Tag: Narendra Modi

Narendra Modi

  • Pawan Singh Expelled: জনপ্রিয় ভোজপুরি গায়ক পবন সিংকে ছেঁটে ফেলল বিজেপি

    Pawan Singh Expelled: জনপ্রিয় ভোজপুরি গায়ক পবন সিংকে ছেঁটে ফেলল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির একেবারে প্রথম প্রার্থী তালিকায় নাম ছিল তাঁর। বেশ চর্চায় ছিলেন এই ভোজপুরি গায়ক। পশ্চিমবঙ্গের আসানসোল কেন্দ্র থেকে হেভিওয়েট তৃণমূল প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহার বিরুদ্ধে প্রার্থী করা হয়েছিল তাঁকে। প্রার্থী হয়ে আনন্দ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। পরবর্তীকালে সেই পবন সিং আসানসোল থেকে বিজেপির হয়ে প্রার্থী হবেন না বলে জানিয়েছিলেন। পরে দেখা যায় তিনি বিজেপির টিকিট প্রত্যাখ্যান করে নির্দল প্রার্থী হিসেবে বিহারের ৩৫ নম্বর কারাকাট লোকসভা আসন থেকে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। NDA-র শরিক দল রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চার (RLM) প্রধান উপেন্দ্র কুশওয়াহার বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছেন পবন। তাই দল বিরোধী কাজের অভিযোগে জনপ্রিয় ভোজপুরি গায়ককে বহিষ্কার করল বিজেপি।  

    বিজেপি থেকে বহিষ্কৃত পবন সিং (Pawan Singh Expelled)

    বিজেপির বিহার শাখার পক্ষ থেকে পবন সিংকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এই চিঠিতে বলা হয়েছে, “আপনি এনডিএ-র প্রার্থীর বিরুদ্ধে লোকসভা নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আপনার এই কাজ দলীয় শৃঙ্খলার বিরোধী। এতে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে।” এই চিঠিতে সই রয়েছে বিহার বিজেপির সভাপতি সম্রাট চৌধুরীর। আসানসোলে শত্রুঘ্ন সিনহার বিরুদ্ধে তাঁকে প্রার্থী করেছিল বিজেপি। এরপর পবন সিং-এর কয়েকটি গানের পোস্টার দেখিয়ে তাঁকে নারী বিদ্বেষী প্রমাণ করার চেষ্টা করে তৃণমূল কংগ্রেসের আইটি সেল। সমালোচনা শুরু হতেই হঠাৎ করেই নিজের সামাজিক মাধ্যমে একাউন্টে পোস্ট করে পবন সিং আসানসোল থেকে লড়বেন না বলে জানিয়ে দেন।

    আরও পড়ুন: রাজ্যে তৃণমূল জমানায় দেওয়া সব ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল! বড় রায় হাইকোর্টের

    এরপর ১৩ই মার্চ কারাকাট থেকে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা করেন। তার মা প্রতিমা সিংও এই কেন্দ্র থেকে নির্দল প্রার্থী হয়েছেন। সেই সময় সামাজিক মাধ্যমে এই ভোজপুরি গায়ক নায়ক লিখেছিলেন, তিনি তাঁর মা, সমাজ এবং জনগণকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তা পালন করতেই লোকসভা নির্বাচন লড়ছেন। তবে হঠাৎ করেই বিজেপির সঙ্গে তাঁর দূরত্ব হল কী কারণে তা এখনও প্রকাশ পায়নি।

    ‘কাঁচি’ প্রতীক চিহ্নে লড়বেন পবন

    নির্দল প্রার্থী হয়ে পবন সিং ‘কাঁচি’ চিহ্ন প্রতীক হিসেবে পেয়েছেন। তবে এই কাঁচি দিয়ে তিনি এনডিএ প্রার্থীর ভবিষ্যৎ কেটে ফেলতে পারেন কি না তা জানা যাবে ৪ জুন। যদিও বিজেপির থেকে তার ভবিষ্যৎ যে ‘কাঁচি’ (Pawan Singh Expelled) হয়ে গিয়েছে তা এদিনের সম্রাট চৌধুরীর বহিষ্কারের চিঠি থেকেই বোঝা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: প্রথম ৫ দফাতেই ৩১০ আসন পার বিজেপির, দাবি শাহের

    Amit Shah: প্রথম ৫ দফাতেই ৩১০ আসন পার বিজেপির, দাবি শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনে এখনও পর্যন্ত পাঁচ দফায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাকি আরও দু দফা। আর এরই মধ্যে নাকি বিজেপি ৩১০টি আসনে জিতে গিয়েছে। বাকি দু দফা শেষে  ৪০০ পার করবে মোদি (PM Modi) সরকার। মঙ্গলবার ওড়িশায় এমনই দাবি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)।

    অমিত শাহের দাবি (Amit Shah)

    এখনও পর্যন্ত পাঁচ দফায় ৪২৮টি লোকসভা আসনে ভোট হয়েছে দেশ জুড়ে। শাহ দাবি করলেন এর মধ্যেই নাকি বিজেপি একাই ৩১০টি আসনে জিতে গিয়েছে। 

    উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে ৪২৮টি আসনের মধ্যে থেকে ২৫০-র গণ্ডিও পার করতে পারেনি এনডিএ। তবে এবার ওড়িশা থেকে অমিত শাহ (Amit Shah) নিজে জানালেন ফের তৃতীয় বারের মত দেশে নিজের সরকার গঠন করতে চলেছে বিজেপি সরকার। 

    আরও পড়ুন: “খেতে যেতে পারেন, শুধু রাম লালার দর্শনে আপত্তি”, লালু-রাহুলকে কটাক্ষ মোদির

    তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসবে বিজেপি, দাবি শাহের 

    এবারের লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদীকে সামনে রেখে বিজেপির লক্ষ্য ৪০০-র বেশি আসনে জয়। অমিত শাহ (Amit Shah) জানান, পুরো দেশ সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে, তৃতীয়বারের জন্য মোদিকে তারা প্রধানমন্ত্রী করবে ৷

    উল্লেখ্য, সম্প্রতি ওড়িশায় নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে অমিত শাহ ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েককে কটাক্ষ করে বলেন, তাঁর নীতি ও শাসনের কারণে রাজ্যটি ৫০ বছর পিছিয়ে গিয়েছে। তিনি নবীনকে আক্রমণ করে আরও বলেন, ‘এই বছরটি নবীন পট্টনায়কের ক্ষমতা হারানোর বছর হতে চলেছে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “খেতে যেতে পারেন, শুধু রামলালার দর্শনে আপত্তি”, লালু-রাহুলকে কটাক্ষ মোদির

    PM Modi: “খেতে যেতে পারেন, শুধু রামলালার দর্শনে আপত্তি”, লালু-রাহুলকে কটাক্ষ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আবহে আবারও কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও আরজেডি সুপ্রিমো তথা বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবকে কটাক্ষ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। মঙ্গলবার চম্পারনের এক প্রচার সভা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। এদিন সেই সভা থেকেই রাহুল (Rahul Gandhi) ও লালুকে মটন পার্টি নিয়ে কটাক্ষ করলেন তিনি। প্রসঙ্গে উঠল সেই পুরনো লালু-রাহুলের মটন পার্টির ভাইরাল ভিডিও।

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য (PM Modi)

    এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইন্ডিয়া জোটের নেতাদের একে অপরের বাড়িতে খাবার খেতে যাওয়ার সময় আছে কিন্তু রাম লালাকে দর্শন করার মত সময় তাদের কাছে নেই।” উল্লেখ্য, যখন জানুয়ারি মাসে অযোধ্যায় রাম লালার মন্দির প্রতিষ্ঠা হয় তখন সকলের মত রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) ও লালু প্রসাদ যাদবকেও আমন্ত্রন জানানো হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় সেই আমন্ত্রন উপেক্ষা করে রাহুল গান্ধী বলেছিলেন, “রাম মন্দির বিজেপির রাজনৈতিক অনুষ্ঠান।” এবার সেই ঘটনাকে প্রসঙ্গে এনেই রাহুল-লালুকে তোপ দাগলেন প্রধানমন্ত্রী(PM Modi)।  

    আরও পড়ুন: শীঘ্রই চালু হবে নিউ গড়িয়া-এয়ারপোর্ট মেট্রোরুট! সুড়ঙ্গ তৈরির কাজ শুরু অরেঞ্জ লাইনে

    অন্যদিকে, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরের একটি ভাইরাল ভিডিওর প্রসঙ্গও উল্লেখ করেছিলেন তিনি। যেখানে দুই নেতাকে একসাথে “চম্পারন মাটন” প্রস্তুত করতে দেখা গেছে। সেই প্রসঙ্গেই এদিন এমন মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। 
    উল্লেখ্য, কদিন আগেই নবরাত্রির সময় তেজস্বী যাদবের মাছ খাওয়া নিয়ে বিতর্ক ঘনিয়েছিল। সেই বিতর্কেই তেজস্বী সহ তাঁর বাবা লালুপ্রসাদ থেকে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, সকলকে খোঁচা মেরে মোদির (PM Modi) দাবি, কংগ্রেস-সহ ইন্ডিয়া জোটের নেতারা দেশের সংখ্যাগুরু মানুষের ধর্মীয় ভাবাবেগ নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই। একইসঙ্গে দুই তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ দলের নেতা লালু প্রসাদ ও রাহুল গান্ধীকে মোঘলদের মতো `বিধর্মী`দের সঙ্গেও তুলনা করেন মোদি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: তৃণমূল দুষ্কৃতীর মারে গুরুতর আহত কাঁথির বিজেপি নেতা! আনা হচ্ছে কলকাতায়

    Lok Sabha Election 2024: তৃণমূল দুষ্কৃতীর মারে গুরুতর আহত কাঁথির বিজেপি নেতা! আনা হচ্ছে কলকাতায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ষষ্ঠ দফা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) আগেই কাঁথিতে বিজেপি নেতার উপর ভয়াবহ হামলা করা হয়েছে। মূল অভিযোগের তির তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের দিকে। আহত বিজেপি কর্মীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় দ্রুত তাঁকে কলকাতার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা শুরু হয়েছে এলাকায়। উল্লেখ্য গতকাল পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকে মোদির সভা ছিল। কিন্তু প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে অবতরণ করতে পারেননি। একাধিক ইস্যুতে নিশানা করেছিলেন তৃণমূলকে। একই ভাবে এই সভায় বিজেপি কর্মীদের ভোটের প্রচার ছিল জমজামাট।

    কোথায় ঘটেছে ঘটনা (Lok Sabha Election 2024)?

    আগামী ২৫ মে পূর্ব মেদিনীপুরের ষষ্ঠ দফার নির্বাচন। কিন্তু নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) ৫ দিন আগে কাঁথির ভূপতিনগরে বিজেপি নেতার বাড়িতে চড়াও হয়ে মারধর করা হয়। সেই সঙ্গে চলে লুটপাট। তবে ঘটনায় মূল অভিযুক্ত তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী। আহত অর্জুননগরের বুথ সভাপতি বিজেপির নেতার নাম হল অবনি দে। তিনি এলাকার ২০৫ নম্বর বুথের সভাপতি। তাঁর সঙ্গে আহত হয়েছেন আরও ২ বিজেপি কর্মী। তাঁদের মধ্যে বুথ সভাপতির অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁকে কলকাতার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। বাকি আরও ২ কর্মীকে কাঁথি হাসপাতলে ভর্তি করা হয়। এই দুই কর্মীর নাম শুভঙ্কর দাস এবং অনিল মাইতি। বিজেপির অবশ্য অভিযোগ, মূলত এলাকায় বিজেপি কর্মী এবং ভোটারদের ভয় দেখিয়ে নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে এই ধরনের আক্রমণ করা হচ্ছে। তৃণমূল হারবে বলেই এই ভাবে আচরণ করছে। বিজেপির পক্ষ থেকে ভূপতিনগর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুনঃ কমিশনে মমতাকে নিয়ে মন্তব্যের শোকজের জবাব দিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

    নির্বাচনী প্রচার জমজমাট

    লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং কাঁথির প্রার্থী হয়েছেন সুমেন্দু অধিকারী। গতকাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তমলুকে প্রচার সভা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে অবতরণ করা সম্ভব হয়নি। আর তাই ঝাড়গ্রাম থেকে এক যোগে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ করেন আকাধিক ইস্যুতে। রাজ্যের তৃণমূল সরকারের রেশন দুর্নীতি, চাকরি চুরি, বাংলার সাধু-সন্তদের আক্রমণ করা, রাজনৈতিক হিংসা, খুন, ধর্ষণ, লুটপাট, জমি দখল সহ একাধিক বিষয়ে তৃণমূল সরকারকে তীব্র নিশানা করেছিলেন মোদি। একই ভাবে সন্দেশখালিকাণ্ড নিয়ে মমতাকে নিশানা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী।      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ব্যাঙ্কিং সেক্টরে মুনাফা ছাড়াল ৩ লাখ কোটির ঘর, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    PM Modi: ব্যাঙ্কিং সেক্টরে মুনাফা ছাড়াল ৩ লাখ কোটির ঘর, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই প্রথম ভারতীয় ব্যাঙ্কিং সেক্টর নিট লাভ করল ৩ লাখ কোটি টাকারও বেশি। বৃদ্ধির হার ৩৯ শতাংশ। এ খবর প্রকাশ্যে আসার পরেই  পরেই পূর্বতন ইউপিএ সরকারকে নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি একে অভিহিত করলেন ‘উল্লেখযোগ্যভাবে ঘুরে দাঁড়ানো’ বলে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ব্যাঙ্কের স্বাস্থ্যের এই উন্নতি আমাদের দেশের গরিব মানুষ, কৃষক এবং এমএসএমইদের ঋণ পাওয়া সহজলভ্য করতে সাহায্য করবে।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    পূর্বতন কংগ্রেস সরকারকেও নিশানা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “আমরা যখন ক্ষমতায় আসি (২০১৪ সালে) তখন দেনায় ডুবে ছিল আমাদের ব্যাঙ্কগুলি। এনপিএস ছিল চড়া। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের ফোন ব্যাঙ্কিং নীতির জন্যই এসব হয়েছিল। সেই আমলে গরিবদের জন্য ব্যাঙ্কের দরজা বন্ধই হয়ে গিয়েছিল।” ২০১৪ সালে বিজেপির নেতৃত্বে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসে এনডিএ সরকার। তার পর থেকেই স্বাস্থ্য ফিরছে দেশের অর্থনীতির।

    মোদি জমানায় স্বাস্থ্য ফিরেছে দেশের অর্থনীতির

    নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সরকারের অর্থনৈতিক নানা নীতির কারণে হাল ফিরছে ব্যাঙ্কিং সেক্টরেরও। ২০১৪ সালে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় ১০ নম্বরে ছিল ভারতের নাম। গত দশ বছরে (মোদি জমানায়) ভারতের ঠাঁই হয়েছে পাঁচ নম্বরে। ব্রিটেনকে ছয়ে ঠেলে পাঁচ নম্বর জায়গাটি দখল করেছে ভারত। নীতি আয়োগের প্রাক্তন সিইওর দাবি, ২০২৭ সালের মধ্যেই চার নম্বরে থাকা জাপানকে পাঁচ নম্বরে ঠেলে দিয়ে ভারত উঠে আসবে চার নম্বরে। সেক্ষেত্রে ভারতের অবস্থান হবে আমেরিকা, চিন এবং জার্মানির পরেই।

    আর পড়ুন: “আরএসএসে ছিলাম, ফিরে যেতেও প্রস্তুত”, অবসর নিয়ে বললেন বিচারপতি দাশ

    ভারতের আর্থিক স্বাস্থ্য যে ফিরছে, তার প্রমাণ মিলেছে ২০২৪ অর্থবর্ষে সরকারি এবং বেসরকারি ব্যাঙ্কগুলির সম্মিলিত লাভের পরিমাণ ৩.১ লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি ব্যাঙ্কিং সেক্টরগুলি লাভ করেছে ১.০৪ লাখ কোটি টাকা। বৃদ্ধির হার ৩৪ শতাংশ। বেসরকারি ব্যাঙ্কগুলির লাভের হার ৪২ শতাংশ। টাকার অঙ্কে নিট মুনাফা ১.৭ লাখ। এই নিট লভ্যাংশ দেশের অর্থনৈতিক স্বাস্থ্যোন্নতির ইঙ্গিত দেয়। ব্যাঙ্কিং সেক্টরের এই লাভ ছাড়িয়ে গিয়েছে আইটি কোম্পানিগুলির মোট লভ্যাংশের পরিমাণকেও। ২০২৪ অর্থবর্ষে আই কোম্পানিগুলি মুনাফা অর্জন করেছে ১.১ লাখ কোটি টাকা (PM Modi)।

    আরও বড় কথা হল, পাবলিক ব্যাঙ্কগুলির নিট মুনাফা গত তিন বছরে বেড়েছে চারগুণেরও বেশি। তাদের ব্যালেন্সশিট থেকেই এই তথ্য জানা গিয়েছে। তাদের রোজগার যে বাড়ছে, তাও জানা গিয়েছে ওই ব্যালেন্সশিট থেকেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

                

  • Attack On Ramakrishna Mission: “কাটারি, বন্দুক, রড নিয়ে ঢোকে ওরা”, বললেন রামকৃষ্ণ মিশনের সম্পাদক

    Attack On Ramakrishna Mission: “কাটারি, বন্দুক, রড নিয়ে ঢোকে ওরা”, বললেন রামকৃষ্ণ মিশনের সম্পাদক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের সন্ন্যাসী কার্তিক মহারাজকে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যে রাজ্য জুড়ে নিন্দা ঝড় উঠেছে। এই আবহের মধ্যে এবার রামকৃষ্ণ মিশনের (Attack On Ramkrishna Mission) জলপাইগুড়ি শাখার শালুগাড়ায় অবস্থিত রামকৃষ্ণ মিশনের ‘সেবক হাউস’-এ হামলার ঘটনায় তোলপাড় গোটা বাংলা।

    কাটারি, বন্দুক, রড নিয়ে দুষ্কৃতীরা মিশনে চড়াও হয় (Attack On Ramkrishna Mission)

    রামকৃষ্ণ মিশনের (Attack On Ramkrishna Mission) সম্পাদক স্বামী শিবপ্রেমানন্দ বলেন, ৪২ নম্বর ওয়ার্ডে পড়ে রামকৃষ্ণ মিশনের ওই জমিটি। সেবক রোডের ধারে অবস্থিত ওই জমি মিশনকে দান করেছিলেন প্রয়াত সুনীল কুমার রায় নামে এক ব্যক্তি। নিয়ম মেনে সুনীল রায় ওই জমি দিয়েছিলেন মিশনকে। সেখান থেকে নানা পরিষেবা দেওয়ার কাজ হয় বর্তমানে। ত্রাণ সামগ্রীও দেওয়া হয়। সেই কেন্দ্রেই রাতের অন্ধকারে হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ। গত ১৮ মে রাত সাড়ে ৩টে নাগাদ অন্তত ৩০-৩৫ জন লোক ঢোকেন মিশনের ওই ভবনে। অভিযোগ, তাঁদের হাতে ছিল কাটারি, বন্দুক, রড। হেলমেট পরেছিলেন তাঁরা, ফলে মুখ দেখা যায়নি কারও। বাংলাতেই কথা বলছিলেন। সেই সময় মিশনে দুজন নিরাপত্তারক্ষী ছিলেন। তাঁদের হাত বেঁধে দেওয়া হয়, মোবাইল কেড়ে নিয়ে সিম বের করে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এরপর ওই কর্মীরা সোজা চলে যান দোতলায়। সেখানে ৫ জন কর্মী ছিলেন। তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। চিৎকার করতেই মারধরও করা হয় তাঁদের। এরপরই পাঁচজন কর্মী ও দুই নিরাপত্তারক্ষীকে ম্যাজিক গাড়িতে তুলে নিয়ে দুষ্কৃতীরা চলে যায় বলে অভিযোগ। ৫ জনকে এনজেপি-র কাছে ছেড়ে দেওয়া হয়, বাকিদের অন্য জায়গায় ছেড়ে দেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই ভক্তিনগর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে মিশনের তরফে।

    আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত, সপ্তাহভর বৃষ্টির পূর্বাভাস বাংলায়, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    তালিবানি জমানা চলছে, সরব আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য

    মিশনের (Attack On Ramkrishna Mission) ওপর হামলা প্রসঙ্গে খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সভামঞ্চ থেকে তোপ দেগেছেন তৃণমূলকে নিশানা করে। এবার বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য দাবি করেন পুরো তালিবানি জমানা চলছে। তিনি লিখেছেন এটা তালিবানি জমানার থেকে কম কিছু নয়। সেই সঙ্গেই তিনি রামকৃষ্ণ মিশনের তরফে দায়ের করা অভিযোগের কপি সংযুক্ত করেছেন।অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, এটাই হয়তোবাংলায় সবথেকে নিকৃষ্টতম কাজ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি রামকৃষ্ণ মিশন, ভারত সেবাশ্রম সংঘও ইসকনকে খোলা মঞ্চ থেকে হুমকি দেওয়ার পরে দুষ্কৃতীরা বন্দুক, ছুরি নিয়ে রামকৃষ্ণ মিশনের আশ্রমে প্রবেশ করেছিল। তারা সাধুদের ওপর হামলা চালায়। সিসিটিভিভেঙে দিয়েছে। তারা বন্দুক দেখিয়ে ভয় দেখিয়েছে,সাধুদের জোর করে আটকে রেখে রাস্তায় বের করে দেয়।

     

     

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এদিকে এবার প্রশ্ন উঠছে, কারা এই দুষ্কৃতী যারা রামকৃষ্ণ মিশনের ভেতর ঢুকে হামলা চালাতেও কুণ্ঠা বোধ করছে না। দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল নেতা গৌতম দেব জানিয়েছেন, এটা দুষ্কৃতীদের কাজ। আমরা খোঁজ নিচ্ছি। তবে, বিরোধীদের দাবি, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই ঘটনার পেছনে রয়েছে। তারাই এই জায়গাটিকে দখল করার চেষ্টা করছে। ভোট পর্বে এভাবে রামকৃষ্ণ মিশনের ওপর আঘাতকে কেন্দ্র করে শোরগোল তুঙ্গে। রামকৃষ্ণ মিশনের হাজার হাজার ভক্ত রয়েছেন। তাঁরা এটা কিছুতেই মানতে পারছেন না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ষষ্ঠদফার আগেই পূর্ব মেদিনীপুরের তিন পুলিশকর্তাকে সরিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন

    Lok Sabha Election 2024: ষষ্ঠদফার আগেই পূর্ব মেদিনীপুরের তিন পুলিশকর্তাকে সরিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের ষষ্ঠদফা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) আগে ফের একবার তিন পুলিশকর্তাকে সরিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। মেদিনীপুরের কাঁথি, ভূপতি নগর এবং পটাশপুরের পুলিশ আধিকারিকদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে কমিশনের পক্ষ থেকে এই প্রথম পুলিশ আধিকারিকদের সরানো হয়নি। বহরমপুর, বেলডাঙাতেও পুলিশ আধিকারিকদের সারিয়ে দেওয়া হয়েছিল। অবশ্য আগামী ২৫ মে কাঁথি, তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের ভোট, তাই এই পুলিশ আধিকারিকদের সরানো অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    কমিশন সূত্রে খবর (Lok Sabha Election 2024)

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোটের (Lok Sabha Election 2024) আগে পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথির এসডিপিও দিবাকর দাস, ভূপতিনগর থানার ওসি গোপাল পাঠক, পটাশপুর থানার ওসি রাজু কুণ্ডুকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরিবর্তে নতুন তিনজন আধিকারিকদের ওই পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কমিশনের এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। এই জেলার দুটি লোকসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন সাংসদ ছিলেন রাজ্যের শুভেন্দু অধিকারীর বাবা শিশির অধিকারী এবং ভাই দিব্যেন্দু অধিকারী। এই এলাকা এক কথায় অধিকারী পরিবারের বিশেষ গড় বলে পরিচিত। এই তিনজন পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে আগেও নানা সময়ে একাধিক বার শাসকদল তৃণমূলের হয়ে কাজ করার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিল বিজেপি।

    নতুন আধিকারিক কে কে হবেন?

    জানা গিয়েছে, কাঁথির পুলিশ আধিকারিক দিবাকর দাসের পরিবর্তে নতুন এসডিপিও-কে হবেন তা এখনও নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট করেনি। আবার ভূপতিনগর ও পটাশপুর থানার নতুন ওসি সোমবারই নিযুক্ত করা হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, ভূপতিনগর থানার দায়িত্বভার সামলাবেন জয়ন্ত দাস। তিনি বীরভূমে সাব-ইন্সপেক্টর ছিলেন। অন্যদিকে পটাশপুর থানার দায়িত্বভার সামলাবেন রঞ্জিত বিশ্বাস। তিনি আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের সাব-ইন্সপেক্টর ছিলেন। ষষ্ঠদফা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) আগে একটি বড় সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে রাজনীতির একাংশের মানুষ।

    আরও পড়ুনঃ “তৃণমূলের কাছে রিপোর্ট কার্ড নেই, আছে রেটকার্ড”, চাকরি চুরি নিয়ে মমতাকে তোপ মোদির

    নির্বাচনী প্রচার জমজমাট

    লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) তমলুক কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং কাঁথির প্রার্থী হয়েছেন সুমেন্দু অধিকারী। এলাকায় অনেক দিন ধরে উক্ত পুলিশ আধিকারিকরা তৃণমূলের হয়ে পক্ষপাতিত্বের কাজ করছেন বলে বিজেপি নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে। অপরে আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তমলুকে প্রচার সভা ছিল। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে অবতরণ করা সম্ভব হয়নি। তাই ঝাড়গ্রাম থেকে একযোগে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ করেন আকাধিক ইস্যুতে। শেষ সময়ে এই দুই কেন্দ্রে নির্বাচনী প্রচার জমে উঠেছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: “তৃণমূলের কাছে রিপোর্ট কার্ড নেই, আছে রেটকার্ড”, চাকরি চুরি নিয়ে মমতাকে তোপ মোদির

    Narendra Modi: “তৃণমূলের কাছে রিপোর্ট কার্ড নেই, আছে রেটকার্ড”, চাকরি চুরি নিয়ে মমতাকে তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের পঞ্চমদফা ভোটের দিনেই ষষ্ঠদফা নির্বাচনে প্রচারে ফের আসলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। যদিও আজ প্রথমে তমলুকে প্রথমে সভা করার কথা ছিল। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে পৌঁছনো সম্ভবপর হয়নি। তাই ঝাড়গ্রাম থেকে একযোগে প্রচার করে তৃণমূলকে নিশান করলেন তিনি। মোদি বলেন, “কাল পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেস, কংগ্রেসকে গালাগাল দিচ্ছিল, আজ বলেছে ইন্ডিজোটের অংশ। কংগ্রেস দুবন্ত জাহাজ, তৃণমূল কংগ্রেসের নৌকাতেও ছিদ্র হয়ে গিয়েছে, ডুবে যাবে।”

    গতকাল রবিবার পুরুলিয়া, মেদিনীপুর এবং বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে সন্ন্যাসীর অপমানের বিরুদ্ধে মমতাকে কটাক্ষ করেছেন মোদি। একই ভাবে মুসলমান কট্টরপন্থীদের চাপে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কাজ করছেন এমন কথা বলে রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ করেছিলেন তিনি।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi)?

    সোমবার ঝাড়গ্রামের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) বলেন, “এই নির্বাচন ভারতের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যাঁরা ভারতকে দশকের পর দশক ধরে পিছনের দিকে নিয়ে গিয়েছেন, তাঁদের মানুষ বর্জন করেছেন। বিশ্বের বাকি দেশ অনেক এগিয়ে গিয়েছে কিন্তু ভারতকে পিছনের দিকে ঠেলে দিয়েছেন তাঁরা। গত ষাট বছর ভারতকে দারিদ্র্যতা মুক্তির কথা বললেও কংগ্রেস সরকার তা করতে সক্ষম হয়নি। কিন্তু বিশ্ববাসী আজ জেনে গিয়েছেন ভারত কীভাবে পঞ্চম অর্থ ব্যবস্থার দেশে পরিণত হয়েছে। দেশের পুরাতন সকল সমস্যার সমাধান করবে মোদি। ধারা ৩৭০ বাতিল হওয়ায় জঙ্গি সংগঠন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের পথে রয়েছে। পাকিস্তান ভারতের কাছ থেকে যোগ্য জবাব পেয়েছে। নকশাবাদীদের কোমর ভেঙে গিয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ বিজেপি নেতা কৌস্তুব বাগচীর ওপর প্রাণঘাতী হামলা! অশান্তি একাধিক জায়গায়

    আর কী বললেন মোদি?

    সোমবার লোকসভা ভোটের প্রচারে এসে রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ করে নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) বলেন, “একদিকে মোদি কাজের বিচারে রিপোর্ট কার্ড প্রকাশ করছে, ওপর দিকে তৃণমূলের কাছে রিপোর্ট কার্ড নেই আছে রেটকার্ড। তৃণমূল কংগ্রেস প্রত্যেক চাকরির জন্য রেটকার্ড তৈরি করে রেখেছে। টাকা দাও চাকরি নাও। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে তৃণমূলের নেতারা চাকরির নিলাম করেছেন। এই সবকিছু তৃণমূল শাসনের মধ্যেই হয়েছে। দুর্নীতিগ্রস্থ নেতাদের বাঁচাতে চাইছে তৃণমূল সরকার। ইডি-সিবিআই-কে ঠিক ভাবে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না, এই রাজ্যে। প্রত্যেক দিন রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘটছে। বিজেপি কর্মীদের প্রকাশ্যে খুন করা হয় এখানে। বাংলায় পরিবর্তন দরকার।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভান্ডারের চাবি কোথায়? নবীনকে নিশানা মোদির

    PM Modi: জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভান্ডারের চাবি কোথায়? নবীনকে নিশানা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে পুজো দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সোমবার নির্বাচনী প্রচারের ফাঁকে জগন্নাথধামে গেলেন তিনি। আর পুজো দিয়ে বেরিয়েই জগন্নাথ মন্দিরের (Puri Temple) রত্নভান্ডারের চাবি হারিয়ে যাওয়া নিয়ে নবীন পট্টনায়কের নেতৃত্বাধীন সরকারকে তোপ দাগলেন মোদি। তাঁর কথায় বিজেডি শাসনে নিরাপদ নয় পুরীর ঐতিহাসিক মন্দির।

    মোদির নিশানায় রত্নভান্ডারের ‘চাবি রহস্য’ (PM Modi)

    সোমবার পুরীতে পৌঁছে দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রচার করেন মোদি। আর প্রচারের ফাঁকেই জগন্নাথধামে পুজো দিয়ে বেরিয়ে মন্দিরের রত্ন ভান্ডারের চাবি নিয়ে রাজ্যের শাসক দলের দিকে প্রশ্ন ছুড়লেন মোদি। পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভান্ডারের চাবি হারানোর ঘটনাকেও এ বার ভোটপ্রচারের হাতিয়ার করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পুরীর মন্দিরের (Puri Temple) সামনেই গ্রান্ড রোড ধরে রোড শো করার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রশ্ন তোলেন চাবি নিখোঁজ কেন? তিনি বলেন, “১২ শতাব্দীর এই পবিত্র জগন্নাথধাম বিজেডি সরকারের হাতে নিরাপদ নয়। বিজেডির শাসনকালে পুরীর এই জগন্নাথ মন্দির নিরাপদে নেই। রত্ন ভান্ডারের চাবি গত ছয় বছর ধরে পাওয়া যায়নি। মহাপ্রভু জগন্নাথের মন্দিরে পুজো দিলাম। তাঁর আশীর্বাদ যেন সর্বদা আমাদের সকলের মাথার উপর থাকে। তিনি যেন আমাদের জীবনে চলার পথে উন্নতির দিকে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেন।”

    জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভান্ডার

    ওড়িশার জগন্নাথ মন্দিরের (Puri Temple) ধর্মীয় তাৎপর্য কারও অজানা নয়। এই রত্নভান্ডারে বিগ্রহের জন্য নিবেদিত বহু মূল্যবান অলঙ্কার রয়েছে। জগন্নাথ, বলরাম এবং সুভদ্রার উদ্দেশ্যে এই অলঙ্কারগুলি নিবেদিত। এসব আজকের কথা নয়, যুগ-যুগ ধরে ভক্তকূল এবং একসময়ে রাজা-মহারাজারাও এই রত্ন ভান্ডারে অবদান করেছেন। শেষবার ১৪ জুলাই, ১৯৮৫ সালে খোলা হয়েছিল এই ভান্ডার।    

    আরও পড়ুন: ২ বছরে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্ক থাকবে ভারতে! দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে ওড়িশা হাইকোর্ট সরকারকে মন্দিরের (Puri Temple) রত্নভান্ডার খোলার নির্দেশ দেয়। যদিও রত্নভান্ডারের চাবি পাওয়া যায়নি বলে তা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনায় রাজ্যবাসী ক্ষুব্ধ হয়। আগামী শনিবার ষষ্ঠ দফায় ২৫ মে পুরী, কটক, ভুবনেশ্বর-সহ ওড়িশার একাংশে ভোট রয়েছে। আর তার আগেই ভোটের মধ্যে রত্নভান্ডারের চাবি প্রসঙ্গকে আরও একবার সামনে আনলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “এটা ভারতের সময়, এ সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত নয়”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “এটা ভারতের সময়, এ সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত নয়”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপনি যদি বড় কিছু পেতে চান, তাহলে আপনার চিন্তাভাবনাটাও বড় করতে হবে।” সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর মতে, এমন পরিকল্পনা করতে হবে যা হাজার বছর পরেও লোকে মনে রাখে। তিনি বলেন, “এটা ভারতের সুসময়। এ সুযোগ হেলায় হারানো উচিত হবে না।” এ প্রসঙ্গে তিনি স্বাধীনতার পরে ভারতের একশো বছরের পরিকল্পনার প্রসঙ্গও টানেন। তাঁর মতে, এটা ভারতের ভিত পোক্ত করে দিতে পারে।

    হাজার বছর…(PM Modi)

    উদাহরণ স্বরূপ তিনি উল্লেখ করেন দেশের আমলাতন্ত্রের প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, “কেবল প্রমোশনই লক্ষ্য হতে পারে না। নিয়োগের প্রয়োজনীয়তা এবং অফিসারদের প্রশিক্ষণে বদল জরুরি। তাঁদের জানা উচিত, তাঁদের জীবনের উদ্দেশ্য কী।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ আমি আবারও বলছি, জীবনে কিছু ঘটনা ঘটে, যেগুলি আমাদের বেঁচে থাকতে বাধ্য করে আগামী হাজার বছর। আজ যা কিছু করা হচ্ছে, সেটা ভারতকে আগামী হাজার বছর ধরে একটা উজ্জ্বলতর ভবিষ্যৎ উপহার দেবে। এটা ভারতের সময়। তাই সুযোগ হাতছাড়া করা আমাদের উচিত হবে না।” তিনি বলেন, “মানুষের জীবনেও যেমন টার্নিং পয়েন্ট থাকে, তেমনি থাকে রাষ্ট্রের জীবনেও। আমি মনে করি, এটাকে কাজে লাগাতে হবে।”

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আমরা একটা বড় কাজ করছি, একটা বড় বুদ্ধিমত্তার অনুশীলন করছি। আমি এটা দীর্ঘদিন ধরে করছি। এবং সেই সব আধিকারিক, যাঁরা এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাঁরা অবসর নিয়েছেন। আমরা মন্ত্রী, সচিব এবং বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়েছি।” তিনি বলেন, “লক্ষ্যে পৌঁছতে আমি বিভিন্ন ধাপ অনুযায়ী লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছি – ২৫ বছর, ৫ বছর, ১ বছর এবং ১০০ দিন। এর সঙ্গে আরও যুক্ত কিছু হবে, এক-দু’টো বাদও যেতে পারে। কিন্তু আমাদের সামনে একটা বড় পরিকল্পনা ছকা রয়েছে।” তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পঁচাত্তর বছরে আমরা পরিকল্পনা করতে শুরু করেছি। দেশের বয়স যখন একশো হবে, তখন পর্যন্ত তা কার্যকরী হবে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি স্বাধীনতার পঁচাত্তর বছরের কথা ভাবছি না, ভাবছি একশো বছরের কথা। আমি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, দেশের বয়স একশো হলে আপনারা কী করবেন? আপনাদের প্রতিষ্ঠান থাকবে কোথায়? রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার নব্বই বছরের পরিকল্পনা রয়েছে। আমি বলেছিলেন, ঠিক আছে, তবে দেশের বয়স একশো হলে আপনারা কী করবেন?”

    যুবশক্তির সদ্ব্যবহার করা

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি ছোট ছোট করে ভাবি না। মিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যও আমি কাজ করি না। আগামিদিনে আমি জোর দিতে চাই কীভাবে যুবকদের সঙ্গে আমি যোগাযোগ করতে পারি, তাঁদের মধ্যে কীভাবে বড় কোনও স্বপ্নের বীজ বপন করতে পারি এবং সেই স্বপ্ন সফল করতে তাঁদের অভ্যাসে কী ধরণের পরিবর্তন আনা প্রয়োজন, তা তাঁদের বোঝাতে পারি। আমি বিশ্বাস করি (PM Modi), এই সব প্রচেষ্টা ফলপ্রসূ হবে।”

    দুয়ারে জয়

    ২০ মে, সোমবার দেশের ৪৯টি লোকসভা কেন্দ্রে চলছে নির্বাচন। অষ্টাদশতম লোকসভার নির্বাচন হবে সাত দফায়। এদিন চলছে পঞ্চম দফার নির্বাচন। তার আগে সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়েও তৃতীয়বার জয়ের বিষয়ে প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এবার ৪০০ আসনে জিতে রেকর্ড গড়বে এনডিএ।” চারশো আসন পেলে এনডিএ সরকার সংবিধান বদলে দেবে বলে বিরোধীরা যা প্রচার করছেন, তা মিথ্যা বলেও দাবি প্রধানমন্ত্রীর।

    আর পড়ুন: “হিন্দুদের ওপর আক্রমণ হলে বসে থাকতে পারি না”, মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা কার্তিক মহারাজের

    তিনি বলেন, “চারশো আসন পাওয়ার সঙ্গে সংবিধান বদলে দেওয়ার ভাবনাটা বোকা বোকা। ওরা আসলে এসব ইস্যুতে গোলমাল পাকিয়ে হাউসের কাজকর্ম বন্ধ করে দেবে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা ৪০০ আসন পাবই। ২০১৯ থেকে ২০২৪ এই পাঁচ বছর বিজেপির নেতৃত্বে সরকার চলছে। গত নির্বাচনে এনডিএ জিতেছিল ৩৬০টি আসন। আর এবার চারশোর বেশি আসন পেয়ে ক্ষমতায় ফিরব আমরা (PM Modi)।” প্রসঙ্গত, সাত দফার লোকসভা নির্বাচন শুরু হয়েছিল ১৯ এপ্রিল। শেষ দফার নির্বাচন হবে ১ জুন। ফল ঘোষণা হবে ৪ জুন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share