Tag: Narendra Modi

Narendra Modi

  • India-US Relation: ফেব্রুয়ারিতেই আমেরিকায় মোদি! বেআইনি অভিবাসী ইস্যুতে ভারতে ভরসা ট্রাম্পের

    India-US Relation: ফেব্রুয়ারিতেই আমেরিকায় মোদি! বেআইনি অভিবাসী ইস্যুতে ভারতে ভরসা ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও মজবুত হতে চলেছে ভারত-মার্কিন সম্পর্ক (India-US Relation)। আগামী মাসেই আমেরিকা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার এই কথা ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার নানা বিষয় নিয়ে ফোনে কথা হয় মোদি-ট্রাম্পের। তারপরেই প্রধানমন্ত্রীর মার্কিন সফরের বিষয়টি ঘোষণা করেন ট্রাম্প। সেইসঙ্গে ভারতের উপরে আস্থা রেখে ট্রাম্প জানিয়েছেন যে, ‘বেআইনি অভিবাসীদের ফিরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে যেটা ঠিক, ভারত সেটাই করবে।’ জানা গিয়েছে, বিশ্ব শান্তির পাশাপাশি প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিয়েও কথা বলেছেন দুই রাষ্ট্রপ্রধান। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য নিয়ে তাঁদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। বিশেষত ভারত-আমেরিকার মধ্যে কৌশলগত সম্পর্ক এবং চিনের দাপট রুখতে কোয়াড জোটকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন দুই রাষ্ট্রপ্রধান।

     

    ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন সফরে মোদি

    সংবাদসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প (Trump Talks With Modi) শুধু বলেছেন যে ‘ফেব্রুয়ারির কোনও একটা সময় আমেরিকায় আসবেন মোদি।’ তবে ঠিক কবে আমেরিকায় যাবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী, কতদিন থাকবেন, সফরসূচিতে কী কী থাকবে, সে বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট কিছু জানাননি। দ্বিতীয়বার মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন ট্রাম্প ৷ শপথ নেওয়ার পর সোশাল মিডিয়ায় ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন মোদি ৷ তবে সোমবার দু’জনের মধ্যে প্রথমবার ফোনে কথা হয় ৷ তারপরই মোদির আমেরিকা সফরের কথা বলেন ট্রাম্প। যদিও ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে এই বিষয়টি নিয়ে এখনও সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি।

     

    ট্রাম্প-মোদি ফোনালাপ

    দ্বিতীয়বার মার্কিন প্রেসিডেন্ট (India-US Relation) হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রথমবার সঙ্গে ফোনে কথা বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ তাঁদের এই ফোনালাপ অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস৷ দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক এবং ভারত-মার্কিন সহযোগিতার পথ আরও সুদৃঢ় হবে বলে মনে করা হচ্ছে৷ সোমবার ডোনাল্ড ট্রাম্প ফোন করেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মোদিকে৷ আমেরিকার অভিবাসীদের মধ্যে একটা বড় অংশ ভারতীয় জনতা। সেই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প বলেন, “অভিবাসন নিয়ে কথা হয়েছে মোদির সঙ্গে। অভিবাসীদের ফেরানোর ক্ষেত্রে ভারত সঠিক পদক্ষেপই করবে।”

     

    বন্ধুর সঙ্গে কথা বলে আনন্দিত

    ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপের (Trump Talks With Modi) পর এক্স হ্যান্ডেলে মোদি লেখেন, ‘‘আমার প্রিয় বন্ধু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলে আনন্দিত। তাঁর ঐতিহাসিক দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য অভিনন্দন। পারস্পরিক উন্নয়ন এবং বিশ্বস্ত অংশীদারিত্বের জন্য আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের জনগণের কল্যাণে এবং বিশ্বের শান্তি, সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তার জন্য আমরা একযোগে কাজ করব।’’ ট্রাম্প ও মোদির ফোনালাপ সম্পর্কে হোয়াইট হাউসের তরফে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‘আজ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ফোনালাপ ফলপ্রসূ হয়েছে । দুই রাষ্ট্রনেতা পারস্পরিক সহযোগিতা গভীর ও সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা করেছেন ৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট আমেরিকায় তৈরি নিরাপত্তা সরঞ্জাম ক্রয় বৃদ্ধির জন্য দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়ে যাওয়ার জন্য গুরুত্ব দিয়েছেন ’’

     

    বেআইনি অভিবাসন

    নতুন করে ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পরেই আমেরিকা থেকে বেআইনি অভিবাসীদের বের করে দেওয়ার তোড়জোড় শুরু হয়েছে। এ প্রসঙ্গে নয়াদিল্লির (India-US Relation) তরফে ইতিমধ্যে জানানো হয়েছে যে উপযুক্ত নথি দেওয়া হলে বেআইনি অভিবাসীদের ফিরিয়ে নেওয়া হবে। গত সপ্তাহে ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, “আমরা বেআইনি অভিবাসনের বিরোধী। কারণ সেই বিষয়টা বিভিন্ন ধরনের সংগঠিত অপরাধের সঙ্গে যুক্ত।” তিনি আরও বলেছেন, “শুধুমাত্র আমেরিকায় থাকা ভারতীয়দের ক্ষেত্রে নয়, বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে যদি ভারতীয়রা নির্ধারিত সময়ের থেকে বেশি থাকেন বা উপযুক্ত নথি ছাড়া সংশ্লিষ্ট দেশে থাকেন, তাহলে আমরা তাঁদের ফিরিয়ে নেব। আমাদের সঙ্গে উপযুক্ত নথি ভাগ করে নিতে হবে, যাতে আমরা তাঁদের নাগরিকত্ব যাচাই করে নিতে পারি এবং নিশ্চিত হতে পারি যে তাঁরা সত্যিই ভারতীয়। যদি সেটাই বিষয় হয়, তাহলে আমরা পুরো বিষয়টা এগিয়ে নিয়ে যাব এবং তাঁদের ভারতে ফেরানোর কাজটা প্রশস্ত করব।”

     

    মোদি-ট্রাম্প বৈঠকের গুরুত্ব

    কূটনৈতিক মহলের মতে, বেআইনি অভিবাসীদের ফেরানোর মতো ‘ছোট’ ব্যাপারে ট্রাম্পের মন জিতে নিয়ে ‘বড়’ কাজের পরিকল্পনা করছে নয়াদিল্লি (India-US Relation)। যে তালিকায় এইচ-১বি ভিসা, বাণিজ্যের মতো বিষয় থাকতে পারে। মোদি এবং ট্রাম্প উভয়ই ভারত-মার্কিন কৌশলগত অংশীদারিত্ব এবং ইন্দো-প্যাসিফিক কোয়াড অংশীদারিত্বকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য তাঁদের প্রতিশ্রুতির উপর জোর দিয়েছেন ৷ চলতি বছরের শেষের দিকে প্রথমবার ভারতে হবে কোয়াড বৈঠক৷ অনেক দেশের মতোই অভিবাসন এবং শুল্কের বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কিছুটা হলেও উদ্বেগে রয়েছে ভারত৷ ইতিমধ্যেই ট্রাম্প ব্রিকস গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলোর উপরে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের কথা বলেছেন ৷ ৯ সদস্যভুক্ত ব্রিকসে ভারতও অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং আসন্ন মোদি-ট্রাম্প বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে ৷

  • PM Modi: “গণতন্ত্র, মর্যাদা এবং ঐক্য আমাদের শিকড়”, সাধারণতন্ত্র দিবসে বললেন মোদি

    PM Modi: “গণতন্ত্র, মর্যাদা এবং ঐক্য আমাদের শিকড়”, সাধারণতন্ত্র দিবসে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে সংবিধান প্রণেতাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। রবিবার সকালে দেশবাসীকে সাধারণতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা জানান তিনি। এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “গণতন্ত্র, মর্যাদা এবং ঐক্য আমাদের শিকড়। সংবিধান তা নিশ্চিত করেছে। এই সংবিধান তৈরিতে অবদান রেখেছেন বহু পুরুষ ও মহিলা। সেই সংবিধান প্রণেতাদের আমার বিনম্র প্রণাম।”

    অনুষ্ঠানের সূচনা

    এদিন সকালে কর্তব্যপথে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় যুদ্ধ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক (Republic Day) অর্পণ করেন। তার পরেই সূচনা হয় প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানের। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু কর্তব্য পথে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পরেই শুরু হয় প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ। কর্তব্য পথ থেকে লালকেল্লা পর্যন্ত কুচকাওয়াজে সশস্ত্র বাহিনী, আধা সামরিক বাহিনী এবং সহায়ক বেসামরিক বাহিনীর পাশাপাশি এনসিসি এবং এনএসএসের ইউনিটগুলি অংশ নেয়। বিজয় চক থেকে এদিন সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ কুচকাওয়াজ শুরু হয়। বিজয় চক কর্তব্য পথ হয়ে শেষ হয় লালকেল্লায় গিয়ে।

    বার্তা শাহেরও

    এদিন দেশবাসীর উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, “সমস্ত দেশবাসীকে প্রজাতন্ত্র দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা। প্রজাতন্ত্র দিবস ভারতের সাংবিধানিক মূল্যবোধ, সামাজিক সাম্যের প্রতি দৃঢ়তা এবং গণতন্ত্রের প্রতি আস্থার প্রতীক। এই শুভ উপলক্ষে আমি সকল মুক্তিযোদ্ধা ও সংবিধান প্রণেতাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই যাঁরা একটি শক্তিশালী প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন।” দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।

    এদিন অনুষ্ঠানের শুরুতে পুষ্পবৃষ্টি করে বায়ুসেনার এমআই-১৭ কপ্টার। এবার প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রবোও সুবিয়ান্তো। এদিনের জমকালো উৎসব দেখার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল প্রায় ১০ হাজার বিশেষ অতিথিকে। বিভিন্ন রাজ্যের ট্যাবলোও প্রদর্শিত হয়। সামরিক শক্তি প্রদর্শন করে ‘ব্রহ্মোস’, ‘পিনাক’ মিসাইল। ডিআরডিও-র তৈরি ভূমি থেকে ভূমি ক্ষেপণাস্ত্র ‘প্রলয়’ও এদিন প্রদর্শিত হয়েছে।

    এদিন (PM Modi) ট্যাবলো নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারকে আক্রমণ শানান বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তিনি লেখেন, “২০২১ এও দিল্লিতে (Republic Day) প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে রাজ্য সরকারের ট্যাবলোয় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প। ২০২৫-এও তাই (PM Modi)।”

  • PM Modi: মহাকুম্ভে গিয়ে ত্রিবেণী সঙ্গমে ডুব দেবেন মোদি, স্নান করবেন রাষ্ট্রপতিও

    PM Modi: মহাকুম্ভে গিয়ে ত্রিবেণী সঙ্গমে ডুব দেবেন মোদি, স্নান করবেন রাষ্ট্রপতিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৪৪ বছর পর হচ্ছে মহাকুম্ভ (Mahakumbh)। আবার এই যোগ আসবে ১৪৪ বছর পর। কারণ ১২টি পূর্ণকুম্ভ শেষে হয় একটি মহাকুম্ভ। পূর্ণকুম্ভ হয় ১২ বছর অন্তর। এবার প্রয়াগরাজে চলছে মহাকুম্ভ। গঙ্গা-যমুনা ও সরস্বতীর সঙ্গমস্থলে মহামিলন মেলা। সূত্রের খবর, মহাকুম্ভ উপলক্ষে ত্রিবেণী সঙ্গমে স্নান করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi), ৫ ফেব্রুয়ারি। ঘটনাচক্রে এদিনই হবে দিল্লি বিধানসভার নির্বাচন। এর আগে কন্যাকুমারীতে গিয়ে ধ্যানে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ধ্যান করেছেন কেদারনাথে গিয়েও। এবার তিনি সারবেন কুম্ভস্নান।

    কুম্ভস্নানে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    চলতি বছর কুম্ভমেলা শুরু হয়েছে ১৩ জানুয়ারি। চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। দেশ-বিদেশ থেকে কাতারে কাতারে আসছেন মানুষ, অমৃতস্নান করবেন বলে। পঞ্জিকা মতে, অমৃতস্নানের (একেই আগে শাহি স্নান বলা হত) যোগ পাঁচটি। প্রধানমন্ত্রী যে দিন স্নান করবেন, সেদিন অমৃতস্নানের যোগ নেই। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই কারণে ৫ ফেব্রুয়ারি মেলায় ভিড় কম হবে। পুণ্যার্থীদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, তাই এই দিনটিই বেছে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    ত্রিবেণী সঙ্গমে কে, কবে

    কুম্ভস্নান সেরে নিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। ২৭ জানুয়ারি পুণ্যস্নান করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ১ ফেব্রুয়ারি কুম্ভস্নানে যাবেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। আর ১০ ফেব্রুয়ারি ত্রিবেণী সঙ্গমে ডুব দেবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এরই মাঝে ৫ তারিখে কুম্ভস্নান সারবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    আরও পড়ুন: “চায়ের দোকান খুলুন, চাকরির চেয়ে বেশি রোজগার হবে”, বললেন মুখ্যমন্ত্রী

    মাস দেড়েকের মেলায় অমৃতস্নানের যোগ রয়েছে পাঁচটি। একটি হয়ে গিয়েছে। বাকি রয়েছে চারটি। এগুলি হল, ২৯ জানুয়ারি, মৌনী অমবস্যা, ৩ ফেব্রুয়ারি, বসন্ত পঞ্চমী, ১২ ফেব্রুয়ারি মাঘী পূর্ণিমা এবং ২৬ ফেব্রুয়ারি মহা শিবরাত্রি। এই দিনগুলিতে কয়েক কোটি ভক্ত কুম্ভস্নান করবেন পুণ্যলাভের আশায়। তাই এই দিনগুলিতে প্রধানমন্ত্রীর মতো ভিভিআইপি অমৃতস্নানে গেলে অসুবিধায় পড়বেন সাধারণ পুণ্যার্থীরা। বিজেপি সূত্রের খবর, সেই কারণেই অমৃতস্নানের জন্য প্রধানমন্ত্রী বেছে নিয়েছেন সাধারণ একটি দিন। প্রসঙ্গত, প্রতি ছ’বছর অন্তর হয় অর্ধকুম্ভ। প্রয়াগরাজ (Mahakumbh) ছাড়াও সেগুলি হয় হরিদ্বার, নাসিক এবং উজ্জ্বয়িনীতে (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

       

  • PM Modi: মহাকুম্ভে গিয়ে ত্রিবেণী সঙ্গমে ডুব দেবেন মোদি, স্নান করবেন রাষ্ট্রপতিও

    PM Modi: মহাকুম্ভে গিয়ে ত্রিবেণী সঙ্গমে ডুব দেবেন মোদি, স্নান করবেন রাষ্ট্রপতিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৪৪ বছর পর হচ্ছে মহাকুম্ভ (Mahakumbh)। আবার এই যোগ আসবে ১৪৪ বছর পর। কারণ ১২টি পূর্ণকুম্ভ শেষে হয় একটি মহাকুম্ভ। পূর্ণকুম্ভ হয় ১২ বছর অন্তর। এবার প্রয়াগরাজে চলছে মহাকুম্ভ। গঙ্গা-যমুনা ও সরস্বতীর সঙ্গমস্থলে মহামিলন মেলা। সূত্রের খবর, মহাকুম্ভ উপলক্ষে ত্রিবেণী সঙ্গমে স্নান করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi), ৫ ফেব্রুয়ারি। ঘটনাচক্রে এদিনই হবে দিল্লি বিধানসভার নির্বাচন। এর আগে কন্যাকুমারীতে গিয়ে ধ্যানে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ধ্যান করেছেন কেদারনাথে গিয়েও। এবার তিনি সারবেন কুম্ভস্নান।

    কুম্ভস্নানে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    চলতি বছর কুম্ভমেলা শুরু হয়েছে ১৩ জানুয়ারি। চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। দেশ-বিদেশ থেকে কাতারে কাতারে আসছেন মানুষ, অমৃতস্নান করবেন বলে। পঞ্জিকা মতে, অমৃতস্নানের (একেই আগে শাহি স্নান বলা হত) যোগ পাঁচটি। প্রধানমন্ত্রী যে দিন স্নান করবেন, সেদিন অমৃতস্নানের যোগ নেই। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই কারণে ৫ ফেব্রুয়ারি মেলায় ভিড় কম হবে। পুণ্যার্থীদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, তাই এই দিনটিই বেছে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    ত্রিবেণী সঙ্গমে কে, কবে

    কুম্ভস্নান সেরে নিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। ২৭ জানুয়ারি পুণ্যস্নান করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ১ ফেব্রুয়ারি কুম্ভস্নানে যাবেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। আর ১০ ফেব্রুয়ারি ত্রিবেণী সঙ্গমে ডুব দেবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এরই মাঝে ৫ তারিখে কুম্ভস্নান সারবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    আরও পড়ুন: “চায়ের দোকান খুলুন, চাকরির চেয়ে বেশি রোজগার হবে”, বললেন মুখ্যমন্ত্রী

    মাস দেড়েকের মেলায় অমৃতস্নানের যোগ রয়েছে পাঁচটি। একটি হয়ে গিয়েছে। বাকি রয়েছে চারটি। এগুলি হল, ২৯ জানুয়ারি, মৌনী অমবস্যা, ৩ ফেব্রুয়ারি, বসন্ত পঞ্চমী, ১২ ফেব্রুয়ারি মাঘী পূর্ণিমা এবং ২৬ ফেব্রুয়ারি মহা শিবরাত্রি। এই দিনগুলিতে কয়েক কোটি ভক্ত কুম্ভস্নান করবেন পুণ্যলাভের আশায়। তাই এই দিনগুলিতে প্রধানমন্ত্রীর মতো ভিভিআইপি অমৃতস্নানে গেলে অসুবিধায় পড়বেন সাধারণ পুণ্যার্থীরা। বিজেপি সূত্রের খবর, সেই কারণেই অমৃতস্নানের জন্য প্রধানমন্ত্রী বেছে নিয়েছেন সাধারণ একটি দিন। প্রসঙ্গত, প্রতি ছ’বছর অন্তর হয় অর্ধকুম্ভ। প্রয়াগরাজ (Mahakumbh) ছাড়াও সেগুলি হয় হরিদ্বার, নাসিক এবং উজ্জ্বয়িনীতে (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

       

  • PM Modi: মহাকুম্ভে গিয়ে ত্রিবেণী সঙ্গমে ডুব দেবেন মোদি, স্নান করবেন রাষ্ট্রপতিও

    PM Modi: মহাকুম্ভে গিয়ে ত্রিবেণী সঙ্গমে ডুব দেবেন মোদি, স্নান করবেন রাষ্ট্রপতিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৪৪ বছর পর হচ্ছে মহাকুম্ভ (Mahakumbh)। আবার এই যোগ আসবে ১৪৪ বছর পর। কারণ ১২টি পূর্ণকুম্ভ শেষে হয় একটি মহাকুম্ভ। পূর্ণকুম্ভ হয় ১২ বছর অন্তর। এবার প্রয়াগরাজে চলছে মহাকুম্ভ। গঙ্গা-যমুনা ও সরস্বতীর সঙ্গমস্থলে মহামিলন মেলা। সূত্রের খবর, মহাকুম্ভ উপলক্ষে ত্রিবেণী সঙ্গমে স্নান করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi), ৫ ফেব্রুয়ারি। ঘটনাচক্রে এদিনই হবে দিল্লি বিধানসভার নির্বাচন। এর আগে কন্যাকুমারীতে গিয়ে ধ্যানে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ধ্যান করেছেন কেদারনাথে গিয়েও। এবার তিনি সারবেন কুম্ভস্নান।

    কুম্ভস্নানে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    চলতি বছর কুম্ভমেলা শুরু হয়েছে ১৩ জানুয়ারি। চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। দেশ-বিদেশ থেকে কাতারে কাতারে আসছেন মানুষ, অমৃতস্নান করবেন বলে। পঞ্জিকা মতে, অমৃতস্নানের (একেই আগে শাহি স্নান বলা হত) যোগ পাঁচটি। প্রধানমন্ত্রী যে দিন স্নান করবেন, সেদিন অমৃতস্নানের যোগ নেই। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই কারণে ৫ ফেব্রুয়ারি মেলায় ভিড় কম হবে। পুণ্যার্থীদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, তাই এই দিনটিই বেছে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    ত্রিবেণী সঙ্গমে কে, কবে

    কুম্ভস্নান সেরে নিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। ২৭ জানুয়ারি পুণ্যস্নান করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ১ ফেব্রুয়ারি কুম্ভস্নানে যাবেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। আর ১০ ফেব্রুয়ারি ত্রিবেণী সঙ্গমে ডুব দেবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এরই মাঝে ৫ তারিখে কুম্ভস্নান সারবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    আরও পড়ুন: “চায়ের দোকান খুলুন, চাকরির চেয়ে বেশি রোজগার হবে”, বললেন মুখ্যমন্ত্রী

    মাস দেড়েকের মেলায় অমৃতস্নানের যোগ রয়েছে পাঁচটি। একটি হয়ে গিয়েছে। বাকি রয়েছে চারটি। এগুলি হল, ২৯ জানুয়ারি, মৌনী অমবস্যা, ৩ ফেব্রুয়ারি, বসন্ত পঞ্চমী, ১২ ফেব্রুয়ারি মাঘী পূর্ণিমা এবং ২৬ ফেব্রুয়ারি মহা শিবরাত্রি। এই দিনগুলিতে কয়েক কোটি ভক্ত কুম্ভস্নান করবেন পুণ্যলাভের আশায়। তাই এই দিনগুলিতে প্রধানমন্ত্রীর মতো ভিভিআইপি অমৃতস্নানে গেলে অসুবিধায় পড়বেন সাধারণ পুণ্যার্থীরা। বিজেপি সূত্রের খবর, সেই কারণেই অমৃতস্নানের জন্য প্রধানমন্ত্রী বেছে নিয়েছেন সাধারণ একটি দিন। প্রসঙ্গত, প্রতি ছ’বছর অন্তর হয় অর্ধকুম্ভ। প্রয়াগরাজ (Mahakumbh) ছাড়াও সেগুলি হয় হরিদ্বার, নাসিক এবং উজ্জ্বয়িনীতে (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

       

  • Trump Visit India: ভারত সফরে আসতে পারেন ট্রাম্প, মোদির কাছেও আসবে হোয়াইট হাউজের আমন্ত্রণ!

    Trump Visit India: ভারত সফরে আসতে পারেন ট্রাম্প, মোদির কাছেও আসবে হোয়াইট হাউজের আমন্ত্রণ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প (Trump Visit India) ২০ জানুয়ারি শপথ গ্রহণ করতে চলেছেন। জানা গিয়েছে, প্রেসিডেন্ট পদে বসার পর খুব শীঘ্রই ভারত সফরে আসতে পারেন তিনি। এই নিয়ে নাকি তিনি তাঁর ঘনিষ্ঠ পরামর্শদাতাদের সঙ্গে আলোচনাও করেছেন। গত ডিসেম্বরে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর যখন ওয়াশিংটনে গিয়েছিলেন, তখন এই নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছিল। উল্লেখ্য, ট্রাম্পের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারত সরকারের হয়ে উপস্থিত থাকবেন জয়শঙ্কর। এমনকী ট্রাম্প নাকি চিন সফরেও যেতে চাইছেন।

    কবে ভারতে আসছেন ট্রাম্প? (Trump Visit India)

    রিপোর্ট অনুযায়ী, ট্রাম্প ভারত সফরে আসতে পারেন এপ্রিলেই। আর সেই সময় যদি তা সম্ভব না হয়, তাহলে চলতি বছরের শেষের দিকে শীতকালে ভারতে আসতে পারেন তিনি। অন্যদিকে, এর আগে নিজের নির্বাচনী প্রচারের সময় চিনের ওপর শুল্কের বোঝা চাপানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের প্রথম কার্যকালে চিনকে বারংবর বিভিন্ন ইস্যুতে আক্রমণ শানিয়েছিলেন ট্রাম্প (Trump Visit India) । কোভিডকে ‘চিনা ভাইরাস’ নাম দিয়েছিলেন তিনি। তবে এরই মাঝে এবার চিনের সঙ্গে সম্পর্ক মেরামত করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: দলিত পরিবারকে ইসলামে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা! ৫ জন গ্রেফতার

    মোদিকে আমন্ত্রণ জানাতে পারে ট্রাম্প প্রশাসন

    রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়েছে, এই বসন্তেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) হোয়াইট হাউজে আমন্ত্রণ জানাতে পারে ট্রাম্প প্রশাসন। জানা গিয়েছে, গত ডিসেম্বরে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর যখন ওয়াশিংটনে গিয়েছিলেন, তখন এই নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছিল। উল্লেখ্য, ট্রাম্পের (Trump Visit India) শপথ অনুষ্ঠানে ভারত সরকারের হয়ে উপস্থিত থাকবেন জয়শঙ্কর। এদিকে চিনের তরফ থেকে ট্রাম্পের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন সে দেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট হান ঝেং। একদিন আগেই অবশ্য চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ে সঙ্গে ট্রাম্পের কথা হয় ফোনে। সেই ফোনালাপেই জিনপিংকে ব্যক্তিগত ভাবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। তবে জিনপিং বিদেশি কোনও রাষ্ট্রনায়কের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেন না বলে জানান। অবশ্য ট্রাম্প পরে জানান, ফোনে তাঁদের কথাবার্তা ‘ইতিবাচক’ ছিল। ট্রাম্পের কথায়, “আমি আশা করি একসঙ্গে আমরা অনেক সমস্যার সমাধান করব। প্রেসিডেন্ট শি এবং আমি এমন সব কিছুই করব যাতে বিশ্ব শান্তি বজায় থাকে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: একদিনে ৬৫ লাখের বেশি সম্পত্তি কার্ড বিলি, অভিনব রেকর্ড গড়লেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    PM Modi: একদিনে ৬৫ লাখের বেশি সম্পত্তি কার্ড বিলি, অভিনব রেকর্ড গড়লেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিনে ৬৫ লাখের বেশি সম্পত্তি কার্ড (SVAMITVA Scheme) বিলি করে রেকর্ড গড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দেশের দশটি রাজ্য ও দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই কার্ড বিলি করা হল। অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সম্পত্তি কার্ড বা জমির পাট্টা দেওয়া হল যে প্রকল্পে, তার নাম ‘স্বমিত্ব’।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    এদিনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজকের দিনটা গ্রামীণ নাগরিকদের জন্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন রাজ্যে এই সম্পত্তি কার্ডের বিভিন্ন নাম, তবে কাজ একটাই। গত এক বছরে ১ কোটি সম্পত্তি কার্ড বিলি করা হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে।” তিনি বলেন, “আজ দেশের গ্রামগুলি এবং দেশের গ্রামীণ অর্থনীতির জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন। এই অনুষ্ঠানে অনেক রাজ্যের রাজ্যপাল যোগদান করেছেন। ওডিশা, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীরাও আমাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। স্বত্ব প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হাজার হাজার গ্রাম পঞ্চায়েতের সহকর্মী এবং লক্ষ লক্ষ উপভোক্তা এই উদ্যোগের শরিক হয়েছেন। এটি নিজের মধ্যেই একটি বিশাল এবং বিস্তৃত প্রকল্প এবং আপনারা সবাই এতে বড় উৎসাহের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। আমি আপনাদের সবাইকে অভিনন্দন জানাই।”

    জাতীয় পঞ্চায়েত দিবসে সূচনা

    ২০২০ সালে জাতীয় পঞ্চায়েত দিবসে গ্রামীণ নাগরিকদের জন্য এই প্রকল্পের সূচনা করে কেন্দ্রের মোদি সরকার (PM Modi)।লপ্রথম দফায় মহারাষ্ট্রের পুণে জেলায় সোনারি গ্রামে পাইলট প্রকল্প হিসেবে সূচনা হয়েছিল এই প্রকল্পের। পরে তা ছড়িয়ে দেওয়া হয় গোটা দেশে।

    আরও পড়ুন: সীমান্তের নিরাপত্তা নিয়ে আপস নয়, ইউনূস প্রশাসনকে সাফ জানিয়ে দিল ভারত

    এই প্রকল্পের আওতায় ড্রোনের মাধ্যমে গ্রামীণ নাগরিকদের জমি-জিরেতের সম্পূর্ণ মানচিত্র তৈরি করা হয়। সেই মানচিত্রের ভিত্তিতেই দেওয়া হয় সম্পত্তি কার্ড। জমি-বাড়ি বিক্রি কিংবা কার্ড (SVAMITVA Scheme) বন্ধক রেখে ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে এই কার্ড খুবই গুরুত্বপূর্ণ (PM Modi)।

       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: গাড়ি মেলার উদ্বোধনে মোদি,  দিলেন পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের বার্তা

    Narendra Modi: গাড়ি মেলার উদ্বোধনে মোদি, দিলেন পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া দিল্লিতে ‘ভারত মোবিলিটি গ্লোবাল এক্সপো ২০২৫’ – শুক্রবার থেকে শুরু হল। উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। প্রগতি ময়দান, দ্বারকা, গ্রেটার নয়ডা এই তিন জায়গায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে গাড়ি মেলা। ইন্ডিয়া এক্সপো সেন্টার এবং মার্টে আয়োজিত এই মেগা ইভেন্টে (BMGE 2025) ভারত-সহ বিভিন্ন দেশ-বিদেশের প্রথম সারির অটোমোবাইল কোম্পানি অংশগ্রহণ করছে। আগামী ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই গাড়ি মেলা।

    পরিকাঠামোগত উন্নয়নে ১১ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ (Narendra Modi)

    এদিন উদ্বোধন মঞ্চ থেকেই দেশের পরিকাঠামো উন্নয়নে কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা তুলে ধরলেন তিনি। মোদি (Narendra Modi) উল্লেখ করেন, গতবারের কেন্দ্রীয় বাজেটে শুধুমাত্র পরিকাঠামোগত উন্নয়নের জন্যই সরকার ১১ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। পিএম গতিশক্তি জাতীয় মাস্টার প্ল্যান এবং জাতীয় লজিস্টিক নীতির মতো নতুন ধরনের উদ্যোগ শুরু করেছে। প্রসঙ্গত, এই অনুষ্ঠানের ব্যানারেই দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলের দ্বারকা যশভূমি এবং গ্রেটার নয়ডার ইন্ডিয়া এক্সপো মার্টে আগামী পাঁচদিন ধরে নানা কর্মসূচি পালন করা হবে। যার মধ্যে রয়েছে পণ্য ও পরিষেবা সংক্রান্ত একাধিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। আশা করা হচ্ছে, এই পাঁচদিনে অন্তত ৫ লক্ষ মানুষ এই এক্সপো বা মেলা দেখতে আসবেন। জানা গিয়েছে, প্রথম দিনটি কেবলমাত্র মিডিয়া কভারেজের জন্য এবং দ্বিতীয় দিনটি ডিলারদের জন্য বিশেষ ভাবে সংরক্ষিত করা হয়েছে। এরপর, ১৯ জানুয়ারি থেকে আম জনতা প্রবেশ করতে পারবেন। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলবে এই মেলা । বিনামূল্যে এই মেলায় প্রবেশ করতে পারেবন। http://www.bharat-mobility.com ওয়েবসাইটে গিয়ে রেজিস্ট্রার করতে হবে।

    আরও পড়ুন: লক্ষ্য ছিল সইফের ছোট ছেলে জেহ্! পুলিশকে দেওয়া পরিচারকের বয়ানে হাড়হিম করা তথ্য

    কোন কোন গাড়ি কোম্পানি অংশগ্রহণ করেছে

    জানা গিয়েছে, হিরো মোটোকর্প, সুজুকি, মোটরসাইকেল ইন্ডিয়ার মতো কোম্পানিগুলি যারা বাইক ও স্কুটি উৎপাদন করে থাকে, এখানে অংশগ্রহণ করেছে। পাশাপাশি মারুতি সুজুকি, হুন্ডাই মোটর ইন্ডিয়া, টাটা মোটরস, কিয়া ইন্ডিয়া, এমজি মোটর ইন্ডিয়া এবং স্কোডা অটো ভক্সওয়াগেন ইন্ডিয়ার মতো ব্র্যান্ডগুলিও রয়েছে। সংস্থাগুলির বিভিন্ন গাড়ির নতুন এবং অত্যাধুনিক মডেল রয়েছে ডিসপ্লেতে।

    বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম গাড়ির বাজার ভারত

    এদিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে ফের একবার প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) উল্লেখ করেন, “ভারত বর্তমানে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম গাড়ির বাজার।” তাঁর যুক্তি, “দেশের বিপুল যুব জনসংখ্যা, ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত, দ্রুত নগরায়ন, আধুনিক পরিকাঠামো উন্নয়ন করা হয়েছে। একইসঙ্গে মেক ইন ইন্ডিয়া উদ্যোগের মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে গাড়ি উৎপাদন করার ফলে আগামী দিনে ভারতের গাড়ির বাজার এক অভূতপূর্ব রূপান্তর ও সম্প্রসারণের সাক্ষী থাকবে।” মোদি আরও দাবি করেন, “গত এক দশকে প্রায় ২৫ কোটি ভারতীয় দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেয়েছেন এবং একটি নতুন মধ্যবিত্ত শ্রেণি গঠিত হয়েছে। যাঁরা আগামী দিনে তাঁদের প্রথম গাড়ি কিনবেন।”

    বিদেশি বিনিয়োগ কত?

    এদিনের এই মঞ্চ থেকে মোদি (Narendra Modi) আরও বলেন, “মেক ইন ইন্ডিয়া উদ্যোগ এবং উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত উদ্যোগ (পিএলআই)-সমূহের ফলে গাড়ির উৎপাদন ক্ষেত্রে প্রায় ২.৫ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি বিকিকিনি হয়েছে এবং সামগ্রিকভাবে অটো মোবাইল সেক্টরে ১,৫০,০০০ প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে।” তিনি আরও জানান, “গত চার বছরে এই ক্ষেত্রটিতে ৩,৬০০ কোটি মার্কিন ডলারের প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ করা হয়েছে, যা অটোমোবাইল সেক্টরের একটি উল্লেখযোগ্য চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে।” এদিন আর্থিক ও প্রযুক্তি উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশ সচেতনতা ও পরিবেশ রক্ষারও পাঠ দেন মোদি। বলেন, “অর্থনীতি ও বাস্তুতন্ত্রের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে পরিবেশবান্ধব যানবাহন তৈরিতে আরও জোর দিতে হবে।”

    সাতটি ‘সি’-র গুরুত্ব উল্লেখ

    এই প্রসঙ্গেই সাতটি ‘সি’-র গুরুত্ব উল্লেখ করেন মোদি। এগুলি হল – কমন (সাধারণ), কানেকটেড (সংযুক্ত থাকা), কনভেনিয়েন্ট (সুবিধাজনক), কনজেশন-ফ্রি (যানজট মুক্ত), চার্জড (চার্জ থাকা), ক্লিন (স্বচ্ছ) এবং কাটিং-এজ (অত্যাধুনিক)। অর্থাৎ, মোদির (Narendra Modi) বার্তা এখানে একেবারেই স্পষ্ট। তা হল – অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এমন এক যানজটমুক্ত এবং সাশ্রয়ী গতিশীলতা সৃষ্টি করতে হবে, যা কোনওভাবেই পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • 8th Pay Commission: আগামী বছর থেকেই অষ্টম বেতন কমিশন, কত মাইনে বাড়বে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের? 

    8th Pay Commission: আগামী বছর থেকেই অষ্টম বেতন কমিশন, কত মাইনে বাড়বে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মকর সংক্রান্তিতে কেন্দ্র সরকারি কর্মচারীদের উপহার দিল মোদি সরকার (Modi Government)। বৃহস্পতিবার অষ্টম বেতন কমিশন (8th Pay Commission) গঠনে অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। তারপর থেকেই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ফের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে জল্পনা তীব্র হয়েছে। ন্যূনতম বেতন কত হবে, কী কী সুবিধা পাওয়া যাবে, মহার্ঘভাতায় কতটা বৃদ্ধি দেখা যাবে, সবই এখন আলোচনা সাপেক্ষ। তবে, অষ্টম পে কমিশন ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকেই লাগু হতে চলেছে, বলে খবর। খুব শীঘ্রই এই কমিশনের জন্য চেয়ারম্যান ও দুই সদস্যকে নিয়োগ করবে কেন্দ্র, জানিয়েছেন মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।

    কত টাকা হবে বেতন

    শেষবার ২০১৬ সালে সপ্তম বেতন কমিশন গঠন করেছিল কেন্দ্র। শেষ গঠিত কমিশনের হাত ধরে এক ধাক্কায় ১১ হাজার টাকা বেসিক পে বেড়েছিল কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের। এবার পালা অষ্টম বেতন কমিশনের (8th Pay Commission) । শোনা যাচ্ছে এবার, ‘ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর’ ২.৫৭ থেকে বাড়িয়ে ২.৮৬ হতে পারে। এর অর্থ কর্মীদের বেসিক বেতন বাড়বে হু হু করে। অর্থাৎ কারও বেসিক বেতন যদি ১৮ হাজার টাকা থাকে, তাঁর বেসিক বেতন বেড়ে হবে ৫১ হাজার ৪৮০ টাকা। ‘ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর’ হল বেতন এবং পেনশন গণনার জন্য ব্যবহৃত একটি একক। ৫০ লক্ষেরও বেশি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা এর ফলে বেসিক থেকে, অ্য়ালাওন্সেস, পেনশন ও অন্য়ান্য সুযোগ সুবিধা- সবেতেই লাভবান হবেন। এর জেরে একদিকে ডিএ বাড়বে, বাড়বে পেনশনভোগীদের ডিআর। প্রসঙ্গত, ৬৫ লক্ষ পেনশনভোগীরা এই পে কমিশনের সুবিধা পাবেন। স্বাভাবিক ভাবেই শুরু হয়ে গিয়েছে হিসেব কষা।

    রাজ্যের সঙ্গে ফারাক

    বেতন কমিশন (8th Pay Commission) নিয়ে সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স-হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘‘অষ্টম বেতন কমিশনের সিদ্ধান্তে জীবনযাত্রার মান বাড়বে, কেনাকাটার বাজার চাঙ্গা হবে।’’ কেন্দ্রীয় সচিবালয় সার্ভিস ফোরাম এই সিদ্ধান্তের জন্য মোদি সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরে তথ্য-সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, নয়া কমিশন রাজ্য সরকার ও সব মহলের সঙ্গে আলোচনা করবে। তারপরই কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পশ্চিমবঙ্গে এখন ষষ্ঠ বেতন কমিশন চলছে। যার মেয়াদ ২০২৫-এর শেষে ফুরিয়ে যাওয়ার কথা। আজ কেন্দ্রের (Modi Government) সিদ্ধান্তের পরে রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা প্রশ্ন তুলেছেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার কবে সপ্তম বেতন কমিশন গঠন করবে? এমনিতেই কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্যের কর্মীদের মহার্ঘ ভাতার ফারাক এখন ৩৯ শতাংশ। এরপর তা আরও বাড়বে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • 8th Pay Commission: অষ্টম পে কমিশনকে অনুমোদন মোদি সরকারের, মমতাকে ডিএ নিয়ে খোঁচা শুভেন্দুর

    8th Pay Commission: অষ্টম পে কমিশনকে অনুমোদন মোদি সরকারের, মমতাকে ডিএ নিয়ে খোঁচা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অষ্টম বেতন কমিশন (8th Pay Commission) গঠনে অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। মূলত কেন্দ্রীয় সরকারের আওতায় কর্মরত চাকরিজীবীদের বেতন ও মহার্ঘভাতার কাঠামো নির্ধারণ করে থাকে এই বেতন কমিশন। সিদ্ধান্ত নেয় বেতন বৃদ্ধির বিষয়েও। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ মোদির নেতৃত্বেই নতুন বেতন কমিশন গঠনে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা, দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের। যদিও এই খবর সামনে আসতে না আসতেই রাজ্যকে তীব্র খোঁচা দিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যের সরকারি কর্মীরা ঠিক কতটা ‘বঞ্চনার’ শিকার হচ্ছেন সেই তথ্য তুলে ধরে সোশ্যাল মাধ্যমে পোস্ট করলেন বিজেপি নেতা।

    শুভেন্দুর কটাক্ষ রাজ্যকে

    কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতার ফারাক ৩৯ শতাংশ। দাবি করছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ কেন্দ্রিক মামলার শুনানি বছরের পর বছর পিছিয়ে যাচ্ছে। দেশের শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতিরা অবসর নিয়ে নিচ্ছেন। কিন্তু সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ মামলার শুনানির দিন ক্রমশ পিছিয়ে যাচ্ছে। এই আবহে কেন্দ্র সরকার অষ্টম বেতন কমিশনের অনুমোদন দিতেই শুভেন্দু লেখেন, “যশস্বী প্রধানমন্ত্রী কেন্দ্রীয় অষ্টম পে-কমিশনের অনুমোদন দিয়েছেন। যার ফলে ৪৯ লক্ষেরও বেশি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী এবং ৬৮ লক্ষ পেনশনভোগী উপকৃত হবেন।” এরপরই রাজ্যের বৈষম্য নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়কে খোঁচা দিয়ে লিখছেন, “ঋণে জর্জরিত পশ্চিমবঙ্গ সরকার ষষ্ঠ পে-কমিশনে বাঁধা পড়ে রয়েছে। কারণ, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিনের পরদিন ঋণ বাড়িয়ে চলেছেন।”  

    অষ্টম বেতন কমিশনের ফলে সুবিধা

    বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিয়েছে অষ্টম পে কমিশন (8th Pay Commission) গঠনের। গঠিত হয়েছে এই সংক্রান্ত একটি কমিটিও। প্রসঙ্গত, সপ্তম পে কমিশন গঠিত হয়েছিল ২০১৬ সালে। যার মেয়াদ শেষ হবে ২০২৫ সালের আগামী ৩১ ডিসেম্বর। সুতরাং ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি লাগু হতে চলেছে অষ্টম পে কমিশন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, ‘‘শীঘ্রই কমিশনের জন্য চেয়ারম্যান ও দুই সদস্যকে নিয়োগ করবে কেন্দ্র।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share