরের দাপুটে নেতা কাজল শেখের সঙ্গ ছেড়ে অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) অনুগামী হয়েছিলেন। ২০১৬ সালে দল তাঁকে টিকিট দিলেও তিনি জিততে পারেননি। বলা ভাল, তার বিরুদ্ধ গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত কাজল শেখ তাঁর জয়ের পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। নানুরে সেবার সিপিএম জয়ী হয়। পরবর্তী সময়ে তিনি গেরুয়া শিবিরে কিছুদিনের জন্য নাম লিখিয়েছিলেন। সেখানেও খুব বেশিদিন টিকতে না পেরে ফের তৃণমূলে ফিরে আসেন। একসময় জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতি হয়ে গোটা বীরভূম চষে বেরিয়েছিলেন। এখন তৃণমূলে ফেরার পর তিনি কার্যত কোণঠাসা। তিনি এখন নানুর ব্লকের মাত্র দুটি অঞ্চলের সভাপতি।  জেলা কোর কমিটির নেতা কাজল শেখ, নানুরের বিধায়ক বিধানচন্দ্র মাঝি এবং নানুরের ব্লক সভাপতি সুব্রত ভট্টাচার্যের হাতেই এলাকার রাশ রয়েছে। ফলে, জেলা তো দূরের কথা নানুরে খুব বেশি দাপট দেখাতে পারে না বলে দলের অন্দরেই এই নিয়ে চর্চা রয়েছে। এমনকী দলীয় মিটিংয়ে তাঁকে ডাকা হত না বলে দলীয় নেতাদের কাছে তিনি উষ্মা প্রকাশ করেছিলেন। এমনকী কিছুদিন আগে সংবাদ মাধ্যমের সামনে সেকথা বলতে গিয়ে গদাধরবাবু বলেছিলেন, নানুরের ব্লক সভাপতি গ্রুপবাজি করছে। আমাকে মিটিংয়ে না ডাকলে কেন যাব? তাঁর বক্তব্যেই পরিষ্কার নানুরে তৃণমূল আড়াআড়িভাবে বিভক্ত। যদিও রবিবার নানুরের সভায় এক মঞ্চে দলীয় বিধায়ক, ব্লক সভাপতির সঙ্গে গদাধরবাবুকে এক আসনে বসতে দেখা গিয়েছে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে তাঁর এই হুমকি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal)   নামকে সামনে রেখে বিজেপি কর্মীদের হুমকি দিয়ে দলীয় কর্মীদের কাছে আগের মতো তিনি প্রাসঙ্গিক হতে চাইছেন বলে রাজনৈতিক মহল করছেন।

    তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়কের মন্তব্যকে কোনওভাবে আমল দিতে নারাজ বিজেপির বীরভূম জেলার সভাপতি ধ্রুব সাহা। তিনি বলেন, পাঁচিলের উপরে বসেঅনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) দিল্লি নিয়ে গিয়ে যদি কষ্ট দেওয়া হয়, বীরভূম জেলার বিজেপি কর্মীদের আমরা কষ্ট দেব। রবিবার বীরভূমের নানুরে দলীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক গদাধর হাজরা এই মন্তব্য করেন। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে তাঁর এই হুমকি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। ওরা এখন জল মাপছে। মানুষ আর ওদের কথা বিশ্বাস করবে না। আর ওই নেতা নিজেই দলে কোণঠাসা রয়েছেন। বিজেপি কর্মীদের হুমকি দিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বাজার গরম করার চেষ্টা করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Bomb Blast:  বোমা বিস্ফোরণে উড়ল তৃণমূল নেতার বাড়ি, কোথায় দেখে নিন?

    Bomb Blast: বোমা বিস্ফোরণে উড়ল তৃণমূল নেতার বাড়ি, কোথায় দেখে নিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বোমা বিস্ফোরণে (Bomb Blast) উড়ে গেল তৃণমূল নেতার বাড়ি। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের পাঁড়ুই থানার ভেড়ামারি গ্রামে। তৃণমূল নেতার নাম হাফিজুল শেখ। তিনি তৃণমূলের অঞ্চল কমিটির সদস্য। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে শাসক দলের নেতার বাড়িতে এরকম বোমা বিস্ফোরণের (Bomb Blast) ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে জোর চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই পুলিশ শেখ রিন্টু এবং শেখ গোলাম নামে দুজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। গত চারদিন ধরে এই জেলায় এত পরিমাণ বোমা এবং আগ্নেয়াস্ত্র বাজেয়াপ্ত হওয়ার ঘটনায় জেলা জুড়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    তৃণমূল নেতার বাড়িতে কী করে বোমা বিস্ফোরণ হল?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূল নেতার বাড়ির গোয়াল ঘরে চারটি  ড্রামের মধ্যে বোমা (Bomb Blast) রাখা ছিল। শুক্রবার রাতে সেই বোমা ভরতি ড্রাম কোনওভাবে নীচে পড়ে গিয়ে বোমা বিস্ফোরণের (Bomb Blast) ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। গোয়াল ঘরে থাকা বেশ কয়েকটি ছাগলও মারা যায়। বিস্ফোরণে (Bomb Blast) তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে তৃণমূল নেতার কংক্রিটের বাড়ি একেবারে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, রাতে আচমকাই বিকট শব্দে গোটা গ্রাম কেঁপে ওঠে। প্রথমে কী হয়েছে তা বুঝতে পারিনি। ঘর থেকে বেরিয়ে দেখি, হাফিজুলের বাড়়ির একাংশ ভেঙে পড়েছে। এই বিষয়ে তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, ওই তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে আগে থেকে বোমা মজুত ছিল, না বিরোধীরা বোমা রেখে ছিল তা তদন্তসাপেক্ষ। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে। তবে, পুলিশি তদন্তে ওই তৃণমূল কর্মী দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে দলগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, বোমা বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বীরভূম জেলায় পাল্লা দিয়ে বোমা, আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ১ মার্চ নানুর থানা এলাকায় বেশ কয়েকটি আগ্নেয়াস্ত্র পুলিশ বাজেয়াপ্ত করে। ২ মার্চও নানুর থানা এলাকা থেকে ৩ ড্রাম ভর্তি বোমা উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনার জের মিটতে না মিটতে ৩ মার্চ সাঁইথিয়ার বাতাসপুর এলাকায় প্রচুর পরিমাণে বোমা, আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। আর ৩ মার্চ রাতে সাঁইথিয়ার পর পাঁড়ুই থানা এলাকায় তৃণমূল নেতার আস্ত একটি বাড়িই কার্যত উড়ে গেল। বিরোধীদের বক্তব্য, পঞ্চায়েত নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, বোমা বারুদের ভর কেন্দ্র হয়ে উঠছে এই জেলা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

LinkedIn
Share