Tag: nawsad siddique

nawsad siddique

  • Factory in Bengal: বেকারত্বের করুণ ছবি! বাংলার ২১ লাখ শ্রমিক কাজের খোঁজে ভিন রাজ্যে

    Factory in Bengal: বেকারত্বের করুণ ছবি! বাংলার ২১ লাখ শ্রমিক কাজের খোঁজে ভিন রাজ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাম আমল থেকেই রাজ্যের মানুষের একটা বড় প্রশ্ন ছিল, শিল্প-কলকারখানা (Factory in Bengal) কোথায়? কোথায় বিনিয়োগ? কোথায় কাজ? রাজ্যের শিক্ষিত বেকারদের জন্য উপযুক্ত কর্মসংস্থান কবে হবে? উত্তর আর সামধান, কোনওটাই জোটেনি এই রাজ্যের মানুষের কপালে। বাম রাজত্বের পতনে মিলেছে শুধু বিরাট ঋণের বোঝা। রাজ্যে ২০১১ সালে রাজনৈতিক পালাবদলের পর শাসক বদলে গেলেও বেকারত্বের (Unemploymen) হার কমেনি, বরং দিন দিন বেড়েছে। মানুষ পেটের দায়ে অন্য রাজ্যে যেতে বাধ্য হয়েছে। করোনার অতিমারির সময় সারা দেশে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা সব থেকে বেশি ছিল। এই নিয়ে বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে বাক্যবাণে শোরগোল পড়েছিল।

    বেকারত্ব নিয়ে বিধানসভায় প্রশ্ন-উত্তর (Factory in Bengal)

    রাজ্যে মা-মাটি সরকারের আমলে একাধিকবার বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন হলেও দেখা যায়নি কোনও আশার আলো। সম্প্রতি তারাতলায় ব্রিটানিয়ার কারখানা (Factory in Bengal) বন্ধ হওয়ায় কর্মসংস্থান নিয়ে বিরোধীদের আরও তোপের মুখে পড়তে হয় মমতার সরকারকে। রাজ্যের বিধানসভায় সম্প্রতি আইএসএফ বিধায়ক প্রশ্ন তোলেন, রাজ্যে কতগুলি কলকাখানা বন্ধ আছে, কত শ্রমিক বর্তমানে ভিনরাজ্যে কাজ করছেন? এরপর যা তথ্য উঠে এল, তাতে ‘এগিয়ে বাংলা’ কতটা বলা যায়, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।

    রাজ্যের মন্ত্রীর বক্তব্যেই ভয়বহ অবস্থা (Factory in Bengal)

    বিধানসভায় প্রশ্ন-উত্তর পর্বে রাজ্যের শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটক বলেন, “২০২২-২৩ সালে রাজ্যে মোট ১৭১টি কারখানা (Factory in Bengal) বন্ধ ছিল, আর ২০২৩-২৪ সালে অর্থাৎ বর্তমানে রাজ্যের ১৬৯টি কারখানা বন্ধ হয়েছে। ভিন রাজ্যে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিক রূপে কাজ করছেন মোট ২১ লক্ষ ৫৯ হাজার ৭৩৭ জন শ্রমিক। তবে এর মধ্যে সব থেকে বেশি সংখ্যায় কাজ করছেন মহারাষ্ট্রে।” মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, “কেরলের ধসের ঘটনায় রাজ্য থেকে যাওয়া ২৪২ জন শ্রমিক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে আটকে পড়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১৫৫ জনের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়েছে। সব তথ্য সরকারের দফতরে জমা রয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ ভোট লুটের বিরুদ্ধে ফের আদালতে বিজেপি, এবার সাংসদ দেবকে নোটিশ হাইকোর্টের

    রাজ্য সরকার উত্তর দেয়নি

    রাজ্যের একমাত্র আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি বলেন, “২১ লক্ষের বেশি এই শ্রমিকের সংখ্যা মাত্র এক বছরে নথিভুক্ত করা হয়েছে। ২০২২ সালে কলকারখানা (Factory in Bengal) নিয়ে প্রশ্ন করলে রাজ্যের মা মাটি সরকার কোনও উত্তর দেয়নি। ওয়েনাড়ে কর্মরত বাংলার অনেক শ্রমিক (Unemploymen) এখনও আটকে রয়েছেন। এখনও সবার সঙ্গে সরকার যোগাযোগ করতে পারেনি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ডায়মন্ড হারবারে অভিষেকের বিরুদ্ধে প্রার্থী নওশাদ? কী বললেন সুকান্ত?

    Lok Sabha Election 2024: ডায়মন্ড হারবারে অভিষেকের বিরুদ্ধে প্রার্থী নওশাদ? কী বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) ডায়মন্ড হারবারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কি প্রার্থী হচ্ছেন আইএসএফের নওশাদ সিদ্দিকী? প্রসঙ্গত, নওশাদ সিদ্দিকীর এক মন্তব্যে এই জল্পনা ছড়িয়েছে। ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রে আইএসএফের ভাঙড়ের বিধায়কের প্রার্থী হওয়া নিয়ে জোর চর্চা চলছে রাজনৈতিক মহলের অন্দরে। প্রসঙ্গত রবিবারই আইএসএফ বিধায়ক বলেন, ‘‘দল অনুমোদন দিলে তিনি ডায়মন্ড হারবারে প্রার্থী হিসেবে লড়বেন।’’ সম্প্রতি, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যেও উঠে আসে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্র। তিনিও ইঙ্গিত দেন অভিষেকের বিরুদ্ধে অন্য কাউকে প্রার্থী করার।

    অভিষেককে চ্যালেঞ্জ নওশাদের

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর চ্যালেঞ্জও ছুড়ে দেন নওশাদ সিদ্দিকী। তাঁর সংযোজন, ‘‘আমি কনফিডেন্ট, আমি বেশি ভোট পাব। সঠিক যদি ভোট হয় ৪২টি লোকসভাতে (Lok Sabha Election 2024) হারবে তৃণমূল।’’ ২০১৪ থেকে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রের সাংসদ রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের অন্দরের খবর, এবারও তিনি ওই কেন্দ্র থেকে লড়বেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম যেমন রাজ্য রাজনীতির ভরকেন্দ্র হয়ে দাঁড়িয়েছিল, আগামী লোকসভা নির্বাচনে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্র সেরকম রাজ্য রাজনীতির ভরকেন্দ্র হতে চলেছেন।

    নওশাদের প্রার্থী হওয়া নিয়ে কী বললেন সুকান্ত?

    নওশাদের প্রার্থী হওয়া নিয়ে সোমবার মন্তব্য করতে শোনা গেল সুকান্ত মজুমদারকেও। তিনি বলেন, ‘‘রাজ্য বিজেপিও বলবে খেলা হবে! ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে (Lok Sabha Election 2024) বিজেপি লড়াই দেবে। সোমবার রাজভবনে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করতে যান বালুরঘাটে সাংসদ। রাজভবন থেকে বিজয়ার শুভেচ্ছা জানিয়ে বেরিয়ে আসার পরে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরও জানিয়েছেন যে বিজেপির স্পনসর প্রার্থী কেউ হতে যাবে কেন? বিজেপির সঙ্গে মতাদর্শ সম্পূর্ণ ভিন্ন। যে যেখানে খুশি প্রার্থী হতে পারে! তবে বিজেপিও লড়াই দেবে এবং জিতবে। রেশন দুর্নীতির প্রসঙ্গও সোমবার রাজভবনের সামনে সুকান্তর সাংবাদিক সম্মেলনে উঠে আসে। তিনি বলেন, ‘‘চুরি করেছে। তদন্ত হয়েছে, জেলে গিয়েছে তৃণমূলের নেতারা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুই জানতেন না! প্রশাসন জানত না! এটা কী করে হতে পারে? অপেক্ষা করুন। বালু, আলু অনেকেই যাবেন জেলে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nawsad Siddique: ভাঙড়ে ঢুকতে বাধা! রাজ্যপাল-মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি নওশাদের

    Nawsad Siddique: ভাঙড়ে ঢুকতে বাধা! রাজ্যপাল-মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি নওশাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এলাকায় জারি ১৪৪ ধারা। ভাঙড়ে প্রবেশ করতে পারছেন না সেখানকার বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি (Nawsad Siddique)। তবে বিনা যুদ্ধে জমি ছাড়তে নারাজ তিনি। বললেন, ‘‘এ ভাবে বিপ্লব আটকানো যায় না।’’ভাঙড়ের পরিস্থিতি জানিয়ে, রাজ্যপাল, মুখ্যমন্ত্রী ও বিধানসভার স্পিকারকে চিঠি দিলেন তিনি। জানালেন, প্রয়োজনে কেন্দ্রেও অভিযোগ জানাবেন। 

    ভাঙড়ে শান্তিপ্রতিষ্ঠাই লক্ষ্য

    মঙ্গলবার বারুইপুর সংশোধনাগার থেকে জামিনে মুক্ত ১২ জন আইএসএফ সমর্থককে স্বাগত জানাতে যান নওশাদ সিদ্দিকি। সেখানে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নওশাদ সিদ্দিকি বলেন, ‘‘১৪৪-এর অজুহাতে আমাকে আটকানোর চেষ্টা করা হয়েছে। আমাকে আটকে রাখতে পারবে না। আমি ইতিমধ্যেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি। আদালতের মাধ্যমে আমি সেখানে ছাড়পত্র পাব।’’ নওশাদের কথায়, ‘‘আমায় ১৪৪ ধারার কথা বলে যে ভাবে আটকাচ্ছে (পুলিশ), তাতে আমি রাজ্যপাল, মুখ্যমন্ত্রী, স্পিকার স্যার (বিধানসভার স্পিকার)— সমস্ত দফতরকে জানিয়েছি। এর পর যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো মেনে আমি কেন্দ্রের দ্বারস্থ হব। আমার লক্ষ্য, ভাঙড়ে শান্তিপ্রতিষ্ঠা করা।’’ ভাঙড়ের পরিস্থিতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে নওশাদ বলেন,‘‘ভাঙড়ের মানুষকে যে ভাবে অশান্তির মধ্যে রাখার চেষ্টা হচ্ছে সেটাকে প্রতিহত করে, সুস্থ স্বাভাবিক জীবন যাপন যাতে ভাঙড়বাসী করতে পারেন সেটা ব্যবস্থা করব আমি। যারা শান্ত ভাঙড়বাসীকে অশান্তির মধ্যে রেখেছিল, আতঙ্কের মধ্যে রেখেছিল, যারা ভাঙড়কে রাজনৈতিক উত্তাপের শিরোনামে নিয়ে গেল, সেই সমস্ত রাজনীতির কারবারীদের আমি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ঘুমোতে দেব না।’’

    নওশাদের রক্ষাকবচের মেয়াদ বৃদ্ধি

    অন্যদিকে, মঙ্গলবারই ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির রক্ষাকবচের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হল। আগামী ২৭ জুলাই পর্যন্ত ওই রক্ষাকবচ বৃদ্ধি করা হয়েছে। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি চিত্তরঞ্জন দাসের ডিভিশন বেঞ্চ। অর্থাৎ, ২৭ জুলাইয়ের আগে পর্যন্ত নওশাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগেরর মামলায় কড়া পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। উল্লেখ্য, পঞ্চায়েত ভোটের তিন দিন আগে, ৫ জুলাই নিউ টাউন থানায় ফুরফুরা শরিফের পিরজাদা নওশাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগ দায়ের করেন এক তরুণী। তাঁকে ‘সহায়তা’ করেছিলেন সল্টলেক পুরসভার চেয়ারম্যান তথা তৃণমূলের তরফে ভাঙড়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্ত। ওই অভিযোগকে ‘ষড়যন্ত্র’ বলে দাবি করেন নওশাদ। পরে জানা যায়, ডোমকল শহরে তৃণমূলের সর্বশেষ যে কমিটি ঘোষিত হয়েছিল, তাতে মোট পাঁচ জনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছিল। তার চার নম্বরে নাম ছিল নওশাদের বিরুদ্ধে অভিযোগকারিণী তরুণীর। 

  • Nawsad Siddique: ভাঙড়ে গেলেই আটকাচ্ছে পুলিশ! হাইকোর্টের দ্বারস্থ নওশাদ সিদ্দিকি

    Nawsad Siddique: ভাঙড়ে গেলেই আটকাচ্ছে পুলিশ! হাইকোর্টের দ্বারস্থ নওশাদ সিদ্দিকি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র ভাঙড়ে যেতে দেওয়া হচ্ছে না আইএসএফ (ISF MLA) বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিকে। বিধায়কের দাবি, ১৪৪ ধারা না থাকা সত্ত্বেও তাঁকে ভাঙড়ে প্রবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এই অভিযোগ জানিয়ে সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের ( Calcutta High Court) দ্বারস্থ হলেন নওশাদ (Nawsad Siddique)। কেন পুলিশ যেতে বাধা দিচ্ছেন তাঁর মক্কেলকে এই প্রশ্নের উত্তর চেয়েছেন নওশাদের আইনজীবী। পুলিশের বিরুদ্ধে অতি সক্রিয়তার অভিযোগও তুলেছেন তাঁরা। মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। চলতি সপ্তাহেই শুনানির সম্ভাবনা।

    নওশাদকে বাধা পুলিশের

    ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল শুক্রবার। নিজেরই বিধানসভা কেন্দ্রে বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিকে (Nawsad Siddique) বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। গত শুক্রবার ভাঙড়ে (BHangar) যাওয়ার পথে নিউটাউনে আটকে দেওয়া হয় নওশাদকে। দীর্ঘ ক্ষণ গাড়িতেই বসেছিলেন তিনি। রবিবারও নওশাদকে পড়তে হয় পুলিশি বাধার মুখে। আটকানো হয় তাঁর গাড়ি। যুক্তি দেওয়া হয়, ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। ডিএসপি ক্রাইমকে (বারুইপুর)ভাঙড়ের বিধায়ক প্রশ্ন করেন, ‘‘কেন বার বার পুলিশ বাধা দিচ্ছে? ১৪৪ ধারা জারি থাকার কথা বলা হচ্ছে শুধু। আমি কি ১৪৪ ধারা বলবত রয়েছে এমন এলাকায় দাঁড়িয়ে আছি?এত গাড়ি কী করে যাচ্ছে তাহলে?’’ এরপরই আদালতে যাওয়ার কথা জানান নওশাদ।

    আরও পড়ুন: ভোট পরবর্তী হিংসা, বিজেপির জয়ী প্রার্থীরা আশ্রয় নিলেন অসমে

    রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত

    পঞ্চায়েত ভোট ঘিরে বার বার সংঘর্ষ, বোমাবাজিতে উত্তেজনা ছড়িয়েছে ভাঙড়ে। গত মঙ্গলবার গণনার দিনও প্রাণহানি হয়েছে সেখানে। কাঁঠালিয়ায় গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয়েছিল তিন জনের। তাঁদের মধ্যে দু’জন ছিলেন আইএসএফ কর্মী। এক জন গ্রামবাসী বলে দাবি। আইএসএফ নেতা নওশাদ সিদ্দিকি সেই ঘটনায় ইতিমধ্যেই সিবিআই তদন্ত চেয়েছেন। নওশাদ (Nawsad Siddique) বারবার অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে আটকানো হচ্ছে তাঁকে। তিনি যুক্তি দিয়ে বলেন, “নবান্ন, হাইকোর্ট চত্বর, লালবাজার, সবজায়গাতেই ১৪৪ ধারা থাকে। সাধারণ মানুষ যেতে পারে। অথচ আমাকে আমার এলাকাতেই ঢুকতে দিচ্ছে না।” এ দিকে, আইএসএফ-এর অভিযোগ, পুলিশ নওশাদকে বাধা দিলেও ভাঙড়ে ১৪৪ ধারার মধ্যেই সভা করছে তৃণমূল। প্রায় শতাধিক কর্মী-সমর্থকদের সমাবেশ করেন ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nawsad Siddique: কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পাবেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ জানাল কলকাতা হাইকোর্ট

    Nawsad Siddique: কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পাবেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ জানাল কলকাতা হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন পর্বেই হিংসা দেখেছে ভাঙড়। তাই ভাঙড়ের ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ) বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার আর্জি মঞ্জুর করল হাইকোর্ট। কলকাতা হাইকোর্ট মঙ্গলবার তাঁর আর্জি মঞ্জুর করেছে। তবে নওশাদকে (Nawsad Siddique) কী ধরনের নিরাপত্তা দেওয়া হবে, তা এখনও জানা যায়নি। কেন্দ্রের তরফে রিপোর্ট দিয়ে তা হাইকোর্টে জানানো হবে।

    নওশাদের অভিযোগ

    ভাঙড়ে বিরোধীদের বিশেষ করে আইএসএফ কর্মীদের মনোনয়ন জমায় বাধা দিয়েছে তৃণমূল, এমনই অভিযোগ নওশাদের (Nawsad Siddique)। তিনি নিজে দাঁড়িয়ে থেকেও দলের কর্মীদের মনোনয়ন জমা করাতে হিমশিম খেয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে এবার তিনি প্রাণনাশের আশঙ্কা করতে শুরু করেন। গত শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে লেখা চিঠিতেও নিজের সেই আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন নওশাদ। কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেছেন তিনি। এরই পাশাপাশি রাজ্য সরকারের কাছেও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেছেন নওশাদ।

    নওশাদের দাবি জেড প্লাস নিরাপত্তা

    কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জেড প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা চেয়ে সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ভাঙড়ের বিধায়ক। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে মঙ্গলবার তার শুনানি ছিল। এই মামলায় বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, রাজ্যের অনেক বিধায়কই আলাদা করে নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন। বর্তমানে পঞ্চায়েত ভোটের আবহে ভাঙড়ের পরিস্থিতি উত্তপ্ত। তাই সেখানকার বিধায়ক হিসাবে নওশাদও (Nawsad Siddique) নিরাপত্তা পাবেন। তবে নওশাদকে কী ধরনের নিরাপত্তা দেওয়া হবে, তা নির্দিষ্ট করে বলে দেননি বিচারপতি। কেন্দ্রই তা ঠিক করবে। আগামী সোমবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি। ওই দিন কেন্দ্রের তরফে হাইকোর্টে রিপোর্ট দিয়ে জানাতে হবে নওশাদের জন্য তারা কী ধরনের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবেন।

    আরও পড়ুন: আমি না শাওনি, ঠিক করতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে, বিস্ফোরক বিধায়ক হুমায়ুন কবীর

    হাইকোর্টের নির্দেশের পর নওশাদ (Nawsad Siddique) বলেন, ‘‘আমি প্রথমে রাজ্য সরকারকে বলেছিলাম আমাকে নিরাপত্তা দেওয়া হোক। আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তার পর কেন্দ্রীয় সরকারের কাছেও নিরাপত্তা চেয়েছিলাম। কিন্তু তারা কেউ আমার কথায় কান দেয়নি। বিধায়কের ন্যূনতম যে নিরাপত্তা পাওয়ার কথা, তা-ও আমাকে রাজ্য দেয়নি। তাই বাধ্য হয়েই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলাম।’’ তিনি আরও বলেন, “শুধু আমার নয়, ভাঙড়বাসীর নিরাপত্তার স্বার্থে আমি নবান্নে ছুটে গিয়েছিলাম। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর আমার জন্য সময় হয়ে ওঠেনি। আশা করব, আগামী দিনে ভাঙড়বাসী নিরাপদে থাকবে। না হলে আমি আবার আদালতে যাব।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share