Tag: NASA

NASA

  • NASA: নাসার মুখ্য প্রযুক্তিবিদ পদে ভারতীয় বংশোদ্ভূত, জানুন কে

    NASA: নাসার মুখ্য প্রযুক্তিবিদ পদে ভারতীয় বংশোদ্ভূত, জানুন কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত (India)-মার্কিন এরোস্পেস ইন্ডাস্ট্রি বিশেষজ্ঞ এসি চারানিয়াকে মুখ্য প্রযুক্তিবিদ পদে নিয়োগ করল মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা (NASA)। তার আগে ওই পদে ছিলেন ভারত-মার্কিন বিজ্ঞানী ভব্য লাল। ভারতীয় বংশোদ্ভূত এসি চারানিয়ার এই নিয়োগে তাঁদের এ দেশের বাড়িতে চলছে আনন্দ উৎসব। খুশি ভারতীয়রাও। চারানিয়া নাসার প্রিন্সিপাল অ্যাডভাইসার হিসেবে কাজ করবেন। নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে তাঁর।

    নাসা…

    সোমবার একটি বিবৃতিতে নাসা জানিয়েছিল, নাসার বিভিন্ন সহযোগী এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলবেন নাসার নয়া চিফ টেকনোলজিস্ট। কেবল ওই সংস্থা নয়, প্রাইভেট সেক্টর এবং এক্সটারনাল স্টেকহোল্ডারর্সদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখবেন। নাসার অ্যাসোসিয়েট ভব্য লাল বলেন, নাসার প্রতিটি মিশনে টেকনোলজি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নাসা (NASA) গ্লোবাল লিডার হিসেবে কাজ করে। তাই সব সময় আমাদের সেরা নীতিটিই অনুসরণ করতে হয়। ভব্য বলেন, চারানিয়া একজন দক্ষ নেতা। তিনি তাঁর জ্ঞান এবং উৎসাহ নাসায় কবে কাজে লাগাবেন, তা দেখতে আমি মুখিয়ে রয়েছি। চারানিয়া বলেন, নাসার ভিতরে এবং বাইরে পার্টনারশিপের অবিশ্বাস্য সুযোগ রয়েছে। মহাকাশ অভিযানে অগ্রগতির জন্য যে সুযোগ রয়েছে, তাকে আমি কাজে লাগাব।

    আরও পড়ুুন: ফের বন্দুক হামলা! চিনা নববর্ষের উৎসবে রক্তাক্ত আমেরিকা, নিহত অন্তত ১০

    জর্জিয়া ইনসটিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে মাস্টার ডিগ্রি করেছেন চারানিয়া। এমোরি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লাভ করেছেন অর্থনীতিতে ব্যাচেলার্স ডিগ্রি। নাসায় (NASA) মুখ্য প্রযুক্তিবিদ হিসেবে যোগ দিয়েছেন চারানিয়া। তার আগে তিনি চাকরি করতেন ব্লু অরিজিনে। লুনার পারফরমেন্স স্ট্র্যাটেজি, ব্লু মুন লুনার ল্যান্ডার প্রোগ্রাম এবং আরও বিভিন্ন প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে নাসার সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। রিলায়েবল রোবোটিক্সে প্রোডাক্ট স্ট্র্যাটেজির ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবেও কাজ করেছেন চারানিয়া। নাসার তরফে প্রেস রিলিজে জানানো হয়েছে, এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রযুক্তিবিদ স্পেস ওয়ার্কস এন্টারপ্রাইজেসে চাকরি করেছেন। আরও কয়েকটি ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজি প্রতিষ্ঠানেও কাজ করেছেন তিনি। চারানিয়া জেনারেশন অরবিট এবং টার্মিনাল ভেলোসিটি এরোস্পেসেও চাকরি করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     

     

  • Aparup Roy: মাত্র ১৭ বছর বয়সেই টেসলা-নাসায় কাজ করার অভিজ্ঞতা, কে এই বাংলার ‘বিস্ময় বালক’?

    Aparup Roy: মাত্র ১৭ বছর বয়সেই টেসলা-নাসায় কাজ করার অভিজ্ঞতা, কে এই বাংলার ‘বিস্ময় বালক’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র ১৭ বছর বয়সেই আসাধ্য সাধন করেছেন দুর্গাপুরের অপরূপ রায় (Aparup Roy)। ইতিমধ্যেই এই বিস্ময় বালক ভারতের সর্বকনিষ্ঠ বিজ্ঞানীর শিরোপা অর্জন করে ফেলেছেন। একাদশ শ্রেণির ছাত্র অপরূপ রায়ের ভাষায়, সাফল্য অর্জনের ক্ষেত্রে বয়স শুধুমাত্র একটি সংখ্যা। আপনার পায়ের দিকে না তাকিয়ে তারার দিকে তাকানো সবসময়ই ভাল।” পরামর্শ দিয়ে বলেন, “টেনশনকে একেবারেই কাছে আসতে দেওয়া চলবে না। শুধু স্বপ্ন পূরণের জন্য কঠোর পরিশ্রম করুন।” 

    ইতিমধ্যেই অপরূপের (Aparup Roy) দুটি বই, রসায়নের তিনটি পেপার প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন জার্নাল ও পত্রিকায়। গবেষণাপত্রগুলি আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। যে যে জার্নালে তাঁর  গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল সেগুলি হল-বিজ্ঞান ও গবেষণার আন্তর্জাতিক জার্নাল, ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ সায়েন্টিফিক রিসার্চ ইন কেমিক্যাল সায়েন্সেস, পদার্থবিদ্যা এবং রসায়ন পদার্থের জার্নাল। এই জার্নালগুলি যখন প্রকাশিত হয় তখন অপরূপ দশম শ্রেণীতে পড়তেন। 

    ২০২১ সালের মে মাসে অপরূপের (Aparup Roy) প্রথম বই, ‘সাধারণ রসায়নে সমস্যা’ প্রকাশিত হয়েছিল। তাঁর দ্বিতীয় বই ‘মাস্টার ICSE কেমিস্ট্রি সেমিস্টার’ গত বছরেরই অগাস্টে প্রকাশিত হয়েছে।

    অপরূপের (Aparup Roy) বরাবরের লক্ষ্য বিজ্ঞানী হওয়া। রসায়নের প্রতি তাঁর নিবিড় ভালোবাসাই তাঁকে লকডাউনের ভয়ঙ্কর সময় পার করতে সাহায্য করে। অপরূপ বলেন, “লকডাউন চলাকালীন  আমি বিদ্যুৎ সঞ্চালনের জন্য জলে লবণ দ্রবীভূত করার পরীক্ষাটি বেশ কয়েকবার করেছি এবং আমি কিছু নতুন পর্যবেক্ষণ করেছি, যা আমি আগে কখনও লক্ষ্য করিনি। এর জন্য আমি কয়েকজন এমআইটি বিজ্ঞানীর সাহায্য নিয়েছি।” তিনি আরও বলেন, “যখন লকডাউন ছিল, তখন কাউকে বাইরে যেতে দেওয়া হয়নি, তাই আমি বাড়িতে আমার সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে বাধ্য হয়েছিলাম। কিন্তু আরও অনেক অ্যাসাইনমেন্ট আছে, যা আমি বাড়িতে করতে পারি না। তাই, আমি এনআইটি দুর্গাপুরের রসায়ন বিভাগের প্রধানকে চিঠি লিখেছিলাম এবং তিনি রাজি হয়েছিলেন। তার জন্য আমার স্কুল থেকে সুপারিশপত্র দেওয়া হয়েছিল। ২০২০ সালে লকডাউন তুলে নেওয়ার পরে আমি এটা পেয়েছিলাম এবং আমি এখন NIT-এর একটি ল্যাবে আমার গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছি।”

    আরও পড়ুন: সিবিআইয়ের জালে বগটুইকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত লালন শেখ, কোথায় ধরা পড়ল জানেন?

    এছাড়াও বর্তমানে টেসলাতে গবেষণা সহকারী হিসেবে কাজ করছেন। যেখানে তাঁর দুই বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি (Aparup Roy) নাসাতে গবেষণা সহকারী হিসেবেও কাজ করেছেন।

    অপরূপ (Aparup Roy) আরও জানান যে ক্লাস সেভেন থেকেই তাঁর অনু-পরমাণুর প্রতি আগ্রহ ছিল। অপরূপ এখন JEE-র তে ভাল ফল করার জন্যে ইতিমধ্যেই কঠোর পরিশ্রম শুরু করেছেন। ভবিষ্যতে আইআইটি বম্বেতে পড়তে চান। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে অপরূপ ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস- এর দ্বারা সম্মানিত হন। অপরূপ দশম শ্রণিতে বোর্ডের পরীক্ষায় ৯৫ শতাংশ নম্বর পেয়েছিলেন।

    এছাড়া গোবর থেকে মশা নিরোধক তৈরির বিষয়েও গবেষণা করেছেন অপরূপ (Aparup Roy)। তিনি বিশ্বাস করেন, বাজারে যেই মশা নিরোধকগুলি পাওয়া যায় সেগুলি নিরাপদ নয় এবং ত্বকে সংক্রমণ ঘটাতে পারে। তাই তিনি মশা তাড়ানোর জন্য নিজের ভেষজ বিকল্প তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেন এবং একটি স্বীকৃত জার্নালে তা প্রকাশিতও হয়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

     

  • NASA DART Mission: ডিরেক্ট হিট! মুহূর্তেই ছিটকে গেল গ্রহাণু! নাসার ঐতিহাসিক পরীক্ষা সফল

    NASA DART Mission: ডিরেক্ট হিট! মুহূর্তেই ছিটকে গেল গ্রহাণু! নাসার ঐতিহাসিক পরীক্ষা সফল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাজাগতিক বিস্ময়! পৃথিবীকে মহাজাগতিক বস্তু থেকে বাঁচাতে নাসা-র (NASA) ডার্ট মিশনের (DART Mission) প্রথম চেষ্টাই দুর্দান্ত সাফল্য অর্জন করল। গতকাল স্থানীয় সময় অনুসারে, সন্ধ্যে ৭টা ১৪ মিনিট নাগাদ গ্রহাণু ডিমরফস-এর (Dimorphos) সঙ্গে সংর্ঘর্ষ ঘটানো হয় নাসার ডার্ট মিশনের যানের। এর মাধ্যমে পৃথিবীর কক্ষপথ থেকে গ্রহাণুটিকে সরিয়ে নিতে সফল হয়েছে নাসা। ফলে নাসার মিশন মহাকাশ বিজ্ঞানের ইতিহাসে এনে দিয়েছে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন।

    জানা গিয়েছে, গ্রহাণুটি পৃথিবীর কক্ষপথের কাছাকাছি ছিল এবং গতকাল এই অভিযানের সময় পৃথিবী থেকে ৭০ লক্ষ মাইল দূরে অবস্থান ছিল গ্রহাণুটির। নাসার ডাবল অ্যাস্টেরয়েড রিডায়রেকশন টেস্ট (ডার্ট) মহাকাশযান সেটির উপর আছড়ে পড়ে। ফলে গ্রহাণুটির দিক কক্ষপথ থেকে বের করে দিতে সক্ষম হয়েছে মহাকাশযানটি। নাসার প্ল্যানেটারি সায়েন্স ডিভিশনের ডিরেক্টর লরি গ্লেজ বলেছেন, “আমরা একটি নতুন যুগের সূচনা করলাম। যে যুগে বিপজ্জনক গ্রহাণুর প্রভাবের থেকে নিজেদেরকে রক্ষা করার ক্ষমতা আছে।”

    আরও পড়ুন: আজই গ্রহাণুতে ধাক্কা নাসার ডার্ট মিশনের! সরাসরি সেই ভিডিও কখন, কোথায় দেখবেন?

    প্রসঙ্গত, এই মহাকাশযানটিকে প্রায় ১০ মাস আগে ক্যালিফোর্নিয়া থেকে এই বিশেষ অভিযানের জন্য মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল। গতকাল এই মহাকাশযনটি প্রায় ঘণ্টায় ২৩ হাজার ৫০০ কিলোমিটার গতিতে ডিমরফস-এর উপর আছড়ে পড়ে। ডিমরফস (Dimorphos) আয়তনে প্রায় ৫৩০ ফুট ও এর আকার মিশরের বৃহদাকার পিরামিডের মত। এতদিন এই গ্রহাণুটি ডিডিমস (Didymos) নামের গ্রহাণুকে ঘিরে প্রদক্ষিণ করছিল। ডার্ট এই ডিমরফস-এ আছড়ে পড়ার আগে এই গ্রহাণুর রুক্ষ্ম, পাথুরে পৃষ্ঠদেশ স্পষ্ট দেখা গিয়েছিল।

    বিজ্ঞানীদের দাবি, ডিফরমস গ্রহাণুটি পৃথিবীর জন্য বিপজ্জনক না, বরং এই অভিযানের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা  নিশ্চিত হল যে, ডার্ট গ্রহাণুর দিক পরিবর্তন করতে সক্ষম। বিজ্ঞানীরা অনুমান করেছেন, সংঘর্ষ হওয়ার পরে গ্রহাণুটি তুলনামূলক ছোট একটি কক্ষপথে গিয়ে পড়েছে তবে তার নির্দিষ্ট অবস্থান জানতে গ্রাউন্ড টেলিস্কোপ ব্যবহার করবেন বিজ্ঞানীরা। এ ছাড়াও, ডার্টের সঙ্গে লিসিয়াকিউব নামের একটি কৃত্রিম উপগ্রহও মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল। ডার্ট গ্রহাণুর উপর আছড়ে পড়ার আগে লিসিয়াকিউব তার থেকে আলাদা হয়ে যায়। আগামী কয়েক মাস মহাকাশে ওই দুই গ্রহাণুকে (ডিমরফস ও ডিডিমস) পর্যবেক্ষণ করবে লিসিয়াকিউব ও সেই ছবি পাঠাবে নাসা-র বিজ্ঞানীদের। এর ফলে দুই গ্রহাণু থেকে সংগৃহীত পদার্থও সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য বিজ্ঞানীরা জানতে  পারবেন ও তা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পারবেন।

  • Artemis 1 Mission: তৃতীয় বারে হবে কি সফল? ২৭ সেপ্টেম্বর ফের চাঁদে পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করবে ‘আর্টেমিস ১’

    Artemis 1 Mission: তৃতীয় বারে হবে কি সফল? ২৭ সেপ্টেম্বর ফের চাঁদে পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করবে ‘আর্টেমিস ১’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’বার বাধা পাওয়ার পর চাঁদের উদ্দেশে ফের স্পেস লঞ্চ সিস্টেম রকেট পাঠাতে চলেছে নাসা (NASA)। যান্ত্রিক গোলোযোগের কারণে অগাস্টের শেষের দিকে দুবার স্থগিত করা হয় আর্টেমিস মিশন (Artemis Mission)। নাসার চেষ্টা দুবার ব্যর্থ হওয়ার ফলে তৃতীয়বারে আর্টেমিস মিশন সফল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে নাসা। ফলে চাঁদের বুকে রকেট উৎক্ষেপণের জন্য দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হয়েছে। এ মাসেই চাঁদের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে আর্টেমিস ১ মিশনের স্পেস লঞ্চ সিস্টেম রকেট (SLS Rocket)।

    আরও পড়ুন: দ্বিতীয় চেষ্টাও ব্যর্থ! নাসার আর্টেমিস মিশনের রকেট উৎক্ষেপণ পিছিয়ে অক্টোবরে?

    নাসা জানিয়েছে, পরবর্তী উৎক্ষেপণের জন্য ২৭ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত করা হয়েছে। তবে যদি এদিনও যাত্রা সফল না হয়, তবে পঞ্চমবারের চেষ্টা ২ অক্টোবর করা হবে। মার্কিন সংস্থা নাসা একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, এবারে বিভিন্ন লজিস্টিক বিষয়গুলি যত্ন সহকারে বিবেচনা করা হয়েছে, ফলে উৎক্ষেপণের দিন চূড়ান্ত করতে এতদিন সময় লেগে গেল। এছাড়াও জানানো হয়েছে, ২৭ সেপ্টেম্বর এটি উৎক্ষেপণের আগে ২১ সেপ্টেম্বর একটি ক্রায়োজেনিক ডেমোনস্ট্রেশন পরীক্ষা করা হবে।

    আরও পড়ুন: চাঁদের বুকে কোথায় নামবেন মহাকাশচারীরা? ১৩টি জায়গা বেছে নিল নাসা

    ২৯ অগাস্ট উৎক্ষেপণের আগে এসএলএস রকেটের ইঞ্জিনগুলির একটিতে প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে প্রথমবারের মতো স্থগিত করা হয়েছিল আর্টেমিস মিশ। এরপর দ্বিতীয়বারের জন্য চেষ্টা করা হয়েছিল ৩ সেপ্টেম্বর। কিন্তু SLS রকেট থেকে তরল হাইড্রোজেন পূরণ এবং নিষ্কাশন করতে ব্যবহৃত 8-ইঞ্চি লাইনকে ঘিরে গ্রাউন্ড সাইড এবং রকেট সাইড প্লেটের মধ্যে একটি গহ্বরে একটি ফুটো দেখতে পান ইঞ্জিনিয়াররা। ফলে আর্টেমিস ওয়ান রকেট লঞ্চ প্যাডে থাকাকালীন হাইড্রোজেন লিক হওয়ার কারণে সেদিন পাড়ি দিতে পারেনি মহাকাশে। এরপর নাসার ইঞ্জিনিয়াররা এইসব সমস্যার সব সমাধান করে ফের চাঁদে উৎক্ষেপণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ফলে এইবারের প্রচেষ্টায় কোনরকমের বাধা আসবে না বলেই আসা করেছে নাসা।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • NASA Artemis Mission: নাসার আর্টেমিস মিশনের সামনে ফের বাধা, চিন্তা বাড়াচ্ছে ‘হ্যারিকেন’

    NASA Artemis Mission: নাসার আর্টেমিস মিশনের সামনে ফের বাধা, চিন্তা বাড়াচ্ছে ‘হ্যারিকেন’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাসার (Nasa) আর্টেমিস চন্দ্রাভিযানের (Artemis Mission) জন্য আরও কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে বিশ্ববাসীকে। কিউবার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থানকারী হ্যারিকেন ঝড় মেক্সিকো (Mexico) উপসাগরের ওপর দিয়ে প্রচণ্ড গতিতে ফ্লোরিডার (Florida) দিকে এগিয়ে আসছে। প্রবল বাতাস সহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় চন্দ্রাভিযান আপাতত স্থগিত করছে নাসা। দু’বার পরপর চেষ্টার পরেও ব্যর্থ হয়েছে নাসার আর্টেমিস-১ মিশন। তাই তৃতীয়বারের চেষ্টায় মিশন সফল করতে মরিয়া নাসা। কিন্তু নানা প্রতিবন্ধকতার সামনে দাঁড়িয়ে এই স্পেস রিসার্চ (Space Research) সংস্থাটি। 

    আরও পড়ুন: ডিরেক্ট হিট! মুহূর্তেই ছিটকে গেল গ্রহাণু! নাসার ঐতিহাসিক পরীক্ষা সফল 

    মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা তাদের ওয়েবসাইটে (Website) জানিয়েছে, হ্যারিকেন ঝড়ের ফলে এই মিশনটি রাতারাতি স্থগিত করা হয়েছে। ৩২০ ফুটের লম্বা বিশাল রকেটটিকে ঝড়ের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বিশাল কমলা এবং সাদা রঙের রকেটটি তৈরি করতে কয়েক দশক সময় লেগেছে। গ্রিক পুরাণ অনুযায়ী চাঁদের (Moon) দেবী আর্টেমিসের নাম অনুসারে এই চন্দ্রযানটির নামকরণ করা হয়েছে। নাসা জানিয়েছে বিধ্বংসী এই ঝড়টি চলে গেলেই তারা ফের রকেটটিকে উৎক্ষেপণের চেষ্টা করবে। তবে এখনও পর্যন্ত তার দিনক্ষণ ঘোষণা করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, অক্টোবরের ১৭ থেকে ৩১ তারিখ অথবা নভেম্বরের ১২ থেকে ২৭ এর মধ্যে ফের উৎক্ষেপণের চেষ্টা হতে পারে।

    আর্টেমিস প্রোগ্রামটিকে নাসা তিন ভাগে ভাগ করছে। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এই মিশন সফল হলে চাঁদের সঙ্গে পৃথিবীর যোগাযোগ আরও নিবিড় হবে। আর্টেমিস ১ মিশনটিতে (Artemis 1 mission) ইতিমধ্যেই বিরাট অঙ্কের টাকাও খরচ করে ফেলেছে নাসা। তাই দু বার ব্যর্থ হলেও, এই মিশন সফল করতে মরিয়া বিশ্বের বৃহত্তম এই মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রটি।

    প্রসঙ্গত, ৫০ বছর আগে নাসার অভিযানে শেষবার চাঁদের মাটিতে পা রেখেছিল মানুষ। তার পর এবার চাঁদে যাচ্ছে ‘আর্টেমিস-১’। এতে অবশ্য কোনও মহাকাশচারী যাচ্ছেন না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Asteroid: আজই ধেয়ে আসছে বিমানের আকারের সমান গ্রহাণু ‘২২ আরকিউ’, সতর্ক করল নাসা

    Asteroid: আজই ধেয়ে আসছে বিমানের আকারের সমান গ্রহাণু ‘২২ আরকিউ’, সতর্ক করল নাসা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও একটি বিশালাকৃতির গ্রহাণু ধেয়ে আসছে গ্রহাণু (Asteroid)। গ্রহাণুটির নাম Asteroid 22 RQ। সম্প্রতি ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (নাসা) প্রকাশ করেছে যে একটি বিশাল গ্রহাণু, যা প্রায় একটি বিমানের আকারের সমান, আজ পৃথিবীর দিকে আসছে। গ্রহাণু ২২ আরকিউ ইতিমধ্যেই পৃথিবীর দিকে প্রতি ঘন্টায় প্রায় ৪৯,৫৩৬ কিলোমিটর গতিতে এগিয়ে চলছে।

    নাসা থেকে জানানো হয়েছে যে, গ্রহাণুটি পৃথিবীর কক্ষপথের প্রায় ৩৭ লক্ষ কিলোমিটারের মধ্যে দিয়ে পৃথিবীর একেবারে পাশ কেটে চলে যাবে। তবে, নাসার প্ল্যানেটারি ডিফেন্স কোঅর্ডিনেশন অফিস থেকে সতর্ক করা হয়েছে যে, গ্রহাণু ২২ আরকিউ প্রায় ৮৪ ফুট চওড়া এবং এটি একটি বিমানের আকারের প্রায় সমান। তাই যে কোনও মুহূর্তে যে কোনও বিপদ ঘটতে পারে। জানা গিয়েছে, সূর্য থেকে গ্রহাণুটির দূরতম বিন্দু ৩২৮ মিলিয়ন কিলোমিটার, এবং সূর্যের নিকটতম বিন্দুটি ১১০ মিলিয়ন কিলোমিটার। গ্রহাণু 2022 RQ-এর  সূর্যের চারপাশে একবার প্রদক্ষিণ সম্পূর্ণ করতে ৬৪৮ দিন সময় লাগে।

    আরও পড়ুন: ডাইনোসরের যুগে তৈরি হওয়া গর্তের সন্ধান আজ! গ্রহাণু আছড়ে পড়ায় সৃষ্টি হয় ‘নাদির’ গহ্বরের

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, গ্রহাণুটি প্রাথমিকভাবে ১ সেপ্টেম্বর, ২০০-এ আবিষ্কার করা হয়েছিল। এটি প্রধানত অ্যাপোলো গ্রহাণু গোষ্ঠীর সদস্য৷ এই গ্রহাণুটিকে নাসার নিওওয়াইজ টেলিস্কোপের দ্বারা আবিষ্কার করা হয়েছে। এই টেলিস্কোপটিকে ওয়াইড-ফিল্ড ইনফ্রারেড সার্ভে এক্সপ্লোরার একটি সমীক্ষায় টেলিস্কোপ হিসাবে ব্যবহার করে। এটি পৃথিবীর কাছাকাছি অবজেক্টের অনুসন্ধান করতে, বেশিরভাগ গ্রহাণুর পর্যবেক্ষণে সহায়তা করে। গ্রহাণু, উল্কা এবং বিভিন্ন ধরনের ধূমকেতুকে একত্রে নিয়ার-আর্থ অবজেক্ট (NEO) বলা হয়।

    গ্রহাণুর টুকরো, ধূমকেতু এবং উল্কাপিণ্ড যেগুলোর আকার সাধারণত ৩ ফুটেরও কম হয় তারা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আঘাত করে এবং এটিকে তখন জ্বলতে দেখা যায়। এই ঘটনাটি কার্যত প্রতিদিন ঘটে। প্রসঙ্গত, নাসা  গত বছর ডাবল অ্যাস্টেরয়েড রিডাইরেকশন টেস্ট (DART) প্রোগ্রাম শুরু করেছে। এই প্রোগ্রামের লক্ষ্যই হল এমন ধরণের গ্রহাণুর থেকে পৃথিবীকে বাঁচানো। আর কিছুদিন পরেই, ২৬ সেপ্টেম্বর, নাসার ডার্ট মিশনের মহাকাশযানকে গ্রহাণুর সঙ্গে সংঘর্ষ করানো হবে ও সেই বিরল দৃশ্য লাইফ স্ট্রিমও করা হবে।  

    আরও পড়ুন: পৃথিবীকে বাঁচাতে গ্রহাণুর সঙ্গে সংঘর্ষ নাসার মহাকাশযানের! দেখতে পাবেন লাইভ

  • Voyager 1: অবিশ্বাস্য! ৪৫ বছর মহাকাশে কাটিয়ে দিল নাসার ‘ভয়েজার ১’

    Voyager 1: অবিশ্বাস্য! ৪৫ বছর মহাকাশে কাটিয়ে দিল নাসার ‘ভয়েজার ১’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাসার (NASA) দুই মহাকাশযান ভয়েজার ১ (Voyager 1) ও ভয়েজার ২ (Voyager 2) পাঁচ দশক কাটিয়ে দিল মহাকাশে। কিছুদিন আগেই ভয়েজার ২ মহাকাশে ৪৫ বছর পূর্ণ করেছে, এরপর ভয়েজার ১, ৫ সেপ্টেম্বর ৪৫ বছর পূর্ণ করল। ১৯৭৭ সালে মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল এই দুটি মহাকাশযান।

    এই দুটি মহাকাশযানের মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে গুরুত্ব অপরিসীম। মানবসভ্যতার পাঠানো প্রথম দুই মহাকাশযান ভয়েজার-১ এবং ভয়েজার-২, রেডিওআইসোটোপ থার্মোইলেকট্রিক জেনারেটর (RTGs) দ্বারা চালিত, যা প্লুটোনিয়ামের প্রাকৃতিক ক্ষয় দ্বারা উৎপাদিত তাপ ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে। এই দুটি যানই মহাকাশে ঘণ্টায় ৩০ হাজার মাইলেরও বেশি গতিবেগে এগিয়ে চলছে।

    আরও পড়ুন: ৮৬০ কোটি টাকায় ইসরোর পাঁচটি পিএসএলভি নির্মাণের বরাত পেল হ্যাল-এল অ্যান্ড টি

    ভয়েজার-১ যাত্রা শুরু করেছিল ১৯৭৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর। আর তার ‘যমজ’ ভয়েজার-২ যাত্রা শুরু করেছিল তার ১৬ দিন আগে, ১৯৭৭-এর ২০ অগাস্ট। ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল স্পেস ফোর্স স্টেশন থেকে টাইটান IIIE-সেন্টার রকেটে ( Titan IIIE-Centaur rocket) চাপিয়ে এই দুটি মহাকাশযান উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। ভয়েজার ২ পৃথিবী থেকে ২৩.৩ বিলিয়ন কিলোমিটার দূরে ও ভয়েজার ২ প্রায় ১৯.৫ বিলিয়ন কিলোমিটার দূরে রয়েছে। উভয়েরই ওজন প্রায় ৮০০ কেজি এবং এতে ১১টি যন্ত্র রয়েছে যার সাহায্যে মহাকাশের বিভিন্ন জিনিসের ছবি তোলা এবং বিশ্লেষণ করতে ব্যবহৃত হয়েছিল।

    তবে এক দশক আগে, ২০১২ সালের ১ অগাস্ট ভয়েজার ১ সূর্যের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে ও প্রবেশ করেছে ‘ইন্টারস্টেলার স্পেস’-এ অর্থাৎ আন্তর্নক্ষত্রমণ্ডলের এলাকায়। দু’টি নক্ষত্রের মাঝের অঞ্চলকেই ‘ইন্টারস্টেলার স্পেস’ (Intersteller Space) বলা হয়। এর আগে আর কোনও মহাকাশযানই সূর্যের হেলিওস্ফিয়ার ছেড়ে ইন্টারস্টেলার স্পেসে যেতে পারেনি।

    এছাড়াও এটি বৃহস্পতির চারপাশে একটি পাতলা বলয় আবিষ্কার করেছে এবং এর দুটি নতুন জোভিয়ান চাঁদ- থিবে এবং মেটিস- এবং শনির চারপাশে পাঁচটি নতুন চাঁদ আবিষ্কার করেছে। ভয়েজার ১-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শনির চাঁদ টাইটানের বায়ুমণ্ডলীয় তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, পৃথিবী ছাড়াও অন্য পৃথিবীতে তরল থাকতে পারে এবং নাইট্রোজেন, মিথেন এবং আরও জটিল হাইড্রোকার্বনের উপস্থিতিতে প্রিবায়োটিক রাসায়নিক বিক্রিয়ার সম্ভাবনার তথ্যও পাওয়া গিয়েছে ভয়েজারের মাধ্যমে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Artemis 1 Mission: দ্বিতীয় চেষ্টাও ব্যর্থ! নাসার আর্টেমিস মিশনের রকেট উৎক্ষেপণ পিছিয়ে অক্টোবরে?

    Artemis 1 Mission: দ্বিতীয় চেষ্টাও ব্যর্থ! নাসার আর্টেমিস মিশনের রকেট উৎক্ষেপণ পিছিয়ে অক্টোবরে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ পর্যন্ত নাসার (NASA) দ্বিতীয়বারের চেষ্টাও বিফলে গেল। নাসা থেকে জানানো হয়েছে, এই মাসে হয়তো আর্টেমিস ১ মিশনের (Artemis 1 Mission) প্রথম ধাপ অতিক্রম করা সফল হবে না।

    গত সোমবার অর্থাৎ ২৯ অগাস্ট পৃথিবীর মাটি ছেড়ে চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দেওয়ার কথা ছিল নাসার রকেটের। কিন্তু সেদিন আর উৎক্ষেপণ করা হয়নি। কারণ উৎক্ষেপণের ঠিক আগের মুহূর্তে রকেটের ইঞ্জিনে কিছু যান্ত্রিক গোলোযোগ দেখা যায়। এরপর দ্বিতীয়বারের জন্য নাসার তরফে পরিকল্পনা করা হয়েছিল যে ৩ সেপ্টেম্বর নাসার স্পেস লঞ্চ সিস্টেম(SLS Rocket) রকেট চাঁদে পাঠানো হবে। কিন্তু সেটিও আর হয়ে উঠল না।

    গত শনিবার কাউন্টডাউন শেষ হওয়ার ঠিক ২ ঘণ্টা ২৮ মিনিট আগে এই মিশনটি স্থগিত করা হয়। ঠিক ছিল ৩ সেপ্টেম্বর ফ্লোরিডার সময় অনুযায়ী, বেলা ২টা ১৭ মিনিটে উৎক্ষেপণ করা হবে রকেটটি। কিন্তু উৎক্ষেপণের আগে ইঞ্জিনে জ্বালানী লিকেজের সমস্যার ফলে রকেটটিকে ফের ভেহকেল অ্যাসেম্বলি বিল্ডিং (Vehicle Assembly building)-এ নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাই নাসা সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছে, রকেটটিকে কেনেডি স্পেস সেন্টারের লঞ্চ প্যাড ৩৯ বি থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। আরও জানানো হয়েছে, সেপ্টেম্বরের প্রথমের দিকে রকেটটিকে লঞ্চ করা একেবারেই সম্ভব নয়।

    আরও পড়ুন: আশায় বুক বাঁধছে নাসা! ‘আর্টেমিস ১’ মিশন উৎক্ষেপণের নতুন দিন ৩ সেপ্টেম্বর

    নাসার বিজ্ঞানীরা শনিবার এসএলএস রকেট উৎক্ষেপণের আগে তরল হাইড্রোজেন পূরণ এবং নিষ্কাশন করতে ব্যবহৃত 8-ইঞ্চি লাইনের চারপাশে গ্রাউন্ড সাইড এবং রকেট সাইড প্লেটের মধ্যে একটি গর্তে ফুটো দেখতে পায়, যার ফলে সেদিন এই মিশন স্থগিত করা হয়। নাসা অনুসারে, তাদের টিম সমস্যাগুলো সমাধান করার জন্য তিনবার চেষ্টা করেছিল কিন্তু সমস্ত চেষ্টাই ব্যর্থ হয়েছে। উল্লেখ্য, এসএলএস রকেটের মূল পর্যায়ে দুটি ট্যাঙ্ক রয়েছে, একটি ৫৩৮৬০৬ গ্যালন তরল হাইড্রোজেন এবং অন্যটি ১৯৬০০০ গ্যালন তরল অক্সিজেন সংরক্ষণের জন্য।

    পরবর্তী লঞ্চের জন্য নাসা থেকে জানানো হয়েছে, ১৯ সেপ্টেম্বরের আগে উৎক্ষেপণ করা কিছুতেই সম্ভব নয়। তবে রকেট লঞ্চ অক্টোবর মাস পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবরের মধ্যে ১৪ বার লঞ্চ করার সুযোগ রয়েছে, আবার ১৭ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ১১ বার সুযোগ রয়েছে আর্টেমিস মিশনের রকেট উৎক্ষেপণ করার।

  • Artemis 1 Mission: ‘নাসা’-র তৈরি রকেটে যান্ত্রিক গোলযোগ! শেষ মুহূর্তে স্থগিত আর্টেমিস ১ উৎক্ষেপণ

    Artemis 1 Mission: ‘নাসা’-র তৈরি রকেটে যান্ত্রিক গোলযোগ! শেষ মুহূর্তে স্থগিত আর্টেমিস ১ উৎক্ষেপণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একেবারে শেষ মুহূর্তে স্থগিত করা হল আর্টেমিস-১ মিশনের (Artemis 1 Mission) চন্দ্রযান যাত্রা। সোমবার অর্থাৎ গতকালই এক ঐতিহাসিক যাত্রা শুরু হওয়ার কথা ছিল। ঠিক ছিল গতকাল ভারতীয় সময়ের সন্ধ্যে ৬টা নাগাদ ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে এসএলএস রকেটটিকে চাঁদের উদ্দেশে উৎক্ষেপণ করা হবে। কিন্তু রকেট উৎক্ষেপণের ঠিক ৪০ মিনিট আগে হঠাৎ রকেটের প্রধান চারটি ইঞ্জিনের মধ্যে একটিতে যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দিলে নাসার ইঞ্জিনিয়াররা তৎক্ষণাৎ মিশন থামিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, নাসার তরফে জানানো হয়েছে, ৩০ অগাস্ট একটি প্রেস কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়েছে. যেখানে ঘোষণা করা হবে যে এরপর কবে রকেট উৎক্ষেপণের দিন নির্ধারণ করা হবে। তবে জানা গিয়েছে, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার  ফের রকেট উৎক্ষেপণের পরবর্তী দিন ঠিক করা হবে। আপাতত চন্দ্রযান লঞ্চ প্যাডের জায়গাতেই থাকবে।

    আরও পড়ুন: আর্টেমিস ১ মিশনের প্রথম ধাপ! আজই চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দিতে চলেছে নাসার মহাকাশযান

    ঠিক কী কারণে যান্ত্রিক ত্রুটি হয়েছে, সেটাই খতিয়ে দেখছেন নাসার ইঞ্জিনিয়ারদের দল। তারপরেই জানা যায়, রকেটের চারটি আরএস-২৫ ইঞ্জিনের একটিতে তাপমাত্রা জনিত সমস্যার কারণে যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা যায়। এছাড়াও হাইড্রোজেন জ্বালানির ট্যাঙ্কে হাইড্রোজেন ভরাট করার সময় ফুটো দেখা দিয়েছিল। সেই সঙ্গে দেখা দেয় খারাপ আবহাওয়ার সমস্যাও। এরপরেই এই যাত্রা স্থগিত করা হয়।

    তবে তাঁরা আশাবাদী, যে শীঘ্রই এই সমস্যাগুলোর  সমাধান করা হবে। চন্দ্র অভিযানের প্রথম পর্যায় হিসেবে, এদিন নাসার তৈরি এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট স্পেস লঞ্চ সিস্টেম (SLS)  উড়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আর্টেমিস মিশনের প্রথম ধাপেই বড় বাধার সম্মুখীন হতে হল নাসা-কে(NASA)।

    আরও পড়ুন: মানুষ তো খেলনা নয়! জানেন কি আর্টেমিস-১ রকেটে করে মহাকাশে পাঠানো হচ্ছে ‘খেলনা-মানুষ’?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • DART Mission: পৃথিবীকে বাঁচাতে গ্রহাণুর সঙ্গে সংঘর্ষ নাসার মহাকাশযানের! দেখতে পাবেন লাইভ

    DART Mission: পৃথিবীকে বাঁচাতে গ্রহাণুর সঙ্গে সংঘর্ষ নাসার মহাকাশযানের! দেখতে পাবেন লাইভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা গ্রহাণু কখনও কখনও পৃথিবীর জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে যার ফলে নাসা (NASA) থেকে এক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গ্রহাণু থেকে পৃথিবীকে বাঁচাতে নাসা তৈরি করেছে ডাবল অ্যাস্টেরয়েড রিডাইরেকশন টেস্ট বা ডার্ট মিশনের। স্পেস ক্রাফটের মাধ্যমে এই প্রথমবার একটি গ্রহাণুর সঙ্গে ইচ্ছাকৃত সংঘর্ষ করতে চলেছে নাসা (NASA)। শুধু তাই নয়, ডার্ট মিশনের মহাকাশযানকে গ্রহাণুর সঙ্গে সংঘর্ষ করার এই বিরল দৃশ্য লাইফ স্ট্রিম করা হবে। আগামী মাসের ২৬ তারিখে এই মিশনের অংশ হিসেবে  গ্রহাণুতে আঘাত করা হবে।

    এমন বিরল ঘটনা হয়তো আগে কখনও ঘটেনি। তবে ১৯৯৮ সালে হলিউডে বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছিল ‘আর্মা গেডন’(Arma Geddon), সেই ছবিতে এমন ঘটনা দেখানো হয়েছিল। সেখানেও গ্রহাণুর সঙ্গে মহাকাশযানের সংঘর্ষ ঘটানো হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: ‘নাসা’-র তৈরি রকেটে যান্ত্রিক গোলযোগ! শেষ মুহূর্তে স্থগিত আর্টেমিস ১ উৎক্ষেপণ

    কী এই ডার্ট মিশন?

    পৃথিবীর দিকে যদি কোনওদিন কোনও গ্রহাণু ধেয়ে আসে, তবে তার গতিপথ বদলে দেওয়াই এই মিশনের মূল উদ্দেশ্য। DART মহাকাশযানটি ক্যালিফোর্নিয়ার ভ্যানডেনবার্গ এয়ার ফোর্স বেস থেকে স্পেসএক্স ফ্যালকন ৯ রকেটে করে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। গ্রহাণুকে দূরে রাখতে বা তার দিক পরিবর্তন করতে নাসা গত বছর ডার্ট মিশন চালু করেছে।

    ১৬০ মিটার আকৃতি বিশিষ্ট ‘ডিমরফস’ নামক একটি গ্রহাণুর সঙ্গেই এই বিস্ফোরণ ঘটানো হবে। ‘ডিমরফস’ হল একটি ছোট ‘মুনলেট’ যা ‘ডিডিমোস’ (Didymos) নামে একটি বড় গ্রহাণুকে প্রদক্ষিণ করে। এটি প্রায় ৭৮০ মিটার জুড়ে রয়েছে।

    কখন কীভাবে এই দৃশ্য দেখবেন?

    এই ঘটনার লাইভ দেখানো হবে নাসা টিভি নামক চ্যানেলে। ভারতীয় সময় অনুসারে ২৭ সেপ্টেবর মধ্যরাত ৩টা ৩০ মিনিটে দেখানো হবে। এর পাশাপাশি একই সময়ে নাসার ফেসবুক, ট্যুইটার, ইউটিউবে দেখানো হবে। নাসা অনুসারে, ২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যে ৭টা ১৪ মিনিটে অর্থাৎ ভারতীয় সময়ে ভোর ৪ টা ৪৫ মিনিটে ডার্টের স্পেসক্রাফট ডিমরফস গ্রহাণুর সম্মুখীন হবে ও সংঘর্ষ ঘটাবে। প্রায় ২৪ হাজার কিলোমিটার বেগে এটি গ্রহাণুর সঙ্গে সংঘর্ষ করবে।

LinkedIn
Share