Tag: Nanur

Nanur

  • Drinking Water: চেয়েছিলেন জল, মিলল তৃণমূল নেতার অকথ্য ভাষায় হুমকি? ভাইরাল অডিও ক্লিপ

    Drinking Water: চেয়েছিলেন জল, মিলল তৃণমূল নেতার অকথ্য ভাষায় হুমকি? ভাইরাল অডিও ক্লিপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর দোষ, পানীয় জলের (Drinking Water) পরিষেবা না পেয়ে অভিযোগ করেছিলেন। আর তার জেরেই অভিযোগকারী ওই উপভোক্তাকে অকথ্য ভাষায় হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু নানুরের বাসাপাড়া। সেখানে একটি ওয়াটার এটিএম পরিষেবা চালু করা হয়েছে। যেখানে টাকার বিনিময়ে জল মেলে৷ কিন্তু টাকা দিয়েও পর্যাপ্ত জল মিলছে না বলে অভিযোগ করেন এক বাসিন্দা। এরপরেই বীরভূম জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ আব্দুল কেরিম খান অভিযোগকারীকে ফোন করে অকথ্য ভাষায় হুমকি দেন এবং গ্রেফতার করিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন বলে অভিযোগ।

    পানীয় জল নিয়ে মূল সমস্যা কী?

    নানুর ব্লকের বাসাপাড়ায় বছর দুই আগে সরকারি টাকায় তৈরি হয়েছে ওই ওয়াটার এটিএম। এটি আধুনিক মানের, যা সাধারণত থাকে এয়ারপোর্ট, মডেল রেল স্টেশন বা মেট্রো স্টেশনগুলিতে। এই ওয়াটার এটিএম থেকে ২ টাকার বিনিময়ে মেলে ২ লিটার পরিশ্রুত পানীয় জল (Drinking Water)৷ কিন্তু অভিযোগ, কয়েক দিন ধরে এই পরিষেবা ঠিকমতো পাওয়া যাচ্ছিল না৷ ২ টাকা দিলে এই ওয়াটার এটিএম থেকে অল্প জল বের হচ্ছিল৷ যিনি এই ওয়াটার এটিএমের দায়িত্বে ছিলেন, সেই ব্যক্তিকে ফোন করে অভিযোগ করেন সুশান ভৌমিক নামে এক ব্যক্তি৷ তাঁর বাড়ি নানুরের রামকৃষ্ণপুর গ্রামে৷ কিন্তু ওই ব্যক্তি জানিয়ে দেন, তিনি সেটির দায়িত্বে নেই।  

    কার ফোন থেকে কী হুমকি দেওয়া হলো?

    সুশান ভৌমিকের কাছ থেকে জানা গিয়েছে, জল (Drinking Water) পরিষেবা নিয়ে অভিযোগ করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এক ব্যক্তির ফোন থেকে ফোন আসে৷ ফোনে কথা বলেন বীরভূম জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ তথা নানুরের তৃণমূল নেতা আব্দুল কেরিম খান। এই কথোপকথনের একটি অডিও প্রকাশ্যে এসেছে (যার সত্যতা ‘মাধ্যম’ যাচাই করেনি)। এই অডিও ক্লিপে শোনা যাচ্ছে, অভিযোগকারী ব্যক্তিকে অকথ্য ভাষায় হুমকি দিচ্ছেন তৃণমূল নেতা আব্দুল কেরিম খান। শুধু হুমকি নয়, পুলিশকে দিয়ে তুলে এনে মারধর করার হুমকিও দিতে শোনা যাচ্ছে৷ 

    কে এই তৃণমূল নেতা?

    প্রসঙ্গত, পানীয় জল (Drinking Water) নিয়ে হুমকি দেওয়া ওই নেতা বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ। এই নেতা গরু পাচার মামলায় ইডি ও সিবিআইয়ের নজরে রয়েছেন। ইতিমধ্যে তাঁর নানুরের বাড়িতে হানা দিয়ে দীর্ঘ তল্লাশি চালিয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এমনকী, তাঁকে কলকাতার নিজাম প্যালেস ও দিল্লিতে ডেকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED-CBI Joint Raid Birbhum: অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ কেরিম খান, টুলু মণ্ডলের বাড়িতে যৌথ অভিযানে ইডি-সিবিআই

    ED-CBI Joint Raid Birbhum: অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ কেরিম খান, টুলু মণ্ডলের বাড়িতে যৌথ অভিযানে ইডি-সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার (Kolkata) পর এবার নজরে বীরভূম (Birbhum)। এসএসসি কাণ্ডে (SSC scam) তদন্তের মাঝেই এবার কয়লাকাণ্ড (Coal smuggling) ও গরুপাচার কাণ্ডের (Cattle smuggling) তদন্তেও ময়দানে নামল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। তবে একা নয়, একেবারে সিবিআই-কে (CBI) সঙ্গে নিয়ে বীরভূম তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) ঘনিষ্ঠ এক ব্যবসায়ী ও এক নেতার বাড়িতে সাতসকালে অভিযান চালাল যৌথ দল।

    বুধবার সকালে সিজিও কমপ্লেক্স (CGO complex) থেকে সকালে রওনা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দলের ৬টি গাড়ির কনভয়। বেলা এগারোটার কিছু পরে বোলপুর (Bolpur) পৌঁছয় ইডি-সিবিআই নিয়ে গঠিত যৌথ তদন্তকারী দল। বিশ্বভারতীর (Viswa Bharati) রতন কুটির গেস্ট হাউজে ওঠেন আধিকারিকরা। কিছুক্ষণের মধ্যেই দুটি দলে বিভক্ত হয়ে অভিযানে বেরিয়ে পড়েন তাঁরা। গন্তব্য, তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী এবং এক নেতার বাড়ি। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের নিয়ে একটি দল যায় নানুরের বাসাপাড়া ও আরেকটি দল যায় সিউড়ির (Siuri) দিকে। 

    আরও পড়ুন: আজ ফের আদালতে পেশ পার্থ-অর্পিতাকে, পুনরায় হেফাজতে চাইবে ইডি?

    নানুরের (Nanur) বাসাপাড়ায় বীরভূম জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ কেরিম খানের (TMC leader Kerim Khan) বাড়িতে যান অফিসারেরা৷ প্রসঙ্গত, ভোট-পরবর্তী হিংসায় অভিযুক্ত হিসাবে নাম রয়েছে এই কেরিম খানের৷ গরুপাচার কাণ্ডে তাঁকে এদিন জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি। এছাড়া কেরিম খানের ডান হাত হিসাবে পরিচিত তৃণমূল (TMC) নেতা তথা নানুরের আটকুলা গ্রামে চালের আড়তের মালিক মুক্তার শেখের বাড়িতেও যান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসারেরা। 

    অন্যদিকে, পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের (Stone trader Tulu Mondal) বাড়িতে সকাল সকাল হানা দেয় সিবিআই অফিসারেরা।  এরা দু’জনেই তৃণমূল বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ হিসাবেই পরিচিত। স্থানীয়দের দাবি, টুলু মণ্ডল কয়েকশো কোটি টাকার মালিক। তাই তাঁর বিপুল সম্পত্তির উৎস খুঁজতেই ইডি আধিকারিকেরা তাঁর বাড়িতে গিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের ৩টি বাড়িতে একযোগে তল্লাশি চলছে।

    ইতিমধ্যে কয়লা পাচার মামলায় অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূল নেতার দেহরক্ষী সায়গল হোসেন (Saigal Hossain)। ইলামবাজার-সহ বীরভূমের নানা জায়গায় সায়গলের কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির হদিশ মিলেছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, এই সায়গলকে জিজ্ঞাসাবাদের সূত্র ধরে উঠে এসেছে টুলু ও কেরিমের নাম। অভিযোগ, সায়গলের ব্যবসা নাকি টুলু দেখতেন। অন্য দিকে, এঁদের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন করতেন পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ কেরিম। এই সব সূত্র ধরেই ইডি ওই দুই বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছে বলে খবর।

    আরও পড়ুন: অভিজাত আবাসন থেকে নেল আর্ট পার্লার, ‘গুপ্ত’ধনের সন্ধানে অভিযান ইডি-র

    অন্যদিকে, এসএসসি কাণ্ডে বীরভূমে পার্থ-অর্পিতার (Partha-Arpita) বিপুল সম্পত্তির হদিশ পেতে এদিন অভিযানে নামে ইডি-র (ED) আরেকটি দল। এদিন সকালে শান্তিনিকেতনের (Shantiniketan) বাড়ি ‘অপা’-য় পৌঁছে তল্লাশি শুরু করে ইডি। প্রথমেই ওই বাড়িতে প্রবেশ করার পরই বাড়ির কেয়ারটেকারের থেকে বাড়ির দলিল পান ইডি আধিকারিকরা। রীতিমতো গোটা বাড়িটিকে ঘিরে ফেলে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    শান্তিনিকেতনের ফুলডাঙার ‘অপা’ (Apa) কার্যত এখন দর্শনীয় স্থান। সামনে বিশাল লন, বিভিন্ন গাছপালায় সুসজ্জিত একটি বাড়ি। বাড়িটি শিক্ষক দুর্নীতিতে গ্রেফতার হয় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee)। ইডির হাতে এসেছে বোলপুরের জমির দলিল। ২০১২ সালের জানুয়ারিতে কলকাতার সুসেন বন্দ্যোপাধ্যায়-শ্যামলী বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে ‘অপা’ বাড়িটি কিনেছিলেন পার্থ-অর্পিতা। বাড়িটির দলিলেও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সই মিলেছে৷

LinkedIn
Share