Tag: Narendra Modi

Narendra Modi

  • CAA:“সিএএ আটকানোর ক্ষমতা নেই মমতার”, তোপ দাগলেন রানাঘাটের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ

    CAA:“সিএএ আটকানোর ক্ষমতা নেই মমতার”, তোপ দাগলেন রানাঘাটের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সংসদে ২০১৯ সালে আমি প্রথম উদ্বাস্তু বাঙালিদের নাগরিকত্ব দেবার জন্য প্রস্তাব দিয়েছিলাম। আমি খুব খুশি যে আজ সিএএ লাগু হয়েছে। সিএএ (CAA) আটকানোর ক্ষমতা নেই মমতার”, কেন্দ্র সরকার নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনকে কার্যকর করার নির্দেশ জারি করতেই ঠিক এই ভাবে প্রতিক্রিয়া দিলেন রানাঘাট কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার। সেই সঙ্গে নির্দেশিকা জারি হওয়ার পরেই আবির খেলায় মেতে উঠলেন সাংসদ সহ বিজেপি কর্মী সমর্থক এবং মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষেরা।

    ২০১৯ সালে পাশ হয়েছিল সিএএ আইন (CAA)

    কয়েক দশক ধরেই নাগরিকত্ব নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে তরজা চলছিল। গত ২০১৯ সালে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর নরেন্দ্র মোদি সরকার সংসদে এই সিএএ (CAA) বিল পাশ করায়। এরপর রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরে দেশের আইনে পরিণত হয়। এরপর গতকাল কার্যকর করার নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্র সরকার। যদিও নির্দেশিকা জারি হতেই বিরোধিতা করতে দেখা গেল রাজ্যে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে। তবে এদিন সুবিশাল মিছিলের মধ্য দিয়ে আবির খেললেন রানাঘাটের সংসদ তথা এবারে লোকসভার প্রার্থী জগন্নাথ সরকার।

    কী বললেন বিজেপি প্রার্থী?

    রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করে বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার বলেন, “এর আগে যখন সিএএ বিল পাস হয়, তখন কেন্দ্র সরকারের সংস্থাগুলিতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন রেল স্টেশন ভাঙচুর করা হয়েছিল, এমনকী ট্রেনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চেয়েছিলেন যারা পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ করে এসেছে, তাদেরকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন-বিদ্রোহ করে সিএএ আইনকে কীভাবে বাতিল করা যায়। কিন্তু সেই চেষ্টা সফল হয়নি। তখনও আমি বলেছিলাম মমতার ক্ষমতা নেই ট্রেনে আগুন জ্বালিয়ে এই আইন বন্ধ করার। আমি কেন্দ্র সরকারকে স্বাগত জানাচ্ছি। যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ থেকে ধর্মীয় অত্যাচারের শিকার হয়ে এদেশে বসবাস করছেন এবং মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ, তাঁরা প্রত্যেকেই নাগরিকত্ব পাবেন, তার গ্যারান্টি আমি দিচ্ছি।”

    আর উদ্বাস্তু হয়ে থাকতে হবে না

    নদিয়া উত্তর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি অর্জুন বিশ্বাস সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, “সিএএ চালু হওয়ায় হিন্দু বাঙালিদের আর উদ্বাস্তু হয়ে থাকতে হবে না। এই আইন চালু হওয়ায় আমরা সকলেই খুশি। এর আগেও কংগ্রেস কেন্দ্র সরকারে থাকাকালীন বহুবার আশ্বাস দিয়েছিল, কিন্তু কার্যকর কিছুই হয়নি। বিজেপি কথা দিয়েছিল, সেই কথা রেখেছে। আজ থেকেই সকলে নাগরিকত্ব পেতে চলেছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Vande Bharat: ফের বাংলা পেল বন্দে ভারত, কোন রুটে চলবে এই এক্সপ্রেস?

    Vande Bharat: ফের বাংলা পেল বন্দে ভারত, কোন রুটে চলবে এই এক্সপ্রেস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়া, গুয়াহাটির পর এবার এনজেপি থেকে পাটনা পর্যন্ত চালু হল বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Vande Bharat)। ১৫ মাসের মধ্যে তিনটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস পেল এনজেপি। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে নটায় গুজরাত থেকে ভার্চুয়ালি এই ট্রেনের যাত্রা শুভারম্ভ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন প্রধানমন্ত্রী ভার্চুয়ালি রেলের একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। এর মধ্যে দশটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস উদ্বোধন ছিল। পাশাপাশি চারটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের যাত্রাপথ সম্প্রসারণে শুভারাম্ভ করেন তিনি। অন্যান্য প্রকল্পগুলির মধ্যে  বিভিন্ন স্টেশনে বৈদ্যুতিকরণ, সিগনালিং ব্যবস্থার আধুনিকীকরণের উদ্বোধন বেশি ছিল।

     কবে থেকে শুরু এনজেপি- পাটনা বন্দে ভারত এক্সপ্রেস? (Vande Bharat)

    বৃহস্পতিবার এনজেপি থেকে ট্রেনটির বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু হবে। মঙ্গলবার বাদে সপ্তাহের বাকি সব দিন চলবে এনজেপি- পাটনা বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Vande Bharat)। সকাল ৫:১৫ মিনিটে এনজিপি থেকে ছেড়ে বিহারের রাজধানী পাটনা পৌঁছবে বেলা ১২:১০ মিনিটে। পাটনা থেকে আবার বেলা ১ টায় ছেড়ে রাত ৮ টায় পৌঁছবে এনজেপিতে। স্টপেজ দেওয়া হয়েছে কিষাণনগঞ্জ এবং কাটিহারে। গত শুক্রবার এনজেপি থেকে এই বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের  ট্রায়াল সফল হয়। ট্রেনটিতে ৫৩০টি সিটিং ক্যাপাসিটি-সহ ৮টি কোচ থাকবে। একটি এগজিকিউটিভ ক্লাস, পাঁচটি চেয়ার কার এবং দুটি ড্রাইভার ট্রেইল কোচ থাকবে।

    ভাড়া কেমন?

    নিউ জলপাইগুড়ি-পাটনা জংশনের মধ্যে ট্রেন ভ্রমণের ভাড়া ক্যাটারিং মাসুল ছাড়া এগজিকিউটিভ ক্লাসের জন্য ২০৮০ টাকা, চেয়ার কারের জন্য ১০৪০ টাকা এবং ক্যাটারিং মাসুল-সহ যথাক্রমে ২২৫০ টাকা ও ১১৮০ টাকা হবে। বিহার ও উত্তরবঙ্গের মধ্যে এই অত্যাধুনিক বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Vande Bharat) ট্রেনটির ফলে বিশেষভাবে উভয় রাজ্যের জনগণ বর্ধিত গতি ও স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে এক্সপ্রেস রেলের মাধ্যমে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা লাভ করতে সক্ষম হবেন। যেহেতু এই সেমি হাই-স্পিড ট্রেনটি সমস্ত ধরনের বিশ্বমানের আধুনিক সুযোগ-সুবিধাযুক্ত, তাই যাত্রীরা নিজেদের ভ্রমণের সময় এই পার্থক্য ভালভাবেই অনুভব করতে পারবেন।

     স্বাগত জানাল বণিক মহল

    এনজেপি থেকে  হাওড়া, গুয়াহাটির পর বিহারের রাজধানী পাটনা পর্যন্ত বন্দে ভারত এক্সপ্রেসকে স্বাগত জানাল শিরিগুড়ির বণিক মহল। উত্তরবঙ্গ বণিক মহলের অন্যতম কর্মকর্তা সুরজিৎ পাল বলেন, বিহারের সঙ্গে যোগাযোগ আরও সহজ হল। অল্প সময়ে মানুষ বিহারে যাতায়াত করতে পারবেন। এতে দু’জায়গার ব্যবসা- বাণিজ্যে উন্নতি হবে।

     এনজেপি-র গুরুত্ব বাড়ছে

    এদিকে ১৫ মাসের মধ্যে তিনটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Vande Bharat) চালু হওয়ায় এনজেপি  স্টেশনের গুরুত্ব আরও বাড়লো। এর জবাবে ডাবগ্রাম- ফুলবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক বিজেপি নেত্রী শিখা চট্টোপাধ্যায় বলেন, প্রতিশ্রুতি মতো উত্তরবঙ্গের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে বিজেপি প্রথম থেকেই এখানকার রেল পরিষেবা উন্নত করার উপর জোর দিয়েছে। সেই পরিকল্পনা মতো তিনটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালু করার পাশাপাশি এনজেপি স্টেশনকে বিশ্বমানের করে তোলারও কাজ শুরু হয়েছে। শিলিগুড়ি জংশন সহ উত্তরবঙ্গের একাধিক স্টেশনকে অমৃত ভারত প্রকল্পের আওতায় এনে আধুনিকীকরণের কাজও চলছে। এর আগে এনজেপি- হাওড়া, এনজিপি -গুয়াহাটি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালু হয়েছে। তার মধ্যেই বার্তা ছিল যে এনজিবি থেকে আরও বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চলবে। তাই এনজেপি- পাটনা বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালু হল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CAA: সিএএ কার্যকর হতেই ঠাকুরনগরে ঢাক-ঢোল নিয়ে উচ্ছ্বাস হিন্দু শরণার্থীদের

    CAA: সিএএ কার্যকর হতেই ঠাকুরনগরে ঢাক-ঢোল নিয়ে উচ্ছ্বাস হিন্দু শরণার্থীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ সোমবার সিএএ (CAA) কার্যকর করার কথা ঘোষণা হয়েছে। এই ঘোষণা করছে কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। উল্লেখ্য কয়েক দিন আগেই দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একটি বেসরকারি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়ে স্পষ্ট জানিয়েছিলেন খুব দ্রুত লোকসভা ভোটের আগে দেশে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কার্যকর হবে। আর আজ আইন কার্যকর হতেই ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে উচ্ছ্বাস এবং আবেগের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। একে উদ্বাস্তু হিন্দু বাঙালি সমাজের কাছে গৌরবের দিন বলে উল্লেখ করেছেন মতুয়া সমাজের মানুষ। ইতিমধ্যে এলাকার মানুষ ঢাক-ঢোল, কাঁসর নিয়ে ঠাকুর বাড়ির মন্দিরে নেমে পড়েন। সকলে মিষ্টিমুখ করেন। পুরুষ-মহিলা সকলে এই আনন্দ উচ্ছ্বাসে যোগদান করেন।

    স্থানীয় মানুষের প্রতিক্রিয়া (CAA)

    মতুয়া সমাজের ঠাকুরনগরের বাসিন্দা সুজিত বিশ্বাস সিএএ (CAA) কার্যকর হওয়ায় অত্যন্ত উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, “আমরা ভীষণ খুশি, আমাদের দীর্ঘ দিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটল। প্রধানমন্ত্রী নিজে আমাদের মতো শরণার্থীদের কথা ভেবেই আইন করেছেন এবং আজ তাকে বাস্তবায়িত করলেন। আমরা নরেন্দ্র মোদিকে প্রধানমন্ত্রী পেয়ে অত্যন্ত গর্বিত। নাগরিকত্ব নিয়ে আমরা এখন সম্মানের সঙ্গে বসবাস করব।”

    উদ্বাস্তু হিন্দু নাগরিকের বক্তব্য

    উদ্বাস্তু হিন্দু নাগরিক দিলীপকান্তি মণ্ডল সিএএ (CAA) কার্যকর করা প্রসঙ্গে বলেন, “জয় হরি বোল, আমরা যাঁরা ওপার বাংলা থেকে ধর্মীয় অত্যাচারের শিকার হয়ে এই পশ্চিমবঙ্গের এসেছি তাঁদের সম্মানের সঙ্গে বাঁচার অধিকার দেবে এই নাগরিকত্ব আইন। শরণার্থী উদ্বাস্তু হিন্দুদের অধিকারকে সুরক্ষা করতে এই আইন কার্যকর করা একান্ত প্রয়োজন। আমরা ভীষণ খুশি। মতুয়া সমাজের অনেক দিনের দাবি ছিল নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কার্যকর হোক। ঠাকুরবাড়ির বড়মা বীণাপাণি দেবী, প্রমথরঞ্জন ঠাকুর এবং সর্বভারতীয় মতুয়া সংগঠনের পক্ষ থেকে বার বার দাবি তোলা হয়েছে, আন্দোলন করা হয়েছে। এমনকী ঠাকুরবাড়িতে দু-দু’বার অনশন করেছি আমরা। মোদিজি এবং আমিত শাহ যে কথা দিয়েছেন, তা আজ কার্যকর হয়েছে। আমরা আজ খুব খুশি। এই আইন সারা দেশে বাস্তবায়ন হবে। অধিকার নিয়ে সম্মানের সঙ্গে বাঁচব আমরা।”         

    কী আছে সিএএ আইনে?

    এই সিএএ আইন (CAA) অনুযায়ী বলা হয়েছে, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান থেকে যদি কোনও হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, শিখ, পারসি এবং খ্রিষ্টান ধর্মের মানুষ যদি ধর্মীয় অত্যাচারের শিকার হয়ে ভারতে চলে আসেন তাহলে তাঁদের ধর্ম এবং সংস্কৃতি রক্ষায় ভারত সরকার নাগরিকত্ব প্রদান করবে। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে উদ্বাস্তু হয়ে আসা হিন্দু শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ‘এখানে মিনি ভারতের দর্শন হয়’, জনজোয়ার দেখে আপ্লুত মোদি

    Narendra Modi: ‘এখানে মিনি ভারতের দর্শন হয়’, জনজোয়ার দেখে আপ্লুত মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মানুষের ভালবাসাকে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে নিরাপত্তার কড়াকড়ি ও সরকারি অনুষ্ঠানের সময়ের তাড়া ভুলে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। শনিবার শিলিগুড়ির কাওয়াখালি মাঠে একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধনের পাশাপাশি জনসভা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। সেই সময় ধরেই বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে তিনি সড়ক পথে রওনা হয়েছিলেন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের পাশে কাওয়াখালি মাঠের উদ্দেশ্যে। কিন্তু, বাগডোগড়া বিমানবন্দর থেকে বের হতেই প্রধানমন্ত্রী দেখেন রাস্তার দু’ধারে অগণিত মানুষ তাঁকে দেখার জন্য অধিক প্রতীক্ষায় দাঁড়িয়ে রয়েছেন। তাই জেট গতিতে কনভয় না ছুটিয়ে ধীর গতিতে শিলিগুড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। গাড়ি থেকে সাধারণ মানুষের উদ্দেশে হাত নেড়ে সৌজন্য বিনিময় করেন মোদি।

    মোদিকে দেখতে রাস্তার দুধারে জনজোয়ার (Narendra Modi)

    বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে কাওয়াখালি মাঠ পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার কনভয়ে ধীর গতিতে মোদি সভাস্থলে যান। ফলে, নির্ধারিত সময়ের প্রায় ৪৫ মিনিট পরে প্রধানমন্ত্রী পৌঁছন সভাস্থলে। সেখানেও  প্রধানমন্ত্রীকে (Narendra Modi) দেখার জন্য লাখো মানুষের ভিড় ছিল। তাই, বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করে বলেন, রাস্তার ধারে মানুষ ভালোবাসার টানে অপেক্ষা করেছিলেন।  মানুষের ভালবাসাকে শ্রদ্ধা জানাতে হয়। রাস্তা দিয়ে ধীর গতিতে আসতে গিয়ে এখানে পৌঁছতে কিছুটা দেরি হয়েছে। তারজন্য আমি আপনাদের কাছে ক্ষমা চাইছি।

    মিনি ভারতবর্য!

    প্রধানমন্ত্রীকে সামনে থেকে দেখা ও তাঁর বার্তা শোনার জন্য এদিন সকাল থেকে  নানা ভাষা ও বর্ণের মানুষ উত্তরবঙ্গের প্রতিটি প্রান্ত থেকেই মিলিত হয়েছিলেন এই কাওয়াখালির মাঠে। দার্জিলিং, কার্শিয়াং, কালিম্পং, মিরিক পাহাড়ের প্রতিটি প্রান্ত থেকে সকাল হতেই গাড়ির মিছিল এসে মিলেছে কাওয়াখালি মাঠে। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, মাথাভাঙ্গা, ময়নাগুড়ি, দিনহাটা, ডুয়ার্সের চালসা মেটেলি থেকেও এসেছেন দলে দলে মানুষ। জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে মানুষের এই সমাবেশে কাওয়াখালির মাঠ কার্যত এদিন মিনি ভারতবর্ষের চেহারা নেয়। সমাবেশের ভিড় দেখে মিনি ভারতবর্ষের কথা বলতে শোনা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে। তিনি বলেন, এখানে মিনি ভারতের দর্শন হয়।

    আরও পড়ুন: উত্তরবঙ্গে সাড়ে চার হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মোদি

    তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক (Narendra Modi)

    সকাল থেকেই দলে দলে মানুষ এসেছেন। মাঠে ঢোকার আগে সকলের মধ্যে ছিল বিজেপির পতাকা, নরেন্দ্র মোদির মুখোশ টুপি কেনার হিড়িক। সময় যত গড়িয়েছে জনসভায় ভিড় তত বেড়েছে। দল বেঁধে মতুয়ারা এসেছেন ঢাকঢোল পিটিয়ে উৎসবের মেজাজে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে। এদিন উত্তরবঙ্গের প্রতিটি প্রান্ত থেকে মানুষ যে তৃণমূলকে উৎখাত করা শপথ নিতে এসেছিলেন তা তাদের প্রতিক্রিয়াতেই ধরা পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী  তৃণমূলের দুর্নীতি, অপশাসন নিয়ে সমালোচনায় সরব হলেই সকলে জোটবদ্ধ হয়ে তৃণমূল বিরোধী স্লোগান দিয়েছেন। দেশের উন্নয়নের বার্তা এবং রাজ্যে তৃণমূলের অপশাসনের অবসানের শপথ নিতে প্রধানমন্ত্রীর আবেদনে সাড়া দিয়ে সকলে নিজের নিজের মোবাইল ফোনের টর্চ জ্বালান। শনিবার গোধূলি বেলায় কাওয়াখালির মাঠে অকাল দেওয়ালি নেমে আসে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Gangopadhyay: “তৃণমূলকে একটাও ভোট নয়”, শপথ নেওয়ার ডাক দিলেন অভিজিৎ

    Abhijit Gangopadhyay: “তৃণমূলকে একটাও ভোট নয়”, শপথ নেওয়ার ডাক দিলেন অভিজিৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “একটাও ভোট নয়, এই রাজ্য থেকে তৃণমূলের নাম মুছে দিতে হবে” কার্যত এই ভাবেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে শিলিগুড়িতে বিজপির মঞ্চ থেকে সোচ্চার হলেন প্রাক্তন বিচারপতি তথা বিজেপি নেতা অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay)। তিনি শিক্ষা, খাদ্য, আবাস দুর্নীতির বিরুদ্ধে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “৪২ টা লোকসভা আসনে তৃণমূলকে একটাও ভোট নয়।”

    কী বললেন প্রাক্তন বিচারপতি (Abhijit Gangopadhyay)?

    হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay) আজ শিলিগুড়িতে প্রধানমন্ত্রীর সভামঞ্চ থেকে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ করে বলেন, “আমি সদ্য বিজেপিতে একজন কর্মী হিসাবে যোগদান করেছি। আমার কিছু বলার আছে সেই প্রসঙ্গে। আমরা এমন এক রাজ্যে বসবাস করছি যেখানে এমন একটি দল শাসন করছে তার নাম উচ্চারণ করতে চাই না। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে বিদায় দিতে এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করতে হবে। এই তৃণমূলকে একটাও ভোট নয়। এই রাজ্যের দল পুরোপুরি দুর্বৃত্ত দ্বারা গঠিত। আমি যখন মামলা শুনেছিলাম সেই সময় দেখতে পায়েছি, এই সরকারের দুর্নীতি কতটা ভয়ানক। ধরিয়ে না দিলে বুঝতেই পারবেন না। আজ বহু চাকরি প্রার্থী অনেক নম্বর পেয়েও চাকরি থেকে বঞ্চিত। তুলনায় কম নম্বর পেয়ে দুর্নীতি করে পকেটে টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছে অনেকেই। ফলে দুর্বৃত্তের দৌরাত্ম্যে পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থাকে শেষ করার দিকে নিয়ে গিয়েছে।”

    দুর্নীতি নিয়ে আর কী বললেন?

    এদিন বিজপির সভা থেকে তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ করে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay) বলেন, “আমাদের প্রথামিক চাহিদা হল খাদ্য, বস্ত্র এবং বাসস্থান। খাদ্য দুর্নীতিতে তৃণমূলের খাদ্যমন্ত্রী জেলে রয়েছেন। শিক্ষা দুর্নীতিতে শিক্ষামন্ত্রী জেলে রয়েছেন। বাড়িতে কেউ নেই। আর বাসস্থানের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বাড়ি চুরি করছে এই তৃণমূলের নেতারা। সামনেই নির্বাচন তাই দুর্নীতিগ্রস্ত দুর্বৃত্তদের একটা শিক্ষা দিতে হবে। তাঁদের উচিত শিক্ষা হবে পশ্চিমবঙ্গ উৎখাতের শিক্ষা। তৃণমূলের জালিয়াতির মূল্য তৃণমূলকেই দিতে হবে।”

    শথ নিতে বলেলেন অভিজিৎ

    অভিজিৎ (Abhijit Gangopadhyay) আজকের কাওয়াখালির সভা থেকে সকল পশ্চিমবঙ্গবাসীর উদ্দেশে বলেন, “আজকে এখান থেকে শপথ নিয়ে যান। এই তৃণমূলকে আর ভোট নয়। আমাদের ৪২ আসনের মধ্যে ৪২ আসন দখল করতে হবে। এই রাজ্য থেকে তৃণমূলের নাম মুছে দিতে হবে। তৃণমূলের বহু নেতা পালিয়ে যাচ্ছে। দলে কেউ থাকছে না। এলাকায় এলাকায় প্রচার করুন। ওরা নারী নির্যাতন করে, সন্দেশখালির মতো ঘটনা ঘটায়। ২০২৬ সালের বিধানসভায় ওদের বিদায়ের পথ দেখিয়ে দিতে হবে। এই লোকসভা থেকেই উদ্যোগ নিতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ‘তৃণমূল সরকার পদে পদে আপনাদের লুটছে’, শিলিগুড়ির সভা থেকে তোপ মোদির

    Narendra Modi: ‘তৃণমূল সরকার পদে পদে আপনাদের লুটছে’, শিলিগুড়ির সভা থেকে তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূল সরকার মহিলা বিরোধী সরকার দলিত, আদিবাসী, ওবিসির রেশন যোজনাতেই দুর্নীতি করেছে। এদের নেতা মন্ত্রী রেশন দুর্নীতিতে এখন জেলে রয়েছে। শনিবার শিলিগুড়ির সভা থেকে তৃণমূলকে এভাবেই আক্রমণ করলেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) । তিনি বলেন, মোদি সরকার তাঁর গরিব পরিবারগুলিকে রেশনের সঙ্গে সঙ্গে বিনা খরচে চিকিৎসার গ্যারান্টিও দিয়েছে। কিন্তু, দুর্নীতিগ্রস্ত গরিব বিরোধী তৃণমূল সরকার এখানে আয়ুষ্মান যোজনা কার্যকর করছে না। তৃণমূল সরকার পদে পদে আপনাদের লুটছে।

    ১৪ লক্ষ বোনকে গ্যাস সংযোগ দিচ্ছে না তৃণমূল সরকার (Narendra Modi)

     নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) বলেন, এই ময়দানে আমি বহুবার এসেছি। এখানে এসে মিনিভারতের দর্শন হয়। যে বর্ণাঢ্যতা এখানে দেখি, খুব কম জায়গায় তা নজরে আসে। আমি যখনই উত্তরবঙ্গে এসেছি আশীর্বাদ পেয়েছি। বিশেষ করে আমাদের মা, বোন, মেয়েরা যে স্নেহ পাই বলার নয়। জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহের অনেক সাথী এখানে এসেছেন। নিজের পরিবারের লোকের মাঝে এসে খুব ভাল লাগছে। বিনামূল্যের রেশনের এই যোজনাকে মোদি ৫ বছর আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এর লাভ চাবাগানের শ্রমিকসাথিরা পাবেন। কিন্তু, তৃণমূল, কংগ্রেস, বামেদের ইন্ডি জোট আপনাদের নিখরচায় রেশন দেওয়ার বিরোধিতা করছে। এখানকার সমস্যা প্রথমে বামেরা শোনেনি। পরে, তৃণমূলও সরিয়ে রেখেছে। তৃণমূল তো গরিবের জমি দখলে ব্যস্ত। সে কারণে আপনারা যখন আমাকে সুযোগ দিলেন, আমি আমার পরিবারের সব সদস্যদের মানে আপনাদের সেই সুবিধা দিয়েছি। উজ্জ্বলা গ্যাস দিলাম। কিন্তু, এখানকার তৃণমূল সরকার ১৪ লক্ষের বেশি বোনকে উজ্জ্বলার কানেকশন নিতে দিচ্ছে না। নারী দিবসে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, গ্যাস সিলিন্ডার ১০০ টাকা আরও কমে যাবে। আমি জানি করোনার কারণে আমার গরিব পরিবার কত চিন্তায় পড়েছিলেন। সেকারণে মোদি দেশের পরিবারজনকে বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার যোজনা শুরু করে। আমার লক্ষ্য ছিল, কোনও গরিবের সন্তানকে যেন রাতে না খেয়ে না ঘুমোতে হয়।

    আরও পড়ুন: উত্তরবঙ্গে সাড়ে চার হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মোদি

    সন্দেশখালি ইস্যুতে তৃণমূলকে ফের তোপ

    বারাসতের সভা থেকে সন্দেশখালি ইস্যুতে তৃণমূলকে তুলোধনা করেন মোদি। পরে, সেখানে নির্যাতিতাদের সঙ্গে তিনি কথা বলেছিলেন। এবার শিলিগুড়ি সভা থেকে ফের নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)  বলেন, সন্দেশখালিতে আদিবাসী মহিলাদের ওপর অত্যাচার তৃণমূলের নেতারা যা করেছে তা দেশজুড়ে চর্চা চলছে। সেখানকার মহিলারা তৃণমূলের অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Ganguly: ‘রাজ্যে ৩৫৬ ধারা জারি হওয়া জরুরি’, মোদির সভায় যোগ দিতে এসে বিস্ফোরক অভিজিৎ

    Abhijit Ganguly: ‘রাজ্যে ৩৫৬ ধারা জারি হওয়া জরুরি’, মোদির সভায় যোগ দিতে এসে বিস্ফোরক অভিজিৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ৩৫৬ ধারা জারি হওয়া জরুরি। শনিবার শিলিগুড়িতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসভায় যোগ দিতে এসে একথা বললেন হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা বলে কিছুই নেই, পুলিশ সাধারণ মানুষকে হেনস্থা করছে বলে তিনি জানান।

    রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বলে কিছু নেই! (Abhijit Ganguly)

    এদিন বাগডোগরা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly) বলেন, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা ভয়ঙ্কর অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে। সাধারণ মানুষের ক্ষোভ, রোষ সামাল দিতে পারছে না রাজ্যের তৃণমূল সরকার। সে কারণেই ওপর তলার নির্দেশে পুলিশ সাধারণ মানুষকে হেনস্থা করছে। আর সাধারণ মানুষের ক্ষোভ দুঃখের কথা সঠিকভাবে তুলে ধরার জন্য সাংবাদিকরাও হেনস্থার শিকার হচ্ছেন। সন্দেশখালির ঘটনা ফের আরও একবার প্রমাণ করে দিল রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বলে কিছু নেই। এখানে ৩৫৬ ধারা জারি হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গোল্লা পাবেন

    প্রাক্তন বিচারপতি বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক কেন্দ্রে বিজেপি-র প্রার্থী হিসেবে দেওয়াল লিখন শুরু হয়েছে। তিনি (Abhijit Ganguly) শুধু বলেন, দল যেভাবে আমাকে কাজে লাগাবে আমি সেভাবেই কাজ করব। তবে, অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন হলে তৃণমূল মুছে যাবে। কারণ, রাজ্যের উন্নয়নে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুরোপুরি ব্যর্থ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি গোল্লা পাবেন। উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি নিয়েও  মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দাগেন প্রাক্তন বিচারপতি। তিনি বলেন, জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চে শেষ যে মামলায় পেয়েছিলাম তা ছিল একটি গ্রামে জল না পাওয়া নিয়ে। তাতে আমি নির্দেশ দিয়ে নকশালবাড়ির সেই সেবদুল্লা জ্যোতে জল পৌঁছে দিতে বাধ্য করেছি। স্বাধীনতার পরও মানুষ জল পান না, এটা ভাবা যায়। এতে মুখ্যমন্ত্রীর ব্যর্থতা প্রকট হয়ে ওঠে। তিনি তাঁর দফতরকে দিয়ে সবার কাছে জল পৌঁছে দিতে পারছেন না। উত্তরবঙ্গের আরও অনেক উন্নয়ন দরকার। এখানে কিছুই হয়নি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: শনিবার ফের রাজ্যে মোদি, শিলিগুড়ির সভায় কী বার্তা দেন, অধীর অপেক্ষায় উত্তরবঙ্গবাসী

    Siliguri: শনিবার ফের রাজ্যে মোদি, শিলিগুড়ির সভায় কী বার্তা দেন, অধীর অপেক্ষায় উত্তরবঙ্গবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার শিলিগুড়ি (Siliguri) সফরে এসে উত্তরবঙ্গবাসীকে আরও একটি নতুন ট্রেন উপহার দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে শিলিগুড়িতে প্রস্তুতি তুঙ্গে। লোকসভা নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের দিকে রাজনৈতিক মহল তাকিয়ে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নতুন কী বার্তা দেন, তা শোনার জন্য অধীর প্রতীক্ষায় উত্তরবঙ্গবাসী।

    প্রধানমন্ত্রীর শিলিগুড়ি সফরে কী কর্মসূচি?

    উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের কাছে কাওয়াখালি মাঠে শনিবার বিকেলে সরকারি অনুষ্ঠানের পর জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিকেল তিনটেয় বাগডোগরা বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন তিনি। সেখান থেকে সড়ক পথে যাবেন কাওয়াখালি ময়দানে। প্রথমে সরকারি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এই অনুষ্ঠানে শিলিগুড়ি জংশন-রাধিকাপুর ডেমু ট্রেনের উদ্বোধন করবেন। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী রেলের আরও আটটি বিভিন্ন প্রকল্পেরও (Siliguri) উদ্বোধন করবেন। এই মঞ্চ থেকেই প্রধানমন্ত্রী ঘোষপুকুর-ধুপগুড়ি পর্যন্ত চার লেনের রাস্তা এবং ইসলামপুরে জাতীয় সড়কের বাইপাসের উদ্বোধন করবেন। আধ ঘন্টার এই সরকারি অনুষ্ঠানের পর জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। এজন্য কাওয়াখালির মাঠে দুটি মঞ্চ করা হয়েছে। একটি মঞ্চ সরকারি অনুষ্ঠানের জন্য, অপরটিতে হবে জনসভা। জনসভা করে সড়ক পথে বাগডোগরা বিমানবন্দরে যাবেন তিনি।

    নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা (Siliguri)

    নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরি জন্য দুদিন আগেই এসপিজি’র একটি দল পৌঁছে গিয়েছে। মঞ্চ তৈরি ও যাবতীয় প্রস্তুতির কাজ তারা তদারকি করছে। শুক্রবার স্নিফার ডগ দিয়ে মঞ্চ ও গোটা মাঠ তল্লাশি চালায় তারা। রয়েছে রাজ্য পুলিশও। শনিবার দুপুর দুটোর মধ্যেই সকলকে জনসভার মাঠে (Siliguri) উপস্থিত হতে হবে। তারপর থেকে রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ থাকবে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার জন্য।

    প্রধানমন্ত্রীর সফরে উজ্জীবিত উত্তরবঙ্গ বিজেপি (Siliguri)

    গতবার  লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে বিজেপি ভালো ফল করেছে। আটটি আসনের মধ্যে সাতটি জিতেছে বিজেপি। বিধানসভা নির্বাচনেও ভালো ফল হয়েছে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে এবারের লোকসভা নির্বাচনের আগে এই সফরে প্রধানমন্ত্রী উত্তরবঙ্গবাসীর উদ্দেশে নতুন কী বার্তা দেন, তা নিয়ে সব মহলেই উৎসাহ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই জনসভা সফল করতে বিজেপির প্রচার তুঙ্গে। উত্তরবঙ্গের সব জেলা থেকেই (Siliguri) লোক আসবে বলে এদিন জানান দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা। তাঁর দাবি, দুই লাখ লোক হবে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায়। তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গে বিজেপির সব বিধায়ক, সাংসদ এবং জেলা নেতৃত্ব প্রধানমন্ত্রীর সভায় উপস্থিত থাকবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: এবার ইডির নতুন মামলায় অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে আদালতে হাজিরার নির্দেশ

    Arvind Kejriwal: এবার ইডির নতুন মামলায় অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে আদালতে হাজিরার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা ইডি নতুন মামলা দায়ের করার পরে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে (Arvind Kejriwal) আদালতে তলব করা হয়েছে। ইতিপূর্বে বেশ কয়েকবার তাঁকে তলব করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি ইডি দ্বারা জারি করা মোট ৮টি নোটিশ এড়িয়ে গেছেন। আজ দিল্লির একটি আদালত আম আদমি পার্টি-র এই নেতাকে আগামী ১৬ মার্চ আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে খবর (Arvind Kejriwal)?

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি আজ দিল্লির একটি আদালতে স্পষ্ট করে বলে যে আবগারি দুর্নীতি মামলায় কেজরিওয়ালকে (Arvind Kejriwal)  জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় তাঁরা। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী আর্থিক দুর্নীতির মামলার অধীনে জারি করা একাধিক নোটিশকে এড়িয়ে যাওয়ার পরে আজ নতুন ফের নোটিশ পাঠানো হয়। কেজরিওয়াল অবশ্য ইতিপূর্বে ইডি দ্বারা জারি করা ৮টি নোটিশকে এড়িয়ে গেছেন। তদন্তকারী সংস্থা আরও জানিয়েছে, মামলায় অভিযুক্তরা দিল্লির আবগারি নীতি তৈরির সময় মুখ্যমন্ত্রীর সাথে যোগাযোগ করেছিলেন। তাই ইডি-র দায়ের করা চার্জশিটে কেজরিওয়ালের নাম একাধিকবার উল্লেখ করা হয়েছে।

    ৪ মার্চ হাজিরা দেননি কেজরিওয়াল (Arvind Kekriwal)

    অপর দিকে আপ নেতা কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal), নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধী নেতাদের টার্গেট করতে ইডি-র মতো কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে ব্যবহার করার অভিযোগ তুলেছেন। ইডি শেষ নোটিশ গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে জারি করেছিল এবং জিজ্ঞাসাবাদের তারিখ ৪ মার্চ নির্ধারণ করা হয়েছিল। আপ নেতা এই নোটিশকে “অবৈধ” বলে অভিহিত করেছেন। তিনি আরও বলেন, “ভিডিও-কনফারেন্সিং মাধ্যমে সংস্থার সামনে হাজির হতে প্রস্তুত ছিলাম।” কিন্তু কেন্দ্রীয় সংস্থা অবশ্য শারীরিক ভাবে উপস্থিতির উপর জোর দিয়েছিল। ভিডিও কনফারেন্সিং মাধ্যমে প্রশ্ন করার কোনও বিধান নেই। ইডি এর আগে দিল্লির এখন বাতিল করা আবগারি নীতি সংক্রান্ত অর্থ পাচারের মামলায় দিল্লির প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়া এবং রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিং, দুই শীর্ষ আপ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁরা এখন জেলে রয়েছেন।

    কেজরিওয়ালের বক্তব্য (Arvind Kekriwal)

    আজ নতুন মামলায় ইডির নোটিশ সম্পর্কে কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) বলেন, “যাঁরা বিজেপিতে যোগ দিতে অস্বীকার করে তাঁদেরকেই জেলে পাঠানো হয়। সত্যেন্দ্র জৈন, মনীশ সিসোদিয়া এবং সঞ্জয় সিং আজ বিজেপিতে যোগ দিলে কাল জামিন পাবেন। এমনকী আমি এখন বিজেপিতে যোগ দিলে ইডি-র নোটিশ পাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে। বেশ কয়েকটি আদালতের রায়ে বলা হয়েছে যে ইডিকে অবশ্যই জানাতে হবে যে কেন কোন ব্যক্তিকে তলব করা হচ্ছে। দুর্ভাগ্যবশত কেন্দ্র সরকার আদালতের আদেশ মানতে অস্বীকার করে। নিজেদের আইনের ঊর্ধ্বে মনে করে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ‘নিজের ভোট নিজে দিতে পারব’, মোদির আশ্বাসে বুকে বল পাচ্ছেন সন্দেশখালির মহিলারা

    Sandeshkhali: ‘নিজের ভোট নিজে দিতে পারব’, মোদির আশ্বাসে বুকে বল পাচ্ছেন সন্দেশখালির মহিলারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের বাধা, পুলিশের সমন কোনও কিছুই আটকাতে পারেনি সন্দেশখালির (Sandeshkhali) পাঁচ নির্যাতিতাকে। বারাসতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভায় আসেন তাঁরা। সভা শেষের পর মঞ্চের পিছনে দেখা করেন তাঁরা। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সভা শেষ হওয়ার পর মোদি সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের সঙ্গে কথা বলার জন্য মঞ্চের পিছনের দিকে যান। অনেকেই এগিয়ে যান প্রধানমন্ত্রীকে নমস্কার করার জন্য। কিন্তু, মোদি  বলেন, ‘ আমারই উচিত আপনাদের নমস্কার করা। আপনারাই তো মা দুর্গা ‘। তিনিও শুনেছেন সব কথা।

    নিজের ভোট নিজে দিতে পারবেন (Sandeshkhali)

    শাহজাহান বাহিনীর কারণে বহুদিন সন্দেশখালিবাসী ভোট দিতে পারেননি। শাহজাহানের দলবল ভোট দিয়ে দিত। ফলে, নিজেদের মতামত এতদিন তাঁরা জানাতে পারেননি। এর আগে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মহিলারা এই বিষয়ে মুখ খুলেছিলেন। বুধবার মোদির সামনে সেই প্রসঙ্গ টেনে মহিলারা বলেন, আমরা ভোট দিতে পারি না। প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন, এবার সকলে নিজেদের ভোট নিজেরাই দিতে পারবেন। দ্রুত এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ঢুকবে। প্রধানমন্ত্রী তাঁদের প্রশংসা করে বলেন, দুর্গাশক্তি হয়ে আপনারা যা করে দেখিয়েছেন তা অতুলনীয়। শাহজাহানের শাস্তিরও আবেদন করেছি বলে জানান এক মহিলা। প্রধানমন্ত্রীকে ঝুপখালি, বেড়মজুর, জেলিয়াখালির মহিলাদের কথাও বলেছেন তাঁরা।

    সন্দেশখালির মহিলাদের কথা নোটও রাখেন একজন

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মহিলারা জানিয়েছেন, এখনও সেখানে অশান্তির পরিবেশ অব্যাহত। এখনও আতঙ্কে মানুষ। আমরা বলেছি, স্যার, আমাদের রাজ্য পুলিশের ওপর কোনও আস্থা নেই। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসে, সন্দেশখালির মহিলাদের কথা নোটও রাখেন একজন। ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দেন প্রধানমন্ত্রী। অভয় দেন তাঁদের। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে ওই প্রতিনিধিদলের এক মহিলা বলেন, “আমরা ৫ থেকে ৭ মিনিট কথা বলেছি। আমাদের ওপর নির্যাতন, জমি লুঠের কথা সবই জানিয়েছি ওনাকে। শিবু হাজরা, উত্তম সর্দার, শাহজাহানের বাইক বাহিনীর কথা বলেছি। প্রধানমন্ত্রী বললেন উনি আমাদের পাশে আছেন, পাশে থাকবেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীও দেবেন বলেছেন। আমরা কথা বলে সন্তুষ্ট।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share