Tag: Narendra Modi

Narendra Modi

  • Kartavya Path: বদলে যাচ্ছে দিল্লির রাজপথের নাম! কী নাম রাখা হচ্ছে, জানেন?

    Kartavya Path: বদলে যাচ্ছে দিল্লির রাজপথের নাম! কী নাম রাখা হচ্ছে, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে দিল্লির ‘রাজপথ’ (Rajpath) ও সেন্ট্রাল ভিস্তার (Central Vista) ঐতিহাসিক নামকরণ পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে এক বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদি (Modi) সরকার। কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দিল্লির ‘রাজপথের’ নাম পরিবর্তন করে রাখা হচ্ছে ‘কর্তব্যপথ’ (Kartavya path)। নেতাজির মূর্তি থেকে রাষ্ট্রপতি ভবন পর্যন্ত রাজপথের নাম রাখা হবে কর্তব্যপথ। রাজপথের পাশাপাশি মোদি সরকার সেন্ট্রাল ভিস্তা লনের নামও পরিবর্তন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

    স্বাধীনতার ৭৫ বছর (Independence Day) পূর্তি উপলক্ষ্যে দিল্লির লালকেল্লা (Delhi Red Fort) থেকে জাতির উদ্দেশে বার্তা দেওয়ার সময়েই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি(Narendra Modi) ঔপনিবেশিক মানসিকা থেকে বেরিয়ে আসার সময় এসেছে বলে ঘোষণা করেছিলেন। ব্রিটিশ আমলের নাম বদলে ফেলার এবং তাদের রাজতন্ত্র থেকে বেরিয়ে আসার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি। এবার মোদীর ঘোষণা মতো এবার দিল্লির রাজপথ ও সেন্ট্রাল ভিস্তার লেনের নতুন নামকরণ করা হচ্ছে বলে মনে করা হয়।

    আরও পড়ুন: জলে ভাসল দেশের তৈরি প্রথম বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রান্ত, দেখুন ছবি

    উল্লেখ্য, নৌবাহিনী গত সপ্তাহে দেশের প্রথম তৈরি বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রান্ত (INS Vikrant) লঞ্চের সময় তার পতাকা পরিবর্তন করেছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের রেস কোর্স রোড (Race Course Road)  নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে লোক ‘কল্যাণ মার্গ’ (Lok Kalyan Marg )।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, ৭ সেপ্টেম্বর এনডিএমসির তরফে একটি বৈঠক ডাকা হয়েছে। আর সেখানেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আরও জানা গিয়েছে, আগামী ৮ সেপ্টেম্বর সেন্ট্রাল ভিস্তা অ্যাভিনিউ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (Modi)।

    ‘রাজপথ’-কে দিল্লির সবচেয়ে জনপ্রিয় রাস্তা হিসেবে মনে করা হয়। নতুন করে এই রাস্তাকে সাজিয়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। লাল গ্র্যানাইটের এই রাস্তা ১.১ লক্ষ স্কোয়ার কিলোমিটার জুড়ে রয়েছে। চারিদিকে রয়েছে সবুজের ছোঁয়া। রাজপথের পাশে রয়েছে ১৩৩ টি লাইটের স্ট্যান্ড। রয়েছে ৪,০৮৭ টি গাছ। বহু বাগানও রয়েছে।

    অন্যদিকে নতুন করে সাজানো হচ্ছে ‘সেন্ট্রাল ভিস্তা অ্যাভিনিউ’। প্রায় ২০ মাস ধরে একে নতুন করে সাজানোর কাজ করা হচ্ছিল। এর ফলে জনসাধারণের জন্য বন্ধ ছিল রাজধানীর রাজপথ। চলতি সপ্তাহের শেষের দিকেই আবারও রাস্তাটি সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। সেন্ট্রাল ভিস্তা অ্যাভিনিউকে ডেডিকেটেড ভেন্ডিং জোন দিয়ে নতুন করে সাজানো হয়েছে। সেখানে আইসক্রিমের পাশাপাশি ১৬টি রাজ্যের খাবার পাওয়া যাবে। আবার ১০০০-এরও বেশি গাড়ির জন্য পাবলিক সুবিধা থাকবে এবং পার্কিংয়ের জন্য নতুন ব্লকের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

  • Modi-Hasina Meet: হায়দ্রাবাদ হাউসে বৈঠকে মোদি-হাসিনা, নজরে জলবণ্টন, সীমান্ত সুরক্ষা

    Modi-Hasina Meet: হায়দ্রাবাদ হাউসে বৈঠকে মোদি-হাসিনা, নজরে জলবণ্টন, সীমান্ত সুরক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার হায়দ্রাবাদ হাউসে (Hyderabad House) বৈঠকে বসেছেন বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (PM Sheikh Hasina ) এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তার আগে হাসিনা যান রাজঘাটে। সেখানে শ্রদ্ধা জানান তিনি। রাষ্ট্রপতি ভবনে তাঁকে দেওয়া হয় সংবর্ধনা। ভারতে আসতে পেরে তিনি যে খুশি, এদিন তা গোপন করেননি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ভারত আমাদের বন্ধু। যখনই আমি ভারতে আসি, তখনই মনে করি আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের অবদানের কথা। আমাদের একটা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। আমরা একে অপরের সঙ্গে সহযোগিতা করে চলেছি।

    এদিন রাষ্ট্রপতি ভবনে হাসিনাকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মোদির সঙ্গে করমর্দন করেন তিনি। সেই সময় উপস্থিত ছিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও। চার দিনের সফরে দিল্লি এসেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। সোমবারই তিনি বৈঠক করেছেন জয়শঙ্করের সঙ্গে। আলোচনা করেছেন দ্বিপাক্ষিক নানা বিষয় নিয়ে। এদিন তিনি নিজামউদ্দিন আউলিয়া দরগা পরিদর্শনে যান। মঙ্গলবার দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা। যে সব ইস্যু নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা, তার মধ্যে ভারত-বাংলাদেশ প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সহযোগিতা, আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ এবং দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার মতো বিষয়ও রয়েছে।

    প্রসঙ্গত, ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পঞ্চাশে পা দিয়েছে ২০২১ সালে। তার পর ভারতে প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের এই প্রথম বৈঠক। গত বছর ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর। ওই বছরই জন্ম শতবর্ষ ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী পদে বসেন নরেন্দ্র মোদি। তার পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ১২ বার বৈঠকে বসেছেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী। গত বছরই বাংলাদেশে গিয়েছিলেন মোদি। তার পর এই এলেন হাসিনা। বসলেন মোদির সঙ্গে বৈঠকে।  

    আরও পড়ুন :’২৪ সালে মানুষ নরেন্দ্র মোদির পক্ষেই ভোট দেবেন, দাবি সুশীল মোদির

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Narendra Modi: ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোমই ভবিষ্যত’, বললেন প্রধানমন্ত্রী, কর্মদক্ষতা বাড়াতে একাধিক পরামর্শ মোদির

    Narendra Modi: ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোমই ভবিষ্যত’, বললেন প্রধানমন্ত্রী, কর্মদক্ষতা বাড়াতে একাধিক পরামর্শ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বৃহস্পতিবার, শ্রমশক্তি নিয়ে এক বড় ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। তিনি বলেছেন, ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ (Work From Home) এই দেশের ভবিষ্যত হতে চলেছে। বৃহস্পতিবার শ্রম মন্ত্রকের তরফে আয়োজিত জাতীয় কনফারেন্সে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানেই ভারতের শ্রমিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, ভবিষ্যতের জন্য নমনীয় কর্মস্থল, নমনীয় কাজের সময় এবং ঘরে বসে কাজের সুবিধাকে আরও উন্নত করতে হবে এবং ভবিষ্যতে এটিই প্রয়োজন। তাঁর মতে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’-এর সুযোগ থাকলে আরও বেশি সংখ্যক নারী কাজে যোগ দিতে পারবেন।

    প্রধানমন্ত্রী মোদি এদিন জানান, ভারতে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির দ্রুত হারে উন্নতি হচ্ছে এবং এর পেছনে শ্রমিকদেরই অবদান রয়েছে। তিনি আরও জানান, কেন্দ্রের ই-শ্রম পোর্টাল (E-Shram Portal) কর্মীদের সামাজিক সুরক্ষা দিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। মাত্র এক বছরেই দেশের ৪০০টি জায়গা থেকে ২৮ কোটি শ্রমিক এই পোর্টালে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করেছেন। এই পোর্টালের মাধ্যমে বিশেষ করে পরিযায়ী শ্রমিক, নির্মাণকর্মী, ঠিকা কর্মী ও বাড়িতে কর্মরত মহিলারা উপকৃত হয়েছেন। প্রত্যেক রাজ্যের শ্রম পোর্টালের সঙ্গে কেন্দ্রের ই-শ্রম পোর্টালের সংযুক্তিকরণের জন্য অনুরোধ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: ফের বিশ্বসেরা মোদি! সকল রাষ্ট্রনেতাদের পিছনে ফেলে জনপ্রিয়তার শিখরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী

    তিনি ২০৪৭ সালের অমৃতকালের কথাও বলেছেন। অর্থাৎ দেশের শ্রম মন্ত্রকের (Labour Ministry) নির্দিষ্ট কিছু লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। ২০৪৭ সালের জন্য এই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্যমাত্রা করার উদ্দেশ্য হল দেশের কর্মশক্তির মধ্যে মহিলাদের সংখ্যাকে বাড়িয়ে তোলা। তার জন্যেই নির্দিষ্ট কিছু পদক্ষেপ নিতে চলেছে সরকার। আবার কাজের পদ্ধতি শিথিল করার কথা ভাবা হয়েছে।

    এই কনফারেন্সে সমস্ত রাজ্যের শ্রমমন্ত্রীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “ভারতের স্বপ্ন পূরণে এবং অমৃতকালে দাঁড়িয়ে ভারতকে উন্নত দেশে পরিণত করার পিছনে দেশের শ্রমশক্তির বিরাট অবদান রয়েছে। দেশের সংগঠিত ও অসংগঠিত ক্ষেত্রে বর্তমানে কোটি কোটি কর্মী রয়েছেন, যাঁদের অবদান অনস্বীকার্য।”

    প্রসঙ্গত, অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতিতে ২৫ ও ২৬ অগাস্ট কেন্দ্রীয় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রক দুদিনের সম্মেলনের আয়োজন করেছিল। শ্রম-সম্পর্কিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য সমবায় ফেডারেলিজমের নেতৃত্বে এই কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Narendra Modi: দুই রাজ্যে পরিকাঠামোয় জোর, হরিয়ানা এবং পাঞ্জাবে হাসপাতাল উদ্বোধন করবেন মোদি

    Narendra Modi: দুই রাজ্যে পরিকাঠামোয় জোর, হরিয়ানা এবং পাঞ্জাবে হাসপাতাল উদ্বোধন করবেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার ২৪ অগাস্ট পাঞ্জাব (Punjab), হরিয়ানা (Haryana) সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। এদিন দুই রাজ্যেই একটি করে হাসপাতাল উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার প্রধানমন্ত্রীর দফতরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, প্রথমে হরিয়ানার ফরিদাবাদে ‘অমৃতা হাসপাতাল’ (Amrita Hospital) উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। তারপর মোহালির ‘হোমি ভাবা ক্যান্সার হাসপাতাল ও রিসার্চ সেন্টার’ (Homi Bhabha Cancer Hospital and Research Centre) নামে বিশ্বমানের একটি ক্যান্সার হাসপাতাল উদ্বোধন করবেন তিনি।   

    আরও পড়ুন: কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচন পর্যন্ত ‘ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ’ নীতি নিচ্ছে জি-২৩!

    পিএমও সূত্রে জানা গিয়েছে, নবনির্মিত এই হাসপাতালে ২ হাজার ৬০০টি বেডের পাশাপাশি অত্যাধুনিক চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়া যাবে এবং এই গোটা হাসপাতালটি দেখভালের দায়িত্ব থাকবে মাতা আনন্দময়ী মঠ। হাসপাতালটিতে থাকবে ৫৩৪টি ক্রিটিক্যাল কেয়ার বেড, ২৫০০ জন প্যারা মেডিক্যাল কর্মী, ৮০০ জন চিকিৎসক। ১ কোটি বর্গফুট জায়গাজুড়ে গড়ে উঠেছে এই হাসপাতাল। হাসপাতাল তৈরিতে মোট ৬ হাজার কোটি টাকা খরচ হয়েছে। হাসপাতাল চালু হওয়ার ফলে ফরিদাবাদ ও জাতীয় এনএসআরের মানুষদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে অনেকটাই সুযোগ সুবিধা হবে।        

    অন্যদিকে প্রতিবেশী রাজ্য পাঞ্জাবের মোহালিতে বিশ্বমানের ক্যান্সার হাসপাতাল উদ্বোধনের ফলে এই অঞ্চলের মানুষ ক্যান্সারের চিকিৎসা করাতে পারবেন। পারমাণবিক শক্তি বিভাগের আওতায় থাকা টাটা মেমোরিয়াল সেন্টার ৬৬০ কোটি টাকা ব্যায়ে এই হাসপাতালটি তৈরি করেছে। এই ক্যান্সার হাসপাতালে ৩০০টি বেডের পাশাপাশি উন্নত প্রযুক্তির যন্ত্রাংশ বসানো হয়েছে। এই হাসপাতালে অপারেশন, রেডিও থেরাপি, কেমোথেরাপি, ইমিউনোথেরাপি এবং বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টের মতো সব ধরনের ক্যান্সারের চিকিৎসা হবে বলেই জানা গিয়েছে। এই হাসপাতাল ক্যান্সার চিকিৎসার হাব হিসেবেই ব্যবহার করা হবে। 

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় ‘আত্মনির্ভরতা’! দেশীয় সারমেয় মুধল হাউন্ডে ভরসা, জানেন এর বৈশিষ্ট্য

    হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর জানিয়েছেন, প্রত্যেক জেলায় জেলায় মেডিক্যাল কলেজ তৈরির কাজ চলছে। এই মুহূর্তে রাজ্যে ১৩টি মেডিক্যাল কলেজ রয়েছে। ৮টি মেডিক্যাল কলেজ নির্মাণের কাজ চলছে। ১৩,০০০ চিকিৎসক রয়েছে। সরকার সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ২৮,০০০ করতে চায়। অর্থাৎ প্রতি বছর ২,৬৫০ জন চিকিৎসক তৈরি হবেন। 

     

     

  • G 23: কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচন পর্যন্ত ‘ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ’ নীতি নিচ্ছে জি-২৩!

    G 23: কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচন পর্যন্ত ‘ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ’ নীতি নিচ্ছে জি-২৩!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচন (Congress President Polls) পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চায় দলের বিক্ষুব্ধ অংশ। পুরো পরিস্থিতির ওপর নজরও রাখছেন ওই গোষ্ঠীর নেতারা। সভাপতি নির্বাচন শেষ হলেই পরবর্তী পদক্ষেপ করবেন কংগ্রেসের (Congress) এই বিক্ষুব্ধ অংশ। দলে যাঁরা জি-২৩ (G 23) নামেই পরিচিত।

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনে পদ্ম শিবিরের কাছে গোহারা হারে কংগ্রেস। বিপুল শক্তি নিয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় ফেরে বিজেপি (BJP)। ফের প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। লোকসভা নির্বাচনে দলের ভরাডুবির দায় ঘাড়ে নিয়ে জাতীয় সভাপতির পদে ইস্তফা দেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। তার পর থেকে পদটি ফাঁকাই পড়ে রয়েছে। বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi)। বয়সজনিত কারণে তিনি আর সভাপতির পদে বসতে চান না। এর পরে দলের একটা অংশ রাহুলকেই ওই পদে বসাতে উদ্যোগী হয়। তবে তিনি যে ওই পদে বসতে চান না তাও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। সেই কারণেই শুরু হয়েছে নির্বাচন। পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ হবে ২০ সেপ্টম্বরের মধ্যে। শেষমেশ কে ওই পদে বসেন, তা দেখেই পরবর্তী পদক্ষেপ স্থির করবে জি-২৩ গোষ্ঠী।

    আরও পড়ুন : দুটো নামে সীমাবদ্ধ নয় কংগ্রেস! জানেন গান্ধী পরিবারকে নিশানা করে কি বললেন আনন্দ শর্মা

    গত বছরই প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচন শুরু হয়েছিল। তবে করোনা পরিস্থিতি এবং তার পর কয়েকটি রাজ্যে ভোটের কারণে তা স্থগিত হয়ে যায়। চলতি বছর ফের ভোট প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে নতুন করে। কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ অংশের এক প্রবীণ নেতা বলেন, সভাপতি নির্বাচনের চেয়েও আশু প্রয়োজন কংগ্রেস ওয়ার্কি কমিটি এবং পার্লামেন্টারি বোর্ডের নির্বাচন। কারণ কংগ্রেসে এই দুটিই হল ক্ষমতার ভরকেন্দ্র। কংগ্রেসে এই মুহূর্তে প্রয়োজন তৃণমূল স্তরের নেতার। তিনি বলেন, কংগ্রেসের সিংহভাগ পদ দখল করে বসে রয়েছেন গান্ধী পরিবারের ঘনিষ্ঠরা। দলের কাজকর্ম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেই এই নেতারা চুপ করিয়ে দেন। অথচ এঁদের সঙ্গে দলের তৃণমূল স্তরের কোনও সম্পর্কই নেই।

    আরও পড়ুন : সভাপতি পদে রাহুলের ‘না’, গান্ধী পরিবারের বাইরের নেতা পাচ্ছে কংগ্রেস?

    সম্প্রতি দল রাজ্য ইউনিটের দায়িত্ব দিয়েছিল বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীর গুলাম নবি আজাদ এবং আনন্দ শর্মাকে। দুজনেই তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। জি-২৩-র ওই প্রবীণ নেতা বলেন, তাঁরা ওই পদ গ্রহণ করেননি, কারণ দল হারলেই বলির পাঁঠা করা হত তাঁদের। বিক্ষুব্ধ শিবির সূত্রে খবর, সেই কারণেই ‘ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ’ পলিসি নিয়েছে জি-২৩।

     

  • Putin on India: ভারত নিজের অধিকারেই বিশ্বে সম্মানিত, স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা বার্তায় পুতিন

    Putin on India: ভারত নিজের অধিকারেই বিশ্বে সম্মানিত, স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা বার্তায় পুতিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের (Independence Day) শুভেচ্ছা বার্তায় ভারতের ভূয়সী প্রশংসা করলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin)। স্বাধীনতা দিবসে ভারতীয় নেতৃত্ব ও জনগণকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, “অনুগ্রহ করে ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ তম বার্ষিকী উপলক্ষে আন্তরিক অভিনন্দন গ্রহণ করুন। কয়েক দশক ধরে ভারত অর্থনৈতিক, সামাজিক, বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে সর্বজন স্বীকৃত সাফল্য অর্জন করেছে। বিশ্ব মঞ্চে নিজের অধিকারেই ভারত যথাযথভাবে মর্যাদা উপভোগ করে এবং বিশ্বের সমস্যা সমাধানে গঠনমূলক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।”  

    আরও পড়ুন: শ্রীলঙ্কার সঙ্কটের জন্যে রাশিয়াকেই দায়ী করল যুক্তরাষ্ট্র, কেন?

    পুতিন লেখেন, “আমি নিশ্চিত যে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদার করার স্বার্থে যৌথভাবে আমরা আমাদের জনগণের সুবিধার জন্য আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ককে আরও উন্নত করে তুলব।”  

    পুতিন বলেন, “রুশ-ভারত (Russia) সম্পর্ক আরও বিকশিত হচ্ছে। মস্কো এবং নয়াদিল্লি সফলভাবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে যৌথভাবে সহযোগিতা করছে।” একই সঙ্গে জাতিসংঘ, ব্রিকস, এসসিওসহ অন্যান্য বহুপাক্ষিক বৈঠকে দু দেশের মধ্যে গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন পুতিন। দু দেশের জনগণের সম্পর্ক আরও মজবুত করার কথাও এদিন বলেন পুতিন। 

    আরও পড়ুন: ইউক্রেনের পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা! শান্তি রক্ষায় এগিয়ে আসুক দুপক্ষ, আর্জি ভারতের

    পুতিন বলেছেন, “রাশিয়া এবং ভারতের একে অপরকে সহযোগীতায় প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও অর্থনীতি, শান্তিপূর্ণ পরমাণু ও মহাকাশ অনুসন্ধান, শিক্ষা ও সংস্কৃতি আত্মবিশ্বাসের সাথে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। আমাদের ভারতীয় বন্ধুদেরকে তাঁদের জাতীয় ছুটির দিনে অভিনন্দন জানাই। আমরা আপনাদের শান্তি, সমৃদ্ধি এবং নতুন সাফল্য কামনা করি!” রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu) ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) সুস্বাস্থ্য এবং সাফল্যও কামনা করেছেন রুশ রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন।     

  • Narendra Modi: এক বছরে ২৬ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বেড়েছে প্রধানমন্ত্রীর! জানেন তাঁর মোট অর্থের পরিমাণ

    Narendra Modi: এক বছরে ২৬ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বেড়েছে প্রধানমন্ত্রীর! জানেন তাঁর মোট অর্থের পরিমাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতবছরের থেকে এবছর ২৬ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বেড়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi)। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের ওয়েবসাইট থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে , ২০২২ সালের ৩১ মার্চ তারিখে তাঁর সম্পত্তির মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা। মার্চ ২০২১ সালের নথি অনুযায়ী সেসময় তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৯৭ লাখ ৬৮ হাজার ৮৮৫ টাকা।

    সম্প্রতি নরেন্দ্র মোদি-সহ (Narendra Modi) কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সম্পত্তির খতিয়ান প্রকাশ করেছে পিএমও (PMO)। এই খতিয়ানেই ফিক্সড ডিপোজিট, ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেটস, জীবন বিমা, গহনা, ব্যাঙ্কে জমা টাকা এবং হাতে থাকা নগদ মিলিয়ে মোদির অস্থাবর সম্পত্তির এই হিসেব দেখানো হয়েছে। গত বছর মোদির হাতে নগদ ছিল ৩৬ হাজার ৯০০ টাকা, তা কমে ৩৫ হাজার ২৫০ টাকা হয়েছে। ব্যাঙ্কে জমা টাকার পরিমাণও ১ লক্ষ ৫২ হাজার ৪৮০ টাকা থেকে কমে ৪৬ হাজার ৫৫৫ টাকা হয়েছে। মোদির নামে (PM Narendra Modi Assets) ২০ হাজার টাকার এল অ্যান্ড টি বন্ড রয়েছে বলে জানানো হয়। ২০১২ সালে গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময় সেটি কিনেছিলেন তিনি। এ বছর সেটির কোনও উল্লেখ মেলেনি।

    আরও পড়ুন: পিএম উজ্জ্বলা যোজনার ৩৭% উপভোক্তাই সংখ্যালঘু, বলছে পরিসংখ্যান

    একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী দফতরের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী এই মুহূর্তে নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) নামে কোনও স্থাবর সম্পত্তি নেই। এর আগে তাঁর দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী তাঁর নামে ১ কোটি ১০ লাখ টাকা মূল্যের কিছু জমি ছিল। যদিও ওটি একটি অংশীদারী সম্পত্তি ছিল। যাতে নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও আরও দুজন অংশীদার ছিলেন। জানা গিয়েছে, নিজের অংশের জমিটি তিনি দান করে দিয়েছেন। তাই আজকের তারিখে দাঁড়িয়ে তাঁর নামে কোনও জমি নেই।

    প্রধানমন্ত্রীর পেশ করা তথ্য থেকেই জানা যায়, তাঁর নিজস্ব কোনও গাড়ি নেই। কোনও শেয়ার, মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করেন না নরেন্দ্র মোদী। তবে পোস্ট অফিসে একটি ন্যাশনাল সেভিংস সার্টিফিকেট (National Savings Certificate) আছে মোদির নিজের নামে। যার মূল্য ৮ লক্ষ ৯৩ হাজার ২৫১ টাকা থেকে বেড়ে ৯ লক্ষ ৫ হাজার ১০৫ টাকা হয়েছে। এছাড়াও তাঁর নিজের নামে একটি ১ লাখ ৮৯ হাজার ৩০৫ টাকার পলিসিও (life insurance policies) রয়েছে। 

    এছাড়াও ৪৫ গ্রাম ওজনের মোদির চারটি সোনার আংটি রয়েছে বলে জানানো হয়েছে, যার মূল্য ১ লক্ষ ৭৩ হাজার ৬৩ টাকা। এক বছর আগে সেগুলির মূল্য ১ লক্ষ ৪৮ হাজার ৩৩১ টাকা ছিল। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের দেওয়া তথ্যে মোদির স্ত্রী যশোদাবেনের উল্লেখ থাকলেও, তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ জানা নেই বলে দেখানো হয়েছে।

  • Suvendu Adhikari: কেন্দ্রের টাকা নয়ছয়, প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি শুভেন্দুর 

    Suvendu Adhikari: কেন্দ্রের টাকা নয়ছয়, প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি শুভেন্দুর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বকেয়া অর্থ আদায় করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে দেখা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ঠিক তার পরের দিনই প্রধানমন্ত্রীকে পাঁচ পাতার একটি চিঠি পাঠালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু জানান, পশ্চিমবঙ্গে এই বিশাল আর্থিক দুর্নীতির বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নজরে আনার জন্যই চিঠি লেখা হয়েছে তাঁকে।

    প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠিতে শুভেন্দু লিখেছেন, দিনের পর দিন এই দুর্নীতি চলছে। একশো দিনের কাজ দিয়ে গরিব মানুষকে টাকা দেওয়ার কথা ছিল। অথচ কোনও কাজ না দিয়েই টাকা খরচ করা হয়েছে। আর তা প্রমাণ করতে ভুল শংসাপত্রও দেওয়া হয়েছে। একশো দিনের কাজে বৃক্ষরোপণ করতে গিয়ে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগও তুলেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। পাঁচ পাতার ওই চিঠিতে তিনি লিখেছেন, নথিতে রাজ্য সরকার দেখিয়েছে হাজার হাজার হেক্টর জমিতে ম্যানগ্রোভ ও অন্য চারা গাছ রোপণ করা হয়েছে। আধিকারিকরা যখন পরিদর্শন করতে যান, তখন রাজ্যের তরফে বলা হয় ইয়াস, আমপান এবং অন্য প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে চারাগাছ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠা গাছগুলিকে দেখিয়ে দাবি করা হয় একশো দিনের প্রকল্পের অধীনেই সে সব গাছ রোপণ করা হয়েছে। কুলতলি বিধানসভা কেন্দ্র, জয়নগর-২ ব্লক সহ দক্ষিণ ২৪ পরগনার বেশ কিছু এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে।

    আরও পড়ুন : এটা তো সবে ট্রেলার, পুরো সিনেমা এখনও বাকি! ট্যুইটে কাকে বিঁধলেন শুভেন্দু অধিকারী?

    এই দুর্নীতির জন্য রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে তিনি লিখেছেন, তৃণমূলের স্থানীয় নেতারা এই একশো দিনের কাজের প্রকল্পকে টাঁকশালে পরিণত করেছেন।গরিব চাকরি প্রার্থীদের হয় টাকা দেওয়া হয়নি, নয় তো জব কার্ড ছিনিয়ে নিয়েছেন দুর্নীতিগ্রস্ত স্থানীয় নেতারা। ওই চিঠিতেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা লিখেছেন, অন্য কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্পের ক্ষেত্রেও একই দুর্নীতি হয়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবে বদলে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম। বদলে নিজেদের ইচ্ছামতো নাম দিয়েছে। কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা তদারকি করতে গেলে রাতারাতি সেসব নামের ফলক, সাইনবোর্ড বদলে দেওয়া হয়েছে। এভাবেই প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার নাম বদলে করা হয়েছে বাংলা গ্রামীণ সড়ক যোজনা।

    আরও পড়ুন : “তৃণমূলের ১০০ জনের নাম তুলে দিয়েছি…”, অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকের পর শুভেন্দু

    প্রসঙ্গত, এর আগেও একাধিকবার বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম রাজ্য সরকার বদলে দিচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছিলেন বিজেপি নেতারা। এবার কেন্দ্রীয় প্রকল্পে নানা দুর্নীতির অভিযোগও তুললেন শুভেন্দু।

     

  • Modi tweets Mahatma Gandhi’s photo: ভারত ছাড়ো আন্দোলনের বর্ষপূর্তিতে গান্ধীকে ট্যুইটারে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন প্রধানমন্ত্রীর 

    Modi tweets Mahatma Gandhi’s photo: ভারত ছাড়ো আন্দোলনের বর্ষপূর্তিতে গান্ধীকে ট্যুইটারে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন প্রধানমন্ত্রীর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্যুইটারে মহাত্মা গান্ধীকে শ্রদ্ধা জানালেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। মহাত্মা গান্ধীর (Mahatma Gandhi) পাশাপাশি শ্রদ্ধা জানালেন ভারত ছাড়ো (Quit India Movement) আন্দোলনে সব অংশগ্রহণকারীদের। ট্যুইটারে মহাত্মা গান্ধীর ছবিও পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: এক বছরে ২৬ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বেড়েছে প্রধানমন্ত্রীর! জানেন তাঁর মোট অর্থের পরিমাণ

    প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সূচনার সময় বম্বেতে মহাত্মা গান্ধীর ছবি।” 

     

     

    ১৯৮২ সালের ৮ অগাস্ট মহাত্মা গান্ধী, অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটির (AICC) বম্বে অধিবেশনে ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন। এই আন্দোলনই ছিল ব্রিটিশ শাসনের কফিনে শেষ পেরেক। আন্দোলনের শুরুতে গান্ধীজি ‘ডু অর ডাই’ স্লোগান দিয়েছিলেন। তিনি ব্রিটিশদের সতর্ক করে বলেন, অবিলম্বে ভারত ত্যাগ না করলে, ভয়ানক পরিণতির মুখোমুখি হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। এই আন্দোলনে দেশ জুড়ে বিশাল আকারের ধারণ করেছিল। এই আন্দোলনের মধ্যে দিয়েই মূলত দেশে সহিংস আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। বহু বিপ্লবীকে গ্রেফতার করে ব্রিটিশ সরকার।

    আরও পড়ুন: ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ অভিযানে শামিল হবেন কীভাবে? সার্টিফিকেট কী করে ডাউনলোড করবেন? জেনে নিন

    মোদি ট্যুইটে আরও লেখেন, “বাপুর দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে গোটা দেশ এই ভারত ছাড়ো আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে।”

     

     

      

  • Congress: সভাপতি পদে রাহুলের ‘না’, গান্ধী পরিবারের বাইরের নেতা পাচ্ছে কংগ্রেস?

    Congress: সভাপতি পদে রাহুলের ‘না’, গান্ধী পরিবারের বাইরের নেতা পাচ্ছে কংগ্রেস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তাহের শুরুতেই কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচন (Congress President Poll)। অথচ ওই পদে প্রার্থী হতে রাজি নন কংগ্রেস (Congress) নেতা তথা গান্ধী পরিবারের সদস্য রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। নিতান্তই রাহুল ওই পদে না বসলে দীর্ঘ দিন পর এবারই প্রথম গান্ধী পরিবারের বাইরের কেউ বসতে চলেছেন ওই পদে।

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনে ভরাডুবি হয় কংগ্রেসের। বিপুল শক্তি নিয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় ফেরে বিজেপি (BJP)। ফের প্রধানমন্ত্রীর তখতে বসেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের ভরাডুবির পর দলের জাতীয় সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেন রাহুল। তার পর থেকে পদটি ফাঁকাই পড়ে রয়েছে। বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন সোনিয়া গান্ধী। তিনি আর সভাপতির পদে বসতে চান না। বয়সজনিত কারণ ও মাঝেমধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়ায় তিনি চান এবার ওই পদে বসুন অন্য কেউ।

    সূত্রের খবর, দলের একটা বড় অংশ ওই পদে রাহুলকেই চাইছিলেন। তবে ওই পদে বসতে চান না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। অবশ্য কংগ্রেসেরই একটা অংশ রাহুলকে ওই পদে ফেরাতে মরিয়া। উনিশের ভোটের পর রাহুল ইস্তফাপত্র জমা দিলেও তা গ্রহণ করা হয়নি। তবে রাহুলও সাফ জানিয়ে দেন তিনি ওই পদে থাকছেন না। তিনি এও জানিয়েছিলেন, পার্টি প্রেসিডেন্ট পদে গান্ধী পরিবারেরই কাউকে বসতে হবে, এমন কথা নেই। তার পর থেকেই অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ চালাচ্ছেন সোনিয়া।

    আরও পড়ুন : দায়িত্ব পেয়েই ইস্তফা গুলাম নবি আজাদের, ‘ক্ষোভের আঁচে’ বিপাকে কংগ্রেস

    রাহুল না বলে দেওয়ায় ওই পদে কাকে বসানো যায়, তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে দলের অন্দরেই। তার পরেই জল্পনা দানা বাঁধছে কয়েকটি নাম নিয়ে। এঁরা হলেন, রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট, দলের সাধারণ সম্পাদক মুকুল ওয়াসনিক, লোকসভার প্রাক্তন স্পিকার মীরা কুমার, প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম এবং রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে। দলের একটি সূত্রের খবর, ওই পদে প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরাকে বসানোর চেষ্টা করছে কংগ্রেসের একটি অংশ। তবে প্রিয়ঙ্কাও রাজি না হলে সীতারাম কেশরির পর এই প্রথম গান্ধী পরিবারের বাইরের কেউ বসবেন ওই পদে। ১৯৯৮ সালে কংগ্রেসের সভাপতি হয়েছিলেন কেশরি।

    আরও পড়ুন : মোদির ডাকে সাড়া দিয়ে প্রোফাইল পিকচার বদলালেন রাহুল গান্ধীও!

LinkedIn
Share