Tag: navaratri

navaratri

  • Navaratri: কমে ফ্যাট, আসে মানসিক শান্তি, নবরাত্রির উপবাসের বিজ্ঞানসম্মত কারণ জানুন

    Navaratri: কমে ফ্যাট, আসে মানসিক শান্তি, নবরাত্রির উপবাসের বিজ্ঞানসম্মত কারণ জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ধর্মে চৈত্র নবরাত্রি বিশেষ তাৎপর্য বা গুরুত্ব রয়েছে। পঞ্চাঙ্গ অনুসারে, প্রতি বছর চৈত্র নবরাত্রি (Navaratri) চৈত্র মাসের শুক্লা প্রতিপদ তিথি থেকে শুরু হয়। এই বছর চৈত্র নবরাত্রি শুরু হয়েছে ৩০ মার্চ থেকে। ধর্মীয় বিশ্বাস (Navaratri Fasting) অনুসারে, ৯ দিন ধরে দেবীর পূজা করলে দেবী প্রসন্ন হন। তিনি আশীর্বাদ করেন। চৈত্র নবরাত্রি জীবনে সুখ, সমৃদ্ধি এবং মঙ্গল বয়ে আনে বলে বিশ্বাস ভক্তদের।

    নবরাত্রির রয়েছে গভীর বৈজ্ঞানিক এবং মনস্তাত্ত্বিক তাৎপর্য

    নবরাত্রির রয়েছে গভীর বৈজ্ঞানিক এবং মনস্তাত্ত্বিক তাৎপর্য। ন দিন ধরে চলে উপবাস, আচার-অনুষ্ঠান পালন। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই উৎসব এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে মানুষের স্বাস্থ্য, সামাজিকতা সমেত অন্যান্য দিক। প্রসঙ্গত নবরাত্রি বছরে দুবার অনুষ্ঠিত হয়। চৈত্র নবরাত্রি মার্চ-এপ্রিল মাসে এবং শরৎকালীন নবরাত্রি সাধারণত সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে অনুষ্ঠিত হয়। এই দুটি সময়তেই আবহাওয়ার বিশেষ বদল হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নবরাত্রির সময় উপবাস শরীরে নতুনভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়ায় এবং শরীরকে প্রস্তুত করে আবহাওয়ার পরিবর্তনকে সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার জন্য। প্রসঙ্গত, নবরাত্রির (Navaratri) উপবাস এক খুবই প্রচলিত রীতি। যেখানে ভক্তরা মোক্ষলাভের উদ্দেশ্যে উপবাস রাখেন। তাঁরা নিরামিষ আহার করেন।

    উপবাসে মেলে সুফল (Navaratri)

    বিষাক্ত পদার্থ দূর হয়: উপবাসের ফলে শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর হয় এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এর পাশাপাশি বেড়ে যায় মেটাবলিজম যা পর্যাপ্ত পরিমাণে ইনসুলিনকে সরবরাহ করে এবং শরীরের ফ্যাট কমায়।

    উন্নতি হয় স্বাস্থ্যের: উপবাসের ফলে স্বাস্থ্যের উন্নতি হয় এবং হজম ক্ষমতা বাড়ে।

    কোষের মেরামতি: নতুনভাবে কোষের মেরামতির কাজও করে উপবাস। এর পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, নবরাত্রি (Navaratri) শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় আচার নয়। দেবীর উদ্দেশ্যে মন্ত্র উচ্চারণ এবং আধ্যাত্মিকতার অভ্যাসের ফলে মানুষের মনে গভীর শান্তি আসে এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়। উদ্বেগ, দুশ্চিন্তা- এই সমস্ত সমস্যার সমাধানও হয় নবরাত্রির ব্রত পালনের মধ্য দিয়ে। একই সঙ্গে দুর্গা সপ্তসতী, ভজন, কীর্তন এই সমস্ত ধর্মীয় গানগুলির মাধ্যমে মনে গভীর প্রশান্তি অনুভব করতে পারেন ভক্তরা।

  • Narendra Modi: মুক্তি পেল প্রধানমন্ত্রীর লেখা কবিতা দিয়ে তৈরি ‘গর্ব’ গান, দেখুন সেই মিউজিক ভিডিও

    Narendra Modi: মুক্তি পেল প্রধানমন্ত্রীর লেখা কবিতা দিয়ে তৈরি ‘গর্ব’ গান, দেখুন সেই মিউজিক ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) শুধু রাজনীতির ময়দানেই নেই, তিনি সংস্কৃতিতেও সমান বিরাজমান। কয়েক বছর আগে তিনি, নবরাত্রি নিয়ে গান লিখেছিলেন। এই বছর সেই গান ‘গর্ব’ মুক্তি পেল। সারা ভারত জুড়ে শুরু হয়েছে পুজো, উৎসবের আবহ। নবরাত্রি, দুর্গাপুজো, দশেরা, কালীপুজো, দীপাবলি ভাতৃদ্বিতীয়া, ছট ইত্যাদি পরপর আসবে। মানুষের মনে খুশির আনন্দ। নবরাত্রিতে মায়ের ‘আরাধনা’য় যে সঙ্গীত পরিবেশিত হয়, তাকেই গুজরাতিতে ‘গর্ব’ বলা হয়। এই সময়ে মোদির লেখা গান প্রাকশিত হওয়ায় ভক্ত মহলে উন্মাদনা দ্বিগুণ হতে শুরু হয়েছে। নরেন্দ্র মোদি নিজের এক্স ট্যুইটারে গানের মুক্তির কথা ঘোষণা করে ‘নবরাত্রি স্পেশালে’র কথা জানিয়ে দিলেন।

    মুক্তি পেল ‘গর্ব’ (Narendra Modi)

    প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) নিজে যেমন রাজনীতিবিদ, বিশ্বের প্রথম সারির অন্যতম ক্ষমতাবান ব্যক্তিত্ব, সেই সঙ্গে একজন লেখক এবং গীতিকারও। তবে তিনি যে গীতিকার, সেই পরিচয়ের কথা অনেকেই জানেন না। বেশ কয়েক বছর আগে লিখেছিলেন এই গান। আজ ইউটিউবে সেই গান মুক্তি পেল। তাঁর গানের কথায় সুর দিয়েছেন ধ্বনি ভানুশালী। উৎসবের আবহে এই গানের জনপ্রিয়তা ব্যাপক হবে বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্রে, জানা গেছে মাত্র দুই ঘণ্টায় গানটিকে দেখে ফেলেছেন ১৮৯ হাজার মানুষ। যত সময় এগিয়ে যাচ্ছে, গানের ভিউ আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    সঙ্গীত শিল্পীর বক্তব্য

    সঙ্গীত শিল্পী ধ্বনি ভানুশালী সামজিক মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) গান সম্পর্কে বলেন, “আপনার লেখা ‘গর্ব’ গানটি আমার এবং তনিস্কা বাগচী, দু’জনেরই খুব পছন্দ হয়েছে। আমরা প্রাণবন্ত একটি তাল, সুর এবং আমেজ চেয়েছিলাম। গানের লেখনী ভিডিয়ো আকারে ফুটে ওঠার পর, তা আরও চমকপ্রদ সাফল্য পেয়েছে।”

    ‘জাস্ট মিউজিক’ সূত্রে জানা গিয়েছে, নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) ‘গর্ব’ গানের মাধ্যমে গুজরাট এবার চোখ ধাঁধানো নবরাত্রি উদযাপন করবে। তনিস্কা বাগচী এবং ধ্বনি ভানুশালীর সুরের যাদুতে মেতে উঠবে দর্শক। এই গানের পরিচালক নাদিম শাহ্‌। হাতে ডান্ডিয়া এবং গানের তালে তালে ব্যাপক মনোমুগ্ধকর পরিবেশ নির্মিত হবে।

    প্রধানমন্ত্রী কী বলেন

    মোদি (Narendra Modi) নিজে তাঁর সামজিক মাধ্যমে গানের কথা বিনিময় করে মুক্তির কথা জানান। সেই সঙ্গে গানের গায়ক, সুরকার এবং পরিচালকদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, “এই গান আমি বেশ কিছুদিন আগে লিখেছিলাম, এই গান অনেক স্মৃতিকে বহন করে আনে। এরপর বহু বছর ধরে কিছু লিখিনি। নতুন গরবা গানটি নবরাত্রির সময় সকলের সঙ্গে বিনিময় করে নেব।”

    দর্শকদের উচ্ছ্বাস

    মোদির (Narendra Modi) এই গান মুক্তির পর সামজিক মাধ্যমে অনেকেই নানান কথা লেখালেখি করছেন। একজন পাঠক লিখেছেন, “স্যার আপনার মুকুটে নতুন পালক সংযুক্ত হল।” আরেক জন লিখেছেন, “মাতারানির চরণে নেবেদিত গানের কথা বেশ চমৎকার। সঙ্গীতের ভাষা বেশ সুন্দর, অনেক মানুষকে একত্রিত করা যায়। প্রধানমন্ত্রীর লেখা এই গান বেশ দুর্দান্ত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Navaratri 2023: মা দুর্গা ও তাঁর সন্তানরা কীভাবে বেছে নিয়েছিলেন বাহন? জানুন সেই পৌরাণিক গল্প

    Navaratri 2023: মা দুর্গা ও তাঁর সন্তানরা কীভাবে বেছে নিয়েছিলেন বাহন? জানুন সেই পৌরাণিক গল্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শরৎকালে প্রতি বছর মা দুর্গা বাপের বাড়িতে আসেন সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে (Navaratri 2023)। মা দুর্গা এবং তাঁর সন্তানদের সঙ্গে আসে তাঁদের বাহনগুলিও। গণেশের সঙ্গে ইঁদুর আসে, মা সরস্বতীর সঙ্গে আসে হাঁস, মা লক্ষ্মীর সঙ্গে প্যাঁচা আসে, কার্তিকের সঙ্গে ময়ূর আসে এবং স্বয়ং মা দুর্গার সঙ্গে আসে সিংহ। বাহনগুলির পৌরাণিক কাহিনিতে যাওয়ার আগে বলা দরকার ভারতীয় উপমহাদেশে প্রকৃতি পুজোর রীতি বৈদিক আমল থেকেই। মাটি, অগ্নি, বায়ু, নদী, গাছ সবকিছুর পুজো হয় এই সভ্যতায়। ভারতীয় সভ্যতায় গাছপালা, নদ-নদীর সঙ্গে সঙ্গে জীবজন্তুও মানুষের দৈনন্দিন কাজে উপকারী বলেই গণ্য করা হয়। এই ধারণা থেকেই হয়ত বাহন হিসেবে তারাও পুজো পায়। এবার আসা যাক পৌরাণিক কাহিনিগুলিতে।

    মা দুর্গার বাহন কেন সিংহ?

    পুরাণ (Navaratri 2023) অনুযায়ী, দেবী পার্বতী হাজার বছর ধরে তপস্যা করেছিলেন শিবকে তাঁর স্বামী হিসাবে পাওয়ার জন্য। তপস্যার কারণে দেবী অন্ধকারে মিশে যান। বিয়ের পর পার্বতীকে মহাদেব ‘কালী’ বলে সম্বোধন করলে দেবী তৎক্ষণাৎ কৈলাস ত্যাগ করে ফের তপস্যায় মগ্ন হয়ে যান। তপস্যারত দেবীকে শিকার করার ইচ্ছায় এক ক্ষুধার্ত সিংহ তাঁর দিকে আসতে শুরু করে। কিন্তু দেবীকে দেখে সেখানেই চুপ করে বসে পড়ে। এর মধ্যে বহু বছর কেটে যায়, কিন্তু সিংহ তার নিজের জায়গা থেকে নড়ে না। এদিকে দেবী পার্বতীর তপস্যা সম্পন্ন হওয়ার পর মহাদেব আবির্ভূত হলে পার্বতীকে গৌরবর্ণ (Navaratri 2023) বলে বর্ণনা করেন। যে সিংহটি দেবীকে শিকার করতে এসেছিল, তাকেই বাহন হিসেবে গ্রহণ করেন দেবী। কারণ দেবীর জন্য অনেক বছর অপেক্ষা করেছিল সে। সিংহের এই কর্মকাণ্ডের জন্য দেবী পার্বতীর বাহনকে সিংহ বলে মনে করা হয়। আবার কালিকাপুরাণ অনুযায়ী, শ্রীহরি দেবীকে বহন করছেন। এই হরি শব্দের এক অর্থ সিংহ। আবার শ্রীশ্রীচণ্ডীতে উল্লেখ আছে, গিরিরাজ হিমালয় দেবীকে সিংহ দান করেন। শিবপুরাণ মতে, ব্রহ্মা দুর্গাকে বাহনরূপে সিংহ দান করেছেন। সিংহ হল শৌর্য, পরাক্রম, শক্তির প্রতীক। অসুরদের ধ্বংসকারী মাতার বাহন তাই সিংহ। এটাই পণ্ডিত মহলের মতামত।

    গণেশের বাহন ইঁদুর কেন? 

    স্বর্গে দেবলোকের সভায় গান গেয়ে সকলের মনোরঞ্জন করতেন ক্রঞ্চ নামে এক গন্ধর্ব। এক দিন বামদেব নামে এক ঋষি এসে উপস্থিত হন সেই সভায়। তিনি গান করতে থাকেন। সেই গান শুনে নিজের হাসি চাপতে পারেননি গন্ধর্ব ক্রঞ্চ। সেই হাসি দেখে ফেলেন বামদেব। সঙ্গে সঙ্গে ক্রোধান্বিত হয়ে পড়েন বামদেব। তিনি  ক্রঞ্চকে অভিশাপ দেন। অভিশাপের ফলে ক্রঞ্চ ইঁদুর হয়ে যান। ঋষি অভিশাপ দেন, কোনও দিন আর গান গাইতে পারবেন না ক্রঞ্চ। ক্রঞ্চ নিজের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চান। কিন্তু তাতে বিশেষ কোনও ফল হয় না। তিনি ইঁদুর হয়ে যান এবং মর্ত্যে নেমে আসেন। তবে মুনি বলেছিলেন, কোনও দিন যদি গণেশ তাঁকে বাহন করেন, তা হলে মুক্তি মিলবে। মর্ত্যলোকে তিনি যেখানে নেমেছিলেন, কাছেই ছিল পরাশর মুনির কুটির। ইঁদুর ক্রঞ্চ সেখানেই নিজের খাদ্যের সন্ধানে যেতে  শুরু করেন। এ দিকে ইঁদুরের উৎপাতে অতিষ্ট হয়ে ওঠে কুটিরবাসীরা। এক দিন গণেশ সেই মুনির কুটিরে পৌঁছান। জানতে পারেন ইঁদুরের কুকীর্তির কথা। তখন তাকে ধরতে উদ্যত হন গণেশ। অবশেষে ধরেও ফেলেন। কিন্তু ক্রঞ্চ নিজের পরিচয় দিয়ে সব কথা বলেন গণেশকে। এ কথা শুনে ইঁদুরকেই তিনি নিজের বাহন করে নেন (Navaratri 2023)।

    মা লক্ষ্মীর বাহন প্যাঁচা কেন?

    পৌরাণিক গল্প অনুযায়ী, যখন দেব-দেবীরা প্রাণীজগতের সৃষ্টি করেন, তখন তাঁরা পৃথিবী ভ্রমণে আসেন। সেই সময় পশু ও পাখিরা দেবতাদের ধন্যবাদ জানায় তাদের প্রাণী হিসেবে তৈরি করার জন্য। পশু ও পাখিরা বলতে থাকে, ‘‘আপনারা যেহেতু আমাদের তৈরি করেছেন তাই আপনাদের বাহন হয়ে আমরা পৃথিবীতে থাকব।’’ সেই সময় দেবতারা নিজেদের বাহন পছন্দ করে নেন। যখন দেবী লক্ষ্মীর নিজের বাহন (Navaratri 2023) বেছে নেওয়ার সময় আসে, তখন তিনি বলেন আমি যেহেতু রাতে পৃথিবীতে আসি, তাই রাতে যে প্রাণী দেখতে পায় সেই হবে আমার বাহন। এখান থেকেই প্যাঁচা হয়ে ওঠে দেবী লক্ষ্মীর বাহন। লক্ষ্মীমাতা ধানের দেবী, ইঁদুর ধান খেয়ে ফেলে। তাই এই ধারণা থেকেও লক্ষ্মীর বাহন প্যাঁচা হতে পারে।

    কার্তিকের বাহন ময়ূর কেন?

    তারকাসুরকে বধ করেছিলেন (Navaratri 2023) দেবসেনাপতি কার্তিক। পৌরাণিক কাহিনি অনুযায়ী, মৃত্যুর আগে তারকাসুর কার্তিকের বাহন হিসেবে থাকতে চেয়েছিলেন। ময়ূরের ছদ্মবেশে কার্তিককে আক্রমণও করেছিল যুদ্ধ ক্ষেত্রে তারকাসুর। কথিত আছে ওই ময়ূরটিই হল কার্তিকের বাহন, যা আসলে তারকাসুর।

    সরস্বতীর বাহন হাঁস কেন?

    হাঁস নাকি জল, স্থল, অন্তরীক্ষে থাকতে পারে। জ্ঞান ও বিদ্যার দেবীকেও এই তিনটি জায়গায় থাকতে হয় জ্ঞান ও বিদ্যাদানের জন্য। তাই বাহন হিসেবে হাঁসকেই বেছে নিয়েছেন মা সরস্বতী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Navratri Fasting: নবরাত্রিতে উপবাস রাখছেন? সুস্থ, সতেজ থাকতে কী করবেন আর কী করবেন না

    Navratri Fasting: নবরাত্রিতে উপবাস রাখছেন? সুস্থ, সতেজ থাকতে কী করবেন আর কী করবেন না

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বসন্ত নবরাত্রির শুরু হয়েছে ২২ মার্চ থেকে চলবে ৩০ মার্চ অবধি। ওই দিন রামনবমী, যা ভগবান রামের জন্মতিথি হিসাবে উদযাপিত হবে সারাদেশে। মা দুর্গার ভক্তরা এই সময়ে নয় দিন উপবাস (Navratri Fasting) করেন। উপবাসের দিনগুলিতে সতেজ ও তরতাজা থাকতে কী কী করবেন এবং কী কী করবেন না, সেবিষয়ে আলোচনা করবো আমরা।

    কী কী করবেন

    ১. শরীরকে পর্যাপ্ত সূর্যরশ্মি দিন

    বিশেষজ্ঞদের মতে সূর্যরশ্মি এনার্জির পাশাপাশি ভিটামিন ডি-র উৎস। সূর্যের আলো আপনার মস্তিষ্কের সেরোটোনিন হরমোনের নিঃসরণকে বাড়াতে সাহায্য করবে। এরফলে মেজাজ ফুরফুরে থাকে।

    ২. পর্যাপ্ত ঘুম

    পর্যাপ্ত পরিমানে ঘুম আপনাকে সবসময় তরতাজা রাখে। বিশেষজ্ঞদের মতে এই সময় অন্তত দিনে ৮ ঘণ্টা ঘুমানো দরকার।

    ৩. কিছু প্রয়োজনীয় তেল ব্যবহার করুন

     পুষ্টিবিদদের মতে, পেপারমিন্ট, সাইট্রাস ব্লেন্ড এবং রোজমেরির মতো তেল আপনার খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন এতে ক্লান্তিবোধ কম হবে।

    ৪. সঠিকভাবে পুষ্টি দিন শরীরকে

    বিশেষজ্ঞদের মতে এই সময় শরীরের পর্যাপ্ত পুষ্টি পাওয়া ভীষণ দরকার

    ৫.হাইড্রেটেড থাকুন

     ইলেক্ট্রোলাইট বাড়ায় এমন পানীয়গুলি উপবাসের (Navratri Fasting) সময় গ্রহণ করুন। এতে সোডিয়াম, পটাসিয়াম, ক্লোরাইড এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো উপাদান থাকে। আবার এই সময় প্রচুর পরিমানে জল পান করতেও বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

    ৬: একটু আধটু হাঁটাচলা করুন

     উপবাসের (Navratri Fasting) সময় আপনার শরীরে শক্তির অভাব হয়। তখন অনেকেই বসে বসে সময় কাটান স্মার্টফোন নিয়ে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন এইসময় একটু হাঁটাচলা করুন। 

    ৭. বেশি করে হাসুন

    বিশেষজ্ঞদের মতে একজন শিশু দিনে প্রায় গড়ে ৩০০ বারের বেশি হাসে। কিন্তু প্রাপ্তবয়স্করা গড়ে মাত্র পাঁচবার হাসেন। গবেষণায় দেখা গেছে যে হাসি মেজাজ ভাল রাখে।

    কী কী করবেন না

    ১. কার্বনেটেড জাতীয় পানীয় এড়িয়ে চলুন

    সোডা জাতীয় পানীয় পেটে অস্বস্তি সৃষ্টি করতে পারে, বিশেষ করে যখন খালি পেটে এগুলো খাওয়া হয়। এই পানীয়গুলিতে উচ্চ মাত্রার গ্যাস থাকে যা আপনার পেটে চাপ বাড়াতে পারে, তাই  উপবাসের সময় এগুলিকে এড়িয়ে যেতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

    ২. শর্করা জাতীয় জিনিস থেকে দূরে থাকুন

    গুলাব জামুন, লাড্ডু, ক্ষীর এবং অন্যান্য মিষ্টান্নের থেকে এইসময় দূরে থাকতে বলছেন চিকিৎসকরা।

    ৩. লবণাক্ত খাবার একদম গ্রহণ করবেন না

    অত্যধিক পরিমাণে লবণ খাওয়া আপনার উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে, তাই এগুলি এড়িয়ে চলতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

     

  • Navaratri: আজ থেকে শুরু নবরাত্রি, ন’দিনে নয় দেবীর আরাধনা, কোন দিন কী পুজো?

    Navaratri: আজ থেকে শুরু নবরাত্রি, ন’দিনে নয় দেবীর আরাধনা, কোন দিন কী পুজো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চৈত্রমাসের শুক্লা প্রতিপদ তিথি থেকে শুরু হয় নবরাত্রি (Navaratri)। এদিন হিন্দু নববর্ষেরও সূচনা হয়। চৈত্র মাসের প্রথম দিন, বা প্রতিপদ, ২১ মার্চ রাত ১০.৫২ মিনিটে শুরু হয়। তবে চৈত্র প্রতিপদ শুরু হবে ২২ মার্চ। ৩০ মার্চ নবমীর দিন পালিত হতে চলেছে বাসন্তী রামনবমী। সেই দিনে দেশ জুড়ে থাকবে উৎসবের আসর। নবমী তিথি ২৯ মার্চ রাত ৯.০৭ মিনিটে শুরু হবে। ২০২৩ সালের রাম নবমী এবং চৈত্র নবরাত্রি উদযাপন ৩০ মার্চ শেষ হবে। চলতি বছরে চৈত্র নবরাত্রি শুরু হচ্ছে ২২ মার্চ থেকে, আর তা শেষ হবে ৩১ মার্চ। বসন্ত নবরাত্রিতে দেবীর নয়টি ভিন্ন অবতারকে নয় দিন ধরে পুজো করা হয়।

    ‘শ্রী বরাহপুরাণে’ হরিহর ব্রহ্মা ঋষির দ্বারা রচিত, দেবী কবচে লেখা রয়েছে – 
    প্রথমং শৈলপুত্রী চ
    দ্বিতীয়ম্ ব্রহ্মচারিণী ।
    তৃতীয়ং চন্দ্রঘণ্টেতি কুষ্মাণ্ডেতি চতুর্থকম্ ।।
    পঞ্চমং স্কন্দমাতেতি,
    ষষ্ঠম্ কাত্যায়নীতি চ।
    সপ্তমং কালরাত্রীতি মহাগৌরীতি চাষ্টমং।।
    নবমং সিদ্ধিদাত্রী চ
    নবদুর্গা প্রকীর্তিতাঃ ।।

    নবরাত্রির (Navaratri) কোন দিনে কী পুজো—

    প্রতিপদ তিথিতে সম্পন্ন হবে মাতা শৈলপুত্রীর পুজো – ২২ মার্চ, বুধবার

    নবরাত্রির প্রথম দিনে মাতা শৈলপুত্রীর পুজো করা হয়। দেবীর নামের অর্থ “পাহাড়ের কন্যা”। তাঁর ভক্তদের বিশ্বাস-মাতা শৈলপুত্রীর আশীর্বাদ স্বরূপ সুস্থ, রোগমুক্ত জীবন পাওয়া যায়। মাতার নৈবেদ্যতে খাঁটি ঘি অর্পণ করা হয়। এই দেবীর আরাধনায় মূলাধার চক্র শুদ্ধ হয়।

    দ্বিতীয়া তিথিতে সম্পন্ন হবে মাতা ব্রহ্মচারিণীর পুজো – ২৩ মার্চ, বৃহস্পতিবার

    নবরাত্রির দ্বিতীয় দিনে এই দেবীর পুজো হয়। ব্রহ্মচারিণী মাতাকে খুশি করতে ভক্তরা চিনি নিবেদন করে থাকেন। বিশ্বাস মতে, মাতা তাঁর ভক্তদের দীর্ঘায়ু প্রদান করেন। এই দেবীর উপাসনার দ্বারা সাধিস্তান চক্র শুদ্ধ হয় হয় বলে ভক্তরা মনে করে।

    তৃতীয়া তিথিতে সম্পন্ন হবে মাতা চন্দ্রঘণ্টার পুজো – ২৪ মার্চ, শুক্রবার

    তৃতীয় দিনে মাতা চন্দ্রঘণ্টার প্রতি ভক্তি নিবেদন করা হয়। এই দেবীর বাহন বাঘ। উগ্র মূর্তি এই দেবীকে ক্ষীর ভোগ অর্পণ করেন ভক্তরা। ভক্তদের বিশ্বাস, দেবী সমস্ত অশুভ শক্তির বিনাশ করেন এবং যাবতীয় বাধা বিঘ্ন দূর করেন।

    চতুর্থী তিথিতে সম্পন্ন হবে মাতা কুষ্মাণ্ডার পুজো- ২৫ মার্চ, শনিবার

    চতুর্থ দিনে মাতা কুষ্মান্ডার প্রতি ভক্তি নিবেদিত হয়‌। শাস্ত্র মতে, এই দেবী মহাবিশ্বের স্রষ্টা। তিনি তাঁর ভক্তদের জ্ঞানদানের দ্বারা বৌদ্ধিক বিকাশ ঘটান এবং কর্মক্ষেত্রে জটিলতা দূর করেন। দেবীকে মালপোয়া ভোগ অর্পণ করা হয়।

    পঞ্চমী তিথিতে সম্পন্ন হবে মাতা স্কন্ধমাতার পুজো- ২৬ মার্চ, রবিবার

    নবরাত্রির পঞ্চম দিনে মাতা স্কন্দমাতার আরাধনা করেন ভক্তরা। ভগবান কার্তিককে কোলে নিয়ে উপবিষ্ট এই দেবীর আশীর্বাদ পেতে ভক্তরা কলা নিবেদন করেন। দেবীর আশীর্বাদে ভক্তের জীবনে পরম সুখ ও শান্তি আসে বলে বিশ্বাস।

    ষষ্ঠী তিথিতে সম্পন্ন হবে মাতা কাত্যায়নীর পুজো- ২৭ মার্চ, সোমবার

    ঋষি কাত্যায়নের কন্যা, শক্তির প্রতীক তথা যোদ্ধা দেবী কাত্যায়নী মাতার পুজো নবরাত্রির ষষ্ঠ দিনে সম্পন্ন হয়। ভক্তদের তিনি শক্তি, ধর্ম ও জাগতিক সুখ প্রদান করেন বলে বিশ্বাস। তাঁকে ভক্তদের মধু নিবেদনের রীতি চালু রয়েছে।

    সপ্তমী তিথিতে সম্পন্ন হবে মাতা কালরাত্রির পুজো- ২৮ মার্চ, মঙ্গলবার

    সপ্তমী পুজো হয় এই দেবীর। দেবী ত্রিশূলধারী। মাতা কালরাত্রির আশীর্বাদে জীবনের সমস্ত কুপ্রভাব বিনষ্ট হয় বলে ভক্তদের ধারণা। মাতাকে গুড় নিবেদন করা হয়।

    অষ্টমী তিথিতে সম্পন্ন হবে মাতা  মহাগৌরীর পুজো- ২৯ মার্চ, বুধবার

    উজ্জ্বল সৌন্দর্যের প্রতীক এই দেবী অষ্টমীতে ভক্তদের দ্বারা আরাধিত হন। মাতা মহাগৌরীর একহাতে ত্রিশূল ও অপর হাতে ডমরু থাকে। তাঁর নৈবেদ্যতে নারকেল রাখার রীতি রয়েছে। বিশ্বাস রয়েছে, মাতার আশীর্বাদ স্বরূপ ভক্তদের ভালো বিবাহ হয়।

    নবমী তিথিতে সম্পন্ন হবে মাতা সিদ্ধিদাত্রীর পুজো- ৩০ মার্চ, বৃহস্পতিবার

    নবরাত্রির (Navaratri) শেষদিনে পুজো হয় এই দেবীর। তিনি ভক্তদের জীবনে সমস্ত অশুভ প্রভাব বিনষ্ট করেন এবং সাফল্য আনেন বলে ভক্তদের ধারণা। মাতা সিদ্ধিদাত্রীকে ভক্তরা তিল নিবেদন করে থাকেন।

    বাসন্তী পুজো কবে পড়ছে

    এদিকে, এই নবরাত্রির (Navaratri) সপ্তমী থেকে দশমী পর্যন্ত সময়ে বাংলার বহু এলাকায় বাসন্তী পুজো পালিত হয়। একনজরে দেখে নেওয়া যাক, এই বাসন্তী পুজোর তারিখ ও সময়কাল –

    বাসন্তীপুজোর ষষ্ঠী তিথি শুরু হতে চলেছে ২৭ মার্চ। সোমবার এই মহাষষ্ঠী পড়ছে। আর সপ্তমীর পুজো মঙ্গলবার ২৮ মার্চ। অষ্টমীর পুজো ২৯ মার্চ, বাসন্তী পুজোর নবমী বৃহস্পতিবার ৩০ মার্চ, বাসন্তী বিজয়া দশমীপুজো ৩১ মার্চ শুক্রবার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja: নবরাত্রির পরেই যুদ্ধে যেতেন রাজারা, কেন জানেন?

    Durga Puja: নবরাত্রির পরেই যুদ্ধে যেতেন রাজারা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবার একটা গোটা বছরের অপেক্ষা। সকাল সকাল তাই একটা ক্ষণও বৃথা যেতে দিইনা আমরা। স্নান সেরে এক্কেবারে মন্ডপে, বাড়ির পুজো হলে তো আবেগ আর একটু বেশী থাকে। সিঁদুর খেলা, মন্ত্রপাঠ , ঘট বিসর্জনের সাথেই আর একটি রীতি নিশ্চয়ই আমাদের দৃষ্টি এড়ায় না। ছোট্ট অনুষ্ঠানটি হলো অপরাজিতা গাছের পুজো। পুজো শেষে অপরাজিতা লতা হাতে জড়িয়ে নিই আমরা। জানেন কি বিজয়া দশমীতে এই অপরাজিতা গাছের পুজো কেন হয়? কেনই বা অপরাজিতা লতা আমরা ধাগা হিসেবে বাঁধি নিজেদের হাতে।  বিজয়লাভের সঙ্কল্প বা প্রতিজ্ঞা নিয়ে হয় অপরাজিতা পুজো। জনশ্রুতি হলো ,আগেকার দিনে নবরাত্রির পরই রাজারা যুদ্ধযাত্রা করতেন। দিনটা হত বিজয়া দশমী। যুদ্ধের জন্য এই সময়টাকেই বেছে নিতেন রাজারা। তার অবশ্য কিছু কারণ ছিল। আচার্য চাণক্য বা কৌটিল্য  তাঁর ‘অর্থশাস্ত্র’তে লিখেছেন এই সময়টাই যুদ্ধযাত্রার শ্রেষ্ঠ সময়। পণ্ডিত রঘুনন্দন তাঁর ‘তিথিতত্ত্ব’ গ্রন্থেও একই কথা বলেছে। সেখানে বলা হয়েছে, রাজা যদি দশমী তিথির  পর যুদ্ধ যাত্রার  সূচনা করেন, তাহলে তার পরাজয় কখনো হয় না। তাই যুদ্ধে অপরাজেয় থাকতে এদিন যাত্রা করতেন রাজারা।  বিজয়কে বরণ বা আলিঙ্গনের প্রত্যাশা নিয়েই করা হত অপরাজিতা পুজো। যে ধারা আজও প্রবহমান।

    সাদা অপরাজিতা গাছকে বিজয়া দশমীর পুণ্য তিথিতে পুজো করা হয়। গাছটিকে দেবীরূপে কল্পনা হয় , ঠিক যেমনটা মহাসপ্তমীতে নবপত্রিকাকে স্নান করানোর সময় কল্পনা করা হয়ে থাকে। নবপত্রিকা যেমন নব দুর্গার প্রতীক, মা দুর্গার বৃক্ষরূপ ভেবে পুজো করা হয় একই ভাবে অপরাজিতা গাছ কে দেবীর বিজয়ের প্রতীক মেনে পুজো করা হয়। অশুভ শক্তির উপর শুভ শক্তির জয়ের প্রতীক, আসুরিক সমস্ত শক্তিকে বিনাশের প্রতীক।  ফুল, বেলপাতা দিয়ে পুজো হয় অপরাজিতা গাছের। অনেকে আবার ঘটস্থাপন করেও পুজো করেন। পুজোর ফল লাভের জন্য হাতে অপরাজিতা লতা বাঁধার রীতির কথা তো আগেই বলা হয়েছে। পুজোর সময় দেবীর উদ্দেশ্যে প্রার্থনা জানানো হয়, ‘‘হে অপরাজিতা দেবী, তুমি সর্বদা আমার বিজয় যাত্রা কে অক্ষুণ্ন রাখো। শত্রু পক্ষকে  বিনাশ করার মতো পর্যাপ্ত শক্তি ও ক্ষমতা আমাকে প্রদান করো। অশুভ সমস্ত শক্তি যেন পরাভূত হয় আমার কাছে। আমাকে তুমি অপ্রতিরোধ্য করে তোলো। আমার সমস্ত আত্মীয়, পরিবার, পরিজন , মিত্রদের  মঙ্গল করো । শত্রু পক্ষকে ধ্বংস করে বিজয় লাভের জন্য আমি তোমাকে দক্ষিণ হাতে  ধারণ করছি। তুমি শত্রু নাশ করে নানা সমৃদ্ধির সাথে আমাকে বিজয় দান কর। আমার জীবন যেন সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য, সমৃদ্ধি তে পরিপূর্ণ হয়। রামচন্দ্র যেমন অত্যাচারী  রাবণের উপর বিজয় লাভ করেছিলেন, আমিও যেন সেইরূপ জয় লাভ করতে পারি”। এমনিতেই দশমী তিথির মাহাত্ম্য অনেক বেশী। এই তিথিতেই রাবণ বধ, আবার এই তিথিতেই মহিষাসুর বধ, মহাভারতে এই তিথিতেই পান্ডবরা অজ্ঞাত বাস শেষে শমী বৃক্ষের কোটর থেকে তাঁদের লুকিয়ে রেখে যাওয়া অস্ত্র বের করেন। দশমীতে অস্ত্রপূজনও হয় তাই। আবার এই তিথিতেই কুবের অযোধ্যায় স্বর্ণবৃষ্টি করেছিলেন বলেই পৌরাণিক মত রয়েছে। বিজয়, সমৃদ্ধির এই পুণ্য তিথিতে মাতৃ আরাধনা করেই যুদ্ধ যাত্রার রীতি ছিল প্রাচীন ভারতীয় রাজাদের মধ্যে।

LinkedIn
Share